3
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

“পাহাড়ের কান্না” এই সংকট নিরসনে আমাদের করণীয় কি ?

Now Reading
“পাহাড়ের কান্না” এই সংকট নিরসনে আমাদের করণীয় কি ?

প্রাকৃতিকভাবে অপরুপ গঠনশৈলী রয়েছে আমাদের দেশের।এখানে রয়েছে ষড়ঋতুর বৈচিত্র্যময় একটা মেলবন্ধন। ঋতুর পালাবদলের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে পাল্টে চলে তার প্রকৃতির আচরণ। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার মূলত বিস্তৃত নদী,পাহাড় আর সুবিশাল সাগর সব মিলিয়ে একটা অপরুপ সৌন্দর্যের চিত্র যেন তৈরী করা হয়েছে। অনেককাল আগে থেকে এই দেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যতার গুণগান করেছে ভ্রমণকারীরা।সবমিলিয়ে দেশ ও বিদেশের ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে একটা ভাল বিকল্প এই বাংলাদেশ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মূলত পাহাড় আর নদীর এক অপূর্ব সম্মিলন রয়েছে। এই যেমন কক্সবাজারে রয়েছে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত আর বৃহত্তম চট্টগ্রামে রয়েছে এক বিশাল অংশ যা কিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম বলে পরিচিত। এই চট্টগ্রামের পাঁচ পার্বত্য জেলায় রয়েছে বিশাল এক নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। যারা কিনা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসলেও একটা সময় সরকারের আলাদা আইনের বলে আদিবাসী জনগণ হিসেবে পাহাড়ে বাস করে আসছে। মূলত স্বাধীনতার পর তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের এক ধরণের নিশ্চয়তা পেয়ে আসছে। বর্তমানে দেশের যাবতীয় প্রেক্ষাপটে তাদের আনুপাতিক হারে উপস্থিতি অন্তত তাই বলে। দেশের শিক্ষা সহ নানাক্ষেত্রে তাদের আলাদা সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এটা অবশ্যই একটা কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গৃহীত পদক্ষেপের জন্য সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। তবে স্থানীয় কিছু বিষয় নিয়ে বিবাদমান একটা ইস্যু যেন সবসময় অদৃশ্য বা আড়ালে থেকে একটা বিদ্বেষ বা উৎকন্ঠাকে বারবার জাগিয়ে দেয়। এই বিষয়ে সর্বোচ্চ মহলের তৎপরতা বা হস্তক্ষেপ জরুরী। একটা সময়ে পাহাড়ে সমতলের লোকজনের বসবাস যারা ‍কিনা পাহাড়ীদের কাছে বাঙ্গালি বলে পরিচিত। অথচ ঐ পাহাড়ের লোকজন বাংলাদেশের সমস্ত সুযোগ সুবিধা নিয়েও তারা পাহাড়ী পরিচয় দিতেই যেন স্বস্তিবোধ করে। বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ঘটিত কোন ইস্যুকে হাতিয়ার বানিয়ে একে অপরের প্রতি দোষারোপ বা বিদ্বেষ ছড়ানোর যে সংস্কৃতি তা হতে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। কোন কল্যাণকর রাষ্ট্র বা সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই ধরনের বিবাদমান কোন ইস্যু সার্বিক অর্থে হানিকর বটে। পাহাড়ের জনগণকে এগিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে সরকার শিক্ষা সহ চাকরির বিভিন্ন নিয়োগে আনুপাতিক হারে তাদের জন্য সুবিধা বরাদ্দ করে দিয়েছে। তাছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বাঙ্গালি জনগণ আর বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে একটা সুসম্পর্ক রয়েছে। পাহাড়ে নিয়োজিত সেনাবাহিনিসহ স্থানীয় প্রশাসনের সুষ্ঠু তদারকি কেবলই পারে পাহাড়ে একটা শান্তিময় পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে। একটা দেশকে কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে এই বিষয়ে তৎপর হবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করা যায়।

সম্প্রতি লংগদুতে ঘটে যাওয়া আগ্রাসন আর বিভিন্ন সময়ে ঘটা নানান অপ্রীতিকর ঘটনা অবশ্যই একজন বিবেকবানকে নাড়া দিবে। কেননা একটা কল্যাণকর রাষ্ট্রের স্বার্থে কখনো এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। এই তো গেল পাহাড়ে বসবাসরত মানুষের মানবিক কারণ আর তার কারণে সৃষ্ট নানান সমস্যার আলোকপাত যার নেপথ্যে রয়েছে অনেক লম্বা ইতিহাস।তাছাড়া বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে আমাদের উচিত কোন অর্ন্তসংঘাতে না গিয়ে একটা সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। যেখানটায় কেবল সবাই মানুষের মর্যাদা পাবে।

প্রেক্ষাপটঃ২

বর্তমানে প্রকৃতির বিরুপ পরিবেশের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের কারণে দেশে একটা সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। এটা হল মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যা কিনা পাহাড়ধস বলে পরিচিত। দেশে বর্তমানে বর্ষার স্থায়ীত্ব বেড়েছে সংগত কারণে পাহাড়ী অঞ্চলে অতিবৃষ্টির ফলে পাহাড়ের গাঁথুনী ঢিলে হয়ে পড়ে। এটা স্বাভাবিক। আমাদের দেশীয় পাহাড়ের গঠন মূলত বালি যুক্ত মাটি বা দোঁ-আশ মাটির দ্বারা।তাই বৃষ্টির প্রভাবে এই মাটি সহজে ভিজে যায় এবং পাহাড় ভেঙ্গে পড়ার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। দেশের পাহাড়গুলো মূলত টারশিয়ারী যুগের পাহাড় আর এগুলোর গঠন তেমন সুগঠিত না হওয়ায় এমন ঘটনা হচ্ছে।আমাদের দেশে এই সমস্যা একটা মানবসৃষ্ট দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল হকের উদ্ধৃতির বরাতে বলা যায়—অল্প সময়ে একটানা বৃষ্টি বা মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। তাছাড়া কোন সময় যদি খরা জনিত সমস্যার কবলে পড়ে পাহাড়গুলো তখন পাহাড়ের মাটি ফেঁপে উঠে আর মাটি আলগা হয়ে যায়। এই দুটো সমস্যা প্রাকৃতিক ছিল তার বাইরেও পাহাড় ধসের জন্য মনুষ্য সৃষ্ট কিছু কারণ রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম হল অপরিকল্পিত ভাবে পাহাড়ের পাদদেশ হতে নির্বিচারে মাটি কাটা যার কারণে পাহাড়ের মাটি সহজে অতি বর্ষণে ভেঙ্গে পড়ে। সংশ্লিষ্ট পাহাড়গুলোতে যদি অতি হারে বৃক্ষ নিধন করা হয় তবে তা মাটির উপর ধারণক্ষমতা হারিয়ে যায়। এই কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে অতি মাত্রায় বৃক্ষ নিধন আরো একটা কারণ যা কিনা পাহাড় ধসের নেপথ্যে বলে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশে ২০০৭ সাল থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে পাহাড়ধসের মতো ঘটনার জন্য প্রায়ই ৫০০ লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। পাহাড় বা তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরিচালিত একটা গবেষণায় দেখা গেছে এই যে সম্প্রতি পাহাড়ে কৃষি জমি বেড়েছে প্রায়ই ২৫ শতাংশের বেশি যা কিনা পাহাড়কে ধ্বংস করে করা হয়েছে। এমনকি পাহাড়ি ঝরণার প্রায়ই ৬০ শতাংশের মতো ঝরণা শুকিয়ে গেছে যার কারণে পাহাড়ের যে স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়ে পড়ছে।বিগত এক যুগে এসব অঞ্চলে পাহাড়ি বনাঞ্চল ধ্বংসের ঘটনাও ঘটেছে যা চোখে পড়ার  মতো এই হার হবে প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। এই ঘটনার জন্য প্রশাসন যেমন দায়ী তেমনি দায়ী ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো। কেননা ইদানীং দেখা যায় পাহাড় কেটে নেয়ার পর যে খালি জায়গা তৈরি হয় সেখানটায় গিয়ে বসত তৈরি করে কিছু মানুষ। তাদের অবশ্য আশ্রয় বা থাকার ব্যবস্থা করে দেয়ার বদৌলতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা সুযোগ সুবিধা নেয়। এই সব পাহাড়ের ভাসমান জমিদার হয়ে যায় অনেকে। এই সমস্যা বিশেষত বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ দেশের সব পাহাড়ি অঞ্চলেও; সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে মৌলভীবাজারের পাহাড় ধসের ঘটনায় ও প্রাণহানি ঘটেছে যেখানটায় অবৈধ বসতির কারণে লোকের মৃত্যু হয়েছে।

আপনি খেয়াল করে দেখবেন চট্টগ্রাম নগরীতে রেলওয়ের অধীন যে পাহাড়ী এলাকাগুলো আছে যার অনেকটায় নির্বিচারে গড়ে উঠেছে অবৈধ বসতি।এই যেমন সিআরবির পাহাড়,আমবাগান,পাহাড়তলীর বেশ কিছু বসতি যা কিনা পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে আছে। নগরের পাহাড় ধসের বিষয়টা সামনে আসে মূলত ২০০৭ সালে। তাছাড়া এবারের পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রাঙ্গামাটি আর বান্দরবান জেলায়। এখানে ব্যাপক প্রাণহানির সাথে যে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে আনতে প্রশাসনের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে। দুর্যোগ মনিটরিং সেলের হিসাব অনুযায়ী ধারণা করা হয় এসব এলাকায় প্রায় ৫০০ এর অধিক বাড়ি আছে যা কিনা ঝুঁকির আওতায়। নগরীর বাইরে এই ঝুঁকির আওতায় থাকা লোকের সংখ্যা নেহায়েৎ কম নয় কেননা তা মোটের উপর গিয়ে দাঁড়াবে ২০০০০ এর উপরে। এই লোকগুলোর শতকরা ৫০ ভাগও যদি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা রীতিমতো একটা দুর্যোগে পরিণত হবে।

আমাদের করণীয় কি হতে পারে এই পাহাড়ের সমস্যা নিরসনে…….

প্রথমত প্রশাসনকে একটা দক্ষ কমিটি গঠন করে যাবতীয় বিষয়ের সুষ্ঠু তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে।তাছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে ট্যুরিস্ট স্পটগুলোর কারণে যে অপরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে উঠেছে সে বিষয়ে একটা নির্ভরযোগ্য সমাধান জরুরী। এই সবকিছুর মধ্যে রয়েছে পাহাড় কেটে রাস্তা বির্নিমাণ বা বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা।এইসব বিষয়ে যদি আমরা একটু সচেতন হয় তবে ভবিষ্যতে অনেক ক্ষতির হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব বলে মনে হয়।

সর্বোপরি পাহাড়ে বসবাসরত সচেতন জনগণ আর সর্বস্তরের জনগণের নিজের নিরাপত্তার বিষয়টা নিজেদের সর্বাগ্রে খেয়াল করতে হবে ।কেননা আপনার বিপদ তো আপনাকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ব্যবসায়ী বা সুবিধাভোগীরা যদি একটু মানবিকভাবে নিজেদের অবস্থান থেকে সচেতন হয় তবে এত দুর্যোগ আর বিপত্তি তো আমাদের সামনে আসে না।

পুনশ্চ পাহাড় যদি এভাবে অস্থিতিশীল বা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় নগরমুখী মানুষগুলোর একটু প্রকৃতির সান্নিধ্য কিভাবে পাবে ? এই বিষয়ে আমরা সবাই নিজের অবস্থান হতে একটুখানি সোচ্চার হয় তবে দেখা যাবে সমস্যা অনেকাংশে মিটে গেছে।

সমস্যা আর সমাধান কিন্তু সবসময় পাশাপাশি অবস্থান করে।

এখানে ব্যবহৃত যাবতীয় তথ্য জাতীয় দৈনিক থেকে নেওয়া।

image from google;info about survey from national dailies.

থৈ থৈ চট্টগ্রামের করুন অবস্থায় একটি বিশেষ প্রশ্ন

Now Reading
থৈ থৈ চট্টগ্রামের করুন অবস্থায় একটি বিশেষ প্রশ্ন

চট্টগ্রাম এখন একটি নোংরা পানির আস্ত সুইমিং পুল। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতের ৩/৪ ঘন্টার বৃষ্টিপাতে প্রিয় শহরটি রুপ নিয়েছে ভেনিস নগরীতে, তবে পার্থক্য একটাই – ভেনিসের পানি তাদের গর্ব, আর চট্টগ্রামের আটকে যাওয়া এই পানি চট্টগ্রামের দুঃখ। চীনের দুঃখ হোয়াংহ নদী আর চট্টগ্রামের দুঃখ বৃষ্টি – হোক সেটা হালকা বা ভারী।

সেহরী খাওয়ার পর যখন গা-টা একটু বিছানায় এলিয়ে দিলাম, তখন খবর আসল “স্যার, আপনার অফিস পানির নীচে”। দৌড়ে গেলাম আর দেখলাম আসলেই অবস্থাটা কতটা শোচনীয়। ভোর ৬ টায় সেই পানি এখনও নামেনি। বিশ্বাস না হলে আমার ফেসবুক ভিডিওটি দেখে নিন।

এই মহুর্তে বুধবার রাত ১১ টা, যখন আমি এটি লিখছি এবং সকালের সেই পানি নামার কোন নাম গন্ধ নেই। বিদ্যুৎ নেই টানা ২১ ঘন্টা হয়ে গেল। আর সেই সাথে আবারো শুরু হলো ভারি বর্ষন। গতকালের বর্ষনের পানি কিন্তু এখনও যায়নি। গর্বের সাথে রয়ে গেছে আর চট্টগ্রামকে “সৌন্দর্যমন্ডিত” করছে। আর নতুন বৃষ্টিতে পানি আরো বাড়তে যোগ হচ্ছে। তো এখন আমরা কোথায় যাব?

চট্টগ্রামে নগর পিতা বাছাইয়ের প্রাককালে সবসময় সকল নগর পিতা হতে ইচ্ছুক ব্যাক্তিবর্গ একটা ওয়াদাই করেন, সেটি হলো, চট্টগ্রামের পানি নিস্কাসন ব্যবস্থাকে একেবারে ঠিক করে ফেলা। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদাই থেকে যায়, রেজাল্ট আর পাওয়া যায় না। সারাবছর অনেক কিছু বলা হলেও রেজাল্ট সব পানির নীচে চাপা পড়ে যায়। এই রোজার মাসে মানুষের দুর্ভোগ যেন এই কারনে আরো ১০ গুন বেড়ে গেছে। বেড়ে যাওয়াটাই নরমাল ব্যাপার।

এখন কথা হলো, কবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। ধরে নিলাম আমি বিশ্বাস করি সবার ওয়াদাগুলো বা নির্বাচনী ইশতেহার গুলো। কিন্তু কতদিন সেই বিশ্বাসের সাথে বসবাস করব? কিছু একটা তো চোখে দেখা দরকার তাই না? তাই যারা নগর চালান, তাদের উদ্দেশ্যে একখানা বিনীত আবেদন করছি, দয়া করে আমাদের অর্থাৎ চট্টগ্রামবাসীদের কি কোন তারিখ দিতে পারবেন? সেটা যখনই হোক না কেন। পারবেন কি? যেমন ২০১৯ সালের মার্চ মাসের ১২ তারিখ চট্টগ্রামের পানি আটকে যাওয়ার সমস্যা আর থাকবে না। পারবেন এরকম কিছু দিতে? বিশ্বাস করেন, এতটুকু একটা পারফেক্ট তারিখ যদি দেন, তাহলে ততদিন পর্যন্ত এই কষ্ট মেনে নিতে রাজি আছি। কোন সমস্যা নেই। আমরা আছি আপনার সাথে। আমার ভাই, তোমার ভাই, মেয়র ভাই, মেয়র ভাই – এই স্লোগানে গলা ফাটিয়ে ফেলব কথা দিলাম। শুধু একটা সত্যিকারের তারিখ দিন।

জানিনা আজ রাত চট্টগ্রাম বাসীর কেমন যাবে। বেশীরভাগ এলাকায় কোন বিদ্যুৎ নেই। ঘরে পানি। রোযার মাস। বাইরে যেতে পারছে না কেউ। গরম। আবার বৃষ্টি, আরো পানি। কই যাবে হতভাগা চট্টগ্রামবাসী। ডিজিটাল বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। আর বাণিজ্যিক রাজধানীর যদি এই হাল হয়, তবে কি করবে মানুষ? একটি তারিখ দিন। সত্যিকারের তারিখ, যে তারিখে চট্টগ্রামের এই সমস্যা সমাধান হবে। আর কিছু চাই না। আর না দিলে, তাও কিছু করার নাই। সাধারন মানুষের আর কিই বা করার আছে।

PS: পোস্টের কিছু ছবি আমার নিজেরই তোলা, আর কিছু ছবি নেয়া হয়েছে সাজ্জাদ মামুন ভাইয়ের কাছ থেকে।