নেটফ্লিক্স এর আদি উপাখ্যান

Now Reading
নেটফ্লিক্স এর আদি উপাখ্যান

ওয়েব ভিডিও জগতে আধিপত্য বিস্তার করা নেটফ্লিক্সের কথা কে না জানে? সারা পৃথিবীতে ১০০ মিলিয়নের উপরে মানুষ নেটফ্লিক্স ব্যবহার করে। কিন্তু এটা তৈরি করার পেছনে যে গ্রাজুয়েট স্কুলের একটি গাণিতিক সমস্যা দায়ী ছিল সেটা কজনই বা জানে? গত বছরের প্রথমদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের একটি সেশনে নেটফ্লিক্সের সহ-আবিষ্কারক রিড হেসটিংস এ কথা প্রথম সবার সামনে প্রকাশ করেন।

১৯৮০ সালের কথা, তখন হেসটিংস স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়াশোনা করছিলেন। সে সময় আরেক বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী এন্ড্রু তানেনবাম তাকে একটি গাণিতিক সমস্যার কথা বলেন। সমস্যাটি ছিল টেপ বহনকারী একটি স্টেশন ওয়াগনের ব্যান্ডউইথ বের করা। এর মানে দাঁড়ায় এমন, সর্বাধিক কতগুলো টেপ স্টেশন ওয়াগনের ভিতর ভরা যাবে, সেই টেপগুলো কতটুকু ডাটা সংরক্ষণ করতে পারবে এবং কত দ্রুত স্টেশন ওয়াগনটি টেপগুলো নিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এ সমস্যা দেখে তার মনে হয়েছিল এটা তখনকার সময়ে অনেক দ্রুতগতি সম্পন্ন নেটওয়ার্কের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ সমস্যা থেকে হেসটিংসের মাথায় আসে, টেপের বদলে তিনি ডিভিডি ব্যবহার করতে পারেন। তারা মনে করেন, নেটফ্লিক্সের শুরুটা তারা এমন ডিভিডি ব্যবহার করে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা নেটফ্লিক্সকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেন। মূলত সেই অংকের মাধ্যমেই তাদের নেটফ্লিক্স তৈরির চিন্তা মাথায় আসে। কোম্পানি হিসেবে নেটফ্লিক্স যাত্রা শুরু করে ১৯৯৭ সালে। তখন থেকে ডিভিডি ব্যবহার করেই তাদের যাত্রা শুরু। এরপর ২০০৭ সালে তারা ভিডিও স্ট্রিমিং শুরু করে। দেখতে দেখতে ২০১০ সালের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা ডিভিডি ব্যবহারকারীদেরকেও ছাড়িয়ে যায়। ১০০ মিলিয়ন ভিডিও গ্রাহকদের পাশাপাশি এখন ৫ মিলিয়ন ডিভিডি ব্যবহারকারীও আছে নেটফ্লিক্সের।

ইলেকট্রনিক কোনো তথ্যকে কোনো বস্তু, যেমন: পেনড্রাইভ দিয়ে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পৌঁছে দিয়ে সেখানে পুনরায় ব্যবহার করার এই প্রক্রিয়াকে বলে স্নিকারনেট (Sneakernet)। এন্ড্রু তানেনবাম তার জনপ্রিয় বই “Computer Networks”-এ সমস্যাটির বর্ণনা দেন এভাবে-

এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য স্থানান্তর করার সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে প্রথমে তথ্যগুলোকে কোনো ম্যাগনেটিক টেপ বা ডিভিডি বা এরকম কোনো রিমুভাল ডিস্কে লিখে রাখা এবং সেগুলোকে অন্য কম্পিউটারে নিয়ে গিয়ে আবার পড়া। যদিও Geosynchronous Communication Satellite-এর যুগে ব্যবস্থাটি পুরনো মনে হতে পারে, কিন্তু তখন এটা খরচ সাপেক্ষ ছিল। একটি ছোট্ট অংক বিষয়টিকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।

একটি আলট্রিয়াম টেপ (Ultrium Tape) ৮০০ গিগাবাইট পর্যন্ত ডাটা ধারণ করতে পারে। ৬০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য, ৬০ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও ৬০ সেন্টিমিটার উচ্চতার একটি বাক্স এরকম ১ হাজার টেপ ধারণ করতে পারে। মোট ধারণক্ষমতা হয় ৮০০ টেরাবাইট বা ৬৪০০ টেরাবিট, অর্থাৎ প্রায় ৬.৪ পেটাবিট তথ্য ধারণে সক্ষম এই এক বাক্স টেপ। আমেরিকাতে তখন এ ধরনের টেপের বাক্স ফেডারেল এক্সপ্রেস বা অন্য কোনো কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে যেকোনো স্থানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানো যেতো। ডাটা ট্রান্সমিশনের জন্য যতটুকু ব্যান্ডউইথের প্রয়োজন হতো তা হলো প্রতি সেকেন্ডে ৭০ গিগাবাইট। পথের দূরত্ব যদি ১ ঘণ্টা হয় তাহলে ব্যান্ডউইথ প্রতি সেকেন্ডে ১৭০০ গিগাবাইট পর্যন্ত বেড়ে যায়। এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির সাথে সাথে টেপ এর পরিমাণ এবং ঘনত্বও বেড়ে যাচ্ছে।

এখন খরচের দিকে আসা যাক। আলট্রিয়াম টেপ একসাথে অনেকখানি করে কিনলে প্রায় ৪০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এ ধরনের টেপ পুনরায় প্রায় ১০ বার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। তাই টেপের দাম প্রতি বক্সে এবং প্রতি ব্যবহারে ৪,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এর সাথে শিপিং এর জন্য ১,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। অর্থাৎ ৮০০ টেরাবাইট তথ্য স্থানান্তরের জন্য ৫,০০০ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এটা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ১ গিগাবাইট তথ্য পাঠাতে মোটামুটি এক সেন্টের অর্ধেকের মতো খরচ পড়ছে।

এন্ড্রু তানেনবাম

এন্ড্রু তানেনবামের জনপ্রিয় বই – Computer Networks;

এ কথাগুলো বইতে ব্যাখ্যা করার পরে নিচে এমন বক্তব্য আছে- “Never underestimate the bandwidth of a station wagon full of tapes hurtling down the highway.”

১৯৯১ সালে রিড হেসটিংস Pure Software নামে তার নিজের প্রথম কোম্পানি চালু করেন। এ কোম্পানি থেকে যে পরিমাণ আয় হয় সেটা দিয়ে খুব সহজেই নতুন প্রজেক্টে হাত দেয়া যেত। আর এই আয় করা লভ্যাংশ থেকেই নেটফ্লিক্সের জন্ম। নেটফ্লিক্সের সাফল্যের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে এটি নতুন আরেকটি প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হয়ে তাদের ব্যবসার আইডিয়া দাঁড় করায়। তখন ভিডিও দেখার জন্য VHS (Video Home System) ব্যবহার করা হতো যেটা দেখতে বড় ছিল। ৯০-এর দশকের শেষ দিকে যারা বাসায় ভিডিও ভাড়া করে এনে দেখতো তাদের কাছে VHS অপরিচিত মনে হবে না। নেটফ্লিক্সের প্রজেক্টে হাত দেবার সময় হেসটিংসের এক বন্ধু তাকে ডিভিডির কথা বলে যেটা দেখতে ছোট, হালকা এবং VHS যা কাজ করে এই ডিভিডিও একই কাজ করে। তাছাড়া VHS ব্যবহারে খরচও পড়তো বেশি। তাই হেসটিংসকে ফি দিতে হতো বেশি।

ভিএইচএস

২০০৭ সাল পর্যন্ত নেটফ্লিক্স প্রায় ১ বিলিয়নের মতো ডিভিডি ক্রেতাদের সরবরাহ করে। এরপর যখন ইউটিউব অনেক বেশি জনপ্রিয় হয় তখন হেসটিংস নতুন এই প্রযুক্তিগত ধারণাকেও তাদের ব্যবসার আইডিয়াতে পরিণত করেন এবং কাজে লাগান। এই অংশে তিনি গ্র্যাজুয়েট শ্রেণীতে থাকাকালীন সময়কার সেই অংককে কাজে লাগান।

হেসটিংসকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “When a friend told me about DVDs and I realized, well that’s 5GB of data, and you know you can mail that very inexpensively, I realized that is a digital-distribution network”

নেটফ্লিক্সের হলিউড অফিস

একটি মজার কথা হচ্ছে, হেসটিংস এবং রেন্ডলফ  দুজনেই নেটফ্লিক্সের আবিষ্কারের পরপর এর সাথে ইন্টারনেটকে যুক্ত করার বিষয়টি মাথায় এনেছিলেন। কিন্তু সে সময়ে ইন্টারনেটের বিপ্লব আজকের মতো শুরু হয়নি। তবে তারা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন নেটফ্লিক্সকে তারবিহীন মাধ্যমের সাহায্যে প্রচার করতে পারলে সবদিক থেকে লাভবান হওয়া যাবে। শুধুমাত্র ডিভিডি নামক বস্তুর সাহায্যে ক্রেতাদের কাছে না গিয়ে নতুন নতুন মাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে, যেটা ক্রেতাদের নেটফ্লিক্সের সাথে ধরে রাখতে পারবে। কিন্তু তারা জানতেন এ জিনিসটি রাতারাতি সম্ভব হবে না। এর জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। শেষপর্যন্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং গ্রাজুয়েট স্কুলের একটি অংকের হিসাব তাদেরকে ওয়েব ভিডিও জগতের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

Game of thrones (part 2) (আলোচনা: লর্ড ফ্রে,জফ্রি & সারসেই ল্যানিস্টার)

Now Reading
Game of thrones (part 2) (আলোচনা: লর্ড ফ্রে,জফ্রি & সারসেই ল্যানিস্টার)

এর আগে আমি লিখেছিলাম জনপ্রিয় ৩ টি ক্যারেক্টার আরিয়া,জন স্নো এবং খালেসি কে নিয়ে,

আজকে লিখবো অপ্রিয় ৩ টি ক্যারেক্টার নিয়ে..

তারা হলেন, জফরি বারাথিওন,

সারসেই ল্যানিস্টার

& লর্ড ফ্রে..

জফরি বারাথিওন : বারাথিওন টাইটেল পেলেও ইনি সারসেই এবং জেমি ল্যানিস্টার এর ইনসেস্ট। অর্থাৎ এক প্রকার বাস্টার্ড এবং বাজে ধরনের বাস্টার্ড। জেইমি ল্যানিস্টার এবং সারসেই ল্যানিস্টার এই ২ ভাই বোনের ভালোবাসার ফসল হলো এই জফরি। তার আসল বাবা হিসেবে সবাই যাকে চিনে রবার্ট বারাথিওন। রবার্ট বারাথিওন এর মৃত্যুর পর জফ্রি থ্রোনে বসে এবং মারাত্মক ভাবে তার স্টুপিডিটি প্রকাশ পেতে থাকে। সে মানুষ কে পশুর মত হত্যা করে আনন্দ পায়, ইচ্ছে হলেই কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া,তীর দিয়ে কাউকে মেরে ফেলা এগুলাই যেনো তার আনন্দ। একসময় রাজ্যের সবচেয়ে সুন্দরী মার্জারী টাইরেল এর সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়, বিয়ের মধ্যেই কে বা কারা জফ্রির ওয়াইন এর মধ্যে বিষ দিয়ে তাকে মেরে ফেলে। এই ক্যারেকটার এর মৃত্যু তে দর্শক যে পরিমান আনন্দ পেয়েছে তা বলার বাইরে।

সারসেই ল্যানিস্টার : একটি কিশোরী মেয়ে বনে জংলের মধ্য দিয়ে হাঠছেন, তার গন্তব্য একটি কুঁড়েঘর। যেখানে একজন গণক থাকে,সে ভবিষ্যৎ বলতে পারে,মেয়েটি তাকে জিজ্ঞাসা করলো তার ভবিষ্যৎ বলতে,..

গণক বলতে চাইলো না.. কিশোরী টি চিতকার করে উঠলো, বলল, তোমাকে বলতেই হবে, আমি প্রিন্সেস সারসেই ল্যানিস্টার আমি যা বলি তা মানতে হয়.. গনক কিছুটা হাসলো,তারপরে বলল.. “Everyone one wants to know their future, until they know it”

সে ভবিষ্যৎ বানী করলো :- সারসেই ল্যানিস্টার এর ৩ টি সন্তান হবে এবং কেউ বেচে থাকবেনা,তাদের মৃত্যু হবে খুব কম বয়সে।

ভবিষ্যৎ বানী টি সত্য হয়েছিলো। সারসেই এর প্রথম সন্তান জফ্রি বিষ প্রয়োগে মারা যায়, দ্বিতীয় সন্তান ও বিষের প্রভাবে মারা যায় এবং তৃতীয় সন্তান আত্মহত্যা করে,কারন তার ভালোবাসার মানুষ টিকে সারসেই ধ্বংস করে।

কিভাবে প্রতিটি ঘটনা ঘটে তা দেখতে হলে দেখতে হবে সিরিজ টি…

লর্ড ফ্রে: লর্ড ফ্রে ছোট খাটো একটি ক্যারেক্টার হলেও দর্শক দের চোখে সবচেয়ে ঘৃনার একটি নাম।

স্টার্ক পরিবার এর সবচেয়ে বড় ছেলে রব স্টার্ক যুদ্ধের মাঝখানে একটি ব্রিজ পাড় হয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়, ব্রিজ টি ছিলো লর্ড ফ্রে এর দখলে। তার কাছে ব্রিজ পাড় হয়ার অনুমতি চাইলে সে রব স্টার্ক কে শর্ত দেয় তার ২০ জন মেয়ের মধ্যে যেকোনো একটা মেয়েকে বিয়ে করতে হবে, কিন্তু রব আগেই একজন কে ভালোবেসেছিলো,তাই সে শপথ রাখতে পারেনা,সে তার ভালোবাসার মানুষ টিকে বিয়ে করে। এদিকে লর্ড ফ্রে বলে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে রব স্টার্ক এর চাচার সাথে যদি তার মেয়েকে বিয়ে দেয় তাহলে সে ব্রিজ পাড় করার অনুমতি দিবে

কথামত সব চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিয়ের বাদ্য বাজে অনুষ্ঠান চলছে। হঠাত করে বাদ্যবাজনা বন্ধ হয়ে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠান এ স্লটার চলে,..

রব স্টার্ক এর স্ত্রী,রব স্টার্ক সবাইকে ছুরিকাঘাত এর মাধ্যমে হত্যা করে ওয়াল্টার ফ্রে..

রব স্টার্ক এর স্ত্রী ছিলো সন্তান সম্ভবা,তার পেতে ছুরি দিয়ে একবার নয় বারবার স্ট্যাব করতে থাকে তারা..

রব তখনো বেচে আছে, হতভম্ব হয়ে সে তাকিয়ে আছে তার স্ত্রীর দিকে…

রব স্টার্ক এর মা কেটলিন স্টার্ক তখন ওয়াল্টার ফ্রে এর ওয়াইফ কে ধরে ফেলে, বলে কসম লাগে তার ছেলেকে ছেড়ে দিতে নাহয় সে ওয়াল্টার ফ্রে এর ওয়াইফ কে খুন করবে… ওয়াল্টার ফ্রে উত্তর দেয়- “I’ll Find Another!!!”” এবং রব ও তার মা কে গলা কেটে হত্যা করে।

গেম অফ থ্রোন্স এর একটা সিনে একবার ব্র‍্যান্ডন স্টার্ক বলে, গড সবকিছু ক্ষমা করতে পারে, কিন্তু অতিথি কে আপ্যায়ন করে এনে তার ছাদের নিচে খুন করা গড কখনো সহ্য করেনা। তেমনি ভাবে লর্ড ফ্রে এর পরিনতি টা হয় রব স্টার্ক এর ই বোন আরিয়া স্টার্ক এর হাতে। সে ম্যানি ফেসড গড এর প্রশিক্ষণ পূর্ন করে, ভিন্ন চেহারা নিয়ে দাসী সেজে ঘরে ঢুকে। এবং লর্ড ফ্রে এর সন্তান কে সে মেরে কেটে কুচি কুচি করে কাবাব বানিয়ে লর্ড ফ্রে কে খাইয়ে দেয়.. খাওয়ার সময় যখন ফ্রে কাবাব এর মধ্যে একটি আংগুল পায়, তখন আরিয়া তার মুখোশ খুলে ফেলে এবং বলে- ” I am Ariya Stark of winterfell, & I want you to see my face as you die” তারপর লর্ড ফ্রে এর গলা কেটে সে ঘটনার সমাপ্তি করে।

গেম অফ থ্রোন্স এমন একটি সিরিজ যেখানে কোন কিছু প্রেডিক্ট করা যায়না, আজকে যাকে মূল হিরো মনে হচ্ছে,কালকে সে মাটির সাথে মিশে যেতে পারে। ৬ টা সিজন এই পর্যন্ত শেষ হয়েছে, ঘটনা বিস্তৃত হয়েছে অনেক দূর। আরো ২ টা সিজন আসবে। কাহীনি কোন দিকে যে যাচ্ছে কেউ বলতে পারছেনা।

কে থ্রোন এ বসবে?

সারসেই?

খালেসি?

জন স্নো?

নাকি সানসা স্টার্ক: যে ভয়াবহ সব দুর্ঘটনা সারভাইভ করে এসেছে?

নাকি থ্রোন এর কোনো মূল্যই থাকবেনা যখন হোয়াইট ওয়াকার রা ওয়াল পার হয়ে যাবে? যথেষ্ট ভেলেরিয়ান স্টিল এবং ড্রাগন গ্লাস কি তারা যোগার করতে পারবে? হোয়াইট  ওয়াকার দের আগুন দিয়ে থামানো যায়, খালেসির ড্রাগন কি তাহলে ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে? নাকি সমস্ত জীবিত দের ধ্বংস করে দিয়ে থ্রোন এ বসবে একজন হোয়াইট ওয়াকার???

গেম অফ থ্রোন্স নিয়ে আরো অনেক আলোচনা করতে চাই আমি, কিন্তু পাঠক যদি রিকুয়েস্ট করে তাহলে, ঘটনার কোনো অংশে কারো কনফিউশন থাকলে অথবা বিভিন্ন ফ্যান থিওরি নিয়ে আলোচনা করতে চাই ভবিষ্যৎ এ।

IMDB RATING: 9.5/10

আমার রেটিং: 9.8/10

রেটিং ১০ দিবো মূল এন্ডিং দেখার পর।

Game Of thrones (খালেসি,আরিয়া ও জন স্নো)

Now Reading
Game Of thrones (খালেসি,আরিয়া ও জন স্নো)

আলোচনা হবে আজকে প্রিয় গেম অফ থ্রোন্স এর প্রিয় ক্যারেক্টার গুলি নিয়ে।

গেম অফ থ্রোন্স মুলত ৯ টি রাজ্য নিয়ে কাহীনি..

৯ টি রাজ্য একে অপরের সাথে দন্দ্ব কোলাহলে ব্যস্ত।

অত গভীর এ না যাই, স্টোরিটা মুলত মিথিক্যাল। এর মধ্যে বেশীর ভাগ দর্শক এর ই প্রিয় চরিত্র খালেসি ( যে ড্রাগিন নিয়ে লাফালাফি করে) হলেও আমার প্রিয় ক্যারেক্টার টিরিয়ন ল্যানিস্টার এবং আরিয়া স্টার্ক ও জন স্নো। সিরিজ টাতে যে থ্রোন নিয়ে কাড়াকাড়ি তার যোগ্য উত্তরাধিকারী খালেসি হলেও, যোগ্যতার দিক দিয়ে আমি জন স্নো কে বেশী ঠিকঠাক মনে করি।

এখন প্রিয় চরিত্র গুলো নিয়ে কিছুটা বিশ্লেষণ এ আসি।

খালেসি: খালেসির ভাই ছিলো শয়তানের হাড্ডি, থ্রোন পাওয়ার জন্য সে তার বোন কেও বেচে দিতে রাজি ছিলো, তো কর্মের ফল অনুযায়ী বোনের সামনেই জঘন্য ভাবে মৃত্যু হয় তার। খালেসির কাছে ছিলো হাজার বছর পুরানো ৩ টা ড্রাগনের ডিম যা থেকে বাচ্চা বের হয়া প্রায় অসম্ভব ছিলো। কারন ডিম গুলোর কার্যকারিতা শেষ হয়ে গিয়েছিলো,এগুলো পরিনত হয়েছিলো পাথর এ.. কিন্তু মিরাকল ঘটে, ৩ ট ডিম ফুটে বাচ্চা হয় ৩ টি.. খালেসি কে মা ভাবে ড্রাগন গুলো,ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে,খালেসি ছোট ছোট শহর জয় করতে করতে ওয়েস্টেরস ( যেখানে সেই থ্রোন মানে সিংহাসন আছে) এর দিকে এগিয়ে আসতে থাকে, হাজার হাজার আর্মি যোগার করতে থাকে খালেসি ওরফে ডেনেরিস টারগেরিয়ান।

আরিয়া: আরিয়া স্টার্ক থাকে স্টার্ক পরিবার এর একজন সম্মানিত লেডি,কিন্তু লেডি হয়ে কোনো প্রিন্স কে বিয়ে করে বাচ্চা পয়দা করার কোনো শখ তার নেই, সে ফাইট শিখতে চায়। আর্মর পরে সে যুদ্ধ করতে চায়। তার চোখের সামনে যারা তার বাবার গর্দান নিয়েছে তাদের একটি একটি করে খুন করতে চায়। আরিয়া এখানে প্রতিশোধ এর একটি প্রতীক। তার চোখ দিয়ে পানি পরতে দেখা যায়না কখনো, শুধু প্রতিশোধ এর জন্য চোখ জ্বলজ্বল করতে থাকে তার। সে মোটেও অহংকারী না,যখন সে যার সাথে থাকে তাকেই সে মাস্টার মনে করে এবং চলার পথে কিছু না কিছু সে শিখতে থাকে, একসময় সে দেখা পায় “ম্যানি ফেসড গড” এর যে কিনা মুহুর্তে চেহারা বদলাতে পারে, আরিয়া হতে চায় একজন ম্যানি ফেসড গড। প্রশিক্ষন নেয়া শুরু করে সে।

জন স্নো: যে একজন বাস্টার্ড নামে সবার কাছে পরিচিত। কিন্তু আসলেই কি সে বাস্টার্ড নাকি কোনো হাইবর্ন পরিবারে প্রিন্স হয়ে তার জন্ম এ রহস্য অজানা। জন স্নো নাইট ওয়াচ এর একজন ব্রাদার, যারা মানুষ এবং হোয়াইট ওয়াকার দের মাঝে যে ওয়াল আছে তা রক্ষা করে।

সবসময় তারা বলতে থাকে “WINTER IS COMING” ..

কি হবে উইন্টার আসলে? মিথ আছে উইন্টার আসলে হোয়াইট ওয়াকার রা মানুষ দের ওপর আক্রমন করে। তাদের কাছে উচ্চ বংশ নিম্ন বংশ বলতে কিছু নেই, হোয়াইট ওয়াকার দের কাছে মানুষ শুধু ডিনার এবং ফ্লেশ।

হোয়াইট ওয়াকার দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্র আছে খুব সামান্য, কারন সাধারন তলোয়ার দিয়ে তাদের কিছুই করা যায়না, তাদের মারতে প্রয়োজন হয় ড্রাগনগ্লাস দিয়ে বানানো সোর্ড এবং ভেলেরিয়ান সোর্ড, যা শুধু এসোস মহাদেশে পাওয়া যায়। এবং এসোস মহাদেশে কোন মানুষ বসবাস করে কিনা তারা জানেনা। হোয়াইট ওয়াকার দের প্রথম তৈরী করেছিলো চিল্ড্রেন অব ফরেস্ট। তাদের উদ্দেশ্যে ছিলো মানুষ এর হাত থেকে বাচার জন্য তারা আর্মি তৈরী করবে। মানুষ এর হাত থেকে তো তারা বেচে গেলো, কিন্তু যে পারপোস দিয়ে সেই হোয়াইট ওয়াকার দের তৈরী করা হয়েছিলো, সেই পারপোস তারা পালন করেই যাচ্ছে।

শুধু জন স্নো ই জানে কে তাদের আসল শত্রু.. লড়াই মানুষ এর সাথে মানুষ এর নয়.. লড়াই মৃত এবং জীবিত দের মধ্যে. জন স্নো জীবিত দের জড়ো করছে,যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছে,

জন স্নো যখন বুঝতে পারে যুদ্ধ তারা নিজেরা করাটা বোকামি হচ্ছে, তখন সে তাদের শত্রু পক্ষের সাথে হাত মিলায় এবং সবাইকে এক করে, হোয়াইট ওয়াকার দের বিরুদ্ধে একসাথে যুদ্ধ করার জন্য। কিন্তু কিছু মানুষ নির্বুদ্ধিতার কারনে জন স্নো কে ভুল বোঝে এবং তাকে কুপিয়ে মেরে ফেলে। এই এপিসোড এর পর দর্শকমহল এ জন স্নো এর জন্য শোক নেমে আসে। এর পর রেড গড নামক এক গড এর অনুসারী বা প্রিস্ট জন স্নো কে মৃত থেকে আবার জীবিত করে। ঘটনা গুলো এভাবে শুনতে অবাক লাগলেও সিরিজ দেখার সময় অন্যরকম থ্রিল পাওয়া যায়..

আরেক দিকে ডেনেরিস টারগেরিয়ান তার আকাশ সমান ৩ টি ড্রাগন নিয়ে রওনা হচ্ছে ওয়েস্টেরস এর দিকে, আরিয়া মেনি ফেসড গড এর প্রশিক্ষন নিচ্ছে.. আর থ্রোনে যারা বসে আছে তারা কি করছে? তারা ল্যানিস্টার। তারা এখনো বিশ্বাস ই করেনা ওয়াল এর ওপারে কি আছে.. তারা একে ভাবছে সামান্য গল্প। কি হবে তাদের পরিনতি? “Battle of Alive vs Dead” কে জিতবে এই লড়াই? গেম অফ থ্রোন্স কে ধরা হয় সর্বকালের সেরা সিরিজ।

এই সব গুলো ঘটনা মিথিক্যাল হলেও, পরিচালক ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনা থেকে স্টোরিলাইন সংগ্রহ করে সিরিজ টি তৈরী করেন। এই সিরিজ এর ভক্ত সংখ্যা ছড়িয়ে আছে পুরো বিশ্ব জুড়ে। যারা ইংলিশ মুভি বা সিরিয়াল দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটা ১ নাম্বার পছন্দ।

IMDB রেটিং: ৯.৫/১০

আমার রেটিং: ৯.৮/১০

A must watch Tv series

 

13 Reasons Why Review.

Now Reading
13 Reasons Why Review.

কথায় আছে বিন্দু বিন্দু জল মিলে একটি সাগর গড়ে তুলতে পারে।

তেমনি অনেক বড় বড় ঘটনার পেছনেও ছোট ছোট অনেক গুলি কারন থাকে। এরকম আরেকটা টার্ম আছে, তা হচ্ছে “বাটারফ্লাই ইফেক্ট ”

‘বাটারফ্লাই ইফেক্ট’ টার্মটির সাথে আমাদের অনেকেরই পরিচয় আছে।

যাদের নেই, তাদেরও পরিচয় এই লেখাটি পড়তে শুরু করলে হয়ে যাবে।

বাটারফ্লাই অর্থাৎ প্রজাপতি, আর ইফেক্টের অর্থ প্রভাব। বিজ্ঞান বলে, মহাকাশের কোথাও একটা প্রজাপতি যদি ডানা ঝাপটায় তবে অন্য কোন কক্ষপথে তার প্রভাবে তুমুল সাইক্লোনও আঘাত আনতে পারে আর এই ব্যাপারটিকেই বৈজ্ঞানিক টার্মে বলে ‘বাটারফ্লাই ইফেক্ট’। অর্থাৎ প্রত্যেকটি ক্রিয়ার একটি বিপরীত প্রক্রিয়া আছে, যা মাঝে মাঝেই এমন কোন রুপ ধারন করে ফেলে যা আমরা হয়তো ক্ষুদ্র জ্ঞানে বা অজ্ঞানে জানতে পারি না।

এই যে আপনি নিছক আনন্দের জন্য বাসে একটি মেয়ের শরীরের ব্যক্তিগত কোন অংশ স্পর্শ করে হেঁটে চলে গেলেন, আপনার সেই আনন্দটিই এই মেয়েটির জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণার কারন হয়ে যেতে পারে?

ক্লাসে কোনো একটি মেয়ের নামে বাজে গুজব শুনলেন আপনি,অথচ আপনি হয়তো জানেন ই না কথাটা আদৌ সত্য কিনা। কিন্তু আপনি ঠিক ই মেয়েটাকে জাজ করে ফেললেন? মেয়েটা খারাপ মেয়ে নামে পরিচিত হয়ে গেলো.. কি হবে তখন মেয়েটার অবস্থা? তার জীবন টা উলট পালট হয়ে যাবে নাতো?

এমন ই এক হাইস্কুল পড়ুয়া ১৭ বছরের একটি মেয়ের জীবন এর ঘটনা দেখানো হয় “13 Reasons Why” সিরিজ টিতে।

হ্যানা বেকার নামে একটি মেয়ে হঠাত তার বাসার বাথটাব এ হাত কেটে সুইসাইড করে এবং এই ভয়ানক ডিসিশান নেয়ার কারন হিসেবে সে ১৩ জন মানুষ কে দায়ী করে কিছু ক্যাসেট রেকর্ড করে যায়.. হ্যানার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরে তার বন্ধু ক্লে জেনসন তার বাসার নিচে এই ১৩টা ক্যাসেট আবিষ্কার করে এবং পরবর্তীতে বিস্ময়ের সাথে সে বের করে, এই ১৩টি কারণের মধ্যে সে নিজেও একটি কারন! এরপর থেকেই ক্লে’র জীবন হুট করে বদলে যায়। তারই সহপাঠীদের এমন সব রূপ তার চোখে ধরা পড়ে যা হয়তোবা তারা নিজেরাও কখনো আবিষ্কার করেনি। একটি আত্মহত্যা বদলে দেয় অনেকগুলো জীবন।

এই সিরিজটি দেখতে যেয়ে আপনার প্রথমেই মনে হবে ‘এত ছোট ঘটনায় কেউ আত্নহত্যা করে? মেয়েটা নিশ্চয়ই খালি অন্যের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চায়! কিন্তু ধীরে ধীরে পরিষ্কার হবে যে, যেটি এই মুহূর্তে সামান্য একটি ঘটনা, সেটা হয়তো কোনো জীবনের সবচাইতে বড় দুর্ঘটনার শুরু। ‘তোমার তো সবার সাথেই সমস্যা। কেউই তো তোমাকে পছন্দ করে না। সমস্যাটি তোমার ভিতরেই’- কয়েক মাস আগেই আমি আমার এক পরিচিত সিনিয়রের কাছ থেকে এমন একটি মন্তব্য শুনে প্রায় বিশ্বাস করে বসেছিলাম যে সমস্যা আমার,আমি ‘আনওয়ান্টেড’। আমি জানি, এই ছোট তিনটা লাইন যে বলেছে, তা তার কাছে কিছুই না। কিন্তু যাকে বলা হয়েছে, তার গোছানো ভেতরের দুনিয়াটা উল্টে-পাল্টে দিতে সক্ষম।

এই সিরিজে হ্যানা ব্যাকারের সাথেও প্রতি মুহূর্তেই ছোট থেকে বড় ঘটনা ঘটছে এবং প্রতিবারই হ্যানা চেষ্টা করেছে সেগুলো থেকে বেরিয়ে নতুন করে শুরু করার এবং আবারো তার সাথে খুব ছোট থেকে বড় কিছু ঘটেছে। সোশাল মিডিয়া, পার্টি, চেক-ইন আর ক্যুল সাজার চেষ্টায় আমরা যার সাথে ইচ্ছা তার সাথেই কোন একটা প্র্যাঙ্ক বা বিচ্ছিরি মজা করে বসছি…

পাশের মানুষটাই হয়তো জীবনের কোন একটি বা অনেকগুলো ঘটনায় অনেক বেশী কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু এত কোলাহলে আমরা সবচাইতে কাছের শব্দটিও শুনতে পারছি না। যেটা হয়তো আমার কাছে বা আপনার কাছে নিতান্তই “ফান”, সেটাই হয়তো কারো কাছে লজ্জা, ভয়, ইনসিকিরিটির কারণ। যে মানুষটি সুইসাইডের মত এত বড় একটি দুর্ঘটনা, ভয়াবহ কাজটি নিজের সাথে করতে যাচ্ছে- কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনো কারণে যে আপনিও যেখানে দায়ী না, সেটা আপনি নিশ্চিত তো?

‘Thirteen Reasons Why’ আপনাকে ভাবাবে, জানাবে যে আপনার উচিৎ আরো একটু যত্নবান হওয়া। আপনার পাশেই আছে- এমন কোন বিপদগামী মানুষকে সব কিছু ছেড়ে একটুখানি সময় দেওয়া, আর নিজের অজান্তে বা জেনেশুনেই যে ছোট ছোট ভুলগুলো আমরা কিছু না বুঝেই করছি, তা অন্যের জীবনে সাইক্লোনের আঘাত হতে পারে- সেটাও খেয়াল রাখা। আর যে মানুষগুলো ভাবছে যে ‘আপনি একা’, ‘আপনি আনওয়ান্টেড’- আপনি আসলে একা না, আপনার মতো, আপনার পরিস্থিতিতে অনেকে আছে, অনেক বেশিই খারাপ আছে। নিজেকে সাহায্য করার ক্ষমতা শুধুই আপনার নিজের।

এই সিরিজ টা একেক জনের কাছে একেক রকমের লাগবে,কারো কারো মনে হবে অনেক কিছু অতিরঞ্জিত। কিন্তু আসলে বুঝতে হবে পরিচালক এভারেজ মানুষ এর দৃস্টিকোণ থেকে ঘটনা টি দেখান নি, বরং ১৭ বছরের তরুনী হ্যানা বেকার এর দৃস্টিকোণ থেকেই দেখিয়েছেন। সবার কাছে যেটা স্বাভাবিক, উঠতি বয়সি একজিন তরুনীর কাছে তা স্বাভাবিক নাও হতে পারে। হয়তো ছোট কিছু সাপোর্ট ও তার কাছে অনেক, আবার অনেক ছোট অবহেলাপূর্ণ ব্যাবহার ও তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। সিরিজ টার ১৩ টি পর্বের ১৩ টা ঘন্টা যেনো শুধু বিষন্নতায় কেটেছে আমার।

IMDB রেটিং: ৮.৭/১০

আমার রেটিং : ৯/১০

বি.দ্র. : মুভিতে হ্যানাহ চরিত্রে অভিনয় করেন ক্যাথারিন ল্যংফোর্ড। এবং ক্লে চরিত্রে ডিলান মিনেট। ক্যাথারিন অভিনয়ে আসেন ইউটিউব এ গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পাবার পরে।