5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

জেনে নিন প্লাস্টিক বোতলের রহস্যময় চিহ্ন

Now Reading
জেনে নিন প্লাস্টিক বোতলের রহস্যময় চিহ্ন

বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ?

ঘরে বাইরে এখন প্লাস্টিকের পেট বোতলের ছড়াছড়ি। খাবার রাখা থেকে পানি রাখা— সবেতেই এই প্লাস্টিক বোতল । কিন্তু, কখনও আমরা কেউ খেয়াল করি না প্লাস্টিকের বোতলের গায়ে থাকা চিহ্নগুলিকে।

পড়ে গেলে চট করে ফেটে যায় না। বোতল পরিষ্কার করাও সোজা। ব্যবহারের এমন সোজা-সাপটা সুবিধায় প্লাস্টিকের বোতলের চল বাড়তে বাড়তে এখন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু, আমারা না বুঝেই দিনের পর দিন এই সব প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করে থাকি। অনেকে তো বাচ্চার দুধ ভর্তি প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলটাই গরম করে বসেন। প্লাস্টিক বোতলের এমন যথেচ্ছ ব্যবহার আদপেও কি স্বাস্থ্যকর? এ বিষয়ে বাছ-বিচার আমরা করি না। তাই প্লাস্টিক বোতলের তলায় থাকা ত্রিকোণ চিহ্নের মানেটা বুঝে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে নিমেষে।

প্লাস্টিকের বোতলের নিচের চিহ্ন

১. ত্রিকোণ চিহ্ন— এটা আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স। এই চিহ্নটা থাকলে বোঝা যায় বোতলটি বিধিসম্মতভাবে তৈরি। কিন্তু, বোতলটা ব্যবহারের কতটা নির্ভরযোগ্য বা কী ধরনের জিনিস তাতে রাখা যাবে, তা ত্রিকোণ চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়।

২. ত্রিকোণের মাঝে ১ সংখ্যা থাকলে— এর মানে বোতলটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে এবং বোতলটিতে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের বোতল বহুব্যবহারে স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক।

৩. ত্রিকোণের মধ্যে ২ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।

৪. ত্রিকোণের মধ্যে ৩ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এই বোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’ থেকে। এতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ‘পিনাট বাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।

৫. ত্রিকোণের মধ্যে ৪ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক বহু ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্ন প্রচুর দেখা যায়। খুব দামি বোতলে এই চিহ্ন থাকে।

৬. ত্রিকোণের মধ্যে ৫ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক একদম নিরাপদ এবং ব্যবহারের যোগ্য। আইক্রিম কাপ বা সিরাপের বোতল অথবা খাবারের কন্টেনারে এই ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।

৭. ত্রিকোণের মধ্যে ৬ অথবা ৭ সংখ্যা থাকলে— প্লাস্টিকের রেড কার্ড বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মারাত্মক রকমের ক্ষতিকারক। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ। এটা মানুষের মধ্যে হরমোন সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এই ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।

চোখ নষ্ট হবার জন্য কে দায়ী ?

Now Reading
চোখ নষ্ট হবার জন্য কে দায়ী ?

চোখ নষ্ট হবার জন্য কে দায়ী ?

চোখ নষ্ট হবার জন্য ব্লু লাইট  দায়ী ।bluelight-more-harmful than-UV.jpg

ব্লু লাইট কি?

ব্লু লাইট একটি ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য রঙ যা 380 থেকে 500 ননোমিটারের মধ্যে। বেশিরভাগ গবেষণায় দেখা গেছে যে 400 থেকে 450 ন্যানোমিটার মধ্যে নীল আলো স্থায়ী চোখ ক্ষতি, ঘুমের সমস্যা, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। প্রায় সব স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট যেমন ডিজিটাল প্রদর্শন ক্ষতিকর নীল আলো নির্গত ।

বেশিরভাগ ডাক্তার সম্মত হন যে ক্ষতিকারক নীল লাইটের হ্রাস চোখে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ।

ডিজিটাল  ডিভাইস এবং সিএফএলগুলি থেকে আসা নীল আলোটি রেটিনার জন্য খুব  ক্ষতিকর ।আমরা যে সমস্ত প্রদর্শন আজ ব্যবহার করি সেগুলির বেশিরভাগই 415 এবং 455 ন্যানোমিটারের মধ্যে নীল আলো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে।

আমরা অনেকে অনলাইন এ অর্থ উপার্জন করি তো অনেক সময়  রাত জেগে কাজ করতে  হয় অনেক সময়  চোখ ও মাথায় ব্যাথা সহ অনেক সমস্যা দেখা দেয় । এটা ব্লু লাইট এর কারণ এ হয়ে থাকে। ইয়াং  জেনারেশনদের জন্য এই নীল আলো অনেক খারাপ প্রভাব ফেলে,এখন দেখা যায় যে প্রায় তারা রাতে অনেক সময় ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ব্যাস্ত থাকে এতে তাদের চোখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয় ।অনেক সময় আমরা রাত জেগে ডিজিটাল ডিভাইস এ কাজ করি এইটা  আমাদের ক্ষতি করছে।

শিশুরা সবসময় স্মার্ট ফোনে গেম খেলছে,এটা তাদের জন্য   ক্ষতিকর । কারণ ব্লু লাইট তাদের চোখ এ প্রবেশ করছে এতে খুব অল্প বয়সে তাদের চোখ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।অন্যদিকে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা ও রয়েছে।মেলাটোনিন হরমোন আমাদের ক্যানসার থেকে প্রতিরোধ করে আমরা যখন ব্লু লাইট এ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাই   তখন মেলাটোনিন হরমোন কমে যায় যার ফলে আমাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্বাবনা থাকে ।

তবে সব নীল আলো খারাপ নয়। আলোর গবেষণা কেন্দ্রের একটি গবেষণায়, 465 থেকে 495 ন্যানোমিটারের মধ্যে নীল আলো আসলে ভাল ঘুম উন্নীত করতে পারে এবং সার্কাডিয়ান রিয়েম নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

স্টাডি দেখায় যে ২0২0 সালের মধ্যে LED ব্যবহার 90% হবে। আমরা এই সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আমাদের সকলকে ব্লু লাইট থেকে সচেতন হতে হবে কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহার এর সময় ব্লু লাইট থেকে বাঁচতে নীল আলো সুরক্ষা সফ্টওয়্যার  ব্যবহার করা উচিত । এতে আমাদের চোখ ভালো থাকবে ।আমরা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ব্লু লাইট সুরক্ষা সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারি।অথবা ব্লু লাইট চশমা ব্যবহার করতে পারি । ব্লু লাইট থেকে নিজে সচেতন হোন ও অন্যকে সচেতন করুন ।

 

Page Sidebar