হ্যাক হওয়া নাসা’র ২৭৮ জিবি ফাইলে আসলে কি ছিল?

Now Reading
হ্যাক হওয়া নাসা’র ২৭৮ জিবি ফাইলে আসলে কি ছিল?

স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহন করা (যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব প্রাপ্ত)গ্যারি ম্যাককিনন নামের একজন হ্যাকার ২০০২ সালে নাসার সার্ভার
হ্যাকিং করে ২৭৮ জিবি ডাটা পাবলিক করে দেয়।যার কারনে এই সব ডাটায় নাসার গোপন কিছু বিষয় সবাই জানতে পারে।
চাঁদে মানুষের গমনের বিভিন্ন তথ্য গোপন ছিল সেই সকল ডকুমেন্টগুলোতে।নাসা কখনোই তাদের গোপন তথ্য কাউকে জানায় না। গ্যারি ম্যাককিনন যদি হ্যাক না করত তাহলে হয়তো অনেক কিছু আজীবন অজানাই থেকে যেত।
১৯৬৪ সালে নাসা রেঞ্জার সেভেন নামক স্যাটেলাইটটি লঞ্চ করে। এটি চাঁদের কক্ষপথ থেকে নাসাকে ৪৭০০ ছবি পাঠায়। এদের মাঝে অল্প কিছু ছবি ছাড়া বাকি সব ছবিই গোপন রাখা হয়। নাসা এসব ছবির একটিও প্রকাশ করতে চায়নি।১৯৬৫সালের জুনে নাসার একটি ডকুমেন্টে বলা হয়- নাসার একজন এস্ট্রোনাট জেমস ম্যাকডেভিড নাসাকে কিছু তথ্য দেন। তিনি বলেন-চাঁদের বুকে তিনি একটি ভিনগ্রহের স্পেসশিপ দেখেন। তিনি বলেন- তিনি এই স্পেসক্রাফট এর ছবি নেয়ার জন্যে অনেক কাছে চলে যান। কিন্তু সূর্যের আলোর কারণে তিনি ভাল ছবি তুলতে পারেননি। এরপর সেটি মিলিয়ে যায়। এরপর নাসা কিছু কোড ওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করে।২৪ ডিসেম্বর ১৯৬৮ সালে এপোলো মিশনের মাধ্যমে নাসা চাঁদের কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করে। এরপর নাসা ও এপোলো ৮ এর মাঝে কিছুক্ষন কথপোকথন হয়। এপোলো ৮ থেকে মিশন কন্ট্রোলার নাসাকে জানায়-
তিনি ওখানে সান্টাক্লজ দেখেছেন। এর মানে তিনি ভিনগ্রহের কিছু একটা দেখেছিলেন। নাসা থেকে হ্যাক হয়ে যাওয়া সার্ভারে এই কথপোকথন রেকর্ডেড অবস্থায় পাওয়া যায়।
১৯৬৯ সালে এপোলো ১১ লঞ্চ হলে মাইকেল কলিন্স যখন সামনে থেকে চাঁদকে দেখেন; তিনি প্রচন্ড ভয় পান। যখন নীল আমস্ট্রং ও নাসার মাঝে কথপোকথন হচ্ছিল তখন লাইভ টেলিকাস্ট থেকে হঠাৎ দুই মিনিট বিরতি ঘটে। কী ঘটেছিল এই দুই মিনিটে? হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট অনুযায়ী- ওখানে নীল আমস্ট্রং ও বাকিরা সত্যিকারের এলিয়েন স্পেসশিপ দেখেছিল। তাঁদের এই কথপোকথন নাসা বন্ধ করে দেয়। এতোদিন পর্যন্ত মানুষ জানত -চাঁদের মাটিতে নাসা শুধু আমেরিকার পতাকাই উত্তোলন করে এসেছে। কিন্তু হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট মতে- আরো দুটো জিনিস চাঁদের বুকে রেখে আসা হয়। একটি হল সোনার তৈরি গাছের পাতার প্রতিকৃতি। অন্যটি হল সিলিকন ডিস্ক- তাতে ৭৩ দেশের রাষ্ট্রপতি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মেসেজ
রেকর্ড করা ছিল।এরপর নাসা আর কোন স্পেসক্রাফট চাঁদে পাঠায়নি।

১৮ বছর বয়সী বালকের চমক,তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্যাটেলাইট

Now Reading
১৮ বছর বয়সী বালকের চমক,তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্যাটেলাইট

ভারতের তামিলনাড়ু এর ছাত্র রিফাত সারুক তৈরি করল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট আকারের স্যাটেলাইট। আগামী ২১ই জুন তার এ স্যাটেলাইট নাসার একটি রকেটের মাধ্যমে ‘wallops island’ থেকে উৎক্ষেপন করা হবে।এটিই প্রথম কোনো ভারতীয় শিক্ষার্থীর তৈরি করা এক্সপেরিমেন্ট নাসার মাধ্যমে স্পেসে পাঠানো হবে।

সারুকের বয়স মাত্র ১৮ বছর এবং সে দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। তার বিস্ময় জাগানো স্যাটেলাইট এর ওজন মাত্র ৬৪ গ্রাম।ইন্ডিয়া টাইমসের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সারুক বলেন,”স্যাটেলাইটটির মূল কাজ হবে থ্রিডি প্রিন্টেড কার্বন ফাইবারের পারফর্মেন্স প্রদর্শন করা।স্যাটেলাইটের যে বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়েছিল তা হলো এর ডিজাইন।”

স্যাটেলাইটটি বানানো হয় একটি প্রতিযোগিতায় উপস্থাপনের জন্য।’কিউবস অন স্পেস’ নামের এই প্রতিযোগিতায় আয়োজকের ভূমিকা পালন করা স্বয়ং’নাসা’ এবং ‘আই ডুডল লার্নিং’ নামক প্রতিষ্ঠান।ভারতের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট এবং প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এপিজে আব্দুল কালামের নামানুসারে স্যাটেলাইট এর নাম রাখা হয়েছে ‘কালামস্যাট’।

সারুক আরো বলেন,”এটি তৈরি করার আগে আমি অনেক স্যাটেলাইট নিয়ে গবেষণা করেছিলাম ।স্যাটেলাইটটি তৈরির কিছু সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনা হয়েছে এবং বাকিগুলো এখান থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে।”

সারুকের এই আবিস্কার নিয়ে আলোচনা চলছে ভারত জুঁড়ে।অবশ্য এটিই সারুকের প্রথম আবিষ্কার নয়।এর আগে ২০১৫ সালে মাত্র ১2০০ গ্রাম ওজনের একটি হিলিয়াম ওয়েদার বেলুন উৎক্ষেপণ করে সে।