তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক, হস্তান্তর বাংলাদেশী পাসপোর্ট এবং দেশে ফেরাতে উদ্যেগী সরকার

Now Reading
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক, হস্তান্তর বাংলাদেশী পাসপোর্ট এবং দেশে ফেরাতে উদ্যেগী সরকার

তারেক রহমান তাঁর বাংলাদেশী সবুজ পাসপোর্ট লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন। আর এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি।  উল্লেখ্য যে প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন খালেদা জিয়ার এই জ্যৈষ্ঠ পুত্র। খালেদা জিয়া কারান্তরীন হওয়ায় লন্ডন থেকেই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে বিএনপির সকল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন জনাব তারেক রহমান।

এদিকে গত শনিবার লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ কর্তৃক এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে সাজাপ্রাপ্ত এই ‌‘অপরাধীকে যেভাবেই হোক’ দেশে ফিরিয়ে নেব। তারেক রহমানকে ফেরত নিতে আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেছেন, বুকে সাহস থাকলে তারেক রহমান বাংলাদেশে যেত। বাংলাদেশে যেভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে, লন্ডনে বসেও একই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। লন্ডনেও এখন নতুন হাওয়া ভবন খোলা হয়েছে। লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করে যাচ্ছে তারেক। সে অসুস্থ হলে এত দামি গাড়ি কীভাবে চালায়? বলে প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইকমিশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে অপমান করা এবং বিভিন্ন সময় মন্ত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলেরা ৯৮০ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে লুট করে নিয়ে গেছে।

বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও পারস্পরিক আইনি চুক্তির মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে ফেরানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হচ্ছে সরকার। সেক্ষেত্রে মিউচ্যুয়াল লিগেল এ্যাসিস্টটেন্ট অ্যাক্ট কে কাজে লাগিয়ে তা করা হতে পারে যা দুই দেশের মধ্যেই এই কো-অপারেশন আছে। সময় বলে দেবে আদৌ তারেক রহমানকে দেশে আনা সম্ভব হবে কিনা!