বিশ্বব্যাপি বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনশীল দেশ

Now Reading
বিশ্বব্যাপি বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনশীল দেশ

বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রের মধ্যে বাংলাদেশ একটি ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনশীল দেশ হিসাবে গড়ে উঠছে। দেশের এক প্রযুক্তি সংগঠন ইতোমধ্যেই গ্যাজেটগুলি একত্রিত করতে শুরু করেছে এবং কিছু অন্যান্য সংস্থা শীঘ্রই অনুসরণ করতে চলেছে। স্থানীয় ব্র্যান্ড ছাড়াও কিছু বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড এখানে মোবাইল হ্যান্ডসেট পণ্য স্থাপন করার কথা বিবেচনা করছে এবং এই হাই-প্রযুক্তির পণ্য তৈরির অনুমোদনের জন্য ইতিমধ্যেই টেলিযোগাযোগ নিয়মিত প্রয়োগ করেছে।
বিখ্যাত স্থানীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন এই ক্ষেত্রে অগ্রগামী এবং গত বছর সেপ্টেম্বরে গাজীপুরে একটি একত্রিতকরণ কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। অন্য আরেকটি স্থানীয় সংস্থা আমরা হোল্ডিংস ও তাদের ব্র্যান্ড ‘WE’ রাজধানীর মিরপুর এলাকায় আরেকটি পরিকল্পনা স্থাপন করছে এবং কারখানাটি স্বল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করবে।

মার্কেট লিডার মোবাইল হ্যান্ডসেট কোম্পানী সিম্ফনি ঢাকায় অবস্থিত একটি কারখানা স্থাপনের জন্য তাদের বিদেশি অংশীদারদের সাথে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
গ্লোবাল শীর্ষ ব্র্যান্ড স্যামসাংও নরসিংদীতে তাদের পণ্যের জন্য অবকাঠামো স্থাপন করেছে এবং তারা কয়েক মাসের মধ্যে একত্রিত হতে চলেছে। অন্য বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড এলজিও তার অফিস শুরু করেছে এবং নিজস্ব পণ্য নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। চীনা ব্র্যান্ড ট্রান্সসিয়ন হোল্ডিংস গাজীপুরের মোবাইল হ্যান্ডসেট পণ্যের জন্য একটি স্থানও বেছে নিয়েছে।

ওকে মোবাইল একটি স্থানীয় ব্র্যান্ড কয়েক বছর আগে টেলিফোন শিল্পা সাংহাইয়ের একটি সরকারী সংস্থার সাথে মোবাইল সেটগুলি একত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছিল এবং অবশেষে তারা এটি সম্পন্নও করেছে।
এই উদ্যোগকে সাহায্য করার জন্য সরকার মোবাইল অংশগুলিতে ৩৬ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি ​​হ্রাস করেছে এবং বর্তমান বাজেটে হ্যান্ডসেটের আমদানির শুল্ক দ্বিগুণ করেছে।
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন সেপ্টেম্বরে স্থানীয়ভাবে হ্যান্ডসেট সংস্থাকে নির্দেশ দেয় এবং ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন কোম্পানি থেকে পণ্য একত্রিত করার জন্য ছয়টি আবেদন পেয়েছে।

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) মতে ২০১৭ সালে প্রায় ৩.৪ কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়েছিল যা বছরে ৯.৬ শতাংশ বেশি। আমদানি মোট মূল্য প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা ছিল। বাজারের আকার প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা ছিল এবং ২০১৬ সালে মোট আমদানি ৩.১ কোটি ছিল।
গত বছর শিল্পটি ৯০ লাখ টাকায় স্মার্টফোন আমদানি করেছে এবং 4G  সেবা চালু হওয়ার পরে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে ।
সরকার ঘোষনা করেছে যে বাংলাদেশ একটি আমদানিকারী দেশ থাকবে না বরং দেশটি মোবাইল ডিভাইস তৈরি করবে এবং অন্যান্য দেশে রপ্তানি করবে। এই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মিলিত কিছু কোম্পানি ক্রমবর্ধমান স্থানীয় চাহিদা পূরণের পর অন্যান্য দেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা করছে।

নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো

Now Reading
নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো

বিজ্ঞানের জগতে নিকোলা টেসলা এক অদ্ভুত ব্যক্তির নাম।কারণ তিনি যে সকল যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তা মানুষের জীবনকে একেবারে বদলে দিতে পারতো। আর বিপদে পড়তে হতো সমাজের এলিট শ্রেণীর লোকদের।তার এরকম কয়েকটি অদ্ভুত আবিষ্কারের কথা নিচে বর্ণনা করা হলো-

 

১। Death beam-

১৯৩০ সালে নিকোলা টেসলা দাবি করেন যে সে একটা ‘death beam’ আবিষ্কার করেছেন, যেটাকে তিনি ‘teleforce’ বলেন। ডিভাইসটি প্রচন্ড শক্তিশালী একটি আলোকরশ্মি তৈরি করতে পারত যার মাধ্যমে শত্রুর যুদ্ধ বিমান, আর্মি বা যে কোনো কিছু ধংস করে দিতে পারত।

কিন্তু এই তথাকথিত ‘death beam’ পরে আর আবিষ্কৃত হয়নি কারণ তিনি (নিকোলা টেসলা) জানতেন, এটা বিভিন্ন দেশ-প্রদেশে বা জাতীর জন্য একে অপরকে ধংস করা খুব সহজ হবে।টেসলা বলেছেন, এটার মাধ্যমে যে কোনো কেউ ২০০মাইলের ভিতরে যে কোনো কিছু খুব সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারবে। আর এটা যেকোনো দেশকে ছোট অথবা বড় রাখেতে শক্তিশালী দেয়াল হিসেবে কাজ করবে। আর এটা শত্রুদের সেনাবাহিনী, আকাশযান ইত্যাদি যেকোনো ধরনের আক্রমনর বিরুদ্ধে দুর্ভেদ্য দেয়ালের মত কাজ করবে। তিনি আরো বলেন- তার এই আবিষ্কার চুরি করে নেয়ার জন্য চোরেরা চেষ্টা চালিয়েছিল, তারা কক্ষে প্রবেশ করেছিল এবং কাগজ-পত্র খুটিয়ে খুটিয়ে দেখেছিল, কিন্তু চোরেরা বা গোয়েন্দারা শুন্য-হাতে ফিরে গিয়েছিল।

 

২।Free Electricity System-

১৯০১-১৯০২ সালে নিউ ইয়র্কে টেসলা বিশাল আকারের একটি ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন স্টেশন তৈরি করেন।যদিও কেউ মনে করেন, টেসলা এটার মাধ্যমে wireless communication এর কোনো ব্যবস্থা করবেন।

যাইহোক, তার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। টেসলা চেয়েছিলেন তার থিওরি ব্যবহার করে পৃথীবির মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে তথ্য, ফোনালাপ, অবিকল ছবি প্রেরণ করবেন। যদি প্রজেক্টটি কাজ করত, তাহলে যেকোনো কেউ খুব সহজেই কোনো রড মাটিতে পুতে এর থেকে free electricity নিতে পারত।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা লাভজনক হত না। আর এটি বিশ্বের এলিট শ্রেণীর লোকদের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে বিপদজনক হত। কারণ এটি energy industry তে অনেক পরিবর্তন আনত।

চিন্তা করুন, দুনিয়াটা কেমন হত যদি কোনো কিছু চালনা করার জন্য কোনো ফুয়েল বা তেল-কয়েলের কোনো দরকার না হত!!

অবশেষে ১৯০৬ সালে এটাকে প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং কখনও এর দিকে মন দেয়া হয় না।

 

৩।The Flying Saucer-

১৯১১ সালে টেসলা নিউ ইয়র্ককে বলেছিলেন তিনি একটি anti gravity “flying machine” নিয়ে কাজ করতেছেন।

তিনি বলেন, তার উড়ন্ত এই মেশিনের কোনো পাখা বা প্রপেলার থাকবে না। কেউ এটাকে মাটিতে দেখবে এবং কখনও ভাববে না যে এটা একটা flying machine (উড়ন্ত যন্ত্র / যানবাহন)। এটা এমনকি বাতাসের মধ্যে যেকোনো ডিরেকশনে ইচ্ছামত নিরাপদে নড়া-চড়া করতে পারবে। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যেতে পারবে। এটার উত্তরণে কোনো প্রকার সাধারণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে না যেভাবে পাখি ডানার মাধ্যমে করে থাকে। কিন্তু এটা মেকানিক্যাল এ্যাকশন এর উপরই নির্ভর করবে।

টেসলার এই flying machineও free energy পদ্ধতি ব্যবহার করবে। যেখানে অন্যান্য motor-car industry-গুলো জালানির উপর নির্ভর্শীল।

 

*এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করুন, তার এই আবিষ্কারগুলো যদি আজও সত্যিই থাকতো তাহলে আমাদের জীবনযাত্রারর মান কোথায় থাকত!?

-বিজ্ঞানীরা তো আজ পর্যন্ত গবেষণা করে যাচ্ছেন কিভাবে কোনো বস্তুকে শুন্যে ভাসিয়ে রাখা যায় ‘এলিয়েনের’ মত।কিন্তু তারা এখনও সম্পূর্ণরূপে সফল হতে পারেন নি, যা কিনা নিকোলা টেসলা প্রায় ১০০ বছর আগেই আবিষ্কার করেছিল।

 

মোবাইল আর ইন্টারনেট কি আসলেই আমাদের উন্নত করতে পেরেছে ?

Now Reading
মোবাইল আর ইন্টারনেট কি আসলেই আমাদের উন্নত করতে পেরেছে ?

মোবাইল ফোন আমাদের বেষ্ট ফ্রেন্ডের মত হয়ে গেছে। এখন আমরা সাথে টাকা পয়সা না নিলেও মোবাইল টা নিতে ভুলি না। যেমন আমাদের খিদা লাগে খাওয়ার কথা মনে করার জন্য। তেমন হাতটাও সুর সুর করে ফোনের কথা মনে করার জন্য। জীবনটা কে অনেক সহজ করে দিয়েছে মোবাইল ফোন। কিন্তু আমাদের অবস্থা কোথায় যেয়ে দাড়িয়েছে ভাবতে পারেন? আজ থেকে ১০ বছর আগের কথা চিন্তা করলেই পাবো। আগে কোথাও বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিলে সেখানে অনেক কথা হতো, অনেক হাসি, গান বাজনা, ফাইজলামি। সবচেয়ে ভাল ফোন বলতে একজন এর কাছে ছিল নকিয়া এন সেভেন্টি মোবাইল। এখন প্রযুক্তির আধুনিকতায় এন্ড্রয়েড, আই ও এস, উইন্ডোস আরো অনেক কিছু। একজন সেলফি তুলে, একজন অনলাইনে এটাক দিতে ব্যাস্ত। এই এখনকার আড্ডা। আপনি যখন ছোটবেলায় ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যেতেন, আপনার মামাতো চাচাতো ভাই বোন দের সাথে মাঠে যেতেন শশা, টমেটো চুরি করতে। পুকুরে ঝাপ দিতেন গাছের উপর থেকে। অনেক ভোরে উঠে যেতেন বকুল আর শিউলি ফুল কুড়াইতে। নানী পিঠা বানাইতো আর আপনারা রান্নাঘরে লাইন দিয়ে বসে পড়তেন। এখন ঈদে বাসায় গেলে কি হয় জানেন? ম্যাসেঞ্জারে ভিডিও কল আসে। “এই দোস্ত এইখানে নেট ভাল না ভিডিও কল হবেনা”। সারা দিন ঘরের কোণায় বসে ফেইসবুক। কেও কেও তো ওয়াই ফাই নাই বলে গ্রামে যায় না।

কি দিন আসলো, মোবাইল ফোনের আবিষ্কার হয়েছে আমাদের উপকারের জন্য। এই যন্ত্রটা নাকি আমাদের টাইম বাচায়। সত্যি? জন্মের পর থেকে এই জিনিসটা আমি টাইম পাসের জন্য ইউজ করি। আসলেই তাই, পড়তে ভাল লাগছে না? একটু নিউজ ফিড ঘুরে আসি। ঘুম আসছে না? ইউটিউবে যাই। মোবাইল আমাদের সবকিছু নিয়ে এসেছে হাতের মুঠোয় নাকি আমরা চলে গেছি মুঠোফোনের মুঠোর মধ্যে। আগে ছোটবেলায় বিকালে মাঠে খেলতে যেতে একটু দেরি হইলে আর জায়গা পাইতাম না। এখন মাঠের সব ঘাস গরুতে খায়। কারণ কি জানেন? এখন অনেক কম দামে ট্যাব পাওয়া যায়। যাতে অনেক গেইম ঘরে বসেই খেলা যায়। এইসবের ফলস্রুতি তে আমরা কি পাচ্ছি জানেন? ক্লাস সিক্সের ছেলের স্ট্যাটাস “অতীত কে ভুলতে চাই”। ক্লাস সিক্সের একটা ছেলের কি অতীত থাকতে পারে। আমার ক্লাস ফোরে থাকতে আমাকে একটা সুন্দর রঙ পেন্সিল এর বক্স কিনে দিছিল আমার মা। সেটা কয়েকদিন পরেই চুরি হয়ে যায়। আমি এই অতীত টা এখনও ভুলতে চাই। বন্ধুদের সাথে হ্যাংআউটে গেছেন? একজন আরেকজন কে বলছে “দোস্ত আমার ক্ল্যানে আয়”। আগে মানুষ ভাল রেস্টুরেন্টে খাইতে গেলে হাত মুখ ধুয়ে বসতো, এখন ক্যামেরা ওপেন করে বসে, চেক ইন দেয়। খাওয়ার আগে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গেলেও সেলফি তুলতে ভুলি না আমরা। হাইরে যুগের উন্নতি। এখন এমন অবস্থা চলে এসেছে রাস্তায় মানুষ মরে গেলে বাচানো বাদ দিয়ে ছবি তোলে।

নিজেকে প্রশ্ন করেন তো বাসায় বাবা, মা, ভাই, বোন এর চেহারা টা ভালভাবে শেষ কবে দেখেছেন?  বাসায় এসে ল্যাপটপ আর ফোনের ভিতর মুখ গুজে পড়ে থাকেন। মা এসে খেতে ডাকে আপনি কথা বলেন। তবে চোখ কিন্তু থাকে ওই ডিভাইসের দিকেই থাকে। বাবা রুমে এসে বলছেন তোর সাথে জরুরী কথা আছে। আমি বলি বলেন। আমি তাকিয়েও দেখিনা বাবার দিকে। এই আমার জরুরি মিটিং। যতই জরুরী কথা হোক না কেন আমরা তা বলি মোবাইল এর দিকে তাকিয়ে। সাইকোলজিস্ট রা বলেন কোন মানুষের পছন্দের তালিকায় থাকতে হলে তার সব কথায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে হয়। আমরা তো এখন মানুষের চেহারা সামনা সামনির থেকে ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রামে দেখি।

মর্ডান যুগে খেলার মাঠের আকার ছোট হচ্ছে আর ফোনের র‍্যাম বাড়ছে। মানুষ টেকনলজিকালি আপগ্রেড হচ্ছে কিন্তু ফিজিকালি, মেন্টালি দুর্বল হচ্ছে। আমি যুগ বা প্রযুক্তি কোনটারই দোষ দিচ্ছি না। আমি শুধু মাত্র বলছি যান্ত্রিক আর আধুনিকতার ছোয়াতে আমরা রক্তে মাংশে গড়া মানুষ গুলাও কেমন জানি যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। প্রযুক্তি কে কাজে লাগিয়ে জীবন টা গড়তে হবে। আমাদের প্রযুক্তি কে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করতে হবে। প্রযুক্তি যেন আমাদের ব্যবহার না করে বসে এটা খেয়াল রাখতে হবে। আমরা যাদের তৈরি ফেইসবুক, ইউটিউব, গুগল ব্যবহার করছি তারা কি সারাদিন ফেইসবুক চালাতেন ? না তারা প্রযুক্তি কে ব্যবহার করেছে আর বিশ্বকে পালটে ফেলেছে। আর তাদের বানানো প্রযুক্তি গুলো আমাদেরকে ব্যবহার করে আমাদের পালটে ফেলেছে। মনে করেন আপনার খুব খারাপ অবস্থা , আপনি আইসিইউ তে আছেন। বাইরে বসা আপনার বাবা, মা, বন্ধুবান্ধব আর আত্বীয় স্বজন। কিন্তু আপনার তো অনেক পপুলারিটি। আপনি ফেইসবুকে ৫০০০০০ মেম্বার ওয়ালা একটা গ্রুপের মালিক। ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে লক্ষাধিক সাবস্ক্রাইবার। তাহলে আজ আইসিইউ এর সামনে কেও নেই কেন? কোথায় আপনার হাজার হাজার ফ্যান ফলোয়ার? কোথায় আপনার সাবস্ক্রাইবার। আপনার বাবা মায়ের থেকে আপন কেও হতে পারেনা। কিন্তু যখন বাসায় ৩ এম্বিপিএস এর ব্রডব্যান্ড কানেকশন থাকে তখন তেই কানেকশনের সামনে মা যদি একটু খেতে ডাকে আপনি তাতেই অসাধারণ এক বিরক্তবোধ প্রকাশ করেন। আপনার জীবন টা কিন্তু এতদুর এই অনলাইনে ব্রাউজিং করে করে আসেনি। এসেছে আপনার বাবা মায়ের ঘামঝরা পরিশ্রমে। তাই তাদের সময় দিন। মাঠে যান, বন্ধুদের সাথে সময় কাটান, ক্রিকেট খেলুন, দুই একটা গল্পের বই পড়ুন। আর মাঝে মাঝে ফেইসবুকে যান, ইউটিউবে যান। আপনি কি আপনার জীবনটা সত্যিই উপভোগ করছেন ? এর উত্তর আমি বলে দিচ্ছি। দিন শেষে আপনার ফোনের ব্যাটারি যদি ৮০% এর বেশি অবশিষ্ট থাকে তাহলেই আপনি জীবনটাকে উপভোগ করছেন। তাছাড়া না। জীবনের জন্য প্রযুক্তি, প্রযুক্তির জন্য জীবন না।

ছবিঃ গুগল

Page Sidebar