নেটফ্লিক্স এর আদি উপাখ্যান

Now Reading
নেটফ্লিক্স এর আদি উপাখ্যান

ওয়েব ভিডিও জগতে আধিপত্য বিস্তার করা নেটফ্লিক্সের কথা কে না জানে? সারা পৃথিবীতে ১০০ মিলিয়নের উপরে মানুষ নেটফ্লিক্স ব্যবহার করে। কিন্তু এটা তৈরি করার পেছনে যে গ্রাজুয়েট স্কুলের একটি গাণিতিক সমস্যা দায়ী ছিল সেটা কজনই বা জানে? গত বছরের প্রথমদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের একটি সেশনে নেটফ্লিক্সের সহ-আবিষ্কারক রিড হেসটিংস এ কথা প্রথম সবার সামনে প্রকাশ করেন।

১৯৮০ সালের কথা, তখন হেসটিংস স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়াশোনা করছিলেন। সে সময় আরেক বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী এন্ড্রু তানেনবাম তাকে একটি গাণিতিক সমস্যার কথা বলেন। সমস্যাটি ছিল টেপ বহনকারী একটি স্টেশন ওয়াগনের ব্যান্ডউইথ বের করা। এর মানে দাঁড়ায় এমন, সর্বাধিক কতগুলো টেপ স্টেশন ওয়াগনের ভিতর ভরা যাবে, সেই টেপগুলো কতটুকু ডাটা সংরক্ষণ করতে পারবে এবং কত দ্রুত স্টেশন ওয়াগনটি টেপগুলো নিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এ সমস্যা দেখে তার মনে হয়েছিল এটা তখনকার সময়ে অনেক দ্রুতগতি সম্পন্ন নেটওয়ার্কের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ সমস্যা থেকে হেসটিংসের মাথায় আসে, টেপের বদলে তিনি ডিভিডি ব্যবহার করতে পারেন। তারা মনে করেন, নেটফ্লিক্সের শুরুটা তারা এমন ডিভিডি ব্যবহার করে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা নেটফ্লিক্সকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেন। মূলত সেই অংকের মাধ্যমেই তাদের নেটফ্লিক্স তৈরির চিন্তা মাথায় আসে। কোম্পানি হিসেবে নেটফ্লিক্স যাত্রা শুরু করে ১৯৯৭ সালে। তখন থেকে ডিভিডি ব্যবহার করেই তাদের যাত্রা শুরু। এরপর ২০০৭ সালে তারা ভিডিও স্ট্রিমিং শুরু করে। দেখতে দেখতে ২০১০ সালের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা ডিভিডি ব্যবহারকারীদেরকেও ছাড়িয়ে যায়। ১০০ মিলিয়ন ভিডিও গ্রাহকদের পাশাপাশি এখন ৫ মিলিয়ন ডিভিডি ব্যবহারকারীও আছে নেটফ্লিক্সের।

ইলেকট্রনিক কোনো তথ্যকে কোনো বস্তু, যেমন: পেনড্রাইভ দিয়ে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পৌঁছে দিয়ে সেখানে পুনরায় ব্যবহার করার এই প্রক্রিয়াকে বলে স্নিকারনেট (Sneakernet)। এন্ড্রু তানেনবাম তার জনপ্রিয় বই “Computer Networks”-এ সমস্যাটির বর্ণনা দেন এভাবে-

এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য স্থানান্তর করার সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে প্রথমে তথ্যগুলোকে কোনো ম্যাগনেটিক টেপ বা ডিভিডি বা এরকম কোনো রিমুভাল ডিস্কে লিখে রাখা এবং সেগুলোকে অন্য কম্পিউটারে নিয়ে গিয়ে আবার পড়া। যদিও Geosynchronous Communication Satellite-এর যুগে ব্যবস্থাটি পুরনো মনে হতে পারে, কিন্তু তখন এটা খরচ সাপেক্ষ ছিল। একটি ছোট্ট অংক বিষয়টিকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।

একটি আলট্রিয়াম টেপ (Ultrium Tape) ৮০০ গিগাবাইট পর্যন্ত ডাটা ধারণ করতে পারে। ৬০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য, ৬০ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও ৬০ সেন্টিমিটার উচ্চতার একটি বাক্স এরকম ১ হাজার টেপ ধারণ করতে পারে। মোট ধারণক্ষমতা হয় ৮০০ টেরাবাইট বা ৬৪০০ টেরাবিট, অর্থাৎ প্রায় ৬.৪ পেটাবিট তথ্য ধারণে সক্ষম এই এক বাক্স টেপ। আমেরিকাতে তখন এ ধরনের টেপের বাক্স ফেডারেল এক্সপ্রেস বা অন্য কোনো কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে যেকোনো স্থানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানো যেতো। ডাটা ট্রান্সমিশনের জন্য যতটুকু ব্যান্ডউইথের প্রয়োজন হতো তা হলো প্রতি সেকেন্ডে ৭০ গিগাবাইট। পথের দূরত্ব যদি ১ ঘণ্টা হয় তাহলে ব্যান্ডউইথ প্রতি সেকেন্ডে ১৭০০ গিগাবাইট পর্যন্ত বেড়ে যায়। এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির সাথে সাথে টেপ এর পরিমাণ এবং ঘনত্বও বেড়ে যাচ্ছে।

এখন খরচের দিকে আসা যাক। আলট্রিয়াম টেপ একসাথে অনেকখানি করে কিনলে প্রায় ৪০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এ ধরনের টেপ পুনরায় প্রায় ১০ বার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। তাই টেপের দাম প্রতি বক্সে এবং প্রতি ব্যবহারে ৪,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এর সাথে শিপিং এর জন্য ১,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। অর্থাৎ ৮০০ টেরাবাইট তথ্য স্থানান্তরের জন্য ৫,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এটা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ১ গিগাবাইট তথ্য পাঠাতে মোটামুটি এক সেন্টের অর্ধেকের মতো খরচ পড়ছে।

এন্ড্রু তানেনবাম

এন্ড্রু তানেনবামের জনপ্রিয় বই – Computer Networks;

এ কথাগুলো বইতে ব্যাখ্যা করার পরে নিচে এমন বক্তব্য আছে- “Never underestimate the bandwidth of a station wagon full of tapes hurtling down the highway.”

১৯৯১ সালে রিড হেসটিংস Pure Software নামে তার নিজের প্রথম কোম্পানি চালু করেন। এ কোম্পানি থেকে যে পরিমাণ আয় হয় সেটা দিয়ে খুব সহজেই নতুন প্রজেক্টে হাত দেয়া যেত। আর এই আয় করা লভ্যাংশ থেকেই নেটফ্লিক্সের জন্ম। নেটফ্লিক্সের সাফল্যের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে এটি নতুন আরেকটি প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হয়ে তাদের ব্যবসার আইডিয়া দাঁড় করায়। তখন ভিডিও দেখার জন্য VHS (Video Home System) ব্যবহার করা হতো যেটা দেখতে বড় ছিল। ৯০-এর দশকের শেষ দিকে যারা বাসায় ভিডিও ভাড়া করে এনে দেখতো তাদের কাছে VHS অপরিচিত মনে হবে না। নেটফ্লিক্সের প্রজেক্টে হাত দেবার সময় হেসটিংসের এক বন্ধু তাকে ডিভিডির কথা বলে যেটা দেখতে ছোট, হালকা এবং VHS যা কাজ করে এই ডিভিডিও একই কাজ করে। তাছাড়া VHS ব্যবহারে খরচও পড়তো বেশি। তাই হেসটিংসকে ফি দিতে হতো বেশি।

ভিএইচএস

২০০৭ সাল পর্যন্ত নেটফ্লিক্স প্রায় ১ বিলিয়নের মতো ডিভিডি ক্রেতাদের সরবরাহ করে। এরপর যখন ইউটিউব অনেক বেশি জনপ্রিয় হয় তখন হেসটিংস নতুন এই প্রযুক্তিগত ধারণাকেও তাদের ব্যবসার আইডিয়াতে পরিণত করেন এবং কাজে লাগান। এই অংশে তিনি গ্র্যাজুয়েট শ্রেণীতে থাকাকালীন সময়কার সেই অংককে কাজে লাগান।

হেসটিংসকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “When a friend told me about DVDs and I realized, well that’s 5GB of data, and you know you can mail that very inexpensively, I realized that is a digital-distribution network”

নেটফ্লিক্সের হলিউড অফিস

একটি মজার কথা হচ্ছে, হেসটিংস এবং রেন্ডলফ  দুজনেই নেটফ্লিক্সের আবিষ্কারের পরপর এর সাথে ইন্টারনেটকে যুক্ত করার বিষয়টি মাথায় এনেছিলেন। কিন্তু সে সময়ে ইন্টারনেটের বিপ্লব আজকের মতো শুরু হয়নি। তবে তারা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন নেটফ্লিক্সকে তারবিহীন মাধ্যমের সাহায্যে প্রচার করতে পারলে সবদিক থেকে লাভবান হওয়া যাবে। শুধুমাত্র ডিভিডি নামক বস্তুর সাহায্যে ক্রেতাদের কাছে না গিয়ে নতুন নতুন মাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে, যেটা ক্রেতাদের নেটফ্লিক্সের সাথে ধরে রাখতে পারবে। কিন্তু তারা জানতেন এ জিনিসটি রাতারাতি সম্ভব হবে না। এর জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। শেষপর্যন্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং গ্রাজুয়েট স্কুলের একটি অংকের হিসাব তাদেরকে ওয়েব ভিডিও জগতের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

অনলাইনে কেনাকাটা কতটা নিরাপদ? আসুন কিছু টিপস মনে রাখি!!!

Now Reading
অনলাইনে কেনাকাটা কতটা নিরাপদ? আসুন কিছু টিপস মনে রাখি!!!

আমাদের দেশের অনলাইন অনুসন্ধানের প্রতি মানুষের প্রবৃদ্ধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ই-কমার্স ব্যবসা দেশের মধ্যে শৈলী মধ্যে পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি কারণ হয়। গ্রাহকদের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বিক্রয়কারীদের বিভিন্ন তবে আমাদের কাছে এমন একটি প্রবণতা আছে যে, যারা আরামদায়ক অভ্যর্থনা জানায়, তাদের হোম ডেলিভারি প্রদানের জন্য অর্ডার দেয় – তারা কি এই ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রচুর ঝুঁকির সম্মুখীন? অন ​​লাইন অনুসন্ধানে একটি বিস্ময়কর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতি রয়েছে।

বাইরের ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি থেকে অন লাইন কেনাকাটা করার সময়, মোট পদ্ধতিটি অন লাইন ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে। এটি মনে রাখা নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করা প্রয়োজন কারণ এটি আটক করা ডেবিট বা মাস্টারকার্ডকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এবং গার্হস্থ্য সাইটগুলির জন্য, আমরা কখনও কখনও বিকশ বা পেমেন্ট পেটানোর জন্য ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং শিল্পের প্রবণতা বজায় রাখি। যাইহোক, এই ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন, ভুল প্রচুর একটি বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে। এইভাবে সতর্কতা নার্সিং সম্ভাবনা মধ্যে সহযোগী হয় না। এই লেনদেনের সাথে নিখুঁতভাবে মোকাবেলা করার জন্য কিছু টিপস এখানে আছে

নিরাপদ ওয়েব সংযুক্তি ব্যবহার করুন

ব্যাংকিং বা ব্যক্তিগত Wi-Fi বা ওয়েব সংযুক্তি ক্রয় মত ব্যক্তিগত অর্থের পরিষেবাদি ব্যবহার করুন আপনি যদি কোনও বিনামূল্যে Wi-Fi নেটওয়ার্কে কাজ করেন, তাহলে এই ধরনের অর্থ লেনদেন করা উচিত নয়। স্থিরভাবে সংযুক্ত ডিভাইসের ব্রাউজিংটি Wi-Fi ইন্টারনেট এর মাধ্যমে নজর রাখা হয়। এই ক্ষেত্রে, আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য বিভিন্ন পালিয়ে যেতে হবে।

অনলাইন অনুসন্ধান কার্টন চিরতরে আপনার মোবাইল ওয়েব সাইটে লগ ইন করা হবে না

আমরা প্রায়ই সম্পূর্ণ ভিন্ন সাইটগুলিতে মোবাইল পরিদর্শন করি। তবে মোবাইলটি আমার নিজের হাতেই আছে, কখনও কখনও কাজ না করে প্রস্থান করে। তবে তা সঠিক নয়! যদি আপনি মোবাইলের সাথে লাইন অনুসন্ধান করেন, তাহলে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন। আপনি যদি ত্যাগ করতে চান না তাহলে লক স্ক্রিনে ইতিবাচক সনাক্তকরণ এবং বিকল্প সতর্কতাগুলি রাখুন। যদি কোনও কারণে আপনার মোবাইলটি চুরি করা হয়, তাহলে মোট ব্যাংক ব্যালেন্সটি অপরাধীকে দেওয়া হয়।

ই-কমার্স ওয়েব সাইট নিরাপদ কিনা তা যাচাই করুন

ঠিকানাটি দেখতে, এটি সর্বজনবিদিত যে পজিশনিং নিশ্চিত। যদি “https” থাকে তবে আপনার চোখ বন্ধ করে রাখুন এবং এটি নিরাপদ ওয়েব সাইট রাখুন। বিপরীত দিকে, ঠিকানাটি বোঝা যাবে না যদি এই ওয়েবসাইটটি কেবল “http” এর সাথে নিরাপদ থাকে।

নিশ্চিত সাইট থেকে সম্পূর্ণরূপে লক দোকান

দেশে বর্তমানে কয়েকটি অনুসন্ধান সাইট আছে। এটা প্রত্যেক ব্যক্তির বিশ্বাসযোগ্য হয় উল্লেখ করার জন্য অসম্ভব। আপনি বাড্ডা, দরজ বা বাংলাদেশী প্রাথমিক দশ ইকমার সাইট থেকে পণ্য কিনবেন বা বিক্রি করবেন। শৈলী সাইটের কম থেকে পণ্যদ্রব্য জন্য কেনাকাটা একবার ভয়ঙ্কর হতে হবে। এটি ভাল দেখুন। তবে নতুন মানে হচ্ছে খারাপ নয়! আমি উচ্চ নামযুক্ত একটি ব্র্যান্ড নতুন সাইট থেকে পণ্যদ্রব্য পাচ্ছেন অনেক উল্লেখযোগ্য ই কমার্স ওয়েব সাইট তুলনায় উচ্চ সেবা পেয়েছি সমস্ত সম্পূর্ণ যাইহোক, একটি ব্র্যান্ড নতুন ইকমার্স ওয়েব সাইট পেতে আগে, আপনি কঠোরভাবে এটি পরীক্ষা করতে হবে

– তাদের ওয়েব সাইট পূর্ণ কিনা বা না

– সোশ্যাল মিডিয়া পেজ এবং ইউজার রিভিউগুলির একটি পর্যালোচনা আছে কি না

– তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা সংবাদ পোর্টালগুলিতে তাদের সাথে লিখিত খবরগুলি কিনা তা নাও

– তারা নির্দিষ্ট কর্মস্থল ঠিকানা আছে কিনা বা না

– তারা ব্যবসা সেটআপ করেছেন বা না করেছেন কিনা

আপনি এই পণ্যটি পেতে পারেন যদি আপনি সম্পূর্ণরূপে এটি মনে করেন।

একটি পৃষ্ঠা অনুসন্ধান করুন যা একটি ফেসবুক অনুসন্ধান থেকে একটি পণ্য জন্য কেনাকাটা একবার এক হাজার, 000 বেশী আছে নতুন তৈরি পৃষ্ঠাগুলি থেকে অনুসন্ধান নিরাপদ হতে পারে না। সাধারণত, আমরা অন লাইন অনুসন্ধান একবার অগ্রিম দিতে হবে যদি একটি অপমানজনক ব্যবসা হয়, আপনি আপনার নগদ বুঝতে এবং বাণিজ্য পণ্য উপলব্ধ করা হবে না।

পাশাপাশি, আপনি পজিশনিংয়ের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রচুর পরিমাণে মুছে ফেলার জন্য পেয়েছেন, পাশাপাশি ঠিকানা, সিগন্যালিং, একটি পণ্য জন্য কেনাকাটা যদিও। এইভাবে যদি কোন বিশ্বস্ত ওয়েব সাইট থাকে, তাহলে তারা এই তথ্যটি তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করতে বা বিপজ্জনক পদগুলিতে তাদের ব্যবহার করতে পারবে। বোকা না!

অ্যাকাউন্টিং online_class_girl সহ শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন

যেখানে আপনি ওয়েব সাইট থেকে না পেতে করছেন, আপনি নার্সিং অ্যাকাউন্ট প্রাথমিক মধ্যে অ্যাসোসিয়েট তৈরি করতে পেয়েছেন। আপনি এই অ্যাকাউন্ট জুড়ে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। নিরাপদ অন লাইন রাখা কোন শক্তিশালী ইতিবাচক পরিচয় পছন্দ নেই বেশ কিছু লোকের মধ্যে দেখা যায় একটি প্রবণতা আছে – আমরা জন্মদিন, মোবাইল নম্বর, নিজের নাম বা 123456 একটি ইতিবাচক পরিচয় হিসাবে লিখে একটি সহজ ইতিবাচক পরিচয় ব্যবহার করার একটি প্রবণতা আছে। এটা {অত্যধিক প্রচুর | একটি অত্যধিক পরিমাণ} ঝুঁকিপূর্ণ এই জন্য ব্যাখ্যা প্রায়ই এটা এই ধরণের ইতিবাচক সনাক্তকরণ গস অনেক সহজ। এইভাবে আপনি নিরাপদ থাকা প্রচুর প্রতিকূল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পেয়েছেন।

কোন ধরণের পপ আপ বিজ্ঞাপন ক্লিক করবেন না

প্রসংগ: অনলাইন/অফলাইন ফট্কাবাজি।

Now Reading
প্রসংগ: অনলাইন/অফলাইন ফট্কাবাজি।

অনলাইনে ইনকাম শিরোনামে কিছু ওয়েব সাইট, ইনভেষ্টমেন্ট প্লান অধিক লাভের লোভ দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ধান্দাবাজি করে যাচ্ছে। ধান্দাবাজি চরম প্রকাশ আমরা দেখতে পাই ২০০৯-২০১০ সালের দিকে, তখন ইউনিপে টু ইউ নামক একটি ফটকাবাজ কোম্পানী দশ মাসে দ্বিগুন লাভ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার কৌটি টাকা মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে, গা ঢাকা দিয়েছে। এরপর শুরু হয় আরো অনেক কোম্পানী তারা ইউনিপে টু ইউ এর দেখিয়ে দেওয়া পথ অনুসরন করে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষ স্বল্প আয়ের, তাদের কাছে অধিক লাভ বিষয়টা খুবই গুরুত্ব বহন করে। সাধারন মানুষ মনে করে কিছু টাকা খাটিয়ে যদি দ্বিগুন বা তিনগুন ফেরৎ পাওয়া যায়, মন্দ কি ? তাই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে তারা ফাদেঁ পা দেয় এবং স্বর্বস্বন্ত হয়। আর এ ধরনের মানসিকতাকে পূঁজি করে কিছু অসাধু ব্যাক্তি দিনের পর দিন তাদের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খোলসে।

আমরা অনেকেই ডেসটিনির নাম শুনেছি, আবার অনেকে এর দ্বারা আক্রান্তও হয়েছি। ডেসটিনি ছিল স্বপ্ন বিক্রয়ের একটি প্লট ফরম। যেখানে বেকার যুবকদের বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়ে মগজ ধোলাই করা হতো। স্বপ্ন পূরনের আশায় যুবকেরা সহায় সম্বল বিক্রি করে টাকা দিয়ে ডেসটিনিতে ভর্তি হতো। তার পর একের পর এক লোক ভর্তি করানোর মেহেনত শুরু করতো। দেশের লক্ষ লক্ষ যুবক ডেসটিনির পেছনে ঘুরে ঘুরে তাদের জীবনে মূল্যবান কিছু সময় এবং ক্যারিয়ার নষ্ট করেছে, ফলাফল কি ? শূন্য।

এজাতীয় অনেক অনলাইন বা অফলাইন (ইনভেষ্টমেন্ট/এমএলএম/ফটকাবাজ) কোম্পানী বাংলাদেশে ছিল, এখনো আছে। অতীতের কিছু কোম্পানীর নাম এখানে উল্লেখ করছে: জিজিএন, নিউওয়ে, ডেসটিনি, রেভনেক্স, আপট্রেন্ড, টংচং, টিয়ানশি, রিচ্, গ্যাটিচ্, ইত্যাদি।  বর্তমানে কিছু কোম্পানী চলমান আছে: ওয়ার্ল্ড মিশন ২১, মানিলজিক, নভেরা, মিশন টেন ইত্যাদি।

এ কোম্পানী গুলো পণ্যের ছদ্দবেশে মানি গেমবলিং করে যাচ্ছে। এতে কিছু লোক লাভবান হচ্ছে, বেশীরভাগ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সকল কোম্পানী এম এল এম পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এম এল এম পদ্ধতি এমনি একটি পদ্ধতি যেখানে কোম্পানী লাভবান হবে, এবং গুটি কয়েক লোক (একশ জনে দুই জন বা তিন জন) লাভবান হবে।

এসকল কোম্পানী তাদের নিয়োজিত কর্মী দ্বারা সাধারন মানুষকে প্রলুব্ধ করে থাকে, তাদের কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য, অধিক লাভের লোভ দেখিয়ে। এক পর্যায়ে একটা বিশাল এমাউন্ট তাদের হস্তগত হলে কোম্পানীর কযর্ক্রম বন্ধ করে দেয়।

এক হিসাবে দেখা যায়, শুধু মাত্র ইউনিপে টু ইউ পনেরশ কৌটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল, যা তৎকালীন পত্রিকা মারফত জানা যায়। সবগুলো কোম্পানীর হিসাব করলে হাজার কৌটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

উপরের চিত্র গুলো ছিল,কিছু কাল আগের ঘটনা। হাল আমলে, ফটকাবাজরা তাদের পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে, তারা এখন ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে অনেকটা অনলাইনে ব্যাবসা পরিচালনা করছে।

অধিক লাভের বিজ্ঞাপন দিয়ে, অনলাইনে বিভিন্ন সোস্যালমিডিয়াতে তারা বিজ্ঞাপন দেয়, তা দেখে সাধারন মানুষ প্রলুব্ধ হয় এবং ফলাফল স্বর্বস্বান্ত।বিশেষ করে, ফেইসবুকে এ বিজ্ঞাপন বেশী লক্ষ্য করা যায়। অনেকে ফেইসবুকে বিভিন্ন চটকদার নামে গ্রুপ খুলেও এ কাজটি করে থাকে।

বর্তমানে অনলাইনে কিছু সাইট আছে, যারা ইনকাম দেয়ার কথা বলে ইনভেষ্ট কালেকশন করে বা কাজ করিয়ে নেয়, কিন্ত পেমেন্ট দেয় না। তেননি কিছু সাইট হল: পিটিসি সাইট গুলো, মাইপেইং এড, মাইপেইং ক্রিপটো এড্, রেভশেয়ার,এমবিসি,মানিলজিক সহ আরো অনেক নাম না জানা সাইট।

এ সব সাইটে মূল্যবান সময় নষ্ট করা, এবং টাকা নষ্ট করা ছাড়া কোন ফলাফল নেই।অনেকের অভিমত যদি পাই, এই আশায় করি। কিন্তু পাওয়া যায় না, এটাই চিরন্তন সত্য কথা।

আমরা যদি একটু ভালো ভাবে চিন্তা করি, তাহলে এ গুলোর ভিতরকার জিনিস বুঝতে পারবো। কি এমন আলাদিনের চেরাগ তাদের হাতে আছে, যে আপনার এক টাকার বিনিময়ে সে আপনাকে দুই, তিন অথবা পাঁচ টাকা দিবে। তাদের যদি এতই ক্ষমতা থাকতো,তাহলে সাধারনের কাছ থেকে টাকা নেয়ার দরকার কি ? নিজের টাকা নিজেই তৈরী করে ইনকাম করুক না কেন ?

আগে এসব ফটকাবাজদের ধরা যেত, এখন তাদের ধরা যায় না। কারন তারা এখন অনলাইনে ব্যাবসা করে। আগের ফটকাবাজদের অনেকে এখন জেলে আছে। যেমন ডেসটিনির মালিক, ইউনিপেটুইউর মালিক এরা এখন জেলে। এখনকার ফটকাবাজরা চটকদার সাইট ল্ঞ্চ করে তারপর কিছুদিন সততার সাথে পেমেন্ট দেয়, মানুষের বিশ্বস্ততা অর্জন করে নেয়। একটা সময় বিপুল পরিমান টাকা তাদের হস্তগত হওয়ার পর সাইট বন্ধ করে দেয়। এরকম অনেক নজির আছে, দীর্ঘদিন পেমেন্ট দিয়ে সাইট বন্ধ করার। যেমন: এমপিএ এরা দীর্ঘ দুই বৎসর মানুষকে পেমেন্ট দিয়েছে, তারপর এমবিসি তারা দুই বৎসর পেমেন্ট দিয়েছে তারপর আসুন রিচমন্ডবার্ক, এরা ছয়মাস পেমেন্ট দিয়েছে, ট্রাফিমুনসুনও প্রায় দুই বৎসর পেমেন্ট দিয়েছে।

এ সকল ফটকাবাজদের একটা কৌশল হলো, তারা প্রথম প্রথম সততা দেখায়। তার পর সময় বুঝে এবং তহবিল কালেকশনের অবস্থা বুঝে সাইট বন্ধ করে দেয়।

এ সকল ফটকাবাজদের তৎপরতা রোধ করা খুবই কঠিন। অফলাইনে বা ফিজিক্যালি হলে, তাদের আইনের আওতায় আনা যায়। কিন্তু অনলাইনের ফটকাবাজদের কোনভাবে ধরা যায় না বা আইনের আওতায় আনা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। আমরা যদি সবাইকে এদের সম্পর্কে সচেতন করি, তাহলে কেউ আর ফটকাবাজদের পাতা ফাঁদে পা দেবে না। আর যখন কেউ তাদের ডাকে সাড়া দেবে না, তখন তারা বাধ্য হবে, এ জাতীয় হীন অপতৎপরতা বন্ধ করতে।তথ্য সূত্র: বিভিন্ন পত্রিকা, ফেইসবুক, নিজের অভিজ্ঞতা।