দিবস | প্রয়োজনীয় নাকি অপ্রয়োজনীয়?

Now Reading
দিবস | প্রয়োজনীয় নাকি অপ্রয়োজনীয়?

ইদানীং সোস্যাল মিডিয়ার কারণে আমাদের দেশে বিভিন্ন দিবস অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তন্মধ্যে কয়েকটি হলো ভ্যালেন্টাইনস ডে, মাদার’স ডে, ফাদার’স ডে এবং আজ চলছে ফ্রেন্ডশিপ ডে। অবশ্য ফ্রেন্ডশিপ ডের তারিখ নিয়ে ভিন্নতা রয়েছে। উইকিপিডিয়াতে দুইটা ভিন্ন তারিখই দেওয়া আছে। একটা হচ্ছে ৩০ জুলাই, আরেকটা হচ্ছে আগস্টের প্রথম রবিবার যেটা কিনা আজ চলছে। থাক এই বিষয়ে আর যাব না, আজ এই লেখার প্রসঙ্গ এটা না।

প্রতিটা দিবস ঘিরেই দু ধরনের দলের উৎপত্তি হতে দেখা যায়। একটা দল প্রতিটা দিবসেই অন্যকে শুভেচ্ছা জানায়, সেই দিবস সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করে। আরেকটা দল সেটার সমালোচনা করে। যেমন মা দিবসে অনেকে তাদের মাকে শুভেচ্ছা জানায়, বিভিন্ন সারপ্রাইজ দেয়। মাকে নিয়ে তাদের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়। আর অন্য দলটা সেটার সমালোচনা করে বলে যে মাকে নিয়ে আবার দিবস কিসের! প্রতিটা দিবসই মা দিবস, প্রতিটা দিনই মাকে ভালোবাসার দিন। হ্যাঁ, তাদের কথা একেবারে ভুল নয়। তবে আমি মনে করি দিবসেরও প্রয়োজনীয়তা আছে। মাকে যেমন আমরা প্রতিদিনই ভালোবাসলেও সেটা আসলে সেভাবে কখনো প্রকাশ করা হয় না। মাকে নিয়ে দিবস থাকায় সেদিন একটু বিশেষভাবে সেটা প্রকাশ করতে পারি। তাদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে পারি, বিভিন্নজনের স্মৃতি কিংবা বিভিন্ন মধুর ঘটনা জানতে পারি। এতে করে মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধাটাও অনেকটা বেড়ে যায়। মাকে হুট করে গিয়ে ভালোবাসার কথাটা বলা যায় কিংবা কোনো একটা সারপ্রাইজ দিয়ে খুশি করা যায় যা এমনিতে প্রতিদিন সম্ভব নয়। সুতরাং মা দিবস উদযাপন করাতে আমি খারাপ কিছু দেখি না।
এছাড়াও আজকের ফ্রেন্ডশিপ ডে নিয়ে বলতে গেলেও এমন অনেক কিছু বলা যায়। আমাদের সকলেরই এমন অনেক ভালো ফ্রেন্ড আছে যাদের সাথে এক সময় দিনের বেশিরভাগ সময় কাটানো হলেও এখন কালের পরিক্রমায় তারা একেকজন একেক জায়গায় চলে গিয়েছে। যোগাযোগও হয় না তেমন একটা। কিন্তু এই ফ্রেন্ডশিপ ডে তে তাদের কথা সবারই একটু বিশেষভাবে মনে হবে। অনেকে তাদের শুভেচ্ছা জানাবে এতে করে পুরাতন বন্ধুত্বটা আরো সুহৃদ হবে, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব বাড়বে। শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে হয়তো অনেকে কথোপকথনও জুড়ে দিবে। উঠে আসবে না বলা অনেক কথা। সব মিলিয়ে এই দিবস পালন করাকে আমার কাছে অপ্রয়োজনীয় কিছু মনে হয় না। বরং এটা প্রয়োজনীয়, অনেক বেশিই প্রয়োজনীয়, অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়। যদি অপ্রয়োজনীয়ই হতো তবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বে এতো এতো দিবসের উৎপত্তি হতো না। সুতরাং আসুন আলোচনা সমালোচনা বাদ দিয়ে প্রতিটা দিবস থেকেই ভালো কিছু বের করে আনার চেষ্টা করি। ভালোবাসা দিবসে গার্লফ্রেন্ডের সাথে ভালোবাসা দিবসেরই অযুহাতে সারাদিন ডেট করে বাসায় এসে সেই ভালোবাসা দিবসেরই সমালোচনা বন্ধ করি।

আসলে দুনিয়াটা এমনই যে এখানে যে কেউ যত ভালো কিছুই করুক না কেন তার বিপক্ষে কেউ না কেউ থাকবেই। আপনি কিছু করছেন, আপনার বিবেকই বলে দিবে সেটা ভালো নাকি খারাপ। সুতরাং ভালো কিছু করতে গিয়ে দুই-একজনের সমালোচনায় কখনো দমে যাবেন না। তাছাড়া তাদের সমালোচনা কানে নেওয়াই দরকার নেই যারা কখনো আপনার ভালো কাজেরও প্রশংসা করেনি।

আজকে যেহেতু বন্ধুত্ব দিবস তাই বন্ধুত্ব নিয়েই একটা নীতিগল্প শেয়ার করি।

একদিন দুই বন্ধু মরুভূমি দিয়ে হাটছিল। হঠাৎ তাদের মাঝে কোনো কারণে বাকবিতন্ডা হওয়ায় একবন্ধু আরেক বন্ধুকে থাপ্পর মারে। এরপর থাপ্পর খাওয়া বন্ধুটি বালির মধ্যে লিখে- আজ আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু আমাকে থাপ্পর মেরেছে। এরপর তারা আবার হাঁটতে থাকে একটা সমুদ্র না পাওয়া পর্যন্ত যেখানে তারা গোসল করতে পারে। সমুদ্র পাওয়ার পর গোসল করার সময় থাপ্পর খাওয়া বন্ধুটি হঠাৎ ঢেউ আসায় ডুবতে শুরে করে এবং তার থাপ্পর মারা বন্ধুটি তাকে বাঁচায়। এরপর সে পাথরে খোদাই করে লিখে রাখে- আজ আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু আমাকে বাঁচিয়েছে। তো এটা দেখে যে বন্ধুটি থাপ্পর মেরেছিল এবং বাঁচিয়েছিল সে জিজ্ঞেস করে, “তোকে মারার পর সেটা তুই বালিতে লিখে রাখলি আর এখন বাঁচানোর পর পাথরে কেন?” অন্যজন উত্তর দেয়, ” কেউ আমাদের আঘাত করলে সেটা বালিতে লিখে রাখা উচিৎ যাতে ক্ষমার বাতাস এসে তা মুছে দিতে পারে। কিন্তু, কেউ আমাদের ভালো কিছু করলে সেটা খোদাই করে লিখে রাখা উচিৎ যাতে কোনোকিছুই সেটাকে মুছতে না পারে।”

এই গল্পটার মোরালটা এমনই যে আমাদের কেবল কারো ভালো কিছুকেই মনে রাখা উচিৎ এবং খারাপটাকে ক্ষমা করে দিয়ে ভুলে যাওয়া উচিৎ। সেদিন সে বন্ধুটি থাপ্পর খাওয়ার পর যদি সেটা মনে রাখতে গিয়ে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিত এবং একা একাই যদি সমুদ্রে গোসল করতে যেত তবে তার কিন্তু ঢেউয়ে ডুবে মরার একটা সমূহ সম্ভাবনা থাকতো। আসলে বিপদে কখন কাকে প্রয়োজন হয় তা আমরা কেউ জানি না। তাই কারো খারাপ কিছুকে মনে না রেখে সেটা ভুলে গিয়ে সবার সাথে সবসময় মিলে মিশেই থাকা উচিৎ।

যাহোক, সবাইকে ফ্রেন্ডশিপ ডের শুভেচ্ছা- হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে। ফ্রেন্ডকে নিয়ে আপনাদের কারো কোনো মজার ঘটনা থাকলে কমেন্টে বা আমার ফেসবুকের ইনবক্সে শেয়ার করতে পারেন। আমার ফেসবুক আইডি লিংক এখানে খুঁজলেই পাবেন। না পেলে কমেন্ট করুন, আমি পরে রিপ্লাই দেবো। ভালো ও সুন্দর কিছু ঘটনা পেলে ঘটনা বর্ণনাকারীকে মেনশন করে সেসব ঘটনা কোনো একদিন কোনো একটা লেখার মাধ্যমে সবার সাথে শেয়ার করবো। ভালো থাকুন, সবাইকে ভালো রাখুন।

“World’s Greatest Dad” মুভি রিভিউ

Now Reading
“World’s Greatest Dad” মুভি রিভিউ

70112475.jpg

আমরা যারা বাবা তারা সন্তানের ভুল দেখলে কি করি ? তাকে সঠিক পথে আনার চেষ্টা করি | যদি না আসে তাহলে, তাকে মানসিক কিংবা কোনক্ষেত্রে শারীরিকভাবে  নির্যাতন করি | এসব সাধারণ কাজ ছাড়াও আরো যা করি তাহলো, তাকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে আন অফিসিয়াল ঘোষণা দেয়া কিংবা তার যেকোনো খারাপ কাজের দায়ভার কে তার উপরেই চাপিয়ে দেয়া | বিষয়টা, যেন এরকম সন্তানের ভালো আর সাফল্যের ভাগিদার হতেই বাবা কিংবা মা প্রস্তুত ! তবে, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা চিত্র দেখা যায় “World’s Greatest Dad” নামক মুভিটিতে | যেখানে, একজন বাবা তার বখে যাওয়া ছেলের মৃত্যুতে তার জীবন স্মরণীয় করে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে |
সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন এক স্বাদ পাওয়া যাবে মুভিটিতে | যারা এখনো মুভিটি দেখেন নি তারা আজ ১৮ জুন বাবা দিবস উপলক্ষে চটজলদি দেখে ফেলতে পারেন |

 

মুভির স্টোরি

এখানে, Lance Clayton (Robin Williams) নামের একজন হাই স্কুল ইংলিশ টিচারকে ঘিরে পুরো প্লট নির্মিত | যার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল একজন জনপ্রিয় লেখক হবার | তিনি ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সাহিত্য লিখেছিলেন কিন্তু, তার সবগুলোই পাঠক প্রিয়তা পাবেনা এই সন্দেহে পাবলিশার কর্তৃক বাতিল হয়েছিল | তার ১৫ বছরের ছেলে Kyle Clayton (Daryl Sabara) একজন পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত বখে যাওয়া এক ছেলে | যার সারাদিনের কাজই ছিল মেয়েদের গোপন ছবি সংগ্রহ করা | এসব, দেখে নোংরা আনন্দ পেতেই সে তার সারা সময় ব্যয় করত | বলাই বাহুল্য, পড়াশোনায় সে ছিল ঠিক একেবারে পিছনের সারিতে | প্রায়ই তার নামে স্কুল থেকে বাসায় কমপ্লেইন আসত | Kyle এখানে যেই স্কুলে পড়ত সেই স্কুলেই আবার তার বাবা টিচার হিসেবে ছিল কাজেই, তার বাবার জন্য তা ছিল অনেক অসম্মানজনক | Kyle এর সাথে কেউ বন্ধুও হতে চাইতনা | কারন, সে পুরোপুরি অপদার্থ একটা ছেলে ছিল | তবে, তাও তার একজন বন্ধু ছিল যার নাম Andrew (Evan Martin) | সে সন্ধ্যার সময় তাদের বাসায় বেড়াতে আসত, কারণ, এতে তার অ্যালকোহোল আসক্ত মাকে এড়িয়ে চলতে পারত । তবে, এর মধ্যে Kyle এর অত্যাধিক খারাপ একেডেমিক পারফরমেন্স এবং লজ্জাজনক আচরনের জন্য সে স্কুলের প্রিন্সিপাল Anderson (Geoff Pierson) এর নজরে আসে । তিনি, তার বাবা অর্থাৎ, Lance কে অন্য কোন স্কুলে ট্রান্সফার করার জন্য অনুরোধ করেন ।

এদিকে, Lance সেই স্কুলের Claire (Alexie Gilmore) নামের একজন জুনিওর টিচার কে মনে মনে পছন্দ করতেন । তাদের, মধ্যে একধরনের “Non-committal” রিলেশনশীপ ছিল । অর্থাৎ, পাবলিকলি বিষয়টা কেউ জানতোনা । তবে, এখানে সেই জুনিওর টিচার অর্থাৎ, Claire তাদেরই একজন সহকর্মী Mike (Henry Simmons) এর সাথেই সময় ব্যয় করতে বেশি পছন্দ করত । যে কিনা আবার Lance এর চেয়ে অনেক বেশি সফল । এরই মধ্যে, একদিন Lance তার এক বয়স্ক প্রতিবেশী Bonnie (Mitzi McCall) এর সাথে ভাব জমিয়ে ফেলেন যেদিন কিনা তার Claire এর সাথে ডেটে যাওয়ার কথা ছিল; কিন্তু কোনো এক জটিলটায় Claire তা বাদ দিয়ে দেয় ।

মোটামুটি এইভাবেই তাদের জীবন চলছিল । তবে, হঠাৎ করেই তা ভিন্ন একদিকে মোড় নেয় যখন, Kyle মারা যায় । Lance তাকে তার কম্পিউটার স্ক্রিন এর সামনে পরে থাকতে দেখে । পরে সে আবিষ্কার করে অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের কারনে, “Autoerotic asphyxiation” নামক জটিলতায় সে মারা যায় । কিন্তু, তার নিজের ছেলের এরকম করুন পরিণতি সে মেনে নিতে পারে না । তার কাছে মনে হয় তার ছেলে আর ভালো কিছু ডিসার্ভ করে । আর তাই তিনি এইটাকে একটা সুইসাইডের ঘটনা হিসেবে সাজায় আর তার ছেলের হয়ে একটা সুইসাইড নোট ও তার কম্পিউটার এ লিখে রাখে । পরে, তার এক ক্লাসমেট সেই নোট পান আর সাথেসাথে তা স্কুলের নিউজপেপারে ছাপিয়ে দেয় । আর এর ফলেই, পুরো ঘটনাটা পুরোপুরি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় । পুরো স্কুলে তখন Kyle এর নাম ছড়িয়ে পরে । সবার মধ্যেই তখন Kyle  এর প্রতি একধরনের মমতাবোধ জন্মাতে থাকল । এরপরে, মোটামুটি সবাই দাবি করতে থাকল তারা একসময় Kyle এর ফ্রেন্ড ছিল ! সবাই, তখন এই ভেবে দুঃখ পেতে লাগলো যে এতো প্রতিভাধর একজন ছেলে তাদের সহপাঠী ছিল অথচ তারা কিনা তা জানতোনা !

এর মধ্যে, তার বাবা তার ছেলের হয়ে এক জার্নাল লেখার সিদ্ধান্ত নেয় । যেইটা কিনা, তার ছেলেই মৃত্যুর আগে লিখেছে বলে দাবি করা হল । বলাই, বাহুল্য এরপর সকলেই আবার নতুন করে Kyle কে জানতে পারল । আর এরমধ্যে, Kyle এর কারনে তার বাবা তুমুল জনপ্রিয়তা পেল । তবে, এসব কিছুই Kyle এর ফ্রেন্ড Andrew এর কাছে সন্দেহজনক মনে হতে লাগলো । কারণ, সে  জানতো Kyle এর ক্যারাক্টার এর সাথে লেখাগুলো মোটেও খাপ খায়না । এই নিয়ে Lance কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো পাত্তাই দেয়না । ঘটনা দেখে মনে হতে পারে, Lance তার ছেলেকে বিক্রি করে তার নিজের ব্যাক্তিগত স্বপ্ন পূরণ করতে চাইছে । কিন্তু, ভুল ভাঙ্গে যখন এর মধ্যে, Kyle কে নিয়ে তাদের স্কুলে এক লাইব্রেরী খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং তার আগে Lance কে তার ছেলে সম্পর্কে কিছু বলতে বলা হয় । সেখানে, Lance পুরো সত্যি ঘটনাই বলে ফেলে; যে তার ছেলে অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের কারনে মারা গিয়েছে; আর, তার সকল নোট এবং জার্নাল তার নিজেরই লেখা ! বলাই বাহুল্য, এই সত্য জানার পরে Claire এর তার উপর যেই ইন্টারেস্টটুকু ছিল তাও আর অবশিষ্ঠ থাকলোনা । শেষে, তাকে তার সেই সহকর্মী Mike এর কাছেই ফিরে যেতে দেখা যায় ! আর একেবারে, শেষ দৃশ্যে Lance কে,  Kyle এর ফ্রেন্ড Andrew এবং তাদের সেই প্রতিবেশী Bonnie এর সাথে একসাথে বসে টেলিভিশন দেখতে দেখা যায় । Lance কে যথেষ্ট হাসিখুশি মনে হচ্ছিল এবং তাকে দেখে মনে হচ্ছিল সে যেন এখন মুক্ত, স্বাধীন এবং সর্বপরি সফল একজন বাবা ।

 

যাইহোক, আজকে এই পর্যন্তই । এইটা আমার জীবনের প্রথম মুভি রিভিউ । কাজেই, গঠনগত সমস্যা থাকা স্বাভাবিক; কেউ ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব । তবে, আশা করছি লেখাটা অন্ততপক্ষে সবার মধ্যে এই মুভিটা দেখার আগ্রহ সৃষ্টি হবে; ওইটা হলেই, আমার এই লেখা সার্থক । সবাইকে ধন্যবাদ ।

ভালো থাকুক সবার বাবা……

Now Reading
ভালো থাকুক সবার বাবা……

তখন ছিলো মে মাস,তীব্র গরম চারিদিকে…. (more…)