আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

Now Reading
আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

আমার এই আর্টিকেলটি কিভাবে সতর্কতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক মানুষ তার দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি দিনের প্রায় সিংহভাগ সময় এই ফেসবুকেই অতিবাহিত করে আর যার কারণে এটি সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে রূপ ধারণ করেছে মানুষ এখন কিবা না করে ফেসবুকে নিত্যনতুন সব আপডেট ফেসবুককে এখন আরো বেশি জনপ্রিয় করে তুলছে

ফেসবুকে মানুষ তার পোষ্ট আপলোডের মাধ্যমে নিজের মনের ভাব তার ফেসবুক বন্ধুদের সুন্দর করে জানিয়ে দিচ্ছে এছাড়াও বিভিন্ন ফেসবুক বন্ধুত্ব গড়ে উঠছে এই ফেসবুকে মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি যা করে তা হচ্ছে সেলফি আপলোড দেয়া আর এটি এখন ফেসবুকবাসীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়মানুষ যা কিছু করছে তার সেলফি তুলেই এখন ফেসবুকে পোষ্ট করছে এবং তার ফেসবুক বন্ধুদের জানাচ্ছে সারা বিশ্বে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০০ মিলিয়ন ছবি পোষ্ট করা হচ্ছে শুধুমাত্র ফেসবুকে ফেসবুক সংস্থার মতে প্রতিদিন গড়ে ১.১৫ বিলিয়ন মানুষ একসাথে ফেসবুকে একটিভ হিসেবে থাকে।প্রতিদিন ১.২৮ বিলিয়ন ইউজার ফেসবুকে লগ ইন করে।  এছাড়াও মানুষ তাদের ভাব বিনিময়ের জন্য ফেসবুকে চ্যাটিং করে যেটা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি পন্থা ভাব বিনিময়ের ফেসবুকের নিত্যনতুন সব ফিচার মানুষকে ফেসবুক নেশায় নেশাগ্রস্থ করে তুলছে ফেসবুকের সবচেয়ে আধুনিক আপডেট হচ্ছে ফেসবুকে লাইভ ভিডিও এছাড়াও মানুষ বিভিন্ন রকমের অ্যাক্টিভিটিও ফেসবুকে শেয়ার করতে পারছে মানুষ সময় কাটানোর সবচেয়ে সেরা পথ হিসেবে বেঁছে নিয়েছে এই ফেসবুককেই বিভিন্ন পেজ এর পোষ্ট পড়ে, দেখে এবং শেয়ার করার মাধ্যমে মানুষ তার অবসর সময় কাটচ্ছে

এবারে মূল কথায় আসি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা,  এটা আবার কি!  আপনি আশ্চর্য হতেই পারেন তবে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই আপনাকে অবশ্যই ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে আমাদের চারপাশে নিত্যনতুন খবর শুনতে পাওয়া যায়, যেগুলো ফেসবুককে ঘিরে ইদানিং ফেসবুকে আইডি হ্যাক এর অনেক কথা শুনতে পাওয়া যায় তাই আপনাকে  এক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে আপনার আইডির পাসওয়ার্ড অবশ্যই আপনার এমন ভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে করে তা অন্য মানুষের বোধগম্যের বাইরে থাকে

এতক্ষণ যে কথা গুলো বললাম তা ছিল প্রথম ধাপের কথা ফেসবুক ব্যবহারে আপনি মোটামোটি স্বাধীন আপনি পোষ্ট,  ছবি আপলোড করছেন যা পুরোপুরি স্বধীনতায় কিন্ত আপনি কি আপনার এই স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহার করছেন? প্রশ্ন থাকলো আপনার বিবেকের কাছে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে তারপর আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন আশা করি

যেহেতু ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাই ধরুণ এটি একটি চার রাস্তার মোড়ধরুণ আপনাকে বাক প্রদানের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবেন এখন যদি আপনাকে একটি চার রাস্তার মোরে মাইক দিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বলা হয় তখন আপনি কি বলবেন? এটাই আপনার ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতাকারণ একটি চার রাস্তার মোরে আপনি যখন মাইক ব্যবহার করে কিছু একটা বলবেন তখন মোরের আশেপাশের সব মানুষ তা শুনবে সে হোক পরিচিত অথবা অপরিচিত তাই আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে চাইবেন না বা বলতে পারবেন না ঠিক মুহূর্তে ফেসবুকে কোন কিছু পোষ্ট করাও ঠিক এমন এখানে আপনাকে সবাই দেখছে শুনছে তাই আপনার যা ইচ্ছা করছে তাই আপনি ফেসবুকে লিখতে পারেন না বা যেমন ছবি আপনার ইচ্ছা হচ্ছে তাই আপলোড করতে পারেন না  আপনি অবশ্যই পরবর্তীতে সতর্ক থাকবেন এইসব ক্ষেত্রে কারণ যদি আপনি অসাবধানতা বশত কোন রকমের অপ্রিতিকর কিছু ফেসবুকে পাবলিশ করেন তাহলে পরবর্তীতে সেটাই আপনার সম্মানহানিকর কিছু ঘটাতে পারে

এবার ধরুণ আপনি প্রায় সেলিব্রিটি রকমের একজন মানুষ এবং আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা সুযোগ পেলেই আপনার ক্ষতি করবে এমন অবস্থা গুলোয় আপনি কখনো আগে থেকে সতর্ক থাকতে পারবেন না তাই আপনাকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে এমন অবস্থায় আপনি ফেসবুক সেলিব্রিটি তাই আপনার যা ইচ্ছা তাই পোষ্ট ছবি শেয়ার করতে পারেন না মনে রাখবেন আপনাকে যেকোন সময় কেউ ক্ষতি করতে পারে তাই এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে যেসব এক্টিভিটি ফেসবুকে সাধারণত সবসময় দিয়ে থাকেন সেসব ক্ষেত্রে একটু সচেতনতা বাড়ান আপনি জার্নি করছেন তাই বলে আপনাকে ট্রাভেলিং টু অ্যক্টিভিটি দিতে হবে না

আপনি ফেসবুকে চেক ইন অক্টিভিটি সচরাচর ব্যবহার করে থাকেন এই চেক ইন এর অর্থ হচ্ছে আপনি মুহূর্তে ঠিক কোথায় আছেন তা নিশ্চিত করা আপনি অবশ্যই চেক ইন ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন আগেই বলেছি যে কোন সময় যে কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে তাই আপনি চেক ইন ব্যবহার করলে অবশ্যই সেটা ফেসবুকে সবাই জানবে এবং বুঝবে যে মুহূর্তে আপনি কোথায় আছেনতাই নিজেকে সবসময় নিরাপদ রাখতে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হোনহতেই পারে অনেক অজানা বিপদ থেকে আপনি বেঁচে গেলেন

বর্তমানে ফেসবুক একটি ভাইরাসে পরিণত হয়েছেযে ভাইরাসের নেশায় মানুষ তার অনেক মূল্যবান সময় অপচয় করে চলেছেমার্ক জুকারবার্গ নিজেও দৈনিক মাত্র ১৭  মিনিট ফেসবুক ব্যবহার করেনতিনি নিজেও বলেছেন ফেসবুক ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং বলেছেন সতর্ক থাকতেআশা করি আমার একটা প্রশ্নের উত্তর আপনার বিবেক খুঁজে পেয়েছেসবার সাবধানতার কামনা ভালো থাকার শুভেচ্ছা জানাই