বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের একজন, প্রমাণ করল মেসিই সেরা

Now Reading
বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের একজন, প্রমাণ করল মেসিই সেরা

অনেকের মতে বিশ্বের সেরা ফুটবলার মেসি। আবার অনেকে তা মনে করেন না। বর্তমান বিশ্বে সেরা ফুটবলার কে এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। কিন্তু লিওনেল মেসিই সেরা এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের একজন সাইমন ব্রান্ডিশ। বিশ্বখ্যাত এই ক্রীড়াবিজ্ঞানীর মতে পৃথিবীর সেরা একজনই। আর ‘মেসি যত দিন বেঁচে আছেন তাঁর মতো আর কেউ হবে না’।
তবু যদি আপনার মনে হয় মেসি নয়, সেরা অন্য কেউ, আপনার উদ্দেশে ব্রান্ডিশের জবাব, ‘আপনি তখনই মেসি বাদে অন্য কাউকে সেরা বলতে পারবেন, যদি মেসি পা ভেঙে এক বছর ধরে পড়ে থাকেন, কিংবা ধরুন মেসি মরেই গেছেন; অথবা আপনি মিথ্যা বলছেন।’
বিজ্ঞানীদের তত্ত্ব আবেগ দিয়ে চলে না। তা প্রমাণ করতে হয়। ব্রান্ডিশ মেসিকে সেরা প্রমাণ করতে দুটি পরিসংখ্যান হাজির করলেন। সিএনএনকে ব্রান্ডিশ বলেছেন, এই মুহূর্তে মেসি প্রতি ৪৮ মিনিটে একটি গোল করছেন বা কাউকে দিয়ে করাচ্ছেন। অর্থাৎ প্রতি ম্যাচে মেসি দুটি করে গোল বা অ্যাসিস্ট করেন। যে পরিসংখ্যানে মেসির ধারেকাছে কেউ নেই।
আবার গোল করা বা করানোতেও শুধু নয়, মেসির আসল জাদু লুকিয়ে আছে খেলাটা বানিয়ে তোলায়। যদিও গোল করা বা করানোই সাধারণত চোখে পড়ে। কিন্তু বার্সেলোনার মতো দল খেলাটা গুছিয়ে আক্রমণে যায়। ফলে প্রতিটা গোলের পেছনে অনেকের অবদান থাকে। এই অবদান বের করার উপায় হলো এক্সজি-বিল্ড নামের একটি পরিসংখ্যান-তত্ত্ব।
এই পরিসংখ্যানে যিনি গোল করেছেন আর যিনি গোল করতে সহায়তা করেছেন তাঁদের বাদ দিয়ে বাকি সবার অবদান মাপা হয়। ধরা যাক একজন গোলরক্ষক প্রথমে একজন ডিফেন্ডারকে বল ঠেলেছিলেন। সেই ডিফেন্ডার বল দিয়েছিলেন এক মিডফিল্ডারকে। মিডফিল্ডার থেকে উইঙ্গার, সেখান থেকে গোলমুখে থাকা কোনো খেলোয়াড়কে বল ঠেলা হলো। তারপর এল গোল। এক্সজি-বিল্ড তত্ত্বে অ্যাসিস্টকারী উইঙ্গার আর গোলদাতা বাদে বাকি সবার অবদান পরিমাপ করা হয়। এখানে গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার পয়েন্ট পাবেন, শেষের দুজন নয়।
মেসি যে অবিশ্বাস্য হারে গোল করেন এবং গোলে সহায়তা করেন; তাতে সাধারণ হিসাব বলে, এক্সজি-বিল্ডে মেসির তেমন পয়েন্ট আসার কথা নয়। এলেও যেকোনো বিল্ডআপে শুরুর দিকে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের পয়েন্ট মেসির চেয়ে বেশি হবে। কিন্তু ব্রান্ডিশ হিসাব করে দেখিয়েছেন, এখানেও মেসির স্কোর অনেক বেশি!
২০১৭-১৮ মৌসুমের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মেসির এক্সজি-বিল্ড স্কোর চেলসির এডেন হ্যাজার্ড, আর্সেনালের মেসুত ওজিল কিংবা টটেনহামের ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের চেয়েও বেশি। এই পরিসংখ্যানে মেসি পেছনে ফেলেছেন রোনালদো, মোহাম্মদ সালাহ ও নেইমারকেও।
মেসির গোলসংখ্যা, মেসির অ্যাসিস্ট, এর সঙ্গে মেসির এক্সজি-বিল্ড স্কোর…সবই বিবেচনায় নিয়ে ব্রান্ডিশ আপনাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছেন, ‘কে সেরা সেই প্রশ্নে যুক্তিতর্কের কোনো সুযোগ কি আছে?’

জাতীয় দল আবারও মেসিকে হার উপহার দিল

Now Reading
জাতীয় দল আবারও মেসিকে হার উপহার দিল

বিশ্বকাপের পর এই প্রথম জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন মেসি, কিন্তু আবারো পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল মেসিকে। দীর্ঘ নয় মাস পর দলে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু এ ফেরাটা তার জন্য সুখকর হলো না। ছুটি কাটিয়ে ফেরার পর জাতীয় দল আবারও তাঁকে হার উপহার দিল। এবার ৩-১ গোলের হার, সেটাও ভেনেজুয়েলার কাছে। দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ খেলা হয়নি যাদের।
ফেরার আগেই মেসি একটা দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন। এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার ফেরার কথা ছিল অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ারও, কিন্তু অনুশীলনে পেশিতে চোট পেয়েছেন পিএসজি উইঙ্গার। এ কারণে দলের ছকই বদলেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ৪-২-৩-১-এর বদলে ৩-৪-২-১। সবার সামনে ইন্টার মিলানের লাওতারো মার্তিনেজ, তাঁর পেছনে মেসির পাশে পিতি মার্তিনেজ। এ পরীক্ষায় মেসিরা সদলবলে ফেল করেছেন।

এতে মেসির কোনো দায় ছিল না। নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছেন। মার্তিনেজের সঙ্গে তাঁর জুটি ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী করে তুলতে পারে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের। বারবার ভেনেজুয়েলার রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে মার্তিনেজের কাছে বল পাঠিয়েছেন। মার্তিনেজও খারাপ করেননি। আর্জেন্টিনার একমাত্র গোলটি তাঁরই। সেটাও ওই মেসির ডিফেন্সচেরা এক পাস থেকেই। প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ফ্যারিনেজ বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ দিয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন। মেসিকেও বার দুয়েক গোলবঞ্চিত করেছেন এই তরুণ।এটুকু পড়লে মনে হতে পারে ম্যাচে ভেনেজুয়েলার জয় তাহলে অপ্রত্যাশিত। ভুল! এর আগে ১৬ বারের দেখায় আর্জেন্টিনাকে মাত্র একবার হারালেও আজ শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলেছে দলটি। চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত তারা। সেটা নিয়ে হাপিত্যেশ করার আগেই ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে গেছে তারা। নিজেদের অর্ধ থেকে রোসালেসের নিখুঁত থ্রু বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় প্লেসিং করেছেন রনডন। এগিয়ে গিয়েও খেলায় প্রাধান্য ছিল ভেনেজুয়েলার। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের দুয়োও শোনা যাচ্ছিল। খেলার ধাঁচে মনে হচ্ছিল, মেসির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না এই তরুণ দল।
২০ মিনিটের পর থেকে ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা। মেসি ও মার্তিনেজের সমন্বয়ে ভয় জাগানো বেশ কিছু আক্রমণও হয়েছে। পাল্টা আক্রমণে ভেনেজুয়েলাও আর্জেন্টিনার তিনজনের রক্ষণ নিয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছিল। ৪৪ মিনিটের দ্বিতীয় গোলে অবশ্য রক্ষণের সংখ্যার কোনো অবদান নেই। ডি-বক্সের সামনে ফ্রি কিক পেয়ে দ্রুত বল নিয়ে বেরিয়ে যান প্রথম গোলের কারিগর রোসালেস। ঝিম মেরে পড়ে থাকা আর্জেন্টিনা রক্ষণকে অবাক করে দিয়ে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে গোলার মতো এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুরিলো। ঝাঁপিয়ে পড়া আরমানির পক্ষে সম্ভব ছিল না সেটা ঠেকানো।
বিরতির পর এক গোল শোধ করে আর্জেন্টিনা। ৫৯তম মিনিটে নিজেদের অর্ধে বল পেয়ে মেসি খুঁজে নেন লা সোলসোকে। তার রক্ষণচেরা পাস খুঁজে নেয় মার্টিনেজকে। আর সেখান থেকেই ব্যবধান কমান মার্টিনেজ।

৭৫তম মিনিটে ভেনেজুয়েলার জয় নিশ্চিত করেন জোসেফ মার্টিনেজ। ডি-বক্সে ফরোয়ার্ড ডাউইনকে ডিফেন্ডার হুয়ান ফেইথ ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ভেনেজুয়েলা। সেখান থেকে সফল স্পট কিকে ব্যবধান ৩-১ করেন মার্টিনেজ।

বলের দখল প্রতিপক্ষের চেয়ে দ্বিগুণ রেখেও তাই লাভ হয়নি আর্জেন্টিনার। হার দিয়েই জাতীয় দলে ফিরতে হলো মেসিকে।

মেসির ক্লোন মাঠে নামবে, মেসি অবসরের পর

Now Reading
মেসির ক্লোন মাঠে নামবে, মেসি অবসরের পর

মেসি বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার। মেসির খেলা অপছন্দ করে এমন একজন ফুটবল প্রেমী খুজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু মেসির বয়স হয়ে যাচ্ছে, এক সময় তিনি অবসর নিবেন। তখন নামানো হবে মাঠে হুবুহু আরেকজন মেসিকে। না, মেসির এমন কোনো ‘যমজ’ ভাই আবিষ্কৃত হয়নি। বার্সেলোনা তারকার মতোই দেখতে, এমন একজনের নাম শোনা গিয়েছিল ইরানে। ফুটবলপ্রেমী রিজা পেরেস্তেস। কিন্তু ফুটবল সামর্থ্যে রিজা তো মেসির ধারেকাছেও নেই। তাই যমজ দূরের কথা, খেলা নিয়েও দুজনের মধ্যে সাযুজ্য খোঁজা অবান্তর। ইউরোপিয়ান জিনোম আর্কাইভের জিন-বিশেষজ্ঞ আর্কাদি নাভারো ঠিক এমন বৈপ্লবিক কিছুই ভেবেছেন। ধরুন, মেসি অবসর নেওয়ার বেশ কিছুদিন পর মাঠে নামলেন মেসির ‘ক্লোন’! যিনি দেখতে হুবহু পাঁচবারের বর্ষসেরা আর্জেন্টাইনের মতো, আবার খেলার ধারও একই রকম।
অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে মেসির ‘ক্লোন’ বানানো সম্ভব, এমনটাই মনে করছেন নাভারো। এ নিয়ে দারুণ পরিকল্পনাও করেছেন এই স্প্যানিশ বিজ্ঞানী। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা মেসির খুব কাছাকাছি কাউকে পেতে পারি। বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর (মেসি) “ক্লোন” করা সম্ভব, যাকে দেখে যমজ বলেই মনে হবে। ব্যাপারটা এমন হবে যে, দুজন যমজ জন্ম নিয়েছে এর মধ্যে একজনকে রাখা হবে “টাইম চেম্বার”-এ। ২০-৩০ বছর পর আমরা তাঁকে (টাইম চেম্বার থেকে) ফিরিয়ে আনব সঠিক সময়ে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সে সবকিছুতেই একই রকম হবে।’
মেসির ‘ক্লোন’ যে তাঁর মতোই ফুটবলের মহাতারকা হবে, নাভারো সেই নিশ্চয়তা দিচ্ছেন না। তাঁর ভাষায়, ‘বংশগতিবিদ্যা আমাদের একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। মেসির সব গুণ-ই সে হয়তো পাবে, কিন্তু মেসির ফুটবল প্রতিভায় দুটি বিষয় মূল। একটি হলো, সে খুব চালাক এবং তা বংশানুগতিক। আরেকটি তাঁর শিক্ষা-দীক্ষা ও পরিবেশ। মেসি মেসি-ই এবং তা শুধু বংশানুগতির ওপর নির্ভর করে না। লা মাসিয়ায় বেড়ে ওঠা, হরমোন চিকিৎসা এবং পরিবেশের ওপর নির্ভর করেই সে বেড়ে উঠেছে। বংশগতিবিদ্যা শুধু একটা সম্ভাবনা দেখাতে পারে। মেসির ক্ষেত্রে তা পরিপূর্ণভাবে সম্পাদিত হবে কি না, সেটি তখনকার পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে।’
ক্লোন করা মানুষ হুবহু একই রকম দক্ষতার হয় কি না, এ নিয়ে সদুত্তর মেলে না। তবে তার আগে এই প্রশ্নের উত্তর মেলাতে হবে, মেসির ক্লোন করার অনুমতি কি মিলবে?

স্পেন দলে আট নতুন মুখ, বাদ পড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ইস্কো অ্যালার্কন

Now Reading
স্পেন দলে আট নতুন মুখ, বাদ পড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ইস্কো অ্যালার্কন

স্পেনের কোচ লুইস এনরিকে, ইস্কো অ্যালার্কনকে ছাড়াই ই ম্যাচের জন্য ২৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন। চলতি মাসের শেষের দিকে ইউরো-২০২০’র বাছাইপর্বের দুইটি ম্যাচ খেলবে স্পেন।

তুলনামূলক দুর্বল দুই প্রতিপক্ষ নরওয়ে এবং মাল্টার বিপক্ষে তারুণ্যনির্ভর দলই ঘোষণা করেছেন এনরিকে। যেখানে প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন ৮ জন। সবশেষ ম্যাচের দল থেকে বাদ পড়েছেন ইস্কো এবং সাউল নিগুয়েজ।
প্রথমবারের মত সুযোগ পাওয়া ৮ জন হলেন তিন ডিফেন্ডার হুয়ান বেরনাট, সার্জি গোমেজ ও হেসুস নাভাস, তিন মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজ, সার্জিও স্যানালেস ও দানি পারেজো এবং দুই ফরোয়ার্ড ইকার মুনিয়ান ও জ্যামি মাতা।
আগামী ২৪ মার্চ ঘরের মাঠে নরওয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। দিন তিনেক পর মাল্টার মাঠে খেলতে যাবে এনরিকের শিষ্যরা।
ইউরো বাছাইপর্বের জন্য স্পেন স্কোয়াড
গোলরক্ষক: ডেভিড ডি গিয়া, কেপা আরিজাবালাগা, পাউ লোপেজ
ডিফেন্ডার: হোসে গায়া, জর্দি আলবা, হুয়ান বেরনাট, মারিও হারমোসো, ইনিগো মার্টিনেজ, সার্জিও রামোস, সার্জি গোমেজ, হেসুস নাভাস, সার্জিও রবার্তো।
মিডফিল্ডার: সার্জিও বুসকেটস, রদ্রি হার্নান্দেজ, দানি সেবায়োস, ফাবিয়ান রুইজ, সার্জিও স্যানালেস, দানি পারেজো।
ফরোয়ার্ড: আলভারো মোরাতা, রদ্রিগো মরেনো, মার্কো অ্যাসেনসিও, ইকার মুনিয়ান ও জ্যামি মাতা।

লিগ ওয়ানে টানা জয়ে আধিপত্য ধরে রেখেছে পিএসজি

Now Reading
লিগ ওয়ানে টানা জয়ে আধিপত্য ধরে রেখেছে পিএসজি

কিলিয়ান এমবাপে লিগ ওয়ানে টানা পঞ্চম ম্যাচে জালের দেখা পেলেন। সতীর্থের গোলে অবদান রাখার পাশাপাশি আনহেল দি মারিয়া নিজেও করলেন একটি।
লিগ ওয়ানে টানা জয়ে আধিপত্য ধরে রেখেছে পিএসজি। গতকাল দিজোঁর মাঠেও বড় জয় পেয়েছে টমাস টুখেলের দল। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিলের চেয়ে আবারও ১৭ পয়েন্টে এগিয়ে গেল গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
পয়েন্ট তালিকার অবনমন অঞ্চলের দলটির মাঠে মঙ্গলবার রাতে ৪-০ গোলে জিতেছে টমাস টুখেলের দল। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিলের চেয়ে আবারও ১৭ পয়েন্টে এগিয়ে গেল গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে এগিয়ে থাকা পিএসজি সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায়। দি মারিয়ার দারুণ কর্নারে হেডে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস।
ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলেও অবদান ছিল দি মারিয়ার। তার পাস ডি-বক্সে পেয়ে বাঁ দিক থেকে গোলমুখে বল বাড়ান লেইভিন কুরজাওয়া। আর ছুটে এসে টোকা দিয়ে বল ঠিকানায় পাঠান এমবাপে।
এই নিয়ে শেষ পাঁচ ম্যাচে সাতটি গোল করলেন এমবাপে। আর আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা ফরাসি ফরোয়ার্ডের মোট গোল হলো ২৫টি।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। ডি মারিয়ার দারুণ কর্নারে হেডকে আলতো ছোঁয়ায় জালে পাঠান তিনি।
৪০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন এমবাপে। তাতেও অবদান ছিল আর্জেন্টাইন তারকা ডি মারিয়ার। তার পাস ডি-বক্সে পেয়ে বাঁ দিক থেকে গোলমুখে বল বাড়ান লেইভিন কুরজাওয়া। আর ছুটে এসে টোকা দিয়ে বল ঠিকানায় পাঠান এমবাপে। চলতি আসরে এটি তার ২৫তম গোল।
বিরতির পর ব্যবধান ৩-০ করেন ডি মারিয়া। আর শেষের দিকে চতুর্থ গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড এরিক মাক্সিম চুপো-মোটিং।
২৭ ম্যাচে ২৪ জয় ও দুই ড্রয়ে শীর্ষে থাকা পিএসজির পয়েন্ট হলো ৭৪। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিলের পয়েন্ট ৫৭। ২১ পয়েন্ট নিয়ে ১৮ নম্বরে আছে দিজোঁ।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকার কৌতিনিয়ো মারা গেছেন

Now Reading
ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকার কৌতিনিয়ো মারা গেছেন

৭৫ বছর বয়সে নিজ বাড়িতে মারা গেছেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকার কৌতিনিয়ো ।
ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোস সোমবার টুইটারে তার মৃত্যুর খবরটি জানায় । সান্তোস স্টেডিয়ামে তার শেষকৃত্য হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। গত জানুয়ারিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ডায়াবেটিসেও ভুগছিলেন তিনি।
সান্তোসে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের সঙ্গে আক্রমণভাগে দারুণ এক জুটি গড়ে তুলেছিলেন কৌতিনিয়ো। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দুজনে একসঙ্গে খেলেছেন এই ক্লাবে। দলটির হয়ে পেলে করেন ১০৯১ গোল, আর ৩৬৮টি গোল করেন কৌতিনিয়ো।
ব্রাজিলের ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলে ছিলেন কৌতিনিয়ো। অবশ্য চোটের কারণে জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি খেলতে পারেননি তিনি। ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেছেন মোটে ১৫ ম্যাচ।

ম্যানচেস্টার সিটি ৭-০ গলে উড়িয়ে দিল শালকে

Now Reading
ম্যানচেস্টার সিটি ৭-০ গলে উড়িয়ে দিল শালকে

দারুণ ফর্মে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে শালকেকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। দারুণ ছন্দে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে লড়াইও করতে পারল না শালকে।
শেষ ষোলোর ফিরতি পর্বে মঙ্গলবার রাতে ৭-০ গোলে জিতেছে সিটি। ক্লাব ফুটবলে ইউরোপ সেরার মঞ্চে নিজেদের ইতিহাসে এটা তাদের সবচেয়ে বড় জয়। দুই লেগ মিলিয়ে ১০-২ গোলে এগিয়ে থেকে পরের ধাপে ওঠে দলটি। জোড়া গোল করেন সের্হিও আগুয়েরো। একটি করে করেন রাহিম স্টার্লিং, লেরয় সানে, বের্নার্দো সিলভা, গাব্রিয়েল জেসুস ও ফিল ফোডেন।

এদিন ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে জার্মান ক্লাব শালকেকে আতিথেয়তা দিয়ে আসলে লজ্জাই দিল সিটি। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে সিটি খেলার ৩৫ মিনিটে আগুয়েরোর পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায়। আর তিন মিনিট পরেই এই আর্জেন্টাইন আরও একটি গোল করে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে লেরয় সানে গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সিটি।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় গার্দিওলার শিষ্যরা। ৫৬ মিনিটে রাহিম স্টারলিং দলের চতুর্থ গোলটি করেন। ৭১ ও ৭৮ মিনিটে একটি করে গোল আসে বেনার্দো সিলভা ও ফোডেনের পা থেকে। আর ৮৪ মিনিটে শালকের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

বাংলাদেশেও আছে গতিময় ফুটবলার

Now Reading
বাংলাদেশেও আছে গতিময় ফুটবলার

গতি ফুটবল খেলায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর বাংলাদেশের ফুটবল খেলোয়াড়দের গতি নেই এই অভিযোগ প্রায় সময় পাওয়া যায়। কিন্তু জাতীয় দল ও বসুন্ধরা কিংসের উইঙ্গার মাহবুবুর রহমান সুফিলের গতির পরিসংখ্যান চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো। বাংলাদেশের কোনো ফুটবলার বল নিয়ে এত জোরে দৌড়াতে পারেন!
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের গোলটি দেখে অনেকেরই এমন আশ্চর্যসূচক প্রশ্ন। রবিউল হাসানের গোলটি যতটা না মাধুর্য ছড়িয়েছে, এর চেয়ে ঢের বেশি প্রশংসনীয় হয়েছে বলের জোগানদাতা মাহবুবুর রহমান সুফিলের ভোঁ–দৌড়। প্রতি–আক্রমণে ঝড়ের গতিতে ওই একটা মুভই তো খুলে দিয়েছে গোলমুখ।

লেফট ব্যাক সুশান্তের এরিয়াল থ্রু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঝড়ের বেগে ছুটছেন সুফিল। বাংলাদেশের এই উইঙ্গারের সঙ্গে দৌড়ে কুলিয়ে উঠতে না পেরে একেবারেই ছিটকে গেলেন কম্বোডিয়ান ডিফেন্ডার। বক্সে ঢুকে গোললাইনের কাছাকাছি গিয়ে আলতো কাট ব্যাকে বলটি গোলমুখে রবিউল হাসানের সামনে সাজিয়ে দিলেন। বলটা পোস্টে না রাখতে পারলেই অন্যায় হতো বুঝি! মিস হয়নি বলেই প্রায় তিন বছরের বেশি সময় পর বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের জয়। না, কম্বোডিয়ার বিপক্ষে এক জয় নিয়ে আর কোনো কথা নয়। কিন্তু সুফিলের গতির নাড়িনক্ষত্র খুঁজতে গিয়ে অবাক হতেই হলো। চুলচেরা বিশ্লেষণের পরিসংখ্যানটা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো।
১৯ বছর বয়সী সুফিলের গতি জানার আগে নিজের মনকেই একটা প্রশ্ন করুন, বাংলাদেশের এক ফুটবলার সেকেন্ডে কত মিটার বা ঘণ্টায় কত কিলোমিটার দৌড়ানোর সামর্থ্য রাখতে পারেন? এবার পড়ুন, প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৮.৯ মিটার (হিসাবটা গত বছরের) দৌড়াতে পারেন সুফিল। ঘণ্টায় ৩২.০৪ কিলোমিটার। ভাবা যায়! প্রশ্নটা হলো, এই তথ্য বিশ্লেষণ কীভাবে জানা গেল? গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা ‘জিপিএস’ যন্ত্রটির রিপোর্টেই এসেছে সুফিলের গতির নাড়িনক্ষত্র, যা সংরক্ষিত আছে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ও দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ মারুফুল হকের কম্পিউটারে।
গত মৌসুমে আরামবাগ ক্রীড়াসংঘ দিয়ে দেশের ফুটবলে প্রথমবারের মতো জিপিএস প্রথার সূচনা করেন মারুফুল। দলটির অধিনায়ক ছিলেন সুফিল। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই জিপিএস চিপ জার্সির নিচে পরে মাঠে নামতেন ক্লাবপাড়ার খেলোয়াড়েরা। ফলে খুব সহজেই বের হয়ে এসেছে তথ্যটি। সে অনুযায়ী অবাক করার মতো তথ্য আছে আরও একটি। উইঙ্গার বা ফুলব্যাক হিসেবে খেললে ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার ম্যাচে গড়ে দৌড়ান ১২ কিলোমিটার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে বসে কম্পিউটার খুলে তথ্যগুলো নিজেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সুফিলের সাবেক কোচ মারুফুল, ‘সুফিল সেকেন্ডে ৮.৯ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ও এই শক্তিটা মূলত পেয়েছে প্রকৃতিগতভাবে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নিয়মতান্ত্রিক কঠোর পরিশ্রম। তবে জন্মগতভাবে না পেলে কঠোর অনুশীলন করে গতি খুব বেশি বাড়ানো যায় না।’
এবার আসা যাক বিদেশি ফুটবলারদের সঙ্গে সুফিলের গতির পার্থক্যের তুলনায়। গত বছরের শেষ দিকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ফুটবলার গ্যারেথ বেল। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফুটবলার ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ গতি তুলেছিলেন ঘণ্টায় প্রায় ৩৬.৯ কিলোমিটার। ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো কিলিয়ান এমবাপ্পে ৩৬ কিলোমিটার। তালিকায় ১০ নম্বরে থাকা বেয়ার লেভারকুসেনে খেলা জার্মানির করিম বেলারাবির গতি ৩৫.২৭ কিলোমিটার। স্বাভাবিকভাবে বিশ্ব মাতানো ফুটবলারদের চেয়ে পিছিয়ে আছেন বাংলাদেশের সুফিল। তবে তাঁর পরিসংখ্যানটা বিশ্বমানের বলেই জানালেন মারুফুল।
কথাটা ফেলনার নয়, সে প্রমাণটাও পাওয়া গেল সহজেই। রাশিয়া বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গতিতে দৌড়ানো ৫০ জন ফুটবলারের তালিকায় শেষ ১৫ জনের গতি সুফিলেরই সমান ৩২.০৪ কিলোমিটার। ১৫ জনের সে তালিকায় আছেন আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড পাভোন, ফ্রান্সের এমবাপ্পে ও গ্রিজমানের মতো তারকারা। সর্বোচ্চ ৩৪ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছেন ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড আন্তে রেবিচ।
সুফিলের এই গতির রহস্য তাঁর মুখ থেকেই শুনুন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক জোরে দৌড়াই। সাধারণত অনুশীলনে স্পিড ওয়ার্কের সময় অনেকেই ঢিলেমি করে। কিন্তু আমি সব সময় সেরাটা দিয়েই দৌড়াই। কখনো দ্বিতীয় হওয়ার জন্য দৌড়াই না। আমার লক্ষ্য সব সময় প্রথম। সেই ছোটবেলা থেকেই, যা এখনো আছে।’

জিদান রিয়াল মাদ্রিদে ফিরেই কিছু খেলোয়াড় কিনার দাবি

Now Reading
জিদান রিয়াল মাদ্রিদে ফিরেই কিছু খেলোয়াড় কিনার দাবি

গতকালই সংবাদপত্রে পাওয়া গেছে জিদান ফিরেছেন রিয়াল মাদ্রিদে। সেটা সত্য না মিথ্যা সেটা যাচাই করার আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর চলে এল, রিয়ালের দায়িত্বে ফেরার নিজের দাবি দাওয়া জানিয়ে দিয়েছেন জিদান। সেখানে বেশ কিছু খেলোয়াড় কেনার দাবি নাকি জানিয়ে দিয়েছেন।
স্প্যানিশ সময় সন্ধ্যা ৬ টায় জিদানের রিয়ালে ফেরার খবর সত্য প্রমাণিত হয়েছে। তবে মৌসুম এখনো শেষ হয়নি বলে জিদানের ফর্দ ধরিয়ে দেওয়াকে সংবাদমাধ্যমের বাড়বাড়ি বলেই মনে হচ্ছিল। আজ জানা গেল, খুব একটা ভুল তথ্য দেয়নি তারা! দলের দায়িত্ব নিয়ে এখনো অনুশীলন করার সুযোগ হয়নি জিদানের। এর মাঝেই খেলোয়াড় কেনার চেষ্টা শুরু হয়ে গেছে রিয়ালের!
জিদান রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর যে খেলোয়াড়টি সবচেয়ে বেশি খুশি হওয়ার কথা, তিনি হলেন এডেন হ্যাজার্ড। বহুদিন ধরেই রিয়ালে যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন চেলসি ফরোয়ার্ড। নিজের ইচ্ছার কথা কখনো গোপন করেননি। দুর্দান্ত এক বিশ্বকাপ কাটানোর পর একবার জানিয়েছেন, চেলসির হয়ে মৌসুমের দুর্দান্ত শুরুর পরও বেশ কয়েকবার মাদ্রিদের দিকে ভালোবাসামাখা দৃষ্টি দিয়েছেন। কিন্তু জিদান বিদায় নেওয়ায় রিয়াল কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যাজার্ডকে কেনার জন্য চেলসির সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। হ্যাজার্ডও নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য ক্লাবের সঙ্গে যুদ্ধে নামেননি যেমনটা বন্ধু ও জাতীয় দল সতীর্থ থিবো কোর্তোয়া করেছেন।
গতকাল জিদানের দায়িত্ব গ্রহণের পর জিদানের ফর্দ নামে অনলাইনে যে তালিকা পাওয়া গেছে তাতে কিলিয়ান এমবাপ্পে, পল পগবা, এরিকসেন ও সাদিও মানের নাম পাওয়া গেছে। তবে সবার আগে ছিল হ্যাজার্ডের নাম। এরই মাঝে গোল জানিয়েছে, রিয়াল এরই মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যাজার্ডের ব্যাপারে চেলসির সঙ্গে কথা বলেছে। সামনেই দলবদলের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাওয়া চেলসি নাকি ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছে হ্যাজার্ডের গায়ে। বেলজিয়ান অধিনায়কের চুক্তির আর মাত্র এক বছর বাকি থাকায় রিয়াল চাইছে মূল্যটা কমিয়ে আনতে।

রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এরই মাঝে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নেইমারের ব্যাপারে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। জিদানের খবর নিশ্চিত করার পরই বলেছেন, সম্ভব হলে এ দুজনকেই রিয়ালে আনবেন!

রোনালদোর দ্বারাই সম্ভব

Now Reading
রোনালদোর দ্বারাই সম্ভব

রোনালদোর হ্যাটট্রিকে জুভেন্টাস ৩-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে।
প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে ২-০ গোলের ব্যবধানে হার। ফিরতি লেগে অতিমানবীয় কিছু করতে না পারলে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ছিটকে যেতে হবে জুভেন্টাসকে। অতিমানবীয় কারণ, অ্যাটলেটিকোর রক্ষণ যে ইউরোপের অন্যতম সেরা। এরপর আবার এই ম্যাচের আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে জুভেন্টাসের হয়ে রোনালদোর গোল মাত্র একটি! অথচ এই চ্যাম্পিয়নস লিগের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রটির নামই রোনালদো। শেষ পর্যন্ত রোনালদো তাঁর নামের মর্যাদা রেখেছেন। প্রমাণ করেছেন তিনি কেন সেরাদের একজন। পর্তুগীজ সেনার হ্যাটট্রিকে প্রথম লেগ হেরেও ৩-২ গোলের অগ্রগামিতায় চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে জুভেন্টাস।
রোনালদোর ওপর অবশ্য আস্থা রেখেছিলেন একজন। কারণ তিনি এমন চিত্রনাট্য আগেই পড়েছিলেন। যেখানে নায়ক এই রোনালদোই। ২০১৫-১৬ চ্যাম্পিয়নস লিগের মৌসুমে কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালীন একই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন রোনালদো। ওই মৌসুমে ভলফ্সবুর্গের বিপক্ষে প্রথম লেগে ২-০ গোলের ব্যবধানে হেরেও দ্বিতীয় লেগে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে সেমিতে উঠেছিল রিয়াল। সেবার অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ভলফ্সবুর্গের তখনকার কোচ দিয়েতর হেকিং মঙ্গলবারের ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘যদি কেউ পারে এটা, রোনালদোই পারবে। তাঁর পক্ষে সবই সম্ভব।’
ঘটনা হচ্ছে তিন বছর পর সেই রোনালদো এখন স্পেন থেকে ইতালিতে তাঁবু ফেলেছেন। আর চিত্রনাট্য ওই তিন বছর আগেরটাই। চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছে জুভেন্টাস। মঙ্গলবার রাতে তুরিনে ফিরতি লেগে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ৩-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে জুভেন্টাসের কাছে; হেরেছে রোনালদোর কাছে। সত্যিই তো, ‘রোনালদোর পক্ষেই সম্ভব!’

Page Sidebar