ডিজিটাল দেশের নতুন যানবাহন নৌকা!

Now Reading
ডিজিটাল দেশের নতুন যানবাহন নৌকা!

শিরোনাম পড়ে হয়তো ভুরু কুচকে থমকে যাবেন। দামি দামি গাড়ি, মোটরবাইক না কিনে, এখন নৌকা কিনার চিন্তা ভাবনা করেন। ভাবনা আসতেই পারে তাহলে কিভাবে চলবো আমরা তো বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকায় বসবাস করি। যদি আপনে ঢাকায় বসবাস করে থাকেন, তাহলে আর দেরি করবেন না, কারন দেরি করলেই স্টোক ফুরিয়ে যাবে। তখন আবার নৌকা পাবেন কই?
দুঃখিত নাটকীয় তার জন্য,
কিন্তু আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিগত কয়দিনের ভারীবর্ষণ এর কারনে যন্ত্রণাময় নগরে রুপ নিয়েছে রাজধানী ঢাকা। ভারী বৃষ্টি রাজধানীকে বানিয়ে দিয়েছে জলাবদ্ধতার নগরী। এই জলাবদ্ধতা এর কারনে রাজধানী ঢাকার নগর জীবন হয়ে উঠেছে অসহনীয়। মহা সড়ক থেকে শুরু করে ওলি-গলি হয়ে আছে জলাবদ্ধ পানিতে পরিপূর্ণ।
আর এই জলাবদ্ধতা থমকে দিচ্ছে কর্মব্যস্ততার নগরীর কর্মজীবনকে।
অপরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন জন্য ভূগর্ভস্থ সেফটি ট্যাংক এর কালো ময়লা রেখে দেওয়া হচ্ছে রাস্তাঘাট এ, যার কারণে এই কালো ময়লা সাথে মিশে যাচ্ছে জলাবদ্ধ পানি এবং এই দূষিত পানির দিয়ে ই যাতায়াত করতে হচ্ছে নগরবাসীর। এই কালো পানি একদিকে দূষিত করছে পানি, বায়ু এবং অন্যদিকে দূষিত করে দিচ্ছে নগর জীবন কে।
যানজট এর সাথে এই নগরবাসী বেশ অপরিচিত ও নয় বটে, কিন্তু এই জলাবদ্ধতা এখন এই যানজট কে করেছে দ্বিগুণ। অবশ্যই যান চলাচলের ও এখন বেহাল দশা। কারন পানি যেনো উপচে পড়ছে যানবাহনের উপরে।
এই বেহাল পরিস্থিতি পার করেই যখন বের হচ্ছে কর্মজীবী মানুষ, তখনি পড়তে হচ্ছে আরো খারাপ অবস্থায়। কারন, জলাবদ্ধতার কারনে এখন রিকশাচালক ২০ টাকার ভাড়া চাচ্ছে ৫০ টাকা। বেহাল অবস্থায় করার ও কিছু নাই, এই গলাকাটা দাম দিয়েই পার হতে হচ্ছে জলাবদ্ধ ৫-৬ মিনিটের রাস্তা। কিন্তু, তাও যদি ভালো করে যাওয়া যেতো, রিকশা সিট পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে সেই ময়লা কালো পানি। কখনো কখনো এই ময়লা কালো পানি দিয়েই অফিসে যাচ্ছে অনেকেই, কারণ, রিকশা ও পাওয়া যাচ্ছে না।

বাসায় সাধের বিএমডাব্লিউ গাড়ি থাকলেও লাভ হচ্ছে না, রাস্তার জলাবদ্ধ কালো পানি সাথে তাল মিলাচ্ছে ম্যান হোল এর খোলা ঢাকনা।
গাড়ি নিয়ে বের ঠিক ই হতে পারেন কিন্তু সেই ভালো গাড়ি আর আপনার সুস্থ শরীর নিয়ে বাসায় ঠিক আসতে পারবেন কিনা? সেই দায় ভার আপনার।
এই দিকে হতে পারে আপনি অনেক দিন ধরেই একটি চাকরির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন, আজ আপনার একটা ইন্টার্ভিউ আছে, একটু ফিট হয়েই বের হতে হবে। কিন্তু, অপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা আর জলাবদ্ধ কালো পানি আপনাকে হাতছানি দিয়ে বলছে না থাক! ফিট হওয়ার দরকার কি?

আপনার ই বাসার একজন খুব অসুস্থ তাকে এখনি হাসপাতালে নিতে হবে? কিন্তু, কি? অপরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা আর জলাবদ্ধ কালো পানির অন্তরালে ম্যান হোলের খোলা ঢাকনা তা থমকে দিচ্ছে? এম্বুলেন্স আসতে পারছে না।
রিকশা দিয়ে যাবেন কিন্তু জলাবদ্ধ পানির কারণে ও জানেন না কোথায় রয়েছে ম্যান হোল খোলা , পরে দেখা যাবে ‘হিতে বিপরীত’।

সামনেই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা তো আপনি ভর্তি কোচিং করছেন। কিন্তু কি? আজ ইকবাল স্যারের গুরুত্বপূর্ণ লেকচার ক্লাস। না, গেলে অনেক বড় ক্ষতি হবে। কি করবেন? বাহিরের জলাবদ্ধ কালো পানি আর সুন্দর নগর ব্যবস্থা আপনার জীবন অগ্রগতি কে থমকে দিতে চায়!

আপনার আজকে মিটিং একটি প্রেজেন্টেশন দেখাতে হবে? ল্যাপটপ এর কাজ শেষ, এখন সকালে শুধু যাবেন, দেখাবেন, প্রোজেক্ট ফাইনাল! সকালে ওঠে দেখেন বাহিরের হাটু থেকে কোমর পর্যন্ত জলাবদ্ধ কালো পানি। কি করবেন বের হলেন, কষ্ট করেই হোক একটা রিকশা ও নিলেন, হাতে ল্যাপটপের ব্যাগ।মনে ভয় ও আছে কোথায় না জানি ম্যান হোল,এর ঢাকনা টা খোলা, বাংলায় একটা কথা আছে, “যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে সন্ধে হয়” যাচ্ছিলেন হঠ্যাৎ করে ম্যান হোল এ রিকশা পড়ে গেলো সাথে সাথে আপনি আর আপনার প্রেজেন্টেশন ফাইল সেভ করা ল্যাপটপ। ম্যান হোলের খোলা ঢাকনা থমকে দিলো আপনার ভবিষ্যৎ!

এই সকল সমস্যা আর নতুন কি? প্রতি বছর ই এই রকম হাজার হাজার খবর হয়, এই সমস্যা ঘিরে, তারপর দেখি কিছুদিন কি যেন রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি করে। তখন রাস্তার যানজট আরো বাড়ে সাথে সাথে ভোগান্তি তো আছেই। পরে কাজ শেষ হওয়ার কয়দিন পর দেখি, যেই ছিলো সেই রকম ই।

বিগত কয়দিনের বৃষ্টিতে রাজধানী এর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থান মতিঝিলের কাছেই মুগদায়, কারওয়ান বাজার, মগবাজার, মেরুল বাড্ডা এবং আবাসিক এলাকা বসুন্ধরায় প্রচুর পানির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। এবং এই সকল গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ার কারণে হচ্ছে দীর্ঘ যানজট । এই যানজট এর রেশ পড়ছে পুরো নগরীতে।

এই অবস্থায় রাজধানীবাসী এখন অধীর আগ্রহে খুজচ্ছেন সমাধান! হ্যাঁ সমাধান তা অবশ্যই আছে। তা হলো ডিজিটাল দেশের যানবাহন নৌকা। অদ্ভুত হলেও এটাই সমাধান।
যদি নৌকা হয় আপনার যানবাহন তাহলে আর আপনাকে জলাবদ্ধ কালো পানির ভয়ে, ম্যান হোলের খোলা ঢাকনার ভয়ে, কোচিং এর গুরুত্বপূর্ণ লেকচার, মিটিং এর প্রেজেন্টেশন, মুমূর্ষু রোগীর হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ হবে না ।

ডিজিটাল বাহন হিসেবে যদি নৌকা হয় আপনার যানবাহন তাহলে, এই রকম দূর অবস্থায় আপনাকে অসহায় হয়ে চেয়ে থাকতে হবে না, সড়ক উন্নয়নের জন্য, আপনাকে চেয়ে থাকতে হবে না সিটি কর্পোরেশনের লোক, ম্যান হোলের ঢাকনা কবে ঠিক করে লাগানো হবে, সেই দিনের আশায়।

তাই তো বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকার ডিজিটাল বাহন একমাএ নৌকা।
লিখতে চাই নি,কিন্তু, পরিস্থিতি দেখে আর পারলাম না।।

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভুল ছবি !

Now Reading
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভুল ছবি !

বিজ্ঞান নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই । বিজ্ঞান বুঝে মানুষ যেমন অনেক চমৎকার সত্য আবিষ্কার করেছে আবার একে বেশি ভক্তি করতে গিয়ে ঝামেলাও কম সৃষ্টি করেনি ! বাচ্চারা যেমন সুপারম্যানকে ভালবেসে তাকে নিয়ে বিভিন্ন কল্পনা আর গালগল্প ফাদতে পারে ঠিক একইভাবে একদল বড় মানুষ আছেন যারা বিজ্ঞানকে ভালবেসে তাকে নিয়েও অনেক গালগল্প বানাতে পছন্দ করেন যদিও, বাস্তবে তার আসলে কোনো অস্তিত্বই নেই ! আর, এরকম একটি জনপ্রিয় গালগল্প হল বিবর্তনবাদের বানর থেকে মানুষ আসার সেই বিখ্যাত ছবিটি ।

আজকের পর্বে তাই এই ছবি নিয়ে আলোচনা করব । একইসাথে এইটা কেন গালগল্প কিংবা সমস্যা কোথায় তা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হবে ।

 

ছবির ইতিহাস

এই ছবিটির আসল নাম হল “March of Progress” । আর, এই ছবিটি প্রথম পাবলিশড হয় 1965 সালে “Early Man” নামের একটি বইয়ে; যার লেখক ছিলেন F.Clark Howell (1925 – 2007) নামের একজন লেখক । আর যিনি এই ছবিটার আঁকিয়ে তিনি হলেন Rudolph Zallinger (1919 – 1995) । বইতে ছবিটির টাইটেল ছিল “The Road to Homo sapiens” যা মুলত, ১৫ জন মানুষের সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো একটি ছবি আর তার সংক্ষিপ্ত রুপের নাম হল এই March of Progress যা আবার কেবলমাত্র ৬ জন মানুষের সারি নিয়ে তৈরি । যদিও বইয়ে লেখক মোটেও বিবর্তনকে এরকম সরাসরি আনুক্রমিকভাবে চিন্তা করতে মানা করে দিয়েছেন কিন্তু, তাও কিছু মানুষ অতি ভালবেসে ঠিক সেই কাজটাই কেন জানি করলেন ! বলাই বাহুল্য এতে বইয়ের বিক্রি বাট্টার কোন ক্ষতিতো হয়ইনি বরং তুমুল জনপ্রিয়তার মধ্য দিয়ে তা বিপুল পরিমান বিক্রি হয় ।

 

The_March_of_Progress.jpg

 

যাইহোক, উপরে যেই ছবিটা আমরা দেখতে পাচ্ছি (March of Progress) সেখানে লাইনের ডান দিক থেকে একেবারে প্রথমজন হল “Homo Sapiens” অর্থাৎ, আমরা মানুষ । এর পাশেরজন হল “Cro Magnon” এরপরে রয়েছে আমাদের সবচেয়ে পরিচিত “Neanderthal” তারপরে বানর টাইপ জন্তুগুলো হল যথাক্রম “Ramapithecus” , “Oreopithecus” এবং সর্বশেষ বামেরটা হল “Dryopithecus”

ছবিগুলো দেখে মনে হতে পারে পুরো বিবর্তন বুঝি এই ৬ জন সৈনিক এর উপরই নির্ভরশীল ! কিন্তু, বাস্তবতা হল বিবর্তনবাদ মোটেও এরকম লিনিয়ার কোনো বিষয় নয় ।

 

এখন প্রশ্ন হল ছবিটার মধ্যে সমস্যা কোথায় ?

প্রথমেই, যেই কথা বলতে হয় তা হলো “এখানে মেয়ে কোথায় ? মেয়েদের কি বিবর্তন হয়না ?”

দ্বিতীয়ত, হোমো স্যাপিয়েন্স বিষয়টা ঠিক আছে কিন্তু, ক্রোম্যাগনোন বলে আসলে আলাদা কিছু নেই । এইটা মুলত, প্রথম দিকের হোমো স্যাপিয়েন্সকে বোঝাতেই ব্যবহৃত হত |

এরপরে, হলো “Neanderthal” ; কিন্তু, মজার বিষয় হলো আমরা একটা সময় নিয়ান্ডার্থালের সাথেই বসবাস করেছি কাজেই, তার থেকে আধুনিক মানুষ আসা দাবি করা খুবই হাস্যকর একটা ধারনা !

এছাড়া, এখানে এমন প্রাণী আছে যার সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগই নেই । যেমন- Oreopithecus | বরং নতুন গবেষণায় দেখা গেছে ছবিতে যে দুই পায়ে ভর দিয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাও অসম্ভব কারণ, এইটা “Bipedal”  ই না !

 

মোট কথা, এই ছবির ভুল ধরে শেষ করা যাবেনা | সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটা ছবি হলেও এইটা ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় “meme” গুলোর মধ্যে একটি | মানুষের বিবর্তন তো এরকম নয়ই বরং এইটা অনেক বেশি কমপ্লেক্স | কোনো সরল পথ অনুসরণ করে একে বিশ্লেষণ করা যাবেনা বরং, এইটাকে অনেকটা গাছের সাথে তুলনা করা যেতে পারে যার একটা রুট এবং অনেক শাখা–প্রশাখা থাকবে এবং প্রতিটা শাখা-প্রশাখাই একেকটা স্পেসিস ডিফাইন করবে | আর রুট হলো যার থেকে এগুলোর উৎপত্তি !

যদিও উপরের এই মার্চ অফ প্রগ্রেস মানুষ যেমন সিরিয়াসভাবে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেছে (!) ঠিক তেমনই কিছু মানুষ এর প্যারডি/মডিফাইড ভার্সন ও তৈরী করেছে | নিচে এরকম কিছু প্যারডি ভার্সনের ছবিই দেয়া হলো |

 

Screenshot_7.jpg

 

উপরের যেই ছবিটি দেখা যাচ্ছে তার নাম হলো “The Evolution of gamers” যা মূলত টি-শার্ট এর জন্য তৈরী হয়েছিল | আর এর আর্টিস্ট ছিলেন “Mike Jacobsen” | ছবিটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে তার ধারনায় কম্পিউটার গেমার এর উত্পত্তি কিভাবে তিনি তা বর্ণনা করার চেষ্টা করেছেন !

 

550_boivinPig.jpg

 

এরপরের, ছবিটির আকিয়ে হলেন “Patrick Boivin” যা তিনি ২০০৫ এ একেছিলেন | দেখে বোঝায় যাচ্ছে এখানে মানুষের সাথে শুকরের একটা সংযোজন করা হয়েছে | তার উদ্দেশ্য হয়ত নেহাত মজা করাই ছিল কিন্তু, বাস্তবে, শুকুরের সাথে মানুষের যোগসূত্র থাকতে পারে এমনই এক দাবি একজন গবেষক করেছিলেন তার নাম হলো “Eugene McCarthy” তার দাবি অনুসারে শিম্পাঞ্জি আর শুকুরের মিলনেই একটা সময় মানুষের উত্পত্তি হয় ! যদিও, বিষয়টা তার হাইপথিসিস ছিল | 3

 

550_homersapien-1024x768.jpg

 

যারা “The Simpson” কার্টুনের সাথে পরিচিত তারা জানে এইটা কতটা জনপ্রিয় | এই কার্টুন নাকি অনেক ঘটনা একটা সময় প্রেডিক্ট করেছিল | যেমন- আমেরিকার 9/11 এর ঘটনা; তারপর ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হবার ঘটনা এসবই নাকি এই কার্টুন একটা সময় ধারণা করেছিল ! আর এই কার্টুনের জনপ্রিয় ক্যারেক্টার হলো হোমার সিম্পসন | সে কিভাবে তার এই আকৃতি পেল তা নিয়েও মানুষ কল্পনা করেছে যা কিনা উপরের ছবিটা দেখলেই হয়ত বোঝা যাবে !

শুধু যে বাইরের দেশের মানুষই এইটা নিয়ে বিভিন্ন প্যারডি করেছে তা কিন্তু না বাংলাদেশের মানুষও কিন্তু কম যায়না | তবে, এতশত যেসব ছবি যা তৈরী করা হয়েছে তা নিতান্তই বিনোদনের জন্য কিন্তু, তাও আজকের দিনে এই ছবির মূল ধারনাটা যে সঠিক নয় তা অনেক মানুষই জানেনা | “Flat earth theory” কিংবা বৈজ্ঞানিক অন্যান্য “meme” গুলোর মতই এইটা মানুষ ভালোবেসে বিশ্বাস করতে খুব পছন্দ করে !

 

যাইহোক, আজকে এই পর্যন্তই | আশা করি সবার ভালো লেগেছে | সবাইকে ধন্যবাদ |

 

 


 

References:

  1. https://en.wikipedia.org/wiki/March_of_Progress
  2. https://curiosity.com/topics/monkey-to-man-isnt-what-evolution-looks-like-curiosity/
  3. http://www.dailymail.co.uk/sciencetech/article-2515969/Humans-evolved-female-chimpanzee-mated-pig-Extraordinary-claim-American-geneticist.html
  4. http://mentalfloss.com/article/27542/10-variations-our-march-progress