বিশ্বের সেরা কয়েকটি Animal Robot

Now Reading
বিশ্বের সেরা কয়েকটি Animal Robot

 

পৃথিবীতে অনেক রোবট তৈরির কারখানা আছে। তাদের মধ্যে Festo, MIT ইত্যাদি। এদের মধ্যে অনেক কারখানা খুব জনপ্রিয়। Festo অনেক ধরণের Animal Robot বানিয়েছে যার মধ্যে ছিলো Robot Penguin,butterfly ছাড়াও অনেক। এদের তৈরি অনেক রোবট মানুষকে অবাক করেছে। যা নিচে আলোচনা করা হল।

  1. The BionicAnt:

এটি জার্মান রোবর্ট তৈরির সংস্থা Festo দ্বারা উৎপাদিত। বিস্ময়কর এ রোবট একটি 3D মুদ্রিত প্লাস্টিকের শরীর যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক সার্কিটের সাথে কানেকশন আছে। পিঁপড়ের ছয় পায়ের ফাঁকাগুলি দ্রুত চলাচল এবং যথাযথভাবে বল প্রয়োগ করে এটি চলে। এ প্রাণীটির মাথার উপর একটি স্টেরিও ক্যাম আছে যা তার এলাকাকে ফোকাস করতে সহায়তা করে এবং এমন বস্তুকে আলাদা করতে পারে যা তার প্রোগ্রামিং এ সেট করে দেওয়া হয় এবং তার মেঝেতে একটি সেন্সর আছে(সাধারণ মাউস এ থাকা সেন্সর) যা একইভাবে দূরবর্তী সিস্টেম ব্যবহার করার সময় তার আশেপাশের একটি অনুভূতি পেতে সাহায্য করে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এই আধুনিক উদ্ভাবনীটি 13 থেকে 17 এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

  1. Bionic Kangaroo :

Bionic Kangaroo একটি Robot মডেল যা একটি কঙ্গারু আকার যা ফেস্টো দ্বারা তৈরি করা হয়। Kinematics, Bionics, and Biomimetics থেকে পদ্ধতি প্রয়োগ করে, Festo গবেষকরা প্রকৌশলী Kangaroo তৈরি করার উদ্বেগ নেন, এবং একই রকম ভাবে একটি রোবটের ডিজাইনের প্রয়োগ করেন। এটি রিমোট দ্বারা কন্ট্রোল করা সম্ভব। যা হাতের ইশারায় চলে। এর জাম্পিং ব্যবস্থা কঙ্গারুকে তার গতি বৃদ্ধি করতে সক্ষম করে। এটিতে সে Extra কোনো শক্তি ব্যবহার না করে প্রতিটি বাউন্স দিয়ে এটি শক্তি সঞ্চয় করে। অবতরণ ফেজ থেকে শক্তি সঞ্চয় এবং পরবর্তী জাম্পের জন্য সঞ্চয় করা শক্তি ব্যবহার করে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তী জঙ্গলে এটি প্রযোজ্য, যা সাধারণ Kangaroo এর মত আচরণ করে।

  1. The Robot Dragonfly:

ড্রাগনফ্লাইটি তিনটি ইলেকট্রনিক্স প্যাকেজগুলির মধ্যে যেকোনো একটিতে সজ্জিত হতে পারে। এর মধ্যে মার্ক-বেসিক, মার্ক -২ এবং মার্ক -3 থাকতে পারে। পূর্বের মডেলের চেয়ে আরও বেশি সক্ষম, যা মার্ক -২3, যা প্রায় 20টি বিশিষ্ট সেন্সরের সাথে সজ্জিত। 250mAh প্রকাশিত একটি একক সেল Li-po ব্যাটারি থেকে পাওয়ারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি 25g এবং 6” এর দৈর্ঘ্য।এটি ২5-30 মিনিট পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।

  1. SmartBird

Festo দ্বারা তৈরি এই স্মার্টবার্ডটি হল একটি স্বনিয়ন্ত্রিত রোবট যা ফেস্টো এর বায়োনিক লার্নিং নেটওয়ার্ক দ্বারা তৈরি করা হয়। এটি herring gull এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এটির ভর 450 গ্রাম এবং 1.96 মিটার প্রশস্ত। ২011 সালের এপ্রিল মাসে Hannover Fairএ এই স্মার্টবার্ডটি উন্মোচন করা হয়। এটি নিজেই উড়ে এবং নিজেই অবতরণ করে। তার উইংস দ্বারা সে নিজের ইচ্ছাকৃতভাবে মোড় নিতে পারে। এটি একটি সক্রিয় টরশন প্রক্রিয়া দ্বারা সম্পন্ন হয়। Smartbird Polyurethane ফেনা এবং কার্বন ফাইবার নির্মিত। 23W এ চলমান এবং 135 brushless মোটর দ্বারা চালিত হয়।\

  1. Mit Robotic Ceetah

এটি MIT গবেষকদের দ্বারা ডিজাইন করা। একটি 70-পাউন্ড “চিতাবাঘ” রোবট শীঘ্রই দক্ষতা চালানোর জন্য তার পশু প্রতিরূপ(চিতাকে)Treadmill পরীক্ষায় অতিক্রম করতে পারে।  গবেষকরা দেখেছেন যে রোবটটি প্রকৃত চিতাবাঘের আকার ও ওজন একই। এটি খুব কম শক্তির অপচয় করে যা প্রতি ঘন্টায় 5 মাইল অতিক্রম করে। লাইটওয়েট ইলেকট্রিক মোটর, তার কাঁধের মধ্যে সেট করা রয়েছে, যা খুব অল্প তাপ অপচয় করে উচ্চ ঘূর্ণন সঁচারক বল উত্পাদন করে। রোবটটি ২০১৩ সালের মে মাসের দিকে সবার সামনে এসেছিলো। Sangbae Kim, the Esther and Harold E. Edgerton Assistant Professor in MIT’s Department of Mechanical Engineering,বলেছেন রোবটটির শক্তির দক্ষতা অর্জন প্রক্রিয়া খুবই জটিল।

গুগল আই/ও ২০১৭

Now Reading
গুগল আই/ও ২০১৭

গুগল কেবল তার আই / ও ২০১৭ এর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে, যেখানে সিইও পরিচালিত নির্বাহী পরিচালকরা অ্যান্ড্রয়েড, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, গুগল হোম, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি, এবং আরো অনেক তথ্য সহ কম্পানির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলেন।

গুগল গ্লাস-ওয়্যারার্স এবং প্রধান হার্ডওয়্যার ঘোষণা দেয়। গুগল এর বৃহত্তম বার্ষিক কনফারেন্সের নিয়ম অনুসারে তারা বিবিধ ঘোষণা প্রদান করে। এই আর্টিকেল এ কিছু অন্যতম ঘোষণার কথা তুলে ধরা হল।

গুগল সহকারী বা এসিস্টান্ট এখন আপনার স্মার্টফোন ক্যামেরার সাহায্যে আপনার চারপাশের বিশ্ব বিশ্লেষণ করতে পারে। প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে গুগল লেন্সকে কল করা হয়, সহকারী আপনার আশেপাশের বিশ্লেষণ করে আপনার পর্দায় প্রাসঙ্গিক সামগ্রী প্রদর্শন করবে। আপনি দোকানের ফোনে আপনার ফোনটি নির্দেশ করার সময় একটি রেস্তোরাঁর রেটিং দেখতে পাবেন, আপনি এটি একটি ফুলের দিকে লক্ষ্য রাখতে পারেন এবং এটি প্রজাতিগুলি চিহ্নিত করবে, এবং আপনি একটি কনসার্টের পোস্টারে লেন্স নির্দেশ করে একটি ব্যান্ডের সঙ্গীত বা ভিডিওগুলিও তুলতে পারেন। কিন্তু সবচেয়ে দরকারী উদাহরণ এটি হতে পারে: আপনি যদি ওয়াই-ফাই লগইন এর তথ্য লিখিত কিছু ইনফো লেন্সের মধ্যে তুলে ধরেন, তাহলে আপনার ফোন সেই তথ্যটি বিশ্লেষণ করে এবং সেই নেটওয়ার্কে লগ ইন করতে সক্ষম ।

গুগল সহকারী বা এসিস্টান্ট অ্যান্ড্রয়েডের বাইরে আইওএস এর বাইরে প্রসারিত হচ্ছে। গুগল এসিস্টান্ট এখন আইফোন এবং আইপ্যাডে একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ্লিকেশন হবে, যা একই ফাংশন গুলো প্রদান করে যা আমরা Google এর নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমে দেখেছি। আপনি এটি ব্যবহার করার জন্য আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না কারণ এটি স্টোর এ এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে।
গুগল আরও বলেন তাদের নতুন সিস্টেম গুগল হোম এর কথা। এটি আপনার বাড়ির সকল স্মার্ট ডিভাইসের সাথে কানেক্ট হয়ে সেগুলিকে আপনার নির্দেশ অনুসারে নিয়ন্ত্রন করে।
যা অনেক সহজ এবং সময় বাঁচাবে।

গুগল ফটোস একটি চমৎকার সংযোজন হচ্ছে অ্যাপটি এখন সুপারিশ করবে যে আপনি যে ফটোগুলিটি লোকেদের সাথে নিয়েছেন সেগুলি সে নিজে থেকেই বিশ্লেষণ করবে।
এটিতে শেয়ার্ড লাইব্রেরিগুলিও চালু করেছে, যা পরিবারগুলিকে একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংগ্রহে চিত্রগুলি সমষ্টিগতভাবে আলাদা আলাদা করে রাখবে এবং আপনি আপনার সম্পূর্ণ ফটো লাইব্রেরি ভাগ করতে পারেন, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট তারিখ থেকে ভাগ করে নিতে পারেন।

গুগল বলছে যে ভবিষ্যতে ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার শটগুলিতে অবাঞ্ছিত আইটেমগুলি সরাতে সক্ষম হবে। যার জন্য আপনার বাড়তি কোন অ্যাপ দরকার হবে না।

“বিগ ডাটা” (Big Data) একটি নতুন টেকনোলজী একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

Now Reading
“বিগ ডাটা” (Big Data) একটি নতুন টেকনোলজী একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

ডাটা এবং বিগ ডাটা কি?

বর্তমান যুগে আমরা প্রতিনিয়ত ডাটা নিয়ে কাজ করি। অনেকগুলো তথ্য বা ডাটাকে নিয়ে গঠিত হয় তথ্য ভান্ডার। বা তথ্যের ব্যাবহার করে থাকি। ডাটা ছাড়া দৈনন্দিন জীবনে চলা অসম্ভব । এই ডাটা কমে না বরং শুধু বাড়তেই থাকে । ডাটা বলতে শুধু যেকোন লিখাকে বুঝি না বরং ডাটা হতে পারে ছবি, ভিডিও, এনিমেশন ইত্যাদি। ডাটা বড় হতে হতে তৈরী হয় বিগ ডাটা।

ডাটা কিভাবে তৈরী হয়?

ডাটা নানা রকমভাবে তৈরী হয়ে থাকে যেমন আমরা কম্পিউটারে যত কাজ করি এবং জমা করি সবই ডাটার সমষ্টি বা অনেক সময় বলা হয় তথ্য ভান্ডার। আমরা যে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলি তা মোবাইলে স্টোর হয় এবং সেই ছবিও একটি ডাটা।

বিগ ডাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

যখন আমরা মোবাইল দিয়ে কোন ভিডিও করি তখন আমাদের মোবাইলের স্টোরেজে একটি ভিডিও ফাইল তৈরী হয়ে কিছু জায়গা দখল করে। সেই ভিডিওটিও এক ধরনের ডাটা বা ইনফরমেশন। এভাবে অসংখ্য ডাটা বা ইনফরমেশন মোবাইলে, কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে জায়গা দখল করতে করতে জায়গা শেষ হয়ে যায়। উধাহরন হিসাবে বলা যায়, আমরা যে কম্পিউটার কিনে থাকি সেই কম্পিউটারে প্রাথমিক অবস্থায় অনেক জায়গা থাকে কিন্তু সময়ের সাথে সাথে যখন আমরা প্রচুর ডাউনলোড করি গান, ভিডিও, সিনেbig-data-word-cloud.jpgমা, সফটওয়্যার ইত্যাদি তখন আমাদের কম্পিউটারের জায়গাও এক সময় শেষ হয়ে যায়। তখনই প্রয়োজন হয় আলাদা পেন ড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি কপি ইত্যাদি।  আর যখন এই ডাটা আরো বিপুল পরিমানে হয় তখন কি করা যায় ? এই রকম একটি চিন্তাভাবনা থেকেই তৈরী হয় একটি নতুন টেকনোলজী কনসেপ্ট আর তা হলো বিগ ডাটা কনসেপ্ট। বিগডাটা হচ্ছে একটি টেকনোলজী এটা বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে চালানো যায়। আশ্চর্যের ব্যাপার আপনি শুধু সাধারন একটি ল্যাপটপ দিয়ে বাসায় বসেই বিগ ডাটার কাজ করতে পারবেন।

ডাটা তৈরীর রেট নিম্নরুপঃ

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে টুইটারে ৯৮,০০০ জনের বেশী টুইট হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ফেসবুকে ৬৯৫,০০০ জনের বেশী স্টাটাস আপডেট হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১১ মিলিয়ন মেসেজ পাঠানো হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ৬৯৮,৪৪৫ এর বেশী মানুষ গুগলে সার্চ করে;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১৬৮ মিলিয়ন বা তার বেশী ইমেইল পাঠানো হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১,৮২০ টেরাবাইটস এর বেশী ডাটা তৈরী হয়।

ওয়ার্ল মার্ট প্রতি ৬০ মিনিটে ১ লক্ষ এর বেশী ডাটা আদান প্রদান করে এবং এই তথ্য এক বিশাল তথ্য ভান্ডারে জমা হয়।

বিগ ডাটা টেকনোলজীতে কোন ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহৃত হয়?

বিগ ডাটাতে যে সকল টেকনোলজী ব্যাবহার হয় তা হলো  “হাডুপ (Hadoop)” নামের এক ধরনের ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং এটা একটা ডিসট্রিবিউটেড অ্যাপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক যার বিপুল তথ্য প্রসেস করার ক্ষমতা আছে। “হাডুপ” কোন রিলেশনাল ডাটাবেজ না বরং এটা অফ লাইন বা ব্যাচ প্রসেসিং সিস্টেম। হাডুপ এর ইকো-সিস্টেম হলো এইচডিএফএস অর্থ্যাৎ হাডুপ ডিসট্রিবিউটেড ফাইল সিস্টেম এবং এর সাথে ব্যাবহার হয় ম্যাপ রেডুস সিস্টেম যা একটি ডিসট্রিবিউটেড ফ্রেমওয়ার্ক সিস্টেম যা প্যারালালি কাজ কে এগিয়ে নিয়ে যায়। হাডুপ সিস্টেম এর ব্যাবহারগুলো হলোঃ মার্কেটিং তথ্য বিশ্লেষণ, মেশিন লার্নিং, ইমেজ প্রসেসিং, এক্সএমএল মেসেজ প্রসেসিং, টেক্সট প্রসেসিং ইত্যাদি।

বর্তমানে হাডুপ এবং ম্যাপরিডিউস ছাড়াও আরো দ্রুত গতির সলুশন চলে এসেছে। সেই রকম একটি টেকনোলজী হলো স্পার্ক (Spark) যা এপাচির (Apache) একটি প্রজেক্ট।

স্পার্ক ফ্রেমওয়ার্কে Python এবং R নামের দুটি সফটওয়্যার দিয়েই কাজ করা যায়। এবং বর্তমানে এই দুইটি বিশ্বে খুব জনপ্রিয় এক ধরনের সফটওয়্যার।

স্পার্ক এর আর এপিআই হলো স্পার্কআর (SparkR) এবং পাইথন এপিআই হলো PySpark যেকোন একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি কাজ করতে পারেন। আরা একটি পাওয়ারফুল প্রজেক্ট আছে আর তা হলো এইচ ২০ (H20) এবং তাদের ওয়েবসাইট হলো h20.ai, হাডুপ এর উপর তৈরী হয় এপাচির হাইভ (Hive) হল একধরনের ডাটা ওয়্যারহাউজ ইনফ্রান্ট্রাকচার যার কাজ হলেঅ তথ্যকে একত্রিত করা এবং ক্যুয়েরী (Query) করে ডাটা বিশ্লেষণ করা। এটা এসকিউএল (SQL) এর মত ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাবহার করে যার নাম হাইভক্যুল (HiveQL)।

আর এইচবেস (HBase) হল একটি ওপেন সোর্স যা নন-রিলেশনাল ডিসট্রিবিউটেড ডাটাবেস মডেল যা জাভা দিয়ে লেখা হয়েছে। এটা ডাটার ভুল ধরে অনাবশ্যক তথ্যকে সঞ্চয় করে। ডাটা এনালাইসিস এ এসকিউএল (SQL) এর চেয়ে বেশী প্রয়োজন হয় আরো গুরুত্বপূর্ন সফটওয়ার আর তার নাম হলো R, R  এক ধরনের স্ট্যাটিস্টিক্যাল প্রোগ্রামিং লেংগুয়েজ যা দিয়ে খুব সহজেই যে কোন ডাটা এনালাইসিস করা যায়। এখানে অনেক জিনিসই আপনি বিল্টইন পাবেন যার ফলে আপনাকে খুব বেশী কোড লিখতে হবে না।

বিগডাটার সুবিধা সমূহঃ

বিগডাটা দিয়ে সুধু ডাটা জমা রাখা যায় তা না বরং ডাটা এনালাইসিস করা যায়, বিভিন্ন ধরনের কাষ্টমাইজ রিপোর্ট জেনারেট করা যায়।  বিগ ডাটা শিখে একজন ছাত্র হতে পারে ডাটা এনালিষ্ট, প্রোগ্রামার, বিগ ডাটা ইঞ্জিনিয়ার, বিজনেস এনালিষ্ট, সোসাল মিডিয়া এনালিষ্ট, ডাটা ইঞ্জিনিয়ার, বিজনেস ডাটা ‍স্পেশালিষ্ট, ডাটা ভিজুয়ালাইজেশন ডেভেলপার, বিআই সোলুশন আর্কটেকচার ইত্যাদী হতে পারে।

বিগ ডাটার বিশেষ বৈশিষ্টঃ

আমরা আগে জানতান ওরাকল সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশী ডাটা নিতে পারে কিন্তু না এখন যেখানে ওরাকল এবং এসকিউএল সার্ভারের মত বড় বড় সার্ভার ডাটা নিতে নিতে জায়গা শেষ হয়ে যায় সেখানে বিগ ডাটা ব্যাবহৃত হয় এবং বিগ ডাটা অনায়াশে আনলিমিটেড ডাটা বহন করার ক্ষমতা রাখে।

বাংলাদেশ মায়ানমার যুদ্ধ | গণহত্যা | বার্মিজ অসদাচরণ | তৃতীয় পক্ষ | ভিডিও

Now Reading
বাংলাদেশ মায়ানমার যুদ্ধ | গণহত্যা | বার্মিজ অসদাচরণ | তৃতীয় পক্ষ | ভিডিও

এই ভিডিও যখন পোস্ট করছি তখন নতুন একটি খবর এসেছে যে মায়ানমার আবারো বাংলাদেশের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করেছে। আবারো বাংলাদেশের আকাশ সীমায় তারা তাদের হেলিকপ্টার ঢুকিয়েছে। তবে মায়ানমার কি বাংলাদেশকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে? তারা কি খুব বেশী বাড়াবাড়ি করছে না? বাংলাদেশ – মায়ানমারের মধ্যে যুদ্ধ হবার সম্ভাবনা কতটুকু। যদি যুদ্ধ হয় তাহলে কে জিতবে? ক্ষতি কার বেশী হবে? এই যুদ্ধে কোন পক্ষের বেশী লাভ হবে? তৃতীয় কোন শক্তি কি কলকাঠি নাড়ছে? বাংলাদেশে কি কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করার চেষ্টা করছে মায়ানমার? তাদের এজেন্ডা কি?

এসব নিয়ে বাংলাদেশীজমের আজকের ভিডিও। আশা করি ভিডিওটি দেখে আপনার গুরুত্বপূর্ন মতামত দিবেন। বাংলাদেশীজমে আপনাদের মতামত সবসময় গুরুত্বপূর্ন।

নকিয়ার নবউত্থান!

Now Reading
নকিয়ার নবউত্থান!

নকিয়া নাম শুনেনি এমন কাউকে হয়ত খুজে পাওয়া যাবেনা।এমনকি নকিয়ার মোবাইল কখনই ব্যাবহার করেনি এমন মানুষ খুজে পাওয়াও দুষ্কর।আমরা সবাই কখনো না কখনো নকিয়ার মোবাইল ব্যাবহার করেছি।একসময় পৃথিবীর মোবাইল বাজারে একক আধিপত্য বিস্তার করেছিল নকিয়া নামক ফিনল্যান্ডের এই কোম্পানিটি।তবে এক সময়ের বিশ্ব কাঁপানো এই কোম্পানিটি হারিয়ে যায় মোবাইল বাজার থেকে।চলুন জেনে নেয়া যাক নকিয়া বিষয়ক কিছু তথ্যঃ

১.নকিয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ নকিয়া কর্পোরেশন ফিনল্যান্ড ভিত্তিক বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত কোম্পানি।২০০০ সালের প্রথম দিকে পৃথিবীতে সেলফোন সরবরাহের ৪০ শতাংশ করত নকিয়া। দেশেও চাহিদা ছিল বেশ। রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব দ্য ফিনিশ ইকোনমির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ডের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এক-চতুর্থাংশ হয় নকিয়ার কল্যাণে।বহুদিন সেলফোনের বৈশ্বিক বাজারে আধিপত্য ছিল নকিয়ার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও বাড়তে থাকে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যবসার পরিসর বাড়াতে সরবরাহ করতে থাকে অতি আধুনিক স্মার্টফোন। প্রতিযোগিতার বাজারে পিছিয়ে পড়ে ফোনশিল্পের এক সময়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র নকিয়া। ২০১২ সাল পর্যন্ত নোকিয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানি ছিল। তবে বাজারে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে নকিয়া ধীরে ধীরে পিছিয়ে যায়। গুগলের তৈরী এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার না করার ঘোষনায় নোকিয়ার শেয়ারের দাম ৪০ মার্কিন ডলার থেকে পরে মাত্র ২ মার্কিন ডলারে নেমে আসে।

২.নকিয়ার উত্থানঃ ১৯৮২ সালে নকিয়া তাদের প্রথম মোবাইল ফোন বাজারে ছাড়ে।নভেম্বর, ১৯৯২ সালে নকিয়া বাজারে নিয়ে আসে ‘নকিয়া ১০১১’। মূলত এই মোবাইলের মাধ্যমে ফিনল্যান্ড সহ বিশ্ববাজারে ব্যাপক পরিচিতি পায় নকিয়া।নকিয়ার জনপ্রিয়তা একসময় ছিল আকাশচুম্বী।তখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই নকিয়ার মোবাইল পাওয়া যেত। ২০০০ সালের পর নকিয়া একের পর এক বাজারে আনে ৩৩১০, ১১১০ এর মতো বেস্ট সেলিং মোবাইল সেটগুলো। ২০০২ সালে নকিয়া বাজারে আনে তাদের প্রথম ক্যামেরাসংযুক্ত মোবাইল ফোন। ০.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাবিশিষ্ট এই মোবাইল ফোন বাজারে বেশ সাড়া ফেলে।তারপর নকিয়ার নিত্যনতুন মোবাইল বাজারে আসতে থাকে এবং নকিয়ার জনপ্রিয়তাও বাড়তে থাকে। 95b0794abaaa98136ba8523266e8e732.jpg

২.নকিয়ার পতনঃ২০০৭-০৮ মৌসুমে বাজারে আসতে শুরু করে এন্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন, অন্যদিকে আইফোনও তার নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন।  প্রতিযোগিতায় তাল মিলাতে হিমশিম খেয়ে যায় নকিয়া। প্রথমে নকিয়ার নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ‘সিম্বিয়ান আসে কিন্তু তা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।

nokia-microsoft1.jpg২০১৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর মাইক্রোসফট ৭.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিময়ে নোকিয়ার ব্যবসায়িক শাখা কিনে নেওয়ার ইচ্ছা পোষন করে। এই চুক্তি অনুযায়ী নোকিয়ার প্রধান নির্বাহী সহ আরও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা মাইক্রোসফটে যোগদান করবে।মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেমে নির্মিত প্রথম স্মার্টফোন ‘লুমিয়া ৮০০’ বাজারে তেমন সাড়া ফেলেনি।তারপর থেকে মাইক্রোসফট নকিয়ার নামে মোবাইল বানানো শুরু করে কিন্তু তা খুব একটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।এন্ড্রয়েডচালিত ফোন এবং আইফোনের ভিড়ে হারিয়ে যেতে শুরু করে নকিয়ার মোবাইল।২০১৪ সালের দিকে মাইক্রোসফট আর নকিয়ার চুক্তি শেষ হয়ে যায়।

৩.নকিয়ার পুনরুত্থানঃ   ২০১৬ সালে নকিয়া HMD GLOBAL নামে ফিনল্যান্ডের এক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। HMD Global মূলত এখন থেকে নকিয়ার স্মার্টফোন আর ফিচার ফোন বানানোর কাজটি করবে। তবে এই প্রতিষ্ঠানটি নকিয়া ৩৩১০-কে আবারে বাজারে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়ে বেশ সাড়া ফেলে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বার্সেলোনাতে ওয়ার্ল্ড মোবাইল কংগ্রেসে নতুন এই নকিয়া ৩৩১০ ফোন বাজারে আনে এই প্রতিষ্ঠানটি.মোবাইলটি বাজারে আসার পর আশানুরুপ জনপ্রিয়তা পায়।এরপর নকিয়া রিলিজ করে তাদের নকিয়া ৬ নামক এন্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন।যদিও এটি একটি মধ্যম বাজেটের ফোন তারপরও এই ফোনটিও যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পায়।কিছুদিনের মধ্যে  নকিয়া তাদের ফ্লাগশিপ ফোন নকিয়া৮ বের করবে।আশা করা যায় এই ফোনটিও আগের ফোনগুলোর মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

nokia-6-white1.jpg

একসময়ের বিশ্ব কাঁপানো মোবাইল কোম্পানি নকিয়া মাঝখানে কিছুদিন হারিয়ে গেলেও আবার পুনরুদ্দমে ফিরে আসার চেষ্টা করছে।আশা করি আমাদের সবার প্রিয় নকিয়া আবার এক নাম্বার মোবাইল কোম্পানি হতে পারবে।

 

SEO কিভাবে কাজ করে ? (পর্ব -১)

Now Reading
SEO কিভাবে কাজ করে ? (পর্ব -১)

আমরা সবাই SEO বা “Search Engine Optimization” শব্দটার সাথে পরিচিত । মোটামুটি সবাই জানি এইটা করলে কোন ওয়েবপেজ এর র‍্যাংকিং বৃদ্ধি পায় যার ফলে সেইটা কোন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করলে খুব সহজেই পাওয়া যায় । শুধু এইটুকু জানলে অসুবিধা নেই বরং কিছুটা সুবিধাই হবে কারণ, আজকের পোস্টটা এই নিয়ে নয় বরং কিভাবে এই SEO কাজ করে তা নিয়ে হবে !

কাজেই, আমরা SEO কিভাবে কাজ করে ? এইটাকে বৈধ কিংবা অবৈধ উপায়ে কিভাবে অপটিমাইজ করা হয় কিংবা SEO এর সীমাবদ্ধতা কি ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব । লেখাটা মূলত বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে, উপরোক্ত টপিকগুলো নিয়ে দুই পর্বে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ।

উপরের, এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার আগে কিছু বেসিক সংজ্ঞা নিয়ে কথা বলব । এরপরে ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিততে যাবো ।

 

SEO কি ?  

এইটা নিয়ে প্রথমেই বলেছি তাহলো এইটা এমন এক প্রসিড্যিউর যার ফলে কোন ওয়েবসাইটের ভিজিটর পাওয়ার জন্য এর ওয়েবপেজের র‍্যাংক বাড়ানো হয় । এইটা কোন সার্চ ইঞ্জিনের (যেমন- Google, Yahoo, Bing) সাথে কাজ করে এর ফলাফল নিয়ন্ত্রন করে ।

 

SERP কি ?

এবার তাহলে, SERP কি ? এর পূর্ণরূপ হল- “Search Engine Return Pages” এর দ্বারা মূলত, একটা সার্চ ইঞ্জিন কোন কিওয়ার্ড কিংবা বাক্যের বিপরীতে যেই ফলাফল সমুহ প্রদর্শন করে তাকেই বোঝানো হয় । মূলত, ৩ ভাবে এই SERP এর ফলাফল নিয়ন্ত্রিত হয় । যেমন-

  • যেসকল পেজগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন স্পাইডার ইনডেক্স করে ।
  • যেসকল পেজগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন ডিরেক্টরিতে ম্যানুয়ালি যোগ করা হয় ।
  • কিংবা, সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানিকে পেমেন্ট এর মাধ্যমে করা হয় যার এক গালভরা নাম আছে তাহলো “Payment inclusion”

 

SEO  নিয়ে কিছু কথা

মনে করি, আমাদের একটা নতুন সাইট আছে যার নাম “Footprint”। এর ভিজিটর খুব কম । এই সাইট এ মূলত, football নিয়ে লিখা হয় । ধরে নেই, এই সাইটে পৃথিবীর সবচেয়ে চমৎকার আর্টিকেলগুলোই লেখা হয় কিন্তু, দেখা যায় কোন সার্চ ইঞ্জিনে যদি football লিখে সার্চ করা হয় তাহলে এই সাইট এর কোন কন্টেন্ট আসছেনা । এর জন্য প্রথমেই যা করতে হয় তাহলো, সেই সাইট কে আগে সার্চ ইঞ্জিনের অন্তর্ভুক্ত করতে হয় । আর এরপরেই, SERP এর একেবারে টপ লিস্টে আনার জন্য যা করা লাগে তাহলো সেই SEO !

তবে, একটা সাইট কে SEO করে বুস্ট করার আগে যেই বিষয়টা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাহলো ভালো কন্টেন্ট বানানো । এইটা না হলে সেই সাইট কে হয়ত সাময়িকভাবে বুস্ট করা সম্ভব হচ্ছে কিন্তু তা আসলে বেশিদিন স্থায়ী হবেনা । শুধু মাত্র ভালো কন্টেন্ট এর জোরেই একটা সাইট SERP এর টপ লিস্টে চলে আসতে পারে । তবে, সেইক্ষেত্রে অনেক সময় লাগতে পারে ।

 

SEO কিভাবে কাজ করে

সাধারণত, প্রায় প্রতিটা সার্চ ইঞ্জিনেই একটা কম্পিউটার প্রোগ্রাম থাকে যাদের বলা হয় “Crawler” অথবা “Spider” এদের কাজই হল কিওয়ার্ড অনুসারে প্রতিটা পেজকে অ্যানালাইজ করা এবং ইনডেক্স করা । এখানে, কিওয়ার্ড এর বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এইটা না হলে ঠিকমত ওয়েবপেজ কে খুঁজে পাওয়া সম্ভব না ।

সাধারণত একটা সাইট SEO করার ২ টা টেকনিক রয়েছে । যথা- “White Hat Technique” এবং “Black Hat Technique

 

White Hat Technique SEO

 

Keyword এর ব্যবহার

প্রথমেই যেই বিষয়টার প্রতি নজর দিতে হবে তাহলো টাইটেলে কিওয়ার্ড এর ব্যবহার । কারণ, একটা ভালো কিওয়ার্ডই পারে সেই ওয়েবপেজকে খুঁজে বের করতে । এই যেমন উপরের উদাহরণে টাইটেল হিসেবে লেখা যেতে পারে “football 101”

এরপরে, হেডার সেকশনের জন্য কিওয়ার্ডের ব্যবহার । যদি, সেই পেজের অনেকগুলো ভাগ থাকে তাহলে, সেখানে হেডার ট্যাগের সাথে কিওয়ার্ড ব্যবহার করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । এই যেমন উপরের উদাহরণে হেডার হিসেবে লেখা যেতে পারে “Football players” কিংবা “Football penalty” কিংবা “Football team”

একটা ওয়েবপেজে গুরুত্বপূর্ণ কিওয়ার্ডের অনেক বেশি ব্যবহার করার বিষয়টা ঠিক আছে কারণ, এর ফলে সহজেই সেই পেজটিকে সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পাওয়া যায় । কিন্তু, কিওয়ার্ডের অতিরিক্ত ব্যবহার বরং হিতে বিপরীত হতে পারে কারণ, “Keyword Stuffing” বলে একটা বিষয় আছে যেইটা কিওয়ার্ডের অতিরিক্ত ব্যবহার ফলে হয় । এর কারণে, সার্চ ইঞ্জিন সেই ওয়েবপেজটাকে একটা স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে ।

 

Link Analysis

শুধুমাত্র কিওয়ার্ডই একটা ওয়েবপেজ কে SERP এর টপ লিস্টে আনার জন্য যথেষ্ট না । ভালো কিওয়ার্ড ব্যাবহার করার সাথে সাথে আরেকটা বিষয়ের উপরও গুরুত্ব দিতে হয় আর তাহলো “link analysis” । একটা পেজের কোয়ালিটি নির্ণয় করার জন্য বেশিরভাগ সার্চ ইঞ্জিন এই link analysis ব্যবহার করে থাকে । এর দ্বারা মূলত, সেই পেজটি আর কতগুলো ওয়েবপেজের সাথে লিঙ্কড তা নির্ণয় করা হয় । এই যেমন উপরের উদাহরণে উক্ত পেজের সাথে Football রিলেটেড যদি অন্য পেজগুলো লিঙ্কিং থাকে তাহলে, সেইক্ষেত্রে অবশ্যই পেজের র‍্যাংক অনেক বেশি হবে । এইক্ষেত্রে যেইসব পেজ লিঙ্কিং রয়েছে তাদের নিজেদের র‍্যাংকিং যদি আবার অনেক বেশি হয় তাহলে, সেইক্ষেত্রে তা বহুগুণে বুস্ট করবে ।

 

Link Exchange

এছাড়া, “link exchange” বলে আরেকটা বিষয় আছে যেইটা বুস্ট করতে সাহায্য করে । তবে, এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন খুব বেশি অপ্রাসঙ্গিক লিঙ্ক ব্যাবহার করা না হয় । কারণ, এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন বিষয়টা খুব সহজেই ধরে ফেলে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে ।

এছাড়াও, “meta tags” এর ব্যাবহারও করা যেতে পারে । এর জন্য প্রয়োজনীয় কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে এই একটা লিস্ট তৈরি করা হয় । তবে, বর্তমানে অনেক সার্চ ইঞ্জিন এই মেটা ট্যাগ কে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে । কাজেই, সেইক্ষেত্রে এর ব্যাবহার হয়ত খুব একটা কাজে আসেনা ।

 

যাইহোক, আজকে এই পর্যন্তই । এর পরের পর্বে আমরা SEO এর Black hat technique সহ আরো কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব । তবে, আজকের পর্ব আশা করি সবার ভালো লেগেছে । সবাইকে ধন্যবাদ ।

 


 

References:

  1. http://whatis.techtarget.com/definition/search-engine-results-page-SERP
  2. http://searchmicroservices.techtarget.com/definition/paid-inclusion
  3. http://computer.howstuffworks.com/search-engine-optimization.htm
  4. http://computer.howstuffworks.com/search-engine-optimization1.htm
  5. http://computer.howstuffworks.com/search-engine-optimization2.htm
  6. http://www.webopedia.com/TERM/S/SEO.html

3D গ্লাস দিয়ে আমরা কিভাবে থ্রিডি দেখি ?

Now Reading
3D গ্লাস দিয়ে আমরা কিভাবে থ্রিডি দেখি ?

আমরা সবাই 3D এর সাথে পরিচিত । যেহেতু, 3D এর সাথে পরিচিত তাহলে নিশ্চয় কম বেশি আমরা 3D গ্লাসের সাথেও পরিচিত ? কারণ, এই 3D গ্লাস দিয়েইতো সেই 3D দেখা হয় ! 3D গ্লাস বললেই কল্পনায় চলে আসে লাল নীল রঙের উদ্ভট একধরনের সানগ্লাস ! আর, যারা আরো একটু এগিয়ে গিয়েছে তারা হয়ত সেই 3D গ্লাস কে বিভিন্ন সিনেমা হলে সাধারণ সাদা চশমার মতই দেখে অভ্যস্ত ।

তবে, আজকের পর্বে আমরা 3D কিংবা 3D গ্লাসের গুণকীর্তন করতে আসেনি । 3D চশমা দিয়ে 3D দেখার সৌন্দর্য নিয়েও আলোচনা করতে আসেনি । বরং আজকের পর্বে এর বৈজ্ঞানিক সৌন্দর্য নিয়েই আলোচনা করা হবে ।

3D কি ? কিংবা আমরা 3D গ্লাস ব্যাবহার করে কিভাবে 3D দেখি ইত্যাদি বিষয় নিয়েই আজকের পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ।

 

3D  কি ?

3D এর পূর্ণরুপ হল 3 Dimension অর্থাৎ, যার ৩টা ডিমেনশন থাকে তাই হল 3D (চিত্র দ্রষ্টব্য) । এখানে, ৩টা ডিমেনশন হল দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা । যাদের এই ৩টা জিনিস থাকবে তাদেরকে নির্দ্বিধায় 3D বলা যায় ! যেমন- আমরা বাস্তবে চোখ দিয়ে যা দেখছি তাই কিন্তু একধরনের 3D !

 

300px-Coord_planes_color.svg.png

 

3D কিভাবে কাজ করে ?

একটু আগেই বলেছি আমরা বাস্তবে যা দেখছি এর সবকিছুই থ্রিডির অন্তর্ভুক্ত । কাজেই, এইটাকেই উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে থ্রিডিকে ব্যাখা করা যেতে পারে । যার ৩টা মাত্রা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা থাকে তাকে থ্রিডি বলা হয় । সেই হিসেবে আমাদের চোখের সামনে যা কিছু আছে তার সবকিছুই থ্রিডি বিষয়টা ঠিক আছে । কিন্তু, আমরা নিজেরা চোখ দিয়ে যা দেখছি তাই থ্রিডি এই কথা বলাটা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত ? কারণ, সাধারণত টেলিভিশনে আমরা যা দেখি তার প্রতিটা উপাদানও তো থ্রিডি তাই বলে কি আমরা দাবি বসি যে এখন থ্রিডি দেখছি ? হ্যা টেলিভিশনে যা দেখা হচ্ছে তা থ্রিডি নয় যদিও এর উপাদানগুলো থ্রিডি । আসলে, থ্রিডি দেখা আর কোনো কিছু থ্রিডি হওয়া সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার ! তবে, আমরা চোখ দিয়ে যে থ্রিডি দেখি বিষয়টা ঠিক আছে । বিষয়টা ব্যাখা করি – আমাদের দুই চোখ দুটি ভিন্ন ভিন্ন ইমেজকে দেখে । হয়ত একটা জিনিসই দেখছি কিন্তু, দুই চোখের দেখার মাঝে খুব সুক্ষ হলেও একটা কৌণিক পার্থক্য থাকে । আর দুই ধরনের ইমেজ যখন আমাদের মস্তিষ্ক প্রসেস করে তখন আমরা একটা থ্রিডি দেখার স্বাদ পাই (চিত্র দ্রষ্টব্য) । বিষয়টা যে সত্যি তা আমরা চাইলে নিজেরাই এক চোখ বন্ধ করে পরীক্ষা করে দেখতে পারে । আর ঠিক এই কারণেই, আমরা এক চোখ বন্ধ করে সুচের মধ্যে সুতা ভরতে পারিনা । আবার ঠিক একই কারণেই, কেউ বল ছুড়ে দিলে এক চোখ বন্ধ করে ধরতে পারিনা । কারণ, এসব করতে হলে দূরত্ব জিনিসটা বোঝা দরকার যেইটা এক চোখ বন্ধ করে করা সম্ভব নয় !

 

pc-3-d-brain.jpg

 

3D গ্লাস দিয়ে কিভাবে 3D দেখে থাকি ?

এবার আমাদের মূল টপিকে আসি যে কিভাবে থ্রিডি চশমা ব্যবহার করে থ্রিডি দেখা হয় । যেহেতু থ্রিডি বিষয়টা কিভাবে কাজ করে তা আমরা জানি কাজেই, এইক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম কিছু হবেনা । তবে, গ্লাস এবং স্ক্রিনের ধরনভেদে এই থ্রিডি দেখার পদ্ধতি ভিন্ন হয়ে থাকে যদিও মূল বিষয়টা অর্থাৎ, ভিন্ন ভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তোলার বিষয়টা একই ।

 

নিচে ২টা ভিন্ন ভিন্ন গ্লাসের ক্ষেত্রে কিভাবে কাজ করে তা বর্ণনা করা হয়েছে ।

Anaglyph 3D গ্লাস

এই থ্রিডি গ্লাস সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে সস্তা থ্রিডি গ্লাসগুলোর মধ্যে একটি । এর একপাশের রং হয় Red  এবং অন্যপাশেরটা হয় Cyan । আর ডিসপ্লে স্ক্রিনে যা প্রদর্শন করা হয় তা মূলত একই ছবির দুইটা ভিন্ন ভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে তোলা ছবি যাদের মধ্যে একটা হয় লাল রঙের আরেকটা অনেকটা নীল (Cyan) রঙের । যখন, আমরা সেই থ্রিডি গ্লাস পরে সেই বিশেষ ছবি বা ভিডিও দেখি তখন গ্লাসের লাল রঙের অংশটুকু স্ক্রিনের নীল রং কে ফিল্টার করে কেবল লাল রঙের ছবির অংশটুকুই প্রবেশ করতে সাহায্য করে । আবার ঠিক একই কাজ গ্লাসের নীল রঙের অংশে ঘটে থাকে যেখানে লাল রং গুলো ফিল্টার হয়ে নীল রং ভিতরে প্রবেশ করে | এভাবে একই ছবির দুটো ভিন্ন ভিন্ন ইমেজ আমরা পাই । আর আমাদের মস্তিস্ক তা প্রসেসে করার পরই আমরা সেই কাঙ্খিত থ্রিডির স্বাদ পাই । (চিত্র দ্রষ্টব্য)

 

red-blue.jpeg

 

তবে, এই থ্রিডির সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো এর ফলে থ্রিডির রঙিন স্বাদটুকু পাওয়া যায়না । কারণ, এই Red আর Cyan এই দুই ভিন্ন রং মিলে থ্রিডির মজাটুকুই মাটি করে দেয় ! এছাড়াও, আরেকটা সমস্যা হলো বেশিক্ষণ ব্যবহার করলে মাথা ব্যথা করতে পারে ।

 

Polarized 3D গ্লাস

এই থ্রিডি গ্লাসটাই আমরা বিভিন্ন মুভি থিয়েটারে থ্রিডিমুভি দেখার সময় ব্যবহার করি । এই গ্লাস দেখতে খুব সাধারণ একটা সাদা চশমার মত মনে হলেও এর দুই গ্লাসের ম্যাকানিজম ভিন্ন থাকে | আর এই গ্লাসের মাধ্যমে থ্রিডি দেখতে হলে আলাদা স্পেশাল স্ক্রিন ও দরকার । এখানে স্ক্রিনে মূলত দুইটা আলাদা আলাদা ছবি ব্যবহার করা হয় যাদের, পোলারাইজেশন ভিন্ন হয় । যখন, সেই গ্লাস ব্যবহার করে থ্রিডি দেখার কাজ করা হয় তখন গ্লাসের এক অংশ কেবল স্ক্রিনের একটা ছবির অংশকে প্রবেশ করতে দেয় আর অন্য ছবির অংশকে ফিল্টার করে । আর ঠিক একইভাবে গ্লাসের ওপর অংশে যেই ছবির অংশটুকু অন্য অংশে ফিল্টার করা হয়েছিল তাই কেবল প্রবেশ করতে পারে | অর্থাৎ, চশমার দুইটা ভিন্ন গ্লাস দিয়ে দুইটা ভিন্ন পোলারাইজেশনের ছবি প্রবেশ করে | যেহেতু, দুইটা ছবির মধ্যে সামান্য কিছু কৌণিক পার্থক্য আছে আর দুইটা ছবি আলাদাভাবে দুই চোখে প্রবেশ করছে কাজেই, এই দুই ছবি প্রসেস করে আমরা যা দেখতে পাই তাহলো সেই থ্রিডি ! (চিত্র দ্রষ্টব্য)

 

3-d-glasses-polarization-new.gif

 

এই থ্রিডির কোয়ালিটি Anaglyph থ্রিডির চেয়ে বহুগুনে ভালো । এছাড়াও, আগেরটাতে যেমন রঙিন ছবি দেখা যেত না এখানে সেই সমস্যা আবার নেই, রঙিন ছবি বেশ ভালই দেখা যায় !

 

যাইহোক, আজকে এই পর্যন্তই । আশা করি সবাই বিষয়টা বুঝতে পেরেছে । তারপরেও কারো কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারে উত্তর দেবার চেষ্টা করব । সবাইকে ধন্যবাদ ।

 


 

Sources:

  1. http://computer.howstuffworks.com/3d-pc-glasses1.htm
  2. http://computer.howstuffworks.com/3d-pc-glasses3.htm
  3. http://science.howstuffworks.com/3-d-glasses2.htm
  4. https://en.wikipedia.org/wiki/Polarized_3D_system
  5. https://en.wikipedia.org/wiki/Anaglyph_3D

অবশেষে সমাধান মিলেছে কঠিন ভাইরাসের ! ! !

Now Reading
অবশেষে সমাধান মিলেছে কঠিন ভাইরাসের ! ! !

সম্প্রতি ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার নামের একটি ভাইরাস বিভিন্ন দেশের কম্পিউটার বা পিসিতে আক্রমণ শুরু করে। গত ১২ই মে শুক্রবার র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ শুরু হয়। ১৫০টি দেশের ৩ লক্ষ পিসিতে ম্যালওয়্যারটি আক্রমণ করে। এটি পিসির গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে পিসি ইউজারকে অর্থ পরিশোধ করতে বলে। তা নাহলে পুরো ফাইল নষ্টের হুমকি দেয়া হয়। এই আর্টিকেল এ মূলত পিসি ভাইরাস এবং র‍্যানসমওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত বলা হবে। তবে প্রথমেই পিসি ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক।

কম্পিউটার ভাইরাস বা পিসি ভাইরাস কি?

কম্পিউটার ভাইরাস বা পিসি ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা কোন রকম ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে। মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে। একটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যেমন: কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেট ওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ বা ইণ্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেট ওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে। কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল ক্র্যাক করা বা নষ্ট করাই হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাসের মূল কাজ।

কম্পিউটার ওয়ার্ম কি?

সাধারণত কম্পিউটার ভাইরাস ও কম্পিউটার ওয়ার্ম কে এক জিনিস ভাবা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। একটি কম্পিউটার ওয়ার্ম হল একটি স্বাধীন ম্যালওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা নিজেকে নকল করতে পারে যাতে তা অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রায়শই এটি ছড়িয়ে পড়ার করার কাজে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এবং অন্য কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যর্থতার সুযোগ নেয়। একটি কম্পিউটার ভাইরাসের মত এটিরও নিজেকে কোন প্রোগ্রামে যোগ করার প্রয়োজন হয় না। এগুলো সবসময় নেটওয়ার্কের কিছু ক্ষতি করে এমনকি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও খরচ করে। কিন্তু ভাইরাস একটি কম্পিউটারের ফাইল নষ্ট করে বা আক্রান্ত করে। অন্যান্য ম্যালওয়্যার দ্বারাও পিছনের এই দরজা বা গোপন দরজা তৈরীর চমৎকার কাজটি হয়ে থাকে যাতে ওয়ার্মও রয়েছে।

ম্যালওয়্যার কি?

পিসি বা মোবাইলে ক্ষতিকর প্রোগ্রামের লিংকসহ আসা ই-মেইলকে বলা হয় ম্যালওয়্যার। ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি ইংরেজি malicious software থেকে এসেছে। malicious software এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল ম্যালওয়্যার (Malware)। এ হল একজাতীয় সফ্‌টওয়্যার যা কম্পিউটার অথবা মোবাইল এর স্বাভাবিক কাজকে ব্যহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার হয়। ১৯৯০ সালে Yisrael Radai ম্যালওয়্যার শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহারে আনেন। ইতিপূর্বে এই জাতীয় সফ্‌টওয়্যারকে কম্পিউটার ভাইরাস বলা হত। ম্যালওয়্যার সংজ্ঞাত হয় তার হানিকারক উদ্দেশ্য দ্বারা। এরা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে।

র‍্যানসমওয়্যার কি?

কোন ম্যালওয়্যার যখন কম্পিউটার ফাইল খুলতে বাধা দেয় ও তা খোলার জন্য অর্থ দাবি করলে তখন তাকে র‍্যানসমওয়্যার বলে। র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে। কিছু র‍্যানসমওয়্যার আছে যা সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।

র‍্যানসমওয়্যার কিভাবে কাজ করে? 

সাধারণত ডাউনলোডকৃত ফাইলের মাধ্যমে এরা কোনো ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশ করে এবং ট্রোজান হিসেবে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এরপর প্রোগ্রামটি একটি পেলোড রান করে। পেলোড হয়ত কোনো সত্তা (যেমন – আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) কর্তৃক জাল সতর্কবাণী দেখাবে। যেমন- আপনার সিস্টেম অবৈধ ক্রিয়াকলাপ করতে ব্যবহার করা হয়েছে এবং আপনার সিস্টেমে অবৈধ কনটেন্ট আছে যেমন – পর্নোগ্রাফি, পাইরেটেড সফটওয়্যার বা মিডিয়া ফাইল অথবা মাইক্রোসফট উইন্ডোজের পাইরেটেড সংষ্করণ।কিছু পেলোড সরল অ্যাপলিকেশন দিয়ে গঠিত যা এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যে, মুক্তিপণ না দেওয়া পর্যন্ত তা সিস্টেমকে তালাবদ্ধ করে রাখে অথবা ব্যবহারকারীর সিস্টেমে প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে আধুনিক শ্রেণীর পেলোড হল শক্তিশালী এনক্রিপ্টশন ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর সিস্টেমের সকল ফাইলকে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। ম্যালওয়্যালটি এমনভাবে ফাইলসমূহকে এনক্রিপ্ট করে যে, ক্ষতিকারক প্রোগ্রামটির লেখকের কাছে সংরক্ষিত ডিক্রিপশন কী ছাড়া ফাইলগুলো পড়া সম্ভব হয় না।গত এক সপ্তাহে ঘটে যাওয়া আলোচিত সাইবার হামলা র‍্যানসমওয়্যারে ১৫০টি দেশের তিন লক্ষ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার আক্রান্ত হয়। মূলত এই হামলায় শিল্প খাতে আক্রান্তের হার বেশি।

ফ্রান্সের একদল গবেষক ওয়ানাক্রাই আক্রান্ত এনক্রিপ্টেড উইন্ডোজ ফাইল খোলার সমাধান বের করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ফ্রান্সের অ্যাড্রিয়েন গুইনেট, বেঞ্জামিন ডেলপি, ম্যাথিউসুচি অন্যতম। ম্যাথিউ সুচি তার ব্লগ পোষ্টে ওয়ানাক্রাইয়ের প্রতিষেধক এর একটি লিংক দেন। সেখানে সফটওয়্যার টুল ওয়ানাকি বিল্ট বা গুইনেট এর লিংক দেয়া হয়। এই টুল উইন্ডোজের সব অপারেটিং সিস্টেম ( ৭, এক্স পি, ২০০৩ ) এ কাজ করবে। টুলটির নামকরণ করা হয় ‘ ওয়ানাকিউয়ে ’। এটি পিসি মেমরিতে ডিক্রিপশন কির অবশিষ্টাংশ অনুসন্ধান করে কাজ শুরু করে। তারা এটি বিনামূল্যে বাজারে ছেড়েছে।অবশেষে সমাধান মিললো ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার এর হাত থেকে।

গুডবাই ! MP3 আমরা তোমাকে মনে রাখব

Now Reading
গুডবাই ! MP3 আমরা তোমাকে মনে রাখব

কোনো গান শুনেনি | এইটা এতটাই বেশি জনপ্রিয় যে এর জন্য রীতিমত MP3 প্লেয়ার নামে একটা ডিজিটাল অডিও ডিভাইস পর্যন্ত কিনতে পাওয়া যায় ! কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি সেই MP3 হয়ত আমাদের মাঝে আর থাকবেনা | এই বছরের এপ্রিল ২৩, ২০১৭ তারিখে Fraunhofer IIS এর ঘোষণামতে তারা অফিসিয়ালি MP3 কে পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে | অর্থাত, এখন থেকে MP3 সংক্রান্ত লাইসেন্স প্রোগ্রাম তারা পুরোপুরি স্থগিত ঘোষণা করলো |

 

MP3 এর ইতিহাস

MP3 প্রথম ডেভেলপ করা হয় ১৯৯৩ সালের দিকে যেইটা মূলত একটা জার্মান রিসার্চ ইনস্টিটিউট Fraunhofer IIS এর প্রজেক্ট এর অংশ হিসেবে ছিল | তাদের মূল উদ্দেশ্যই ছিল অডিও ফাইল গুলোকে যথেষ্ট পরিমান কম্প্রেস করা কারণ, তখনকার সময়ে বড় বড় ফাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে ট্রান্সফার করার কাজটা খুব সহজ ছিল না | আর MP3 ফরম্যাট তাদের ঠিক সেই কাজটাই করার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছিল | এর বিশাল পরিমান অডিও ফাইল কে খুব সহজেই কম্প্রেস করে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকে | এই যেমন- একটা আনকম্প্রেসড ২ চ্যানেল এর অডিও ফাইল যার ডিউরেশন ৩ মিনিট এবং ফ্রিকোয়েন্সি 44.1 KHz; এর জন্য জায়গা লাগবে মোট ৩১ মেগাবাইট | এইটা হয়ত এখনকার জন্য খুব বেশি কিছু না কিন্তু, তখনকার সময়ে এইটা অনেক বেশি কঠিন ছিল | আর এই কম্প্রেশন টা হলো একরকম lossy compression” অর্থাত, এর ফলে ইনফরমেশন এর অনেক কাট-ছাট হয় |

 

MP3 কিভাবে কাজ করে ?

এখন প্রশ্ন হলো, MP3 কিভাবে তার এই কম্প্রেশন এর কাজ করে থাকে ? যার ফলে মুহুর্তেই সাইজও অনেখানি কমে যায় ? একটু আগেই বলেছি এইটা হলো একধরনের “lossy Compression” এর ফলে অনেখানি ইনফরমেশন ফাইল থেকে হারিয়ে যেতে পারে | কিন্তু, ইনফরমেশন যদিও হারিয়েই যায় তাহলে, কোয়ালিটি তো কমে যাওয়ার কথা ,সেইটা কেন কমছেনা ? আসলে এইখানেই রয়েছে সেই MP3 ফরম্যাট এর মাহাত্য !

এই MP3 ফরম্যাট যখন কোনো অরিজিনাল ফাইল কে MP3 তে কনভার্ট করে তখন তা অনেক কিছু অংশ কাটছাট করে | আর এই কাটছাট করার জন্য মূলত অপ্রয়োজনীয় কিছু ফ্রিকোয়েন্সি বাদ দিয়ে থাকে | এই যেমন- প্রথমে সেই অডিও ফাইল কে এনালাইজ করে তারপর সেখান থেকে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এর মধ্যে যে অংশগুলো মানুষের শ্রাব্যতাসীমার বাইরে থাকে তা বাদ দিয়ে দেয় | (যারা জানেনা তাদের জন্য মানুষের শ্রাব্যতাসীমা হলো 20 Hz – 20000 Hz এর বাইরে যদি কোনো শব্দ হয় মানুষ তা শুনতে পারেনা !) এইটা করার পিছনে লজিকটা হলো মানুষ যদি সেইসকল ফ্রিকোয়েন্সি শুনতেই না পারে তাহলে শুধু শুধু রাখার কি দরকার ! আর, এই অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়েই বাকি যা থাকে তাহলো কম সাইজের সেই MP3 ফাইল !

আরেকটা পদ্ধতিতে MP3 তার এই কম্প্রেশন এর কাজ করে থাকে তাহলো- “frequency masking”  এই পদ্ধতিটি হলো, আমরা যখন একইধরনের ২টা ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ পাই যেইটা সিমিলার হলেও আইডেনটিক্যাল নয় এবং একটা শব্দ আরেকটার চেয়ে লাউডার তাহলে, আমরা কেবলমাত্র লাউডার শব্দটাই শুনতে পারব | কাজেই, MP3 কনভার্টার যা করে তাহলো এরকম সিমিলার ফ্রিকোয়েন্সির ক্ষেত্রে লোয়ার শব্দটা বাদ দিয়ে কম্প্রেশন করে থাকে | যেহেতু, আমরা শুনতেই পাইনা কাজেই, তা রাখার দরকার কি !

এছাড়াও, আরেকটা পদ্ধতি হলো –“temporal masking” এই পদ্ধতি কাজ করে এভাবে যে- একটা লাউডার এমন লোয়ার শব্দের ক্ষেত্রে আমরা লোয়ার শব্দটাকে লাউডার শব্দ থেকে আলাদা করতে পারিনা কাজেই, MP3 কনভার্টার যা করে তাহলো, এই লোয়ার শব্দগুলোকে কনভার্সন এর সময় বাদ দিয়ে দেয় |

অবস্য বর্তমানের যেই MP3 কনভার্টার যেই অবস্থানে রয়েছে তা আগে মোটেও এরকম কিছু ছিলনা | এর জন্য যেই এলগরিদম ব্যবহার করা হয় তা খুব ধিরে ধিরে একটা সময় পারফেক্ট হয়েছে | গবেষকেরা প্রথম দিকে Suzanne Vega’s song “Tom’s Diner” এই গানের ক্ষেত্রে কম্প্রেশন ফর্মুলাটা প্রয়োগ করেছিল | কিন্তু, সেইসময় সেই কনভার্সন টা মোটেও ভালো ছিলনা | অনেক প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে যাওয়ায় তা খুব বাজে আর কর্কশ ছিল | যদিও, এর ফলে গবেষকদের আরো নতুন এবং কার্যকরী একটা এলগরিদম তৈরী করতে উত্সাহ করে | আর একটা সময় তারা সফলতাও পায় |

 

তবে, আজকের দিনে MP3 অপেক্ষা অনেক কার্যকরী অডিও কম্প্রেশন করার এলগরিদম রয়েছে | যেইটা, সাইজ কমালেও মানের দিক থেকে অনেক ভালো থাকে | এরকম একটা হতে পারে AAC (Advance audio coding) যার এক্সটেনশন গুলো হলো- .m4a, .m4b, .m4p, .m4v, .m4r, .3gp, .mp4, .aac | বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে এই ফরম্যাট তার ডাটা সাইজও না কমিয়েও কোয়ালিটি MP3  এর চেয়ে বহুগুনে ভালো রাখতে পারে | যদিও, এইটা এখন সকল ডিভাইস এর জন্য এভেলেবল না |

তবে, MP3  ফরম্যাট বাদ হলেই যা আমরা আমাদের MP3 প্লেয়ার কিংবা কম্পিউটারে চালাতে পারবনা তা কিন্তু নয় | বরং অবস্থাটা অনেকটা আগের সেই ভিসি রেকর্ড কিংবা ক্যাসেট প্লেয়ার মত হয়ত হবে যেগুলো আমরা চাইলেই চালাতে পারি; কিন্তু, তার তো আর কোনো দরকার নেই তাইনা ?

কাজেই, সবশেষে গুডবাই MP3 আমরা তোমাকে নিশ্চয় মনে রাখব !

 

আজকে এই পর্যন্তই | আশা করি সবার ভালো লেগেছে | সবাইকে ধন্যবাদ |

 


 

References:

https://www.iis.fraunhofer.de/en/ff/amm/prod/audiocodec/audiocodecs/mp3.html

https://thenextweb.com/insider/2017/05/15/the-mp3-format-is-officially-dead/#.tnw_RNYAvIfG

http://gizmodo.com/developers-of-the-mp3-have-officially-killed-it-1795205540

 

Sources:

http://whatis.techtarget.com/fileformat/MP3-MPEG-Audio-Layer-3-AC3-file

http://electronics.howstuffworks.com/killing-mp3-thats-ok.htm

https://www.winxdvd.com/resource/aac-vs-mp3.htm

 

২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

Now Reading
২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

সারা পৃথিবী জুড়েই নানা ধরনের প্রেডিকশন হয়ে থাকে যে অমুক সালে কেমন হবে পৃথিবী বা তমুক সালে পৃথিবীতে কি হবে? চিন্তা জন্মে, কেমন হবে ২০৫০ সালের বাংলাদেশ? পড়ে থাকবে কি গরীব দেশের কাতারে নাকি উঠে আসবে বাঘের মত?

বাংলাদেশে বর্তমান উন্নয়নের দিকে একটু নজর দিলে মনে হয় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে খুব জোর গতিতেই। আবার মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাবারও যোগাড় হয়। তবে এই মুহুর্তে দেশের উন্নতি নিয়ে আমরা একটা মিক্সড ফিলিং এ আছি, যার কারন হলো নানা জায়গায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে আর যখনই উন্নয়ন কর্মকান্ড চলে তখনই আমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় কারন জ্যাম, ধুলাবালি, পানি আটকে যাওয়া, বন্যা বেড়ে যাওয়া, লোডশেডিং আরো কত কি। যতদিন না শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ভাবতে থাকি এসব। এটাই নিয়ম। ২০৫০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে – এই বিষয়টিই নিয়েই আমাদের আজকের ভিডিও। ভিডিওটি নীচে দিয়ে দিলাম । দেখা যাক, আমাদের প্রেডিকশন ঠিক হয় কিনা।

ফুটপ্রিন্ট লেখক লগিন