5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে

Now Reading
নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে

চলতি সপ্তাহে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র মালিকদের সংগঠন কাউন্সিল অব লাইসেসন্ড ফায়ারআর্ম ওনার্স সরকারের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ওই হামলায় ৫০ জন নিহত ও ৪২ জন আহত হন।

নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের সামরিক ধাঁচের আধা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ ধরনের অস্ত্র জমা না দিলে এর মালিককে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব অস্ত্র জমা দিতে হবে। নতুন আইনে এ বিধান যোগ করা হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেছেন, অস্ত্র আইন সংশোধনের বিল ইতিমধ্যে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে। এ ধরনের আইন করার জন্য কয়েক মাস সময় লেগে যায়। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, আইনটি খুব জরুরি। ১১ এপ্রিল নাগাদ এই সংশোধনী পাস হবে। তিনি বর্তমানে চীন সফরে আছেন।
যে বিলটি পার্লামেন্টে আনা হয়েছে তা পাস হলে নাগরিকদের সামরিক ধাঁচের আধা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধ হবে। তবে এরপরও নিউজিল্যান্ডের কৃষক এবং শিকারিরা যে বন্দুক ব্যবহার করে থাকেন তা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকতে পারে। এ ছাড়া পয়েন্ট টু টু আধা স্বয়ংক্রিয় বন্দুক এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকতে পারে।

আইন সংশোধনের যে প্রস্তাব আনা হয়েছে তাতে শটগান এবং আধা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র জনসমক্ষে ব্যবহার করলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারে বাধা সৃষ্টি করলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। আধা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বিক্রি, সরবরাহ, তৈরি, আমদানি করলে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

নিউজিল্যান্ডের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে দিল একদল সন্ত্রাসী

Now Reading
নিউজিল্যান্ডের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে দিল একদল সন্ত্রাসী

নিউজিল্যান্ডের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে দিল একদল সন্ত্রাসী। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসীর হাতে ৫০ জন নিরিহ মুসল্লি নিহত হওয়ার পর উদ্বিগ্নক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মসজিদে নামাজের সময় অমুসলিমদের পাহারা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় রোববার (২৪ মার্চ ) ভোর ৩টার দিকে দুর্বত্তরা ওই মসজিদে আগুন লাগিয়েছে বলে ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়।
জানা যায়, হামলার পর মসজিদটি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ওই চিরকুটে ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার ঘটনা উল্লেখ রয়েছে।
হামলার সময় মসজিদটির ভেতরে অন্তত সাত মুসল্লি ছিলেন, তবে কেউ হতাহত হয়নি। আগুনে মসজিদটির বাইরের অংশে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ এক বিবৃতিতে জানানিয়েছে, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার সানডিয়াগো শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার অব এসকনডিডোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার ১৫ মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জরুরিসেবা পৌঁছায়। এ সময় মসজিদের ভেতরের মুসল্লি ও বাইরের কেউ-ই হতাহত হননি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা পৌঁছানোর আগেই মসজিদের মুসল্লিরা অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রেণে আনেন বলে জানায় পুলিশ।
উদ্ধারকৃত চিরকুট বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশের কর্মকর্তা ক্রিস লিক স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল কেএনএসডিকে বলেন, মসজিদের পার্কিং লটের কাছে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। এতে সম্প্রতি শ্বেতাঙ্গ জঙ্গি কর্তৃক নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলায় ৫০ জনের নিহতের তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
আক্রান্ত মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ইউসুফ মিলার বলেন, নামাজ শেষে রাতে মসজিদে ৭ জন মুসিল্লি ঘুমিয়েছিলেন। ভোরের দিকে গোপনে এসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায় দুবৃত্তরা।
এসময় কমপ্লেক্সের পার্কিং লটে একটি চিঠি পাওয়া যায়। যেখানে নিউজিল্যান্ডের ওই হামলা ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনার বিবৃতি দিয়ে স্টাফ নিউজিল্যান্ড ও এবিসি৭ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ওই হামলার ঘটনায় মোটেই ভীত নয় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়।
গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই মসজিদের মুসল্লিরা বলেন, মসজিদে এসব হামলা চালিয়ে আমাদের নামাজ বন্ধ করা যাবে না। আমরা কখনই নামাজ বন্ধ করব না। মসজিদে একত্রিত হওয়াও বন্ধ করব না।
ঘটনাটিকে হেট ক্রাইম হিসেবে ধরে তদন্তে নেমেছে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ।

বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের ছবি

Now Reading
বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের ছবি

হঠাৎ করে ভেসে উঠেছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের ছবি। শুক্রবার ৮২৯ মিটার উঁচু ভবনটিতে ভেসে ওঠা জাসিন্ডার ছবিতে তাকে কালো হিজাব পরে এক মসজিদে হামলায় এক শোকাহত নারীকে আলিঙ্গনরত অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় আরবি ও ইংরেজি ভাষায় শান্তি শব্দটি লেখা ছিল।
দুবাইয়ের আমির শেখ মোহাম্মদ ছবিটি টুইটারে শেয়ার করে জাসিন্ডার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। টুইটে তিনি লিখেছেন, মসজিদ হামলায় নিহতদের শ্রদ্ধায় পুরো নিউ জিল্যান্ড নীরব ছিল। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। আপনার সহমর্মিতা ও সমর্থন বিশ্বের দেড় বিলিয়ন মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেছে।
ক্রাইস্টচার্চের মসজিদের হামলার পর আরডার্নের প্রতিক্রিয়া, বিবৃতি ও পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পর্যবেক্ষকরা তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানে সুজানে মুর লিখেছেন, ‘মার্টিন লুথার কিং বলেছেন সত্যিকারের নেতারা ঐক্য খোঁজে না তারাই ঐক্য তৈরি করে, আরডার্ন ভিন্ন ধরনের ঐক্য তৈরি, কর্ম, অভিভাবকত্ব ও একতার প্রদর্শন করেছেন। সন্ত্রাসবাদ মানুষের মাঝে ভিন্নতাকে দেখে এবং বিনাশ ঘটায়। আরডার্ন ভিন্নতা দেখেছেন এবং তাকে সম্মান করতে চাইছেন, তাকে আলিঙ্গন করছেন এবং তার সাথে যুক্ত হতে চাইছেন।’
এই ধরনের প্রশংসা বাখ্যা কেবল বিশ্লেষকদের কাছ থেকেই আসছে তেমনটি নয়। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান শুক্রবার বলেছেন, ‘হামলার পর নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের প্রতিক্রিয়া ও সহমর্মিতা বিশ্বনেতাদের কাছে একটি উদাহরণ।’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ ফয়সাল বলেছেন, আরডার্ন পাকিস্তানিদের ‘হৃদয় জয়’ করেছেন। মার্টিন লুথার কিং এর স্মৃতি সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত মার্টিন কিং সেন্টার টুইটারে লিখেছে- ‘নিউ জিল্যান্ডে একজন নেতার ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ প্রদর্শনী’।
মুসলিমদের প্রতি জাসিন্ডার ‘সহমর্মিতা ও সমর্থন’র জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদের ধন্যবাদ জানাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এ খবর জানিয়েছে।

জুমার নামাজ সরাসরি সম্প্রচারের নির্দেশ নিউজিল্যান্ডে

Now Reading
জুমার নামাজ সরাসরি সম্প্রচারের নির্দেশ নিউজিল্যান্ডে

গত শুক্রবার পবিত্র জুমার নামাজের সময় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুই মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। আসছে শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার এক সপ্তাহ পূরণ হবে। এই উপলক্ষে শুক্রবার নিহত মুসল্লিদের স্মরণে ও শ্রদ্ধা জানাতে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
এ কয়দিন বন্ধ ছিল মসজিদ দুটি। কাল আবার সেখানে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হবেন মুসল্লিরা। এদিন দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন (টিভি এনজেড) ও রেডিওতে (রেডিও এনজেড) জুমার নামাজের আজান সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জাতীয়ভাবে পালন করা হবে দুই মিনিটের নীরবতা।
গত শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় পাঁচ বাংলাদেশিসহ ৫০ জন নিহত হন। আহত হন ৪২ জন। হামলার পর বন্দুকধারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ব্রেনটন টারান্টকে (২৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত শনিবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গভীর শোকাবহ ঘটনার স্মরণে প্রথাগতভাবে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হলেও শুক্রবারের ওই বিয়োগান্ত ঘটনার মাত্রা বিবেচনায় নিউজিল্যান্ডে দুই মিনিটের নীরবতা পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আহডার্ন।

ফেসবুক লাইভস্ট্রিমিং নিয়ে চলছে নানা তর্ক বিতর্ক

Now Reading
ফেসবুক লাইভস্ট্রিমিং নিয়ে চলছে নানা তর্ক বিতর্ক

যে কোনও ধারার উগ্রপন্থী সন্ত্রাসী তৎপরতায় ইন্টারনেটের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রচারণাও নতুন নয়। তবে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলা বিশ্ববাসীর সামনে নতুন এক বাস্তবতা হাজির করেছে। এবার প্রথম কোনও একটি হামলার লাইভ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন শ্বেতাঙ্গ উগ্রবাদী ব্রেন্টন ট্যারান্ট তার নিজের ফেসবুক একাউন্ট থেকে ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে হামলার ১৭ মিনিট লাইভস্ট্রিমিং হাজির করেছেন বিশ্ববাসীর সামনে। সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী ওই হামলার উদ্দেশ্যই ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার লাইভ সম্প্রচার। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সন্ত্রাসী হামলাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের উপযোগী করে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে সন্ত্রাসীদের মধ্যে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা গেছে সন্ত্রাসী হামলার ক্ষেত্রে সহযোগী মাধ্যম হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। অতীতের যে কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর থেকে ভয়াবহ আকারে হাজির হওয়া মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস ‘আমাক’ নামের ওয়েবসাইটকে ব্যবহার করেই ইউরোপ পর্যন্ত তাদের ‘জিহাদি উন্মাদনা’ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়। ২০১৩ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে ওয়েস্টগেট শপিং মলে হামলার কথা সরাসরি টুইটারে জানিয়েছিল আল শাবাব জঙ্গিরা। একটু পর পর হামলার বর্ণনা দিয়ে নতুন নতুন পোস্ট দিচ্ছিলো তারা। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে প্যারিসের পূর্বাঞ্চলীয় কোশের বাজারে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে এক সন্ত্রাসী। মার্কিন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা তখন জানিয়েছিলেন, একটি গো প্রো ক্যামেরা দিয়ে ওই হামলার দৃশ্য রেকর্ড করা হয়েছিল। হামলাকারী ভিডিওটি ইমেইল করতে চেয়েছিল, তবে তার আগেই পুলিশের হাতে মৃত্যু হয় তার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দর্শক টানতে ইন্টারনেট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে সন্ত্রাসীরা। উগ্রপন্থীদের কাছ থেকে প্রযুক্তিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জাতিসংঘের পক্ষ হয়ে বিশ্বের প্রযুক্তি শিল্পকে সহযোগিতায় কাজ করে টেক অ্যাগেইন্সট টেরোরিজম। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অ্যাডাম হ্যাডলি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ হলো রাজনৈতিক সহিংসতা। সেকারণে রাজনৈতিক পরিবর্তনকে প্রভাবিত করতে সন্ত্রাসীদের সবসময় প্রচারণার রাস্তা খুঁজতে হয়।’ হ্যাডলি আরও বলেন, ‘তারা (জঙ্গিরা) দর্শক চায়। যেখানে বেশি দর্শক পাওয়া যাবে সেখানেই সবসময় যাবে তারা। এটা হতে পারে তথাকথিত কোনও মিডিয়া, আবার তা বড় মাত্রায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মও হতে পারে।’

সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিপুল সংখ্যক দর্শকের সামনে সন্ত্রাসী হামলা সরাসরি সম্প্রচার করার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকে হামলায় উদ্বুদ্ধ করা ও নিয়োজিত করা। নিরাপত্তা বিশ্লেষক স্টিভ গোমেজ বলেন, ‘এ ব্যক্তি তার অপরাধকে প্রচার করার এবং অন্যদেরকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছে। সোশ্যাল মিডিয়া হলো অন্যদেরকে এবং বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার মাধ্যম।’

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে ভাষণ শুরু করেন

Now Reading
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে ভাষণ শুরু করেন

ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার পর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বিশেষ পার্লামেন্ট অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এদিন মুসলিম রীতিতে সালাম দিয়ে ভাষণ শুরু করেন তিনি। ক্রাইস্টচার্চ হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিমদের প্রতি সম্প্রীতি জানিয়ে জাসিন্ডা এ পদক্ষেপ নেন বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকার দুইটি মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছে। সন্দেহভাজন হামলাকারী ব্রেন্টন ট্যারান্টের মধ্যে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী প্রবণতা পাওয়া গেছে। ক্রাইস্টচার্চে দুই মসজিদে হামলায় নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, কুয়েত, সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিম অভিবাসী, শরণার্থী ও স্থায়ী অধিবাসীরা রয়েছেন।

ক্রাইস্টচার্চের হামলার পর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বিশেষ অধিবেশনে বসে নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে শুরুতেই মুসলিম রীতিতে সবাইকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলেন জাসিন্ডা। বলেন, ‘ক্রাইস্টচার্চ হামলার দিনটি সবার মনে চিরদিন গেঁথে থাকবে।’

জাসিন্ডা আরডার্ন ক্রাইস্টচার্চ হামলাকারীর নাম মুখে না নেওয়ার শপথ নেন। অন্যদেরকেও হামলাকারীর নাম মুখে না আনার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে অনুরোধ করছি যে ব্যক্তি অন্যদের জীবন কেড়ে নিয়েছে তার নাম না নিয়ে যারা জীবন হারিয়েছে তাদের নাম নিন।’

এর আগে গত শনিবার ক্রাইস্টচার্চ শহর পরিদর্শনে যান জাসিন্ডা। সেখানে মুসলিম ও শরণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ইসলামি রীতিতে মাথায় কাপড় দিয়ে রাখতে দেখা যায় জাসিন্ডাকে। তখনও বলা হয়েছিল, হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই মাথায় কাপড় দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী।

নিউজিল্যান্ডবাসীও এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে যাচ্ছেন। ফুল দেওয়ার স্থানগুলো ভরে গেছে। ফুলের সঙ্গে রয়েছে সমবেদনা জানিয়ে লেখা চিরকুটও।

উট্রাখ শহরে যাত্রীবাহী ট্রামে হামলাকারী তুরস্কের নাগরিক গোকমেন তানিস

Now Reading
উট্রাখ শহরে যাত্রীবাহী ট্রামে হামলাকারী তুরস্কের নাগরিক গোকমেন তানিস

নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নেদারল্যান্ডসের উট্রাখ শহরে একটি যাত্রীবাহী ট্রামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ওই হামলাকারী তুরস্কের নাগরিক। এটাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটির পুলিশ।

৩৭ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীর নাম গোকমেন তানিস। হামলার কয়েকঘণ্টা পর তাকে আটক করা হয়। তবে ঠিক কোথা থেকে আটক করা হয় তা জানা যায়নি। কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে তাও পরিষ্কার নয়। উট্রাখ শহরে হামলার ঘটনাটি ছড়িয়ে যাওয়ার পর সেখানকার স্কুলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

টুয়েন্টি ফোর অক্তোবেরপ্লেইন জংশনের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এক ব্যক্তিকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে দেখা যায়। যাতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ৯ জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ ঘটনায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানসেজ সমবেদনা জানিয়েছেন।
সন্দেহভাজন ওই তুর্কি নাগরিককে আটকের পর উট্রাখ শহরে হুমকি সতর্কতা কমিয়ে আনা হয়েছে। হামলার পরপরই সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়। বিমানবন্দর ও মসজিদে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। উট্রাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভবন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রের স্টেশনে ট্রেন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কিছু গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে।

‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

Now Reading
‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে গুলি চালিয়ে ৫০ মুসল্লিকে হত্যা করে উগ্র মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। এর আগে অনলাইনে ১৬ হাজার ৫০০ শব্দের একটি ইশতেহারে নৃশংস এ হামলার পেছনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে হামলাকারী। এতে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের এই নৃশংস খুনি দাবি করে, শ্বেতাঙ্গরা গণহত্যার শিকার এবং সে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে দিতে চায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের নতুন প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মুসলমানদের জন্য একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরিরও আহ্বান জানায় হামলাকারী।

হামলার পর এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ কোনও সমস্যা নেই। নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হত্যাযজ্ঞ নিয়েও টুইটারে একটি পোস্ট দেন ট্রাম্প। তবে তাতে মুসলিম শব্দটি পর্যন্ত উল্লেখ করেননি তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘মসজিদের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিউ জিল্যান্ডের জনগণের প্রতি আমার সহমর্মিতা ও শুভ কামনা রইলো। নিরপরাধ মানুষ সংজ্ঞাহীন হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরও অনেকে। যুক্তরাষ্ট্র যতটুকু সম্ভব নিউ জিল্যান্ডের পাশে আছে। ঈশ্বর সবার সহায় হোন!’

এ টুইটে ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। ডেট্রয়েট থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা রাশিদা তালিব বলেন, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প। তার এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে। ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে চুপ থাকলে প্রতিনিয়ত এর মাত্রা আরও বাড়তে থাকবে।

নিজের জন্য সংগৃহীত তহবিলের বড় অংশ ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে নিহতদের দান করছে ‘ডিম বালক’

Now Reading
নিজের জন্য সংগৃহীত তহবিলের বড় অংশ ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে নিহতদের দান করছে ‘ডিম বালক’

নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে গুলি করে ৫০ মুসল্লিকে হত্যা করে উগ্র মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। পরে এ হত্যাযজ্ঞের জন্য উল্টো মুসলমানদেরই দায়ী করেন অস্ট্রেলীয় সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিং। তার দাবি, মুসলিমরা নিউজিল্যান্ডে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে বলেই সেখানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পরদিন ১৬ মার্চ এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন অ্যানিং। সেখানেই তার মাথায় ডিম ছুড়ে মারে ১৭ বছরের উইল কনোলি। এতে ক্ষুব্ধ সিনেটর ঘুরে দাঁড়িয়ে তাৎক্ষণিক কিশোরটিকে আঘাত করতে থাকেন। অন্তত একটি চড় কিশোরটির মাথায় লাগে। পরে উইল কনোলিকে গ্রেফতার করা হয়।

সিনেটরের মার খেয়ে গ্রেফতার হলেও ওই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে দুনিয়াজুড়ে হিরোর তকমা পান উইল কনোলি। আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করতে অনলাইনে তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ক্রাউডফান্ডিং সাইট ‘গো ফান্ড মি’র মাধ্যমে দুই হাজার ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ইতোমধ্যেই সেখানে প্রায় ৪২ হাজার ডলার জমা পড়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫ লাখ টাকার মতো। ইতোমধ্যেই অনলাইনে এই তহবিল সংগ্রহের উদ্যোক্তাকে উইল কনোলি জানিয়ে দিয়েছেন, এই অর্থের বড় অংশটি ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের দিয়ে দিতে তিনি অঙ্গীকারাবদ্ধ।

কোনও অভিযোগ গঠন ছাড়াই অবশ্য শেষ পর্যন্ত কারামুক্তি পান উইল কনোলি। মুক্তির পর টুইটারে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘রাজনীতিকদের ডিম মারবেন না। এতে আপনাকে ৩০ জন বোগোন্সকে (নিম্ন শ্রেণির লোক) মোকাবিলা করতে হবে। আমার কঠিন শিক্ষা হয়ে গেছে।’ ‘৩০ জন নিম্ন শ্রেণির লোক’ বলতে প্রকৃতপক্ষে উইল কনোলি সিনেটর ফ্রেজার অ্যানিংয়ের নিরাপত্তারক্ষীদের ব্যঙ্গাত্মকভাবে সম্বোধন করেছেন। টুইটারে দেওয়া পোস্টে তার প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উইল কনোলি।

উইল কনোলি বলেন, একজন মানুষ হিসেবে ওই মুহূর্তটিতে আমি গর্বিত অনুভব করেছি। আপনাদের বলতে চাই, মুসলমানরা সন্ত্রাসী নয় এবং সন্ত্রাসবাদের কোনও ধর্ম নেই। মুসলমানদের যারা সন্ত্রাসী সম্প্রদায় মনে করে তাদের মাথা অ্যানিংয়ের মতোই শূন্য।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় বইছে

Now Reading
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় বইছে

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ৫০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের পাঁচজনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা আটজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪৮ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকজন। নৃশংস এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় বইছে।

এই পৃথিবীতে ঘৃণা ও ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেছেন, ঘৃণা ও ধর্মবিদ্বেষের প্রভাব খুবই ভয়াবহ হয়ে থাকে। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় কানাডার নিহতদের পরিবারের স্বজনদের দেখা করে সান্তনা জানান ট্রুডো। এরপর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া পোস্টে এমন মন্তব্য করেন ট্রুডো।

তিনি লিখেন, ‘প্রার্থনার সময় মানুষের ওপর হামলা করা অত্যন্ত বেদনার এবং নিউজিল্যান্ডে আজ যে গুলির ঘটনা ঘটেছে তার কঠোর নিন্দা করছে কানাডা। হতাহত এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা। নিউজিল্যান্ড এবং বিশ্ব মুসলিম জনগোষ্ঠীর মতোই আমরা আজ শোকাহত।’

কানাডার অন্টারিওর অটোয়ার দক্ষিণ নিপেন মুসলিম কমিউনিটি মসজিদে তিনি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের বক্তব্য শোনেন এবং কিভাবে নিরাপদ ও সমন্বিত সমাজ গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। এদিকে ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন জাস্টিন ট্রুডো।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান। এ ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যদের কোনোরকম ক্ষতি না হওয়ায় জাস্টিন ট্রুডো স্বস্তি প্রকাশ করেন। এ সময় দুই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

Page Sidebar