কিডনি রোগ সচেতনতায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

Now Reading
কিডনি রোগ সচেতনতায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বুধবার এক বানীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও কিডনি রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন ও ক্যাম্পস যৌথভাবে দিবসটি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বিশ্ব কিডনি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ কিডনি, সবার জন্য- সর্বত্র’ যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। সুস্থাস্থ্যের জন্য সুস্থ কিডনির বিকল্প নেই উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে আশার কথা যে, অনেক কিডনি রোগ প্রতিরোধযোগ্য। এ জন্য জনসচেতনতা ও প্রারম্ভিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্যখাতে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। কিডনি রোগের প্রতিরোধ ও চিকিৎসার বিষয়ে সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
শরীর পরিচালনার জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির চাহিদা না থাকলে শরীরের তাপমাত্রা ওঠানামা করতে থাকবে যা দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কিডনি শরীরের প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ সবসময় ঠিক রাখে। এছাড়া প্রতিদিন বা প্রতিমুহুর্ত রক্তে কতটুকু পানি থাকা প্রয়োজন সেটা সবসময় নিশ্চিত করে কিডনি। রক্তে পানির পরিমাণ কখনও বেশি হলে তা বের করে দেয় আবার ঘাটতি হলে অন্যান্য অর্গান থেকে পানি শোষণ করে রক্তে পানির চাহিদা পূরণ করে। দেহে পানির চাহিদা পরিমাণের ভারসাম্য রক্ষা করে কিডনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কিডনি রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি কিডনি দিবস-২০১৯’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।