5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

Now Reading
দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের প্রথম দেশব্যাপী 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করেছে। তিনটি শীর্ষ টেলিকম সরবরাহকারী – এসকে টেলিকম, কেটি, এবং এলজি ইউপ্লাস – তাদের 5G সেবা শুরু করে। হাইপার-ওয়্যার্ড দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন প্রযুক্তিগত দক্ষতার জন্য একটি খ্যাতি অর্জন করেছে এবং সিওল 5G রোলআউটকে অগ্রাধিকার দিয়েছে কারণ এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে হতাশার জন্য উদ্দীপিত করতে চায়। তবে মার্কিন মোবাইল ক্যারিয়ার ভেরাইজন তার 5G পরিষেবাকে প্রাথমিকভাবে জোরপূর্বক দক্ষিণ কোরীয় সরবরাহকারীরা দেরিতে রাতের প্রবর্তনের জন্য সংগঠিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক অনুষ্ঠানে ভেরাইজন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও মিনিয়াপলিসে তার 5G সেবা চালু করতে শুরু করে।
কিন্তু ইয়নহ্যাপের মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই ঘণ্টা আগেই এটি চালু হয়েছিল।

“এসকে টেলিকম ঘোষণা করেছে যে কোরিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী ৬জন সেলিব্রিটিদের জন্য 5G সেবা সক্রিয় করেছে,” দেশের বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।
কে-পপ ব্যান্ড EXO এবং অলিম্পিক আইস স্কেটিংয়ের নায়ক কিম ইউ-না-এর দুইজন সদস্য সেলিব্রিটি বিশ্বের প্রথম 5G স্মার্টফোনের গ্রাহক ছিল।

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সেবাগুলি শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে। পূর্ববর্তী লঞ্চ তারিখ যখন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের প্রথম উপলব্ধ স্মার্টফোন গ্যালাক্সিS10 5G চালু করে।
গত বছর ১২ টি শহরে তার 5G E নেটওয়ার্কের নামকরণকারী প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন ক্যারিয়ার এটি অ্যান্ড টি তার প্রতিদ্বন্দ্বী লেনিভোর মটো Z3 স্মার্টফোনের সাথে ভেরাইজন এর সিস্টেমটি কাজ করবে যদিও এটি 5G সিস্টেমের তুলনায় ধীর এবং এটি সম্পূর্ণরূপে পঞ্চম প্রজন্ম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 5G স্মার্টফোনের নিকটবর্তী তাৎক্ষণিক সংযোগ নিয়ে আসবে যা 4G থেকে ২0 গুণ বেশি দ্রুত। ব্যবহারকারীরা এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে পুরো সিনেমা ডাউনলোড করতে পারবেন।
লন্ডনের ভিত্তিক গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোটের মতে, ২০৩৪ সালের মধ্যে স্ব-ড্রাইভিং যানবাহনগুলির মতো ডিভাইসগুলির ভবিষ্যতের বিকাশের জন্য প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সুবিধাগুলিতে ৫৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আনতে পারে।

চীনের মালিকানাধীন টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ে থেকে 5G সমাধান এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সহযোগী ও প্রধান অর্থনীতির চাপ সৃষ্টি করেছে যার ফলে প্রযুক্তিগত ব্যাকডোর 5G-সংযুক্ত ইউটিলিটি এবং অন্যান্য উপাদানগুলিতে বেইজিং অ্যাক্সেস সরবরাহ করতে পারে এমন নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলি উদ্ধৃত করে। হুয়াওয়ে কর্তৃক নিবন্ধিত ১,৫২৫ 5G পেটেন্ট সহ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলি মোট ৩,৪০০ পেটেন্টের মালিকানাধীন মোট বিশ্বে এক তৃতীয়াংশের বেশি, তথ্য বিশ্লেষণ সংস্থা আইপ্লেটিকসের মতে। দক্ষিণ কোরিয়া পরবর্তীতে আসে যার ২৫০ টি পেটেন্ট রয়েছে এবং মার্কিন সংস্থাগুলির ১,৩৬৮ টি পেটেন্ট রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দিলো দক্ষিণ কোরিয়াকে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দিলো দক্ষিণ কোরিয়াকে

যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়াকে অত্যাধুনিক দুটি এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান প্রদান করেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে দেশটিকে ১০টি এফ ৩৫ সরবরাহের কথা রয়েছে ওয়াশিংটনের। এর অংশ হিসেবেই এগুলো সরবরাহ করা হয়েছে। শুক্রবার বিমান দুটি দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। আগামী মাসে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই যুদ্ধবিমান জনগণের সামনে উন্মোচন করবে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, রাজধানী সিউলের প্রায়১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে চেঙ্গুজুর একটি বিমান ঘাঁটি থেকে অত্যাধুনিক এই দুই যুদ্ধবিমান গ্রহণ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান বাহিনী। বাকি আটটিও এ বছরের মধ্যেই সরবরাহ করা হবে।
২০১৪ সালের এক চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এসব এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান কিনছে সিউল। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে দেশটিকে ৪০টি এফ ৩৫ সরবরাহ করবে ওয়াশিংটন। এজন্য ইতোমধ্যেই ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার চির প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করেই এমন আশঙ্কা করছেন তারা। শঙ্কা বৃদ্ধির কারণ, সানুমডং নামের সংশ্লিষ্ট স্থানটিতে আগে থেকেই উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিয়ংইয়ং-এর এমন প্রস্তুতিকে হতাশাজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
উত্তর কোরিয়া যাতে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র গবেষণা পরিহার করে তা নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ দিয়ে আসছে। দেশটির ওপর দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ২০১৮ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সিঙ্গাপুরে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে মিলিত হন। সেখানে চূড়ান্ত কোনও সমঝোতা না হলেও দুই পক্ষ আবারও মিলত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত হয় ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় সম্মেলন। কিন্তু সেখান থেকেও সুনির্দিষ্ট কোনও ঘোষণা আসেনি। এর মধ্যেই শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়াকে দুইটি অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করলো যুক্তরাষ্ট্র।

শান্তির পথে উত্তর কোরিয়া

Now Reading
শান্তির পথে উত্তর কোরিয়া

শেষ পর্যন্ত লড়াকু মনোভাব পরিত্যাগ করে সকল প্রকার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। তার এই ঘোষণায় কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিস্থাপন করতে ২১ এপ্রিল থেকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা ও আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এর সকল প্রকার পরীক্ষা বন্ধ রাখবে। তাছাড়া কোরীয় উপদ্বীপে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো ও শান্তির প্রয়োজনীয়তা দেখছে দেশটি তাই পূর্বের অবস্থা থেকে সরে এসে নমনীয় হয়েছে প্রেসিডেন্ট কিম। যদি এটি ঘটে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও উত্তর কোরীয় নেতার মধ্যে এটি প্রথম কোনো বৈঠক হবে।

North Korean nuclear warhead

উল্লেখ্য, গেল বছরের নভেম্বরে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের একটি সফল সফল পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। এতে কোরীয় উপদ্বীপের রাষ্ট্রসমূহ এবং আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দেশটি। উত্তর কোরিয়া দাবী করে তাদের পরীক্ষাকৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো জায়গায় সফল আঘাত হানতে সক্ষম। মূলত এ পরীক্ষার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ তৎপর হয়। তাদের দাবী উত্তর কোরিয়া বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে আসছে।

এদিকে কিমের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার এক টুইট বার্তায় বলেছেন- ‘এটি একটি বিশাল অগ্রগতি এবং উত্তর কোরিয়া ও বিশ্বের অন্যদের জন্য খুব ভালো খবর’। ট্রাম্প আরো বলেন, উত্তর কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করলে সামনে তার জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। আর দক্ষিন কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে তাদের মুখপত্র বলেছেন- উত্তর কোরিয়ার এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং অর্থবহ অগ্রগতি।

আগামী জুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট কিমের মধ্যকার এক সামিট আয়োজিত হতে পারে যা নজিরবিহীন। যদি এমনটা হয় তবে, ক্ষমতাসীন মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টের সাথে উত্তর কোরিয়ার কোনো নেতার এটাই হবে আনুষ্ঠানিক প্রথম বৈঠক। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন এবং উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন এর মধ্যে টেলিফোনে সংযোগ স্থাপিত হয়।  এদিকে এই দুই কোরীয় নেতার বৈঠকের বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে, তাই আশা করা যাচ্ছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হয়ত তা হবে। দুই চির শত্রুভাবাপন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলে তা হবে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রথম বৈঠক।

মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএর সাবেক পরিচালক মাইক পম্পিও এক গোপন সফরে উত্তর কোরিয়া গিয়ে ওই দেশটির নেতা কিম জং আনের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তাই সবার ধারণা ট্রাম্প ও কিম জং ইনের মধ্যকার বৈঠকের  প্রস্তুতি হিসেবেই পম্পিওর ওই সাক্ষাৎ। কিছুদিন আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সরকারে নতুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পম্পিওর নাম ঘোষণা করেছিলেন। ট্রাম্প নিজেও কিছুদিন পূর্বে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সাথে উচ্চ পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও উত্তর কোরিয়া সফরের পরিকল্পনা করছেন, অবশ্য কিছুদিন আগেই কিম জং ইন নিজেও বেজিং সফর করে এসেছেন। এদিকে সবকিছু সামনে রেখেই প্রভাবশালী দেশসমূহ কোরীয় দ্বীপের রাষ্ট্রটির সাথে নানামুখী ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রায় প্রতিটি দেশই উত্তর কোরিয়াকে শান্ত রাখতে কৌশল অবলম্বন করেছে, আর তাদের সে উদ্দ্যেগকে শ্রদ্ধা জানিয়ে উত্তর কোরিয়াও নমনীয় হয়ে এই ঘোষণাটি দিল।

Page Sidebar