ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ এর টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে।

Now Reading
ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ এর টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে।

আমাদের বাংলাদেশে অনেক সুন্দর সুন্দর দর্শনীক স্থান আছে তা আমরা কেও তেমন তা জানি না। গত বছর এর ডিসেম্বরের শেষ এর দিকে একদিন গুগল এ সার্চ করি আমাদের দেশের  কিছু সুন্দর সুন্দর tourish spot. হঠাৎ করে চোখে পরলো টাঙ্গুয়ার হাওর এর ছবি। কি অপুরুপ তার দৃশ্য। সবুজ পাহাড় নিচে নীল জলরাশি। ঠিক তার পর এর দিন এক বন্ধু কে নিয়ে plan করলাম তাঙ্গুর হাওরে ঘুরতে যাওয়ার তো সে দিন সন্ধ্যায় শুক্রাবাদ  থেকে Green Line এর টিকেট কাটলাম দুইটি সিলেটের। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টার journey করার পর সিলেতে পউছালাম।

সেখান থেকে সুনামগাঞ্জ এর বাস এ উঠেবসলাম। ২ ঘণ্টা পর সুনামগাঞ্জ এ পউছানর পর   সেখানে একটি হোটেল থেকে সকাল এর নাশতাটা করেফেলি। টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। তাই আমরা তাহিরপুর এর  পউছানর পর ৫০০ টাকা দিয়ে ১টি speed boat ভাড়া করি। তারপর আমরা পুরো টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরে বেরাই। একদম ছবির মতো তার দৃশ্য। কিন্তু  বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকাগুলোতে যতবার গিয়েছি, একটা দীর্ঘশ্বাস পড়েছে। কারণ, সিলেট-নেত্রকোণা বেল্ট সহ প্রায় সীমান্ত এলাকাগুলোতেই সব পাহাড়গুলো ভারতীয়দের দখলে। যাই হোক এখন বলি টাঙ্গুয়ার হাওর এর কিছু পরিচিতিঃ

টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরণা) এসে মিশেছে এই হাওরে।[৩] দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ গ্রামগঞ্জ ও কৃষিজমি।[১] একসময় গাছ-মাছ-পাখি আর প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের আধার ছিল এই হাওর। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গুয়ার হাওরকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখনই অবসান হয় দীর্ঘ ৬০ বছরের ইজারাদারির। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে ২০ জানুয়ারি এই হাওরকে ‘রামসার স্থান’ (Ramsar site) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। হাওর এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন, সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড সরকারের মধ্যে ২০০১ খ্রিস্টাব্দে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের ৯ নভেম্বর থেকে হাওরের নিয়ন্ত্রণ নেয় জেলা প্রশাসন।[৪]

শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে কমে গেলে এখানকার প্রায় ২৪টি বিলের পাড় (স্থানীয় ভাষায় কান্দা) জেগে উঠলে শুধু কান্দা’র ভিতরের অংশেই আদি বিল থাকে, আর শুকিয়ে যাওয়া অংশে স্থানীয় কৃষকেরা রবিশস্য ও বোরো ধানের আবাদ করেন। এসময় এলাকাটি গোচারণভূমি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে নিমগ্ন হাওরের জেগে থাকা উঁচু কান্দাগুলোতে আশ্রয় নেয় পরিযায়ী পাখিরা —রোদ পোহায়, জিরিয়ে নেয়। কান্দাগুলো এখন (২০১২) আর দেখা যায় না বলে স্থানীয় এনজিও ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুঁতে দেয়া হয়েছে বাঁশ বা কাঠের ছোট ছোট বিশ্রাম-দণ্ড।

তো এই ছিল আমার ভ্রমণ কাহিনি আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোদ আপনারা বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার আগে নিজের দেশটি একবার ভাল করে ঘুরে দেখেবেন।