5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

তামিম ছাড়া আবারো ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ

Now Reading
তামিম ছাড়া আবারো ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যানডের দ্বিতীয় টেস্টের দুই দিন গেছে বৃষ্টিতে ভিজে। তৃতীয় দিনে খেলা শুরু হলেও হ্যামিল্টনে প্রথম ইনিংসের ভাগ্য পাল্টাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভালো শুরুর পরও হতাশার শেষ। হ্যামিল্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসের সঙ্গে ওয়েলিংটনের প্রথম ইনিংসেও এমন মিল রেখে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ দল। ওপেনিং জুটিতে ৭৫ রান ওঠার পর বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ২১১ রানে।
প্রথম দুই দিন বৃষ্টির মধ্যে উইকেট ঢেকে রাখায় তা কিছুটা নরম হবে এবং বোলারদের সাহায্য করবে এমনটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সকালের সেশনে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাদমানের ব্যাটিং দেখে তা বোঝা যায়নি। ২১তম ওভার পর্যন্ত টিকেছে তাঁদের জুটি। সাদমান বরাবরের মতো আজও ভালো শুরু পেয়েও উইকেট কামড়ে পড়ে থাকতে পারেননি। ২৭ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন প্রথম স্লিপে। লাঞ্চের আগে নিল ওয়াগনারের হাতে বল তুলে দেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামস। এরপর থেকেই কাঁপা কাঁপি শুরু।
হ্যামিল্টন টেস্টে শর্ট বল অস্ত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কাবু করেছিলেন ওয়াগনার। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে ট্রেন্ট বোল্টও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ওয়েলিংটনে শর্ট বলের পরিমাণ আরও বাড়বে। ওয়াগনার বোলিংয়ে এসেই তা সত্য প্রমাণ করতে শুরু করেন। আর বাংলাদেশের টপ অর্ডার বরাবরের মতোই ওয়াগনারের এই চেষ্টায় সাহায্য করেছেন!
দেশের বাইরে কখনো সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারা মুমিনুল হক (১৫) ফিরেছেন ওয়াগনারের শর্ট অব লেংথের বল সামলাতে না পেরে। নিজের পরের ওভারে এই কিউই পেসার মোহাম্মদ মিঠুনকেও (৩) তুলে নেন সেই শর্ট বলেই। এই দুই ব্যাটসম্যানের কেউ-ই শর্ট বল সামলাতে পারেননি। মুমিনুল ছাড়তে গিয়ে আর মিঠুন পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন। ১ উইকেটে ১১৯ রান তোলা বাংলাদেশ সহসাই ৩ উইকেটে ১২৭ রানে মধ্যাহ্নভোজনে যায়।
মধ্যাহ্নভোজ শেষে দ্বিতীয় সেশনেও পাল্টায়নি দৃশ্যটা। শর্ট বলে উইকেটের পতন আরকি। দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরুর দ্বিতীয় ওভারে ওয়াগনারের বাউন্সার পুল করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফেলেন তামিম। স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করেছেন দলের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭৪। এই নিয়ে টানা তিন ইনিংসে (১২৬, ৭৪, ৭৪) রান পেলেন তামিম। তবে শেষ দুটি ইনিংস বড় করতে না পারার আক্ষেপ থাকবে এই ওপেনারের।
দ্বিতীয় সেশনে খেলা হয়েছে ২৬ ওভার। এই সেশনে ৮৪ রান তোলার বিনিময়ে বাকি ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। যে দল ১ উইকেটে ১১৯ রান তুলেছিল তাঁরা-ই ৪৯ রান তুলতে পরের ৫টি উইকেট হারায়। অর্থাৎ ১৬৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট পরেছে বাংলাদেশের। ওয়াগনার বাউন্সার দিয়ে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর শেষটা টেনেছেন বোল্ট। ৫৯তম ওভারে তিন বলের ব্যবধানে তাইজুল ও মোস্তাফিজকে তুলে নেওয়ার পর ৬১তম ওভারে আবু জায়েদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দেন বোল্ট (৩/৩৮)। বাংলাদেশ শেষ ৪ উইকেটে হারিয়েছে মাত্র ৬ রানে। তবে আসল ক্ষতি যা করার করেছেন সেই ওয়াগনারই। ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারে ধাক্কা দেন তিনি।
আর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক তামিম ছাড়া আর কেউ সেভাবে দাঁড়াতে পারেনি। আর কোনো ফিফটি নেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন লিটন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা ২ উইকেটে ৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে ২টি উইকেটই নিয়েছেন পেসার আবু জায়েদ।

তামিম কি তবে অদৃশ্য শক্তির চাপে সত্য গোপন করলেন?

Now Reading
তামিম কি তবে অদৃশ্য শক্তির চাপে সত্য গোপন করলেন?

গতকাল থেকে ফেসবুকে কিংবা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি খবর দেখা যাচ্ছেঃ বাংলাদেশী ওপেনার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও তার স্ত্রী, সন্তান ইংল্যান্ডে “হেইট ক্রাইমের” স্বীকার হয়েছেন। তামিমের স্ত্রী আয়েশা হিজাব পরেন আর সেই কারণেই নাকি কিছু ইসলাম বিদ্বেষী নরপশু তাদেরকে এসিড মারার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করেন, দৌড়ে পালিয়ে তারা রক্ষা পান।

প্রথম আলোর খেলার পাতার সংবাদে জানা গিয়েছিল ঠিক এমন ঘটনাঃ

  • “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড পরিচালক বলেছেন, ‘তামিম ও তার পরিবারকে ধাওয়া করেছিল কয়েকজন লোক। দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ায় তাদের কিছু হয়নি। এ ঘটনার পরই তামিম দেশে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়।’ আক্রমণকারীদের হাতে অ্যাসিড ছিল বলেও শুনেছেন তিনি। বিসিবির দায়িত্বশীল এই কর্মকর্তার ধারণা, ‘তামিমের স্ত্রী মাথায় হিজাব পরেন। হয়তো সে কারণেই তাঁদের টার্গেট করা হয়েছে।’ এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি তামিমকে”।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি নিজেও আমাদের দেশের এই হার্ড হিটার এর এমন খবরে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। কেননা Daily Star যা কিনা নির্ভরযোগ্য পত্রিকা – তাতেই এটি প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর এটি ভাইরাল হয়ে যায় সারা দেশে সাথে দেশের মানুষও চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে, কেন তামিম কোনো অ্যাকশনে গেলেন না। হঠাৎ কেন তিনি চুপ হয়ে গেলেন এবং দেশে ফেরার চিন্তা-ভাবনা আনলেন? এরপরই প্রথম আলোতে সংবাদ আসে আজ এই শিরোনামে, “তামিম বলেছেন, কিছু হয়নি” সেই সংবাদে বলা হয়েছে ঠিক এমনটাঃ

  • আজ সকালে তামিম তাঁর টুইটারে জানিয়েছে, ‘আমার পরিবারের ওপর হামলা হয়েছে বলে বেশ কিছু খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সত্য নয়। ব্যক্তিগত কারণেই এসেক্স থেকে ফিরে আসছি আমি।’ বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার অ্যালান উইলকিনস এ বিবৃতিতে স্বস্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘স্রষ্টাকে ধন্যবাদ। ব্যাপারটা খোলাসা করার জন্য তামিমকে ধন্যবাদ। আশা করি, সব ঝামেলা মিটে যাবে।’ কাল বিকেলে কাউন্টি ক্লাব এসেক্স তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ব্যক্তিগত’ কারণে তামিম ক্লাব ছেড়ে যাচ্ছেন। বিবৃতিতে এই ইংলিশ কাউন্টি দলটি আরও লিখেছে, ‘আমরা তার মঙ্গল কামনা করছি। এই সময়ে তামিমের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি সম্মান জানালে আমরা খুশি হব।’

এতকিছুর পরেও মানুষের মনে হাজার প্রশ্নের উঁকি দিচ্ছে। আরমান নামক একজন তার মতামতে এমনটাই জানিয়েছেন যেঃ হয় প্রথম আলোর রিপোর্টার ভিত্তিহীন রিপোর্ট করেছেন৷ নতুবা মেরুদণ্ডহীন বিসিবির চাপে তামিম বিষয়টা এড়ানোর চেষ্টা করছেন৷ কিন্তু ব্রিটেনে ‘হেট ক্রাইম’ ছড়িয়ে পড়েছে এটা যখন প্রমাণিত সত্য, তাহলে বলতে হবে তামিম ইকবাল মিথ্যা বলছেন বা সত্যটা চেপে যাচ্ছেন যাতে ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডে খেলার সুযোগ বন্ধ না হয়৷ বেশ কয়েকজন ফেসবুকে তাদের ব্যক্তিগত মতামত থেকে জানিয়েছেনঃ 2019 বিশ্বকাপ তো ওখানেই খেলতে হবে।তাই হয়তো নিরাপত্তার কথা ভেবে কিংবা বোর্ডের চাপে সত্যটা তামিম চেপে গেছে।

জুয়েল নামে একজনের মন্তব্য ঠিক এমনঃ হেট ক্রাইমের ঘটনাটা হয়তো সত্য। তবে তামিম একজন অনেক বড় মানের ও বড় মনের খেলোয়ার। আন্তর্জাতিক ভাবে তিনি পরিচিত। তাই হয়তো ভদ্রতার খাতিরে একটা দেশের নাজুক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নেতিবাচক কথা না বলে বারবার ব্যক্তিগত কারনের কথাই বলছেন। আবার সত্য না বলার জন্য বিসিবির চাপও থাকতে পারে । তবে যাইহোক , বাংলাদেশে এমনটা হলে বিদেশীরা হৈচৈ ফেলে দিতো!

যাইহোক, এতকিছুর পরেও মানুষের মনে ধোয়াঁশা কাটছে না, ধরেই নিলাম এমন কিছু ঘটেছে কিন্তু আমাদের তামিম ইকবাল ও তার পরিবার সুস্থভাবে দেশে ফিরছেন – এটাই আমাদের জন্য বড় কথা। বিসিবি যে সত্যিই মেরুদন্ডহীন সেটা মানুষ আরেকবার প্রমাণ পেলো।

রেফারেন্সঃ প্রথম আলো ( খেলার খবর ) – ১২/০৭/২০১৭ [under fair usage policy]

অস্ট্রেলিয়ার বিদায় , সেমিতে বাংলাদেশ !

Now Reading
অস্ট্রেলিয়ার বিদায় , সেমিতে বাংলাদেশ !

আজ ১৬ কোটি মানুষের চোখ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের দিকে । সবাই মনে প্রাণে দোয়া করছে ইংল্যান্ড যেন জিতে যায় । ইংল্যান্ড জিতে গেলে বাংলাদেশের সেমি ফাইনাল নিশ্চিত । আর যদি বৃষ্টি ও আসে তবুও বাংলাদেশের সেমি ফাইনালে খেলা নিশ্চিত । গত কালের অসাধারণ এক ম্যাচ জিতে সেমি ফাইনালের যাওয়ার সম্ভাবনা টিকিয়ে রেখেছ ।

এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে অভাগা দল অস্ট্রেলিয়া কে বলতে হয় । প্রথম ম্যাচ নিউজিল্যান্ড এর সাথে ১ পয়েন্ট ভাগ ভাগি করে নিতে হয় বৃষ্টির জন্য । সেই বৃষ্টি আবার হানা দিলো বাংলাদেশ দলের সাথে ম্যাচের সময় । সেই সুবাদে এবারো তারা পয়েন্ট ভাগ ভাগি করে নিতে হয় । আজকের ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে আসে অস্ট্রেলিয়া । আগের দুই ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার কারণে এই ম্যাচ ছিল তাদের জন্য বাঁচা মরার লড়াই । শুরু থেকে অস্ট্রেলিয়া চাপে ছিল । উড ৭ তম ওভারে বল করতে আসেন ।ওভারের ২য় বলে ফিরে যান ওয়ার্নার । যখন হাত খুলে খেলতে যাবেন তখনি আউট হয়ে যান তিনি । আউট সাইডের বল এজ হয়ে যায় , সেই সাথে বলকে তালু বন্দি করতে ভুল করেনি বাটলার । ব্যক্তিগত ২১ রান ও দলীয় ৪০ রানের মাথায় হারায় ওয়ার্নার কে । সাময়িক ধাক্কা থেকে উঠে আসে অস্ট্রেলিয়া । মাঠে তখন নেমে আসেন স্মিথ । ক্রিজে থাকে ফিঞ্চের সাথে গড়ে তোলেন অসাধারণ জুটি । তারা দুই জন মিলে করেন ৯৬ রানের এক অনবদ্ধ রান । যার ফলে অস্ট্রেলিয়া এগোতে থাকে বড় সংগ্রহের দিকে ।তখনি তাদের জুটি কে ভেঙে দেন স্টোকস । নিজের ক্যারিয়ারের ৫০ তম উইকেটটি তুলে নেন ফিঞ্চ কে আউট করে । মিড অফ এর দিকে ব্যাট উঁচু করে খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন অধিনায়ক মরগ্যান এর হাতে । কভার থেকে দৌড়ে এসে ক্যাচ লুফে নেন তিনি । ফিঞ্চ এর তখন ৬৮ রান । তার দুই জন দলকে সুবিধা মতো জায়গায় নিয়ে আসে । যেভাবে দল এগিয়ে যাচ্ছিলো মনে হচ্ছিলো তাদের মোট রান ৩০০ ছাড়িয়ে যাবে । কিন্তু ইংল্যান্ড এর নিয়ন্ত্রিত বোলিং এর কারণে পারেনি । বরং দলীয় ১৬৩ রানের মাথায় আউট হয়ে যান হেনরিকেস । রাশিদ খুব ভালো একটি বলে তিনি আউট হয়ে যান । রাশিদ এর গুগলি বল তিনি বুঝে উঠতে পারেননি । বড় শর্ট খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের উপরে লেগে মিড অন এর দিকে চলে যায় । আর এই সহজ ক্যাচ ধরেন প্লাঙ্কেট । এই বিপদের সময় দলকে আরো বিপদে রেখে ফিরে যান স্মিথ । উড এর স্ট্যাম্প এর বাহিরের বল ড্রাইভ খেলতে গিয়ে কভার ড্রাইভে আউট হয়ে যান তিনি । দলের এই মুহূর্তে তার দরকার ছিল , যেন দলকে আরো বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যেতে পারে কিন্তু তিনি তার দায়িত্বে সফল ভাবে পালন করতে পারেননি । দলের তখন ১৮১ রানে ৪ উইকেট । এমন অবস্থায় মাঠে নামেন ম্যাক্সওয়েল । হেড কে নিয়ে খুব ভালো খেলছিলেন ম্যাক্সওয়েল । কিন্তু আবারও উড আঘাত হানে অস্ট্রেলিয়ার দলে। উড এর বল পুল করে দেন তিনি । ছয় হয়ে যাবে ঠিক এমন অবস্থা বলকে তালু বন্দি করেন রয় । সেই সাথে থেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার রানের চাকা । উড এর পরের ওভারে বল করতে আসেন রাশিদ । এক ওভারে দুই উইকেট তুলে নেন তিনি ।দুই ব্যাটসম্যান প্রায় একই শর্ট খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যান । রশিদের গুগলি তাদের জন্য মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায় । এর পর আর কেউ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে । আসা যাওয়া মিছিলের মধ্যে । শুধু শেষের দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত ৭১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে এনে দেয় সুবিধা জনক স্থানে । অস্ট্রেলিয়ার তখন ২৭৭ রান ।

ইংল্যান্ড এর জন্য ২৭৭ রান যে বিশাল না তা খেলতে নেমে প্রথম বলে প্রমাণ করে দেন রয় । প্রথম বলে ৪ মেরে শুরু করেন । কিন্তু তখন ইংল্যান্ডের আকাশে মেঘ সরে যায়নি । প্রথম ওভারের ২য় বলে স্ট্রেস এর বলে ফিরে যান রয় । এলবিডব্লিউ এর ফাঁদে পড়েন তিনি । পরের ওভারে আবার আঘাত হানে হাজলেউড । দলীয় ৬ রানে নেই ইংল্যান্ডের দুই ব্যাটসম্যান । অফ স্ট্যাম্পের বাহিরের বল হুক করতে যান তিনি , কিন্তু টাইমিং ঠিক না থাকার কারণে এজ হয়ে ফিরে যান তিনি । দল তখন ভীষণ চাপে । এর থেকেও বেশি চাপে মনে হয় বাংলাদেশের দর্শক ।ইংল্যান্ডের হারের সাথে সাথে বিদায় নিবে বাংলাদেশ । এই শঙ্কা যেন আরো প্রকট করে তোলে ৰূট । দলীয় ৩৩ রানে নেই ইংল্যান্ডের উপরের সারির তিন ব্যাটসম্যান ।

এর পর শুরু হয় মরগ্যান আর স্টোকস এর খেলা । তাদের ব্যাটিং এ ভর করে ইংল্যান্ড পেয়ে যায় জয়ের সুবাস । তারা ৩৩ রান থেকে টেনে নিয়ে যায় ১৯৫ রান পর্যন্ত । এই নিরবিচ্ছন্ন রানের সুবাদে ইংল্যান্ডের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় । আর সেই সাথে বাংলাদেশের সেমি ফাইনালে খেলাও অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় । মরগ্যান তার ব্যক্তিগত ৮৭ রানে ফিরে যান । অপর প্রান্ত ধরে রাখেন স্টোক । মাঠে নাম বাটলার । বাটলার কে নিয়ে আবার নতুন পার্টনারশিপ করেন স্টোক । দলীয় ২৪০ রানে হানা দেয় বৃষ্টি । কিন্তু তখন ইংল্যান্ড এর জয় প্রায় নিশ্চিত । ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে অস্ট্রেলিয়া কে হারায় ৪০ রানে ।

আর সেই সুবাদে বাংলাদেশ উঠে যায় সেমি ফাইনালে । গ্রুপ ‘এ’ থেকে খেলবে ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ । দীর্ঘ ১১ বছর পর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তে ফিরে সুযোগ পেয়ে গেলো সেমি ফাইনালে ।

বাংলাদেশের জন্য রইলো শুভ কামনা । সেই সাথে ইংল্যান্ড দলকেও জানাই অভিনন্দন ।

Page Sidebar