জেনে নিন খাদ্যে ভেজাল চিহ্নিত করার ঘরোয়া উপায়!

Now Reading
জেনে নিন খাদ্যে ভেজাল চিহ্নিত করার ঘরোয়া উপায়!

“ভেজাল” শব্দটির সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। সেই ভেজাল এখন রুপ নিয়েছে ‘খাদ্য ভেজালের’। খাদ্য মানুষের জন্য অপরিহার্য একটি বিষয়। মানুষের শরীর সুস্থ রাখতে খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে, কিন্ত, সেই খাদ্য ই আজ ভেজাল এর কারণে মানুষের শরীরের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। খাদ্য ভেজাল বর্তমানে সর্ব আলোচিত বিষয় গুলোর মধ্য অন্যতম। ইতিপূর্বে, আমরা পরিচিত ছিলাম খাদ্য ভেজাল এর একটি উপায় ফরমালিন এর সাথে। ফরমালিন এর মাধ্যমে মাছ থেকে শুরু করে শাক-সবজি পর্যন্ত সকল কিছুকে পচনরোধ করে ভেজাল মিশ্রিত করা হয়ে থাকে। ফরমালিন এর মাধ্যমে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। দেশ যখন ব্যস্ত খাদ্য ফরমালিন মিশ্রণ বন্ধ করাতে ঠিক সেই মুহূর্তে চীন বের করে দিল প্লাস্টিক চাউল ও কৃএিম ডিম। শুনে অবাস্তব মনে হলেও এইটা বাস্তবে রুপ নিয়েছে অনেক আগে থেকেই।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্য ‘চীন অন্যতম। চীন একটি প্রযুক্তিগত উন্নয়নশীল দেশ। অন্যভাবে চীনকে নকল এর রাজা ও বলা যেতে পারে। অবশ্যই বাংলাদেশ থেকে চীন প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে। প্রযুক্তির দিক থেকে বিশ্বকে তাক লাগানোর দেশগুলোর মধ্য অন্যতম। কারিগরি শিক্ষায় এই দেশটি বেশ এগিয়ে চলেছে। বিভিন্ন প্রযুক্তিগত জিনিস এর নকল খুব সহজেই বানিয়ে ফেলে চীন। অন্যদিকে, বিশ্ব চীন এর প্রযুক্তিগত জিনিস-পএ ব্যবহার করে প্রযুক্তির দিয়ে চলছে একধাপ এগিয়ে। আর বিশ্ব যখন চীন এর প্রযুক্তির উপহারে মনোমুগ্ধ, ঠিক, তখন ই চীন বের করলো অভাবনীয় প্লাস্টিক চাউল ও কৃএিম ডিম। চীন এর এই আবিষ্কারে বিশ্ব আশাহত ভাবেই হতবাক।

অভাবনীয় এই দুই বস্তুর আবিষ্কারে চীন শুনেন নি কোন সাধুবাদের সুবাস। কারন, তাদের এই আবিষ্কারে কোন বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছে না বিশ্ব। কিন্তু, এই আবিষ্কারে মানব দেহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। যদি ও এই ক্ষতিকর প্লাস্টিক চাউল ও কৃএিম ডিম কোন বৈধ উপায়ে বাংলাদেশে আমদানি হয় নি। সাম্প্রতি কিছু আসাধু ব্যবসায়ী অসৎ ভাবে এই ক্ষতিকারক প্লাস্টিক চাউল ও কৃএিম ডিম আমদানি করেছে বলে জানা গেছে এবং তা সাধারণ বাজার গুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই এই দুঃসংবাদ গভীর ভাবনার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের।

চাউল ও ডিম আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যভাসের বিশেষ অংশ হিসেবে বিবেচিত। বাঙালির একটা কথা আছে, “মাছে ভাতে বাঙালি”। তাই তো চাউল ও আমাদের বিশেষ প্রয়োজনের এবং আমাদের শরীরের শর্করা পূর্রণে অন্যতম বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে ‘চাউল’। এদিকে ‘ডিম’ আমিষ এবং প্রোটিনের অভাব পূর্রণ করে থাকে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য আমিষ ও প্রোটিনের অভাব পূর্রণের ক্ষেএে ‘ডিম’ থাকে পছন্দের তালিকায়।
কিন্তু, চীন এর আবিষ্কারকৃত প্লাস্টিক চাউল ও কৃএিম ডিম খুব ই আশংকায় কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। কারণ প্রাকৃতিক চাউল ও ডিম এর মতোই দেখতে ই চীনের তৈরিকৃত প্লাস্টিক চাউল ও কৃত্রিম ডিম।

প্লাস্টিক চাউল খাওয়ার মাধ্যমে প্লাস্টিক মানুষের পাকস্থালী তে এক প্রকার মারাত্মক গ্যাস তৈরি করে, যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এবং প্রতিদিন এই প্লাস্টিক এর চাউল খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের কিডনি ও ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে ‘ডিম’ মানুষের শরীরের জন্য যতটাই উপকারি, নকল কৃত্রিম ডিম মানব দেহের জন্য ততটাই ক্ষতিকারি। চীন এর তৈরিকৃত এই নকল কৃত্রিম ডিম তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষতিকারক কেমিকেল এর মাধ্যমে। জিপসাম পাউডার, প্যারাফিন ওয়েক্স, বেনজোয়িক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, জিলেটিন, সোডিয়াম অ্যালগিনেট, সেলিকাম কার্বেনেট এর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে এই নকল কৃত্রিম ডিম। এই কৃত্রিম ডিম এর মাধ্যমে নার্ভ সেল ড্যামেজ ও লিভার খারাপ হওয়ার আশংকা সহ পেট এ নানাবিধ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

সাধারণ চাউল ও ডিম এর মতো ই দেখতে প্লাস্টিক চাউল ও কৃত্রিম ডিম ছড়িয়ে পড়েছে
সাধারণ বাজার থেকে সুপার মার্কেট পর্যন্ত। নকল চাউল আর আসল ডিম চেনা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। কিন্তু “নিজে স্বাস্থ্য নিজের সম্পদ”, তাই নিজের স্বাস্থ্যগত নিরাপদ এর কারণে নকলের মাঝে থেকে আসল চিনতে পারা টা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও বটে।
কিছু সাধারণ বিষয় মনে রাখলে, অবশ্যই আসল চাউল ও ডিম খুঁজে বের করা সম্ভব।

★ প্লাস্টিক চাউল > মনে রাখবেন এইটি একটি প্লাস্টিক দ্রব্য। তাই কয়েকটি চাউল আগুনে দিন দেখবেন পুড়ে যাবে। এবং তা খুব ই তাড়াতাড়ি। সেই চাউল গুলো পুড়বার সময় প্লাস্টিক পোড়ার গন্ধ বের হবে।

প্লাস্টিক সব সময় পানির উপরিভাগে উঠে থাকে। কয়েকটা চাউল নেন এবং একটি গ্লাসে পানি নিয়ে তার ভিতরে ছেড়ে দিন। দেখবেন চাউল গুলো যদি ভেসে থাকে তাহলে সেগুলো প্লাস্টিক চাউল।

সাধারণ চাউলের তুলনায় প্লাস্টিক চাউল গুলো একটু বেশি চ্যাপ্টা আকৃতির হয়ে থাকে।

অন্যদিকে কৃএিম ডিম চেনার জন্য ও কিছু সাধারণ উপায় আছে।

★ কৃত্রিম ডিম > নকল ডিম আসল ডিম অপেক্ষা একটু বেশি চকচকে হয়ে থাকে। তাই এক্ষেএে আপনাকে মনে রাখতে হবে, ” চকচক করিলে সোনা হয় না”।

আপনি যেই ডিম টা নিতে যাচ্ছেন সেই ডিমটায় একটু হাত টা চালিয়ে দেখুন মসৃন কিনা? যদি মসৃন হয় তাহলে এটি আসল ডিম। কারন, নকল ডিম কখনো একেবারে মসৃন হয় না। এই ক্ষেএে আপনাকে মনে রাখতে হবে, “উপরওয়ালার সৃষ্টি নিখুঁত হয়”।

আপনার হাতের সামনের ডিমটি কানের সামনে নিয়ে হালকা নাড়িয়ে দেখুন তো কোন শব্দ অয়ান কিনা? যদি শব্দ পান তাহলে এইটি ই সেই কৃএিম ডিম। আর যদি না পান, তাহলে আপনি আসল ডিম পেয়েছেন। কারন, কৃত্রিম ডিম গুলো তৈরি হয়ে থাকে বিভিন্ন কেমিকেল দিয়ে, তাই এর ভিতরের কুসুম আসলের মতো হয় না।
এক্ষেএে আপনে মনে রাখতে পারেন, “খালি কলসি বাজে বেশি”।

আসল ডিমের সাদা অংশ থেকে খুব সহজেই কুসুম আলাদা করা যায়। কিন্তু, নকল ডিম এর ক্ষেএে ঠিক বিপরীত দিক টা হবে। কারন, কৃত্রিম ডিম এর কেমিকেল দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে তা আলাদা করা যায় না।

সবশেষে আরেকটা পরীক্ষা আপনি করতে পারেন, তা হলো, ডিমের খোসা টা আগুনে ফেলুন, যদি সাথে সাথে আগুন লেগে যায়, তাহলে এইটি নকল ডিম। এবং এর খোসা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে, তাই পোড়ার সময় গন্ধ টা প্লাস্টিক পোড়ার হবে।

আপনার শরীর আপনার সম্পদ। একে সুস্থ রাখার দায়িত্ব ও আপনার। তাই চোখ কান খোলা রাখুন এবং সবসময় আমাদের সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ।

শত ব্যস্ততার মাঝেও থাকলে ফিট,আপনিই হবেন সুপারহিট!

Now Reading
শত ব্যস্ততার মাঝেও থাকলে ফিট,আপনিই হবেন সুপারহিট!

বর্তমান কর্মব্যস্ততার জীবনে,কর্মব্যাস্ততার জন্য আমাদের খাবার ঠিক সময়ে খাওয়া হয়ে ওঠে না। কর্মব্যস্ততার জন্য অনেক সময় ই বাহিরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়। এবং এরই মাধ্যমে আমাদের শরীরের হয়ে থাকে নানাবিধ জটিল সমস্যা। জটিল সমস্যাগুলো মধ্য অন্যতম হলো গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা।
এটি এমন একটি সমস্যা যার সাথে নাতি-নানা পর্যন্ত আমরা সকলেই পরিচিত।
এটি প্রধানত একটি গ্যাসজনিত সমস্যা। এই সমস্যার অন্যতম কারন হিসেবে উল্লেখিত হলো “খাবারের অনিয়ম “। এছাড়া ও ফাস্টফুড এর ভাজা পোড়া, পার্টি বা দাওয়াতের হালকা মশলাযুক্ত খাবার খেলে হয়ে থাকে এই গ্যাসের সমস্যা।
বুক জ্বালা, গলা জ্বালা ও পেট ব্যাথা এর অন্যতম লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত। যারা এই অসহ্যকর সমস্যার শিকার হয়েছেন, তারাই বলতে পারবে এটা কতো টা অস্তিকর ও জ্বালাদায়ক। তাই এখন দেখা যায়, কোন বাসা বাড়িতে খাবারের জন্য আর কিছু না থাকলেও, একটি গ্যাস্ট্রিক এর ঔষুধের পাতা সব বাসায় ই পাওয়া যায়।
এই গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা প্রখর হলে এর থেকে ‘আলসার’ এর মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে। তাই এর থেকে সচেতন থাকা দরকার।
শুধু মাএ গাদা গাদা গ্যাস্ট্রিক এর ঔষুধে এই সমস্যা সমাধান হবার নয় বলে জানান বিশেষজ্ঞ ডাক্তারবৃন্দ।
এই রোগ টি এখন সর্বসাধারণের রোগ হিসেবে চিহ্নিত। এই মারাত্মক সমস্যা থেকে পরিএাণ পাবার একটি উপায় হলো সুপরিকল্পিত “খাবার রুটিন”। এই রোগ নিরাময় এর জন্য খাবার রুটিন এর বিকল্প নেই। এছাড়াও প্রতিদিন যদি কিছু খাদ্যভাস মেনে চলা যায় তাহলে এ থেকে পরিএান পাওয়া যেতে পারে।

★ শসা > শসা খুব ই সাশ্রয়ী মূল্যের একটি সবজি। কম বেশি সবাই এই সবজি পছন্দের তালিকায় রাখেন। কেন জানেন? শসা আমাদের শরীরের চর্বি কমায় এবং তর্ক পরিষ্কার করে থাকে। কিন্তু, আরো গুরুত্বপূর্ণ যেইটা তা হলো শসা পেট ঠান্ডা রাখে এবং এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি যা পেটের গ্যাস এর উদ্রেক কমায়।
★ দই > দই বাঙালির ঐতিহ্য। যেকোন পারিবারিক উৎসবে বাঙালির কাছে এর বিকল্প নেই। দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং এটি পেট কে করে গ্যাস ঝামেলামুক্ত।
★ পেঁপে > পেঁপে সাধারণ সবজি হলেও এটি বেশ কার্যকরী। হেপাটাইটিস বি এর মতো মারাত্মক রোগ এর ক্ষেতে ডাক্তারা কাঁচা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া পেঁপে তে থাকা পাপায়া নামক এনজাইম আছে, যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। আর নিয়মিত পেঁপে খেলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
★ আদা > আদা হলো সবচাইতে কার্যকরী মসলা। যার মধ্য আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। এই মসলাটি কাঁচা কুচি করে খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাস এর সমস্যা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি মেলে।
★ ঠান্ডা দুধ > ঠান্ডা দুধ এই গরমে অনেকেই বেশি পছন্দ করে থাকেন। ঠান্ডা দুধ পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক এসিডকে হ্রাস করে এবং অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয়।
★ পুদিনাপাতার পানি > বিভিন্ন ফাস্টফুডের খাবার ই পুদিনাপাতা দিয়ে পরিবেশিত হয়ে থাকে। ৫ টি পুদিনাপাতা এক কাপ পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে খেলে, পেটফাঁপা ও বমি ভাব এর থেকে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
★ লবঙ্গ > ২/৩ টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে বুক জ্বালা, বমিবমি ভাব এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
★ এলাচ > লবঙ্গ এর মতো করেই, এলাচ এর গুড়ো খেলে গ্যাসের সমস্যা দূর হয়।
★ দারুচিনি > খাবারের স্বাদের জন্য দারুচিনি বেশ ফলপ্রসূ। দারুচিনি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। একগ্লাস পানিতে অাধ চামচ দারুচিনির গুড়ো দিয়ে দিনে ২-৩ বার খেলে, গ্যাসজনিত সমস্যা গুলো দূরে থাকবে।
★ কলা ও কমলা > কম বেশি এই দুইটি ফল সবার ই খাওয়া হয়ে থাকে। কলা যেমন আমাদের শরীরের ক্যালরি জোগান দেয় তেমনি কমলা আমাদের ভিটামিন এর অভাব পূরণ করে থাকে। এছাড়াও কলা একটি আশঁযুক্ত খাবার, এতে রয়েছে সলুবল ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। কলা ও কমলা পাকস্থালীর অতিরিক্ত সোডিয়াম কমায়। এতে করে গ্যাস এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

★ জিরা > জিরা মাংসের সাথের একটি পরিচিত শস্য দানা। জিরা পেটের গ্যাস, বমি,পায়খানা, রক্তবিকার সহ প্রভৃতিতে ফলপ্রসূ একটি শস্য দানা।জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা ১০ গ্রাম আখের গুড়ে ভালো করে মিশিয়ে পাচঁটি বড়ি করতে হবে। দিনে ৩ বার একটি করে খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দিবে।
★ সরিষা > সরিষা আর সরিষার ক্ষেতের সাথে বাঙালির অন্যরকম এক সম্পর্ক বিদ্যমান । সকলেই জানে বাঙালির সরিষা ইলিশের রসের গল্প। আধুনিকতার খাবারে যত ই আসুক বাঙালির খাবারে সরিষার একটা রেশ থেকে ই যাবে । সরিষা পেট এ গ্যাস কমায় এবং অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয়।

গ্যাস যেমন একটি শারীরিক সমস্যা, তেমনি, এটি একটি মানসিক সমস্যার ও কারন বটে। কারন, গ্যাস্ট্রিক এ বুক জ্বালা ও পেট ব্যাথা সব কিছু কে ই করে দেয় মূল্যহীন। তখন মেজাজ হয়ে যায় খিটখিটে। আর অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক এ পেট এ আলসার ঘাঁ হয়ে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
তাই সকলকে খাবার রুটিন মেনে চলা উচিত, যদি সমস্যা হয় তাহলে ঘরোয়া উপায় গুলো প্রয়োগ করা দরকার এবং অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।