আর্জেন্টাইন সমর্থকরা নিষিদ্ধ রাশিয়া বিশ্বকাপে!

Now Reading
আর্জেন্টাইন সমর্থকরা নিষিদ্ধ রাশিয়া বিশ্বকাপে!

আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের পাগলা একটি সমর্থক গোষ্ঠীর নাম ‘বারাস ব্রাভাস’। ফুটবল মাঠে সমর্থক হিসেবে এই বারস ব্রাভাসদের সুখ্যাতির চেয়ে কুখ্যাতিটাই দ্বিগুণ। ১৯৫০ সালে আর্জেন্টিনায় সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠা হয় বারাস ব্রাভাস নামের এই সংগঠনটি। ইউরোপের অন্যান্য চরমপন্থী সমর্থক সংগঠনের আদলে গড়ে উঠেছে দলটি এবং ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়েছে লাতিন আমেরিকার অন্য দেশগুলোতেও। বারাস ব্রাভাস গ্রুপ আর্জেন্টিনার স্থানীয় ফুটবলে কুখ্যাত হিসেবে পরিচিত। গ্রুপটি আর্জেন্টিনার স্থানীয় ফুটবলের আসরে প্রায় প্রতিটিতেই তুলকালাম বাঁধিয়ে দেয়। মাঠে বোমা-পটকা ফাটানো, স্ল্যাং করা, বিকট সুরে চিল্লানো, বিকৃত অঙ্গভঙ্গি, মারামারি, বিশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে যত সহিংস কাজ করা সম্ভব তার যেন সবটুকুই উজার করে দেয় তারা। আর্জেন্টিনা দল মাঠে খেললে দর্শক সাড়িতে বারাস ব্রাভাসরা এসব কর্মকাণ্ডের প্রায় সবগুলোই ‘সফল’ বাস্তবায়ন ঘটায়। অর্থাৎ আর্জেন্টিনা মাঠে খেলবে আর বারাস ব্রাভাসরা হট্টগোল পাকাবে না, এ যেন কল্পনাই করা যায় না। যার ফলে এদের অনেককেই চিহ্নিত করে স্থানীয় ফুটবল স্টেডিয়ামগুলোতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই আর্জেন্টাইন ফুটবল কর্তৃপক্ষ (এএফএ) বদনাম থেকে বাঁচতে আগেভাগেই রাশিয়াকে এমন তিন হাজার উগ্র সমর্থকদের তালিকা সরবরাহ করে। কেননা প্রতি বিশ্বকাপেই এই বারাস ব্রাভাসদের কারণে কথা শুনতে হয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশনকে (এএফএ)। আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থাটি এই বারাস ব্রাভাসদের অসামাজিক কর্মকাণ্ডে এতটাই বিরক্ত যে শুধু তালিকা দিয়েই তারা ক্ষান্ত হয়নি, তারা সরকারি ছয়জন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে রাশিয়ায় প্রেরণ করছেন যারা সার্বক্ষণিক খেয়াল রাখবেন যেন আর্জেন্টিনার বারাস ব্রাভাসরা ফাঁকি দিয়ে মাঠে ঢুকে পড়তে না পারে। ফলে বারাস ব্রাভাসরা রাশিয়া গেলেও কোন ভেন্যুতে প্রবেশ করার সুযোগ থাকছেনা।

এদিকে রাশিয়াও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দাঙ্গাবাজ কিংবা বিতর্কিত কোনো আর্জেন্টাইন সমর্থককে তারা অনুমোদন দেওয়া কিংবা স্বাগত জানাবে না। বিশেষ করে বারাস ব্রাভাস গ্রুপ এর সদস্যদের প্রতি তাদের বাড়তি মনযোগ থাকবে এবং বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে তারা কোনভাবেই প্রবেশ করতে পারবেনা। আর্জেন্টাইন ফুটবল ম্যাচের নিরাপত্তা পরিচালক গুইলারমো মাডেরো স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকদের নামের তালিকা রাশিয়ার কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি। ঐ কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের সাথে তাদের একটি চুক্তি হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০১০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-জার্মানি মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের পূর্বেই বারাস ব্রাভাসের নিজেদের মারামারিতে কেপটাউনে নিহত হয়েছে এক আর্জেন্টাইন সমর্থক, তখন এই সংগঠনটি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ফুটবল নিয়ে দাঙ্গায় আর্জেন্টিনার ঘরোয়া ফুটবলে প্রতি বছর হতাহতের ঘটনা প্রায় স্বাভাবিক বিষয় বলা যায়।

রাশিয়ায় ঢুকতে নিষেধাজ্ঞা এসেছে বটে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের জন্য, তবে আশার কথা হচ্ছে সেটা কেবল আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের উগ্র সমর্থক গোষ্ঠী ‘বারাস ব্রাভাস’ এর জন্য। শান্ত আর্জেন্টিনার ফুটবল সমর্থকদের মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে কোন বাঁধা নেই।

মেসি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

Now Reading
মেসি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

মেসি কে জানে না এমন মানুষ হয়তো নেই। মেসি ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা পাচটি ফিফা বালোঁ দ’অর পুরস্কার জিতেছেন। এছাড়া প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি তিনটি ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কারও জিতেছেন। বার্সেলোনার হয়ে মেসি সাতটি লা লিগা, দুইটি কোপা দেল রে, পাঁচটি স্পেনীয় সুপার কোপা, চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ, দুইটি উয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন। তবে তার সম্পর্কে সব কি সব জানেন? তবে চলুন জেনে নেই তার সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য :

১।তার পুরো নাম লুইস লিওনেল আন্দ্রেস মেসি

২।সে বিশ্বের সর্বনিম্ন ফরোয়ার্ডার

৩। গ্রোথ হরমোন এর সমস্যা হওয়ায় তার শারীরিক বৃদ্ধিতে সমস্যা ছিল

৪।বিশ্বাস না হলেও সত্য যে লিওনেল মেসি তার প্রথম বার্সেলোনা চুক্তিটি টিস্যু পেপারের একটি অংশে স্বাক্ষর করেন

৫।মেসি তার প্রথম ম্যাচ এ মাত্র ৪৪ সেকেন্ড মাঠে ছিলেন কারন এরপর সে লাল কার্ড পান

৬।মেসির বয়স যখন পাঁচ বছর তখন থেকে তিনি তার স্ত্রীকে চেনেন

৭।মেসি দুটি দেশ এর নাগরিকতা আছে – আর্জেন্টিনার এবং স্পেন এর

৮।২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক গেমসে তিনি আর্জেন্টিনীয় ফুটবল দলের হয়ে অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন

৯।লিওনেল মেসি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ফুটবল খেলোয়াড়

১০।বার্সেলোনা যদি কোন করনে লিওনেল মেসির সাথে তাদের চুক্তি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে চুক্তির একটি বিধি ঙ্ঘনের জন্য বার্সেলোনাকে ৩৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হবে।

 

ব্রিঃদ্রঃ এই পোষ্টে ব্যবহৃত তথ্য গুলো ব্যক্তিগত অনুসন্ধান ও উইকিপিডিয়ার সাহায্যে প্রকাশিত ।

যে সকল কারণে লিওনেল মেসি বিশ্বের সেরা ফুটবলার!

Now Reading
যে সকল কারণে লিওনেল মেসি বিশ্বের সেরা ফুটবলার!

লিওনেল মেসি

স্পেনীয় ভাষায় পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি।

নতুন করে তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়াটা হবে সম্পূর্ণ অর্থহীন। বিশ্বের এমন কোনো মানুষ নেই যে কিনা মেসি কে চেনে না, শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও মেসি বলতে পাগল। লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে একজন হিসেবে গণ্য করা হয়। বলতে দ্বিধা নেই ম্যারাডোনা এবং পেলের সময়ে তারা দুজন যেমন তাদের নিজেরদের দিক দিয়ে স্বমহিমায় সেরা ছিলেন, তেমনি আজকের সময়ে মেসি, নেইমার, সুয়ারেজ কিংবা রোনালদো তাদের নিজেদের দিক থেকে অবশ্যই সেরা। কিন্তু মেসির মধ্যে এমন কিছু গুণাবলী রয়েছে যা তাকে অন্য আর সব গ্রেট খেলোয়াড়দের থেকেও অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তিনি বর্তমানে আর্জেনটিনা জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব পালন করছেন এবং স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার প্রাণভোমরা তিনিই।

ঠি কি কারণে বা কি গুণাবলীর কারণে লিওনেল মেসি বিশ্বের সেরা ফুটবলার সেটা নিয়েই নিচের আলোচনাঃ

ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ
৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার লিওনেল মেসি তার আইডল ডিয়েগো ম্যারাডোনার থেকে মাত্র দুই ইঞ্চি লম্বা। মেসিও ম্যারাডোনার মতই খেলার সময় বিস্ময়করভাবে নিজের ভারসাম্য রক্ষায় সেরা।  তাছাড়াও মূল ব্যপারটি হলো, শারীরিক গঠনে ছোট হবার কারণে সে তার শরীরের নিচের অংশের শক্তিকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে যার ফলে সে অবিশ্বাস্য গতিতে নিজের স্থান পরিবর্তন করতে পারে। এছাড়াও গোল অভিমুখে বল নিয়ন্ত্রণে মেসি বলে একাধিক স্পর্শ করে থাকে যা তাকে বেশি গোল পেতে সাহায্য করে; যেখানে অন্যান্য বড় মাপের খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সেটি দেখা যায়না।

ধৈর্য
ফুটবল খেলোয়াড়দের প্রায়ই দেখা যায় মাঠে একটুর থেকে একটু হলেই ধৈর্য হারাতে। কিন্তু লিওনেল মেসি সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম, তাকে অন্যতম শান্ত-শিষ্ট খেলোয়াড় হিসেবে ধরা হয় তার শান্ত মেজাজের কারণে। এছাড়াও, গোল দেবার ক্ষেত্রে দেখা যায় সে কিছুটা সময় নিয়ে সামনের ডিফেন্ডারদেরকে পরাস্ত করে গোল অভিমুখে বল পাঠায়, ফলে গোল-কিপার তার অবস্থান ধরতে পারেনা এবং ফলাফল হিসেবে বল জালে জড়িয়ে যায়।

ড্রিবলিং
যদি কোন একটি শক্তি থেকে থাকে যা মেসিকে আর সকল সেরা খেলোয়াড়দের থেকে উচুঁতে রাখে, তবে তা হল তার ড্রিবলিং ক্ষমতা। ড্রিবলিং করার মাধ্যমে এক সাথে একাধিক খেলোয়াড়কে পরাস্ত করাটা মেসির এক অনন্য প্রতিভা; এছাড়াও তার গতি ও ড্রিবলিং এর অসাধারণ সমন্বতায় ডিফেন্ডারদের পক্ষে তাকে বেঁধে রাখাটা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা। ম্যারাডোনার মতই, মেসিও মূলত এক পায়ের খেলোয়াড়; একবার পূর্ণ গতিতে বল নিয়ে ছুটতে শুরু করলে দেখা যায়,সে খুব কমই তার ডান পায়ের ব্যবহার করে। তার বাম পায়ের সাথে বলের নিয়ন্ত্রণ এতটাই অসাধারণ যে সে একজন বা একাধিক ডিফেন্ডারকে অতি দ্রুত পাশ কাটিয়ে কিংবা দুই পায়ের মধ্য দিয়ে সহজেই বল পাস করে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন।

দূরপাল্লার শট ও নিখুঁত পাস
লিওনেল মেসির আরেকটি অসাধারণ গুণ হলো দূর থেকে এমনকি ডি-বক্সের অনেক বাইরে থেকে সরাসরি জালে বল পাঠানো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিকে শট নিয়ে গোল করাটা তার কাছে যেন মামুলি ব্যপার। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ইরানের বিপক্ষে সেই গোলের কথা নিশ্চয় ভুলে যাননি? সামনে ১০জন ইরানিয়ান ফুটবলারকে রেখে ডি-বক্সের বাইরে থেকে মেসির বাম পায়ের শট! একমাত্র গোলে আর্জেনটিনার জয়। এটি তো কেবল একটিমাত্র উদাহরণ। জাভিয়ের হার্নান্দেজ ও আন্দেস ইনিয়েস্তার মত লিওনেল মেসিও নিখুঁত পাসে অনন্য। অন্যকে গোল করায় সহায়তা করতে মেসির নিখুঁত পাসের ভুমিকা অনবদ্য।

স্বার্থহীন স্ট্রাইকার কিংবা গোল এসিস্টে সেরা
স্ট্রাইকারদের বেলায় একটা কথা বেশ শোনা যায় যে তারা নিজেদের নামের পাশে গোল বসাতে স্বার্থপর হয়। কিন্তু একজন সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে মেসির সাথে এমন কথা ঠিক যায়না, কেননা মেসি নিজে যেমন গোল করেন, অন্যদের গোল করাতেও ভূমিকা রাখেন। যেমন, ২০১৪/১৫ মৌসুমে MSN ত্রয়ীর ১২০ গোলের ৫৮ গোল মেসির এবং মেসি ৩১টি গোল এসিস্টে ভূমিকা রাখেন।

অবিশ্বাস্য দ্রুতগতি সম্পন্ন ফুটবলার
গতিতে মেসি অতুলনীয়। মেসি অতি দ্রুত দিক পরিবর্তন করতে পারেন বিধায় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পক্ষে তাকে ধরাটা বেশ কঠিন হয়ে যায়। এছাড়াও অবিশ্বাস্য দ্রুতগতির মেসি মুহূর্তের ভেতর জায়গা পরিবর্তন করতে পারেন।

শক্তিমত্তায় অসাধারণ
রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড় সার্জিও রামোস খুব ভালো করেই জানেন, মেসিকে ট্যাকল বা আঘাত করে কোন কাজ হয়না। মেসিকে থামানোর জন্য এই ফুল-ব্যাক প্লেয়ার সব ধরণের ক্রিয়া কৌশল অবলম্বন করেও সফল হতে পারেননি। মেসির শক্তিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অনর্থক যেখানে শক্তিমত্তার প্রশ্নে ম্যারাডোনার সাথে মেসির তুলনা চলে আসে। মেসি আত্নবিশ্বাস ও দৃঢ়তায় বিশ্বের যেকোন খেলোয়াড়ের চাইতে সেরা কিনা- খেলার মাধ্যমেই তিনি এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।

পেশাদারীত্বে অবিচল
মেসি এমন একজন শক্তিমান খেলোয়াড় যিনি তার শারীরিক প্রস্তুতি এবং খাদ্যকে গুরুত্ব সহকারে দেখেন। লিওনেল মেসির শারীরিক ও মানসিক শক্তি সমানভাবে চিত্তাকর্ষক। ক্লাব ও দেশের পক্ষে সমানভাবে শ্রেষ্ঠ হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার সময় সবসময় একটি সাহসী হাসি দিয়ে যে কোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন; এমনকি কোন অভিযোগ ছাড়াই শান্ত ও ধৈর্যের সাথে প্রবল চাপের মুখেও প্রতিপক্ষের ক্রমাগত মোকাবেলা করতে পারেন মেসি।

লিওনেল মেসি কখনোই ভিনগ্রহের কেউ নয়, তিনিও আর দশটা সাধারণ মানুষের মতই কিন্তু বিধাতা তাকে অসাধারণ গুণাবলি দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তিনি তার ঐ পা দুটো দিয়ে জয় করেছেন সারা পৃথিবীর মানুষের মন। লিওনেল মেসি ছোটবেলায় ভয়ংকর শরীর বৃদ্ধিকারী হরমোনের সাথে লড়াই করে আজ বিশ্বসেরা ফুটবলার হয়েছেন, যার মানে তিনি বড় ও শক্তিশালী কোন কিছুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যার শিক্ষা আজো তার মধ্যে রয়ে গেছে।

লিওনেল মেসির হাতে একটা বিশ্বকাপ উঠুক, সেই কামনাই রইলো।