3
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

ইনসেপশন বিশ্লেষন (পর্ব ২)

Now Reading
ইনসেপশন বিশ্লেষন (পর্ব ২)

এই অংশে ট্র‍্যাক রাখার জন্য ইনসেপশন বিশ্লেষন পর্ব ১ পড়া থাকতে হবে।

আজকে আলোচনা করবো মুভির প্যারালাল অর্থাৎ পাশাপাশি ২ টা কাহীনি কিভাবে চলছে তা নিয়ে, তাদের মিশনের বিস্তারিত তে যাবো পরের পর্বে।

ইনসেপশন হলো চিন্তার বীজ বুনে আসা। অবচেতন মনে। আমরা আসলে কোনো সিদ্বান্ত এভাবেই নিয়ে নেইনা, মন কিছুটা যুক্তি কিছুটা বিবেকের উপর চলে।

হয়তো আবেগ অনুভূতি আমাদের চালায়। খুব সুক্ষ্ম হলেও ব্যাপার টা শক্তিশালী। কারন এই বীজ থেকে যে বিশাল বৃক্ষ হয়,সেটাই আসলে আমাদের ব্যাক্তিত্ব। কথায় আছে

“Our experience & our decisions make the shape of us”

ইনসেপশন মুভি টাতে এই কমপ্লেক্স প্লট টার পাশাপাশি আরেকটা কাহীনি প্যারালাল ভাবে চলে।

তা হচ্ছে কব কে নিয়ে, যে হচ্ছে আর্কিটেক্ট। লিওনার্দো ডিক্যপ্রিও। তার জীবনে একটি নেগেটিভ মেমোরি আছে। সে আর তার স্ত্রী ম্যাল স্বপ্নের গভীর থেকে গভীরে বিচরন করে বেড়াতো। তারা কি পরিমান লেয়ার পাড় করেছিলো একসময় তার হিসাব টা হারিয়ে যায়।

তারা গভীর (মুভি তে বলে limbo) থেকেও গভীরে অবচেতন অংশে চলে যায় এবং সেখানে তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী তাদের পৃথিবী তৈরী করে ফেলে।

এখানে আরেকটা কথা বলে নেই, এই ইনসেপশন এ ঢুকে তারা যেনো রিয়েলিটি ভুলে না যায়, তার জন্য তারা সবাই নিজেদের একটা “টোটেম” তৈরী করে।

যেমন একটা লাটিম যদি আমরা ঘুরিয়ে দেই, সত্যিকারের পৃথিবীতে লাটিম টা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঘুরে থেমে যাবে, কিন্তু স্বপ্নের ক্ষেত্রে হিসেব টা একরকম না।

লাটিম টা ইনফিনিট সময় ধরে ঘুরতে থাকবে। সেরকম একটি লাটিম টোটেম হিসেবে ছিলো কব এবং ম্যাল এর। কিন্তু লিম্বো তে গিয়ে ম্যাল একসময় নিজেই চায় রিয়েলিটি ভুলে যেতে। কারন তাদের নিজের তৈরী করা পৃথিবীতে তো ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু নেই।

ম্যাল তার টোটেম টা ঘুরানো বন্ধ করে একটা গোপন ভল্টে রেখে দেয়। কব তাকে অনেক বোঝায়, কিন্তু ম্যাল ভুলে যায়। যে সে স্বপ্নের পৃথিবীতে আছে..

কব তাকে বোঝায় তারা এই স্বপ্নের পৃথিবীতে সুইসাইড করে ফিরে যেতে পারে রিয়েলিটি তে। কিন্তু ম্যাল বিশ্বাস করেনা..

একসময় বাধ্য হয়ে কব ম্যাল এর অবচেতন মনে ইনসেপশন এর মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং গোপন ভল্ট অর্থাৎ রুপক ভাবে যেটিকে ম্যাল এর চিন্তার বীজ দেখানো হয়েছে,সেখানে গিয়ে লাটিম টি ঘুরিয়ে দিয়ে লকটি বন্ধ করে রেখে দেয়।

ম্যাল এর মাথায় তখন আসতে থাকে লাটিম ঘুরছে, সে মিথ্যা জগতে আছে। তারা একসাথে সুইসাইড করে,লিম্বো থেকে বেরিয়ে যায়। একটার পর একটা কিক এর মাধ্যম এ তারা রিয়েলিটি তে ফিরে আসে।

কিন্তু সমস্যা একটা রয়ে যায়, ওইযে অবচেতন মনে বীজ বোনা হয়ে গেছে সে রিয়েলিটি তে নেই, সেটা গেথে যায় মাথায়। রিয়েলিটি তে থেকেও সে মনে করতে থাকে সে স্বপ্নে বাস করছে।

ওইযে কোনো স্বপ্ন থেকে হঠাত জেগে উঠলে একটা ফিলিংস হয়না যে এখনো স্বপ্নের মধ্যে আছি? কি হলো? কি দেখলাম? কয়েক সেকেন্ড এর জন্য কিন্তু আমরা খেই হারিয়ে ফেলি, যে আসলে এখন কয়টা বাজে?

আমি কোথায় আছি? ম্যাল এর ক্ষেত্রে শুধু ফিলিংস টা পার্মানেন্ট হয়ে গিয়েছিলো, এবং সে ভাবছিলো এখানে সুইসাইড করলে সে সত্যিকারের পৃথিবীতে চলে যাবে, কিন্তু সে যে অলরেডি রিয়েলিটি তে, তা সে বুঝতে পারেনি…

 

সুইসাইড করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সে

একসময় সে তাদের বিবাহবার্ষিকী এর দিন সত্যি সত্যি অনেক উচু বিল্ডিং এর জানালা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। এবং আত্মহত্যা করার আগে কব কেও অনুরোধ করে, কব তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলে বলে সে তার আত্মহত্যার জন্য কব কে দায়ী করে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছে,সে মারা গেলে কব যদি থাকে সেও রেহাই পাবেনা, কব কে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

আত্মহত্যা হলেও,কব জানে এর প্ররোচক সে। সে শহর থেকে পালিয়ে থাকতে শুরু করে,

সে শুধু ফিরে যেতে চায় পুরানা বাড়িতে যেখানে তার ছোট ২ টি সন্তান আছে। কিন্তু তার জন্য তার দরকার বিরাট পাওয়ারফুল কারো সাহায্য যা এই মুহুর্তে সে পাচ্ছেনা।

এর ই মধ্যে তার কাছে আবার অফার আসে ইনসেপশন এর।

যে ব্যবসায়ী তাকে প্রতিশ্রুতি দেয়, তার প্রতিদ্বন্দ্বী এর মাথায় ঢুকে তারা যদি প্রয়োজনীয় তথ্য প্লান্ট করে আসতে পারে, তাহলে তার পাসপোর্ট ক্লিয়ার করে দিবে সে, কব তার সন্তানের কাছে ফিরে যেতে পারবে। কাজ সমাধান হলে একটা ফোন কল ই যথেষ্ট।

কোনো একজন ব্যবসায়ী এর মনের গভীর থেকে গভীর অংশে গিয়ে তথ্য বের করে আনতে হবে এবং নতুন বীজ বুনে দিতে হবে। শুরু হয় এডভেঞ্চার। সমস্যা হচ্ছে ম্যাল কে নিয়ে, সে কব এর স্মৃতি তে একটি খারাপ অংশ জুড়ে আছে..

ম্যাল বেচে আছে শুধু কবের স্মৃতি তে, কব স্মৃতির সাথে স্বপ্ন মিলিয়ে ফেলে। সে নতুন স্বপ্ন বানাতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হয়। স্বপ্নে ম্যাল কে মেরে ফেললেই হারিয়ে যাবে সে, কিন্তু কব এই কাজটাই করতে পারেনা। এখানেই তার দুর্বলতা..

এবং কব স্বপ্নের কোনো মিশনে গেলেই ম্যাল সেখানে গিয়ে সব উলট পালট করে দেয়, কারন কব আর্কিটেক্ট, কোথায় কি আছে কব জানলে ম্যাল ও তা জানে। কব তখন ইনসেপশন এর জন্য সাহায্য নেয় আরেক আর্কিটেক্ট এর।

তারা তাদের যে অফার দেয় তার প্রতিদ্বন্দ্বীর মাথায় ঢুকে। খুঁটিনাটি মিশন শুরু হয় তখন। প্রথম ধাপে তারা থাকে প্লেনে…

এখান থেকে কাহীনি এর কমপ্লেক্সিটির শুরু। আলোচনা করবো আরেকদিন তৃতীয় পর্বে। চলবে…

ইনসেপশন বিশ্লেষণ (পর্ব ১)

Now Reading
ইনসেপশন বিশ্লেষণ (পর্ব ১)

এই মুভিটা বানানো হয়েছে পুরোপুরি ড্রিমবেসড আইডিয়া দিয়ে। আমি ইন্টারস্টেলার নিয়ে লিখার পর, এই মুভি বিশ্লেষণ এর জন্য রিকুয়েস্ট এসেছে, আমি যতটুকু পারছি আমার জ্ঞান থেকে এবং বিভিন্ন ইনফরমেশন থেকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি। এক্সেক্টলি রেফারেন্স দিতে পারছিনা কারন একেক সময় একেক বই থেকে তথ্য গুলো পড়েছিলাম। কোনো ভুল তথ্য দিয়ে ফেললে ক্ষমা সুন্দর দৃস্টি তে দেখবেন আশা করি, তবে অবান্তর তথ্য দেয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ। শুরু করি..

 

স্বপ্ন জিনিস টা আসলে কি? স্বপ্ন নিয়ে বিজ্ঞানীরা কম ঘাটাঘাটি করেন নি,কিন্তু এর একেবারে পারফেক্ট ব্যাখ্যা এই পর্যন্ত কেউ দিতে পারেন নি। স্বপ্নের অদ্ভুত কিছু উদাহরণ আছে যেমন অনেকে দাবি করে সে স্বপ্নে যা দেখে তাই হয়..তা কিন্তু সবসময় মিথ্যা না,

আবার, অনেক ছোট বাচ্চারা এক্সিডেন্টাল ভাবে বিছানা ভিজিয়ে ফেললে তারা অজুহাত দেয় সে স্বপ্নে দেখেছে সে বাথরুম এ গেছে। কথাটা কিন্তু মিথ্যা না,অনেকের এই ধরনের অভিজ্ঞতা আছে।

কিছুটা অবাক করা হলেও সত্যি স্বপ্নের সাথে আমাদের বাস্তব জীবনের স্মৃতি গুলোর সম্পর্ক থাকে। যাবতীয় স্মৃতি গুলো আমরা স্বপ্নে দেখি, অনেক সময় আবার আমাদের কোনো কিছুর প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকলে তা আমরা স্বপ্নে দেখি। কোনো ব্যাপারে ভীত থাকলেও আমরা স্বপ্নে দেখি। যেমন, অনেক মানুষ এর কমন একটা স্বপ্ন হচ্ছে অঙ্ক পরীক্ষা দিচ্ছে কিন্তু কিছু পারছে না, আবার আরেকটা কমন স্বপ্ন হচ্ছে খুব উপর থেকে কেউ পরে যাচ্ছে। এ ধরনের অনেক অদ্ভুত ব্যাপারের মধ্যে আরেকটি হলো অনেক সময় এমন হতে পারে, স্বপ্নে আমরা দেখলাম কেউ খুচিয়ে খুচিয়ে আমাদের হাতের আংগুল ফুটো করছে,ঘুম থেকে ওঠার পর হাতে খোচা খোচা দাগ পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা এর ব্যাখ্যা টা এভাবে দেয় যে, আমাদের শরীর এর কোনো অংশে আমরা ব্যাথা পেলে সেটি স্নায়ুর মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্কে যায়,তারপর ব্যাথার অনুভূতি আমরা পাই, এখন স্বপ্নের পুরো ব্যাপার টা ঘটে আমাদের মস্তিষ্কে,তাহলে সেখান থেকে ব্যথার অনুভূতি রিভার্স করে শরীরেও আসতে পারে।

স্বপ্নের দৈর্ঘ্য কিন্তু খুব বেশী হয়না, সাধারনত এর সময় থাকে ৩-৪ সেকেন্ড। কিন্তু আমাদের কাছে কিন্তু মনে হয় স্বপ্নে আমরা বিরাট বিরাট সিনেমা সমান কাহীনি দেখে ফেলি।

 

এগুলো শুধু স্বপ্নের বেসিক কিছু ধারনা,পুরোটাই থিওরিটিকাল। এখন মুভির অংশে আসি..

 

মুভিতে আরো বেসিক এবং ডিপ কিছু ধারনা ক্রিস্টোফার নোলান ব্যবহার করেছেন।

 

আগে একটু মূল কাহীনি টা বলে নেই, তারপর ব্যাখ্যায় যাবো, এখানে একদল ড্রিম ইঞ্জিনিয়ার থাকে,এরা স্বপ্ন বা চিন্তা চূরি করে। এখানেই খটকা লাগলো তাইনা? স্বপ্ন বা চিন্তা আবার কিভাবে চুরি করে? হ্যা ব্যাখ্যায় আসছি একটু পর। (১)

 

তাদের এই কাজ টা লিগাল না। তাদের দলে একজন থাকে আর্কিটেক্ট (লিওনার্দো ডিক্যপ্রিও) যে স্বপ্ন টা গোছাবে,বিল্ডিং,রাস্তা,সব কিছু। (২)

 

একজন এর দায়িত্ব থাকে যার স্বপ্নে তারা প্রবেশ করেছে তার ভেতরের গোপন তথ্য গুলো বের করে আনা। (৩)

 

একজন থাকে কেমিস্ট, যে ঠিক করবে যে ধাপে ধাপে স্বপ্নের কতটা গভীরে তারা যাবে? (৪)

 

ব্যাখ্যা ১ : স্বপ্ন চুরি করা বা চিন্তা চুরি করা: একজন মানুষ যখন স্বপ্ন দেখে সে কিন্তু স্বপ্নের ভেতর জানেনা যে সে স্বপ্ন দেখছে, সে তখন সবাইকে বিশ্বাস করে, তার সবচেয়ে গোপন থেকে গোপন কথা গুলো সে বলে দেয়। আর সেগুলি কি হতে পারে? হতে পারে তার ব্যাংক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড, হতে পারে তার গোপন ভল্ট এর পিন নাম্বার, হতে পারে এমন কোনো তথ্য যা তার প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ীর কাছে মারাত্মক মূল্যবান।

 

ব্যাখা ২ : স্বপ্নের আর্কিটেকচার এর কাজ কি? সে স্বপ্ন টা এমন ভাবে গোছাবে যেনো তারা সবাই জানে কোথায় কোন রাস্তা টা আছে, যার স্বপ্নে তারা প্রবেশ করছে সে সন্দেহ জনক কিছু টের পেলে তারা পালাবে কোনদিক দিয়ে,অর্থাৎ তারা “কিক” টা স্বপ্নের ঠিক কোথায় রাখবে?

 

এখন প্রশ্ন আসে “কিক” কি?

আচ্ছা আমরা যখন স্বপ্ন দেখি তখন আমরা ধরমর করে ঘুম থেকে উঠি কখন? কোনো এক্সিডেন্ট হলে, ওপর থেকে ধপ করে পড়লে, বা স্বপ্নে মারা গেলে। আর্কিটেক্ট স্বপ্নে “কিক” এর ব্যাবস্থা রাখবে যেনো তারা জরুরি মুহুর্তে বের হয়ে যেতে পারে।

 

এখন আসি ব্যাখ্যা ৩ এ: গোপন তথ্য এক্সট্রাক্ট করবে কিভাবে? মানুষ কাকে তার সব গোপন কথা বলে দেয়? যাকে সে সবচেয়ে বিশ্বাস করে। আমি যদি কারো স্বপ্নে প্রবেশ করি বা তার চিন্তায় প্রবেশ করি, তাহলে আমার নিজেকে এমন একজনের পরিচয়ে উপস্থাপন করতে হবে যাকে সে বিশ্বাস করে। এবং অভিনয় এর মাধ্যমে তার ভেতরের কথা বের করতে হবে, এই দায়িত্ব পালন করে তৃতীয় জন।

 

এখন আসি ব্যাখ্যা ৪ এ, কেমিস্ট এর দায়িত্ব কি: এই অংশ টা হচ্ছে সবচেয়ে কমপ্লেক্স অংশ। ইনসেপশন মুভিতে এই দল টা শুধু একটা স্বপ্নে প্রবেশ করেই তথ্য পেয়ে যায়না, তারা স্বপ্নের ভেতর স্বপ্নে প্রবেশ করে। সময় এর ধীরতা বাড়তে থাকে। প্রথমে তারা একজন কে ঘুম পাড়িয়ে তার সাথে ইনসেপশন কানেক্ট করে স্বপ্নে প্রবেশ করে। ওই স্বপ্নে আর্কিটেক্ট “কিক” রেখে স্বপ্নের ভেতর সবাই আবার ঘুমায়, এবং দ্বিতীয় লেয়ার এ প্রবেশ করে, সেখান থেকে তারা প্রয়োজন মত তথ্য সংগ্রহ করে।

 

কিন্তু তারা যদি যার মাথায় তথ্য নিতে ঢুকছে শুধু তথ্য নিয়েই ক্ষান্ত না হয়? তারা যদি তার মাথায় কোনো আইডিয়া প্ল্যান্ট করে আসতে চায়? তখন কি করতে হবে?

আরো গভীরে যেতে হবে, তৃতীয় লেয়ার থেকে চতুর্থ লেয়ার। আর সে লেয়ার থেকে ধপ করে তারা জেগে উঠতে পারবেনা, প্রতি লেয়ার এ তাদের নির্দিষ্ট একটি “কিক” স্থাপন করে যেতে হবে, এবং লেয়ার বাই লেয়ার জেগে উঠতে উঠতে তারা রিয়েলিটি তে পৌছাবে। এবং কোন লেয়ারে ঘুমের গভীরতা কতটা হবে, তা নির্ধারন করে হচ্ছে কেমিস্ট..

 

আজকে বেসিক ধারনা গুলো দিয়ে শেষ করছি, পর্ব ২ এ মুভির বিস্তারিত আলোচনায় যাবো ইনশাল্লাহ।