স্কুল কেবিনেট নির্বাচন চলছে ২৩ হাজার বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায়

Now Reading
স্কুল কেবিনেট নির্বাচন চলছে ২৩ হাজার বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায়

ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দ্বার খুলে গেছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের আহবান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে আট সদস্যের স্টুডেন্টস কেবিনেট। ষষ্ঠ-দশম শ্রেণির যে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে। একজন ভোটার সর্বোচ্চ আটটি ভোট দেবে।
এর মধ্যে প্রতি শ্রেণিতে একটি করে এবং যে কোনো তিন শ্রেণিতে সর্বোচ্চ দুটি করে ভোট দিতে পারবে। প্রতি শ্রেণি থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। পাঁচ শ্রেণিতে পাঁচজন নির্বাচনের পর তাদের মধ্য হতে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজন নির্বাচিত হবে। গতকাল বুধবার স্কুল কেবিনেট নির্বাচন উপলক্ষে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনের এ আহবান জানান মন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তবে আমরা কারও ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাই না। আমরা চাই সুন্দর পরিবেশে, সুষ্ঠুভাবে সব প্রতিষ্ঠানে এ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার চর্চা হোক।

সম্মেলনে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার ২২ হাজার ৯৬১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসায় স্কুল কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবারের মতো এবারও দেশের আট বিভাগ ও আটটি মহানগরের আওতাধীন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদরাসায় (ষষ্ঠ-দশম শ্রেণি) কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্য অনুযায়ী, এবার ১৬ হাজার ২৪৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং ছয় হাজার ৭১৬ দাখিল মাদ্রাসার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে এক লাখ ২৯ হাজার ৯৬০টি পদের জন্য দুই লাখ ৩১ হাজার ১২৬ এবং মাদরাসা পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৭২৮টি পদের জন্য ৯৩ হাজার ৭১০ শিক্ষার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেবে। ২৪ মার্চ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে।

স্টুডেন্টস কেবিনেটের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রথম সভায় একজন প্রধান প্রতিনিধি মনোনীত করবে। একই সঙ্গে প্রত্যেকের দায়িত্ব বণ্টন এবং সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি প্রতিটি শ্রেণি থেকে দুজন করে সহযোগী সদস্য মনোনীত করতে হবে, যারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সহায়তা করবে। তাদের ভোটাধিকার থাকবে না।