5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

প্রসংগ: অনলাইন/অফলাইন ফট্কাবাজি।

Now Reading
প্রসংগ: অনলাইন/অফলাইন ফট্কাবাজি।

অনলাইনে ইনকাম শিরোনামে কিছু ওয়েব সাইট, ইনভেষ্টমেন্ট প্লান অধিক লাভের লোভ দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ধান্দাবাজি করে যাচ্ছে। ধান্দাবাজি চরম প্রকাশ আমরা দেখতে পাই ২০০৯-২০১০ সালের দিকে, তখন ইউনিপে টু ইউ নামক একটি ফটকাবাজ কোম্পানী দশ মাসে দ্বিগুন লাভ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার কৌটি টাকা মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে, গা ঢাকা দিয়েছে। এরপর শুরু হয় আরো অনেক কোম্পানী তারা ইউনিপে টু ইউ এর দেখিয়ে দেওয়া পথ অনুসরন করে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষ স্বল্প আয়ের, তাদের কাছে অধিক লাভ বিষয়টা খুবই গুরুত্ব বহন করে। সাধারন মানুষ মনে করে কিছু টাকা খাটিয়ে যদি দ্বিগুন বা তিনগুন ফেরৎ পাওয়া যায়, মন্দ কি ? তাই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে তারা ফাদেঁ পা দেয় এবং স্বর্বস্বন্ত হয়। আর এ ধরনের মানসিকতাকে পূঁজি করে কিছু অসাধু ব্যাক্তি দিনের পর দিন তাদের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খোলসে।

আমরা অনেকেই ডেসটিনির নাম শুনেছি, আবার অনেকে এর দ্বারা আক্রান্তও হয়েছি। ডেসটিনি ছিল স্বপ্ন বিক্রয়ের একটি প্লট ফরম। যেখানে বেকার যুবকদের বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়ে মগজ ধোলাই করা হতো। স্বপ্ন পূরনের আশায় যুবকেরা সহায় সম্বল বিক্রি করে টাকা দিয়ে ডেসটিনিতে ভর্তি হতো। তার পর একের পর এক লোক ভর্তি করানোর মেহেনত শুরু করতো। দেশের লক্ষ লক্ষ যুবক ডেসটিনির পেছনে ঘুরে ঘুরে তাদের জীবনে মূল্যবান কিছু সময় এবং ক্যারিয়ার নষ্ট করেছে, ফলাফল কি ? শূন্য।

এজাতীয় অনেক অনলাইন বা অফলাইন (ইনভেষ্টমেন্ট/এমএলএম/ফটকাবাজ) কোম্পানী বাংলাদেশে ছিল, এখনো আছে। অতীতের কিছু কোম্পানীর নাম এখানে উল্লেখ করছে: জিজিএন, নিউওয়ে, ডেসটিনি, রেভনেক্স, আপট্রেন্ড, টংচং, টিয়ানশি, রিচ্, গ্যাটিচ্, ইত্যাদি।  বর্তমানে কিছু কোম্পানী চলমান আছে: ওয়ার্ল্ড মিশন ২১, মানিলজিক, নভেরা, মিশন টেন ইত্যাদি।

এ কোম্পানী গুলো পণ্যের ছদ্দবেশে মানি গেমবলিং করে যাচ্ছে। এতে কিছু লোক লাভবান হচ্ছে, বেশীরভাগ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সকল কোম্পানী এম এল এম পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এম এল এম পদ্ধতি এমনি একটি পদ্ধতি যেখানে কোম্পানী লাভবান হবে, এবং গুটি কয়েক লোক (একশ জনে দুই জন বা তিন জন) লাভবান হবে।

এসকল কোম্পানী তাদের নিয়োজিত কর্মী দ্বারা সাধারন মানুষকে প্রলুব্ধ করে থাকে, তাদের কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য, অধিক লাভের লোভ দেখিয়ে। এক পর্যায়ে একটা বিশাল এমাউন্ট তাদের হস্তগত হলে কোম্পানীর কযর্ক্রম বন্ধ করে দেয়।

এক হিসাবে দেখা যায়, শুধু মাত্র ইউনিপে টু ইউ পনেরশ কৌটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল, যা তৎকালীন পত্রিকা মারফত জানা যায়। সবগুলো কোম্পানীর হিসাব করলে হাজার কৌটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

উপরের চিত্র গুলো ছিল,কিছু কাল আগের ঘটনা। হাল আমলে, ফটকাবাজরা তাদের পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে, তারা এখন ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে অনেকটা অনলাইনে ব্যাবসা পরিচালনা করছে।

অধিক লাভের বিজ্ঞাপন দিয়ে, অনলাইনে বিভিন্ন সোস্যালমিডিয়াতে তারা বিজ্ঞাপন দেয়, তা দেখে সাধারন মানুষ প্রলুব্ধ হয় এবং ফলাফল স্বর্বস্বান্ত।বিশেষ করে, ফেইসবুকে এ বিজ্ঞাপন বেশী লক্ষ্য করা যায়। অনেকে ফেইসবুকে বিভিন্ন চটকদার নামে গ্রুপ খুলেও এ কাজটি করে থাকে।

বর্তমানে অনলাইনে কিছু সাইট আছে, যারা ইনকাম দেয়ার কথা বলে ইনভেষ্ট কালেকশন করে বা কাজ করিয়ে নেয়, কিন্ত পেমেন্ট দেয় না। তেননি কিছু সাইট হল: পিটিসি সাইট গুলো, মাইপেইং এড, মাইপেইং ক্রিপটো এড্, রেভশেয়ার,এমবিসি,মানিলজিক সহ আরো অনেক নাম না জানা সাইট।

এ সব সাইটে মূল্যবান সময় নষ্ট করা, এবং টাকা নষ্ট করা ছাড়া কোন ফলাফল নেই।অনেকের অভিমত যদি পাই, এই আশায় করি। কিন্তু পাওয়া যায় না, এটাই চিরন্তন সত্য কথা।

আমরা যদি একটু ভালো ভাবে চিন্তা করি, তাহলে এ গুলোর ভিতরকার জিনিস বুঝতে পারবো। কি এমন আলাদিনের চেরাগ তাদের হাতে আছে, যে আপনার এক টাকার বিনিময়ে সে আপনাকে দুই, তিন অথবা পাঁচ টাকা দিবে। তাদের যদি এতই ক্ষমতা থাকতো,তাহলে সাধারনের কাছ থেকে টাকা নেয়ার দরকার কি ? নিজের টাকা নিজেই তৈরী করে ইনকাম করুক না কেন ?

আগে এসব ফটকাবাজদের ধরা যেত, এখন তাদের ধরা যায় না। কারন তারা এখন অনলাইনে ব্যাবসা করে। আগের ফটকাবাজদের অনেকে এখন জেলে আছে। যেমন ডেসটিনির মালিক, ইউনিপেটুইউর মালিক এরা এখন জেলে। এখনকার ফটকাবাজরা চটকদার সাইট ল্ঞ্চ করে তারপর কিছুদিন সততার সাথে পেমেন্ট দেয়, মানুষের বিশ্বস্ততা অর্জন করে নেয়। একটা সময় বিপুল পরিমান টাকা তাদের হস্তগত হওয়ার পর সাইট বন্ধ করে দেয়। এরকম অনেক নজির আছে, দীর্ঘদিন পেমেন্ট দিয়ে সাইট বন্ধ করার। যেমন: এমপিএ এরা দীর্ঘ দুই বৎসর মানুষকে পেমেন্ট দিয়েছে, তারপর এমবিসি তারা দুই বৎসর পেমেন্ট দিয়েছে তারপর আসুন রিচমন্ডবার্ক, এরা ছয়মাস পেমেন্ট দিয়েছে, ট্রাফিমুনসুনও প্রায় দুই বৎসর পেমেন্ট দিয়েছে।

এ সকল ফটকাবাজদের একটা কৌশল হলো, তারা প্রথম প্রথম সততা দেখায়। তার পর সময় বুঝে এবং তহবিল কালেকশনের অবস্থা বুঝে সাইট বন্ধ করে দেয়।

এ সকল ফটকাবাজদের তৎপরতা রোধ করা খুবই কঠিন। অফলাইনে বা ফিজিক্যালি হলে, তাদের আইনের আওতায় আনা যায়। কিন্তু অনলাইনের ফটকাবাজদের কোনভাবে ধরা যায় না বা আইনের আওতায় আনা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। আমরা যদি সবাইকে এদের সম্পর্কে সচেতন করি, তাহলে কেউ আর ফটকাবাজদের পাতা ফাঁদে পা দেবে না। আর যখন কেউ তাদের ডাকে সাড়া দেবে না, তখন তারা বাধ্য হবে, এ জাতীয় হীন অপতৎপরতা বন্ধ করতে।তথ্য সূত্র: বিভিন্ন পত্রিকা, ফেইসবুক, নিজের অভিজ্ঞতা।

স্বাধীন চাকুরী – ফ্রিল্যান্সিং

Now Reading
স্বাধীন চাকুরী – ফ্রিল্যান্সিং

আমাদের সমাজের একটি প্রচলিত নিয়ম হলো, লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী করতে হবে। যে যত উচ্চ শিক্ষিত, সে তত বড় চাকুরী করবে।বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট খুবই নাজুক, চাকুরী যেন সোনার হরিণ। চাইলেই কেউ তার মেধা অনুযায়ী, চাকুরী যোগাড় করতে পারছে না। পদের তুলনায়, প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশী। প্রতিযোগীতা এতই বেশী যে, এতটি পদের বিপরীতে লক্ষ লক্ষ প্রার্থী প্রতিযোগীতায় অবতীর্ণ হচ্ছে। একটি চাকুরী পাওয়ার জন্য কতই না কাঠ খড় পোড়াতে হয়। সরকারী চাকুরী ? সে তো বাঘের চোখ ! একটি সরকারী চাকুরী কোন প্রকৃয়ায় পেতে হয় তা আর না ই বা বললাম।ইনকাম করার জন্য, একজন শিক্ষিত যুবকের চাকুরী করা ব্যাতীত অন্য কোন রাস্তা খোলা থাকে না।যত দিন না চাকুরী পাওয়া যায়, তত দিন পরিবারের লাঞ্চনা গঞ্জনা শুনতে হয়, এত দুর লেখা পড়া করালাম বেকার বসে থাকার জন্য ? অমুকের ছেলে কত ভালো চাকুরী করছে। তুই কেন পাচ্ছিস না।শিক্ষা একজন যুবককে ছোট কাজ করতে বাধা দেয়(না পারে রিক্সা চালাতে, না পারে চুরি করতে), তার আত্নসম্মান বোধ তাকে এটি করতে দেয় না।অপরদিকে না পাচ্ছে চাকুরী।এভাবে চাকুরী খুঁজতে খুঁজতে কত যুবকের সরকারী চাকুরীর বয়স পার হয়ে যাচ্ছে, তার কোন হিসাব নাই বা করলাম। তারপর আসুন আপনি যদি ভাগ্যগুনে কোন রকমে একটি চাকুরী পেলেন, তারপর আপনাকে অবশ্যই একটি টাইম মেইনটেইন করতে হবে।বসের কথা অনুযায়ী চলতে হবে। স্বাধীনতা নামক কোন জিনিস চাকুরীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অপিসে যথাসময়ে প্রবেশ করতে হবে, কোন প্রকার দেরী সহ্য করা হবেনা,কিন্তু কয়টায় ছুটি হবে তার জন্য বসের মুখের পানে তাকিয়ে থাকতে হবে। এরপর আছে কাজের পাহাড়,সব কাজ আজকের মধ্যেই শেষ করতে হবে, বসের এমন তাগাদা। এরকম যখন পরিস্থিতি, অপার সম্ভাবনার একটি পথ ইনকামের সুযোগ নিয়ে এসেছে-পথটি হলো ফ্রিল্যান্সিং।ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো মুক্তপেশাজীবি।এখানে কোন বস নেই, নেই কোন টাইম ডিউরেশন, নেই কোন টেনশন। একজন ব্যাক্তি যখন এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয় তাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সার। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কোন অফিস প্রয়োজন হয় না, আপনি স্বাধীন ভাবে নিজের ঘরে বসে এ কাজটি করতে পারবেন, আপনার সুবিধাজনক সময়ে।ফ্রিল্যান্সিং অনেক ভাবে করা যায়। যেমন: মার্কেট প্লেসে বায়ারের চাহিদানুযায়ী কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে, কোন পণ্য মার্কেটিং করার মাধ্যমে যাকে বলা হয় এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কোন কিছু লেখা লেখির মাধ্যমে যাকে বলে আর্টিক্যাল রাইটিং, কোন কিছু না জেনেও ফ্রিল্যান্সিং করা যায়(টাইপিং জানেন ? আপনার জন্য ডাটা এন্ট্রি জব)। এরকম হাজারো কাজ অনলাইন জগতে আছে, খুজে নিতে হবে। মার্কেটপ্লেস নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। বাংলাদেশের লক্ষাধিক শিক্ষিত যুবক মার্কেট প্লেসে কাজ করে ইনকাম করছেন। মার্কেট প্লেস হলো এমন একটি প্লাটফরম যেখানে বায়ার এবং ফ্রিল্যান্সারের যোগাযোগ, অর্ডার সাবমিট এবং পেমেন্ট প্রকৃয়া সম্পাদন করা হয়।এমনই কিছু মার্কেট প্লেস হলো: আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সার, গুরু, এসইওক্লার্ক ইত্যাদি। এসব মার্কেট প্লেসে লক্ষ লক্ষ কাজ আছে, যা থেকে ফ্রিল্যান্সারা বিড করার মাধ্যমে কাজ করে ইনকাম করে থাকে। এবার আসুন বিড কাকে বলে ? বিড হলো অনেকটা নিলামের মতো, বায়ার একটি কাজের প্রস্তাব উত্থাপন করে রেইট চাইবে, ফ্রিল্যান্সাররা রেইট দিবে। সর্ব নীম্ন রেইট প্রদান কারীকে বায়ার যাচাই বাছাইয়ের পর কাজ দেবে। এভাবেই মূলত: মার্কেট প্লেস ‍গুলো থেকে ফ্রিল্যন্সাররা কাজ করে থাকে। কিছু মার্কেট প্লেস আছে যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা রেইট উল্লেখ করে কাজের অফার দেয় এবং বায়ার সে অনুযায়ী অর্ডার সাবমিট করে।যারা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার তারা কোন না কোন একটি বিষয়ের উপর দক্ষ। তাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হলো দক্ষতা অর্জন করা। মার্কেট প্লেস গুলোতে দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের ডিমান্ড খুব বেশী এবং কাজের তুলনায় দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের অনেক অভাব।ক্যারিয়ার হিসাবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য যে সব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সে গুলো হলো: গ্রাফিক্স ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, এসইও এক্সপার্ট জব, ই-মেইল মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং, কোডিং, ওয়েব ডেভেলাপ, ওয়েব ডিজাইন সহ আরো অনেক বিষয়।একজন ফ্রিল্যান্সারকে আগে লক্ষ্য স্থির করতে হবে যে, সে কোন বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী অথবা কোন বিষয়টা তাকে মজা দেয়। কারণ যে কাজে মজা নেই সে কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করা যায় না। যেমন মনে করুন, আমি আর্টিক্যাল রাইটিং বিষয়টায় খুব আনন্দ উপভোগ করি, তাই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আর্টিক্যাল লিখা আমার ফ্রিল্যান্সিং এর বিষয়।তাই আমি একজন আর্টিক্যাল রাইটার। তদ্রুপ আপনাকেও আগে স্থির করতে হবে বিষয়, তারপর কাজে নামতে হবে।ফ্রিল্যান্সিং ধারনাটি সর্বস্তরে তেমন পরিষ্কার নয়, অনেকটা ধোঁয়াশা। ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করা যায় অথবা আউটসোর্সিং করে ইনকাম করা যায় এমন ধারনাকে পূজি করে কিছু অসাধু ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান ধান্দাবাঁজি করে যাচ্ছে লোক চক্ষুর অন্তরালে। যেনতেন কোর্স করিয়ে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।উদিয়মান এ শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য দরকার সরকারী তদারকী।কারন এখাতটি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় হয়, যা ফরেন রেমিটেন্স হিসাবে আসে।কিছু ভালো মানের প্রতিষ্ঠানও আছে, যারা দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরীতে ভূমিকা পালন করছে। পরিশেষে বলবো, চাকুরী নামক সোনার হরিনের পেছনে না ছুটে, সারা দিন বেহুদা মোবাইল ফোনে ফেইসবুকিং না করে আসুন সঠিকভাবে প্রশিক্ষন গ্রহণ করে ফ্রিল্যান্সিং করি।নিজে স্বাবলম্বী হই, দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি।  তথ্য সূত্র: ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব এবং মস্তিস্ক নি:সৃত ধারণা।

Page Sidebar