2
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

বায়ু দূষণের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে ভারতে

Now Reading
বায়ু দূষণের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে ভারতে

বায়ু দূষণের ফলে প্রতি বছর প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে ভারতে। বিষাক্ত বাতাসের কারনে ভারতে মৃত্যুর হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। বিষাক্ত বাতাসের কারণে ২০১৭ সালে ভারতে ১২ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর ২০১৫ সালে ১১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ভারতে। ২০১৯ সালের স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার রিপোর্ট এমনটাই বলছে।
স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার রিপোর্ট বলছে, ভারতে ২০১৭ সালে ১২ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিষাক্ত বাতাসে। আর একই কারণে ২০১৫ সালে ১১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৭ সালে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ বেড়ে গেছে। বিশ্বের মধ্যে বায়ুদূষণে অতি বিপজ্জনক রাজধানীগুলোর মধ্যে এক নম্বরেই রয়েছে দিল্লি।
বিশ্বের প্রথম ২০টি সবচেয়ে দূষিত শহরের মধ্যে ১৫টিই ভারতের। বিশ্বে যে যে কারণগুলোতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়, তার মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে বায়ুদূষণ। দিল্লি, গুরগাঁও ও ফরিদাবাদসহ ভারতের গাঙ্গেয় শহরগুলোতে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, কোনও ব্যক্তি যদি ধূমপায়ী না-ও হন, তাও স্রেফ বায়ুদূষণের জন্য তিনি চেন স্মোকারের সমান ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার আক্রমনের শিকার হচ্ছে

Now Reading
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার আক্রমনের শিকার হচ্ছে

আরজেডি তাদের টুইট বার্তায় বলেছে, “মোদিজি দিনে ২০০ বার পাকিস্তানের নাম নেন। পাকিস্তানের জন্য এত প্রেম, মোদিজি? আপনি আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী। এটা ভারতের লোকসভা নির্বাচন। আপনি কি পাকিস্তানের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করবেন? ছোট্ট প্রতিবেশী দেশ নিয়ে কি শক্তি নষ্ট করা উচিত আমাদের দেশের? নিজের কথা বলুন, নিজের কাজের কথা বলুন, নিজের দেশের কথা বলুন।”

নির্বাচন যত সামনে আসছে প্রতিপক্ষ দলগুলোও যেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তত বেশি করে আক্রমণ করছে। কদিন আগে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মোদিকে একহাত নিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এবার মোদির সমালোচনা করল বর্ষীয়ান নেতা লালু যাদবের দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)। দিনে ২০০ বার পাকিস্তানের নাম নেন মোদি, এমন মন্তব্য করেছে দলটি! নিজেদের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্দেশে এক বার্তায় দলটি লিখেছে, “পাকিস্তানকে নিয়ে নয় বরং নিজের কাজ আর নিজের দেশ নিয়ে কথা বলা উচিত প্রধানমন্ত্রীর।”

প্রসঙ্গটি উঠেছে, বালাকোটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর আক্রমণে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী ক্যাম্প ধ্বংস হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতাসীন বিজেপি ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে কথার লড়াই চলছে। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, পাকিস্তান এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। পাকিস্তান দাবি করে আসছিল তাদের ওখানে কোনো সন্ত্রাসী ক্যাম্প নেই। কিন্তু এখন তাদের সেই মন্তব্য গোপন করতে হচ্ছে। তারা কাউকে সেখানে যেতে দিচ্ছে না। পাকিস্তান এখন নতুন করে বালাকোটকে সাজাতে চাইছে। সেখানে একটি স্কুল নির্মাণ করছে তারা যাতে করে সবাইকে দেখাতে পারে সেখানে কোনো সন্ত্রাসী ক্যাম্প ছিল না।

ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে উপগ্রহ ধ্বংসের ফলে মহাকাশের জাঙ্ক শত শত টুকরো হয়ে গেছে………

Now Reading
ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে উপগ্রহ ধ্বংসের ফলে মহাকাশের জাঙ্ক শত শত টুকরো হয়ে গেছে………

ভারত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে একটি উপগ্রহ ধ্বংস করার ফলে মহাকাশের জাঙ্ক শত শত টুকরো হয়ে গিয়েছিল যা স্পেস কর্তৃপক্ষ বহু বছর ধরে এড়াতে পারে এমন একটি সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। একটি স্যাটেলাইটের পরীক্ষা দ্বারা প্রকাশিত উপগ্রহগুলিকে ঘিরে রাখার হুমকি হ্রাস করার জন্য ভারত চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন যে এটি টেকনিক্যালি অবৈধ নয়। নেব্রাস্কা-লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পেস আইন বিভাগের অধ্যাপক ফ্রেস ভন ডার ডঙ্ক বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, এখনো কোন বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক আইনি নিয়ম নেই যা স্থানে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষ নিষিদ্ধ করে।”
ভন ডার ডিন বলেন, “একই সাথে পরীক্ষিত ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস চুক্তি অনুযায়ী এই বাধ্যবাধকতাটির অন্যতম লঙ্ঘনের কারণ ছিল যেহেতু তারা তাদের নিজস্ব উপগ্রহ ক্রিয়াকলাপের সাথে ক্ষতিকারক হস্তক্ষেপ ভোগ করতে পারে। এই ধরনের পরীক্ষা ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক আইনের প্রবণতা এবং মনোভাবের বিরুদ্ধে যায় যা ক্রমবর্ধমানভাবে এই ধরনের জাঙ্ক তৈরির ক্রিয়াকলাপগুলি থেকে বিরত থাকার জন্য একটি প্রথামত আন্তর্জাতিক আইনী বাধ্যবাধকতার দিকে এগিয়ে যাওয়া হিসাবে দেখা হচ্ছে।”

২০০২ সাল থেকে বিশ্বের মহাকাশযানগুলি স্পেস জাঙ্ক তৈরি এড়াতে একটি আনুষ্ঠানিক আচরণ পরিচালনা করে এবং জাতিসংঘ এই রেজাল্টের সাথে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্যাট্রিক শানাহানকে অভিনন্দন জানিয়ে ভারতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট বিরোধী অস্ত্র পরীক্ষার লক্ষ্য নিয়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির কাছে এক বিরল ভাষণ দিয়ে বলেছিলেন, “উপগ্রহটি ৩০০ কিলোমিটারের উচ্চতাতে আঘাত পেয়েছিল যা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন এবং বেশিরভাগ উপগ্রহগুলির দ্বারা ব্যবহৃত ৪১০ কিলোমিটারের চেয়ে কম।”

স্পেস জাঙ্ক থেকে আসা বিপদটি পৃথিবীতে না পড়ে এটি ঘূর্ণায়মান উপগ্রহগুলির সাথে সংঘর্ষ করে। এমনকি মহান গতিতে ভ্রাম্যমান ধ্বংসাবশেষ ক্ষুদ্রতম টুকরা দ্বারা একটি উপগ্রহ করা যাবে। ভারতীয় পরীক্ষার বেশিরভাগ ধ্বংসাবশেষ মাধ্যাকর্ষণটি টেনে এনে কয়েক সপ্তাহের জন্য কক্ষপথে থাকে বলে আশা করা হয় এবং এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দ্বারা গ্রাস করা হয়। বিশেষজ্ঞরা এএফপিকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, তারা বিশ্বাস করে যে ভারতের পরিচালিত পরীক্ষার অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতায় এটি নিরাপদ। এটি ২000 এরও বেশি কক্ষপথের একটি অনলাইন ডেটা বেস বজায় রাখে যার মধ্যে রয়েছে সক্রিয় উপগ্রহ, নিষ্ক্রিয় উপগ্রহ, রকেটের টুকরা এবং ধ্বংসাত্মক উপগ্রহের পূর্ববর্তী পরীক্ষার ধ্বংসাবশেষ সহ।
২০০৭ সালে চীনা বিরোধী স্যাটেলাইট পরীক্ষায় তৈরি হওয়া ৩০০০ টিরও বেশি স্থান ধ্বংসাবশেষ এবং ২০০৯ সালে রাশিয়ান উপগ্রহ এবং একটি ইরিডিয়াম স্যাটেলাইটের মধ্যে সংঘটিত সংঘর্ষে ১০০০ এরও বেশি ঘটনা ঘটে।

মার্কিন বিমান বাহিনী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডেভিড থম্পসন, এয়ার ফোর্স স্পেস কমান্ডের ভাইস কমান্ডার একটি সেনেট শুনানির কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষার কয়েক ঘন্টা পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংসাবশেষ মাঠে প্রায় ২৭০ টি ভিন্ন ভিন্ন বস্তুর সন্ধান করছে। থম্পসন বলেন, “সম্ভবত ডেব্রিড ফিল্ড ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং আমরা আরো সেন্সর তথ্য সংগ্রহ করব। যদি এই উপগ্রহগুলি হুমকির সম্মুখীন হয় তবে আমরা স্যাটেলাইট অপারেটরদের সরাসরি সূচনা প্রদান করব। মার্কিন নজরদারি সিস্টেমগুলি অবিলম্বে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সূচনা সনাক্ত করেছে এবং আমরা সচেতন ছিলাম যে এটি ভারতের আসন্ন কিছু ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসছে। পরিষ্কারভাবে বলা যাক এটি সনাক্ত ও চিহ্নিত এবং বায়ু বাহিনী সিস্টেম দ্বারা রিপোর্ট করা হয়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্য ছিল একটি মাইক্রোসট আর উপগ্রহ যা ৭৪০ কিলোগ্রাম (1,631 পাউন্ড) ওজনের। মার্কিন কোম্পানি প্ল্যানেট, যা প্রায় ৫০০ কিলোমিটার (310 মাইল) উচ্চতায় আবর্তিত উপগ্রহগুলির মাধ্যমে পৃথিবীর উচ্চ-রেজোলিউশন ফটোগ্রাফি সরবরাহ করে দৃঢ়ভাবে এই পরীক্ষাকে অস্বীকার করে।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত বিরোধী-স্যাটেলাইট ক্ষেপণাস্ত্রের আক্রমনের নিন্দা জানিয়েছি। স্থানটি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত এবং মহাকাশে উপগ্রহগুলিকে ধ্বংস করা সমস্ত মহাকাশ অপারেটরদের জন্য পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বকে মারাত্মকভাবে হুমকি দেয়।”

মোদি বললেন, চার পুরুষ ধরে মিথ্যা বলেছে গান্ধী পরিবার

Now Reading
মোদি বললেন, চার পুরুষ ধরে মিথ্যা বলেছে গান্ধী পরিবার

সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন সামনে রেখে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে চার পুরুষ ধরে মিথ্যা বলেছে গান্ধী পরিবার। শুক্রবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোদি বলেন, জওহরলাল নেহরু থেকে সোনিয়া গান্ধী পর্যন্ত সবাই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন একই ইস্যুতে মিথ্যা বলছেন রাহুল গান্ধী।
আসন্ন ২০১৯ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (এনডিএ) ৩০০ আসনেই জয়লাভ করবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
গত সপ্তাহে দারিদ্র্য দূরীকরণে নতুন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল। বিরোধী দলের এ প্রতিশ্রুতির প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এমন মন্তব্য করেন মোদি।

মিমি মনে করেন, তিনিই জিতবেন

Now Reading
মিমি মনে করেন, তিনিই জিতবেন

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কলকাতার বেশ কয়েকজন চলচিত্রের নায়ক-নায়িকা লড়ছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন মিমি চক্রবর্তী। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কলকাতার যাদবপুর আসনে সহজ জয় পাবে বলে ভাবছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে কলকাতার রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, তৃণমূল যেমনটা ভাবছে, এই আসনে জয় ততটা সহজ হবে না। কারণ, এবার যাদবপুর আসনে তিন প্রভাবশালী প্রার্থী লড়ছেন।
তৃণমূল যাদবপুর আসনে প্রার্থী করেছে চলচ্চিত্র তারকা মিমি চক্রবর্তীকে। তিনি উঠতি নায়িকা। তবে রাজনীতির অঙ্গনে এই প্রথম পা রেখেছেন।
মমতার অঙ্ক—মানুষ এখনো তারকাদের পছন্দ করে। তাই যাদবপুর আসনে বিরোধীদের ঘায়েল করতে কোনো নামী তারকাকে প্রার্থী করতে হবে—সেই ছক অনুযায়ী মিমিকে প্রার্থী করেছেন তিনি। মিমির জন্ম জলপাইগুড়িতে। এখন থাকেন কলকাতায়। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ ৩০ বছর বয়সী এই নায়িকা মমতার প্রভাব ও নিজের অভিনয়-খ্যাতিকে সম্বল করে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।
মিমি মনে করেন, তিনিই জিতবেন। কারণ, নির্বাচনী প্রচারে তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই উপচে পড়া ভিড়।
টালিগঞ্জে সভা করার পর মিমি বলেছেন, ‘আমি মিশে আছি টালিগঞ্জে। আপনারা আমাকে জেতান। আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমি আপনাদের পাশে আছি।’
টালিগঞ্জে মিমি ভক্তদের অনুরোধে একটি সিনেমার গানও গেয়ে শুনিয়েছেন।
যাদবপুর আসনে দ্বিতীয় শক্ত প্রার্থী হচ্ছেন সিপিএম নেতা ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিকাশ ভট্টাচার্য।
বিকাশ মেয়র ছিলেন ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত। তাঁর জন্ম কালীঘাট এলাকায়। বয়স ৬৭ বছর। তিনি পাঁচ বছর ত্রিপুরার অ্যাডভোকেট জেনারেল ছিলেন। কলকাতার চাঞ্চল্যকর সারদা ও নারদ মামলায় লড়ছেন। চিটফান্ডের ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এখনো আদালতে মামলা লড়ছেন।
বিকাশ এখন চষে বেড়াচ্ছেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা। প্রতিটি সভায় বলছেন, এবার মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তবে রক্তাক্ত বিপ্লব হবে। শাসক দলকে ছেড়ে দেবে না মানুষ। মানুষের মনে এখনো জেগে আছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের চিত্র—৩৪ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসক দল তৃণমূলের জয়ের ছবি। তাই মানুষ এবার একজোট হয়েছে। তারা আর শাসক দলকে ভোট লুট করতে দেবে না।
যাদবপুর আসনে এবার বিজেপি দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক প্রার্থীকে। তিনি অধ্যাপক অনুপম হাজরা।
২০১৪ সালে অনুপম বীরভূমের বোলপুর আসন থেকে তৃণমূলের হয়ে জিতেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।
অনুপম বিশ্বভারতী থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন। তিনি সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
অনুপম বলেছেন, মানুষ এবার তৃণমূলকে ভোট দেবে না। তৃণমূলের সময় শেষ হয়ে আসছে। মানুষ ঝুঁকছে বিজেপির দিকে। তাই যাদবপুরে এবার বিজেপি জিতবে।
তবে এবার এই আসনে কংগ্রেস কোনো প্রার্থী দাঁড় করাবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে।
যাদবপুর কলকাতা-লাগোয়া লোকসভা আসন। এই আসনের বর্তমান সাংসদ নেতাজি সুভাস চন্দ্র বসুর ভ্রাতুষ্পুত্র অধ্যাপক সুগত বসু। এবার তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। তাঁর স্থলে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী মিমি।

নরেন্দ্র মোদি ও মমতা ব্যানার্জি স্বৈরশাসক স্টাইলে চলেন, বললেন রাহুল গান্ধী

Now Reading
নরেন্দ্র মোদি ও মমতা ব্যানার্জি স্বৈরশাসক স্টাইলে চলেন, বললেন রাহুল গান্ধী

রাহুল গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কঠোর সমালোচনা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি স্বৈরশাসক স্টাইলে চলেন। উভয় নেতাই জনগণকে মিথ্যা প্রতিশ্রতি দিচ্ছেন। জনগণের কথা কেউই শোনেন না, বললেন রাহুল গান্ধী। শনিবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহের চাঁচলে এক নির্বাচনী সভায় এভাবেই মোদি ও মমতাকে বিদ্ধ করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ২০১৬ সালের এপ্রিলের পর এটাই পশ্চিমবঙ্গে রাহুলের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ। খবর দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের।
এদিন দুপুরে বিহারে জনসভা করার পর মালদহের চাঁচলে আসেন রাহুল। এ সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র, দীপা দাসমুন্সি, আবু হাসেন খান চৌধুরী, মালদহ উত্তরের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী, গৌরব গগৈসহ নেতাকর্মীরা। চাঁচলের সভায় একই সঙ্গে মোদি ও মমতাকে নিশানা বানান রাহুল। উভয়ের শাসন ব্যবস্থাকে স্বৈরতান্ত্রিক বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘একদিকে নরেন্দ্র মোদি মিথ্যা বলেন। অন্যদিকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতির পর প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু এখানে কিছুই হওয়ার নয়। বাংলায় একনায়কতন্ত্র চলছে, জনগণের কথা কেউ শোনে না।’
একই সঙ্গে তার প্রশ্ন, ‘একজনের কথায় কি সব চলবে? কারও কথা শোনা হবে না? মোদি-মমতা কারও কথা শোনে না। কৃষকরা ঋণ মওকুফের দাবি তোলেন, মানেন না মোদি-মমতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে আপনারা বামফ্রন্টের হাতে মার খেতেন। এখনও মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে আপনারা দুঃখে আছেন।’ প্রধানমন্ত্রী মোদিরও তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল।
তার কথায়, ‘বিজেপি-আরএসএস যেখানেই যায় সেখানেই ঘৃণার রাজনীতি করে। সারা দিন মিথ্যা বলেন নরেন্দ্র মোদি। সাধারণ মানুষের টাকা চুরি করে অনিল আম্বানির পকেটে ভরেন মোদি।’
পাশাপাশি কংগ্রেস কর্মীদের উদ্দেশ্য করে রাহুল বলেন, ‘এখানে আমাদের পুরনো প্রার্থী আপনাদের ধোকা দিয়েছেন, কংগ্রেসের দুর্গে এসে কংগ্রেসকে ধোকা দিয়েছেন। এ ধোকা আপনারা ভুলবেন না।
আপনারা মমতাকে জেতালেন। যে অত্যাচার সিপিএমের (কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসিজম) সময়ে হতো, আজও সেই অত্যাচার চলছে।’ ২০১৪ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬টিতে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস।
ওয়ানাদেও লড়বেন রাহুল : লোকসভায় উত্তরপ্রদেশের আমেথি শুধু নয়, কেরালার ওয়ানাদ আসন থেকেও লড়বেন রাহুল গান্ধী। কেরালা কংগ্রেস সূত্র শনিবার এ খবর দিয়েছে।
এনডিটিভি জানায়, কেরালা ছাড়াও কর্নাটক ও তামিলনাড়ু রাজ্যের আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য রাহুলকে অনুরোধ জানানো হয়। তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটি কন্যাকুমারী থেকে রাহুলকে লড়াইয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু তা আর হচ্ছে না।
কারণ ওই আসনে এমএলএ এইচ বসন্তকুমারকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। কেরালা কংগ্রেস কমিটি বলছে, রাজ্য থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য আমাদের কথা দিয়েছেন রাহুল। দলের মুখপাত্র রণদীপ সূর্যেওয়ালা বলেন, কেরালা কংগ্রেসের প্রস্তাবটি বিবেচনা করে দেখছেন রাহুল।

১১১ জন কৃষক চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে মোদিকে

Now Reading
১১১ জন কৃষক চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে মোদিকে

সামনেই ভারতের লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তামিলনাড়ুর অন্তত ১১১ জন কৃষক এই কেন্দ্র থেকে মোদীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে চলেছেন।
সম্প্রতি তামিলনাড়ুর কৃষকরা নিজেদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে দিল্লিতে টানা ১০০ দিন বিক্ষোভ করেন। এবার ভোটের ময়দানে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছেন তারা।
তামিলনাড়ুর কৃষক নেতা পি আয়াকান্নু জানিয়েছেন, বারাণসীতে প্রার্থী হবেন রাজ্যের ১১১ জন কৃষক। তবে বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারে তাদের দাবি মেনে নেয়া হলে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে।
এর মাধ্যমে বিজেপিকে বার্তা দেয়া হবে বলে জানান আয়াকান্নু। তিনি বলেন, কৃষকদের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছে অল ইন্ডিয়া কিষান সংঘর্ষ কো-অর্ডিনেশন কমিটি।

পাকিস্তানের অনুষ্ঠান বর্জন করল ভারত

Now Reading
পাকিস্তানের অনুষ্ঠান বর্জন করল ভারত

পাকিস্তান জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে ভারত তাদের কোন প্রতিনিধি পাঠাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের আমন্ত্রণ করায়। দেশটির সরকারের সূত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটিতে হুরিয়াতের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের এ কাজের মাধ্যমেই বোঝা যায় তারা ফের ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। এ কারণেই সরকারের পক্ষে কোনো প্রতিনিধি এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন না।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পুলওয়ামায় পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মুহম্মদের হামলার জের এখনো কাটেনি। এরই মধ্যে পাকিস্তানের আয়োজিত অনুষ্ঠান বর্জন করল ভারত। দুদেশের মধ্যে চলমান এ উত্তেজনার জেরে তাদের মধ্যকার ক‚টনীতিক সম্পর্কও দুর্বল হয়ে গেছে। তবে এ বছরের অনুষ্ঠানটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কেউই অংশগ্রহণ করতে পারবে না বলে নিশ্চিত করেছেন তাদেরই শীর্ষস্থানীয় এক নেতা। তিনি বলেন, বর্তমানে যে পরিবেশ আছে, এতে অনুষ্ঠানটিতে আমাদের কেউই যেতে পারবে না। গত মাসে সরকারের নেয়া কঠোর নীতিমালা এবং অভিযানের পর থেকেই জেলে রয়েছে কিংবা বাড়িতে আটকে আছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। যাদের আটক করা হয়নি তারাও যে কোনো মুহূর্তে আটক হতে পারে এমন ভয়ে আছে। অতীতেও কাশ্মিরসহ বিভিন্ন ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি আলোচনায় উদ্বুদ্ধ করে এসেছে ভারত। সে সঙ্গে হুরিয়াত নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে তাদের নিরুৎসাহিত করেছে ভারত।

সরকারের সাবেক সিনিয়র এক কর্মকর্তা বলেন, কিছু নির্দিষ্ট রীতিনীতি রয়েছে, যেগুলো প্রতিটি জাতিই অনুসরণ করে থাকে।

তিনি বলেন, একটি দেশের জাতীয় দিবসে অংশগ্রহণ করা মানে হচ্ছে, সে জাতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। সেখানে অংশগ্রহণ না করে তাদের বোঝানো হবে যে, আমরা তাদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিচ্ছি। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে আগামী মাসের জাতীয় নির্বাচনের কৌশল হিসেবেই দেখছে সমালোচকরা।

লাহোর রেজুলেশনের স্মরণে প্রতিবছরের ২৩ মার্চ এ দিবসটি পালন করে থাকে পাকিস্তান। অতীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিকে সিং ও গাজেন্দ্র সিং এবং সাবেক মন্ত্রী এম জে আকবরসহ আরো বহু রাজনীতিবিদ পাকিস্তানের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

কলেজের প্রভাষক ছাত্রীদের প্রেমের সূত্র শিখিয়ে বরখাস্ত হলেন

Now Reading
কলেজের প্রভাষক ছাত্রীদের প্রেমের সূত্র শিখিয়ে বরখাস্ত হলেন

ভারতের হরিয়ানার কারনাল এলাকার একটি সরকারি মহিলা কলেজের গণিতের প্রভাষক ছাত্রীদের প্রেমের সূত্র শিখিয়ে বরখাস্ত হলেন। তার এই প্রেমের সূত্রের ক্লাস গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করেছিলেন এক শিক্ষার্থী। পরে ভিডিওটি কলেজের অধ্যক্ষকে দেখান শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক চারণ সিং অধ্যক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখেছেন।
সামাজিকে যোগাযাগমাধ্যমে ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গণিতের শিক্ষক অধ্যাপক চারণ সিংকে বরখাস্ত করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, অধ্যাপক সিং ব্ল্যাকবোর্ডে তিনটি সূত্র লিখছেন।
প্রথমটি হচ্ছে, ‘ঘনিষ্ঠতা – আকর্ষণ = বন্ধুত্ব।’
দ্বিতীয়টি হচ্ছে, ‘ঘনিষ্ঠতা + আকর্ষণ = রোমান্টিক প্রেম।’
শেষ সূত্রটি হচ্ছে, ‘আকর্ষণ – ঘনিষ্ঠতা = ভালো লাগা।’
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই শিক্ষক হিন্দিতে শিক্ষার্থীদের প্রেমের সূত্র শেখাচ্ছেন। এই সূত্রের প্রত্যেকটি শব্দ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ব্যাখ্যা দেন তিনি। বৃদ্ধ বয়সে কীভাবে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আকর্ষণ কমে গিয়ে বন্ধুতে পরিণত হয়, সেব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন গণিতের এই শিক্ষক।
অধ্যাপক সিং ভালোবাসার প্রত্যেকটি সূত্র যখন ব্যাখ্যা করছিলেন তখন শিক্ষার্থীরা হাসিতে ফেটে পড়েন। এমনকি তার ব্যাখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই হ্যাঁ সূচক জবাব দেন।
সরকারি এই মহিলা কলেজে অধ্যাপক চারণ সিং ছয় মাসের বিশেষ ডেপুটেশনে ছিলেন।
সূত্র : এনডিটিভি।

কোহলিদের বিশাল অংকের জরি্রিমান দিচ্ছে পাকিস্তান

Now Reading
কোহলিদের বিশাল অংকের জরি্রিমান দিচ্ছে পাকিস্তান

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলার কথা ছিল দুই দলের। ২০১৪ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে ভারত। তবে সেই চুক্তি মানেনি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। ফলে ভারতের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি)বিবাদ মীমাংসাকারী কমিটির কাছে মামলা করে পাকিস্তান।
আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ হিসেবে বিসিসিআইয়ের কাছে ৭ কোটি মার্কিন ডলার দাবি করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। মামলার শুনাতিতে বিশ্বের প্রভাবশালী ক্রিকেট বোর্ড জানায়, তাদের কোনো দোষ নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলো খেলেনি টিম ইন্ডিয়া।
যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলায় হেরে যায় পিসিবি। এ মামলা বাবদ ভারতের খরচ হয়েছে ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। নিয়মানুযায়ী, বিসিসিআইয়ের হওয়া খরচটা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। সব মিলিয়ে বড় অংকের ক্ষতিপূরণই দিতে হবে।
পিসিবির সভাপতি এহসান মানি জানান, আইসিসির কমিটি আমাদের মামলাটি আমলে নিয়েছিল। এ কারণেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ক্ষতিপূরণটা দিতে হবে পিসিবিকে।
২০০৭-২০০৮ মৌসুমে সবশেষ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলে ভারত-পাকিস্তান। সেবার পাকিস্তানের খেলতে গিয়েছিল ভারত। সেই সফরে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জেতে টিম ইন্ডিয়া। ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজও ৩-২ ব্যবধানে দেশে নিয়ে আসে সফরকারীরা।
এরপর ২০০৯ সালে লাহোরে টিম শ্রীলংকার ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ হয়। সঙ্গত কারণে সেখানে খেলতে যায়নি ভারত। পরের সময়ে সন্ত্রাস কবলিত দেশটির হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত সংযুক্ত আরব আমিরাতেও খেলতে যায়নি কোহলিরা।
এর মধ্যে ২০১২-১৩ মৌসুমে ভারতে সফরে যায় পাকিস্তান। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতে সফরকারীরা। দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র হয়। সেটিই ছিল রাজনৈতিক চিরবৈরি প্রতিবেশি দেশে পাকিস্তানের শেষ সফর।
পরে আর পাক-ভারত দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হয়নি। পিসিবি রাজি থাকলেও মূলত বিসিসিআইয়ের অপরাগতায় তা সম্ভব হয়নি। গেল ছয় বছরে শুধু আইসিসি আয়োজিত বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোতেই মুখোমুখি হয়েছে দুই দল।আসন্ন বিশ্বকাপে হওয়ার কথা আছে দুই চিরশত্রুর ব্যাট-বলের যুদ্ধ। তবে কাশ্মীর হামলায় সেটি নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

Page Sidebar