3
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

আত্মহত্যা

Now Reading
আত্মহত্যা

আপনি শ্যামলা ,কালো ,ফর্সা না বলে আত্মহত্যা করতে চান ??
কিংবা পরিক্ষায় ফেল করার কারনে বন্ধুবান্ধবের উপহাস এবং প্রতিবেশির কটুক্তি সহ্য করতে না পেরে মরতে চান??বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিংবা প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে প্রেমিকার দেয়া কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মরতে চান??
শুনুন তাহলে আপনাকেই বলছি ….
রানা প্লাজার ধংস স্তুপের কথা জানেন নিশ্চই ।সেখানের ধংসস্তুপে আটকা পড়া এক মহিলা আকুতি করে বলেছিলেন আমাকে এমন কিছু একটা দিন যাতে আমি আমার হাত কেটে আমার শরিরকে মুক্ত করে নিতে পারি ।আমার মতে মৃত্যুর চেয়ে ভয়ংকর কিছু থাকলে সে হয়তো বাঁচতে চাইতো না বরং তাকে জলদি মেরে যন্ত্রনা কমিয়ে ফেলার আকুতি জানাতেন ।
সম্পর্ক হারানোর কোন কষ্ট কি মৃত্যু যন্ত্রনা থেকে বেশি??যদি তাই হয় তাহলে পৃথিবীর সবচেয়ে আপন সম্পর্ক তো নিজের বাবা-মা। তাইনা ??কখনও কী কেউ শুনেছেন যে বাবা-মা এর মৃত্যুতে কেউ আত্মহত্যা করেছে ??
পরীক্ষায় ফেল করার কারনে কুমিল্লা জিলা স্কুলের ছাত্র সৈকত আত্মহত্যা করে মারা যায়।তার জন্য আমাদের বড্ড কষ্ট হয়,মনে হয় আহারে বেচারা না জানি কত কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।আদৌ কি তাই ??
প্রচন্ড অভিমানে গলায় ফাস নেয়া মেয়েটাও মৃত্যুর শেষ সময় এসে প্রানপনে বাঁচতে চেষ্টা করে।নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার আগ মূহুর্তে সে জেনে যায় পৃথিবীর সব চেয়ে ভয়ংকর কষ্টের নাম শুধু মৃত্যু।
আমাদের আশেপাশে সামনে পিছনে অনেক ভাসমান লাশ,জীবন্ত লাশ ঘুড়ছে।এরা প্রতিদিন ওপারে চলে যেতে চাইছে।মুক্তি চাইছে যন্ত্রনা থেকে একটু অস্বাভাবিক ভাবে সুইসাইট করে ।
জবাই করা মুরগিকে ড্রামের মধ্যে ফেলে যখন ঢাকনা লাগিয়ে দেয়া হয় তখন বোকা মানুষগুলো শুধু ড্রামের নড়াচড়াটাই দেখে কিন্তু মুরগিটার বেঁচে থাকার আকুতিটা কেউ দেখে না।
প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে যারা আত্মহত্যা করতে চায় তাদের বলছি আপনি জন্মগ্রহন করার সময় কী প্রেমিকা নিয়ে জন্মগ্রহন করেছিলেন??না করেন নি বরং প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর প্রেমিকার দেখা পেয়েছেন।তো সে চলে যাওয়াতে আত্মহত্যা করতে হবে কেনো?প্রেমিকা চলে যাওয়ার কষ্টটাকে একটা প্রতিজ্ঞায় পরিনত করুন আপনি সফল হয়ে তাকে দেখিয়ে দিন সে চলে যাওয়াতে আপনি ভেঙ্গে পরেননি বরং নতুন উদ্দমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ।
পৃথিবীতে এমন কোন মানুষ নেই যার জীবনে কোন দুঃখ নেই,হতাশা নেই ,পরাজয় নেই।আপনি বিশ্বসেরা ১০০ মনীষীর জীবন বৃত্যান্ত পড়ে দেখবেন তারা কেউেই সকল ক্ষেত্রে সফল ছিলেন না। হতাশায় ভুগেছিলেন তারাও অনেক।কিন্তু তারা হাল ছেড়ে দেননি বিধায় তারা আজকে আমাদের রোল মডেল।অনেকেই বলেন কারো বড় কিছু হওয়ার পেছনে কোন না কোন কারন থাকে,হ্যা অবশ্যই তাদের জীবনেও দুঃখ,কষ্ট,হতাশা ছিলো বিধায়ই তারা বড় হয়েছেন।আমার পরিচিত অনেক ব্যাক্তিই আছেন যারা এখন প্রতিষ্ঠিত আর এর একমাত্র কারন কারো দেয়া দুঃখ,কষ্ট কিংবা অবহেলা ।
কিছুদিন আগে ’’চেখভ রুশ’’ নামক এক নাট্যকার ও ছোটগল্প লেখক এর জীবনি একটা বইতে পড়েছিলাম।সে চরম দারিদ্র আর প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ।আত্মহত্যার জন্য গলায় দড়ি দেয়াকে বাছাই করনের সময় তিনি ভাবলেন মৃত্যুর পর তার এই সুন্দর দেহ খানা মাতাল ডোমের হাতে ছিন্নভিন্ন হবে যেটা খুবই জঘন্য ব্যপার।তারপর তিনি পানিতে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবলেন।কারন এতে ডোম কিংবা পুলিশের হাতে তার লাশটা পরার কোন সম্ভাবনা নেই।কিন্তু লাফ দিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে তার মনে পড়লো শহরের সমস্ত নর্দমা থেকে ময়লা নেমে আসে এই নদীতে।ময়লার সাথে থাকে অসংখ্য কীট যা মৃত্যুর পরে তার শরীরে ঢুকবে। এসব ভেবে তিনি আর আত্মহত্যা করেননি এবং নতুন করে বাচার সিদ্ধান্ত নেন।কিন্তু বাস্তবতা হলো যারা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন,তাদের মধ্যে খুব কমই ওই নায়কের মতো করে ভাবেন।তাই বিশ্বে প্রতিনিয়ত ঘটছে আত্মহত্যার ঘটনা।
পরিক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করে যে ছেলোটা আত্মহত্যা করে সে আসলে তার পরিবারের উপর একটা প্রতিশোধ নিতে চায় ।অনেকেই আত্মহত্যা করে অন্যের উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য কিন্তু তারা জানে না প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তার বেঁচে থাকাটা কত জরুরী।আত্মহত্যা কখনও কোনো সমস্যা সমাধানের কারন হতে পারেনা।
প্রেমিক/প্রেমিকা চলে যাওয়ার মতো হাজারটা প্রব্লেম আপনার লাইফে আসবে যাবে কিন্তু থেকে যাবেন আপনি।অন্যের ভালোবাসা পাওয়ার আশা না করে নিজে নিজেকে ভালোবাসুন।এই সুন্দর আকাশ,চাঁদ,আলো ,বাতাস সহ পৃথিবীটা আপনার জন্য তৈরী করা হয়েছে।আর আপনি কিনা কাপুরুষের মতো মরতে চাচ্ছেন !

 

ধর্ষণ ও আমাদের সমাজের চালচিত্র

Now Reading
ধর্ষণ ও আমাদের সমাজের চালচিত্র

ধর্ষণ…!!
শব্দটা যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে একেবারে মিশে গেছে।
পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ব্লগ সাইট, ফেসবুক সহ সকল পাবলিক প্লেসে, এমনকি বন্ধুদের আড্ডাতেও এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত।
শব্দটা আমরা যত সহজে উচ্চারণ করি, ভিকটিমেরা তার চেয়েও অনেক বেশি যন্ত্রণার সাথে শব্দটা সহ্য করে থাকে। যে যন্ত্রণা হয়তো অনুধাবন করার ক্ষমতাটুকু আমাদের কারো নেই।
যন্ত্রণার তীব্রতা যে কতখানি, তা আমরা সাম্প্রতিক একটা ঘটনার দিকে চোখ রাখলেই বুঝতে পারি। ছোট্ট মেয়েটার ধর্ষণের বিচার না পেয়ে বাবা আর মেয়ে মিলে একসাথে আত্মহনন করেছিল রেললাইনে মাথা পেতে। তাদের কাছে এই শব্দের যন্ত্রণা মৃত্যুর থেকেও অনেক ভারী।
যে উদাহরণটা দিলাম, এটা খুবই ক্ষুদ্র একটা অংশ। প্রতিদিনই বহু ধর্ষণের ঘটনা ঘটে আর মিডিয়ায় আসে তার তলানি স্বরূপ ক্ষুদ্র একটা অংশ। আর সেটা নিয়ে আমরা অনলাইনে কয়েকদিন লাফালাফি করি। অবশেষে কোন সমাধান ছাড়াই নতুন নতুন ঘটনার নিচে চাপা পড়ে যায় সেই লাফালাফি। এদিকে ধর্ষিতারপরিবারের যন্ত্রণা, যন্ত্রণার যায়গাতেই রয়ে যায়। সমাধান না পেয়ে সেই যন্ত্রণা চেপে তারা সমাজে বেঁচে থাকে নিচু হয়ে। নিচুর কথা বললাম কেন, তার পুরোটা বলতে গেলে আমার লেখা কখনোই থামবে না। তবুও সংক্ষেপে বলি।

আমরা তথা আমাদের সমাজই ধর্ষিতাকে নিচু করে রাখে। ধর্ষণের বিচার না করে বরং ধর্ষিতাকে ও ধর্ষিতার পরিবারকে ছোট করে দেখে। দোষ না করেও, নির্যাতিত হয়েও তারা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না, কথা বলতে পারে না। অথচ, ধর্ষক ঠিকই বীর-দর্পে চলাফেরা করে। মাথা উঁচু করে চলে। একই চায়ের টেবিলে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে চায়ের কাপে চুমু খায়। আমাদের সমাজটাই এমন। নারী জাতির সম্মানটা কেবল নিজের “মা” আর “বোন” নামক শব্দের মাঝে সীমাবদ্ধ। বাকি সব নারী “মাল” আর ভোগের পণ্য। রাস্তাঘাট, যানবাহন থেকে শুরু করে যেখানেই কোন নারী দেখা যায়, তারা সবাই “মাল”। লোলুপ দৃষ্টি তাদের পিছু ছাড়েনা কখনোই। এমনকি ফেসবুকে কোন মেয়ে ছবি আপলোড দিলেও তার মাঝে মানুষ যৌনতা খোঁজে। হোক সে ক্লাসমেট, কাজিন অথবা এলাকার কোন মেয়ে। আপনার আশেপাশের পাবলিক প্লেস গুলোয় চোখ-কান খোলা রাখলেই একথার সত্যতা খুঁজে পাবেন। দূরে যেতে হবেনা। আমাদের তথা আমাদের সমাজের মনোভাবটাই এমন। যৌনাকাঙ্ক্ষা এতোই বেশি যে, আমরা তা রগে রগে ধারণ করে পথ চলি আর নিজের ব্যক্তিসত্তা ভুলে গিয়ে নির্লজ্জের মতো তা নারীদের দিকে ছুঁড়ে মারি।
যাক এসব কথা। ধর্ষণের কথায় আসি…

সম্প্রতি আলোচিত এক ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাদাতের বাবা বলেছে, “আমার ছেলে অন্যায় করেছে তো কি হয়েছে, আমিও করি”। বেহায়া, নির্লজ্জ কোথাকার। কোন বাবা তার ধর্ষক ছেলেকে নিয়ে স্ব-গর্বে এমন কথা বলতে পারে, সে ধারণা আমার ছিল না। তার উচিত ছিল, জাতির কাছে তার ছেলের কুকীর্তির জন্য ক্ষমা চাওয়া। ক্ষমা না চেয়ে বরং তার ছেলের বাজে কর্ম ঢাকতে নিজেকেও সেই পর্যায়ে নিয়ে গেছে। একটা মানুষ আদব-কায়দা শেখে তার পরিবার থেকে। যে পরিবারে এমন বাবা আছে সে পরিবারের ছেলে আদব-কায়দা হীন ধর্ষক হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। কুলাঙ্গার ছেলেকে বাঁচাতে কোন কাণ্ডজ্ঞানহীন বাবা যদি এমন কথা বলতে পারে, সম্ভ্রম হারা কোন মেয়ের বাবাও ওইসব ধর্ষকের কাণ্ডজ্ঞানহীন বাবাকে রাজপথে ফেলে জুতাপেটা করতে করতে মেরে ফেলার অধিকার রাখে। যদিও অধিকার নামক শব্দটা এদেশের প্রশাসকদের দলিলে নেই বলেই চলে।
ধর্ষণের সঠিক বিচার না থাকার কারণে আমাদের সমাজের চিত্রটা এমন। সঠিক বিচার সমাজের অপরাধ কমিয়ে আনতে সক্ষম। আফসোস, আমাদের এই জিনিসটার বড় অভাব। যদি এসব অপরাধের সঠিক বিচার হতো, ধর্ষক সমাজ তাদের কার্য সম্পাদনে একটু হলেও ভয় পেতো আর অপরাধ কমতো। এই বিচার নিয়ে কথা বললে আবার বিশাল রচনা হবার সম্ভাবনা আছে। তবুও ছোট করে বলি…

বিচারকের আসনে তথা প্রশাসনে যারা আছে তাদের জগতটা সম্পূর্ণ আলাদা। এদের পিছনের দিনগুলোতে তাকালে দেখা যাবে, কারো কারো জীবনে এরকম কার্যের অভিজ্ঞতা বেশ কয়েকটা রয়েছে। লোকসমাজে প্রচলিত আছে, “কচু গাছ কাটতে কাটতে নাকি ডাকাত হয়”। কথাটার সত্যতা প্রমাণে প্রশাসনের লোকগুলো বেশ পটু। ছোটবেলা থেকে যারা অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছে, তারাই একসময় ক্ষমতায় বসছে। এদের থেকে সুবিচার পাওয়াটা অমাবস্যার চাঁদের মতো। অন্ধকারে থেকে থেকে অন্ধকারের কাজগুলোই তাদের বেশি আপন। যদিও মাঝে মাঝে দু একটা বিচার দেখা যায়, সেগুলো হয় তাদের গদি পাকা-পোক্ত করার জন্য অথবা লোক দেখানো।

তনুর জন্য আমাদের আন্দোলন কতখানি জোরালো ছিল… টিকেছে? টিকেনি…!! বিচার এখনো প্রক্রিয়াধীন। কবে শেষ হবে, আদৌ হবে কিনা, তা কেবল তারাই জানে। জোর যার, মুল্লুক তার। অথচ, এই তনুরা যদি প্রশাসকের পরিবারের কেউ হতো, ধর্ষককে গ্রেফতার থেকে শুরু করে বিচার কার্য শেষ হতে সময় লাগতো হাতে গোনা কয়েকটা দিন। আমরা কেউ প্রশাসক পরিবারের না, সবাই তনুর পরিবারের, তাই সুবিচার হয়তো আমাদের প্রাপ্য না।

প্রতিদিন কত মেয়ে যে ধর্ষিতা হয় তার শেষ নেই। কেউ সামনে এসে বিচার চায়, কেউ গোপনে যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকে লোকসমাজে টিকে থাকার তাগিদে। গতকালও একটা খবর পেলাম, প্রায় বছর-খানেক সময় ধরে মা-খালা সহ এক মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছে। কতটা জঘন্য একটা খবর। একবার ভাবুন। লোক-লজ্জার ভয়ে অথবা ভিডিও ফ্ল্যাশ হয়ে যাবার ভয়ে টানা এক বছর ধরে নীরবে ধর্ষণের যন্ত্রণা সয়ে আসছে। ভিডিও শব্দটা উচ্চারণ করতেই অনেকগুলো খবর চোখের সামনে ভেসে উঠলো। যাক, বাদ দিলাম এসব ভিডিওর কথা। যারা এইসব কাজগুলো করে, তাদের যদি বিচার হতো, পুরোপুরি না হোক, অপরাধ কিছুটা হলেও কমতো। মাথাব্যথা নেই আমাদের প্রশাসনের। সমস্যা কি !! তার মেয়ে তো নিরাপদেই আছে। একবার আপনার মেয়েকে ঠেলে দিন না কোন এক ধর্ষকের হাতে। খুব সহজেই বুঝবেন এসবের যন্ত্রণা কতখানি। ধর্ষিতাকে কোন এক মেয়েকে নিজের মেয়ের জায়গায় বসান না একবার। দেখেন, যন্ত্রণা কতখানি। আপনাদের কাছে আমাদের প্রাপ্যতা তো এটুকুই। আর এই প্রাপ্যটা যদি না’ই মিটাতে পারেন, তবে ছেড়ে দিন আপনার গদি। আপনার মত কাণ্ডজ্ঞানহীনের আসন বিচারকের আসনে শোভা পায় না। তেলে মাথায় তেল দিয়ে তথা ক্ষমতাবানদের পা চাটাই যদি হয় আপনার কাজ, তবে ওইসব ক্ষমতাবান ধর্ষকদের “দণ্ডটা” মুখে নিয়ে চোখ বুজে চুষতে থাকেন; আরাম পাবেন। অর্থলোভ আর ক্ষমতা আপনাদের মানসিকতাকে কুকুরের চেয়েও নিকৃষ্টতম পর্যায়ে নিয়ে গেছে। কুকুরের সাথে তুলনা করেও ভুল করলাম। কুকুর অন্তত মনিবের নুন খেয়ে মনিবের কাজ করে। ধর্ষিতার পরিবারের সমর্থনেই হয়তো আপনি আপনার গদিতে বসতে পেরেছেন। কিন্তু তার জীবনের কঠিন-তম অবস্থায় আপনার লেজ গুটিয়ে ক্ষমতাবান ধর্ষকের দণ্ডে তেল মেজে দিচ্ছেন। শত ধিক আপনাদের। শত শত ধিক…!!!