মঙ্গলগ্রহের জন্য নাসার মিনি হেলিকপ্টার.

Now Reading
মঙ্গলগ্রহের জন্য নাসার মিনি হেলিকপ্টার.

এই সপ্তাহের শুরুতে নাসা একটি ক্ষুদ্র হেলিকপ্টারের নকশা প্রকাশ করেছে যা মঙ্গল গ্রহে একটি মিশনে পাঠানোর পরিকল্পনা করে। সেই সময়ে স্পেস এজেন্সিটি বলেছিল যে সামান্য হেল্পার লাল রেঞ্জের বরফের তাপমাত্রা এবং পাতলা বায়ুমন্ডলে পরিচালনা করতে পারবে কিনা তা দেখার জন্য সিমুলেশন পরিচালনা করবে কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে প্রকল্পটির পাশাপাশি এটিতে আরও অনেক কিছু রয়েছে। গাড়িটি ইতিমধ্যেই নির্মিত এবং সফলভাবে পৃথিবীতে পরীক্ষা করা হয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের ২০২০ রোভারের আগমনের সময় এটি গ্রহের পৃষ্ঠের কঠোর অবস্থার সাথে বেঁচে থাকতে পারে তা প্রমাণ করার জন্য হেলিকপ্টার কঠোর সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
২০১৯ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে নাসা এর মঙ্গলে হেলিকপ্টারের ফ্লাইট মডেল (লাল প্ল্যানেট যাওয়ার প্রকৃত গাড়ি) তৈরি করা সমস্ত টুকরা পরীক্ষা করেছিল। ৪ পাউন্ড (1.8 কিলোগ্রাম) এরও বেশি দামে হেলিকপ্টারটি বর্তমানে প্রযুক্তির বিক্ষোভ প্রকল্প।

ফ্লাইট মডেলটি বেশিরভাগ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল তা প্রদর্শনের সাথে সাথে মঙ্গলে কিভাবে এটি চালানো যায় তা প্রদর্শন করতে এবং কীভাবে মঙ্গলের মতো তাপমাত্রায় এটি সঞ্চালিত হয়। এই পরীক্ষাটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিস্থাপিত হবে যখন হেলিকপ্টারটি লাল প্ল্যানেটের পৃষ্ঠপোষকতায় পৌঁছাবে। এটি মঙ্গল গ্রহে ২০২০ রোভারের পেটের নিচে নেমে আসবে। কয়েক মাস পরে এটি স্থাপন করা হবে এবং ফ্লাইট পরীক্ষা করা হবে (90 সেকেন্ড পর্যন্ত দীর্ঘ) শুরু হবে অন্য বিশ্বের পৃষ্ঠ থেকে প্রথম।
নাসার জেট প্রোপলসন ল্যাবরেটরিতে মঙ্গলগ্রহ হেলিকপ্টারের প্রকল্প পরিচালক মিমি আং পাসেডেন বলেন, “মঙ্গলগ্রহ প্রথম ফ্লাইটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আমরা প্রকৌশল মডেলের সাথে ৭৫ মিনিটেরও বেশি উড়ন্ত সময় লগ ইন করেছি যা আমাদের হেলিকপ্টারের কাছাকাছি আনুমানিক ছি্ল। কিন্তু ফ্লাইট মডেলের এই সাম্প্রতিক পরীক্ষা বাস্তব চুক্তি ছিল। এই হেলিকপ্টার মঙ্গলগ্রহের জন্য আবদ্ধ। আমাদের যা দেখা প্রয়োজন এটির বিজ্ঞাপন হিসেবে কাজ।”

পৃথিবীতে উড়ন্ত হেলিকপ্টারগুলি সাধারণ জায়গা হলেও পাতলা মার্টিন বায়ুমন্ডলে মিলিয়ন মাইল (কিলোমিটার) দূরে উড়ন্ত
সম্পূর্ণ অন্য কিছু। এবং পৃথিবীতে পরীক্ষা করার জন্য সঠিক শর্তগুলি তৈরি করে তার নিজের চ্যালেঞ্জগুলি উপস্থাপন করে।


অং বলেন, “মার্টিন বায়ুমণ্ডলে পৃথিবীর ঘনত্ব মাত্র এক শতাংশ। আমাদের পরীক্ষিত ফ্লাইটগুলি পৃথিবীতে একই বায়ুমণ্ডলীয় ঘনত্বে থাকতে পারে যদি আপনি আপনার বিমান ১০০,০০০ ফুট (30,480 মিটার) উপরে রাখেন তবে আপনি কোথাও যেতে পারবেন না।” অং এবং তার মঙ্গলগ্রহের হেলিকপ্টার দলটি কেবলমাত্র ২৫ফুট প্রশস্ত ভ্যাকুয়াম চেম্বারের জেপিএল স্পেস সিমুলেটারে এটি করেছিল। প্রথমত, দলটি একটি ভ্যাকুয়াম তৈরি করেছে যা বিশাল সিলিন্ডারের ভিতরে বাতাস থেকে সমস্ত নাইট্রোজেন, অক্সিজেন এবং অন্যান্য গ্যাসগুলিকে নির্মূল করে। তাদের জায়গায় টিম মঙ্গল গ্রহের বায়ুমন্ডলের প্রধান উপাদান কার্বন ডাই অক্সাইডকে ইনজেক্ট করেছিল।
দলটি একটি মাধ্যাকর্ষণ ভারমুক্ত সিস্টেমের সাথে এটি সম্পন্ন করেছে। হেলিকপ্টারের উপরে সংযুক্ত একটি মোটরসাইকেল লাইনার্ড যা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের দুই-তৃতীয়াংশের সমতুল্য একটি অবিচ্ছিন্ন টগ সরবরাহ করে। হেলিকপ্টারটি কীভাবে তার প্রথম ফ্লাইটে ভাড়া দেবে সে সম্পর্কে দলটি যথাযথভাবে উদ্বিগ্ন ছিল কিন্তু তারা কিভাবে মাধ্যাকর্ষণ ভারমুক্ত সিস্টেম সঞ্চালন করবে তার সাথেও সমানভাবে উদ্বিগ্ন ছিল।

২০২০ সালের জুলাই মাসে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাওয়ারেল এয়ার ফোর্স স্টেশনে স্পেস লঞ্চ কমপ্লেক্স ৪১ থেকে ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্স অ্যাটালাস ভি রকেটে মঙ্গলগ্রহ ২০২০ রোভারের সাথে হেলিকপ্টারটি প্রযুক্তি প্রদর্শক হিসাবে চালু হবে। ২0২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলগ্রহে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। ২০২০রোভার মঙ্গলে তার ল্যান্ডিং সাইটের ভূতাত্ত্বিক মূল্যায়ন পরিচালনা করবে, পরিবেশের বাসস্থান নির্ধারণ করবে, প্রাচীন মার্টিন জীবনের লক্ষণ অনুসন্ধান করবে এবং ভবিষ্যতে মানব অনুসন্ধানকারীদের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ এবং বিপদের মূল্যায়ন করবে। বিজ্ঞানীরা রোভারের মাটিতে শিলা ও মাটির নমুনা সনাক্ত ও সংগ্রহ করতে সীলমোহর টিউবে তাদের সঙ্কুচিত করতে এবং ভবিষ্যতে মঙ্গলের মিশনে পৃথিবীতে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের জন্য গ্রহের পৃষ্ঠায় তাদের ছেড়ে দেবেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় পাসেডেনের জেপিএল-এ মঙ্গল ২০২০ প্রকল্প NASA সদর দফতরে বিজ্ঞান মিশন অধিদফতরের জন্য রভার বিকাশ পরিচালনা করে। ফ্লোরিডার সংস্থা কেনেডি স্পেস সেন্টারে অবস্থিত নাসার লঞ্চ সার্ভিস প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য দায়ী।

এই প্রথম একজন নারী মঙ্গলগ্রহে পা রাখতে চলেছে

Now Reading
এই প্রথম একজন নারী মঙ্গলগ্রহে পা রাখতে চলেছে

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ ও মঙ্গলগ্রহে নারীদের পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। বলা হয়েছে মঙ্গলগ্রহে প্রথম পা রাখবেন একজন নারী। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নাসার প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টিন বলেছেন, পরবর্তী ধাপে চাঁদের বুকে পাঠানো হবে একজন নারীকে। আর মঙ্গলগ্রহে প্রথম পা রাখবেন যিনি তিনিও হবেন একজন নারী। এছাড়া আগামী মাসে নাসা স্পেসওয়াক নামে একটি মিশন পরিচালনা করবে। এতে অংশ নেবেন শুধু নারীরা।

অভিযানে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যান ম্যাক্লেইন এবং ক্রিস্টিনা কোচ মহাশূন্যে ভাসবেন। তুলার মতো তারা সাত ঘণ্টা ধরে মহাকাশে হেঁটে বেড়াবেন। ব্রাইডেনস্টিন বলেছেন, এ দিনগুলো হবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, ম্যাক্লেইন ও কোচ দু’জনেই ২০১৩ সালের জ্যোতির্বিদদের শ্রেণীভুক্ত। ওই সময় যে পরিমাণ জ্যোতির্বিদ নাসায় যোগ দিয়েছেন তার মধ্যে অর্ধেকই নারী।

এখন পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে নাসায় তার মধ্যে ওই সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন জমা হয় যার সংখ্যা কমপক্ষে ৬১০০। সাম্প্রতিক ফ্লাইট ডিরেক্টর ক্লাসেরও শতকরা ৫০ ভাগ নারী।

হ্যাক হওয়া নাসা’র ২৭৮ জিবি ফাইলে আসলে কি ছিল?

Now Reading
হ্যাক হওয়া নাসা’র ২৭৮ জিবি ফাইলে আসলে কি ছিল?

স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহন করা (যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব প্রাপ্ত)গ্যারি ম্যাককিনন নামের একজন হ্যাকার ২০০২ সালে নাসার সার্ভার
হ্যাকিং করে ২৭৮ জিবি ডাটা পাবলিক করে দেয়।যার কারনে এই সব ডাটায় নাসার গোপন কিছু বিষয় সবাই জানতে পারে।
চাঁদে মানুষের গমনের বিভিন্ন তথ্য গোপন ছিল সেই সকল ডকুমেন্টগুলোতে।নাসা কখনোই তাদের গোপন তথ্য কাউকে জানায় না। গ্যারি ম্যাককিনন যদি হ্যাক না করত তাহলে হয়তো অনেক কিছু আজীবন অজানাই থেকে যেত।
১৯৬৪ সালে নাসা রেঞ্জার সেভেন নামক স্যাটেলাইটটি লঞ্চ করে। এটি চাঁদের কক্ষপথ থেকে নাসাকে ৪৭০০ ছবি পাঠায়। এদের মাঝে অল্প কিছু ছবি ছাড়া বাকি সব ছবিই গোপন রাখা হয়। নাসা এসব ছবির একটিও প্রকাশ করতে চায়নি।১৯৬৫সালের জুনে নাসার একটি ডকুমেন্টে বলা হয়- নাসার একজন এস্ট্রোনাট জেমস ম্যাকডেভিড নাসাকে কিছু তথ্য দেন। তিনি বলেন-চাঁদের বুকে তিনি একটি ভিনগ্রহের স্পেসশিপ দেখেন। তিনি বলেন- তিনি এই স্পেসক্রাফট এর ছবি নেয়ার জন্যে অনেক কাছে চলে যান। কিন্তু সূর্যের আলোর কারণে তিনি ভাল ছবি তুলতে পারেননি। এরপর সেটি মিলিয়ে যায়। এরপর নাসা কিছু কোড ওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করে।২৪ ডিসেম্বর ১৯৬৮ সালে এপোলো মিশনের মাধ্যমে নাসা চাঁদের কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করে। এরপর নাসা ও এপোলো ৮ এর মাঝে কিছুক্ষন কথপোকথন হয়। এপোলো ৮ থেকে মিশন কন্ট্রোলার নাসাকে জানায়-
তিনি ওখানে সান্টাক্লজ দেখেছেন। এর মানে তিনি ভিনগ্রহের কিছু একটা দেখেছিলেন। নাসা থেকে হ্যাক হয়ে যাওয়া সার্ভারে এই কথপোকথন রেকর্ডেড অবস্থায় পাওয়া যায়।
১৯৬৯ সালে এপোলো ১১ লঞ্চ হলে মাইকেল কলিন্স যখন সামনে থেকে চাঁদকে দেখেন; তিনি প্রচন্ড ভয় পান। যখন নীল আমস্ট্রং ও নাসার মাঝে কথপোকথন হচ্ছিল তখন লাইভ টেলিকাস্ট থেকে হঠাৎ দুই মিনিট বিরতি ঘটে। কী ঘটেছিল এই দুই মিনিটে? হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট অনুযায়ী- ওখানে নীল আমস্ট্রং ও বাকিরা সত্যিকারের এলিয়েন স্পেসশিপ দেখেছিল। তাঁদের এই কথপোকথন নাসা বন্ধ করে দেয়। এতোদিন পর্যন্ত মানুষ জানত -চাঁদের মাটিতে নাসা শুধু আমেরিকার পতাকাই উত্তোলন করে এসেছে। কিন্তু হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট মতে- আরো দুটো জিনিস চাঁদের বুকে রেখে আসা হয়। একটি হল সোনার তৈরি গাছের পাতার প্রতিকৃতি। অন্যটি হল সিলিকন ডিস্ক- তাতে ৭৩ দেশের রাষ্ট্রপতি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মেসেজ
রেকর্ড করা ছিল।এরপর নাসা আর কোন স্পেসক্রাফট চাঁদে পাঠায়নি।

১৮ বছর বয়সী বালকের চমক,তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্যাটেলাইট

Now Reading
১৮ বছর বয়সী বালকের চমক,তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্যাটেলাইট

ভারতের তামিলনাড়ু এর ছাত্র রিফাত সারুক তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট আকারের স্যাটেলাইট। আগামী ২১ই জুন তার এ স্যাটেলাইট নাসার একটি রকেটের মাধ্যমে ‘wallops island’ থেকে উৎক্ষেপন করা হবে।এটিই প্রথম কোনো ভারতীয় শিক্ষার্থীর তৈরি করা এক্সপেরিমেন্ট নাসার মাধ্যমে স্পেসে পাঠানো হবে।

সারুকের বয়স মাত্র ১৮ বছর এবং সে দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। তার বিস্ময় জাগানো স্যাটেলাইট এর ওজন মাত্র ৬৪ গ্রাম।ইন্ডিয়া টাইমসের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সারুক বলেন,”স্যাটেলাইটটির মূল কাজ হবে থ্রিডি প্রিন্টেড কার্বন ফাইবারের পারফর্মেন্স প্রদর্শন করা।স্যাটেলাইটের যে বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়েছিল তা হলো এর ডিজাইন।”

স্যাটেলাইটটি বানানো হয় একটি প্রতিযোগিতায় উপস্থাপনের জন্য।’কিউবস অন স্পেস’ নামের এই প্রতিযোগিতায় আয়োজকের ভূমিকা পালন করা স্বয়ং’নাসা’ এবং ‘আই ডুডল লার্নিং’ নামক প্রতিষ্ঠান।ভারতের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট এবং প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এপিজে আব্দুল কালামের নামানুসারে স্যাটেলাইট এর নাম রাখা হয়েছে ‘কালামস্যাট’।

সারুক আরো বলেন,”এটি তৈরি করার আগে আমি অনেক স্যাটেলাইট নিয়ে গবেষণা করেছিলাম ।স্যাটেলাইটটি তৈরির কিছু সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনা হয়েছে এবং বাকিগুলো এখান থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে।”

সারুকের এই আবিস্কার নিয়ে আলোচনা চলছে ভারত জুঁড়ে।অবশ্য এটিই সারুকের প্রথম আবিষ্কার নয়।এর আগে ২০১৫ সালে মাত্র ১2০০ গ্রাম ওজনের একটি হিলিয়াম ওয়েদার বেলুন উৎক্ষেপণ করে সে।

Page Sidebar