ভিডিও প্রোডাকশনের জন্য আমি কি কি ব্যবহার করি [ভিডিও]

Now Reading
ভিডিও প্রোডাকশনের জন্য আমি কি কি ব্যবহার করি [ভিডিও]

যেকোন ধরনের ভিডিও প্রোডাকশনের জন্য দরকার সঠিক ক্যামেরাটি। শুধু ক্যামেরা না, ক্যামেরার সাথে থাকে আরো অনেক আনুসাঙ্গিক জিনিষপত্র যেগুলো ছাড়া আসলে ভাল কিছু তৈরী করা একটু কঠিনই বটে।

আজকের এই ভিডিওটি মুলত বানানো হয়েছে আমি ব্যাক্তিগতভাবে কি ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি তাই এবং এটি আপনাদের অনুরোধের ভিডিও ছিল।

বাংলাদেশ মায়ানমার যুদ্ধ | গণহত্যা | বার্মিজ অসদাচরণ | তৃতীয় পক্ষ | ভিডিও

Now Reading
বাংলাদেশ মায়ানমার যুদ্ধ | গণহত্যা | বার্মিজ অসদাচরণ | তৃতীয় পক্ষ | ভিডিও

এই ভিডিও যখন পোস্ট করছি তখন নতুন একটি খবর এসেছে যে মায়ানমার আবারো বাংলাদেশের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করেছে। আবারো বাংলাদেশের আকাশ সীমায় তারা তাদের হেলিকপ্টার ঢুকিয়েছে। তবে মায়ানমার কি বাংলাদেশকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে? তারা কি খুব বেশী বাড়াবাড়ি করছে না? বাংলাদেশ – মায়ানমারের মধ্যে যুদ্ধ হবার সম্ভাবনা কতটুকু। যদি যুদ্ধ হয় তাহলে কে জিতবে? ক্ষতি কার বেশী হবে? এই যুদ্ধে কোন পক্ষের বেশী লাভ হবে? তৃতীয় কোন শক্তি কি কলকাঠি নাড়ছে? বাংলাদেশে কি কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করার চেষ্টা করছে মায়ানমার? তাদের এজেন্ডা কি?

এসব নিয়ে বাংলাদেশীজমের আজকের ভিডিও। আশা করি ভিডিওটি দেখে আপনার গুরুত্বপূর্ন মতামত দিবেন। বাংলাদেশীজমে আপনাদের মতামত সবসময় গুরুত্বপূর্ন।

পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ – কক্সবাজার থেকে টেকনাফ

Now Reading
পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ – কক্সবাজার থেকে টেকনাফ

বাংলাদেশে গর্ব করার মত অনেক কিছুই আছে। হয়তো আমাদের একটু খুজে দেখতে হবে এই যা। অথবা অনেক সময় চোখের সামনে পড়ে থাকে কিন্তু দেখিনা। যেমন ধরেন মেরিন ড্রাইভ। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ – ৮০ কিমি এই মেরিন ড্রাইভ পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ। অসাধারন সুন্দর দুই পাশের চিত্র। একদিকে সমুদ্র আর আরেকদিকে পাহাড়। আর আছে মানুষের জীবন যাত্রার বৈচিত্র।

এতদিন শুধু শুনে এসেছিলাম উদ্বোধনের পর, এবার নিজেরা গিয়েই দেখে আসলাম আসলেই কেমন এই মেরিন ড্রাইভ। আমাদের একটি বিদেশী-দেশী প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন-ভিডিও তৈরী করার একটি প্রজেক্ট ছিল যা আমরা ঠিক করেছিলাম মেরিন ড্রাইভের উপর কর। অন্তত একটি বিশেষ অংশ। যাওয়ার পরেই বুঝতে পারলাম – সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না। আর মেরিন ড্রাইভের উপর আমাদের এই প্রজেক্ট, চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া হতে শুরু করে শুটিং পর্যন্ত সবকিছুই আমরা ধারন করেছি আমাদের ভিডিও ব্লগে। নীচের ভিডিওটি দেখুন আর উপভোগ করুন অসাধারন সেই সৌন্দর্য।

মূল ভিডিও ঃ

বিহাইন্ড দ্যা সিন –

বাংলাদেশকে নিয়ে অপমানজনক ভুল তথ্যে ভরা ভিডিও তৈরীর জন্য বাংলাদেশীজমের অভিনব প্রতিবাদ !!

Now Reading
বাংলাদেশকে নিয়ে অপমানজনক ভুল তথ্যে ভরা ভিডিও তৈরীর জন্য বাংলাদেশীজমের অভিনব প্রতিবাদ !!

আর কত? বাংলাদেশ নিয়ে আর কত অপমানজনক, মিথ্যা, ভুল, মনগড়া, আজগুবি ভিডিও বানালে ভারতের ইউটিউবাররা শান্তি পাবে? আমি জানি, কুত্তার লেজ যেমন সোজা হয়না, তেমনি এই ইউটিউবারগুলোও ঠিক হবেনা। আমাদের বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তথা অফিসিয়াল পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেয়া হলেও এরা বন্ধ যায়নি। এক একটা ভিডিওতে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ রয়েছে। এইজন্যই দেখি বাইরের মানুষ বাংলাদেশের ব্যাপারে এত ভুল তথ্য কিভাবে জানে। কেন বাংলাদেশ সম্বন্ধে তাদের এতো নেগেটিভ ধারণা। একটা দুইটা বা দশটা নাহ, সারা ইউটিউব ঘেঁটে এমন হাজার হাজার ভিডিও পাওয়া যাবে যা কিনা ভারত আর পাকিস্তানের গাঁজাখোর ইউটিউবাররা বানিয়ে রেখে দিয়েছে আর এদিকে আমাদের দেশের ভাবমুর্তি দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে। কয়জন এর সত্যতা যাচাই করতে যাবে বলেন? মানুষ তো ভিডিও দেখেই অন্য ভিডিওতে চলে যাচ্ছে। মাঝে থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট সুন্দর দেশটার প্রতি নেতিবাচক কিছু ধারণা। আর এই বাংলাদেশই আমাদের দেশ। আমরা কি করছি? আমরা সেইসব ভিডিওতে গিয়ে ইচ্ছামতো গালিগালাজ করে সেই ইউটিউবারের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করছি সাথে ভিউ বাড়িয়ে বাড়িয়ে সেই ভিডিও আরো ভাইরাল করে ফেলছি। কেউ নেই এইগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলার। আর কেউ এইগুলোকে প্রোটেষ্ট করতে গেলেই বলে আরে ভাই, কুত্তায় কামড়াইছে বলে কি আপনিও কুত্তারে কামড়াইতে যাবেন? হাউ ফানি? এই হলাম আমরা। আর ওদিকে প্রতিবাদ না করতে করতে অনলাইনে দেশটাকে যে আবর্জনার স্তুপ বানিয়ে ফেললো, সেদিকে নজর যায়না আপনাদের? তারা অমন করবে, আমার দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো? এই কি আমরা বাংলাদেশী? এই কি আমাদের পরিচয়? নাকি আমরা সংগ্রামী জাতি যারা বারবার লড়ে , যুদ্ধ করে আজ বাংলাদেশী হয়েছি? বিড়ালের মত মিউ মিউ করে বসে থাকলে চলবে না, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত গর্জন দিয়ে এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। তবে অবশ্যই সেটা ভদ্রতা বজায় রেখে, কারণ ওরা অভদ্রের মত আচরণ করে। আর আমাদের ভদ্র জবাবই তাদের থেকে আমাদের পার্থক্য প্রকাশ করবে যে আমরা আসলেই ভদ্র জাতি। একটা কথা বলি, আজ কেউ যদি আপনার মায়ের ছবিকে নগ্নতার সাথে আর দশজনের সামনে প্রকাশ করে, আপনি কি ঘরে বসে আঙ্গুল চুষবেন? বলেন? একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন? নাহ, আপনি কল্পনাতেও আনতে পারছেন না তাইতো? সেই ব্যক্তিকে পেলে নিশ্চিত মার্ডার জাতীয় কিছুও করে ফেলতে পারেন, আর এটাই বাস্তবতা। আচ্ছা, আপনাদের কাছে এই সোনার বাংলাদেশটাকে কি মায়ের মত মনে হয়না বলেন? এই বাংলাদেশ তো আমাদের মা-ই নাকি? কেন এই দেশের বিরুদ্ধে কথা বললে চুপ করে থাকবেন? কেন? রক্তে কি জ্বালা ধরেনা? অনলাইন হোক আর যেখানেই হোক, যেভাবেই হোক, এই দেশের ভাবমূর্তিই তো নষ্ট হচ্ছে নাকি?

তাই সবাইকে অনুরোধ করছি, যে যার স্থান থেকে প্রতিবাদ করুন, ভদ্র ভাবে, যেন অন্য দেশের মানুষও বুঝতে পারে যে ভারত বা পাকিস্তানের মত দেশের ইউটিউবাররা কতটা জঘন্য।

আমরা মুখে বললেই হবেনা যে আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। কাজে করে দেখাতে হবে। আমাদেরকে কেন ওয়ান ম্যান আর্মি হতে হবে? ষোল কোটি বাংলাদেশীই হবে দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ। তাই বলছি,

যত পারুন ভিডিওটি শেয়ার করুন, ভাইরাল করুন, আর নিজেরাও নিজেদের প্রতিবাদী কন্ঠের আওয়াজ তুলুন।

এক স্কুলছাত্রীকে যেকোন সময় এসিড নিক্ষেপ করতে পারে কিছু অপরাধী

Now Reading
এক স্কুলছাত্রীকে যেকোন সময় এসিড নিক্ষেপ করতে পারে কিছু অপরাধী

গতকাল থেকে বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ইনবক্স খুব ভারী হয়ে আছে একটি বিশেষ কারনে। অনেকেই আমাদের কাছে ইমেইল করে সাহায্য চাইছেন ব্যাপারটা যেন প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করি। সেটী হলো একটি ক্লাস নাইনে পড়ুয়া মেয়ে কিছু বখাটে ছেলেদের উত্যক্ত করা এবং এসিড নিক্ষেপ করার হুমকি।

প্রথম অবস্থায় খুব বেশী গুরুত্ব দেই নি কারন কোন ধরনের প্রমান পাচ্ছিলাম না। পরবর্তীতে প্রমান ভিডিওসহ পেলাম। এটি বাংলাদেশের এ যাবত কালের সবচেয়ে নোংরা অনলাইন স্ক্যান্ডাল যেখানে একজন তথাকথিত বিয়ে ভিডিও ম্যান কাম ইউটিউবার একটি মেয়েকে এসিড নিক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছে আবার সেই হুমকি দিয়ে উলটো মেয়েটির বাসায় পুলিশ পাঠিয়ে ধর্ষন করার হুমকি দিচ্ছে। এই আর্টিকেল লেখা পর্যন্ত কম করে হলেও ৫০ বার ফোন দিয়েছে অনলাইনে বা ফোনে আর হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধীর নাম হায়াত মাহমুদ রাহাত। অনলাইনে হতদরিদ্র নামের একটি ফেসবুক পেজ চালায়। শোনা গেছে এই ফেসবুক পেজ দিয়ে মেয়েদের ব্ল্যাক্কমেইলিং করার কাজও করে আসছে। এ নিয়ে আমরা একটি কেস স্টাডি ভিডিও বানিয়েছি। নীচে ভিডিওটা দেখুন আর এই পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে প্রশাসনের নজরে আসে।

২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

Now Reading
২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

সারা পৃথিবী জুড়েই নানা ধরনের প্রেডিকশন হয়ে থাকে যে অমুক সালে কেমন হবে পৃথিবী বা তমুক সালে পৃথিবীতে কি হবে? চিন্তা জন্মে, কেমন হবে ২০৫০ সালের বাংলাদেশ? পড়ে থাকবে কি গরীব দেশের কাতারে নাকি উঠে আসবে বাঘের মত?

বাংলাদেশে বর্তমান উন্নয়নের দিকে একটু নজর দিলে মনে হয় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে খুব জোর গতিতেই। আবার মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাবারও যোগাড় হয়। তবে এই মুহুর্তে দেশের উন্নতি নিয়ে আমরা একটা মিক্সড ফিলিং এ আছি, যার কারন হলো নানা জায়গায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে আর যখনই উন্নয়ন কর্মকান্ড চলে তখনই আমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় কারন জ্যাম, ধুলাবালি, পানি আটকে যাওয়া, বন্যা বেড়ে যাওয়া, লোডশেডিং আরো কত কি। যতদিন না শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ভাবতে থাকি এসব। এটাই নিয়ম। ২০৫০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে – এই বিষয়টিই নিয়েই আমাদের আজকের ভিডিও। ভিডিওটি নীচে দিয়ে দিলাম । দেখা যাক, আমাদের প্রেডিকশন ঠিক হয় কিনা।