অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে যেভাবে খুলবেন

Now Reading
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে যেভাবে খুলবেন

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রাইভেসির জন্য আমরা অনেকেই প্যাটার্ন লক ব্যবহার করে থাকি। তবে এই প্যাটার্ন ভুলে গেলে দুর্ভোগের শেষ থাকে না।
এ সমস্যা সমাধানের জন্য মোবাইল ফোন রিসেট কিংবা কাস্টমার কেয়ারে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

অনেকে একে হার্ড রিসেট বলে কারণ এটি সেটের একচুয়্যাল ফ্যাক্টরি সেটিংস ফিরিয়ে আনে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কিভাবে কোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন রিসেট করা যায় কোনও রকম সমস্যা ছাড়া।

স্যামসাং এবং অন্যান্য মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রথমেই ফোনটির সুইচ অফ করুন, এবার ব্যাটারি ১০ সেকেন্ডের জন্য রিমুভ করুন। আবার ব্যাটারি লাগিয়ে একসঙ্গে ‘up volume key’, ‘Power button’ এবং ‘Home button’ চেপে ধরতে হবে যতক্ষণ না Recovery Mode Screen আসে। এরপর ভলিউম কী ব্যবহার করে কার্সর নিচে নামিয়ে ‘wipe data/factory reset’ অপশনে আনুন এবং সিলেক্ট করার জন্য হোমে বাটনে প্রেস করুন। এখন কনফার্ম করার জন্য আরেকটি স্ক্রিন আসবে এখানে ‘Yes’ বাটন সিলেক্ট করতে হবে।

এবার কিছুসময় অপেক্ষা করুন রিসেট হওয়ার পর আপনার ফোন আপনা-আপনি চালু হবে, ততক্ষন অপেক্ষা করুন !!!

এক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে:
১. আপনার কাস্টমাইজ করা সমস্ত সেটিংস মুছে যাবে।

২. ফোন মেমোরিতে সেভ করা ফোন নাম্বার মুছে যাবে।
৩. ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরির ইন্সটল করা সমস্ত অ্যাপ ও ডাটা হারিয়ে যাবে।
৪. আপনাকে আবারও আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্সটল করে নিতে হবে।

২৫০০০ টাকার মধ্যে বেষ্ট ক্যামেরা ফোন এবং বাজেট ফোন

Now Reading
২৫০০০ টাকার মধ্যে বেষ্ট ক্যামেরা ফোন এবং বাজেট ফোন

বর্তমানে মোবাইল বাজার অস্থির একটি অবস্থা। কোন মোবাইল কিনলে ভাল হবে তা বুঝতে বুঝতে অনেকের চোখ লাল হয়ে যায় কিন্তু বুঝতে পারেনা কোন মোবাইল কিনলে ভাল হয়। তবে আপনি যদি আমার মোবাইল রিভিউ পড়েন তাহলে অনেকটা বুঝতে পারবেন কোন মোবাইল আপনার জন্য পারফেক্ট।

অনেকে মনে করেন যে কম টাকায় ভাল মোবাইল আবার অনেকে চান বেষ্ট ক্যামেরা মোবাইল আবার অনেকে চান বেষ্ট ব্যাটারী ব্যাকআপ মোবাইল। আবার অনেকে সব একসাথে চান। তবে সব একসাথে পাওয়া অনেক কঠিন না তবে দাম একটু বেশী।

আমি যে সকল মোবাইল ফোনের নাম নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করলাম তা একমাত্র আমার  নিজস্ব মতামত এবং অনেকের মতের সাথে মিলতেও পারে আবার নাও মিলতে পারে।

বেষ্ট ক্যামেরার দিক বিবেচনা করে ভাল মানের অনেক গুলো মোবাইল ফোন আছে যেগুলো পারফরম্যান্সও অসাধারন। তবে আমি বলব শুধু ক্যামেরা না বরং ওভারঅল পারফরমেন্সের দিক দিয়ে যে ফোনগুলো ভাল সেই ফোনগুলোই কেনা উচিৎ।

প্রথমত একটি ভাল ফোন হতে পারে গ্যালাক্সি এ৫ ২০১৭ যাতে রয়েছে ৫.২ ইঞ্চির হাইডেফিনেশন  সুপার এমোলেড ডিসপ্লে  সাথে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল রেয়ার এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা যা আপনাকে দিবে অসাধারন সব ছবি এবং ভিডিও ক্যাপচার বা তুলবার সক্ষমতা। যার দাম পড়তে পারে ২৫০০০ টাকা থেকে ২৬০০০ টাকার ভিতরে। এখানে আছে ফাষ্টার চার্জার টেকনোলজী যা ফোনটিকে দ্রুত চার্জ করাতে সাহায্য করবে। এই মোবাইলের বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি ওয়াটার প্রুফ যা ১.৫ মিটার পানির গভীরেও  আপনি ছবি তুলতে পারবেন কোন সমস্যা ছাড়াই।

দ্বিতীয়ত এইচটিসির ভাল একটি ফোন হচ্ছে এইচটিসি ডিজায়ার ১০ প্রো যাতে আপনি পাবেন খুব উন্নতমানের ডিজাইন এবং এর পিকচার কোয়ালিটি অনেক ভাল। এতে রয়েছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমরী যা আপনাকে দিবে অসাধারন পারফরম্যান্স। মোবাইলটি সব দিকদিয়েই ভাল কিন্তু দাম একটু বেশী ২৯,১০০ টাকার কাছাকাছি।

শাওমির এমআই৫এস এতে রয়েছে আল্ট্রা পিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকাতে এটি ৪ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা হলেও বেশ ভাল মানের এইচডি ছবি তোলা যায়।

বর্তমানে অনেক মোবাইলের মধ্যে এন্ড্রয়েড মোবাইলই সবচেয়ে ভাল এবং জনপ্রিয় একটি মোবাইল হচ্ছে গুগলের পিক্সেল ২আই। গুগলের এই মোবাইলটি দাম বেশি প্রায় ৫০০০০ টাকার মত হলেও খুব ভাল মানের একটি ফোন। এতে রয়েছে ৬ জিবি র‌্যাম, ৬৪ বা ১২৮ জিবি ইন্টারনাল মেমরী। এর বাহিরেও এই মোবাইলের মাধ্যমে গুগল ড্রাইভেও যেকোন জিনিস রাখা যায় যা একটি অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে থাকে। মোবাইলের পারফরম্যান্স ছাড়াও ক্যামেরা ফিচার অসাধারণ এবং প্রোসেসরও অনেকে অনেক উন্নত।  তবে যাদের বাজেট ঘাটতি আছে তারা অন্য ব্রান্ডের মোবাইল সিলেক্ট করতে পারেন।

ক্যামেরার দিকে যদি আপনার ঝোঁক থাকে তাহলে স্যামসাং এবং সনি মোবাইলের পারফরমেন্স সবচেয়ে ভাল হবে। এর পাশাপাশি আসুসের জেনফোন সেলফিও, নোকিয়ার নতুন মোবাইল নোকিয়া ৬/নোকিয়া ৮ যা প্রথম  লঞ্চ হয়েছে লন্ডনে এবং এই মোবাইলগুলো খারাপ মোবাইল না। বলতে পারেন বেষ্ট ক্যামেরা মোবাইল ফোন এভার। এন্ড্রয়েড সম্বলিত নকিয়া বা আসুস এর জেনফোন সেলফি মোবাইলের দাম পড়বে প্রায় ২০০০০ টাকা। সেলফি তুলতে যারা আগ্রহি তারা তারা অপ্পো এফ ৫ বা আসুসের জেনফোন সেলফি ফোনটি কিনতে পারেন।  অপ্পো এফ ৫ এর দাম পড়বে ৩০০০০ টাকা অপরদিকে জেনফোন সেলফির দাম পড়বে ২০০০০ টাকার কাছাকাছি।

মোবাইলে র‌্যাম যত বেশী থাকে  পারফরম্যান্স তত বেশী ভাল হয়ে থাকে। বর্তমান বাজারে ৩ জিবি র‌্যাম এর ক্যামেরা মোবাইল কিনলেই ভাল হবে।

বর্তমানে চায়না মোবাইল ফোন ভাল পারফরম্যান্স দেখা যায় এবং যাদের বাজেট কম মোবাইল কেনার ইচ্ছা আছে তারা শাওমি এবং হুয়াওয়ে এবং অপ্পো ব্রান্ডে মোবাইল চয়েজ করতে পারেন। হুয়াওয়ের জিআর ৫ কিনলে অনেককিছু গিফট পাওয়ার সম্ভবনা আছে। ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি সাইজের মেমরীরর এই ক্যামেরা ফোনটিও অনেক ভাল ফোন কারন এতে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা । হুয়াওয়ের জিআর ৫ এর দাম ১৮,৫৯০ থেকে ২২,০০০ টাকার মধ্যে যা অন্যান্য মোবাইলের তুলনায় কম।

হুয়াওয়ের চার ফোনের মোবাইল যা হুয়াওয়ের নোভা ২  ফোনটি একটি অনেক ভাল মানের ফোন হবে। এতে রয়েছে এন্ড্রয়েড নুগাট যা এন্ড্রয়েডের সর্বশেষ ভার্ষন সংযোজন করা আছে। এতে আছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি রম বা ইন্টারনাল মেমরী এবং দাম পড়বে বাংলাদেশী টাকায় ২৬,৯৯০ টাকা মাত্র যা আপনি ঘরে বসেই পিকাবো সাইট থেকে অর্ডার করতে পারবেন। এর ব্যাক বা রিয়ার ক্যামেরা রেজুলেশন দেওয়া আছে ১৬+২ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া আছে ১৩ +২ মেগা পিক্সেল যা দিয়ে অসাধারন ডিএইচএল মানের ছবি তোলা যায়। এই মোবাইলের ডিজাইন অসাধারন এবং এই ফোনটি অনেক স্লিম এবং এটার সাইজ ৫.৯ ইঞ্চি যা অনেক বড় মাপের একটি ফোন।

শাওমির রিদমি ফোর এক্স ৪ জিবি র‌্যাম এর সাথে ইন্টারনাল মেমরী পাবেন ৬৪ জিবি যা যতেষ্ট ভাল পারফরম্যান্স দিবে। কারন অনেকেরই মোবাইলে জায়গা নিয়ে আপত্তি আছে যে মোবাইলগুলো আগে কেনা হয়েছিল তা হয়ত যতেষ্ট স্পেস পাওয়া যায় না যার কারনে স্লো হয়ে যায় কিন্তু এই মোবাইলে সে সম্ভবনা নাই। তাছাড়াও ৪ জিবি র‌্যাম থাকার কারনে পারফরম্যান্স অনেক ভাল হবে। এই মোবাইলের  দামও কম ১৫৫০০ টাকা যা অনেকটা হাতের নাগালে আছে।

মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

Now Reading
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

মোবাইল, কম্পিউটার এবং ল্যাপটপকে ভাল রাখতে হলে যত্ন নিতে হবে। যেমন মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ইনষ্টল করা যাবে না, নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। মাঝেমাঝে অস্থায়ী (টেমপরারি) ফাইল মুছে ফেলতে হবে। মোবাইলে কোন এপ্লিকেশন চালু করলে অনেকে বন্ধ করেন না যার ফলে এপ্লিকেশনটি স্কিনে দেখা না গেলে ও ভিতরে ভিতরে চলতেই থাকে এবং চার্জ শেষ হয়ে যায়। অনেকটা একই রকম ঘটনা ঘটে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ক্ষেত্রে। তাই নিয়মিত চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ফাইল বা ফোল্ডার বা অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলতে হবে।

দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলা যাবে না তাতে করে ব্যাটারীর উপর একটু বেশীই চাপ পড়ে। তাই বলে আপনি গেম খেলতে পারবেন না তা না খেলতে পারবেন কিন্তু মোবাইল বেশী গরম হয়ে গেলে কিছুক্ষণ মোবাইলকে বিশ্রাম দিন।

ল্যাপটপ যেভাবে চার্জে চলে কম্পিউটার সেই রকম না। ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে কাজ করা উচিৎ না বরং ল্যাপটপটিকে সম্পূর্ণভাবে চার্জ দিয়ে নিন  এবং এরপর চার্জ দেওয়া ছাড়াই চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে থাকুন । অনেকে ল্যাপটপের জন্য কুলিং প্যাড ব্যাবহার করেন। ল্যাপটপ অবশ্যই সমান জায়গায়  রেখে কাজ করতে হবে। ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ না করাই ভাল কারন ল্যাপটপটি কাজ চলাকালীন সময়ে গরম হয়ে যায় এবং সেক্ষেত্রে আপনার পায়ের নীচের অংশ গরম হয়ে যেতে পারে বা পেটের সাথে লাগানো থাকলে পেটের নানা জায়গায় সমস্যা হতে পারে। সেই জন্য ল্যাপটপ রাখার জন্য শক্ত কিছু ব্যাবহার করুন।

কম্পিউটার সরাসরি চার্জে চলে না বরং কারেন্টে চলে এবং কারেন্ট চলে গেলে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় যদি আপনার কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ না থাকে। ইউপিএস থাকলে কম্পিউটারটি ল্যাপটপের মত কিছুক্ষণ ব্যাকআপ দেয়। তবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর উপর কিছুটা চাপ পড়ে তাই কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ থাকা ভাল। যেখানে ঘনঘন কারেন্ট যায় সেখানে অবশ্যই ইউপিএস থাকা দরকার এছাড়াও ইউপিএসকে ভালভাবে নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। ইউপিএস কিনলে ভালমানের কেনাই শ্রেয়।

প্রায় সময়ই দেখা যায় কম্পিউটার স্লো এবং স্টার্ট নিতে অনেক সময় লাগে অনেক সময় কম্পিউটার ভাইরাসের কারনেও কম্পিউটার স্লো হয় এবং এর জন্য কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে ভালমানে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করা দরকার। অবশ্য উইন্ডোজ ১০ এর সাথে বিল্টইন উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দেওয়াই থাকে যার ফলে নতুন করে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

 

যারা ইন্টারনেট সংযোগ চান তাদের জন্য ব্রডবেন্ড সংযোগই ভাল কারন ব্রডবেন্ড ইন্টারনেট এ যে স্পিড পাবেন অন্য ক্ষেত্রে সেই স্পিড পাবেন না। আর আপনার বাসায় যদি ল্যাপটপ এবং একধিক মোবাইল থাকে আর আপনি যদি চান সবগুলোতেই সমান স্পিডে ইন্টারনেট পেতে হবে সেক্ষেত্রে আপনাকে একটি রাউটার কিনতে হবে। যার দাম পড়তে পারে ৩০০০ টাকার মত। যারা আপনাকে ব্রডবেন্ড সংযোগ দিবে তাদের বললে তারাই আপনার বাসায় এসে কনফিগার করে দিবে। সেক্ষেত্রে আপনি সবকিছুতে ইন্টারনেট ওয়াইফাই পাবেন। এমনকি আপনি যেই বিল্ডিং এ থাকেন সেই বিল্ডিংয়ের সবাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে যদি আপনি তাদেরকে পাসওয়ার্ড বলে দেন তাই সবাইকে আপনার পাসওয়ার্ড দিবেন না। যদি আপনার বাসায় এসে নিকট আত্বীয় আপনার ইন্টারনেট ওয়াইফাই ব্যাবহার করতে চায় তাহলে দিবেন তাতে কোন সমস্যা নাই। পাসওয়ার্ড সবার সাথে শেয়ার করা উচিৎ না।

 

আপনার  ল্যাপটপ বা কম্পিউটার গতিশীল রাখতে কিছু কমান্ড ব্যাবহার করা যায়। এর জন্য আপনাকে ষ্টার্ট মেনু থেকে রানে যেতে হবে (windows বাটন চেপে R অথবা ষ্টার্টমেনুতে রাইট ক্লিক করেও রান মেনু দেখা যায় )এবং টাইপ করুন tree তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন একই রকমভাবে টাইপ করুন prefetch তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন %temp%, তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন, temp/recent  তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট (ctrl+A)করে মুছে (delete) দিন।

 

হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি ড্রাইভ আলাদাভাবে সিলেক্ট করে প্রোপারটিজ এ জান এবং তার পর ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন এভাবে সি, ডি, ই যত ড্রাইভ আসে সবগুলোই আলাদা আলাদাভাবে ডিস্ক ক্লিনআপ করুন। মাঝে মাঝে ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন। সেই জন্য আপনি সার্চ দিয়ে ডিফ্রেগ লিখে ইন্টার দিলে ডিফ্রেগমেন্টেশন এন্ড অপটিমাইজেশন মেনু চলে আসবে তখন আপনি সহজেই ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন।

এছাড়া আপনি যদি কন্টোল প্যানেলে যান এবং অজানা বা অপ্রয়োজনীয় ফাইল আন ইনষ্টল করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার কিছুটা ফাষ্ট হতে পারে। একই রকমভাবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও আপনি কিছু অপ্রয়োজনীয় ফাইল কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আনইনষ্টল করতে পারেন।

আপনাকে আরো কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে যেমন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ইমেইল চেক করার সময় কোন সময়ই অজানা ইমেইলে ক্লিক করবেন না কারন সেটাও ইমেইল ভাইরাস হতে পারে। আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে কখনও ভিজা স্যাঁতস্যাতে জায়গায় রেখে কাজ করবেন না।

ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে আপনি একটি পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করতে পারেন। তাতে করে আপনার ল্যাপটপটি সুরক্ষিত থাকবে এবং অজানা কেউ আপনার কম্পিউটারে সহজে ঢুকতে পারবে না। এছাড়াও কম্পিউটারে যখন পেন ড্রাইভ ঢুকাবেন তখন সাবধান থাকবেন কারন আপনার পেন ড্রাইভে ভাইরাস থাকতে পারে এবং অবশ্যই ভাইরাস ক্লিন করে কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ ঢুকানো উচিৎ।mobilesecurity2.jpg

স্মার্ট ফোনের কয়েকটি মজাদার ব্যবহার (সবার জানা প্রয়োজন)

Now Reading
স্মার্ট ফোনের কয়েকটি মজাদার ব্যবহার (সবার জানা প্রয়োজন)

স্মার্ট ফোনের ব্যবহারকারী দিন দিন হু হু করে বাড়ছে। এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে এই স্মার্ট ফোন। আমাদের জীবনকে সহজ করায় এর জুড়ি নেই।

তাহলে আসুন জেনে নেই স্মার্ট ফোনের কয়েকটি মজাদার টিপস –

১। দ্রুত চার্জ করতে ব্যবহার করুন Airplane Mode:
যদি আপনার ফোনের ব্যাটারি প্রায় শেষের পথে, কিন্তু আপনার চার্জ দেবার মত পর্যাপ্ত সময় নেই তবে ফোনের Airplane Mode চালু করুন এবং চার্জে দিন। দেখবেন স্বাভাবিকের চাইতে অনেক দ্রুত চার্জ হচ্ছে।
এছাড়া আপনার ফোনে ডার্ক ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করুন। এতে দ্রুত চার্জ হবে এবং ব্যাটারি বেশিদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।

airplane mode.jpg

 

২। অপ্রয়োজনীয় এড থেকে মুক্তির জন্য ব্যবহার করুন Airplane Mode
কোন একটি মজাদার এপ ব্যবহার করছেন । কিন্তু এড এর যন্ত্রণায় অস্থির? আবারও ব্যবহার করুন Airplane Mode। আর মজা করে ব্যবহার করুন আপনার এপটি কোন রকম এড এর ঝামেলা ছাড়াই।

 

৩। ওয়েবপেজ সেভ রাখুন:
আমরা প্রায়ই আমাদের ব্রাউজারে বিভিন্ন বই বা আর্টিকেল ওপেন করি পরবর্তীতে পড়ার জন্য। কিন্তু দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে অনেক সময় তা ওপেন করা যায় না। অথবা এমন কোথাও যদি যাওয়া হয় যেখানে নেট নেই। সেখানেও সেই আর্টিকেল গুলো আর পড়া যায় না। সেক্ষেত্রে ক্রোম ব্রাউজার দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার পছন্দের ওয়েবপেজটি সেভ করতে পারবেন। প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া হল-
পছন্দের ওয়েবপেজ ওপেন করুন –>উপরে ডানদিকে তিনটি ডট চিহ্ন মেনু বারে চাপুন -> এবার ডাউন লোড আইকনে টিপ দিন।
আপনার পেজটি সেভ হয়ে যাবে। যা আপনি এমন জায়গায়েও পড়তে পারবেন যেখানে নেট নেই।

download page.jpg

 

৪। ফোনে দ্রুত স্পেস পেতে ডিলিট করুন কেশ মেমোরি:
অনেক সময় ই আমরা ফোনে কোন নতুন এপ্লিকেশন ডাউন লোড করার সময় দেখতে পাই পর্যাপ্ত মেমোরি নাই। সে সময় কোন পুরনো এপ, ছবি বা ভিডিও ডিলিট করতে হয়। যা খুবই বিরক্তিকর। সে সময় দ্রুত  মেমোরি পেতে ডিলিট করুন আপনার কেশ মেমোরি। প্রক্রিয়া টি নিচে দেওয়া হল-
settings –> storage -> Cached data -> press cashed Data – > delete

 

৫। স্মার্ট ফোন কে বানিয়ে ফেলুন মডেম বা রাউটার:
এই ট্রিকসের মাধ্যমে আপনার আলাদা ডিভাইসের জন্য আলাদা থ্রিজি মডেম বা রাউটার কেনার প্রয়োজন নেই। নিচের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার স্মার্ট ফোন দিয়েই এই কাজটি সহজেই করা সম্ভব-
Settings -> Tethering and portable hotspot -> turn on Portable WLAN hotspot

hotspot.jpg

 

 

৬। লক স্ক্রিন মেসেজ সেট করুন:
মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন বেহাত না হয়ে যায় এজন্য আমরা সাধারণত আমাদের ফোনের স্ক্রিন পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন দিয়ে লক করে রাখি। কিন্তু এর একটা সমস্যা আছে । সেটা হচ্ছে ফোনটা যদি কোন কারণে হারিয়ে যায় এবং তা যদি কোন ভালো মানুষের হাতে পরে, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি বুঝবে না কিভাবে সে ফোনটি ফেরত দিবে ।কারণ সে তো সেই মোবাইল থেকে আপনার কোন তথ্য বের করতে পারছে না।
সেক্ষেত্রে আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে লক স্ক্রিনে আপনার পরিচিত কারো মোবাইল নম্বর দিয়ে লক স্ক্রিন মেসেজ সেট করতে পারেন। যেন চাইলেই আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলটি ফেরত দেবার জন্য সেই নম্বরে কল করে জানাতে পারে। তো কিভাবে সেট করবেন লক স্ক্রিন মেসেজ?
“Settings“ — ”Lock screen and security“ — “Lock screen signature. অথবা
“Settings“ — ”Lock screen and security“ — Show information ->owner information.

এবার আপনার বেক আপ মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল এড্রেস টি দিয়ে দিন। সাথে একটি মেসেজ ও দিয়ে দিতে পারেন।

lock screen.jpg

 

৭।স্মার্ট ফোনের আয়ু বাড়াতে নিয়মিত পরিষ্কার করুন এর পাওয়ার জ্যাক-

বেশির ভাগ মানুষই জানে না স্মার্ট ফোন নষ্ট হবার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে পাওয়ার জ্যাক এ ধুলা-বালি। এতে কোন সন্দেহ নেই যে সবচেয়ে বেশি ধুলা-বালি প্রবেশ করে এই পাওয়ার জ্যাক এ। তবে এই ধুলা পরিষ্কার করা মোটেও কঠিন নয়। একটা সিরিঞ্জ দিয়ে আপনি খুব সহজেই এ কাজটি করতে পারেন। সিরিঞ্জ দিয়ে আপনার পাওয়ার জ্যাক এ বাতাস ইঞ্জেক্ট করুন। আর খুব সহজেই মুক্তি পান ধুলা-বালি থেকে।

8148310-2016-12-12102653-1481628607-650-f77cf25909-1481909603.jpg

৮। সেলফি স্টিক হিসেবে ব্যবহার করুন আপনার হেড ফোনটি

অনেকেই জানে না হেড ফোন দিয়ে ছবিও তোলা যায়। এজন্য প্রথমে আপনার মোবাইলটি ভালো জায়গায় দাড় করান। এরপর আপনার ক্যামেরা অন করুন এবং হেড ফোনটি লাগান। এবার হেড ফোনের ‘+’ বাটন টি চাপুন।

selfi stick.jpg

 

 

৯। ক্যামেরা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন পেন্সিল মোছার রাবার-

অনেক সময় আমরা ক্যামেরার ময়লা পরিষ্কার করতে গিয়ে ক্যামেরাটিকে আরও ঘোলা করে ফেলি। এখন থেকে ক্যামেরা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন পেন্সিল মোছার রাবার। পরিবর্তন নিজেই বুঝতে পারবেন।

১০। ছবি তুলতে ব্যবহার করুন বেলুন 

 

অনেকেরই থাকে ফটোগ্রাফির নেশা। তবে অনেক দামি যন্ত্রের অভাবে মন মত ছবি তুলতে পারেন না। তবে খুব সাধারণ কিছু কৌশলে আপনার স্মার্ট ফোনের মাধ্যমেই দারুণ কিছু ছবি তুলে বন্ধুদের অবাক করে দিতে পাড়েন-

 

-এয়ার শটের জন্য দামি ড্রোনের পরিবর্তে ব্যবহার করুন বেলুন। বেলুনে হিমিয়াম ভরুন।এবং তার সাথে মোবাইল শক্ত করে আটকে দিন। ছবি তোলার জন্য টাইমার ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই মোবাইলে সেফটি কেস ব্যবহার করুন, যে কোন দুর্ঘটনার জন্য।

drone.jpg

 

-যদি কোন ছোট জিনিসের ছবি তুলতে চান অথবা ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে চান তবে মোবাইলের ক্যামেরায় আলাদা লেন্স লাগিয়ে নিতে পাড়েন। যে কোন লেজার লাইটের সাথেই পাবেন এমন লেন্স ।

macro photography.jpg

-অনেক স্মার্ট ফোন আছে যেগুলো ওয়াটার প্রুফ নয়।সেক্ষেত্রে পানির নিচে ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করতে পাড়েন গ্লাস বা প্লাস্টিকের পলিথিন। অর্থাৎ প্লাস্টিক বা গ্লাসের ভিতর মোবাইল রেখে টাইমার সেট করে বা   হেড ফোনের মাধ্যমে পানির নিচের ছবিগুলো তুলতে পাড়েন।

 

সুতরাং, আজকেই চেষ্টা করে দেখুন মজার এই ট্রিকস গুলো।

 

 

 

প্রতিশোধ -পর্বঃ ৭

Now Reading
প্রতিশোধ -পর্বঃ ৭

হেমা ভাবলো তামিমের কাছ থেকে ফোন নিয়ে হিমেলের সাথে কথা বলবে।
কিন্তু তামিমকে সত্যিটা বলা যাবে না।বাসায় কথা বলার কথা বলে মোবাইলটা নিতে হবে।
রাতে হেমা তামিমকে বললো বাসায় কথা বলবে।
তামিম হেমার মোবাইলটা বের করে দিলো।

হেমা মোবাইল পেয়ে অবাক হয়ে গেলো।তারমানে হেমার মোবাইল তামিমের কাছে ছিল।

হেমাঃআমার মোবাইল আপনার কাছে আসলো কি করে?
তামিমঃকাল আসার সময় তোমার বাসা থেকে দিয়ে দিছে।
হেমাঃআমাকে আগে দেননি কেন?
তামিমঃতোমাকে মোবাইল দিলে তুমি হিমেলের সাথে কথা বলতে।তাই দেইনি।আমি চাইনা তুমি হিমেলের সাথে যোগাযোগ করো।
এখন বাসায় কথা বলে মোবাইলটা আমাকে দিয়ে দিবে।
হেমাঃআমার মোবাইল আমি আপনাকে দিব কেন?
তামিমঃকেন দিবে মানে? আমি বলছি তাই দিবে।
যখন দরকার হবে তখন আমার থেকে নিয়ে নিবে।
হেমাঃআপনিতো সব সময় বাসায় থাকেন না।
তামিমঃএই জন্যই তোমাকে মোবাইল দেওয়া যাবে না।কারণ আমি চাইনা আমি না থাকা অবস্থায় তুমি তোমার প্রেমিকের সাথে যোগাযোগ করো।

হেমা হিমেলকে কল দিতে গিয়ে দেখে তামিম সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
তাই হিমেলকে কল না করে হেমার বাসায় কল করলো।

হেমার মা কল রিসিভ করলো

হেমাঃমা আমার সব দায়িত্বপালন অনেক আগেই বন্ধ করে দিয়েছিলে।বিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটা তোমরা পালন না করলেও পারতে।

এ কথা বলে হেমা কল কেটে দিল।

তামিম মোবাইল চাইলে হেমা মোবাইল দিবেনা বললো।
মোবাইল নিয়ে তামিমের সাথে হেমার ঝগড়া হলো।তামিম হেমার গাঁয়ে হাত ও তোললো।
শেষ পর্যন্ত হেমা তামিমের সাথে পেরে উঠলো না।বাধ্য হয়ে মোবাইলটা দিয়ে দিল

তামিম হেমার দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিল।সে হাসিতে পৈচাশিক এক আনন্দ ছিল।

এমন করেই ঝগড়া করে আর মার খেয়ে হেমার দিন কাটছিল।
হেমা কিছুতেই হিমেলের সাথে যোগাযোগ করতে পারছেনা।

কিছুদিন পর হেমা তামিমের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে এক ফ্রেন্ডের কাছে কল করলো।ঐ ফ্রেন্ডের কাছ থেকে জানতে পারলো যে কিছুদিন পর ওদের ভাইভা।

হেমা কি করবে বুঝতে পারছে না।তামিম যে ভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার নেশায় মেতে আছে তামিম কি হেমাকে পরীক্ষা দিতে দিবে?
এতটা লড়াই করে এত দূর এসে হেমাকে এভাবে হেরে যেতে হবে হেমা তা ভাবতে পারছেনা।

হেমা তামিমকে বলল কিছুদিন পর ওর ভাইভা।
তামিমঃভাইভা তো কি হয়েছে?তুমি কি পরীক্ষা দিতে চাচ্ছ নাকি?
হেমা মনে মনে ভাবলো এখন মাথা গরম করলে হেমারই ক্ষতি।
মাথা ঠান্ডা করে তামিমকে বোঝাতে হবে।
আর একবার পরীক্ষার জন্য কলেজে গেলে হিমেলের সাথেও দেখা করতে পারবে হেমা।

হেমা অনেক কান্নাকাটি করে,তামিমকে বোঝিয়ে শেষ পর্যন্ত রাজি করালো।

পরীক্ষার আগের রাতে হেমা তামিমকে বলল পরীক্ষা কখন শুরু হবে তা জানার জন্য ওর এক ফ্রেন্ডকে কল করতে হবে। এ কথা বলে তামিমের কাছ থেকে মোবাইল নিল।
মোবাইল নিয়ে ফ্রেন্ডকে কল করলো।
হেমা ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে তাড়াতাড়ি হিমেলকে একটা টেক্সট করলো।

Himel kal amar sathe ekto college meet koro plz..tomar sathe amar onek kotha ase.r amar number a call ba sms dio na..

টেক্সটটা তাড়াতাড়ি সেন্ড করে আবার ডিলিট করে দিল।
তামিম মেবাইল নিয়ে গেলো।
হিমেল টেক্সট টা পেয়েছে কিনা তা হেমা বুঝতে পারছেনা।কারণ টেক্সট টা ডেলিভারড হওয়ার আগেই হেমা ডিলিট করে দিছে।

হেমা ভাবছে হিমেল কি টেক্সট টা পেয়েছে?না পেয়ে থাকলে হেমার সব শেষ হয়ে যাবে।কারণ হিমেলই এখন হেমার একমাত্র ভরষা।
হিমেলই পারে হেমাকে এ সব থেকে মুক্ত করতে।

হেমার মনে আরো একটা ভয় কাজ করছে।হিমেল সবটা জেনে যদি হেমাকে মেনে না নেয়? তখনতো হেমার সব শেষ হয়ে যাবে।হেমার যাওয়ার মত আর কোন জায়গাই থাকবেনা।

 

চলবে…

নকিয়ার নবউত্থান!

Now Reading
নকিয়ার নবউত্থান!

নকিয়া নাম শুনেনি এমন কাউকে হয়ত খুজে পাওয়া যাবেনা।এমনকি নকিয়ার মোবাইল কখনই ব্যাবহার করেনি এমন মানুষ খুজে পাওয়াও দুষ্কর।আমরা সবাই কখনো না কখনো নকিয়ার মোবাইল ব্যাবহার করেছি।একসময় পৃথিবীর মোবাইল বাজারে একক আধিপত্য বিস্তার করেছিল নকিয়া নামক ফিনল্যান্ডের এই কোম্পানিটি।তবে এক সময়ের বিশ্ব কাঁপানো এই কোম্পানিটি হারিয়ে যায় মোবাইল বাজার থেকে।চলুন জেনে নেয়া যাক নকিয়া বিষয়ক কিছু তথ্যঃ

১.নকিয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ নকিয়া কর্পোরেশন ফিনল্যান্ড ভিত্তিক বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত কোম্পানি।২০০০ সালের প্রথম দিকে পৃথিবীতে সেলফোন সরবরাহের ৪০ শতাংশ করত নকিয়া। দেশেও চাহিদা ছিল বেশ। রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব দ্য ফিনিশ ইকোনমির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ডের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এক-চতুর্থাংশ হয় নকিয়ার কল্যাণে।বহুদিন সেলফোনের বৈশ্বিক বাজারে আধিপত্য ছিল নকিয়ার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও বাড়তে থাকে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যবসার পরিসর বাড়াতে সরবরাহ করতে থাকে অতি আধুনিক স্মার্টফোন। প্রতিযোগিতার বাজারে পিছিয়ে পড়ে ফোনশিল্পের এক সময়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র নকিয়া। ২০১২ সাল পর্যন্ত নোকিয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানি ছিল। তবে বাজারে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে নকিয়া ধীরে ধীরে পিছিয়ে যায়। গুগলের তৈরী এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার না করার ঘোষনায় নোকিয়ার শেয়ারের দাম ৪০ মার্কিন ডলার থেকে পরে মাত্র ২ মার্কিন ডলারে নেমে আসে।

২.নকিয়ার উত্থানঃ ১৯৮২ সালে নকিয়া তাদের প্রথম মোবাইল ফোন বাজারে ছাড়ে।নভেম্বর, ১৯৯২ সালে নকিয়া বাজারে নিয়ে আসে ‘নকিয়া ১০১১’। মূলত এই মোবাইলের মাধ্যমে ফিনল্যান্ড সহ বিশ্ববাজারে ব্যাপক পরিচিতি পায় নকিয়া।নকিয়ার জনপ্রিয়তা একসময় ছিল আকাশচুম্বী।তখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই নকিয়ার মোবাইল পাওয়া যেত। ২০০০ সালের পর নকিয়া একের পর এক বাজারে আনে ৩৩১০, ১১১০ এর মতো বেস্ট সেলিং মোবাইল সেটগুলো। ২০০২ সালে নকিয়া বাজারে আনে তাদের প্রথম ক্যামেরাসংযুক্ত মোবাইল ফোন। ০.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাবিশিষ্ট এই মোবাইল ফোন বাজারে বেশ সাড়া ফেলে।তারপর নকিয়ার নিত্যনতুন মোবাইল বাজারে আসতে থাকে এবং নকিয়ার জনপ্রিয়তাও বাড়তে থাকে। 95b0794abaaa98136ba8523266e8e732.jpg

২.নকিয়ার পতনঃ২০০৭-০৮ মৌসুমে বাজারে আসতে শুরু করে এন্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন, অন্যদিকে আইফোনও তার নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন।  প্রতিযোগিতায় তাল মিলাতে হিমশিম খেয়ে যায় নকিয়া। প্রথমে নকিয়ার নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ‘সিম্বিয়ান আসে কিন্তু তা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।

nokia-microsoft1.jpg২০১৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর মাইক্রোসফট ৭.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিময়ে নোকিয়ার ব্যবসায়িক শাখা কিনে নেওয়ার ইচ্ছা পোষন করে। এই চুক্তি অনুযায়ী নোকিয়ার প্রধান নির্বাহী সহ আরও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা মাইক্রোসফটে যোগদান করবে।মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেমে নির্মিত প্রথম স্মার্টফোন ‘লুমিয়া ৮০০’ বাজারে তেমন সাড়া ফেলেনি।তারপর থেকে মাইক্রোসফট নকিয়ার নামে মোবাইল বানানো শুরু করে কিন্তু তা খুব একটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।এন্ড্রয়েডচালিত ফোন এবং আইফোনের ভিড়ে হারিয়ে যেতে শুরু করে নকিয়ার মোবাইল।২০১৪ সালের দিকে মাইক্রোসফট আর নকিয়ার চুক্তি শেষ হয়ে যায়।

৩.নকিয়ার পুনরুত্থানঃ   ২০১৬ সালে নকিয়া HMD GLOBAL নামে ফিনল্যান্ডের এক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। HMD Global মূলত এখন থেকে নকিয়ার স্মার্টফোন আর ফিচার ফোন বানানোর কাজটি করবে। তবে এই প্রতিষ্ঠানটি নকিয়া ৩৩১০-কে আবারে বাজারে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়ে বেশ সাড়া ফেলে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বার্সেলোনাতে ওয়ার্ল্ড মোবাইল কংগ্রেসে নতুন এই নকিয়া ৩৩১০ ফোন বাজারে আনে এই প্রতিষ্ঠানটি.মোবাইলটি বাজারে আসার পর আশানুরুপ জনপ্রিয়তা পায়।এরপর নকিয়া রিলিজ করে তাদের নকিয়া ৬ নামক এন্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন।যদিও এটি একটি মধ্যম বাজেটের ফোন তারপরও এই ফোনটিও যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পায়।কিছুদিনের মধ্যে  নকিয়া তাদের ফ্লাগশিপ ফোন নকিয়া৮ বের করবে।আশা করা যায় এই ফোনটিও আগের ফোনগুলোর মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

nokia-6-white1.jpg

একসময়ের বিশ্ব কাঁপানো মোবাইল কোম্পানি নকিয়া মাঝখানে কিছুদিন হারিয়ে গেলেও আবার পুনরুদ্দমে ফিরে আসার চেষ্টা করছে।আশা করি আমাদের সবার প্রিয় নকিয়া আবার এক নাম্বার মোবাইল কোম্পানি হতে পারবে।

 

গরম কিংবা ঠান্ডায় ব্যাটারির পারফরমেন্স কেন ভিন্ন হয় ?

Now Reading
গরম কিংবা ঠান্ডায় ব্যাটারির পারফরমেন্স কেন ভিন্ন হয় ?

আমরা সবাই ব্যাটারি ব্যাবহার করে অভ্যস্থ । এইটা আমরা যেমন সেলফোনে ব্যাবহার করি ঠিক তেমনই টর্চ লাইট কিংবা ক্যামেরা ফোনেও ব্যাবহার করে থাকি । প্রযুক্তিভেদে হয়ত ব্যাটারি ভিন্ন হতে পারে কিন্তু, তাদের সবার মধ্যে একটা সাধারন বৈশিষ্ঠ্য বিদ্যমান থাকে আর তাহলো এসবগুলোই কেমিক্যাল এনার্জি কে ইলেক্ট্রিক্যাল এনার্জিতে রুপান্তর করে । তবে, এইটা ছাড়াও আরেকটা জিনিস হয়ত আমরা খেয়াল করেছি তাহলো অত্যাধিক গরমে এগুলো কেমন যেন তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাচ্ছে আবার খুব বেশি ঠাণ্ডা জায়গায় রাখলেও কেন জানি ঠিকমত চলছেনা !
কাজেই, আজকের পর্বে আমরা ব্যাটারি কি ? কিভাবে কাজ করে ? কিংবা কেন বেশি গরমে রাখলে তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় এবং ঠাণ্ডাতে রাখলেই বা কেন ঠিকমত কাজ করেনা তা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পুরো বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

ব্যাটারি কি ?
ব্যাটারি হল একধরনের কন্টেইনারের ন্যায় যা কিনা এক বা একাধিক সেল নিয়ে তৈরি হয় । আর এর প্রধান কাজ হল কেমিক্যাল এনার্জি কে ইলেক্ট্রিক্যাল এনার্জিতে রুপান্তর করা । মোটামুটি সকল ব্যাটারিতেই ৩টি প্রধান অংশ থাকে তাহলো- ২টা ইলেক্ট্রোড অ্যানোড এবং ক্যাথোড, ইলেক্ট্রোলাইট এবং সেপারেটর । (চিত্র দ্রষ্টব্য) ইলেক্ট্রোলাইট এর উপাদান কি হবে কিংবা ব্যাটারিতে কয়টা সেপারেটর থাকবে তা মূলত কি ধরনের ব্যাটারি তার উপরেই নির্ভর করে । এই দুই ইলেক্ট্রোড ব্যাটারির দুই প্রান্তে লাগানো থাকে । যেমন- ক্যাথোড লাগানো থাকে ব্যাটারির পজিটিভ অংশে এবং অ্যানোড লাগানো থাকে ব্যাটারির নেগেটিভ অংশে । আর এদের মাঝে থাকে সেই ইলেক্ট্রোলাইট যা মূলত ইলেক্ট্রিসিটি প্রবাহের জন্য দায়ী আয়ন ধারন করে থাকে । আর, এই অ্যানোড আর ক্যাথোড কে আলাদা করার জন্য সেপারেটর ব্যাবহার করা হয় যাতে তাদের মধ্যে কোন শর্ট সার্কিট তৈরি না হয় ।

 

58649ff9-0218-45bd-a94f-2fae4ac5f0e5.png.jpg

 

ব্যাটারি কিভাবে কাজ করে ?
আমরা জানি, ইলেক্ট্রনের প্রবাহের ফলেই সৃষ্টি হয় কারেন্ট । তার মানে, এই ব্যাটারিতেও নিশ্চয় এই ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় নাহলে, আমরা কারেন্ট পাচ্ছি কিভাবে ? যখন, ব্যাটারির মধ্যে কেমিক্যাল রি-অ্যাকশান চলতে থাকে তখন অ্যানোড কিংবা ক্যাথোডের মধ্যে একধরনের ইলেক্ট্রিক্যাল পার্থক্য তৈরি হয় । এর ফলে, অ্যানোডে ইলেকট্রন এসে জমা হতে থাকে । ইলেকট্রন গুলো তাদের এই পার্থক্য কমানোর জন্য রি-অ্যারেঞ্জ হবার চেষ্টা করে । সেইজন্য তারা ক্যাথোডের দিকে যেতে চায় । কিন্তু, সমস্যা হল ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্যে দিয়ে ইলেকট্রনগুলো যেতে পারেনা তাদের অন্য কোন মাধ্যম দরকার । তাই, যখনই অ্যানোডের সাথে ক্যাথোডের তার দিয়ে কোন সংযোগ ঘটানো হয় তখন আসলে সেই মাধ্যম তৈরি হয়ে যায় । অর্থাৎ, পুরো একটি সার্কিট তৈরি হয় । এর ফলে খুব সহজেই অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে ইলেক্ট্রন প্রবাহ অর্থাৎ, কারেন্ট প্রবাহিত হতে থাকে আর তাদের মাঝে যেই ইলেক্ট্রিক্যাল পার্থক্য তা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে । আর এর মাঝে যদি কোন লোড রাখা হয় (যেমন- ইলেক্ট্রিক বাল্ব) তা সেই কারেন্ট কনজ্যুম করতে থাকে । তবে, এভাবে একটা সময় এসে ইলেক্ট্রন সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় আর তখন সেই লোডও বন্ধ হয়ে যায় ।

 

battery.gif

 

বেশি তাপমাত্রায় ব্যাটারি কেন তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় ?
এইবার আসি আমাদের মূল আলোচনায় যার কারণে কারণে মূলত আমাদের এত কিছু ব্যাখ্যা করা । আর তাহলো ব্যাটারি বেশি তাপমাত্রায় কেন তাড়াতাড়ি শেষ হয় ? বিষয়টা কি আসলেই সত্যি নাকি আমাদের দৃষ্টিভ্রম ? যাইহোক, এইটা সত্যি সত্যিই ঘটে থাকে আর এর জন্য দায়ি মূলত কেমিস্ট্রির পার্টিকুলার রুল যাকে বলা হয় “Arrhenius Equation । এই ইকুয়েশন অনুসারে তাপমাত্রা যত বেশি হব তত দ্রুত কেমিক্যাল রি-অ্যাকশান হবে । আর দ্রুত কেমিক্যাল রি-অ্যাকশান হওয়া মানে দ্রুত ব্যাটারি নিঃশেষ হওয়া । আর ঠিক সেই কারনেই, আমরা যখন আমাদের মোবাইল ফোন কোন গরম জায়গায় (যেমন- প্যান্টের পকেট !) রাখি তখন মনে হতে থাকে ব্যাটারি যেন খুব দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে ! আবার ঠিক একই কথা সেই ক্যামেরা কিংবা টর্চের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য । নিচে এরকম একটা ছবি দেয়া হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে ব্যাটারির পারফরমেন্সের সাথে তাপমাত্রা কিভাবে জড়িত ।

 

bbf48b6d-d37e-4360-ce27-6bdac49474aa.png.jpg

 

তাহলে, কি ঠাণ্ডা অবস্থায় ব্যাটারি ধীরে শেষ হবে ?
এখন সবার মনে হয়ত প্রশ্ন আসবে যেহেতু খুব বেশি তাপমাত্রায় ব্যাটারি খুব দ্রুত ড্রেইন হয় তাহলে আমরা যদি তাপমাত্রা খুব কমিয়ে ফেলি তখন কি হবে ? তখন কি ব্যাটারির লাইফ টাইম বেড়ে যাবে ? যেহেতু রি-অ্যাকশান খুব স্লো হবে তাহলে তো সেরকম কিছুই হবার কথা ! এই অনুমানের আংশিক সত্য । মানে এখানে, রি-অ্যাকশান স্পীড স্লো হবে বিষয়টা ঠিক আছে কিন্তু, ব্যাটারির লাইফ টাইম বাড়বে তা ঠিক নয় । এখানে, আসলে, প্রয়োজনীয় কারেন্টটুকুই পাওয়া যায়না । আর, মূলত এই স্লো ডিসচার্জ রেটের কারনেই, অনেকে ব্যাটারি ডিপ ফ্রিজ বা ঠাণ্ডা কোন জায়গায় রাখার কথা বলেন । কিন্তু, যদিও তা রাখাটা খুব বেশি জরুরি নয় বরং ব্যাটারিগুলোকে সাধারন তাপমাত্রায় রাখা হলেই তা যথেষ্ট ।
তবে, এই ঠাণ্ডা সমস্যার একমাত্র সল্যুশন হল ব্যাটারি ব্যাবহারের পুর্বে একে কিছুটা গরম করে নেয়া । তাই বলে আগুনের কাছে নিয়ে গরম করাটা হয়ত ঠিক হবেনা ! ব্যাটারি যদি পেন্সিল ব্যাটারির মত ছোট হয় তাহলে, প্যান্টের পকেটে রাখলেই হবে । এর ফলে দেহ থেকেই প্রয়োজনীয় তাপ শোষন করতে পারবে । আর যদি গাড়ির ব্যাটারির মত বড় সাইজের হয় তাহলে, সাধারন তাপমাত্রায় থাকা অবস্থায় ইনসুলেটেড অবস্থায় রাখতে হবে । যাতে ঠাণ্ডা জায়গায় আনা হলেও তা যেন তাপ হারাতে না পারে ।

যাইহোক, আশা করি সবাই গরম এবং ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় ব্যাটারি কিভাবে কাজ করে কিংবা কেন তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় তা বুঝতে পেরেছে । যদি, তাও নতুন কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট সেকশনে প্রশ্ন করা যেতে পারে, উত্তর দেবার চেষ্টা করব । আজকে এই পর্যন্তই আশা করি সবার ভালো লেগেছে । সবাইকে ধন্যবাদ ।

 


 

References:

  1. https://goo.gl/gVrAzv
  2. https://www.duracell.com/en-us/help/faq/how-can-i-get-a-better-life-out-of-my-batteries
  3. http://www.qrg.northwestern.edu/projects/vss/docs/power/2-how-do-batteries-work.html
  4. https://www.thoughtco.com/why-batteries-discharge-quickly-cold-weather-607889

বিশ্বের আকাশছোঁয়া দামের সেরা দশ মোবাইল!

Now Reading
বিশ্বের আকাশছোঁয়া দামের সেরা দশ মোবাইল!

মোবাইল সেট বব্যহার করেননা এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম।কেউ কম দামি আবার কেউবা বেশি দামি মোবাইল সেট ব্যবহার করে থাকেন।কিন্তু বিশ্বে এমনও কিছু মোবাইল আছে যার দাম শুনা মাত্রই আপনার চোখ কোপালে উঠেছে বলে মনে হবে।ফোন গুলো এত্তবেশি দামি যে,যে জন্য সবার পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব না।আবার অনেকের ক্রয় করার ক্ষমতা থাকলেও করেননা। তবে পৃথিবীতে এমনও কিছু ব্যক্তি আছে যারা সখের বশে বিশ্বের সর্বোচ্চ দামি সেট কিনেন এবং অনেক যত্ন সহকারে ব্যবহার করে থাকেন।

 

আজকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০টি মোবাইল ফোনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব,যার দাম আকাশছোঁয়া।এর মধ্যে সেরা দামের প্রথম ৫টি ফোনই আইফোন সিরিজের দখলে।বাকী মোবাইল গুলো অন্যান্য কোম্পানির।এখানে প্রায় বেশিরভাগ ডিভাইসের আরেকটি নরমাল হবুহু ফোন আছে,যেমন নিচের লিস্টে দেওয়া আইফোনগুলো আর নরমাল আইফোনগুলোর সকল সিস্টেম সেইম,শুধুমাত্র পার্থক্য এটাই যে নিচের ফোনগুলোর ডিজাইনে বিভিন্ন উন্নতমানের হিরা,ডায়মন্ড,স্বর্ণ,টাইটান ইত্যাদি ববহার করা হয়েছে।মূলত হিরা,ডায়মন্ড,স্বর্ণ,টাইটান ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে ফোনগুলোর দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে।তাছাড়া নিচের দুইএকটা মোবাইল সেটের ফিচার দেখলে আপনার অবাক লাগতে পারে। যেমন নিচের ‘Vertu Signature Cobra’ ফোনটি মাত্র ২ইঞ্চি ডিসপ্লের এবং আরো হাস্যকর কথা হচ্ছে এই মোবাইল সেটটির ইন্টারনাল মেমোরি মাত্র ১এম্বি।কিন্তু তবুও সবাইকে চাপিয়ে বিশ্বের দামি টপ টেন ফোনগুলোর মাঝে এটি জায়গা করে নিয়েছে।কারণ একটাই এতে ব্যবহার করা হয়েছে cut diamond, white diamond দুইটি পান্না এবং 439 টি Rubies ইত্যাদি।

 

তো চলুন মোবাইল সেটগুলার সাথে পরচিত হওয়া হই।

প্রথমে টপ টেন থেকে শুরু করা যাক।

 

10.Sony Ericsson Black Diamond (Price →$300,000)Sony-Ericson-Black-Diamond.png

এটির দাম দুই কোটি বিয়াল্লিশ লাখ দুই হাজার পাঁচশত টাকা।

এটির ডিজাইন করেছেন ‘Jaren Goh’। এই সেটটিতে আছে ব্ল্যাক ডায়মন, টাইটানের সাথে পলিকার্বনের একটি স্তর। টাইটান একটি মহামূল্যবান ধাতু। 4 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, 2 ইঞ্চি OLED display, 128 MB ইন্টারনাল মেমরি, ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই।

 

9.Vertu Signature Cobra (price →$3,10,000) Vertu-Signature-Cobra.jpg

এটির দাম দুই কোটি পঞ্চাশ লাখ নয় হাজার দুইশত পঞ্চাশ টাকা।

এটির ডিজাইন করেছেন ফ্রান্সের গহনা নির্মতা Boucheron। এটিতে আছে একজোড়া cut diamond, white diamond দুইটি পান্না এবং 439 টি Rubies। কোনো ক্যামেরা নেই এতে। মাত্র 1MB ইন্টারনাল মেমরি।😃😃

 

8.Gresso Luxor Las Vegas Jackpot (Price →$1 Million)Gresso-Luxor-Las-Vegas-Jackpot.jpg

এটির দাম আট কোটি সাতষট্টি লাখ পাঁচ হাজার টাকা। এটি ডিজাইন করেছেন Gresso। এতে 180 গ্রাম পিউর স্বর্ণ দ্বারা তৈরি। সাথে আছে 200 বছরের পুরাতন African Blackwood এবং Black diamond।

 

7.GoldVish Le Million (Price →$1.3 Million)phone5.jpg

এটির দাম দশ কোটি আটচল্লিশ সাতাত্তর হাজার পাঁচশত টাকা। সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত ডিজাইনার Emmanuel এটি ডিজাইন করেছেন। এটি বিশ্বের ৭তম দামি মোবাইল ফোন। এতে আছে 18 ক্যরেট white Gold এবং 120 ক্যারেট VVS-1 graded ডায়মন।

 

6.Diamond Crypto Smart Phone (Price →$1.3 Million)Diamond-Crypto-Smartphone-2.jpg

এটির দাম দশ কোটি আটচল্লিশ সাতাত্তর হাজার পাঁচশত টাকা। এটি বিশ্বের ৬তম দামি মোবাইল ফোন। Peter Aloisson এটি ডিজাইন করেছেন। এ মোবাইলের সবগুলো পার্টস ই প্লাটিনাম দ্বারা তৈরি। এটির Ancort Logo এবং Navigation Key 18 ক্যারেট Yellow/rose Gold দ্বারা তৈরি। সাথে আছে 1.5 ক্যারেট Cut diamond।

 

5.iPhone 3G Kings Button (Price →$2.5 Million)iPhone-3G-Kings-Button.jpg

এটির দাম বিশ কোটি ষোল লাখ সাতাশি হাজার পাঁচশত টাকা। Peter Alosson এটি ডিজাইন করেছেন। এটিতে আছে 18 ক্যরেট Yellow, white এবং Rose Gold। এটির বাটনে আছে আছে 6.6 ক্যারেট ডায়মন্ড।

 

4.Supreme Goldstriker iPhone 3G 32 GB (Price → $3.2 million)

Goldstriker-iPhone-3GS-Supreme.jpg

এটির দাম পঁচিশ কোটি একাশি লাখ ষাট হাজার টাকা। অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ী Gold Striker এটির ডিজাইন করেছেন। এতে 22 ক্যারেটের 271 গ্রাম স্বর্ণ এবং 136 ডায়মন্ড আছে। এটির সামনের সরু ফ্রেম, বাটন এবং লোগোটি ডায়মন্ড দিয়ে সাজানো।

 

3.iPhone 4 Diamond Rose Edition (Price →$8 Million)Iphone-4-Diamond-Rose-Edition-1-thumb-550x3661.jpg

এটির দাম চুষট্টি কোটি চুয়ান্ন লাখ টাকা।Stuart Hughes এটির ডিজাইন করেছেন। এটি Rose Gold, Diamond এবং প্লাটিনাম দ্বারা তৈরি। এতে 100 ক্যারেট ডায়মন্ড আছে। সামনের সরু ফ্রেম, বাটন এবং লোগোটি সাজাতে 500 পিছ ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

2.iPhone 5 Black Diamond (Price →$15.3 Million)ht_iphone5_black.jpg

মোবাইলটির দাম একশো তেইশ কোটি তেতাল্লিশ লাখ সাতাইশ হাজার পাঁচশত টাকা।

ব্রিটিশ ডিজাইনরি Stuart Hughes এটি ডিজাইন করেছেন। এতে আছে 26 ক্যারেট ব্ল্যাক ডায়মন্ড। ফোনের পেছনের অংশটি সলিড গোল্ড দ্বারা তৈরি এবং Apple logoটি 53টি ডায়মন্ড দ্বারা সাজানো। এটির Screen টি Sapphire Glass দ্বারা তৈরি। এটির হোম বাটনটি 26 ক্যারেট 600 ব্ল্যাখ ডায়মন্ড দিয়ে সাজানো। এতে 135 গ্রাম 24 ক্যারেট স্বর্ণ আছে।

 

1.Falcon SuperNova Pink Diamond iPhone 6 (Price →$95.5 Million)iphoneinside2.jpg

 

এটির দাম সাতশো সত্তর কোটি চুয়াল্লিশ লাখ বাষট্টি হাজার পাঁচশত টাকা।

আর হ্যাঁ এটাই হল আজ অবধি এই গ্রহের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোন।এমনিতে সেরকম কিছুই নেই এই ফোনেতে, আছে বলতে একটা ১৮ ক্যারেটের হীরে। আর নামটা শুনেই তো বুঝেছেন যে হীরেটার রঙ পিঙ্ক। আবার নীলও হতে পারে। এছাড়া অ্যাপেলের ফোনে যা যা অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যাপার থাকে সেগুলোতো চূড়ান্ত মাত্রায় আছেই।সুতরাং আপনি চাইলেই কিনতে পারেন, তবে তার জন্য একটু বেশীই জমাতে হবে আপনাকে।😜😜

বিশ্বের সেরা দীর্ঘায়ু ব্যাটারির চার্জ ক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোন!

Now Reading
বিশ্বের সেরা দীর্ঘায়ু ব্যাটারির চার্জ ক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোন!

স্মার্টফোনের ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিক জীবনের একটা বিশেষ অংশ হিসেবে পরিণিত হয়েছে।আমরা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ অত্যন্ত সহজে এখন মোবাইলেই করতে পারি।এমনকি ডেক্সটপের অনেক কাজ বর্তমানে স্মার্টফোনেই করা যাচ্ছে।স্মার্টফোনের কাজ সম্পাদনের সুযোগ-সুবিদা বর্তমানে এন্ড্রয়েডে সবচেয়ে বেশি রয়েছে।কারণ অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে এন্ড্রয়েডের ডেভেলপাররা বিভিন্ন রকম সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে স্মার্টফোনের কাজকে প্রতিনিয়ত আরো সহজতর করছে।তাই বর্তমানে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে।কিন্তু স্মার্টফোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি  হচ্ছে ব্যাটারি।কারণ স্মার্টফোনে কাজ করতে অনেক ব্যাটারি শক্তির প্রয়োজন হয়।আর স্মার্টফোনের ব্যাটারি যত শক্তিশালী হবে ততো বেশি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ দেওয়া বিহীন স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা যাবে।কিন্তু স্মার্টফোনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে ব্যাটারির চার্জ নিয়ে সমস্যা পোহাতে হয়নি এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।অনেক নামীদামী ব্রান্ডের স্মার্টফোনেরও চার্জ পুড়িয়ে যায় তাড়াতাড়ি।তার কারণ হচ্ছে কম ক্ষমতা সম্পন্ন দূর্বল ব্যাটারি ডিভাইসের সাথে জুড়ে দেওয়া। তাই স্মার্টফোনের ব্যাটারি সমস্যা দূর করতে সবাইকে ছাপিয়ে চীনের ‘অকিটেল’ কোম্পানি দুটি বিশ্বের সেরা ব্যাটারি ক্ষমতা সম্পন্ন স্মার্টফোন লঞ্জ করেছে।এই স্মার্টফোনগুলো হাতে থাকা মানে রীতিমতো একটি পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে ঘোরা।কারণ  দুটিতেই ব্যবহার করা হয়েছে “১০হাজার” মিলিআ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।হয়তো শুনে অনেকের নিশ্চয় অবাক লাগতে পারে?হ্যা! অবাক লাগারই কথা,কিন্তু সত্যি এটাই যে ১০ হাজার এম্পিঅ্যায়ারের ব্যাটারি এ ডিভাইস দুটিতে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

অকিটেলের এ ডিভাইস দুটিতে একবার ফুল চার্জ দিলে নরমাল ইউজে ১৫ দিন এবং একটানা ইউজে ৪৬ ঘন্টার বেশি বা ২দিন চলে যাবে এমটাই জানিয়েছে কোম্পানিটি।

ডিভাইস দুটির নামও ব্যাটারির সাথে মিল রেখে দেওয়া হয়েছে।যথা,অকিটেল কে১০,০০০ ও অকিটেল কে১০,০০০ প্রো বা (Oukitel k10,000 And Oukitel k10,000 pro)এ দুটির মধ্যে কে ১০০০০প্রো ডিভাইসটি সবদিক দিয়ে এক কথায় অসাধার। 

ডিভাইস দুটির সংক্ষেপে স্পেসিফিকেশন দেওয়া হল।

অকিটেল কে ১০,০০০ প্রো:-

Screenshot_2017-05-30-18-17-06~01.jpg

★→৫.৫ ইঞ্চি পিএইসডি ( 1280 x 1920) পিপিআই বিগ নিখুত ডিসপ্লে সাথে কর্নিং গরিলা গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে।

★→পিছনের ক্যামেরার নিচে রয়েছে ফিঙ্গার ফ্রিন্ট সেন্সর।

★→মিডিয়াটেক 6750 4x কোরটেক্স A53 1.5 গিগাহার্জ + 4X কোর্টেক্স -A53 1.0GHz গিগাহার্জের শক্তিশালী ডোয়াল অক্টকোর ব্যবহার করাই ডিভাইসটিতে কোনো রকম সমস্যা বা ল্যাগিং ছাড়া গেমিং করা যাবে অনায়াসে।

Screenshot_2017-05-30-18-13-00~01.jpg

★→অপারেটিং সিস্টেম এন্ডয়েড সর্বশেষ ভার্সন ৭.০ নুগ্যাট ব্যবহার করা হয়েছে।

★→ডোয়াল সিম সাথে ২জি,৩জি ও ৪জি ব্যবহারের সুবিদা রয়েছে।

★→৩২ জিবি ইন্টারনাল এবং ৬৪ জিবি এক্সটারনাল মেমোরি ব্যবহারের সুবিদা।

★→৩জিবি র্যাম ব্যবহার করাই কোনো প্রকার ল্যাগিং ছাড়ায় মাল্টিটাস্কিন বেশি করা যাবে।

★→৫ফিঙ্গার মাল্টিটাচের সুবিদা।

★→পিছনে ১৩ মেগাপিক্সেল এবং সামনে ৫মেগাপিক্সেল উন্নত ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

★→ওয়াইফাই

★→হটস্পট

★→ওটিজি

★→ব্যাটারি টাইপ:- নন-রিমুভাল।

★→আরো আছে জেসচার সেটিংস’। যার মাধ্যমে এই ডিভাইসটিকে এক হাতে ব্যবহার করা অনেক সহজ হবে। স্ক্রীন অফ থাকা অবস্থায়ও আঙুল দিয়ে C লিখে ক্যামেরা ওপেন করা, কিংবা E লিখে ব্রাউজার ওপেন করা যাবে। ফোনের নির্দিষ্ট জেশ্চার চাইলেই এডিট করে, নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন ওপেন করা যাবে।

Screenshot_2017-05-30-18-12-49~01.jpg

★→কে১০০০০ প্রো মডেলের এই স্মার্টফোনে ইউএসবি ওটিজি রিভার্স চার্জ ফাংশন থাকায় এই ফোনকে একটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। অর্থা, এই ফোনকে ব্যবহার করে অন্যান্য স্মার্টফোনের ব্যাটারিও চার্জ দেওয়া যাবে।

Screenshot_2017-05-30-18-12-18~01.jpg

→এই বিশাল শক্তির ব্যাটারি চার্জ করতেও তো অনেক সময় লাগার কথা।তাই সে সমস্যা মাথায় রেখেই ১২ভি/২এ ফ্লাশ চার্জার দিয়েছে অকিটেল।এর মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র ৩ ঘণ্টা। 

Screenshot_2017-05-30-18-13-22~01.jpg

(কে১০,০০০ প্রো’র  বর্তমান মূল্য:- 219.99 ইউএস ডলার বা 17,728 টাকা।)

 

অকিটেল কে ১০,০০০:-

Screenshot_2017-05-30-18-17-20~01.jpg

★→৫.৫ ইঞ্চি এইসডি-আইপিএস( ৭২০ x ১২৮০) পিপিআই বিগ নিখুত ডিসপ্লে।

★→মিডিয়াটেক 6735 64 Bit 1.0GHz গিগাহার্জের শক্তিশালী কোয়াড কোর ব্যবহার করা হয়েছে।

★→জিপিইউ Mali T720 ব্যবহার করাই মোটামুটি গেম খেলার জন্য যথেষ্ট।

★→অপারেটিং সিস্টেম এন্ডয়েড সর্বশেষ ভার্সন 5.1 নুগ্যাট ব্যবহার করা হয়েছে।

★→ডোয়াল সিম সাথে ২জি,৩জি ও ৪জি ব্যবহারের সুবিদা রয়েছে।

★→16 জিবি ইন্টারনাল এবং 32 জিবি এক্সটারনাল মেমোরি ব্যবহারের সুবিদা।

★→2জিবি র্যাম ব্যবহার করাই কোনো প্রকার ল্যাগিং ছাড়ায় মাল্টিটাস্কিন বেশি করা যাবে।

★→5ফিঙ্গার মাল্টিটাচের সুবিদা।

★→পিছনে 8 মেগাপিক্সেল এবং সামনে 2 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

★→ওয়াইফাই

★→হটস্পট

★→ওটিজি

*→ব্যাটারি টাইপ:- নন-রিমুভাল।

*→আরো আছে জেসচার সেটিংস’। যার মাধ্যমে এই ডিভাইসটিকে এক হাতে ব্যবহার করা অনেক সহজ হবে। স্ক্রীন অফ থাকা অবস্থায়ও আঙুল দিয়ে C লিখে ক্যামেরা ওপেন করা, কিংবা E লিখে ব্রাউজার ওপেন করা যাবে। ফোনের নির্দিষ্ট জেশ্চার চাইলেই এডিট করে, নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন ওপেন করা যাবে।

 

★→কে১০০০০ মডেলের এই স্মার্টফোনে ইউএসবি ওটিজি রিভার্স চার্জ ফাংশন থাকায় এই ফোনকে একটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। অর্থা, এই ফোনকে ব্যবহার করে অন্যান্য স্মার্টফোনের ব্যাটারিও চার্জ দেওয়া যাবে।

 

★→এই বিশাল শক্তির ব্যাটারি চার্জ করতেও তো অনেক সময় লাগার কথা।তাই সে সমস্যা মাথায় রেখেই 9ভি/2এ ফ্লাশ চার্জার দিয়েছে অকিটেল।এর মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র 3.5 ঘণ্টা। 

Screenshot_2017-05-30-18-11-29~01.jpg

(কে১০,০০০ এর বর্তমান মূল্য:- ১৩২ ইউএস ডলার বা 10,631 টাকা।)

 

বিদ্র: ফোনগুলো আলিএক্সপ্রেস থেকে খুব সহজে অর্ডার করে কিনতে পারবেন অথবা facebook থেকে “Online purchase” গ্রুপে জয়েন হয়ে এডমিনের সাথে কথা বলে বিকাশে পেমেন্টর মাধ্যমে কুরিয়ার সার্ভিসে ফোন নিতে পারবেন।