3
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

Now Reading
দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের প্রথম দেশব্যাপী 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করেছে। তিনটি শীর্ষ টেলিকম সরবরাহকারী – এসকে টেলিকম, কেটি, এবং এলজি ইউপ্লাস – তাদের 5G সেবা শুরু করে। হাইপার-ওয়্যার্ড দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন প্রযুক্তিগত দক্ষতার জন্য একটি খ্যাতি অর্জন করেছে এবং সিওল 5G রোলআউটকে অগ্রাধিকার দিয়েছে কারণ এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে হতাশার জন্য উদ্দীপিত করতে চায়। তবে মার্কিন মোবাইল ক্যারিয়ার ভেরাইজন তার 5G পরিষেবাকে প্রাথমিকভাবে জোরপূর্বক দক্ষিণ কোরীয় সরবরাহকারীরা দেরিতে রাতের প্রবর্তনের জন্য সংগঠিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক অনুষ্ঠানে ভেরাইজন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও মিনিয়াপলিসে তার 5G সেবা চালু করতে শুরু করে।
কিন্তু ইয়নহ্যাপের মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই ঘণ্টা আগেই এটি চালু হয়েছিল।

“এসকে টেলিকম ঘোষণা করেছে যে কোরিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী ৬জন সেলিব্রিটিদের জন্য 5G সেবা সক্রিয় করেছে,” দেশের বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।
কে-পপ ব্যান্ড EXO এবং অলিম্পিক আইস স্কেটিংয়ের নায়ক কিম ইউ-না-এর দুইজন সদস্য সেলিব্রিটি বিশ্বের প্রথম 5G স্মার্টফোনের গ্রাহক ছিল।

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সেবাগুলি শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে। পূর্ববর্তী লঞ্চ তারিখ যখন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের প্রথম উপলব্ধ স্মার্টফোন গ্যালাক্সিS10 5G চালু করে।
গত বছর ১২ টি শহরে তার 5G E নেটওয়ার্কের নামকরণকারী প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন ক্যারিয়ার এটি অ্যান্ড টি তার প্রতিদ্বন্দ্বী লেনিভোর মটো Z3 স্মার্টফোনের সাথে ভেরাইজন এর সিস্টেমটি কাজ করবে যদিও এটি 5G সিস্টেমের তুলনায় ধীর এবং এটি সম্পূর্ণরূপে পঞ্চম প্রজন্ম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 5G স্মার্টফোনের নিকটবর্তী তাৎক্ষণিক সংযোগ নিয়ে আসবে যা 4G থেকে ২0 গুণ বেশি দ্রুত। ব্যবহারকারীরা এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে পুরো সিনেমা ডাউনলোড করতে পারবেন।
লন্ডনের ভিত্তিক গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোটের মতে, ২০৩৪ সালের মধ্যে স্ব-ড্রাইভিং যানবাহনগুলির মতো ডিভাইসগুলির ভবিষ্যতের বিকাশের জন্য প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সুবিধাগুলিতে ৫৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আনতে পারে।

চীনের মালিকানাধীন টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ে থেকে 5G সমাধান এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সহযোগী ও প্রধান অর্থনীতির চাপ সৃষ্টি করেছে যার ফলে প্রযুক্তিগত ব্যাকডোর 5G-সংযুক্ত ইউটিলিটি এবং অন্যান্য উপাদানগুলিতে বেইজিং অ্যাক্সেস সরবরাহ করতে পারে এমন নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলি উদ্ধৃত করে। হুয়াওয়ে কর্তৃক নিবন্ধিত ১,৫২৫ 5G পেটেন্ট সহ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলি মোট ৩,৪০০ পেটেন্টের মালিকানাধীন মোট বিশ্বে এক তৃতীয়াংশের বেশি, তথ্য বিশ্লেষণ সংস্থা আইপ্লেটিকসের মতে। দক্ষিণ কোরিয়া পরবর্তীতে আসে যার ২৫০ টি পেটেন্ট রয়েছে এবং মার্কিন সংস্থাগুলির ১,৩৬৮ টি পেটেন্ট রয়েছে।

মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিল ট্রাম্প

Now Reading
মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিল ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বন্ধ করে দেবেন। ট্রাম্প অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী অভিবাসীদের স্রোত বন্ধে ব্যর্থতার জন্য আবারও অভিযোগ এনেছেন মেক্সিকোর বিরুদ্ধে। অবস্থার পরিবর্তন না হলে আগামী সপ্তাহে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের শুক্রবারের টুইটে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের অন্যতম এ ব্যস্ততম সীমান্ত বন্ধে তার পুনর্ব্যক্ত হুমকিতে এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার উল্লেখ করা হলো। তিনি বলেন, আমাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ মেক্সিকো অবিলম্বে বন্ধ না করলে আমি আগামী সপ্তাহে সীমান্ত বা সীমান্তের বিপুল একটা এলাকা বন্ধ করে দেব। তিনি বলেন, মেক্সিকো বিষয়টা খুব সহজে সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু তারা আমাদের অর্থ ও বাক্য ব্যয় করাতে চান।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ অবরেডোর বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে কোন বিরোধে যেতে চাননা। তিনি পূর্বাঞ্চলীয় শহর পোজারিকায় তার কিছু সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প সমস্যাটিকে নিজের মতো করে দেখছেন। তিনি বলেন, আমি এটি স্পষ্ট করতে চাই যে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সঙ্গে লড়াই করতে যাচ্ছিনা।

এদিকে সীমান্তের এই পথে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলারের পণ্য আদান প্রদান করা হয়। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন সীমান্ত বন্ধ করলে তার পরিনাম খুব খারাপের দিকে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দিলো দক্ষিণ কোরিয়াকে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দিলো দক্ষিণ কোরিয়াকে

যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়াকে অত্যাধুনিক দুটি এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান প্রদান করেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে দেশটিকে ১০টি এফ ৩৫ সরবরাহের কথা রয়েছে ওয়াশিংটনের। এর অংশ হিসেবেই এগুলো সরবরাহ করা হয়েছে। শুক্রবার বিমান দুটি দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। আগামী মাসে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই যুদ্ধবিমান জনগণের সামনে উন্মোচন করবে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, রাজধানী সিউলের প্রায়১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে চেঙ্গুজুর একটি বিমান ঘাঁটি থেকে অত্যাধুনিক এই দুই যুদ্ধবিমান গ্রহণ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান বাহিনী। বাকি আটটিও এ বছরের মধ্যেই সরবরাহ করা হবে।
২০১৪ সালের এক চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এসব এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান কিনছে সিউল। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে দেশটিকে ৪০টি এফ ৩৫ সরবরাহ করবে ওয়াশিংটন। এজন্য ইতোমধ্যেই ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার চির প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করেই এমন আশঙ্কা করছেন তারা। শঙ্কা বৃদ্ধির কারণ, সানুমডং নামের সংশ্লিষ্ট স্থানটিতে আগে থেকেই উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিয়ংইয়ং-এর এমন প্রস্তুতিকে হতাশাজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
উত্তর কোরিয়া যাতে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র গবেষণা পরিহার করে তা নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ দিয়ে আসছে। দেশটির ওপর দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ২০১৮ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সিঙ্গাপুরে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে মিলিত হন। সেখানে চূড়ান্ত কোনও সমঝোতা না হলেও দুই পক্ষ আবারও মিলত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত হয় ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় সম্মেলন। কিন্তু সেখান থেকেও সুনির্দিষ্ট কোনও ঘোষণা আসেনি। এর মধ্যেই শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়াকে দুইটি অত্যাধুনিক এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করলো যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র চায় চীনের আগেই চাঁদে নভোচারী পাঠাতে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র চায় চীনের আগেই চাঁদে নভোচারী পাঠাতে

যুক্তরাষ্ট্র আবারও চাঁদে নভোচারী পাঠাবে, তার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, তিনি চান মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আবারও চাঁদে নভোচারী পাঠাবে। সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদের উল্টো-পিঠে চীনের চালানো রোবোটিক মিশনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন আবার একটা মহাকাশ-কেন্দ্রিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছি, ঠিক যেমনটি ছিলাম ১৯৬০-এর দশকে।’ খবর বিবিসির।
চাঁদে পুনরায় মানুষ পাঠানোর ব্যাপারে আগে থেকেই পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-নাসা’র। কিন্তু পেন্স-এর ঘোষণার পর এর সময়সীমাকে আরও বেগবান করবে।
অ্যালাব্যামার হান্টসভিলের ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের সভায় দেয়া এক বক্তৃতায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আগামী ৫ বছরের মধ্যে চাঁদে আবারো মার্কিন নভোচারী পাঠানোর বিষয়টি বর্তমান প্রশাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতির মধ্যেই রয়েছে। বিশ শতকে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদে পৌঁছাতে পেরেছিল যুক্তরাষ্ট্র, তেমনই একুশ শতকে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর ক্ষেত্রেও আমরাই হবো প্রথম জাতি।’
নাসা এবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে লক্ষ্যবস্তু করবে, যেটি স্থায়ী অন্ধকারাচ্ছন্ন চ্যালেঞ্জিং একটি অংশ। কিন্তু ওই অংশটি জমাট পানি বা বরফের একটি আধার, যাকে মহাকাশযানের জন্যে জ্বালানীতে রূপান্তর করতে চায় নাসা ।
১৯৬৯ সালে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করা প্রথম মানব নীল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘এটা মানুষের জন্য ক্ষুদ্র পদক্ষেপ কিন্তু মানবজাতির জন্য বিশাল এক যাত্রা।’ চাঁদের বুকে হেঁটে যাওয়া প্রথম মানুষ নীল আর্মস্ট্রং-এর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করে মাইক পেন্স বলেন, ‘পরবর্তী বিশাল পদক্ষেপের এখন এটাই সময়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মার্কিন মহাকাশচারীদের চাঁদে পাঠানোই হল এই পরবর্তী দীর্ঘ যাত্রা এবং সেখানে মার্কিন নভোচারীদের স্থায়িত্ব প্রতিষ্ঠার পর তাদের প্রস্তুতি হবে পরের গন্তব্য- মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে।’ এর জবাবে ইউএস স্পেস এজেন্সির পরিচালক জিম ব্রাইডেনস্টাইন টুইট করে জানিয়েছেন: ‘চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হল। এখন কাজ শুরুর পালা।’
গেটওয়ে নামে একটি স্পেস স্টেশন বানানো হবে প্রথমে চাঁদের কক্ষপথের কাছে ২০২৪ সালের মধ্যে। এরপর ২০২৪ সাল নাগাদ চাঁদে নভোচারী পাঠানো হবে চাঁদে- নাসার পরিকল্পনা ছিল এমনটাই। কেউ কেউ মনে করছেন যে, এই সময়ের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই চন্দ্র অভিযানের পরিকল্পনার জন্যে দরকার একটি বিশাল ভারবহনে সক্ষম রকেট, যা চাঁদের গমন এবং অবতরণের জন্যে যে বিপুল জিনিস প্রয়োজন তা নিয়ে যাবে।
নাসা এজন্যে নিজস্ব একটি লঞ্চার নির্মাণ করেছে, যা স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস) নামে পরিচিত। কিন্তু প্রকল্পটির বিলম্ব ঘটছে এবং খরচ বেড়ে চলছে। ব্রাইডেনস্টাইন প্রকল্প এগিয়ে নেবার জন্যে একটি কম শক্তিশালী বাণিজ্যিক রকেটের কথা ভেবেছিলেন। ২০২০ সালের মধ্যে মানববিহীন একটি ক্যাপসুলকে মহাশূন্যে নেবার জন্যে সেটি হতে পারে স্পেস এক্স বা বোয়িং-লকহেড মার্টিন যৌথ অংশীদার ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্স দ্বারা নির্মিত রকেট।
কিন্তু মঙ্গলবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর নাসার পরিচালক বলছেন, তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে নাসা আগামী বছরের মধ্যে একটি সফল এসএলএস উৎক্ষেপণ দিতে পারবে। লকহেড মার্টিন নির্মিত অরিয়ন ক্যাপসুল হবে মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবার প্রধান মহাকাশযান। কিন্তু সেইসব কিছু বানানোর কাজই এখনো শুরু হয়নি।
মাইক পেন্স কেবল ঘোষণা দিয়েছেন তা-ই নয়, তিনি হুমকিও দিয়েছেন যে, যদি নাসা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তুত হতে না পারে, তবে বাণিজ্যিক লঞ্চিং সিস্টেম বা অন্য কোনও সহযোগী সন্ধান করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র গোপনে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রর অনুমোদন দিল সৌদি আরবকে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র গোপনে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রর অনুমোদন দিল সৌদি আরবকে

যুক্তরাষ্ট্র গোপনে অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরবের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের। ট্রাম্পের জ্বালানিমন্ত্রী রিক পেরি এ অনুমোদন দেন। বুধবার এর একটি কপি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে এসেছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে ট্রাম্প প্রশাসনের সবুজ সংকেত পাওয়ায় সৌদি আরবের কাছে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক প্রযুক্তি বিক্রিতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আর কোনও বাধা থাকলো না।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ পেতে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলোও আগ্রহী। ট্রাম্প প্রশাসন সৌদি আরবের সঙ্গে এ সংক্রান্ত প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে নিতে একটি বিশদ চুক্তিতে উপনীত হতে চায়। তবে শেষ পর্যন্ত কারা কাজ পাবে সে সিদ্ধান্ত নেবে রিয়াদ। এ বছরের শেষদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি জানাতে পারে সৌদি সরকার। তবে দৃশ্যত যুক্তরাষ্ট্রই এ কাজ পেতে পারে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এর আওতায় দেশটিতে অন্তত দুইটি পরমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, চুক্তি সামনে রেখে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি আরবের জন্য এ সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজ সম্পাদন করতে পারবে। তবে পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দাঁড়িয়ে যাওয়ার মতো সামগ্রী চুক্তির আগে সৌদিতে পাঠানো যাবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে সৌদি আরব কি আদৌ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ থাকতে চায়? নাকি তার বাড়তি অভিলাষ রয়েছে। দেশটির পারমাণবিক বোমা অর্জনের উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়টি ইতোমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে, সৌদি আরব যেখানে কম খরচে বাইরে থেকে পারমাণবিক জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারে, সেখানে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদনে যাওয়ার নেপথ্যের রহস্য কী?
গত বছরই ইরানকে মোকাবিলায় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির হুমকি দিয়েছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো নেতা বা অনানুষ্ঠানিক সরকার প্রধান মনে করা হয়। সিবিএস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব কোনও পারমাণবিক বোমা অর্জন করতে চায় না। তবে ইরান যদি পারমাণবিক বোমা তৈরি করে, তাহলে আমরাও যত দ্রুত সম্ভব তার অনুসরণ করবো।’
আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার লড়াই নতুন নয়। বরং এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে দুই দেশ কার্যত এক ধরনের ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইরানে সংঘটিত ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই ইরানকে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে সৌদি আরব। এরমধ্যেই তুরস্ক ও কাতারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে রিয়াদ। ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে সৌদি জোট। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলে সৌদি আরবের ক্ষমতাবলয় এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই একদিকে ইরানকে ঠেকানো অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজের ক্রমক্ষয়িষ্ণু প্রভাব ধরে রাখতে দৃশ্যত পারমাণবিক বোমা অর্জনের দিকেই নজর দিচ্ছে রিয়াদ।

জাতিসংঘে যাবেন এরদোগান গোলান মালভূমি নিয়ে

Now Reading
জাতিসংঘে যাবেন এরদোগান গোলান মালভূমি নিয়ে

গোলান মালভূমির বিষয় নিয়ে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান জানিয়েছেন, গোলান মালভূমি ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপন করা হবে। এ নিয়ে এরদোগান গতকাল রোববার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। খবর ডেইলি সাবাহ।
গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জেনেছে গোলান ইসরাইলের সার্বভৌম।
তিনি বলেন, গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের।
টুইটারে ট্রাম্প বলেন, ৫২ বছর পর গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের সার্বভৌমত্বে স্বীকৃতি দেয়ার সময় এটিই।
মালভূমিতে বর্তমানে ২০ হাজার অবৈধ দখলদার বসবাস করছেন। কাজেই এই দখলদারিত্ব কখনই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দিতে পারে না।
এদিকে গতকাল রোববার ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটস টুইটারে বলেন, গোলান মালভূমি ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব স্বীকৃতি দিয়ে স্বাক্ষর দেবেন ট্রাম্প, সোমবার যখন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ হবে।
ট্রাম্পের এমন ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনা ও নিন্দা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক, ফ্রান্সসহ অনেক দেশ রয়েছে।
১৯৬৭ সালে আরবদের সঙ্গে ছয় দিনের যুদ্ধে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয় ইসরাইল। সেই সময় ইহুদিবাদী বাহিনী ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকারও নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে ১৯৮১ সালে গোলান মালভূমিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজ ভূখণ্ড বলে ঘোষণা দেয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল কখনোই ইসরাইলের এই দাবির স্বীকৃতি দেয়নি।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গোলান মালভূমির মালিকানা সংক্রান্ত এক ভোটাভুটি হয়। সেখানে উপস্থিত ১৫৩ দেশের মধ্যে ১৫১ দেশ এ ভূখণ্ডের মালিকানা সিরিয়ার বলে স্বীকৃতি দেয়। শুধু আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইল প্রস্তাবটির বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
তা সত্ত্বেও গোলানবাসীর ওপর ৫২ বছর ধরে ইহুদিবাদী দখলদারিত্ব আর অত্যাচার একটুও কমেনি বরং বেড়েই চলছে।

‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

Now Reading
‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে গুলি চালিয়ে ৫০ মুসল্লিকে হত্যা করে উগ্র মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। এর আগে অনলাইনে ১৬ হাজার ৫০০ শব্দের একটি ইশতেহারে নৃশংস এ হামলার পেছনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে হামলাকারী। এতে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের এই নৃশংস খুনি দাবি করে, শ্বেতাঙ্গরা গণহত্যার শিকার এবং সে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে দিতে চায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের নতুন প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মুসলমানদের জন্য একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরিরও আহ্বান জানায় হামলাকারী।

হামলার পর এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ কোনও সমস্যা নেই। নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হত্যাযজ্ঞ নিয়েও টুইটারে একটি পোস্ট দেন ট্রাম্প। তবে তাতে মুসলিম শব্দটি পর্যন্ত উল্লেখ করেননি তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘মসজিদের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিউ জিল্যান্ডের জনগণের প্রতি আমার সহমর্মিতা ও শুভ কামনা রইলো। নিরপরাধ মানুষ সংজ্ঞাহীন হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরও অনেকে। যুক্তরাষ্ট্র যতটুকু সম্ভব নিউ জিল্যান্ডের পাশে আছে। ঈশ্বর সবার সহায় হোন!’

এ টুইটে ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করায় সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। ডেট্রয়েট থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা রাশিদা তালিব বলেন, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প। তার এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে। ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ’ নিয়ে চুপ থাকলে প্রতিনিয়ত এর মাত্রা আরও বাড়তে থাকবে।

হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রিয়াদ ও আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছে

Now Reading
হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রিয়াদ ও আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছে

সৌদি আরবের রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তির বাস্তবায়নে সহযোগিতা না করার অভিযোগে দেশ দুইটির বিরুদ্ধে এসেছে তাদের এই হুমকি। অন্যদিকে সৌদি আরবের অভিযোগ হুথিরাই চুক্তির শর্ত মানছে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে রিয়াদ ও আবুধাবিতে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত গড়ে তোলার দাবি করেছে হুথি সেনা কর্মকর্তা।

সৌদি আরব অভিযোগ করেছে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে স্টকহোমে স্বাক্ষরিত অস্ত্রবিরতি চুক্তিটির শর্ত মেনে চলছে না হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের হুদেইদাহ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা। অন্যদিকে হুথিরা বলছে, তারা জাতিসংঘের কাছ থেকে আরও বেশি মাত্রার নিশ্চয়তা চায় এই মর্মে যে তারা যদি হুদেইদাহ ছেড়ে দেয় তাহলে সৌদি আরব তার অনৈতিক সুযোগ নেবে না।

হুদেইদাহতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যে অস্ত্র বিরতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের কাছে এমন ‘ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আছে’ যা দিয়ে তারা সৌদি আরব ও আরব আমিরাতে আঘাত হানতে সক্ষম।

২০১৫ সালে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদিকে উচ্ছেদ করে রাজধানী সানা দখলে নেয় ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পালিয়ে যান হাদি। ২০১৫ সালের মার্চে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে মিত্রদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি আরব।

লোহিত সাগরে অবস্থিত হুদেইদাহ বন্দরটি ইয়েমেনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান পথ। বন্দরটি আক্রান্ত হলে লাখ লাখ ইয়েমেনির জন্য খাবার, জ্বালানি ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ এই বন্দরটি দিয়েই মানবিক সংকটে থাকা ইয়েমেনের ৮০ শতাংশ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়। জাতিসংঘের মতে, ইয়েমেন এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানবিক সংকট চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেশটির প্রায় ৮৪ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের আশঙ্কায় আছে। ২০১৫ সালের আগে ইয়েমেনের মানবিক সহায়তার ত্রাণ, খাবার ও জ্বালানির ৭০ শতাংশ আমদানি হতো হুদেইদাহ বন্দর দিয়ে। সৌদি আরব দাবি করেন, হুথিরা এখনও ওই বন্দর দিয়ে প্রতিমাসে ৩ থেকে ৪ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব আয় করে। এসব অর্থ তারা ইরান থেকে অস্ত্র কিনতে ব্যয় করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে

নির্বাচনি কারচুপির অভিযোগ আর অর্থনৈতিক সংকট ভেনেজুয়েলার জনগণকে তাড়িত করেছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে। বিক্ষোভের সুযোগে গত ২৩ জানুয়ারি নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুইদো। এরপরই তাকে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রসহ ৫০টিরও বেশি দেশ। এরপর দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি শোডাউনের মধ্যেই গত ৮ মার্চ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ভেনেজুয়েলার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা। দেশটির ২৩টির মধ্যে ১৮টি রাজ্যেই অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সরকারবিরোধীরা এই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এর মধ্যেই ভেনেজুয়েলা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম ইন্টারফ্যাক্সের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। তিনি বলেন, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ফেরাতে সব বিকল্প নিয়ে ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সংক্রান্ত সব বিকল্পই টেবিলে রয়েছে। নিকোলাস মাদুরো’র কবল থেকে ভেনিজুয়েলার জনগণের পরিত্রাণ পেতে যা যা করার প্রয়োজন হয় তা-ই করবে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও কিউবা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সমর্থন দিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে।

মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন ভেনেজুয়েলার জনগণের নিকট গণতন্ত্র পৌঁছে দিতে বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প সব উপায় নিয়ে ভাবছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি পুনর্নির্মাণ করে দেবে যেখানে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য দেশটির জনগণ আবারও সম্পদের মালিক হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল না কিনতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান পম্পেও। এমন সময়ে তিনি এ আহ্বান জানালেন যখন ভেনেজুয়েলাকে তেল বিক্রিতে সহায়তার অভিযোগে রাশিয়ার একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।

আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর ২২ সদস্য নিহত তালেবান যোদ্ধাদের হামলায়

Now Reading
আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর ২২ সদস্য নিহত তালেবান যোদ্ধাদের হামলায়

তালেবান যোদ্ধাদের হামলায় আফগানিস্তান সেনাবাহিনীর ২২ সদস্য নিহত হয়েছে। গত শনিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি জেলার কয়েকটি চৌকিতে হামলার ঘটনায় এই সেনা সদ্যসদের মৃত্যু হয়। আফগান তালেবান চার জন সেনা সদস্যকে ধরেও নিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে একটি ট্যাংক ও ভারি অস্ত্রশস্ত্রের দখল পাওয়ার দাবি করেছে সংগঠনটি।

একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তালেবান নেতৃত্ব। আর অন্যদিকে যুদ্ধও চলমান। তাদের হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনীর। এখনও আফগানিস্তানের অর্ধেক এলাকার নিয়ন্ত্রণ তালেবান যোদ্ধাদের হাতে। গত ০৯ ফেব্রুয়ারি শারি পুল প্রদেশের এক পুলিশ চৌকিতে আফগান তালেবানের হামলায় প্রাণ গেছে আট পুলিশ সদস্যের। গত ০৮ ফেব্রুয়ারিও একটি সেনা চৌকিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে প্রাণ গেছে তিন সেনা সদস্যের। আহত হয়েছে চার জন।

শনিবার আফগান তালেবান কায়সার জেলায় অবস্থিত কয়েকটি চৌকিতে হামলা চালায়। চৌকিগুলোতে পুলিশ ও সরকার সমর্থক বাহিনীর সদস্যরা ছিল। আফগান তালেবান হামলা চালালে সেখানে প্রবল সংঘর্ষ হয় যা রবিবার সকাল পর্যন্ত চলে। উত্তর ফারিয়াব প্রাদেশিক পরিষদের প্রধান মোহাম্মদ তাহির রাহমানি জানিয়েছেন, প্রাণহানির পাশাপাশি আহত হয়েছে আরও ২০ জন।

চৌকিগুলো হামলার শিকার হলে আফগান সেনাবাহিনী বাড়তি লোকবল পাঠায়। পরে সেখানে উপস্থিত হওয়া এসব সেনা সদস্যরাও রয়েছে নিহতদের মধ্যে। তিনি আরও জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে হামলা জোরদার করার মাধ্যমে আফগান তালেবান সংশ্লিষ্ট জেলার আরও অনেক বেশি এলাকা দখলে নিয়ে নিয়েছে। আফগান তালেবানের পক্ষ থেকে ২১ জনকে হত্যার কথা স্বীকার করে জানানো হয়েছে, তাদের হাতে চার আফগান সেনা সদস্য আটক রয়েছে। একটি ট্যাংক ও কিছু ভারি অস্ত্রশস্ত্রও গেছে তাদের দখলে।

Page Sidebar