1
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
ফ্রেশ!
REGISTER

বান্দরবান ভ্রমনের অভিজ্ঞতা (দ্বিতীয় পর্ব)

Now Reading
বান্দরবান ভ্রমনের অভিজ্ঞতা (দ্বিতীয় পর্ব)

প্রথম পর্বে আমি মোটামুটি একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করেছি যাত্রার শুরুর দিকটার । আজকে হবে আসল রোমাঞ্চ । তো শুরু করা যাক ।

রুমা বাজার থেকে সেনাবাহিনীর অনুমতি নিয়ে আমরা দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম । তারপর রাতে বার-বি-কিউ করার জন্য ৩টা পাহাড়ি মুরগী কিনে সাথে নিয়ে যাই । ওখানে গিয়ে পাবো কিনা সেই ভয়ে আগে থেকেই কিনে নিয়ে যাই । চাঁদের গাড়ির স্ট্যান্ডে যেয়ে একটু সমস্যায় পরে যাই । ঐদিন শুক্রবার ছিল তাই বেশির ভাগ ড্রাইভার নামাজে চলে গিয়েছিল । তাই আমরা বাধ্য হয়ে কিছুটা সময় অপেক্ষা করলাম । একটা টং দোকান ছিল ওখানে । ওখানে কলা খুব ভালো পাওয়া যায় । আমরা ১০ জনে হালি ১৫ কলা খেয়েছিলাম । আর সাথে গান চলছেই । কখনো সমরেশ দা, কখনো রকি দা । সাথেও আমিও টুক টাক ধরি মাঝে মাঝে । অবশেষে চাঁদের গাড়ি পেলাম । জন প্রতি ১০০ টাকা ভাড়া । এই জার্নিটা অন্যরকম ভালো লাগার । ভয় যেখানে থাকে সেখানেই ভালো লাগা লুকিয়ে থাকে । একটা একটা করে পাহার পার হচ্ছি আর তম্নয় হয়ে দেখছি ।

প্রায় পুরটা রাস্তাই মাটির । মাঝ রাস্তা পার হওয়ার পর একবার এমন একটা ঝাকি খেলাম আমার সান-গ্লাসটা গাড়ির রেলিংএর সাথে লেগে গেলো ভেঙ্গে । সাথে চোখে হালকা চোট পাই । সবাই খুব চিন্তায় পরে গিয়েছিলো সিরিয়াস কিছু হল কিনা । পরে সবাইকে আশ্বস্ত করলাম আমি ঠিক আছি । হাজারো সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আমরা বগালেক পৌঁছাই প্রায় ২ ঘণ্টা পর । সেখানে নেমেই আগে সেনাবাহিনীর কাছে অনুমতি এবং নাম পরিচয় লিখে আসতে হয় । তারপর শুরু হল বগালেকের রূপে রোমাঞ্চিত হওয়ার মুহূর্ত । একেক করে ছবি তুলতে তুলতে সবাই ক্লান্ত শরীর নিয়ে বগালেক পারায় ঢুকি । আগেই বলেছিলাম আমাদের কটেজ বুক করা ছিল । ওখানকার বিখ্যাত সিয়াম দিদির কটেজ । সেখানেই একটা কটেজ দেয়া হল আমাদের । আসল কটেজ শুনতে যতোটা ভি আই পি শুনায় ব্যাপারটা আসলেই তেমন নয় ।

বাঁশের তৈরি ঘড় গুলো । ২ টা রুম থাকে একটা কটেজে । আর সবার জন্য বরাদ্দ একটা বালিশ আর একটা কম্বল । আমাদের কটেজটা একদম বগালেকের পার ঘেঁষেই ছিল । সারা বিকেল আমরা বগালেক পাড়া ঘুরে আর ছবি তুলে কাটালাম । সন্ধ্যা নামার পর আমরা সবাই কটেজের বারান্দায় গোল হয়ে বসে পরলাম আর সবাই যার যার বাদ্যযন্ত্র নিয়ে রেডি । শুরু হয়ে গেলো গান । রাত ৯ টা পর্যন্ত গান করার পর মনে পড়লো আমাদের বার-বি-কিউর কথা । সাথে সাথে সিয়াম দিদির সাথে কথা বললাম, নেট, মশলা, কাঠ সব কিছু সিয়াম দিদি ম্যানেজ করে দিলেন যদিও ৩০০ টাকা নিয়েছিল সব মশলার জন্য । তারপর শুরু হল বার-বি-কিউ আর তার পাশে গোল হয়ে দাড়িয়ে আবারো গান । রাত ১১ টায় শেষ হল আমাদের বার-বি-কিউ । আমাদের রফিক ভাই ব্রেড কিনে নিয়ে গিয়েছিলো সেই ব্রেড ভেজে নিলাম । রাতের খাবার হিসেবে বার-বি-কিউ আর ব্রেড । আর কি লাগে । খাবারের সময় ডিসিশন নেয়া হল আমরা কালকে সকালে কেউক্রাডং যাবো । পাহাড়ি ১০ কিলোমিটার রাস্তার কথা শুনে কয়েকজন প্রথমে যেতে অস্বীকৃতি জানায় । পরে সবাই রাজি হয় । গাইডকে বলে রাখা ছিল সকাল ৬ টায় উঠে আমরা রওয়ানা করবো ।

রাতে ভয়াবহ ঠাণ্ডা পরে বগালেকে । আমরা সবাই যে যা জামা কাপর নিয়েছিলাম সবাই সব গায়ে পরে কম্বল নিয়ে শুইয়ে পরি । তবুও অনেকে ঘুমাতে পারেনি রাতে । যদিও আমি অস্থির একটা ঘুম দিয়েছিলাম ।

বান্দরবান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা (প্রথম পর্ব)

Now Reading
বান্দরবান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা (প্রথম পর্ব)

আমি ছোটবেলা থেকেই ভ্রমনে আগ্রহী মানুষ । দিনে দিনে বড় হতে থাকি আর ভ্রমন পিপাসা আরো বেশি পেয়েছে বসে । গত জানুয়ারিতে ঘুরে এলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা, বান্দরবান । বান্দরবানের প্রাকৃতিক দৃশ্য আমাকে মুগ্ধ করে ২০১২ সালে । একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বান্দরবানের প্রাকৃতিক দৃশ্য নিয়ে রিপোর্ট দেখেছিলাম । শুরু হয়ে গেলো কিভাবে বান্দরবান যাওয়া যায় সেই পরিকল্পনা । কিন্তু দুঃখের বিষয় টানা ৪ বার পরিকল্পনা করেও শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়ে উঠেনি । যখন টাকা থাকে তখন যাওয়ার সাথী থাকেনা, যখন সাথী থাকে তখন টাকা থাকেনা । অবশেষে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে সুযোগ আসে । আমার বন্ধু সবুজ আমাকে প্রস্তাব করে বান্দরবান ঘুরতে যাওয়ার জন্য, আমি আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে সাথে সাথে ওর কথায় রাজি হয়ে যাই । সব কিছুর পরিকল্পনা করা হলো । আমরা ৮ জন রাজি হলাম যাওয়ার জন্য । সোজা কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড চলে গেলাম । ২ দিন পরের রাত ১১ টার বাসের টিকেট কেটে নিয়ে আসলাম ।
এই দুইদিন সারাক্ষন মন অস্থির হয়ে রইলো । কখন যাবো কখন যাবো… শেষ হলো অপেক্ষার পালা । রাত ১০ টার সময় আমি সবার আগে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাই । একে একে সবাইকে ফোন করি । সবাই ১০ঃ৩০এর মধ্যে পৌছায় । ১১ টায় গাড়িতে উঠি ।
আমি গ্রুপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী কারন আমি আগে কখনই বান্দরবান যাইনি । সবচেয়ে মজার ঘটনা ঘটে যাত্রার শুরুতে । আমরা সবাই মনে মনে আলাদা আলাদা ভাবে ঠিক করে রেখেছিলাম কিছু সারপ্রাইজ । যেমন আমাদের কারো কোন ক্যামেরা নেই । সবাই খুব করে ভাবছিল যদি একটা ক্যামেরা ম্যানেজ করা যেত । এত সুন্দর জায়গায় যেয়ে যদি ভালো ছবি না তুলতে পারি তাহলে সবারই খারাপ লাগবে । তাই আমি ঠিক করি একটা ক্যামেরা ম্যানেজ করে নিয়ে যাবো কিন্তু আগে থেকে ওদের জানাবো না । সারপ্রাইজ দিবো । ওরাও যে সবাই মনে মনে কিছু একটা সারপ্রাইজ দিবে ভেবে রেখেছিলো তা বুঝতে পারি যখন সবাইকে ক্যামেরা দেখিয়ে বলি “সারপ্রাইজ…’ সবাই খুশি হয় এর পর একে একে সবার সারপ্রাইজ দেখতে থাকি । ভালো ছিল অনুভূতিটা । কেউ এনেছিল খাবার, কেউ লোকসঙ্গীতের বাজনা, কেউবা আগে থেকেই কটেজ বুক করে সবাইকে আসলেই সারপ্রাইজড করে দিয়েছিল । বাস তখন মাত্র যাত্রাবাড়ী ক্রস করেছে, সবুজ বলে উঠলো ‘আমাদের গান করার সব উপকরনতো আছেই । আমরা গান কেন করছি না।’ আর দেরি নাই সমরেশ দাদা গান শুরু করেদিলেন । সেইযে শুরু ভোর ৫ টার দিকে যখন আমরা চট্টগ্রাম পৌঁছাই তখন থেমেছিলাম আমরা । কিন্তু বাসের একটা মানুষও আমাদের গান থামাতে বলেনি । যখন বান্দরবান এসে নামি সকাল ৭টা বাজে তখন । ঢাকাতে থাকার অভ্যাস যাদের তাদের কাছে শীতের সকাল তেমন বেশি ঠাণ্ডা উপভোগ করার সুযোগ মিলে না । বান্দরবানে কি পরিমান শীত তা আমরা বাস থেকে নেমে হারে হারে টের পেয়েছিলাম । বাস থেকে সবাই নামার পরে, ২ জন বয়স্ক লোক আমাকে এসে বলে ‘বাবারা তোমারা সারারাত আমাদের সুন্দর সুন্দর গান শুনিয়েছ, তোমাদের ধন্যবাদ ।’ আমরা খুব খুশি হই কমপ্লিমেন্ট পেয়ে ।
বান্দরবান বাস স্ট্যান্ডে সকালের নাস্তা করি । নান রুটি আর সবজি । ১০+১০=২০ টাকায় মোটামুটি ভালো খাবার পেলাম । তারপর বাস ধরলাম রুমা বাজার যাওয়ার জন্য । বাস ভাড়া ১০০ টাকা । আবারো বাসের মধ্যে গান । এইবার আগ বাড়িয়ে ধরলেন প্রশান্ত দা । সাথে সাথে আমরাও শুরু করে দিলাম । ২ পাশে অজস্র পাহার, আর মাঝের রাস্তা দিয়ে ছুটছি আমরা । সেই সকালটা অন্যরকম অনুভূতি ছিল । গান করতে করতে একটা সময় পুলিশ চেক পোস্টে পৌঁছাই ১ ঘণ্টা পর । সেখানে ৫ মিনিটের যাত্রা বিরতি হয় । আমরা ছবি তোলায় আর খাওয়া দাওয়ায় সময়টা পার করলাম । রুমা বাজার পৌঁছানোর পর গাইড ঠিক করি বগালেক যাওয়ার জন্য । গাইডের সাথে দর দাম করে প্রতিদিন ৬০০ টাকা করে দেয়ার কথায় রাজি হই । তারপর সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে যাই অনুমতি আনার জন্য । সবার ব্যাগ চেক করে কিছু নিয়মাবলি বলে দিলেন আমাদেরকে । আমরা দুপুরে হালকা খাবার খেয়ে নিলাম রুমা বাজার থেকে । বাজারের শেষ প্রান্তে অপেক্ষা করে বগালেকগামী চাঁদের গাড়ি ।

যে গান শুনে আত্মহত্যা করেছে শতাধিক মানুষ

Now Reading
যে গান শুনে আত্মহত্যা করেছে শতাধিক মানুষ

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা। আমরা সবাই কম-বেশি গান শুনতে ভালোবাসি। বাচ্চা থেকে শুরু করে সবাই গান শুনে সময় কাটাতে পছন্দ করে থাকেন। তবে ভেবে দেখেনতো এই গান যদি হয়ে উঠে কারো মৃত্যুর কারণ!???বিশ্বাস হচ্ছে নাহ???তবে বিশ্বের ইতিহাসে এমনই এক গান রয়েছে যার পিছে লুকিয়ে আছে এমন  অনেক বিস্মকর অন্ধকার সব ঘটনা। যে গানটির কথা বলছি সেটির নাম হলো গ্লোমি সানডে“। ইংরেজিতে “Gloomy Sunday“।

“গ্লোমি সানডে” এই গান এর আরেক নাম “হাঙ্গেরিয়ান সুইসাইড সং”। নাম শুনেই বুজতে পারছেন এটি একটি হাঙ্গেরিয়ান গান তবে যার সাথে সম্পর্ক রয়েছে আত্মহত্যার। বিশ্বের ইতিহাসে এই “গ্লোমি সানডে” গানটিকে অনেক সুইসাইড ক্যাসের জন্য দায়ী করা হয়। দাবি করা হয় যে এই গানটি শোনার পরে এই পর্যন্ত্য আত্মহত্যা করা মানুষের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। এমনকি এই গানটির সুরকার “সেরেস” গানটি সুর করার ৩৫ বছর পর তিনি নিজেও আত্মহত্যা করেছিলেন ।

গানটি ১৯৩৩ সালে “রেজো সেরেস” নামক পিয়ানোবাদক দ্বারা সুর করা হয়েছিল যা “ইন্ড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড” শিরোণামে প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৩২ সালে প্যারিসে বসবাসরত অবস্থায় সেরেস প্রথম গানটি কম্পোজ করেন। প্রথমে সেরেস গানটির জন্য প্রকাশক খুঁজতে সমস্যায় পড়েন গানটির হতাশাব্যাঞ্জক কথার জন্য। যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গানটির কথা লেখা হয়েছিলো এবং এর শেষে বলা হয়েছে মানুষদের পাপ এর কথা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে গানটি লেখা হয়েছিল।  “ইন্ড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড” গানটির কথায় মানুষের প্রতি মানুষের অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও যারা অন্যায় কাজে লিপ্ত তাদের জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। তবে অসফল প্রেম এর গল্পও লুকিয়ে আছে “গ্লোমি সানডে” নামক এই গানটির মধ্যে।

প্রথম দিকের ভার্সনগুলোতে যে লাইন ছিল তা অনেকটা আত্মহত্যাকে অনুপ্রানিত করে বলে মনে করা হয়। এর একটি লাইন হল,,

“গ্লোমি ইজ সানডে, উইদ স্যাডো আই স্পেন্ড ইট অ্যল,,মাই হার্ট এন্ড আই হ্যাভ ডিসাইডেড টু ইন্ড ইট অ্যল”

গানটির কথা লিখেছিলেন “লাজলো জাভোর”। ভালোবাসার মানুষের মৃত্যু ও মৃত্যুর পরবর্তী জীবণে তার সাথে মিলিত হওয়ার আবেগ নিয়ে লাজলো জাভোর গানটি লিখেছিলেন যা পরবর্তীতে হারানো প্রেমের কষ্ট বহন করে গেছে।

জাভোরের কথা ব্যবহার করে প্রথম হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় গানটি রেকর্ড করেন পাল কামার ১৯৩৫ সালে। হাঙ্গেরিতে তার ভার্সনটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে সেই সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে আত্মহত্যার হার বেরে যায়। জাভোরের সাবেক স্ত্রীও আত্মহত্যা করে মৃত্যুবরণ করে ছিলেন। ১৯৩৫ সালে প্রথম পাল কামার হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় গানটি রেকর্ড করার পরবর্তীতে কিছু লোক ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সুইসাইড করলে এই গানটির দোষ দেয়া হয় কারণ তখন তাদের হাতে গানটির একটি শীট মিউজিক ভার্সন ধরা ছিল। অনেক রেডিও নেটওয়ার্ক গানটি প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল যদিও এ দাবিগুলো প্রমানিত নয়। এছাড়াও এই গানটি নিয়ে অনেক ঘটনা শোনা যাই,,যেমন শোনা যাই যে একজন হাঙ্গেরিয়ান মুচি যেখানে আত্মহত্যা করেছিলেন সেখানে একটি নোট পাওয়া গিয়েছিলো যেখানে “গ্লোমি সানডে” এর  কিছু লাইন লেখা ছিল। দুজন লোক তাদের নিজেদের গুলি করে সুইসাইড করেছিলেন যে সময় একটি ব্যান্ড “হাঙ্গেরিয়ান সুইসাইড সং” গানটি করতে ছিলেন। কোন গবেষণাতেই অবশ্য স্পষ্ট করে গান ও আত্মহত্যা সম্পর্ক বোঝানো সম্ভব হয়নি।

এই গানটিতে এমন কি আছে যার জন্যে মানুষ আত্মহত্যা করতে এগিয়ে যাই???আপনাদের বোঝার সুবিধার জন্য গানটির কথা বাংলায় অনুবাদ করে  দিলাম,,এটি পড়লেই আপনার বোঝা হয়ে যাবে কি এমন আছে এই বিস্ময়কর গানটিতে। 

“”শত শত সাদা ফুলের সাথে অদ্ভুত রবিবার
আমি আপনার জন্য আমার প্রার্থনাশৈলীতে প্রার্থনা করার অপেক্ষা করছিলাম। । 
একটি রবিবার সকালে, ছুটছিলাম আমি আমার স্বপ্নের পিছে 
আমার দুঃখের বহিঃপ্রকাশ তোমার কাছে ফিরিয়ে নিল
এরপর থেকে  আমার রবিবার চিরকাল দুঃখজনক
কান্না  আমার একমাত্র পানীয়, দুঃখ আমার রুটি । । 

মেঘাচ্ছন্ন রবিবার

এই রবিবার, আমার প্রিয় আমার কাছে আসো দয়া করে
সেখানে একটি যাজক, একটি কফিন, এবং একটি ঘূর্ণন শীট হবে
আপনার জন্য ফুল থাকবে, ফুল এবং একটি কফিন 
ফুল গাছের নীচে এটি আমার শেষ যাত্রা হবে। । 
আমার চোখ খোলা হবে, যাতে আমি আপনাকে শেষবারের মত দেখতে পাই
আমার চোখে ভয় পেও না, আমি তোমাকে আমার মৃত্যুর পরেও আশীর্বাদ করছি । । 

রবিবার হতাশাজনক,
আমার ঘন্টা নিদ্রালু হয়।
প্রিয়তম ছায়া
আমি বেঁচে থাকা সঙ্গে বেঁচে থাকা

ছোট সাদা ফুল
কখনো তোমাকে জাগিয়ে তুলবে না
যেখানে কালো  স্মৃতি   
তোমাকে নিয়ে গেছে।

এঞ্জেলস এর কি কোন চিন্তা আছে
কখনও আপনাকে ফিরিয়ে দেবার ??
তারা কি রাগ হবে?
যদি আমি তোমার সাথে ওখানে যোগ দেয়ার কথা ভাবতাম??

মেঘাচ্ছন্ন রবিবার

অদ্ভুত রবিবার,
ছায়ার  সাথে সব সময় হয় পার 
আমার হৃদয় এবং আমি, 
সব শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি 

শীঘ্রই সেখানে  মোমবাতি জ্বলবে
এবং প্রার্থনা করা হবে
তাদের কাঁদতে দিয়োনা ,
তাদের জানাতে হবে যে আমি যেতে পেরে আনন্দিত।। 

মৃত্যু কোন স্বপ্ন নয়,
মৃত্যুর জন্য আমি তোমাকে দমিয়ে রেখেছি
আমার আত্মার শেষ শ্বাস হলেও ,
আমি তোমার উপর আশীর্বাদ করবো।

মেঘাচ্ছন্ন রবিবার

স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখছিলাম
জেগে উঠি এবং আমি আপনাকে ঘুমিয়ে  থাকতে দেখেছি 
আমার হৃদয় গভীরে 

ডার্লিং, আমি আশা করি
আমার স্বপ্ন কখনো তোমাকে ঘৃণা করলো না
আমার হৃদয় আপনাকে বলছে,
কতটা আমি আপনাকে চেয়েছিলাম । । “

১৯৩৫ সালে রাশিয়ায় রাশিয়ান ভাষায় এবং ১৯৩৬ সালে ফ্রান্স এবং জাপানেও তাদের ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল। বিবিসি প্রায় ৬৬ বছরের জন্য এই গানের  প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল যদিও ২০০২ সালে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল। ইংরেজি ভাষায় গানটির কয়েকটি ভার্সন বের হয়। “হাঙ্গেরিয়ান সুইসাইড সং” তথা “গ্লোমি সানডে” গানটি আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

ফুটপ্রিন্ট লেখক লগিন