২৫০০০ টাকার মধ্যে বেষ্ট ক্যামেরা ফোন এবং বাজেট ফোন

Now Reading
২৫০০০ টাকার মধ্যে বেষ্ট ক্যামেরা ফোন এবং বাজেট ফোন

বর্তমানে মোবাইল বাজার অস্থির একটি অবস্থা। কোন মোবাইল কিনলে ভাল হবে তা বুঝতে বুঝতে অনেকের চোখ লাল হয়ে যায় কিন্তু বুঝতে পারেনা কোন মোবাইল কিনলে ভাল হয়। তবে আপনি যদি আমার মোবাইল রিভিউ পড়েন তাহলে অনেকটা বুঝতে পারবেন কোন মোবাইল আপনার জন্য পারফেক্ট।

অনেকে মনে করেন যে কম টাকায় ভাল মোবাইল আবার অনেকে চান বেষ্ট ক্যামেরা মোবাইল আবার অনেকে চান বেষ্ট ব্যাটারী ব্যাকআপ মোবাইল। আবার অনেকে সব একসাথে চান। তবে সব একসাথে পাওয়া অনেক কঠিন না তবে দাম একটু বেশী।

আমি যে সকল মোবাইল ফোনের নাম নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করলাম তা একমাত্র আমার  নিজস্ব মতামত এবং অনেকের মতের সাথে মিলতেও পারে আবার নাও মিলতে পারে।

বেষ্ট ক্যামেরার দিক বিবেচনা করে ভাল মানের অনেক গুলো মোবাইল ফোন আছে যেগুলো পারফরম্যান্সও অসাধারন। তবে আমি বলব শুধু ক্যামেরা না বরং ওভারঅল পারফরমেন্সের দিক দিয়ে যে ফোনগুলো ভাল সেই ফোনগুলোই কেনা উচিৎ।

প্রথমত একটি ভাল ফোন হতে পারে গ্যালাক্সি এ৫ ২০১৭ যাতে রয়েছে ৫.২ ইঞ্চির হাইডেফিনেশন  সুপার এমোলেড ডিসপ্লে  সাথে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল রেয়ার এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা যা আপনাকে দিবে অসাধারন সব ছবি এবং ভিডিও ক্যাপচার বা তুলবার সক্ষমতা। যার দাম পড়তে পারে ২৫০০০ টাকা থেকে ২৬০০০ টাকার ভিতরে। এখানে আছে ফাষ্টার চার্জার টেকনোলজী যা ফোনটিকে দ্রুত চার্জ করাতে সাহায্য করবে। এই মোবাইলের বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি ওয়াটার প্রুফ যা ১.৫ মিটার পানির গভীরেও  আপনি ছবি তুলতে পারবেন কোন সমস্যা ছাড়াই।

দ্বিতীয়ত এইচটিসির ভাল একটি ফোন হচ্ছে এইচটিসি ডিজায়ার ১০ প্রো যাতে আপনি পাবেন খুব উন্নতমানের ডিজাইন এবং এর পিকচার কোয়ালিটি অনেক ভাল। এতে রয়েছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমরী যা আপনাকে দিবে অসাধারন পারফরম্যান্স। মোবাইলটি সব দিকদিয়েই ভাল কিন্তু দাম একটু বেশী ২৯,১০০ টাকার কাছাকাছি।

শাওমির এমআই৫এস এতে রয়েছে আল্ট্রা পিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকাতে এটি ৪ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা হলেও বেশ ভাল মানের এইচডি ছবি তোলা যায়।

বর্তমানে অনেক মোবাইলের মধ্যে এন্ড্রয়েড মোবাইলই সবচেয়ে ভাল এবং জনপ্রিয় একটি মোবাইল হচ্ছে গুগলের পিক্সেল ২আই। গুগলের এই মোবাইলটি দাম বেশি প্রায় ৫০০০০ টাকার মত হলেও খুব ভাল মানের একটি ফোন। এতে রয়েছে ৬ জিবি র‌্যাম, ৬৪ বা ১২৮ জিবি ইন্টারনাল মেমরী। এর বাহিরেও এই মোবাইলের মাধ্যমে গুগল ড্রাইভেও যেকোন জিনিস রাখা যায় যা একটি অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে থাকে। মোবাইলের পারফরম্যান্স ছাড়াও ক্যামেরা ফিচার অসাধারণ এবং প্রোসেসরও অনেকে অনেক উন্নত।  তবে যাদের বাজেট ঘাটতি আছে তারা অন্য ব্রান্ডের মোবাইল সিলেক্ট করতে পারেন।

ক্যামেরার দিকে যদি আপনার ঝোঁক থাকে তাহলে স্যামসাং এবং সনি মোবাইলের পারফরমেন্স সবচেয়ে ভাল হবে। এর পাশাপাশি আসুসের জেনফোন সেলফিও, নোকিয়ার নতুন মোবাইল নোকিয়া ৬/নোকিয়া ৮ যা প্রথম  লঞ্চ হয়েছে লন্ডনে এবং এই মোবাইলগুলো খারাপ মোবাইল না। বলতে পারেন বেষ্ট ক্যামেরা মোবাইল ফোন এভার। এন্ড্রয়েড সম্বলিত নকিয়া বা আসুস এর জেনফোন সেলফি মোবাইলের দাম পড়বে প্রায় ২০০০০ টাকা। সেলফি তুলতে যারা আগ্রহি তারা তারা অপ্পো এফ ৫ বা আসুসের জেনফোন সেলফি ফোনটি কিনতে পারেন।  অপ্পো এফ ৫ এর দাম পড়বে ৩০০০০ টাকা অপরদিকে জেনফোন সেলফির দাম পড়বে ২০০০০ টাকার কাছাকাছি।

মোবাইলে র‌্যাম যত বেশী থাকে  পারফরম্যান্স তত বেশী ভাল হয়ে থাকে। বর্তমান বাজারে ৩ জিবি র‌্যাম এর ক্যামেরা মোবাইল কিনলেই ভাল হবে।

বর্তমানে চায়না মোবাইল ফোন ভাল পারফরম্যান্স দেখা যায় এবং যাদের বাজেট কম মোবাইল কেনার ইচ্ছা আছে তারা শাওমি এবং হুয়াওয়ে এবং অপ্পো ব্রান্ডে মোবাইল চয়েজ করতে পারেন। হুয়াওয়ের জিআর ৫ কিনলে অনেককিছু গিফট পাওয়ার সম্ভবনা আছে। ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি সাইজের মেমরীরর এই ক্যামেরা ফোনটিও অনেক ভাল ফোন কারন এতে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা । হুয়াওয়ের জিআর ৫ এর দাম ১৮,৫৯০ থেকে ২২,০০০ টাকার মধ্যে যা অন্যান্য মোবাইলের তুলনায় কম।

হুয়াওয়ের চার ফোনের মোবাইল যা হুয়াওয়ের নোভা ২  ফোনটি একটি অনেক ভাল মানের ফোন হবে। এতে রয়েছে এন্ড্রয়েড নুগাট যা এন্ড্রয়েডের সর্বশেষ ভার্ষন সংযোজন করা আছে। এতে আছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি রম বা ইন্টারনাল মেমরী এবং দাম পড়বে বাংলাদেশী টাকায় ২৬,৯৯০ টাকা মাত্র যা আপনি ঘরে বসেই পিকাবো সাইট থেকে অর্ডার করতে পারবেন। এর ব্যাক বা রিয়ার ক্যামেরা রেজুলেশন দেওয়া আছে ১৬+২ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া আছে ১৩ +২ মেগা পিক্সেল যা দিয়ে অসাধারন ডিএইচএল মানের ছবি তোলা যায়। এই মোবাইলের ডিজাইন অসাধারন এবং এই ফোনটি অনেক স্লিম এবং এটার সাইজ ৫.৯ ইঞ্চি যা অনেক বড় মাপের একটি ফোন।

শাওমির রিদমি ফোর এক্স ৪ জিবি র‌্যাম এর সাথে ইন্টারনাল মেমরী পাবেন ৬৪ জিবি যা যতেষ্ট ভাল পারফরম্যান্স দিবে। কারন অনেকেরই মোবাইলে জায়গা নিয়ে আপত্তি আছে যে মোবাইলগুলো আগে কেনা হয়েছিল তা হয়ত যতেষ্ট স্পেস পাওয়া যায় না যার কারনে স্লো হয়ে যায় কিন্তু এই মোবাইলে সে সম্ভবনা নাই। তাছাড়াও ৪ জিবি র‌্যাম থাকার কারনে পারফরম্যান্স অনেক ভাল হবে। এই মোবাইলের  দামও কম ১৫৫০০ টাকা যা অনেকটা হাতের নাগালে আছে।

মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

Now Reading
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

মোবাইল, কম্পিউটার এবং ল্যাপটপকে ভাল রাখতে হলে যত্ন নিতে হবে। যেমন মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ইনষ্টল করা যাবে না, নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। মাঝেমাঝে অস্থায়ী (টেমপরারি) ফাইল মুছে ফেলতে হবে। মোবাইলে কোন এপ্লিকেশন চালু করলে অনেকে বন্ধ করেন না যার ফলে এপ্লিকেশনটি স্কিনে দেখা না গেলে ও ভিতরে ভিতরে চলতেই থাকে এবং চার্জ শেষ হয়ে যায়। অনেকটা একই রকম ঘটনা ঘটে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ক্ষেত্রে। তাই নিয়মিত চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ফাইল বা ফোল্ডার বা অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলতে হবে।

দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলা যাবে না তাতে করে ব্যাটারীর উপর একটু বেশীই চাপ পড়ে। তাই বলে আপনি গেম খেলতে পারবেন না তা না খেলতে পারবেন কিন্তু মোবাইল বেশী গরম হয়ে গেলে কিছুক্ষণ মোবাইলকে বিশ্রাম দিন।

ল্যাপটপ যেভাবে চার্জে চলে কম্পিউটার সেই রকম না। ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে কাজ করা উচিৎ না বরং ল্যাপটপটিকে সম্পূর্ণভাবে চার্জ দিয়ে নিন  এবং এরপর চার্জ দেওয়া ছাড়াই চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে থাকুন । অনেকে ল্যাপটপের জন্য কুলিং প্যাড ব্যাবহার করেন। ল্যাপটপ অবশ্যই সমান জায়গায়  রেখে কাজ করতে হবে। ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ না করাই ভাল কারন ল্যাপটপটি কাজ চলাকালীন সময়ে গরম হয়ে যায় এবং সেক্ষেত্রে আপনার পায়ের নীচের অংশ গরম হয়ে যেতে পারে বা পেটের সাথে লাগানো থাকলে পেটের নানা জায়গায় সমস্যা হতে পারে। সেই জন্য ল্যাপটপ রাখার জন্য শক্ত কিছু ব্যাবহার করুন।

কম্পিউটার সরাসরি চার্জে চলে না বরং কারেন্টে চলে এবং কারেন্ট চলে গেলে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় যদি আপনার কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ না থাকে। ইউপিএস থাকলে কম্পিউটারটি ল্যাপটপের মত কিছুক্ষণ ব্যাকআপ দেয়। তবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর উপর কিছুটা চাপ পড়ে তাই কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ থাকা ভাল। যেখানে ঘনঘন কারেন্ট যায় সেখানে অবশ্যই ইউপিএস থাকা দরকার এছাড়াও ইউপিএসকে ভালভাবে নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। ইউপিএস কিনলে ভালমানের কেনাই শ্রেয়।

প্রায় সময়ই দেখা যায় কম্পিউটার স্লো এবং স্টার্ট নিতে অনেক সময় লাগে অনেক সময় কম্পিউটার ভাইরাসের কারনেও কম্পিউটার স্লো হয় এবং এর জন্য কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে ভালমানে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করা দরকার। অবশ্য উইন্ডোজ ১০ এর সাথে বিল্টইন উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দেওয়াই থাকে যার ফলে নতুন করে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

 

যারা ইন্টারনেট সংযোগ চান তাদের জন্য ব্রডবেন্ড সংযোগই ভাল কারন ব্রডবেন্ড ইন্টারনেট এ যে স্পিড পাবেন অন্য ক্ষেত্রে সেই স্পিড পাবেন না। আর আপনার বাসায় যদি ল্যাপটপ এবং একধিক মোবাইল থাকে আর আপনি যদি চান সবগুলোতেই সমান স্পিডে ইন্টারনেট পেতে হবে সেক্ষেত্রে আপনাকে একটি রাউটার কিনতে হবে। যার দাম পড়তে পারে ৩০০০ টাকার মত। যারা আপনাকে ব্রডবেন্ড সংযোগ দিবে তাদের বললে তারাই আপনার বাসায় এসে কনফিগার করে দিবে। সেক্ষেত্রে আপনি সবকিছুতে ইন্টারনেট ওয়াইফাই পাবেন। এমনকি আপনি যেই বিল্ডিং এ থাকেন সেই বিল্ডিংয়ের সবাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে যদি আপনি তাদেরকে পাসওয়ার্ড বলে দেন তাই সবাইকে আপনার পাসওয়ার্ড দিবেন না। যদি আপনার বাসায় এসে নিকট আত্বীয় আপনার ইন্টারনেট ওয়াইফাই ব্যাবহার করতে চায় তাহলে দিবেন তাতে কোন সমস্যা নাই। পাসওয়ার্ড সবার সাথে শেয়ার করা উচিৎ না।

 

আপনার  ল্যাপটপ বা কম্পিউটার গতিশীল রাখতে কিছু কমান্ড ব্যাবহার করা যায়। এর জন্য আপনাকে ষ্টার্ট মেনু থেকে রানে যেতে হবে (windows বাটন চেপে R অথবা ষ্টার্টমেনুতে রাইট ক্লিক করেও রান মেনু দেখা যায় )এবং টাইপ করুন tree তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন একই রকমভাবে টাইপ করুন prefetch তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন %temp%, তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন, temp/recent  তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট (ctrl+A)করে মুছে (delete) দিন।

 

হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি ড্রাইভ আলাদাভাবে সিলেক্ট করে প্রোপারটিজ এ জান এবং তার পর ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন এভাবে সি, ডি, ই যত ড্রাইভ আসে সবগুলোই আলাদা আলাদাভাবে ডিস্ক ক্লিনআপ করুন। মাঝে মাঝে ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন। সেই জন্য আপনি সার্চ দিয়ে ডিফ্রেগ লিখে ইন্টার দিলে ডিফ্রেগমেন্টেশন এন্ড অপটিমাইজেশন মেনু চলে আসবে তখন আপনি সহজেই ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন।

এছাড়া আপনি যদি কন্টোল প্যানেলে যান এবং অজানা বা অপ্রয়োজনীয় ফাইল আন ইনষ্টল করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার কিছুটা ফাষ্ট হতে পারে। একই রকমভাবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও আপনি কিছু অপ্রয়োজনীয় ফাইল কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আনইনষ্টল করতে পারেন।

আপনাকে আরো কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে যেমন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ইমেইল চেক করার সময় কোন সময়ই অজানা ইমেইলে ক্লিক করবেন না কারন সেটাও ইমেইল ভাইরাস হতে পারে। আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে কখনও ভিজা স্যাঁতস্যাতে জায়গায় রেখে কাজ করবেন না।

ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে আপনি একটি পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করতে পারেন। তাতে করে আপনার ল্যাপটপটি সুরক্ষিত থাকবে এবং অজানা কেউ আপনার কম্পিউটারে সহজে ঢুকতে পারবে না। এছাড়াও কম্পিউটারে যখন পেন ড্রাইভ ঢুকাবেন তখন সাবধান থাকবেন কারন আপনার পেন ড্রাইভে ভাইরাস থাকতে পারে এবং অবশ্যই ভাইরাস ক্লিন করে কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ ঢুকানো উচিৎ।mobilesecurity2.jpg