মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

Now Reading
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

মোবাইল, কম্পিউটার এবং ল্যাপটপকে ভাল রাখতে হলে যত্ন নিতে হবে। যেমন মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ইনষ্টল করা যাবে না, নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। মাঝেমাঝে অস্থায়ী (টেমপরারি) ফাইল মুছে ফেলতে হবে। মোবাইলে কোন এপ্লিকেশন চালু করলে অনেকে বন্ধ করেন না যার ফলে এপ্লিকেশনটি স্কিনে দেখা না গেলে ও ভিতরে ভিতরে চলতেই থাকে এবং চার্জ শেষ হয়ে যায়। অনেকটা একই রকম ঘটনা ঘটে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ক্ষেত্রে। তাই নিয়মিত চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ফাইল বা ফোল্ডার বা অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলতে হবে।

দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলা যাবে না তাতে করে ব্যাটারীর উপর একটু বেশীই চাপ পড়ে। তাই বলে আপনি গেম খেলতে পারবেন না তা না খেলতে পারবেন কিন্তু মোবাইল বেশী গরম হয়ে গেলে কিছুক্ষণ মোবাইলকে বিশ্রাম দিন।

ল্যাপটপ যেভাবে চার্জে চলে কম্পিউটার সেই রকম না। ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে কাজ করা উচিৎ না বরং ল্যাপটপটিকে সম্পূর্ণভাবে চার্জ দিয়ে নিন  এবং এরপর চার্জ দেওয়া ছাড়াই চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে থাকুন । অনেকে ল্যাপটপের জন্য কুলিং প্যাড ব্যাবহার করেন। ল্যাপটপ অবশ্যই সমান জায়গায়  রেখে কাজ করতে হবে। ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ না করাই ভাল কারন ল্যাপটপটি কাজ চলাকালীন সময়ে গরম হয়ে যায় এবং সেক্ষেত্রে আপনার পায়ের নীচের অংশ গরম হয়ে যেতে পারে বা পেটের সাথে লাগানো থাকলে পেটের নানা জায়গায় সমস্যা হতে পারে। সেই জন্য ল্যাপটপ রাখার জন্য শক্ত কিছু ব্যাবহার করুন।

কম্পিউটার সরাসরি চার্জে চলে না বরং কারেন্টে চলে এবং কারেন্ট চলে গেলে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় যদি আপনার কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ না থাকে। ইউপিএস থাকলে কম্পিউটারটি ল্যাপটপের মত কিছুক্ষণ ব্যাকআপ দেয়। তবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর উপর কিছুটা চাপ পড়ে তাই কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ থাকা ভাল। যেখানে ঘনঘন কারেন্ট যায় সেখানে অবশ্যই ইউপিএস থাকা দরকার এছাড়াও ইউপিএসকে ভালভাবে নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। ইউপিএস কিনলে ভালমানের কেনাই শ্রেয়।

প্রায় সময়ই দেখা যায় কম্পিউটার স্লো এবং স্টার্ট নিতে অনেক সময় লাগে অনেক সময় কম্পিউটার ভাইরাসের কারনেও কম্পিউটার স্লো হয় এবং এর জন্য কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে ভালমানে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করা দরকার। অবশ্য উইন্ডোজ ১০ এর সাথে বিল্টইন উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দেওয়াই থাকে যার ফলে নতুন করে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

 

যারা ইন্টারনেট সংযোগ চান তাদের জন্য ব্রডবেন্ড সংযোগই ভাল কারন ব্রডবেন্ড ইন্টারনেট এ যে স্পিড পাবেন অন্য ক্ষেত্রে সেই স্পিড পাবেন না। আর আপনার বাসায় যদি ল্যাপটপ এবং একধিক মোবাইল থাকে আর আপনি যদি চান সবগুলোতেই সমান স্পিডে ইন্টারনেট পেতে হবে সেক্ষেত্রে আপনাকে একটি রাউটার কিনতে হবে। যার দাম পড়তে পারে ৩০০০ টাকার মত। যারা আপনাকে ব্রডবেন্ড সংযোগ দিবে তাদের বললে তারাই আপনার বাসায় এসে কনফিগার করে দিবে। সেক্ষেত্রে আপনি সবকিছুতে ইন্টারনেট ওয়াইফাই পাবেন। এমনকি আপনি যেই বিল্ডিং এ থাকেন সেই বিল্ডিংয়ের সবাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে যদি আপনি তাদেরকে পাসওয়ার্ড বলে দেন তাই সবাইকে আপনার পাসওয়ার্ড দিবেন না। যদি আপনার বাসায় এসে নিকট আত্বীয় আপনার ইন্টারনেট ওয়াইফাই ব্যাবহার করতে চায় তাহলে দিবেন তাতে কোন সমস্যা নাই। পাসওয়ার্ড সবার সাথে শেয়ার করা উচিৎ না।

 

আপনার  ল্যাপটপ বা কম্পিউটার গতিশীল রাখতে কিছু কমান্ড ব্যাবহার করা যায়। এর জন্য আপনাকে ষ্টার্ট মেনু থেকে রানে যেতে হবে (windows বাটন চেপে R অথবা ষ্টার্টমেনুতে রাইট ক্লিক করেও রান মেনু দেখা যায় )এবং টাইপ করুন tree তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন একই রকমভাবে টাইপ করুন prefetch তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন %temp%, তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন, temp/recent  তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট (ctrl+A)করে মুছে (delete) দিন।

 

হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি ড্রাইভ আলাদাভাবে সিলেক্ট করে প্রোপারটিজ এ জান এবং তার পর ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন এভাবে সি, ডি, ই যত ড্রাইভ আসে সবগুলোই আলাদা আলাদাভাবে ডিস্ক ক্লিনআপ করুন। মাঝে মাঝে ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন। সেই জন্য আপনি সার্চ দিয়ে ডিফ্রেগ লিখে ইন্টার দিলে ডিফ্রেগমেন্টেশন এন্ড অপটিমাইজেশন মেনু চলে আসবে তখন আপনি সহজেই ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন।

এছাড়া আপনি যদি কন্টোল প্যানেলে যান এবং অজানা বা অপ্রয়োজনীয় ফাইল আন ইনষ্টল করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার কিছুটা ফাষ্ট হতে পারে। একই রকমভাবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও আপনি কিছু অপ্রয়োজনীয় ফাইল কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আনইনষ্টল করতে পারেন।

আপনাকে আরো কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে যেমন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ইমেইল চেক করার সময় কোন সময়ই অজানা ইমেইলে ক্লিক করবেন না কারন সেটাও ইমেইল ভাইরাস হতে পারে। আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে কখনও ভিজা স্যাঁতস্যাতে জায়গায় রেখে কাজ করবেন না।

ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে আপনি একটি পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করতে পারেন। তাতে করে আপনার ল্যাপটপটি সুরক্ষিত থাকবে এবং অজানা কেউ আপনার কম্পিউটারে সহজে ঢুকতে পারবে না। এছাড়াও কম্পিউটারে যখন পেন ড্রাইভ ঢুকাবেন তখন সাবধান থাকবেন কারন আপনার পেন ড্রাইভে ভাইরাস থাকতে পারে এবং অবশ্যই ভাইরাস ক্লিন করে কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ ঢুকানো উচিৎ।mobilesecurity2.jpg

প্রিয় ল্যাপটপটি আজীবন ভালো রাখতে চান? মেনে চলুন এই সাধারন নিয়মগুলো।।

Now Reading
প্রিয় ল্যাপটপটি আজীবন ভালো রাখতে চান? মেনে চলুন এই সাধারন নিয়মগুলো।।

বর্তমানে বেশির ভাগ কাজ আমরা স্মার্ট ফোনে করে থাকলেও , অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো করতে কিন্তু ল্যাপটপ ব্যাবহার করতেই হয়। আর ভালো একটি ল্যাপটপ এর দাম অনেক বেশি। সুতরাং ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু সচেতনতা আপনাকে জানতেই হবে যদি আপনি চান আপনার কম্পিউটারটি ভালো থাকুক অনেকদিন পর্যন্ত। আর এই নিয়মগুলো কিন্তু খুবই সহজ-

১. পোষা প্রাণীকে আপনার ল্যাপটপ থেকে দূরে রাখুন
পোষা বিড়ালরা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের উষ্ণতার কারণে আকৃষ্ট হয়। আপনারও হয়তো বিষয়টা মজাই লাগে । কিন্তু এটা কিন্তু আপনার ল্যাপটপ এর জন্য খুবই ক্ষতিকর।কারণ বিড়ালের পশম ল্যাপটপের ফ্যান নষ্ট করে দিতে পারে। এছাড়া, কখনই ল্যাপটপ এর পাশে বসে খাবেন না। কারণ একফোঁটা খাবার ও যদি কি বোর্ড এ পরে তাহলেও আসতে পারে পিপড়া বা তেলাপোকা, যা ল্যাপটপ এর জন্য খুবই ক্ষতিকর!

cat-sleeps-on-laptop.jpg

২. চালু ল্যাপটপ নড়াচড়া করতে হবে খুব সাবধানে
কাজ করা অবস্থায় ল্যাপটপ খুব সাবধানে নড়াচড়া করাতে হবে। কারণ চলন্ত অবস্থায় ল্যাপটপ এ কিছু যন্ত্রপাতি চলতে থাকে। খুব বেশি নড়া চড়া করালে ওগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমন কি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হারিয়ে যেতে পারে।

move laptop.jpg

৩. সঠিক ভাবে কেবল বা তার  ভাজ করতে হবে
আমরা মনে করি কেবল যেহেতু শুধু মাত্র তার ও রাবার দিয়ে তৈরি, সেহেতু এর কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।এটা সত্য যে তার কে ভাজ করা যায়, গোল করে রাখা যায় অথবা যে কোন কিছুর সাথে পেঁচানো যায়।কিন্তু যেহেতু ল্যাপটপ এক জায়গা থেক আরেক জায়গায় সহজে বহন করার জন্য তাই এর তার গুলো হয় খুব সরু এবং চিকন।
এজন্য এই কেবল গুলোকে খুব শক্ত করে বাধবেন না বা পেঁচাবেন না।চার্জে দেয়া অবস্থায় জোরে টান দিবেন না। এতে প্লাগ দুর্বল হয়ে যায় এবং চার্জ হতে সমস্যা করে।

cables.jpg

 

৪.সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টাই ল্যাপটপ চার্জ দিয়ে রাখবেন না –
বর্তমানে ল্যাপটপ এ যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাতে ল্যাপটপ ওভার চার্জ হয় না। কিন্তু, আপনি যদি সবসময় চার্জর কানেক্ট করে রাখেন তাহলে যেই মাইক্রোকন্ট্রোলারটি ব্যাটারি কে ওভার চার্জ হওয়া থেকে রক্ষা করে তা ধীরে ধীরে ডেমেজ হয়ে যাবে। এর ফলে ব্যাটারি গরম হয়ে যাবে এবং ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।

full charge.jpg

৫.ধীরে ধীরে ল্যাপটপ খুলুন এবং বন্ধ করুন
ল্যাপটপ বেশিদিন ভালো রাখতে চাইলে সবসময় ল্যাপটপ টি ধীরে ধীরে খুলুন এবং বন্ধ করুন। কখনই ডিসপ্লে অংশটি ধরে ল্যাপটপ তোলার চেষ্টা করবেন না। কারণ এটা কম্পিউটার এর সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। সবসময় ল্যাপটপ তোলার সময় এর মাঝখানের অংশ ধরে তুলবেন।

৬. একটি ল্যাপটপ কুলিং প্যাড কিনে ফেলুন
ল্যাপটপ এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন আমরা যেকোনো জায়গায় তা ব্যাবহার করতে পারি। আমরা অধিকাংশ সময় আমাদের কোলে বা বিছানায় রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করি।
কিন্তু এটা উচিৎ না। কারণ এতে করে ল্যাপটপ এর ভেন্টিলেশন ব্লক হয়ে যেতে পারে। ফলে ল্যাপটপ এর ব্যাটারি গরম হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় একটা কুলিং প্যাড কিনে ফে্লুন।

৭. যেকোনো চুম্বকীয় পদার্থ থেকে ল্যাপটপ কে দূরে রাখুন-
যেকোনো ধরনের হার্ড ড্রাইভে চুম্বক ব্যাবহার করা হয় ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য। এজন্য ল্যাপটপ যদি কোন শক্তিশালী চুম্বকের কাছে রাখা হয় তবে হার্ড ড্রাইভের কর্ম ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে যেতে পারে। সুতরাং শক্তিশালী চুম্বক থেকে আপনার প্রিয় ল্যাপটপ টিকে দূরে রাখুন।

16289460-pexels-photo-251225-1505931887-650-302d5b4e95-1506938933.jpg

 

৮. চার্জার আন প্লাগ করুন করুন ধীরে ধীরে

অনেক সময় প্রচণ্ড ব্যস্ততার সময় আমরা তাড়াহুড়া করে চার্জর আন প্লাগ করি। এর ফলে কিন্তু প্লাগ এর ক্ষতি হতে পারে এবং ল্যাপটপ এর চার্জিং সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৯. ল্যাপটপ কভার ব্যাবহার করুন
আপনার ল্যাপটপ টি যদি ব্যাগের অন্যান্য জিনিসের সাথে রাখেন, তবে খুব সহজেই ল্যাপটপ এর ভিতরের ছোট ছোট মেশিন গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তাই সবসময় কভার ব্যাবহার করুন। কভার হিসেবে নরম ব্যাগ ব্যাবহার করুন।

১০. ল্যাপটপ এর স্ক্রিন পরিষ্কারে সাবধানী হন
আমরা জানি ল্যাপটপ পরিষ্কার করতে পানি বা কাপড় ব্যাবহার করা যায়  না। মাইক্রো-ফাইবার বা ল্যাপটপ ক্লিনর ব্যাবহার করুন।
স্ক্রিন পরিষ্কারের সময় বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না, কারণ ল্যাপটপ এর স্ক্রিন খুব নরম হয়।

১১. নিয়মিত ল্যাপটপ শাট ডাউন করুন
দিনের যে সময়টা কাজ করেন না সে সময় ল্যাপটপ টি বন্ধ করে রাখুন। সারাক্ষণ চালিয়ে রাখলে হার্ড ড্রাইভ এবং কুলিং ফ্যান ড্যামেজ হতে পারে। আর যদি কিছুক্ষণ পর পর চালানোর প্রয়োজন পরে তবে sleeping mood ব্যবহার করুন।

১২. ল্যাপটপ এর কাছে পানি বা পানিয় জিনিস রাখবেন না
আমরা জানি যে কোন ইলেকট্রনিকস জিনিসের জন্যই পানি ক্ষতিকর। কিন্তু আমরা অনেক সময় ল্যাপটপ এ কাজ করার সময় গরম চা বা কফি খাই। গরম পানিয় ল্যাপটপ এর সংস্পর্শে না এসেও ল্যাপটপ এর ক্ষতি করে। তাই গরম পানিয় ল্যাপটপ থেকে যতটা পারেন দূরে রাখুন।

water laptop.jpg

১৩. স্পেশালিষ্ট এর সাহায্য নিন
সফটওয়্যার কেন্দ্রিক জটিল সমস্যা হলে নিজে নিজে চেষ্টা না করে বরং স্পেশালিষ্ট দেখান। তা না হলে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হারিয়েও যেতে পারে।

১৪. ল্যাপটপ এর  কিছু বিষয়  কখনই হালকা ভাবে নিবেন না

– হার্ড ড্রাইভ যদি খুব ধীরে কাজ করে,

– খুব সাধারণ কাজ যেমন টাইপিং ইত্যাদি কাজ করতে গিয়েও যদি ল্যাপটপ ফ্রিজ হয়ে যায় বা খুব ধীরে কাজ করে।

– প্রায় ই আপনা আপনি রিস্টার্ট  হয়ে যায়।

এগুলো যদি নিয়মিত ঘটে তবে সাবধান হন। তা না হলে কিন্তু নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় ল্যাপটপটি ।

সুতরাং, মেনে  চলুন এই সাধারণ নিয়মগুলো।  আপনার প্রিয় ল্যাপটপ টির ব্যাপারে একটু সাবধান হলেই, তা ভালো থাকবে অনেকদিন পর্যন্ত।

 

কিভাবে জানবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে?

Now Reading
কিভাবে জানবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে?

তথ্য -প্রযুক্তির এ যুগে প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সাইবার আক্রমণের  শিকার হতে হয়। এর মাধ্যমে চুরি হয়ে যাচ্ছে কম্পিউটারে  থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক  এর তথ্য সমূহ ইত্যাদি। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয়  হ্যাকাররা এখন কম্পিউটারের তথ্য চুরি করে ব্ল্যাক মেইল ও করে থাকে। সুতরাং সময় এসেছে সাইবার হ্যাক সম্পর্কে সচেতন হাওয়ার।  নিজের কম্পিউটার কে হ্যাক থেকে বাঁচানর জন্য সচেতন থাকতে হবে এবং কম্পিউটারের প্রতিটা পরিবর্তন গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য করতে হবে।

সুতরাং আসুন দেখি কিভাবে পরীক্ষা করব আমার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে কিনা এবং সেক্ষেত্রে কি করতে হবে তাও জানব-

 

১. যদি আপনার কম্পিউটারের এন্টি -ভাইরাস সফটওয়্যারটি সুইচ অফ হয়ে যায়

আপনি যদি আপনার এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার টি সুইচ অফ দেখেন, কিন্তু আসলে আপনি নিজে সুইচ অফ করেন নি। সে ক্ষেত্রে খুব সম্ভবত আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক করা হয়েছে। কারণ হ্যাকার রা প্রথমেই যে কাজটা করে তা হচ্ছে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার অফ করে দেয়। এতে তারা সহজেই কম্পিউটারের ফাইল গুলোতে ঢুকতে পারে।

 

২.যদি আপনার পাসওয়ার্ড কাজ না করে-

আপনি পরিবর্তন না করা করা সত্ত্বেও যদি আপনার পাসওয়ার্ড কাজ না করে এবং আপনি যদি আপনার একাউন্টে ঢুকতে না পারেন, তাহলে এখনি সাবধান হয়ে যান। আপনার কম্পিউটারটি খুব সম্ভবত হ্যাক করা হয়েছে।

password change.jpg

 

৩. ফ্রেন্ড লিস্টে ফ্রেন্ড এর সংখ্যা বেড়ে গেলে-
যদি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে রহস্যজনক ভাবে এমন সব নতুন বন্ধু দেখেন, যাদেরকে আপনি এড করেন নি। সেই সাথে একাউন্টে ফ্রেন্ডের সংখ্যা বেড়ে গেলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক করা হয়েছে এবং আপনার একাউন্ট ব্যবহার করে স্প্যাম ছড়ান হচ্ছে।

৪.যদি দেখেন আপনার ডেশ-বোর্ডে নতুন নতুন আইকন দেখা যাচ্ছে
যদি আপনার ব্রাউজার ওপেন করলেই নতুন কিছু আইকন দেখা যায়, তবে বুঝবেন কিছু ক্ষতিকর কোড ঢুকেছে আপনার কম্পিউটার এ।

৫.যদি মাউস এর কার্সর নিজে নিজেই নড়া-চড়া করতে থাকে
যদি আপনার কম্পিউটারে মাউসের কার্সর নিজে নিজেই নড়া চড়া করতে থাকে, তবে নিশ্চিত হয়ে যান অবশ্যই আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক হয়েছে।

৬.যদি প্রিন্টার ঠিক ভাবে কাজ না করে
সাইবার আক্রমণের প্রভাব শুধুমাত্র কম্পিউটারের উপর পরে তাই নয়, প্রিন্টার এর উপর ও প্রভাব পড়ে। যেমন, প্রিন্টারটি হয়ত ঠিক ভাবে প্রিন্ট করতে চাইবে না বা এমন কিছু প্রিন্ট করবে, যা আপনি ইন্সট্রাকশন দেন নি।

৭.যদি আপনার ব্রাউজার নিজে নিজেই নতুন নতুন ওয়েবসাইট ফরওয়ার্ড করতে থাকে
যদি আপনার ব্রাউজার নিজে থেকেই বিভিন্ন অপরিচিত ওয়েবসাইট ওপেন করতে থাকে, যেগুলো আপনি ওপেন করেন নি। অথবা আপনি সার্চ দিয়েছেন একটা ওয়েবসাইট ওপেন হয়েছে আরেকটা, অথবা আপনি যদি প্রায়ই বিভিন্ন পপ-আপ উইন্ড দেখেন, তাহলে বুঝবেন এখনি সময় সাবধান হবার।

৮. রহস্যজনক ভাবে আপনার কম্পিউটারের ফাইল ডিলিট হয়ে গেলে
যদি রহস্যজনক ভাবে আপনার ফাইল এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম গুলো ডিলিট হয়ে যায়, তবে বুঝবেন অবশ্যই আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে।

৯.যদি আপনার অনেক ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেট এ প্রকাশ পেয়ে যায়

যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার নাম দিয়ে সার্চ দিন, যেমন  kanij sharmin fb । যদি দেখেন ইন্টারনেট এ এমন সব তথ্য আছে যেগুলো আপনি দেন নি।  তাহলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়েছে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা হয়েছে।

১০.যদি সন্দেহজনক এন্টি-ভাইরাস মেসেজ পেয়ে থাকেন
যদি আপনার এন্টি- ভাইরাস এমন কোন মেসেজ দেয় যা স্বাভাবিকের চাইতে ভিন্ন অথবা আপনার কম্পিউটার এ এমন কোন এন্টি- ভাইরাস সফটওয়ার দেখতে পান যা আপনি ইন্সটল করেন নি। তাহলে বুঝবেন এটা হচ্ছে কম্পিউটার হ্যাক এর অন্যতম লক্ষণ।

১১.যদি আপনার ওয়েব ক্যামেরা টি অস্বাভাবিক আচরণ করে
আপনার ওয়েব ক্যামেরাটি পরীক্ষা করুন। যদি দেখুন এটি একা একা ব্লিনক করছে, তবে কম্পিউটার reboot করুন। যদি তারপরও ব্লিনক করতে থাকে তবে বুঝবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক করা হয়েছে।

১২. যদি কম্পিউটার খুব ধীরে কাজ করে
কম্পিউটার হ্যাকের অন্যতম একটি লক্ষণ হচ্ছে কম্পিউটার অনেক ধীরে কাজ করবে। যে কোন কাজ করতে স্বাভাবিক এর চাইতে বেশি সময় নিবে। সেই সাথে ইন্টারনেট এর স্পীড ও অনেক কমে যাবে। কারণ হ্যাকাররা আপনার নেটের লাইন ব্যবহার করেই কম্পিউটার হ্যাক করবে। এজন্য স্বাভাবিক ভাবেই নেটের উপর চাপ পরবে, ফলে নেটও স্লো কাজ করবে। যদিও কম্পিউটার স্লো হওয়ার অন্যান্য অনেক কারণ আছে। তবে কম্পিউটার হ্যাক হবার এটি অন্যতম একটি লক্ষণ।

১৩। যদি দেখেন আপনার ব্যাংক একাউন্ট থেকে রহস্যজনক ভাবে টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে
হ্যাকাররা কম্পিউটার হ্যাক করে ব্যাংকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে টাকা সরিয়ে ফেলতে পারে। সুতরাং এমন কোন লক্ষণ দেখলে এখনই সাবধান হওন।

 

কি করবেন যখন কম্পিউটার হ্যাক হবে?

  • সবার প্রথমে আপনার ইন্টারনেট সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দিন ।
  • আপনার বন্ধু এবং ক্লাইন্ট দের সাবধান করে দিন যাদেরকে আপনি নিয়মিত মেইল পাঠান। তাদেরকে জানান যে আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়ে গিয়েছে। সুতরাং তারা যেন আপনার কাছ থেকে পাঠানো কোন মেইল ওপেন না করে এবং কোন লিংক এ ক্লিক না করে।
  • আপনার ব্যাংক কে সমস্যার কথা জানান।  তাদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত ব্যাংক একাউন্ট নিরাপদ করুন।
  •    কম্পিউটারের সকল অপরিচিত এবং অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ডিলিট করে দিন।
  •  ভালো মানের এন্টি  ভাইরাস ইন্সটল করুন এবং পুরো কম্পিউটার স্ক্যান করুন
  • আপনার সকল অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন।
  • সবচেয়ে ভালো হয় একজন বিশেষজ্ঞের কাছে কম্পিউটার টি নিয়ে যান। কারণ হ্যাকার রা অনেক সময় আপনার বাসা বা কর্মস্থল এর সমগ্র নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পরে,ফলে মডেম বা রাউটার এর পরিবর্তন করতে হতে পারে। যা বিশেষজ্ঞ ছাড়া সমাধান করা কঠিন।

 

সুতরাং ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

 

 

অবশেষে সমাধান মিলেছে কঠিন ভাইরাসের ! ! !

Now Reading
অবশেষে সমাধান মিলেছে কঠিন ভাইরাসের ! ! !

সম্প্রতি ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার নামের একটি ভাইরাস বিভিন্ন দেশের কম্পিউটার বা পিসিতে আক্রমণ শুরু করে। গত ১২ই মে শুক্রবার র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ শুরু হয়। ১৫০টি দেশের ৩ লক্ষ পিসিতে ম্যালওয়্যারটি আক্রমণ করে। এটি পিসির গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে পিসি ইউজারকে অর্থ পরিশোধ করতে বলে। তা নাহলে পুরো ফাইল নষ্টের হুমকি দেয়া হয়। এই আর্টিকেল এ মূলত পিসি ভাইরাস এবং র‍্যানসমওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত বলা হবে। তবে প্রথমেই পিসি ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক।

কম্পিউটার ভাইরাস বা পিসি ভাইরাস কি?

কম্পিউটার ভাইরাস বা পিসি ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা কোন রকম ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে। মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে। একটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যেমন: কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেট ওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ বা ইণ্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেট ওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে। কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল ক্র্যাক করা বা নষ্ট করাই হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাসের মূল কাজ।

কম্পিউটার ওয়ার্ম কি?

সাধারণত কম্পিউটার ভাইরাস ও কম্পিউটার ওয়ার্ম কে এক জিনিস ভাবা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। একটি কম্পিউটার ওয়ার্ম হল একটি স্বাধীন ম্যালওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা নিজেকে নকল করতে পারে যাতে তা অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রায়শই এটি ছড়িয়ে পড়ার করার কাজে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এবং অন্য কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যর্থতার সুযোগ নেয়। একটি কম্পিউটার ভাইরাসের মত এটিরও নিজেকে কোন প্রোগ্রামে যোগ করার প্রয়োজন হয় না। এগুলো সবসময় নেটওয়ার্কের কিছু ক্ষতি করে এমনকি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও খরচ করে। কিন্তু ভাইরাস একটি কম্পিউটারের ফাইল নষ্ট করে বা আক্রান্ত করে। অন্যান্য ম্যালওয়্যার দ্বারাও পিছনের এই দরজা বা গোপন দরজা তৈরীর চমৎকার কাজটি হয়ে থাকে যাতে ওয়ার্মও রয়েছে।

ম্যালওয়্যার কি?

পিসি বা মোবাইলে ক্ষতিকর প্রোগ্রামের লিংকসহ আসা ই-মেইলকে বলা হয় ম্যালওয়্যার। ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি ইংরেজি malicious software থেকে এসেছে। malicious software এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল ম্যালওয়্যার (Malware)। এ হল একজাতীয় সফ্‌টওয়্যার যা কম্পিউটার অথবা মোবাইল এর স্বাভাবিক কাজকে ব্যহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার হয়। ১৯৯০ সালে Yisrael Radai ম্যালওয়্যার শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহারে আনেন। ইতিপূর্বে এই জাতীয় সফ্‌টওয়্যারকে কম্পিউটার ভাইরাস বলা হত। ম্যালওয়্যার সংজ্ঞাত হয় তার হানিকারক উদ্দেশ্য দ্বারা। এরা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে।

র‍্যানসমওয়্যার কি?

কোন ম্যালওয়্যার যখন কম্পিউটার ফাইল খুলতে বাধা দেয় ও তা খোলার জন্য অর্থ দাবি করলে তখন তাকে র‍্যানসমওয়্যার বলে। র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে। কিছু র‍্যানসমওয়্যার আছে যা সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।

র‍্যানসমওয়্যার কিভাবে কাজ করে? 

সাধারণত ডাউনলোডকৃত ফাইলের মাধ্যমে এরা কোনো ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশ করে এবং ট্রোজান হিসেবে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এরপর প্রোগ্রামটি একটি পেলোড রান করে। পেলোড হয়ত কোনো সত্তা (যেমন – আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) কর্তৃক জাল সতর্কবাণী দেখাবে। যেমন- আপনার সিস্টেম অবৈধ ক্রিয়াকলাপ করতে ব্যবহার করা হয়েছে এবং আপনার সিস্টেমে অবৈধ কনটেন্ট আছে যেমন – পর্নোগ্রাফি, পাইরেটেড সফটওয়্যার বা মিডিয়া ফাইল অথবা মাইক্রোসফট উইন্ডোজের পাইরেটেড সংষ্করণ।কিছু পেলোড সরল অ্যাপলিকেশন দিয়ে গঠিত যা এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যে, মুক্তিপণ না দেওয়া পর্যন্ত তা সিস্টেমকে তালাবদ্ধ করে রাখে অথবা ব্যবহারকারীর সিস্টেমে প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে আধুনিক শ্রেণীর পেলোড হল শক্তিশালী এনক্রিপ্টশন ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর সিস্টেমের সকল ফাইলকে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। ম্যালওয়্যালটি এমনভাবে ফাইলসমূহকে এনক্রিপ্ট করে যে, ক্ষতিকারক প্রোগ্রামটির লেখকের কাছে সংরক্ষিত ডিক্রিপশন কী ছাড়া ফাইলগুলো পড়া সম্ভব হয় না।গত এক সপ্তাহে ঘটে যাওয়া আলোচিত সাইবার হামলা র‍্যানসমওয়্যারে ১৫০টি দেশের তিন লক্ষ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার আক্রান্ত হয়। মূলত এই হামলায় শিল্প খাতে আক্রান্তের হার বেশি।

ফ্রান্সের একদল গবেষক ওয়ানাক্রাই আক্রান্ত এনক্রিপ্টেড উইন্ডোজ ফাইল খোলার সমাধান বের করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ফ্রান্সের অ্যাড্রিয়েন গুইনেট, বেঞ্জামিন ডেলপি, ম্যাথিউসুচি অন্যতম। ম্যাথিউ সুচি তার ব্লগ পোষ্টে ওয়ানাক্রাইয়ের প্রতিষেধক এর একটি লিংক দেন। সেখানে সফটওয়্যার টুল ওয়ানাকি বিল্ট বা গুইনেট এর লিংক দেয়া হয়। এই টুল উইন্ডোজের সব অপারেটিং সিস্টেম ( ৭, এক্স পি, ২০০৩ ) এ কাজ করবে। টুলটির নামকরণ করা হয় ‘ ওয়ানাকিউয়ে ’। এটি পিসি মেমরিতে ডিক্রিপশন কির অবশিষ্টাংশ অনুসন্ধান করে কাজ শুরু করে। তারা এটি বিনামূল্যে বাজারে ছেড়েছে।অবশেষে সমাধান মিললো ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার এর হাত থেকে।