5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

শ্রেণীকক্ষে মাদক সেবন করল এক শিক্ষক

Now Reading
শ্রেণীকক্ষে মাদক সেবন করল এক শিক্ষক

মাদক হচ্ছে এমন একটা বিষয় যা সেবনের ফলে একটা জাতীই ধবংস হয়ে যেতে পারে। এই কারনেই বিভিন্ন স্কুলকলেজে ছাত্রছাত্রীদের মাদকের কুফল সম্পর্কে বিভিন্ন ভাবে বুঝানো হয়। শিক্ষক হচ্ছেন ছাত্রছাত্রীদের আদর্শ। ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষক থেকেই শিখেন। কিন্তু সেই শিক্ষকই যদি ক্লাসে মাদক সেবন করেন, তাহলে ব্যপারটা কেমন হয়। এমনটাই ঘটেছে একটি বিদ্যালয়ে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার পূর্ব কয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান রানার বিরুদ্ধে স্কুলে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে মাদক সেবন করার অভিযোগে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। পুলিশ এ সময় তাঁর কাছ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজাও উদ্ধার করে।
গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে দপদপিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে ওই শিক্ষক ক্লাসে বসে মাদক সেবন করতেন। বিষয়টি ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে জানতে পেরে এলাকাবাসী তাঁকে মাদক সেবন করতে নিষেধ করে। গতকাল দুপুরে এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে আবার মাদক সেবনের খবর পেয়ে ওই শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় তাঁর কাছে থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ এসে তাঁকে নলছিটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গত এক মাস আগে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা অফিস বিষয়টি তদন্ত করে। তারা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে মাদক সেবনের সত্যতা পায়। তদন্ত কমিটি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসকে অনুরোধ করে। বর্তমানে বরিশাল শিক্ষা অফিসের বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
নলছিটি উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনিতা রানী বলেন, তিনি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক আইনে মামলা করতে পারে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে মাদক সেবনের দায়ে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে।
নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হালিম জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে পুলিশ ইচ্ছা করলে মাদক আইনে মামলা করতে পারে।

প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান অন্যথায় ‘ওএসডি’।

Now Reading
প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান অন্যথায় ‘ওএসডি’।

সম্পদ এবং সম্ভাবনাই সমৃদ্ধ আমাদের বাংলাদেশ, এই প্রিয় দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ও স্বাধিনতার পূর্ণ স্বাদ আমরা অস্বাদন করতে পারছি না , দেশ কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগুতে পারছেনা । ইতিহাসের বাকপাটে নানা রাজনৈতিক সংকট এর সাথে যোগ আছে এই দেশের শিক্ষিত মানুষদের একাংশের তৈরি কিছু অতান্ত্রিক ব্যবস্থার । এই ব্যবস্থার আওতায় একটা অংশ এতটাই অধিপত্ত করছে যে স্বাস্থ্যের মত মহা জনগুরুত্বপূর্ণ খাতেও নানা খাদ এবং খুঁত লক্ষ্য করা যাচ্ছে । সমাজের মেধাবী মানুষগুলোর একটা বিরাট অংশ যথাযথ রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক মূল্যায়ন পান , তেমনি একটি মেধাবী পেশাগত শ্রেণী হচ্ছে সরকারী ডাক্তাররা । সবচেয়ে মেধাবী হয়েও যারা তাদের দায়িত্বের গুরুত্বটাও উপলব্ধি করতে পারেনা ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সরকারি চিকিৎসক ও নার্সদের যথাযথ দায়িত্ব পালন না করতে পারলে যথা বিলম্বে তাদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন । তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বলেন “সরকারি হাসপাতালগুলিতে কতজন রোগী যান এবং কেন ডাক্তাররা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উপস্থিত থাকে না তা জানতে একটি জরিপ পরিচালনা করতে বলা হয়েছে । যদি স্থানান্তরিত ডাক্তাররা সেবায় নিয়োজিত না থাকলে তাহলে তাদের OSD তৈরি করার পরে সরিয়ে রাখুন । আমাদের প্রয়োজন নেই তাদের , আমরা নতুন ডাক্তার নিয়োগ করব ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে এ সতর্কতা আসে।

তিনি বলেন, নার্সদের মধ্যে একটি মনোভাব ছিল যে তাদের চাকরির অবস্থান অনুযায়ী রোগীদের সেবা করবে না , তাদের চাকরির অবস্থান উন্নীত করে দ্বিতীয় শ্রেণীর সম্মানে আনা হয়েছে। কিন্তু তার পরও তাদের সেবার কোন পরিবর্তন ঘটেনি , তাদের অবশ্যই রোগীদের সেবা করা উচিত, আমরা তাদের এমন সম্মান দিচ্ছি যাতে তারা ভালভাবে সেবা করে। নার্স এর কাজ শুধু রোগীদের ঔষধ সরবরাহ করা নয় , আন্তরিকতার সাথে রোগীর সেবা করা তাদের দায়িত্ব ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের চাকরির অবস্থান বাড়ানোর অর্থ এই নয় যে, রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য সরকারকে অন্য স্তরের কর্মী তৈরি করে নিয়োগ করতে হবে।
আমাদের এমন দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রয়োজন নেই… যারা এই ধরনের মনোভাব নিয়ে আসে , এই আমার পরিষ্কার কথা ।

চিকিৎসকরা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলিতে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চিকিৎসকদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল হাসপাতালের বায়োমেট্রিক উপস্থিতি সিস্টেম চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তিনি ডাক্তার ও নার্সদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে সব হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত করতে জোর দেন।
একজন রোগী হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার ও নার্সদের যথাযথ মনোযোগ দিতে বলেছেন শেখ হাসিনা। “ডাক্তারদের একটি সেবা ভিত্তিক মনোভাব বিকাশ আবশ্যক।
চিকিৎসকদের দ্বারা প্রাইভেট অনুশীলন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারেন যেখানে সরকারি চিকিৎসকদের তা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বেসরকারি অনুশীলনে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য সরকার বিশেষ উৎসাহ দিতে পারে। “আমরা এটি সম্পর্কে চিন্তা করতে পারি ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অভিযোগ রয়েছে যে কিছু ডাক্তার, তাদের অফিসের ঘন্টা পর, রাত্রি পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে সার্জারি করেন। তাহলে সারা রাত না ঘুমিয়ে “কিভাবে তারা সকালে পাবলিক হাসপাতাল রোগীদের যত্ন নিবে ? এছাড়াও এই মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাঠ্যক্রমটি আপগ্রেড করতে বলেন যাতে দেশের ডাক্তাররা বিশ্বের অন্যান্য ডাক্তারের সমান হতে পারে।
শেখ হাসিনা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে গুলোতেও নজরদারি বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান যাতে শিক্ষার্থীরা ভাল ডাক্তার হতে যথাযথ শিক্ষা পায় ।
পরিশেষে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম মুরাদ হাসান ও উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ কি একটি উন্নত রাষ্ট্র?

Now Reading
বাংলাদেশ কি একটি উন্নত রাষ্ট্র?

একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের অনেক সূচক আছে । অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক – অনেকগুলো দিক দিয়েই একটা রাষ্ট্রকে বিচার করা যায়, সেটি উন্নত, উন্নয়নশীল না অনুন্নত ।
.

আমি এইটা মাপি পাবলিক টয়লেট দিয়ে ।

.

প্রতিবার ঈদে বাড়িতে যাবার সময়, সব বাসই কোন না কোন রোডসাইড রেস্টুরেন্টে স্টপেজ নেয় । জলখাবার সারার সাথে সাথে আর একটি কাজ যেটা করতে হয় সেটা হল প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়া । আর এই সাড়া দিতে গিড়ে অসাড় হয়েছেন, এমন লোকের সংখ্যা সম্ভবত কম নয় ।
.

আপনারা কি কখনো বাংলাদেশের কোন পাবলিক টয়লেটে গিয়েছেন ?
.

আপনার মনে হতে পারে, দাড়ায়ে, বসে, উল্টায়ে পাল্টায়ে যতভাবে সম্ভব মানুষ হাগুমুতু করেছে, শুধুমাত্র যে জায়গায় করার কথা ছিলো, সেই জায়গাটা বাদে । তো আপনি সিঙ্গেল শট ফায়ার করুন, কিংবা ব্রাশ ফায়ার করুন আমার সমস্যা নাই, কিন্তু আপনার গোলা বারুদের রূপে – বর্ণে – গন্ধে যদি আমি আহত হয়ে যাই, যদি কমোডের পানিতে আপনার ফেলে যাওয়া টাইটানিক ভাসতে দেখে আমার বমি আসে, তখন অপু ডিশওয়াশের ভাষায় বলিতে ইচ্ছা করে,’ এই উন্নত দ্যাশ নিয়া আমি এখন কোথায় যাবো ?

এরই মাঝে কিছু লোক টয়লেটে আসে গোসলের প্রিপারেশন নিয়ে । সাধারণত রোডসাইড রেস্টুরেন্টগুলোতে এদের বেশি দেখা যায় । বাস থেকে নেমেই তারা সবজি দিয়া পরোটার অর্ডার দেন, তারপরে তাদের এ্যাটিচুড থাকে এইরাম – ‘পরোটার টাকা শালা হাইগা উসুল কইরালাবাম’ । এহেন কার্য সম্পাদনের পরে তারা ক্ষান্ত হন না, বেসিনে গিয়ে যে সীনের সৃষ্টি করেন তাহা দেখলে মনে হয় এই দৃশ্য না দেখলেই ভালো হত ।
.

আমি নিজের দেখা উদাহরণ দেই । প্রথমে তারা হন্য হয়ে সাবান খুজেন। এরপর শতব্যবহৃত সেই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে, মুখ পরিষ্কার করেন , দাত পরিষ্কার করেন, কান পরিষ্কার করেন । এরপর তাদের প্রচেষ্টা চলে হাত দিয়ে আলজিহবা টাচ করার, এহেন পর্যায়ে তারা ‘হাক থু ! হাক থুহ্ !’ জাতীয় শব্দ করেন, কেউ কেউ শেফার্ড কুকুরের ন্যায় গরগর ঘরঘর শব্দও করেন । তারপরে তারা সমস্ত শক্তি দিয়া ফুসফুস হতে সর্বশেষবিন্দু শ্লেষ্মা বের করে সেটা সশব্দে বেসিনে ফেলেন । তারপর পকেট থিকা একবচ্ছর না ধোয়া একটা রুমাল বের করে সেটা দিয়ে বগল সাফ করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হন ।
.

আই মিন, ‘সিরিয়াসলি ?’


.

পাবলিক টয়লেটগুলোর চারপাশে দেখা যায় কিছু কিছু লোক চোরের মত ভাবভঙ্গিতে পাথরের টুকরো বা টিস্যু নিয়ে ঘুরঘুর করছে । তাদের হাত পাজামার ভেতরে, তারা মাঝে মাঝেই উঠবস করছে, গলা খাখাড়ি দিচ্ছে । তারা নিজে সাফ হবার পরে টিস্যু বা পাথরখন্ডটি ফেলছেন মেঝেতে । কর্ম সম্পাদনের পরে তাদের পরিষ্কার হবার যে প্রয়াশ, তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা, কিন্তু এর সামান্যতম ইফোর্টও যদি তারা পানি ঢালার উপরে দিতেন, হাতের নোংরা টিস্যুটা ডাস্টবিনে অথবা প্যানে ফেলার উপরে দিতেন, তাহলে আমাকে কষ্ট করে এই বিশাল লেখাটি লিখতে হত না ।
.

আপনি হাগু করেন, ভালো কথা । আমরা সবাই করি । কিন্তু হাগুমুতু দিয়ে টয়লেটের দেয়ালে চিত্রকর্ম করার তো কোন মানে হয় না ভাই । আপনার পরিবার আপনাকে খাইতে শিখাইসে, জামাকাপড় পড়তে শিখাইসে, চুল আচড়াইতে শিখাইসে, কেউ কি কোনদিন হাগতে শিখায়নি ?
.

আপনাদের এহেন কর্মে জীবন দু:সহ হয় আপনার পরে যিনি টয়লেট ব্যবহার করবেন তার । আপনার শব্দে, গন্ধে, চিত্রে তাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয় বিকল হয়ে যায় । আপনার কাজ তো শেষ, আরাম করে বেরিয়ে একটা বিড়ি ধরাবেন, কিন্তু সেই ভদ্রলোকদের আপনি একটা ভয়াবহ এক্সপিরিয়েন্স দিয়া গেলেন, হলোকাস্টের মত, চাইলেই তারা সেইটা সহজে ভুলতে পারবে না ।
.

আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, এইসব লোকদের জন্য সরকারকর্তৃক একটা সার্টিফায়েড কোর্স থাকা উচিত । ‘ ‘কিভাবে হাগু ও হিসু করতে হয় এবং তৎপরবর্তী পরিষ্কারকরণ’ । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারে । বাথরুমের দেয়ালের ভয়াবহ চিত্রকর্মগুলির কথা বলছিনা, সেটা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার ।
.

সমস্যাটা কোথায় জানেন ? আমরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবি । এটা ভাবিনা, পরেরজন আমার কারণে অসুবিধায় পড়বে । এটা ভাবিনা, আমি যে কষ্ট করে বাথরুম ব্যবহার করছি, একটু চেষ্টা করি আমার পরেরজন যাতে এই কষ্টটা না পায় । শুধু তাই নয়, আমরা আমাদের সন্তানদেরও এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটা শিক্ষা দিতে ভুলে যাই ।

 

বিশ্বসেরা ৫টি Assault Rifle

Now Reading
বিশ্বসেরা ৫টি Assault Rifle

মূলত শত্রুকে ধংস করার জন্যই রাইফেল ব্যাবহার করা হয়। এসব মূলত যুদ্ধ তে ব্যবহার করা হয়। একটি অটোগান মুহূর্তেই একজনকে ছিন্ন-বিন্ন করে দিতে পারে। পৃথিবীতে এরুপ অনেক অটোগান আছে যা সব দিকে বিবেচনা করে তালিকা করা হয়েছে।

  1. AK-47

যখন আটো/এসল্ট রাইফেলের কথা চিন্তা করা হয়, AK-47 কে অন্য এক দৃষ্টিতে দেখি। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এই রাইফেল। এটি বাংলাদেশ সহ প্রায় ১৫০ টির ও বেশি দেশে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি খুব জনপ্রিয় একটি রাইফেল। জনপ্রিয় কারণ এটি সস্তা এবং সারা বিশ্বে অবৈধ অস্ত্রের বাজারে এটি তুমুল ঝড় তুলেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের এই অস্ত্রটি সারা বিশ্বে শীর্ষে। তাছাড়া  বড় ছোট অনেক যুদ্ধগুলোতে এটি অংশ নিয়েছে। ১৯৪৯সালে এটি তৈরি করেছিল রাশিয়ার এই Kalashnicov Concem. এটির ওজন ৩.৪৭ কেজি। এর দৈর্ঘ্য ৮৮০মিমি. যার মধ্যে ব্যরেলের দৈর্ঘ্য ৪১৫মিমি. এর ফায়ারিং রেঞ্জ ৩৫০মি.। এর ম্যাগাজিনে ৩০ রাউন্ড গুলি ধারণ করে। এমনকি ১০০রাউন্ড গুলিও ধারণ করার মত ম্যাগাজিন বক্স আছে।

  1. FN Scar

এই তালিকার দ্বিতীয় হল FN scar, যা বেলজিয়ামের তৈরি। এটি AK-47 এর চেয়ে কিছুটা কম নির্ভরযোগ্য। তবে, এটির কাস্টমাইজবিউটি কোনও রাইফেলের সাথে মেলে না। ২০০৯ সালে তৈরি করা হয়েছিল এই রাইফেল। আমেরিকার সোয়াট সহ আরো সেই কয়েকটি বাহিনী এই রাইফেল ব্যবহার করে। এর ওজন ৩.০৪ কেজি, দৈর্ঘ্য ৭৮৭মিমি, ব্যরেলের দীর্ঘ ২৫৪মিমি। এর গুলি হিসেবে 5.56X45mm ব্যবহার করা হয়। এর ফায়ারিং রেঞ্জ ৩০০মি. এর ম্যাগাজিন বক্সে ২০ রাউন্ড গুলির ধারণ ক্ষমতা আছে।

  1. ACR

এটি আমেরিকার Bushmaster দ্বারা তৈরি। ২০১০ সালে এটি তৈরি করে। এটা দীর্ঘ shootout এর জন্য অত্যন্ত দরকারী। যা নম্বর 3 অবস্থানে এনেছে। এটির ওজন 3.6-4.4 KG. এটিতে গুলি হিসেবে 5.56X45mm ব্যবহার করা হয়। একটি Magazine এ ৩০ রাউন্ড গুলির ধারণ ক্ষমতা আছে। ফায়ারিং রেঞ্জ 500m. এর মোট দৈর্ঘ্য 655.32mm. এবং ব্যরেল 267mm.

  1. AK-74

নির্ভুল নিশানা যা এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে AK-74। তবে এই রাইফেল একটি AK-47 এর তুলনায় কম ক্ষতি করে। এটি তার ওজন অনুসারে তেমন ভালো না। AK-74 এর 300 রাউন্ডগুলির সমান AK-47 এর 180 রাউন্ড। এদিকে শুধু এদিকে পিছিয়ে। বরাবরের মত এটিও রাশিয়ার তৈরি। ১৯৭৪ সালে এটি তৈরি করে। এর ওজন 3.07 কেজি। ফায়ারিং রেঞ্জ 300-400m. এটিরও ৩০ রাউন্ড গুলি ধারণ করে একটি ম্যাগাজিনে। তবে ম্যাগাজিন বক্স দ্বারা ৬০ রাউন্ড পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

5. Hackler & Koch G36

1990 সালে হেকলার ও কোচ দ্বারা এটি জার্মানিতে ডিজাইন করা হয়েছিল। মূলত G3 প্রতিস্থাপন করার জন্য এটি ডিজাইন করা হয়েছে। এটি AK-47 এর চেয়ে কম নির্ভরযোগ্য কিন্তু এটি স্পষ্টতা এবং নিখুঁত নিশানার জন্ তৈরি করেছে। ১৯৯৭ সাল থেকে এটি এখন চলছে। এর ওজন 3.63 কেজি। দৈর্ঘ্য ৯৯৯মি. গুলি হিসেবে ৫.৫৬X৪৫মিমি ব্যবহার করা হয়। এর ম্যাগাজিনে ৩০রাউন্ড গুলি ধারণ করে। চাইলে ম্যাগাজিন দিয়ে ১০০ রাউন্ড পর্যন্ত বাড়ানো যায়।

পৃথিবীর সেরা ৫টি স্নাইপার রাইফেল

Now Reading
পৃথিবীর সেরা ৫টি স্নাইপার রাইফেল

প্রতিনিয়ত পৃথিবীর কোন না কোন দেশে যুদ্ধ চলছে। নানান এবং এ যুদ্ধতেই স্নাইপার রাইফেলগুলো ব্যাবহার করা হয়। দূরের নিশানাকে ভেদ করতে মুলত স্নাইপার ব্যাবহার হয়। মুলত এগুলো অনেক শক্তিশালী হয়। তা বিভিন্ন ভিডিও গেম গুলোতে আমরা প্রমাণ পাই। সব  রাইফেল যে সব দিকে ভালো হবে তা কিন্তু না। এক এক স্নাইপারের এক এক বৈশিষ্ঠ। তবে সব দিকে বিবেচনা করে কিছু স্নাইপারকে শীর্ষে রাখা হয়েছে। যা নিচে বর্ণনা করা হল।

  1. Accuracy International AWM

এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় স্নাইপার রাইফেলের মধ্যে একটি। এটির মোট দৈর্ঘ্য 1200mm  যার মধ্যে বেরেলের দৈর্ঘ্য আছে 660mm. এটির ফায়ারিং রেঞ্জ 1100m. এবং এর একটি Magazine এ ৫ রাউন্ড গুলির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।  এটির জনপ্রিয়তা অনেক ভিডিও গেম এর মাধ্যমে যেমন Counter Strik, PUBG হয়েছিল। এটি 1997 সালে তৈরি। এটি এখনও ইউ কে সশস্ত্র বাহিনীরা ব্যাবহার করে। এটির ওজন 6.5 কেজি। যা ভারী কিন্তু অত্যন্ত টেকসই এবং শক্তিশালী। এটি বাংলাদেশ সহ আরো অনেক দেশে ব্যাবহার হয়। তাছাড়া এটির আরেকটি ভেরিয়েন্ট আছে যা Lapua Magnum দিয়ে ব্যাবহার হয়। তবে এর ক্ষেত্রে  ওজন, ফায়ারিং রেঞ্জ ভিন্ন।

  1. Barrett M82

আমেরিকা দ্বারা তৈরি এই রাইফেলটি অনেক জনপ্রিয়। এটি মুলত M82 নাম দিয়ে তৈরি করেছে।  ১৯৮৯ সালে এটি তৈরি করা হয়েছে। এটির ওজন ১৩.৫ কেজি। এর মোট দৈর্ঘ্য 120cm যার মধ্যে বেরেলের দৈর্ঘ্য 51cm. এর একটি Magazine এ ১০ রাউন্ড গুলি ধারণ করতে পারে। এটিতে ২ ধরণের গুলি ব্যাবহার করা যাবে যা হচ্ছে 50BMG or .416 Barrett. এর ফায়ারিং রেঞ্জ 1800m. এটি বাংলাদেশের Black Eagle battalion রা এটি ব্যাবহার করেন। তাছাড়া অনেক দেশে এটি জনপ্রিয়।

  1. CheyTac Intervention M200

এই স্নাইপার রাইফেলটি আমেরিকার ChheyTac LLC দ্বারা তৈরি। এর ওজন 14.1 কেজি। এর দৈর্ঘ্য 1300mm যার মধ্যে বেরেলের দৈর্ঘ্য 740mm। এটিতে .408 Cheyenne Tactical or .375 Cheyenne Tactical ব্যাবহার করা যাবে। এটির Magazine এ ৭টি গুলির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এবং এর নতুন Magazine টিতে ৫টি গুলির ধারণ ক্ষমতা। এর ফায়ারিং রেঞ্জ 2500m. এটি তৈরি হয়েছিল ২০০১ সালে। তবে এটি মাত্র কয়েকটি দেশ বাদে তেমন একতি জনপ্রিয়তা পায়নি। এর ফ্রেমটি কার্বন ফাইবারের। এটি মাত্র কয়েকটি দেশে ব্যাবহার হয় যার মধ্যে UK, USA, Poland, Czech Republic, Turkey, Italy.

  1. SVD (Dragunov)

এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি শক্তিশালী স্নাইপার। এটি 1963 সালে তৈরি করা হয়েছিল যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। যদিও এটি পুরোপুরি স্নাইপারের ক্যটাগরির না। তবে একে সেমি-অটো স্নাইপার রাইফেল বলা হয়। যার ওজন 4.3 কেজি। এর দৈর্ঘ্য 1225mm যার  বেরেল 620mm. এটিতে সুধু 7.62X54mmR বুলেট ব্যাবহার করা যায়। যার Magazine এ ১০টি বুলেটের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এর ফায়ারিং রেঞ্জ 800m. রাশিয়ার তৈরি এটি অনেক জনপ্রিয় সেমি-অটো স্নাইপার রাইফেল। বাংলাদেশে এটির Chinese Type 85 Copy আছে যা Black Eagle Battalion রা ব্যাবহার করে। তাছাড়া এটি অনেক যুদ্ধতেও ব্যাবহার করা হয়েছে।

  1. Accuracy International AS50

এটি ব্রিটিশ নির্মিত স্নাইপার। স্নাইপার হিসাবে তুলনামূলকভাবে সত্যিই অনেক নাম আছে এর। এই রাইফেলের ওজন 12.2 কেজি। এটি ২০০৭ সালে তৈরি হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য 1369mm এবং বেরেলের দৈর্ঘ্য 692mm. এটি সেমি-অটো স্নাইপার রাইফেলের ক্যটাগরির। এর ফায়ারিং রেঞ্জ 1800mm. এর Magazine এ ৫টি অথবা ১০টি গুলি ধারণ করে।

রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা ভাবছেন সাকিব আল হাসান

Now Reading
রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা ভাবছেন সাকিব আল হাসান

নিদাহাস ট্রফির আগে সাকিব আল হাসান স্বপরিবারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দেখা করেছেন। এই টুর্নামেন্ট শেষে সপরিবার বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির দাওয়াত ও রক্ষা করেছিলেন। ঠিক তখন থেকেই অনেকেরি ধারণা হতে থাকে তাহলে কি সাকিব রাজনীতিতে জড়াচ্ছেন?

ভারতের এক সংবাদ সম্মেলনে জবাবটা নিজেই দিয়েছেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল অবসরের পর রাজনীতিতে আসার কোন চিন্তা আছে কিনা। দুই ফর্মেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব জানিয়েছেন- ‘ভবিষ্যৎ নিয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। আমি বর্তমান নিয়েই থাকতে চাই। কিন্তু কোনো কিছুই উড়িয়ে দিচ্ছি না। এ ব্যাপারে (রাজনীতি) এখনো ভাবিনি, তাই এটা নিয়ে এখন কথা বলাও কঠিন। ক্রিকেট আমার জীবন এবং মনোযোগটা শুধু এখানেই (ক্রিকেট) থাকবে। (প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে সপরিবার যাওয়া প্রসঙ্গে সাকিবের ব্যাখ্যা) এটা ছিল সৌজন্যসাক্ষাৎ। তিনি ক্রিকেট খুব পছন্দ করেন এবং খেলোয়াড়দের সব সময় উৎসাহ দেন।’

 

 

এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ২ উইকেট নেয়। তাছাড়া মুম্বাইয়ের বিপক্ষেও ১টি উইকেট নেন তিনি। তার দল হায়দ্রাবাদ দুটিতেই জয় পেয়েছে। তাছাড়া শুরু থেকেই রাজস্থান ও হায়দ্রাবাদের সাকিবকে নিয়ে দর কষাকষি করেন দুই টিম। আইপিএলে তার ব্যাটিং কেরিয়ার তামন একটা ভালো দেখা যায় নি। তবে যাই হোক টিম এবং দর্শকদের প্রিয় হয়েছেন বোলিং এর দিকে। এদিকে হায়দ্রাবাদের রাশিদ খান ও অনেক প্রিয় হয়ে উঠছেন।

স্পিনারদের নিয়ে সাকিবের মন্তব্য, ‘স্পিনারদের সবাই খেলতে অভ্যস্ত নয়, তাই ব্যাটসম্যানদের জন্য এটা সামলানো কঠিন। তারা (লেগ স্পিনার) যেকোনো উইকেটে বল ঘোরাতে পারে, এটা একটা সুবিধা। কিন্তু তাদের যত বেশি খেলবেন ততই অভ্যস্ত হয়ে ওঠা যায়। (রাশিদ খান প্রসঙ্গ) সে অনেক দিন ধরেই দলের জন্য ভালো পারফর্ম করছে। রশিদের মতো বোলারকে দলে পাওয়া সত্যিই বড় ধরনের সুবিধা। তাছাড়া তার সাথে বোলিং এর জুটি অনেক ভালোই হয়েছে।’

একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপের মাধ্যমেই পাল্টে ফেলুন আপনার জীবনধারা

Now Reading
একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপের মাধ্যমেই পাল্টে ফেলুন আপনার জীবনধারা

প্রতিদিন সকালে উঠে আমরা কিছু করি না করি, আমাদের স্মার্টফোনে অবশ্যই মেসেজ, নোটিফিকেশন, চেক করবই। এমনকি এটি আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। আমরা দিনের অর্ধেক ভাগ সময় শুধু স্মার্টফোনে  ব্যয় করি। কোন কিছু থেকে একটু ছুটি পেলেই মোবাইল নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরি। হয়ত দেখা যায় মোবাইল নিয়ে ব্যাস্ত থাকার কারনে অনেক কিছু হারাই। হয়ত দেখা যায় বন্ধুরা মিলে আড্ডা করতে আসছেন,তার মদ্যে আপনি স্মার্টফোন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়লেন।

স্মার্টফোনকে যেমন খারাপ দিকে ব্যাবহার করা যায় তেমনি ভালো দিকেও ব্যাবহার করা যায়। ভাবুন তো এমন একটি এন্ড্রয়েড লঞ্চার যা আপনার স্মার্টফনের প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে দিবে। এমনি একটি এন্ড্রয়েড লঞ্চার আছে যাতে থাকবে শুধু ফোন আইকন, এবং মেসেজ আইকন। চাইলে আপনি আরো এপ্লিকেশন যোগ করতে পারেন এতে। যাতে কোন মেনু অপশন থাকছে না।

এমন অদ্ভুত লঞ্চারটির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুনঃ

[youtube https://www.youtube.com/watch?v=K-mpe2CCed8&w=560&h=315]

নতুন পোশাকে আসছেন সাকিব ও মুস্তাফিজ

Now Reading
নতুন পোশাকে আসছেন সাকিব ও মুস্তাফিজ

আইপিএলের ১১তম আসর বসতে যাচ্ছে আজ। সাকিব এবং মুস্তাফিজকে দেখা যাবে ভিন্ন পোষাকে। যদিও গত ২০১১সাল থেকে ৭বছর ধরে সাকিব কলকাতার হয়ে খেলেছেন। তবে এবার দেখা যাবে হায়দ্রাবাদের হয়ে খেলতে।০৯ এপ্রিল এবারের আসরের হায়দ্রাবাদের ১ম খেলা। এদিকে মুস্তাফিজের দল ও পাল্টেছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ান মুম্বাইয়ের হয়ে খেলবেন মুস্তাফিজ। এবারের আসরের উদ্বোদনী ম্যাচ শুরু হবে মুস্তাফিজের মুম্বাইকে দিয়ে। এছাড়া মুহাম্মদ আশরাফুল ২০০৯ সালের আইপিএল আসরে ১ম্যাচ খেলেছিলেন মুম্বাইয়ের হয়ে।

 

 

জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেরে স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে এবারের আইপিএল। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রতিবারের মত বলিঊড নায়ক-নায়িকারা। থাকছেন হ্রিত্তিক, প্রভুদেবা, তামান্না ভাটিয়া, জ্যাকনিল ফারনান্দেজ, বরুন। এছাড়া আরো অনেকে। তাছাড়া টিমের মালিক পক্ষ থেকে থাকছেন শাহারুক খান, প্রিতিজিন্তা, এবং ২ বছর নিষেধাজ্ঞা থেকে উঠে আসা রাজস্থান টিমের মালিক পক্ষের শিল্পা সেটি।

নিচে দেখে নিন এবারের আসরের সময় সুচিঃ

 

এপ্রিল ৭ ৮টা ৩০ মুম্বাই – চেন্নাই
এপ্রিল ৯ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ-রাজস্থান
এপ্রিল ১২ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ- মুম্বাই
এপ্রিল ১৪ ৪টা ৩০ মুম্বাই- দিল্লি
এপ্রিল ১৪ ৮টা ৩০ কলকাতা- হায়দরাবাদ
এপ্রিল ১৭ ৮টা ৩০ মুম্বাই- বেঙ্গালুরু
এপ্রিল ১৯ ৮টা ৩০ পাঞ্জাব- হায়দরাবাদ
এপ্রিল ২২ ৪টা হায়দরাবাদ- চেন্নাই
এপ্রিল ২২ ৮টা ৩০ রাজস্থান – মুম্বাই
এপ্রিল ২৪ ৮টা ৩০ মুম্বাই- হায়দরাবাদ
এপ্রিল ২৬ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ- পাঞ্জাব
এপ্রিল ২৮ ৮টা ৩০ চেন্নাই – মুম্বাই
এপ্রিল ২৯ ৪টা ৩০ রাজস্থান – হায়দরাবাদ
মে ১ ৮টা ৩০ বেঙ্গালুরু – মুম্বাই
মে ৪ ৮টা ৩০ পাঞ্জাব- মুম্বাই
মে ৫ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ- দিল্লি
মে ৬ ৪টা ৩০ মুম্বাই- কলকাতা
মে ৭ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ- বেঙ্গালুরু
মে ৯ ৮টা ৩০ কলকাতা- মুম্বাই
মে ১০ ৮টা ৩০ দিল্লি – হায়দরাবাদ
মে ১৩ ৪টা ৩০ চেন্নাই – হায়দরাবাদ
মে ১৩ ৮টা ৩০ মুম্বাই- রাজস্থান
মে ১৬ ৮টা ৩০ মুম্বাই- পাঞ্জাব
মে ১৭ ৮টা ৩০ বেঙ্গালুরু – হায়দরাবাদ
মে ১৯ ৮টা ৩০ হায়দরাবাদ- কলকাতা
মে ২০ ৪টা ৩০ দিল্লি – মুম্বাই

 

 

মে ২২ ৮টা ৩০ কোয়াটার ফাইনাল ১
মে ২৩ ৮টা ৩০ এলিমিনেশন
মে ২৫ ৮টা ৩০ কোয়াটাএ ফাইলনাল ২
মে ২৭ ৮টা ৩০ ফাইনাল

 

চট্টগ্রাম এর নাম পরিবর্তন নিয়ে ষড়যন্ত্র!

Now Reading
চট্টগ্রাম এর নাম পরিবর্তন নিয়ে ষড়যন্ত্র!

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন এক ষড়যন্ত্র। এবার সরাসরি খড়গ বসাতে চাচ্ছে তার দেহে অর্থাৎ ইংরেজি নামটা পুরোপুরি মুছে দেয়ার উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। ইংরেজিতে চিটাগং বলার একটা রেওয়াজ সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই এমন নয়যে স্বাধীন পরবর্তী এর নামকরণ হয়েছিল। কিন্তু বদলে যাওয়ার পথে এখন সে নিয়ম। সিদ্ধান্ত হতে চলেছে এখন থেকে নাকি চট্টগ্রামকে ইংরেজিতেও ‘চট্টগ্রাম’ লিখতে হবে। তবে এ নাম পরিবর্তনের তালিকায় চট্টগ্রামের সাথে আরো আছে বরিশাল, কুমিল্লা, বগুড়া ও যশোর জেলার নাম তাদেরও ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হচ্ছে। মূলত বাংলা নামের সঙ্গে মিল করতেই এ পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এমনটাই জানান। তিনি বলেন পাঁচটি জেলার নামের ইংরেজি বানানের অসংগতি দূর করতে আগামীকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আরো জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

সরকারের সকল উন্নয়ন এর উদ্দ্যেগ প্রশংসনীয়, কিন্তু এমন একটা বিষয়ের উপর তারা হস্তক্ষেপ করছে যেটার সাথে চট্টগ্রামবাসীর রয়েছে হৃদ্যতায় প্রায় ২৬০বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক। চট্টগ্রামের ঐতিহ্য হাজার বছরের যা তিলে তিলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর নামেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য, প্রায় ৪৮টি নামের খোঁজ মেলে চট্টগ্রাম নিয়ে। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম মোঘল সম্রাজের অংশ হয়, পরবর্তীতে আরাকানদের পরাজিত করে মোঘলরা দখল করে নিয়ে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে মীর কাশিম আলী খান ইসলামাবাদকে(চট্টগ্রাম) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করে দেয়। ব্রিটিশ অধিভুক্ত হওয়ার পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামকে ইংরেজিতে চিটাগং হিসেবেই নামকরণ করে। সেই হতে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম ইংরেজিতে চিটাগং হিসেবেই লেখা হয়ে আসছে এবং বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়ে আসছে। সারা বিশ্বের কাছে চিটাগং পোর্ট এর আলাদা একটা কদর আছে সেই ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকেই। কেবল প্রসিদ্ধ এই নামের বদৌলতে চিটাগং তথা বাংলাদেশকে চিনে নেয় বিশ্ব। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা না করেই ইংরেজি চিটাগং নামের পরিবর্তনে তোড়জোড় শুরু করেছে চট্টগ্রাম বিদ্বেষী সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা।

চট্টগ্রামের ইংরেজি বানান Chittagong এর পরিবর্তে বানান Chattagram করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রস্তাব দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলার নামের বানান বাংলা উচ্চারণের সঙ্গে ইংরেজিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধি বা নীতিমালা নেই। কেবল নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা কিংবা প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে নিকার সভার আহ্বান করা হয়। যে নিকার সভার মাধম্যে নামের এই পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে সেই কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন প্রধামন্ত্রী। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বিষয়ে স্বদিচ্ছা আছে কিনা?

এদিকে জেলার নামের বাংলা উচ্চারণের সাথে ইংরেজিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে হতেই হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধি বা নীতিমালা না থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রীপরিষদ কেন এত উৎসাহী হয়ে উদ্যেগটি নিচ্ছেন তা বোধগম্য নয়। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে বেশ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামের স্থানীয় জনগণের মাঝে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব কম বেশি সকলে। প্রায় প্রত্যেকেই বিষয়টি নিয়ে বেশ মর্মাহত। সকলেরই অভিন্ন দাবী ইংরেজিতে চিটাগং থাকলে কোন সমস্যা নেই বরং পরিবর্তনে সমস্যা বাড়বে। এখানকার মানুষ ইংরেজিতে চিটাগং বলতেই বেশ গর্বেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। স্থানীয় বিজ্ঞাপনসহ অনেক ক্ষেত্রেই চিটাগং ব্যাবহার করা হয়, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানের নামের সাথেও তা যুক্ত। সবাই আশংকা করছেন যে নাম পরিবর্তনের এই উদ্দ্যেগে না জানি চিটাগং এর ঐতিহ্যও বিলীন হয়ে যায়! শুধু নাম পরিবর্তন হলেই যে দায় মুক্তি ঘটবে তা কিন্তু নয়, এর সাথে অন্যান্য সামগ্রিক বিষয়ে একটি পারিপার্শ্বিক চাপ সৃষ্টি হবে। প্রায় প্রত্যেকেই দ্বিধাহীনতায় ভুগবে ইংরেজি নামের ক্ষেত্রে। এই নাম পরিবর্তন শুধু যে সরকারি দলিলাদিতেই হবে তা কিন্তু নয় পর্যায়ক্রমে প্রাইভেট সেক্টরে এর প্রভাব বিস্তার ঘটবে। বেশিরভাগ মানুষের মত আমারও মত অন্তত নাম পরিবর্তনের পূর্বে একটা জরিপ চালানোর বিশেষ প্রয়োজন ছিল। কারো ইচ্ছা অনিচ্ছায়তো এত বছরের নামের গৌরব ঐতিহ্যকে মুছে দিয়ে এর অস্তিত্ব অস্বীকার করা যাবেনা। প্রসঙ্গতই অনেকের ধারণা- মন্ত্রীপরিষদে চট্টগ্রাম বিদ্বেষীদের প্রভাব বেশি, হয়ত চট্টগ্রামকে বেকায়দায় ফেলতে তাদের এই হীন চক্রান্ত! নাম পরিবর্তন করে চট্টগ্রামকে পিছিয়ে দিতে তাদের তৎপরতা। অন্যথা কোন প্রকার সভা সেমিনারে আলাপ আলোচনা না করে, জনমত উপেক্ষা করে একটা অঞ্চলের দীর্ঘ ঐতিহ্যগত নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়ার অর্থই হচ্ছে সেই অঞ্চলের জনগণকে চরম অপমান করার শামিল। তাই সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ দয়া করে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন, চট্টগ্রামের মানুষ ইংরেজিতে চিটাগং বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে আসছে যুগ যুগ ধরেই। প্রয়োজনে জনমত জরিপ চালান তবুও তড়িৎ সিদ্ধান্তে এমন কিছু করবেননা যেটা সত্যিকার অর্থেই জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়! 

আবারো জঙ্গি থাবায় বাংলাদেশ!

Now Reading
আবারো জঙ্গি থাবায় বাংলাদেশ!

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলাকালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জনপ্রিয় অধ্যাপক ও প্রখ্যাত লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল হামলার শিকার হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এলাকায় মুক্তমঞ্চে গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের  বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে এর উদ্বোধন করেছিলেন ড. জাফর ইকবাল। গত শনিবার ৩মার্চ সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি রোবট প্রতিযোগিতা উপভোগ করছিলেন এমন সময় বিকাল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে অধ্যাপক জাফর ইকবালকে পেছন দিক হতে ছুরিকাঘাত করে ফয়জুর রহমান ওরফে ফয়জুল (২৪) নামের এক যুবক। ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীরা হামলাকারীকে আটক করে বেধড়ক গণপিটুনি দেয়, অজ্ঞান অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ আটকে রেখে পরে তারা পুলিশে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে আটক হামলাকারী সেই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ ও অধিকতর তদন্তের জন্য র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

হামলাকারী ফয়জুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ার বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষক আতিকুর রহমান এর ছেলে, তার মূল বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই। ঘটনার পরপরই শেখপাড়ার বাসাটি তালাবদ্ধ করে ফয়জুলের পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার দিন রাতেই হামলাকারী ফয়জুর রহমানের তালাবদ্ধ বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ভেতর থেকে ল্যাপটপসহ একজনকে আটক করে।

বরাবরই জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ অধ্যাপক জাফর ইকবাল বেশ কিছুদিন ধরেই জঙ্গি হামলার হুমকি পেয়ে আসছিলেন। গত দুই বছর পূর্বে ২০১৬ সালের জুনে দেশের শীর্ষ এক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর সম্ভাব্য হামলা সংক্রান্ত নিরাপত্তাবিষয়ক একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। নিরাপত্তাবিষয়ক সেই বিশেষ প্রতিবেদনের তালিকায় জাফর ইকবালের নাম ছিল দ্বিতীয় নাম্বারে। তখন তাঁকে চলাচলে সতর্কতা পালন করতে সরকারের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

২০১৬ সালের অক্টোবরে জঙ্গি সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের পরিচয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হত্যার হুমকির পর জালালাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জাফর ইকবাল দম্পতি, এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারা দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু ঘটনার কিছু সময় পূর্বে তোলা এক ছবিতে দেখা যায়, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা তিন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দুজনই তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত আর ঠিক তাদের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ওই হামলাকারী যুবককে। প্রশ্ন উঠেছে সেই পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ববোধ নিয়ে, নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের উদাসীনতা যথেষ্ট দৃশ্যমান।

গতকাল বিকেলে হামলার পর রক্তাক্ত অবস্থায় জাফর ইকবালকে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে প্রথমে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করানোর পরে ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এন কে সিনহাকে প্রধান করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তাঁদের তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে রাত নয়টার দিকে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য ড. ইকবালকে রাতেই এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার সিএমএইচে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছুরিকাঘাতে আহত লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল এখন পূর্বের চেয়ে শঙ্কামুক্ত। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

Page Sidebar