ঝরা ফুল

Now Reading
ঝরা ফুল

শাহবাগে বসে চা খাচ্ছি। রঞ্জুর সাথে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা নিয়ে কথা বলছি। হঠাৎ একটি ছোট্ট মেয়ে কতগুলো তাজা গোলাপ হাতে এসে বললÑ স্যার, একটা ফুল কিনবেন।
আমি অন্য দিকে তাকিয়ে বললামÑ না, ফুল লাগবে না।।
স্যার আমার মায়ের খুব অসুক হইছে। হেরে হাসপাতালে নিতে হইব। একটা ফুল লন না, স্যার।
বললাম তো লাগবে না।
মেয়েটি মাথা নিচু করে নিঃশব্দে চলে যেতে লাগল। রঞ্জু ডেকে বললÑ এই মেয়ে শোনো। কী নাম তোমার?
শেফালি।
একটা ফুল দাও। কত টাকা?
স্যার দশ টাকা।
ফুল নিয়ে মেয়েটিকে টাকা দিতেই সে চলে যেতে লাগল।
শোনো। এ ফুলটি তোমার জন্য।
শেফালির ঠোঁটের কোণে চন্দ্রোজ্জ্বল হাসি ফুটে উঠল। মনে হয় সে যেন কোনো রাজদরবার থেকে বিশেষ উপঢৌকন পেয়েছে।
রঞ্জু অনেকটা এ রকমই মানবতাবাদী। তার অন্তর সব সময়ই মানুষের জন্য কাঁদে। সে সব সময় সমাজে ইকুইটির কথা বলত। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলত। সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করার কথা বলত। রঞ্জু করুণা বস্তুটিকে ঘৃণা করত।
প্রিয়াকে ভালোবাসত রঞ্জু। আমাদের ডিপার্টমেন্টেই পড়ত। প্রিয়ার চিন্তাচেতনা অনেকটা রঞ্জুর সহজাত। প্রিয়া অনেক ভালো ছবি আঁকত। চারুকলায় তার নাকি চান্স হয়েছিল, কিন্তু ইচ্ছা করেই পড়েনি। দেখতে একেবারে অসুন্দর নয়। রঙ শ্যামবর্ণ, চোখ কাজলা দীঘি, চোখের নজর কথা বলে আর পলক সবাইকে থামিয়ে তার কথা শুনতে বাধ্য করে। ঠোঁটের কোণে হাসির ঝরনা বইছে অনন্তকাল ধরে। চুল ঘাড় পর্যন্ত লম্বা, একগুচ্ছ বুকের ওপর ফেলে রাখে। উচ্চতা ৫ বাই ৫। জিন্স আর টি-শার্টই বেশি পরে। গানের গলাও খুব ভালো। রবীন্দ্রসঙ্গীতের গলা।
তমার জন্মদিনের দাওয়াতে গিয়ে অবাক। সেই টি-শার্ট পরা প্রিয়া, শাড়িতে। যেন সুশ্রী এক পরীকে দু’টি ডানা কেটে দেয়া হয়েছে। তমাও রঞ্জুকে পছন্দ করত। রঞ্জু এ কথা জানত। কিন্তু তার মনের নজর তমাকে এড়িয়ে গেছে। প্রিয়া তমার জন্য নিজ হাতে আঁকা একটি স্ক্যাচ উপহার দিয়েছিল।
রঞ্জুর চাওয়া ছিল একটু বেশি। বলত দেশে সেবা খাতে বিনিয়োগ বন্ধ করতে হবে এবং শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। প্রফেশনাল ডিগ্রিধারীদের ভালো স্যালারি দিয়ে দেশে ধরে রাখতে হবে। ব্রেনড্রেন ঠেকাতে হবে। কোয়ালিটি এডুকেশনের দিকে জোর দিতে হবে। মানুষকে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
ওর স্বপ্ন একটু বড়ই ছিল। সে বলত, থিংকিং বিগ। বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমার চিন্তা ছিল রঞ্জুর পরিপন্থী। পাঁচতলার ওপর থেকে পড়লে জীবনে ইতি ঘটবে। একতলা থেকে পড়লে হাত-পা ভাঙবে, কিন্তু মৃত্যুর আশঙ্কা কম। সে রকম বড় স্বপ্ন পূরণ না হলে কষ্টটাও একটু বেশি পেতে হবে।
রঞ্জু প্রায়ই শেফালির কাছ থেকে ফুল কিনত। ফুল কেনার বাহানায় শেফালিকে সাহায্য করত। পয়লা ফাল্গুনে সে অনেক ফুল কিনেছিল প্রিয়াকে দেয়ার জন্য। কিন্তু শেষমেশ সে ফুলগুলো দিতে পারেনি। প্রিয়া সেদিন আসবে বলে আসেনি। কেন আসেনি সে কারণটা রঞ্জুর হয়তো আজো জানা নেই। পরের দিন অবশ্য ওদের দেখা হয়েছিল। কিন্তু সেদিন রঞ্জু ফুলগুলো দেয়নি। রঞ্জু হয়তো জানত বাসি ফুলে পূজা হয় না।
দেখতে দেখতে পড়াশোনা শেষ হয়ে গেল। যে যার মতো চাকরি নিয়ে এদিক-ওদিক চলে গেলাম। আমি বিসিএসে টিকে গেলাম। পোস্টিং হলো কুমিল্লায়। তারপর কেটে গেল সাত বছর। কী এক অফিসিয়াল কাজে ঢাকার সচিবালয়ে কাজ শেষে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি সেই ফুল বিক্রেতা শেফালিকে। অনেক দিন পর দেখে চিনতে প্রথমে খানিকটা সময় নিলাম।
কিরে শেফালি, তুই এখানে?
স্যার কত দিনপর আপনারে দেখলাম।
ভালো আছিস?
হ। খুব ভালো আছি।
তুই রঞ্জুর কোনো খবর জানিস? মনে আছে রঞ্জুর কথা?
কী যে কন স্যার, মনে থাকব না ক্যান। হেয় তো প্রিয়া আফারে বিয়া করছে।
কী বলিস। ওরা কোথায় থাকে জানিস।
হ জানি। আফনে যাইবেন?
হ্যাঁ। চল।
রঞ্জু, তোর কোন খোঁজখবরই নেই। আমি সবার সাথে যোগাযোগ করেছি। কেউ তোর কোনো খোঁজ দিতে পারেনি। কেমন আছিস?
ভালো।
আমি জানতাম, তুই একদিন আসবি।
আমি একটা বিষয় কিছুতেই বুঝতে পারছি না। তোর মতো ব্যাচ টপার, যে কোনো দিন সেকেন্ড হয়নি, সে আজ এখানে কেন?
খারাপ কী? শিশুদের পড়াতে ভালো লাগে। আমি এই কচিকাঁচাগুলোকে পরিপক্ব করে তুলব; যাতে ঝড় এলে ভেঙে না পড়ে।
প্রিয়া কোথায়?
অফিসে। ও একটা এনজিওতে কাজ করে। দু’জনে মিলে এই পথশিশুদের নিয়ে ভালোই আছি।
আজ বাসস্ট্যান্ডে একটি তেরো-চৌদ্দ বছরের ফুলবিক্রেতা মেয়ে গাড়িচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তখন সেই পুরনো দিনের ভেলায় ভেসে বেড়ালাম স্মৃতির সাগরে। রঞ্জুর শেষ কথা আমার মনে খুব করে গেঁথে গেছে। ও ঠিকই বলেছিলÑ শাহবাগের ফুলের দোকানের সব ফুলই তো আর পূজার উদ্দেশ্যে মন্দিরে যায় না, কিছু ফুল শ্মশানঘাটেও যায়।

আমার ভালবাসার রাজকন্যা : পর্ব-০৪

Now Reading
আমার ভালবাসার রাজকন্যা : পর্ব-০৪

( ৩য় পর্বের পর থেকে……)

একটু পর আকাশ ফোন দিয়ে কতদূর কি হল, জানতে চাইলে, খুলে বললাম ওকে সব। সব শুনে ও বলল, “দেখ, মিলি রাজি হয় নি ঠিক আছে, কিন্তু মানাও তো করে নি। হয়ত সময় নিচ্ছে। জীবনের এমন একটা বড় সিদ্ধান্ত। তাড়াতাড়ি নেওয়া যায় না। পড়ে জানাবে হয়ত। কিন্তু তুই এত ভেঙ্গে পড়ছিস কেন।”

এমন পরিস্থিতিতেও ওর উপর রাগ হল, “আমাকে আমার ভালোবাসার মানুষ প্রত্যাখ্যাত করেছে। আর আমি কিনা হাসি খুশি থাকব।” দিলাম ফোন কেটে।

এরপর আকাশ কয়েকবার ফোন দিলেও আমি আর ধরি নাই। কথা বলতেই আর ইচ্ছা করছে না। কিছু ভাল লাগছে না।

মিলিকে ফোন দিলাম। প্রথমবার তো ধরলই না। ২য় বার কল দিলাম, কেটে দিল। ভাবলাম, গেছে সব শেষ হয়ে। যাও আগে বন্ধু হিসেবে ছিল। এখন পাগলামি করে নিজের ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে,  বন্ধুত্বটাও নষ্ট করলাম।

এরই ভিতর শুরু হল বৃষ্টি । কেমন শীতল পরিবেশ। বারান্দায় গিয়ে কিছুক্ষণ পায়চারি করে, আমার প্রিয় চেয়ারে গিয়ে বসলাম। গায়ে হাল্কা বৃষ্টি লাগছে। অন্যদিন এমন আবহাওয়ায় মনটা খুবই খুশি থাকত। কিন্তু আজকে কেন জানি অনেক কষ্ট লাগছে। মনে হচ্ছে খুব দামি জিনিস হারিয়ে ফেলেছি। জীবনে নিজেকে খুব একা লাগছে।

যা থাকে কপালে, চিন্তা করেই মিলির ফোনে মেসেজ দিলাম, তুমি তো হ্যাঁ বা না কিছুই বললে না। আচ্ছা থাক, তোমার কিছুই বলতে হবে না। যদি তুমি আমাকে ভালোবাসো, তাহলে আগামীকাল ক্লাসে সাদা রঙের ড্রেস পড়ে এসো। আর তোমার উত্তর যদি না হয়, তাহলে ওই রঙ বাদে, অন্য যেকোনো রঙের ড্রেস পড়লেই হবে। আমি তাহলে আমার উত্তর পেয়ে যাব। আর তোমাকে কখনও জ্বালাতে আসব না।

মেসেজ দিয়েই  বসে ভাবতে থাকলাম যে মিলি কি দিবে উত্তর? ও যদি মানা করে দেয়।

দেখলাম মেসেজ দেয়ার ২ ঘণ্টা হয়ে গেলেও তার কোন উত্তর নাই। পরে চেয়ার ছেড়ে  উঠে ঘুমাতে চলে গেলাম। ক্লান্ত অনেক। এমনি অনেক ঘুরাঘুরি হয়েছে আজকে।

মনের ভিতর চিন্তা ছিল, তাই অনেক ক্লান্ত থাকার পরও ঘুমাতে পারলাম না। একটু পর পর শুধু মোবাইল দেখি। কিন্তু মেসেজ আর আসে না। এমন করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেলাম, বুঝতেই পারি নি।

হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় দেখি সকাল ৮.৩০ টা বাজে। ক্লাস তো ১০টায়। এখনো ফোনে কোন মেসেজ বা কল, কিছু আসে নাই। সকালের নাশতাটা করতে করতে ভাবলাম, আজ আর ক্লাসে যাব না। কারণ গিয়ে কি আর হবে? মিলি তো আর হ্যাঁ বলবে না।। নাশতা সেরে রুমে গিয়ে ভাবছি ঘুম দিব। শুয়ে আছি। এর ভিতর আকাশ ফোন দিল, জানিয়ে দিলাম আজ আর যাব না ক্যাম্পাসে। ক্লান্ত অনেক। কিন্তু আকাশ যেহেতু সব জানেই, তাই পচানো শুরু করল। ঝাড়ি দিয়ে ফোন কেটে দিলাম।

এটা আমার আবার ছোটবেলা থেকে একটা বদ অভ্যাস। একজনের উপর রাগ করে, আরেকজনের উপর রাগ ঝাড়ি। এজন্য আমার হাতে গোনা ২-১ টা বন্ধু ছাড়া আর বন্ধু সংখ্যা বাড়েনি। আকাশ আবার আমাকে বুঝে, সে ইচ্ছা করেই একটু পর পর কল দিয়ে আমাকে জ্বালাতে লাগল।

মা এসে বললেন, “কিরে ক্লাসে যাবি না?”  আমি যাব না শুনে, কপালে হাত দিয়ে চেক করলেন যে জ্বর আসছে কিনা। জ্বর নাই দেখে বললেন, “তুই বিশ্রাম নে। আমি রান্নাটা শেষ করি।” বলেই মা চলে গেলেন রান্নাঘরের দিকে।।

আনুমানিক সকাল ১০.২০ এর দিকে……………………।

আবার ফোন। প্রথমে ধরি নাই। কারণ এটা আকাশের কাজ। আমি রাগ হলে, বেশি করে রাগানোর জন্য এমনটা করে প্রায়ই। ভাবলাম যে এবার ওকে ইচ্ছামত ঝাড়ব। তাই আবার কল দিতেই মোবাইলের দিকে না তাকিয়ে, ইচ্ছামত ঝাড়লাম পাক্কা ২ মিনিট। ফোনের ওইপাশের মানুষকে আর কথা বলার চান্স দেই নাই। ইচ্ছামত ঝাড়ছি।

হঠাৎ মেয়েলি আওয়াজ শুনতেই বোকা হয়ে গেলাম। মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখি এটা মিলির ফোন ছিল। আর আমি কিনা মিলিকে আকাশ ভেবে ইচ্ছামত ঝাড়ছি। এরপর তার কাছে অনেক ক্ষমা চেয়েও দেখি তার রাগ ভাঙ্গে না।

এরপর সে শুরু করল ঝাড়ি দেওয়া। কি আর করব। চুপচাপ মিলির ঝাড়ি শুনলাম। যদিও সেগুলি ঝাড়ি ছিল, তার মিষ্টি সুরে সেগুলি শুনতে অমৃত লাগছিল।

এরপর সে বলল, “আপনি কোথায় এখন? আমি ক্লাসে এসে আপনাকে দেখছি না। কই?”

আমি বললাম, “ভাল লাগছে না, তাই আজকে আর ক্লাসে আসি নাই।”

এটা শুনে আবার একচোট ঝাড়ি।  এরপর রেগে বলতে লাগল, “আপনার যখন ক্লাসে আসার ইচ্ছাই নাই, তাহলে আমাকে কেন সাদা রঙের ড্রেস পড়ে আসতে বললে?” এটা শুনেই বসা থেকে লাফিয়ে দাঁড়িয়ে পরলাম। মানে কি? মেয়ে যদি সাদা ড্রেস পড়ে, তার মানে তো আমার প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বোধক!!

শুনে বিশ্বাসই হচ্ছিল না। এর ভিতর তার কড়া অর্ডার, ১৫ মিনিটের ভিতর ক্যাম্পাসে তোমাকে আমার সামনে দেখতে চাই। সেটা শুনতেই আমার যতটুকু দেরি, কোনরকমে রেডি হয়ে, ছুটলাম ক্যাম্পাসে। আমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে দেখা করতে। আজ খুব খুশি আমি।

শাহবাগে এসেই ফুলের দোকান থেকে একগুচ্ছ লাল গোলাপ কিনে ছুটলাম আবার ক্যাম্পাসের দিকে। দেখি ক্যাফেটেরিয়ার সামনেই আমার স্বপ্নের রাজকন্যা দাঁড়িয়ে আছে। সাদা ড্রেসে মিলিকে পুরাই রাজকন্যার মত লাগছে। কোনোদিক না ভেবেই যা থাকে কপালে ভেবে নিয়ে সোজা তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে ফুলটা সামনের দিকে বাড়িয়ে ধরে বললাম , “আমি তোমাকে ভালোবাসি। প্লিজ মিলি , এবার তো আর না বোলো না। তাহলে কিন্তু পাগল হয়ে যাব।”

শুনেই সে একটু গম্ভীর ভাব নিয়ে বলল, “থাক। এখন আর কাউকে পাগল হতে হবে না। পরে সবাই আমাকে দোষ দিবে।” বলেই তার সেই ভুবন ভুলানো হাসি দিল।

আর আমি চেয়ে থাকলাম, তার সেই টোল পড়া গালের মিষ্টি হাসিটা দেখতে । যদিও অনেক খুশি আমি, তারপরও মিলিকে বুঝতে দিলাম না, “আচ্ছা তাহলে কালকে রাজি হলে না কেন?” আমার প্রশ্ন তার কাছে।

সেও তার মতই উত্তর দিল, “কালকে ফুল ছাড়া প্রপোজ করেছ ক্যান! ফুল ছাড়া কেউ প্রপোজ করে নাকি? আজকে ফুল না আনলে, আজকেও রাজি হতাম না। তবে এখন ঠিক আছে। বোকা ছেলে, কিচ্ছু বুঝে না।” বলেই আবার তার সেই হাসি।

একথা শুনেই আমরা কোথায় আছি, তা না ভেবেই জড়িয়ে ধরলাম মিলিকে ।

কারণ অবশেষে আমি যে আমার স্বপ্নের রাজকন্যাকে খুঁজে পেলাম। তাই আবেগটা অনেক বেশিই।

 

(…………শেষ……………)

 

 

এই সিরিজের পূর্বের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে নিচের লিঙ্কগুলোতে দেখতে পারেন………

১। আমার ভালবাসার রাজকন্যা : পর্ব-০১

http://footprint.press/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE/

২। আমার ভালবাসার রাজকন্যা : পর্ব-০২

http://footprint.press/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AA/

 

৩। আমার ভালবাসার রাজকন্যা : পর্ব-০৩

http://footprint.press/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AA-2/