5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে (পর্ব -২)

Now Reading
মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে (পর্ব -২)

এর আগের পর্বে আমরা মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছিলাম | যারা আগের পর্ব পড়েননি তারা নিচের লিংক থেকে পড়ে নিতে পারেন |

মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে (পর্ব-১)

আজকে আমরা দেখব  কিভাবে VLF টেকনোলজিতে মেটাল ক্লাসিফাই করে | এছাড়াও PI এবং BFO টেকনোলজির মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে তা নিয়েও আলোচনা করব |


VLF টেকনোলজিতে মেটাল ক্লাসিফাই :-

আমরা যখন কোনো শপিং মল কিংবা,রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে মেটাল ডিটেক্টরের সামনে দাড়াই তখন কিন্তু, আমাদের কাছে অনেকসময় বিভিন্ন মেটাল থাকা সত্বেও তা ধরতে পারেনা | কেন ? যারা বিজ্ঞান নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করে তারা হয়ত বলবে এমন কিছু প্রোগ্রাম করে থাকে যার ফলে সাধারণ ধরনের মেটালগুলোকে বাতিল করে যেন শুধু প্রয়োজনীয় মেটালগুলোই ডিটেক্ট হতে পারে | আসলে, বিষয়টা অনেকটা এরকমই !

মূলত এই কাজ করার আগে আমাদের আগে জানতে হবে একটা টার্ম সম্পর্কে তাহলো “Phase shifting” ,এইটা হলো এমন একটা বিষয় যেখানে, সময়ের সাথে Transmitter coil এর ফ্রিকোয়েন্সি আর অবজেক্টের ফ্রিকোয়েন্সির মধ্যে পার্থক্য বোঝানো হয় |

কোনো অবজেক্টে যদি খুব সহজেই কারেন্ট প্রবাহিত হয় (highly inductive) তাহলে, তা কারেন্টের সাথে খুব স্লো পরিবর্তন হবে |

আবার কোনো অবজেক্টে যদি খুব সহজে কারেন্ট প্রবাহিত না হয় (highly resistive) তাহলে ,তা কারেন্টের সাথে খুব দ্রুত পরিবর্তিত হবে |

মোদ্দা কথা, অবজেক্টের যদি Inductance বেশি থাকে তাহলে, তার একটা বড় Phase shift থাকবে | অপরপক্ষে, যার resistance বেশি থাকবে তার ক্ষেত্রে Phase shift কম থাকবে |

এখন প্রশ্ন হতে পারে এত কিছু জেনে লাভ কি হলো ? মেটাল ডিটেক্ট করব কিভাবে ?

আসলে, Phase shift এর বিষয়টা যদি আমরা বুঝে থাকি তাহলে ,বাকিটা বোঝা আরো সহজ কারণ, একেক পদার্থের ক্ষেত্রে এই Phase shift একেকরকম থাকে | আর মেটাল ডিটেক্টর মূলত সেই Phase shift ডিটেক্ট করেই বলে দিতে পারে পদার্থটা কি! মূলত এইটা করার জন্য ডিটেক্টর এর একটা আলাদা অংশই রয়েছে যার নাম হলো “Phase demodulator” এই অংশটুকুই মূলত প্রাপ্ত Phase shift এর সাথে অ্যাকচুয়াল Phase shift এর তুলনা করে বলে দিতে পারে কোন মেটাল রয়েছে !

এছাড়াও, আমরা যদি বিশেষ বিশেষ মেটাল ডিটেক্ট করতে না চাই তাহলে “Notching” বলে একটা ব্যবস্থাও রয়েছে যার ফলে, পার্টিকুলার Phase shift কে খুব সহজেই বাদ দেয়া যায় | এর ফলে সেই বাদ দেয়া অংশ বাদে বাকি অংশের মধ্যে Phase shift হলে তা সহজেই ডিটেক্ট করতে পারে | এছাড়াও Multiple notching করার ব্যবস্থাও রয়েছে যার ফলে Phase shift এর বেশ কিছু জায়গায় আলাদা আলাদাভাবে দেয়া হয় | আর সেই বাদ দেয়া অংশ বাদে বাকিগুলোতেই মেটাল ডিটেক্টরটি কাজ করে থাকে |


এবার আমরা আলোচনা করব কিভাবে Pulse Induction বা PI টেকনোলজি কাজ করে |

Pulse Induction বা PI এর কার্যপ্রক্রিয়া :-

এর সাথে VLF টেকনোলজির মূল পার্থক্য হলো আগেরটাতে ট্রান্সমিটিং এবং রিসিভিং এর জন্য ২ টা আলাদা কয়েল ব্যবহার করা হত | কিন্তু, এখানে, দুটো কাজের জন্য একই কয়েল (ক্ষেত্র বিশেষে একাধিক !) ব্যবহার করা হয় | এখানে, মূলত কতগুলো শক্তিশালী কারেন্টের পালস তারের মাধ্যমে পাঠানো হয়  এবং প্রতিটা পালস ম্যাগনেটিক ফিল্ড উত্পন্ন করে | যখন পালস শেষ হয় তখন তা একটা Electrical spike উত্পন্ন করে | এই spike টা খুব অল্প সময় থাকে এবং এর ফলে একটা কারেন্ট সেই কয়েল দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে যাকে, reflected pulse বলা হয় | এখানে, একটা বিষয় লক্ষনীয় এই প্রবাহিত কারেন্ট খুবই অল্প সময় থাকে মোটামুটি ৩০ মাইক্রো-সেকেন্ড | (চিত্র দ্রষ্টব্য)

PI

যখন, কোনো মেটাল অবজেক্টের উপর এই ডিটেক্টর টি আনা হয় তখন এই পালস সেই অবজেক্টের উপর একটা বিপরীত ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরী করে যার ফলে, সেই reflected pulse টা আগে যত দ্রুত মিলিয়ে যেত এখন মিলিয়ে যেতে তার চেয়ে আরো বেশি সময় লাগবে | বিষয়টাকে এভাবে ব্যাখা করা যেতে পারে ,আমরা অনেকসময় নাটক-সিনেমাতে বড় বড় পাহাড়ের মাঝে প্রতিধ্বনি শুনতে পাই ,ওখানে লক্ষ্য করলেই খেয়াল করব প্রতিধ্বনি টা বেশ কিছু সময় ধরে থাকে | আবার , কোনো বড় হলরুমে যদি একই ভাবে চিত্কার করি তাহলে তার সময়সীমা কিন্তু বেশিক্ষণ থাকেনা কারণ, প্রথমক্ষেত্রে অনেকগুলো কঠিন অবজেক্ট (এখানে পাহাড়!) শব্দকে প্রতিধ্বনি করে তার ডিউরেশন বাড়িয়ে দেয় দ্বিতীয় ক্ষেত্রে হয়ত অনেকগুলা কঠিন অবজেক্ট থাকেনা বিধায় ডিউরেশন অল্প হয় | ঠিক এই প্রথম বিষয়টাই PI টেকনোলজির ক্ষেত্রে ঘটে থাকে !


এবার আসা যাক সর্বশেষ টেকনোলজি নিয়ে যার নাম Base-frequency Oscillator বা BFO

Beat-frequency Oscillator বা BFO এর কার্যপ্রক্রিয়া :-

এখানেও ২ টা কয়েল থাকে যার একটা Control box এবং আরেকটা Search head এর মধ্যে; এবং তারা উভয়ই একটি Oscillator এর সাথে যুক্ত থাকে | এই ২টি কয়েলই প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার পালস উত্পন্ন করে | তবে, এই দুই কয়েলের পালসের ফ্রিকোয়েন্সির মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকে | আর এই পালসের ফলে কয়েল থেকে ক্রমাগত  Radio wave উত্পন্ন হতে থাকে | আর তখন Control box এই Radio wave ডিটেক্ট করে শব্দ উত্পন্ন করতে থাকে যা নির্ভর করে মূলত ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্যর উপর | (চিত্র দ্রষ্টব্য)

BFO

যখন কোনো মেটাল অবজেক্ট Search head এর সামনে আনা হয় তখন তার মধ্যেও ম্যাগনেটিক ফিল্ড উত্পন্ন হয় যা Search head কয়েলের ফ্রিকোয়েন্সির সাথে interfere করে | যার ফলে কয়েল দ্বয়ের ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্য পরিবর্তন হয় | আর এই পরিবর্তনের ফলেই মূলত Control box তখন ভিন্ন ধরনের কোনো শব্দ উত্পন্ন করে থাকে | যার ফলে, খুব সহজেই বোঝা যায় সামনে কোনো মেটাল আছে |

যাইহোক, মূলত এইভাবেই বিভিন্ন ধরনের মেটাল ডিটেক্টর তাদের কাজ করে থাকে | আজ এ পর্যন্তই আর এখানেই পুরো পর্ব শেষ হলো | তবে,কেউ যদি কোনো ভুল-ক্রুটি পেয়ে থাকেন অনুগ্রহ করে জানাবেন একই সাথে কারো যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলেও তা নিঃসংকোচে জানাতে পারেন ,উত্তর দেবার চেষ্টা করব | সবাইকে ধন্যবাদ |

ফেসবুকের সেরা ৫টি পেইজ

Now Reading
ফেসবুকের সেরা ৫টি পেইজ

আমরা আমাদের দিনের বিশাল একটা অংশ অতিবাহিত করি ফেসবুকে। সারাদিন চ্যাটিং, পোস্ট শেয়ার করা, ছবি আপলোড দেয়া, কোনো খবর পড়া, ভিডিও দেখা, বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা থেকে অনেক ধরনের কাজই করে থাকি এখানে। এসব বিভিন্ন কাজে আমাদেরকে সাহায্য করছে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ কিংবা পেইজ। এই ফেসবুকে এসব তথ্য জানানোর জন্য যেমন রয়েছে কিছু ভালো মানের পেইজ তেমনি রয়েছে অশ্লীল পর্ণোগ্রাফি কিছু পেইজ, রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ধর্ম নিয়ে উস্কানিদাতা পেইজ এবং জঙ্গীবাদে মদদ দেয়ার পেইজও। কিন্তু আজ আমরা ফেসবুকের এমন কিছু সেরা পেইজ নিয়ে আলোচনা করবো যারা আসলেই ভূয়সী প্রশংসা পাওয়ার অধিকার রাখে। তারা অনেক কষ্টকরে আমাদের বিভিন্ন তথ্য জানানোর অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। দেখা যাক সেইরকম কিছু ফেসবুক পেইজ-

১। বাংলাদেশীজম ( Bangladeshism) :
বাংলাদেশীজম এমন একটি ফেসবুক পেইজ যাদের মতো অন্যরা কখনো চিন্তা করেনি। বাংলাদেশীজম এর সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের দেশপ্রেম এর কথা সাধারণ ভাবে ভাবা যায় না। আমরা যখন Google এ বাংলাদেশ ( Bangladesh) নামে খুঁজি তখন হঠাৎ করে পর্দার সামনে ভেসে আসে কিছু মারামারি দাঙ্গার ছবি, বন্যা দূর্গতদের ছবি যেনো মনে হয় বাংলাদেশ একটি দাঙ্গা প্রবণ দেশ, এইদেশে চরম দারিদ্র্যতা ঝেকে বসেছে। এই দৃশ্য দেখার পর আমাদের কতো জনের মনে ইচ্ছা হয়েছে একে বদলে বাংলাদেশের সুন্দর দিক গুলো এইখানে তুলে ধরতে। বাংলাদেশীজম এই পেইজটি এমন একটি পদক্ষেপ গ্রহন করছে যেনো বাংলাদেশ নামে যখন কেউ গুগল সার্চ বক্সে ক্লিক করবে তখন বাংলাদেশের পজিটিভ দিক গুলো চলে আসে। বাংলাদেশের অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো পর্দার সামনে ভেসে উঠবে যেনো যে কেউ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠবে। তারা সামাজিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে, সমসাময়িক সমস্যা গুলো তুলে ধরে তা থেকে নিস্তার পাওয়ার উপায় গুলো আলোচনা করে এবং নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে তাদের কাজ গুলোকে আরও প্রসারিত করছে। এমনকি তারা বাংলাদেশী লেখকদের জন্য এমন একটি অনলাইন ফ্রীল্যান্সিং ব্যাবস্থা তৈরি করেছে যেখানে যে কেই বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে সুন্দর একটি জায়গায় নিয়ে যেতে পারে সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন পজিটিভ দিক গুলো খুব সহজেই মানুষের চোখে পরবে। তারা বাংলাদেশের ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোর মধ্যে প্রথম যারা এইভাবে দেশের জন্য চিন্তা করছে। এজন্য নি:সন্দেহে তাদেরকে বাংলাদেশের ফেসবুক পেইজের সেরা পেইজ বলে গণ্য করা যায়।

২। রোর বাংলা ( Roar Bangla) :
Roar Bangla ফেসবুক পেইজটি বাংলাদেশের অনন্যতম একটি পেইজ যা ইতিহাসের অনেক অজানা ঘটনা গুলোকে খুব সুন্দর ভাবে তাদের শৈল্পিক কর্মদক্ষতায় তুলে ধরছে। এই পেইজটি অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের ভয়াবহ ঘটনা, হত্যাযজ্ঞ, সিরিয়াল কিলিং মিশন, কবি সাহিত্যিকদের জীবন, বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, দেশ পরিচালক, ফুটবল, ক্রিকেট সহ নানা ধরনের খেলাধুলা বিষয়ক জনপ্রিয় কিংবা না জানা ঘটনাগুলোকে নানা আঙ্গিকে তুলে ধরে। তাদের ঘটনাগুলোর যে সত্যতা রয়েছে আর তাদের একনিষ্ঠ যে শ্রম দিয়ে এসব তুলে ধরছে তার কারণে তারা সবার কাছে ভালো গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তারা দিন দিন বাংলাদেশের অন্যান্য প্রথম সারির দৈনিক গুলোর সমতুল্য মর্যাদা লাভ করছে।

৩। মুরাদ টাকলা:
ভাষা বিকৃতি কারীদের জন্য একটি দুর্বিষহ নাম মুরাদ টাকলা। যারা বর্তমান সময়ে বাংলা ভাষাকে ফেসবুক কিংবা ম্যাসেজ করার সময় রোমান হরফে বাংলাকে লেখার চেষ্টা করে বাংলাভাষার যে বিকৃত অবস্থার সৃষ্টি করে তাদের প্রতি এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ফেসবুকের এই মুরাদ টাকলা পেইজটি। মুরাদ টাকলা কথাটি মূলত এসেছে ” মুরোদ থাকলে” কথা থেকে। অর্থাৎ তোমার যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে বাংলায় লেখে দেখাও। যে বা যারা এইসব বাংলিশ লেখছে তাদেরকে সবার সামনে তুলে এনে তাদেরকে হেয় করা হচ্ছে যেনো তারা বাংলায় ভালো ভাবে লেখার চেষ্টা করে। মুরাদ টাকলা বাংলা ভাষাকে যথাযথ সন্মান দেখানোর জন্য ভাষা বিকৃতি কারীদের প্রতি এক ধরনের ভার্চুয়াল শাস্তি প্রদান করছে। যার কারণে এই পেইজটি সবার কাছেই খুব সুপরিচিতি লাভ করছে

৪। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ( Biggan Projukti) :
বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা করার জন্য অন্যতম একটি সেরা পেইজ বিজ্ঞান প্রযুক্তি। প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা অনেক দেশের পিছিয়ে পড়ে রয়েছি। এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আমরা যেনো পিছিয়ে না পড়ি সেই উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছে এই পেইজটি। সর্বসাধারণের জন্যে বিজ্ঞানের নতুন কোনো আবিষ্কার কিংবা নতুন কোনো প্রযুক্তিকে আমাদের মাতৃভাষায় খুব সহজে যেনো সকলকে বুঝাতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এই বিজ্ঞান প্রযুক্তি পেইজটি।

৫। সাইবার ৭১- We Hack To Protect Bangladesh :
বাংলাদেশের অন্যতম একটি সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী ফেসবুক পেইজ। বর্তমানে আমাদের বিশাল তথ্য বিচরণ করছে Online কিছু সামাজিক মাধ্যমে যা যে কেউ ইচ্ছা করলে হ্যাকিং এর মাধ্যমে জানতে পারবে। আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের এসব গোপন তথ্য সুরক্ষা ও ফিরে পেতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে এই পেইজের কিছু হ্যাকাররা। এসব হ্যাকার “White Hat Hacker” গোত্রের যারা মানুষের সাহায্য করে। বাংলাদেশের সাথে অন্যান্য কোনো দেশের সাথে দন্দ হলে তারা তাদের সাথে ভার্চুয়াল যুদ্ধ ঘোষনা করে জানিয়ে দেয় আমরা অন্যায় এর প্রতিবাদ করতে জানি। তাছাড়া আপনার ফেসবুক কিংবা নিজস্ব ডোমেইনের কোনো সমস্যা থাকলে সেটা তাদেরকে জানালে তারা বিনামূল্য তার নিরাপত্তা ব্যাবস্থা ঠিক করে দেয়। এজন্য একে বাংলাদেশের মানুষের তথ্য নিরাপত্তা প্রদানের সেরা পেইজ হিসেবে বিবেচনা করা যায়

ফেসবুক শুধু সময়য় নষ্ট করার কোনো মাধ্যম নয়। এইখানে হাজারো মানুষ রয়েছে যারা একে অন্যের সাথে তাদের তথ্যগুলো শেয়ার করতে চায়। একজন আরেকজনের বিপদে পাশে থাকতে চায়। কেননা এটি একটি সামাজিক মাধ্যম যেখানে সমাজের মানুষরাই একে অন্যের সাথে কানেক্ট থাকে।

একটি ভেড়া এবং কৃত্তিম গর্ভাশয়

Now Reading
একটি ভেড়া এবং কৃত্তিম গর্ভাশয়

আমরা যারা পত্রিকা নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করি তারা হয়ত বর্তমানে খুব আলোচিত একটা টপিক লক্ষ্য করেছি যেখানে, দাবি করা হয়েছে – একটা ভেড়াকে মা ছাড়া কৃত্তিমভাবে তৈরী গর্ভাশয়ের মাধ্যমে তৈরী করা হয়েছে ! আসলে, ঘটনাটা মোটেও এরকম নয় ,একে আসলে কিছুটা অতিরঞ্জিত করে লেখা হয়েছে | সঠিক বিষয়টা অনেকটা এরকম – শুধু একটা ভেড়া নয়, এর আগেও হয়েছে (!) ,আর মা ছাড়া মোটেও নয় এখানে মা প্রয়োজন (!) আর কৃত্তিম গর্ভাশয়ের ব্যাপারটা ঠিক আছে !

যাইহোক, মূল ঘটনাটা অনেকটা এরকম এই বছরের -April -2017 এ Children’s Hospital of Philadelphia একটা পেপার পাবলিশড করে যেখানে তারা দাবি করে -তারা একটি Artificial womb তৈরী করেছে যেখানে তারা একটা ভেড়াকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত লালন পালন করতে পারবে | অর্থাত, ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সেই Artificial womb বা Biobag এর মধ্যে তারা ভেড়াটাকে বড় করবে ! অনেকেই হয়ত এর সাথে টেস্ট টিউব বেবি বা In Vitro Fertilisation বা IVF এর সাথে গুলিয়ে ফেলবেন কিন্তু, IVF এ কোনো Artificial womb নেই ওখানে জলজ্যান্ত মানুষের মধ্যেই উত্পন্ন হয় যাকে Surrogate mother বলা হয় |

এখন প্রশ্ন হলো পুরো প্রক্রিয়াটা কিভাবে কাজ করে ?

প্রথমে, বিজ্ঞানীরা ৩.৫ – ৪ মাসের একটা ভ্রুণ সংগ্রহ করে যেইটা তারা Ceaserian Section এর মাধ্যমে মা থেকে সংগ্রহ করে | এরপর তারা সেই ভ্রুনকে polyethylene এর তৈরী Biobag এর মধ্যে রাখে যেখানে ভ্রুনটি সর্বোচ্চ ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে যা কিনা সুস্থভাবে জন্মগ্রহণ করার জন্য যথেষ্ট সময় ! এই ব্যাগের মধ্যে অনেকগুলো টিউব (Umbilical cord) যুক্ত থাকে যার মাধ্যমে সেই ব্যাগের মধ্যে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান,অক্সিজেন দেয়া হয় আবার একইসাথে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে নেয়া হয় |

আর এভাবে জন্ম নেয়া বাচ্চা যে দুর্বল হয় তা কিন্তু নয় অন্য স্বাভাবিক বাচ্চার মতই বেড়ে উঠে | এর মধ্যে একটা বাচ্চা আছে যার বয়স ইতিমধ্যে ১ বছর পর্যন্ত হয়েছে !

তবে, প্রশ্ন হলো এইটা আমাদের মানুষের কিভাবে কাজে আসতে পারে ?

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন , এর মাধ্যমে যেসব প্রিম্যাচিউর চাইল্ড জন্মগ্রহণ করে তাদের ক্ষেত্রে হয়ত ব্যবহার করা যেতে পারে | যেহেতু এইটা ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত লাইফ সাপোর্ট দিতে পারে কাজেই, যেসব প্রিম্যাচিউর চাইল্ড ২৪ সপ্তাহের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে তাদের ক্ষেত্রে হয়ত ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব ” যার ফলে একটা বাচ্চার সুস্থভাবে বাচার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যায় | তবে, সেইক্ষেত্রে এই যন্ত্রটার গঠন ও হয়ত পরিবর্তন হবে | এই বিষয়ে গবেষণারত বিজ্ঞানী Dr. Alan flake এর বক্তব্য হলো –

“I don’t want this to be visualized as fetuses hanging on the wall in bags,” He says the device will eventually look like an incubator – with a cover and a dark interior. He also plans to make the device “parent-friendly”, allowing parents to communicate sounds to the baby and to see it with a camera.

যদিও মানুষের ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে | এখন দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়!

 

References :

  1. https://www.newscientist.com/article/2128851-artificial-womb-helps-premature-lamb-fetuses-grow-for-4-weeks/
  2. http://www.latimes.com/science/sciencenow/la-sci-sn-artificial-womb-premature-babies-20170428-story.html
  3. https://curiosity.com/topics/scientists-successfully-grew-a-lamb-in-an-artificial-womb-curiosity/

 

স্যাটেলাইট প্রকল্প বঙ্গবন্ধু -১

Now Reading
স্যাটেলাইট প্রকল্প বঙ্গবন্ধু -১

প্রস্তাবনা
আজকে কক্ষপথে প্রায় সব আধুনিক এবং আলোকিত দেশগুলির নিজস্ব স্যাটেলাইট রয়েছে। একটি সার্বভৌম দেশ, টেকসই বিকাশের প্রচেষ্টায়, অন্যান্য দেশের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে তার নিজস্ব উপগ্রহের প্রয়োজন।
বিটিআরসি প্রথমবারের মতো স্যাটেলাইট চালু করে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সম্ভাবনার নতুন মাত্রা খোলার লক্ষ্যে এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কাজ শুরু করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত কনসালটেন্সি স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনাল (এসপিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) এর বিশেষজ্ঞ পরামর্শের পরামর্শ নিয়ে প্রাথমিক প্রয়োগ কার্যক্রম চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের মতো একটি দেশ প্রাকৃতিক ভূতাত্ত্বিক অবস্থার কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ধরনের জরুরি অবস্থার সময়, বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সেবা নিশ্চিত করার জন্য স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

পটভূমি ও উদ্দেশ্য
উন্নততর টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করার জন্য, বিটিআরসি সবসময় নিজস্ব স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক স্থাপনের প্রয়োজন মনে করেছে। এটি দেশের প্রথম স্যাটেলাইট থাকার একটি দীর্ঘ স্বপ্ন স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বিটিআরসি ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে একটি কমিটি গঠন করে, যা ২০১০ সালের জানুয়ারিতে সংস্কার করা হয়। এই কমিটি ১০২ টি ই ও ৬৯০ ই থেকে আইটিইউ, সমন্বয় অনুরোধ (সিআর ) আইটিইউ ইত্যাদির বিজ্ঞপ্তি দেয়। এই বিষয়ে কমিটি সকল স্বেচ্ছাসেবী কাজ সম্পাদনের জন্য আইটিইউ সহ একটানা যোগাযোগ বজায় রেখেছে।এখানে উল্লেখ্য যে, প্রতিটি সদস্য আইটিইউ তাদের উপগ্রহ লঞ্চ করার জন্য আইটিইউ প্রবিধান অনুসরণ করতে হবে।
স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব স্বীকার করে বিটিআরসি একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে “একটি যোগাযোগ ও সম্প্রচার অধিদপ্তর চালু করার জন্য প্রস্তুতিমূলক ফাংশন এবং তত্ত্বাবধান” – যার ফলে সরকার কর্তৃক ২৬ জানুয়ারী, ২০১২ তারিখে একটি আনুমানিক ব্যয় প্রকল্প ৮,৬৮১.৫১ লক্ষ এবং ০১ জুলাই, ২০১১ থেকে ৩০ জুন, ২০১৫ পর্যন্ত বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়।
হিসাবে কক্ষপথ অবস্থান এবং আইটিইউ থেকে প্রাসঙ্গিক ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দকরণ প্রক্রিয়ার খুব জটিল এবং উপগ্রহ উৎক্ষেপণ কার্যক্রমের পূর্ববর্তী কোন অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের, প্রাথমিক কাজকর্মের সহায়তা করার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শদাতার প্রয়োজন মনে করা হয় এবং একটি মার্কিন ভিত্তিক কনসালটেন্সি ফার্ম স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনাল (SPI), যথাযথ নিয়মাবলী এবং প্রবিধান অনুসরণ করে ২৯ মার্চ, ২০১২ তারিখে প্রকল্পের অধীনে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

প্রকল্পের উদ্দেশ্যগুলি বাস্তবায়ন করতে কাজ হবে
• Satellite পরিষেবাগুলির জন্য সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ।
• কনসালট্যান্টের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ভিত্তিতে সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয়তা একত্রিত করা। একটি সম্ভাব্য উপগ্রহ জন্য একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে এই প্রয়োজনীয়তা আঞ্চলিক বাজারের অবস্থার সঙ্গে মিলিত করা হবে।
• স্যাটেলাইট সিস্টেমের জন্য একটি সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আবশ্যক এবং পারফরম্যান্স বৈশিষ্ট্যগুলি বিকাশ করা।
• বাংলাদেশ প্রশাসন কর্তৃক ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) এবং কোনও বিদ্যমান সমন্বয় চুক্তি জমা দেওয়া এবং দাখিলকৃত দাখিলের পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় কক্ষপথ স্লট এবং ফ্রিকোয়েন্সি সংরক্ষণের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সুপারিশ।
• উপগ্রহ সিস্টেম আর্কিটেকচার নির্ধারণ করুন এবং RFP / টেন্ডার ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা।
• নির্মাণ এবং লঞ্চ পর্যায়গুলির সময় ব্যাপক নির্মাণ পর্যবেক্ষণ, লঞ্চ পর্যবেক্ষণ এবং ইন-অরবিট পরীক্ষা সমর্থন।
• বাংলাদেশের একটি স্যাটেলাইট অপারেটিং কোম্পানীর (সরকারি বা পিপিপি) গঠনের জন্য পটভূমি কাজ ।
• প্রস্তাবিত উপগ্রহ অপারেশন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জ্ঞান প্রশিক্ষণ / ট্রান্সফার।

দেশের প্রথম স্যাটেলাইটের বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশ ২৪ কূ (Ku ) এবং ১৬ সি-ব্যান্ড ট্রান্সপন্ডার গুলির সমন্বয়ে একটি কমিউনিকেশন এবং ব্রডকাস্টিং স্যাটেলাইট চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
স্যাটেলাইট অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরাসরি হোম (ডিথ), ভিএসএটি, ব্যাকহাউল এবং ট্রাঙ্কিং, নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধার, দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ত্রাণ ইত্যাদি। প্রাথমিক পরিষেবা এলাকা (পিএসএ) হবে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশ এবং মাধ্যমিক সেবা এলাকা (এসএসএ) হবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, মেনা, এবং পূর্ব আফ্রিকা কক্ষপথ স্লট উপর নির্ভর করে।
প্রস্তাবিত উপগ্রহের সিস্টেম ধারণা উপগ্রহ পল লোড প্রয়োজনীয়তা, কক্ষপথ স্লট / ফ্রিকোয়েন্সি, কভারেজ এলাকা (গুলি), গ্রাউন্ড সেগমেন্ট, ব্যবহারকারী টার্মিনাল নকশা বৈশিষ্ট্য, উপগ্রহ অপারেশন এবং পরিবেশগত কারণগুলির সঙ্গে রয়েছে। উপগ্রহ অপারেশন এবং নিয়ন্ত্রণ জন্য দুটি স্থল স্টেশন হবে, প্রাথমিক সাইট হিসাবে এবং ব্যাকআপ সাইট হিসাবে অন্য একটি। সম্ভাব্য সাইটের জন্য আরএফ জরিপ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে, এই প্রয়োজনীয়তাগুলি উপগ্রহের জন্য লেনদেনের প্রস্তুতি এবং চূড়ান্তকরণের সময় চূড়ান্ত করা হবে।
বর্তমান প্রকল্প ক্রিয়াকলাপ
প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্প সম্ভাব্যতা গবেষণায়, একটি কক্ষপথ স্লট অর্জনের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি সমন্বয়, তহবিল উৎসের ব্যবস্থা, উপগ্রহ স্থল স্টেশনগুলির জন্য দুটি স্থানের চূড়ান্তকরণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ” বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট লঞ্চিং প্রজেক্ট “ইত্যাদি।
প্রকল্পের টিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিগানটন ডিসিতে স্যাটেলাইট সিস্টেমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে এবং কক্ষপথের প্রথম উপগ্রহের প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য পূরণে নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রকল্প কার্যক্রমগুলি প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি (পিএসসি) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সঠিক দিকনির্দেশনাসহ এসপিআই এর দক্ষ ও অভিজ্ঞ পরামর্শের সাথে অব্যাহত রয়েছে। প্রকল্পের অফিস মত ৬৯0 ই, ৭৪0 ই, ১০২0 ই(E) এবং সম্ভাব্য অবস্থানের জন্য আমাদের নিজস্ব উপগ্রহ একটি কক্ষপথ স্লট অর্জনে কাজ করছে ১৩৩0 ই এপিআই জমা দেওয়া হয়েছে এবং সি আর-সি প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রকাশিত হচ্ছে উপরে উল্লিখিত কক্ষীয় স্লট জন্য BR IFIC মধ্যে আইটিউ। এছাড়া সমন্বয় কার্যক্রম সূচনা জন্য, প্রকল্প অফিস ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, জাপান, সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া, উজ্বেকিস্থান এবং আরো অনেক জন্য ৬৯0 ই এবং ১০২0 ই কক্ষীয় স্লট সহ অনেক প্রশাসকদের কাছে পাঠিয়েছেন ।
নিয়মিত কার্যক্রম ছাড়াও, প্রকল্প অফিসটি আইটিইউ-এর সাথে যোগাযোগ করে এবং যখন দরকার তখন সংযোগ স্থাপন করে। এখন, বাংলাদেশ দেশের প্রথম উপগ্রহের সফল প্রবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছে, যা বিশ্বের বাকি অংশে উন্নত এবং নিখুঁত সংযোগ নিশ্চিত করবে।

মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে (পর্ব -১)

Now Reading
মেটাল ডিটেক্টর কিভাবে কাজ করে (পর্ব -১)

“মেটাল ডিটেক্টর” এইটা আমাদের অতি  পরিচিত একটি নাম | যারা একেবারেই কিছু জানেনা তারা হয়ত নাম দেখেই বলতে পারবে এইটা এমন এক ডিটেক্টর যা মেটাল ডিটেক্ট করতে পারে ! যারা আরো একটু বেশি জানে তারা হয়ত বলবে এইটা এমন এক জিনিস যা বিভিন্ন শপিংমল,সিনেমা হল ,এয়ারপোর্ট, হোটেল কিংবা বিশেষ জায়গাগুলোতে “মেটাল” খোজার কাজে ব্যবহার করা হয় !! যারা এই দুই ক্যাটাগরির মধ্যে পরে তাদের জন্য আমার এই পোস্টটি কারণ, আমি চাই তৃতীয় আরো একটি ক্যাটাগরি তৈরী হোক |

সাধারণত , একটি টিপিক্যাল মেটাল ডিটেক্টর এর ৪ টি অংশ থাকে | যথা –

Stabilizer

নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এইটা মূলত স্ট্যাবিলাইজ করার জন্য ব্যবহার হয় |

Control box

এখানে, বিভিন্ন সার্কিট কম্পোনেন্ট ,মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে |

Shaft

এইটা সার্চ কয়েল আর কন্ট্রোল বক্সের সংযোগক্ষেত্র হিসেবে থাকে | মূলত, উচ্চতা নিয়ন্ত্রনের কাজটা করে থাকে |

• Search coil

এইটা সর্ব নিচের অংশ যার মাধ্যমে মূলত সার্চ করার অংশটুকু হয় |

মূলত, এই ৪টি অংশ নিয়ে কাজ করার বিষয়টা খুব সিম্পল | প্রথমে কন্ট্রোল বক্সের মাধ্যমে এর Threshold পয়েন্ট ঠিক করা হয় ,এরপর সেই সার্চ কয়েলকে যখন কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর কাছে আনা হয় তখন তার ম্যাগনেটিক ফিল্ড আর মেটালের মধ্যে উত্পন্ন হওয়া ম্যাগনেটিক ফিল্ড পরস্পরের মধ্যে রিয়াক্ট করে যার ফলে একটা সিগন্যাল উত্পন্ন হয় যা কন্ট্রোল সেকশন প্রসেস করে দেখে  মেটাল এর পরিমান  Threshold পয়েন্ট ক্রস করেছে কিনা ! যদি করে তাহলেই, এলার্ম বেজে উঠবে  (চিত্র দ্রষ্টব্য) |

How metal detector works

 

যদিও বিষয়টা খুব সহজে ব্যাখা করা হলো, কিন্তু এর মধ্যে আরো কিছু কম্প্লিক্যাসী রয়েছে | তাছাড়া, কিধরনের মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে তার উপরও মোটামুটি নির্ভর করে এর কাজ করার পরিধি কত |

সাধারণত মেটাল ডিটেক্টর হিসেবে ৩ ধরনের টেকনোলজি ব্যবহার করা হয় | যথা –

      • Very low frequency বা সংক্ষেপে VLF
      •  Pulse Induction বা সংক্ষেপে PI
      • Beat-frequency Oscillation বা সংক্ষেপে BFO

      টেকনোলজির ধরনভেদে কাজের প্রক্রিয়া এবং প্রয়োগক্ষেত্রের মধ্যেও যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায় | যেমন, কিছু ডিটেক্টর হয়ত অনেক গভীর থেকে মেটাল ডিটেক্ট করতে পারে (যেমন – PI টেকনোলজি) কিছু হয়ত তা পারেনা | আবার, কিছু ডিটেক্টরের মেটাল ডিটেক্ট করার পরিধি অন্যগুলোর চেয়ে বেশি | মূলত, এসবের উপর নির্ভর করেই একেক ক্ষেত্রে একেক ধরনের ডিটেক্টর ব্যবহার হয়.

      এখন, আমরা জানব কোন ডিটেক্টর কিভাবে তার কাজ করে থাকে | প্রথমেই শুরু করি VLF দিয়ে যা মোটামুটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় |

      VLF metal detector

      মূলত, এর দুইটা কয়েল রয়েছে যার একটি হলো – • Transmitter Coil  আর অন্যটি হল  • Receiver Coil

      • Transmitter Coil মূলত সার্চ কয়েলের সর্ব বহিস্থ অংশ যার মধ্যে ইলেকট্রিসিটি ক্রমাগত পাস হতে থাকে এবং প্রতি সেকেন্ডে এর দিক পরিবর্তন হতে থাকে | মূলত এই দিক পরিবর্তন হতেই এর ফ্রিকোয়েন্সি জানা যায় |

      • Receiver Coil মূলত সার্চ কয়েলের মধ্যে বা Inner এ অবস্থান করে | যা, এন্টেনার ন্যায় কাজ করে টার্গেটেড অবজেক্ট (এখানে মেটাল) এর ফ্রিকোয়েন্সি এমপ্লিফাই করার কাজে ব্যবহার হয় |

      কার্জপ্রক্রিয়া : –

      যখন , কারেন্ট Transmitter Coil দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে তখন তা একটি ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরী করে | আর এই ফিল্ড এর পোলারিটি কয়েল এর সাথে লম্বভাবে থাকে | যখনই, কারেন্ট এর দিক পরিবর্তন হয় তখনই এর পোলারিটির ও পরিবর্তন ঘটে | অর্থাত, এইখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড “back and forth” অবস্থায় পালস করতে থাকে | আর যখনই তা কোনো মেটাল অবজেক্ট এর সম্মুখীন হয় তখন তার মধ্যেও Induced প্রক্রিয়ায় (Faraday law দ্রষ্টব্য ) ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরী করে থাকে | এখন যদি Transmitter Coil ডাউনওয়ার্ড পালসেট করে তাহলে, অবজেক্ট করবে আপওয়ার্ড এ ,অর্থাত বিপরীতমুখী !

      এখানে একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় এতক্ষণ যা কাজ হলো তা মূলত, Transmitter coil আর অবজেক্ট এর মধ্যে, কিন্তু, এর মাঝেত Receiver Coil ও রয়েছে তার কি হবে ? তার মধ্যে কি Magnetic interference হবেনা ? আসলে, সত্যি হলো  হবেনা এবং হবে ! মানে, Transmitter Coil এর সাথে হবেনা কিন্তু অবজেক্ট এর সাথে হবে !! Transmitter Coil এর সাথে হবেনা তার কারণ, Receiver Coil শিল্ডেড অবস্থায় থাকে যার ফলে, Transmitter Coil এর সাথে না হলেও অবজেক্ট এর সাথে ঠিকই হবে, কারণ, তার জন্য কোনো শিল্ডের ব্যবস্থা নেই ! যার ফলে, একটি অল্প পরিমান কারেন্ট Receiver Coil দিয়ে প্রবাহিত হয় যার ফ্রিকোয়েন্সি অবজেক্ট এর ম্যাগনেটিক ফিল্ড এর ফ্রিকোয়েন্সির সমান থাকে | এরপর Receiver Coil তাকে এমপ্লিফাই করে মেটাল ডিটেক্টর Control Box এ পাঠায় | Control Box তখন সেই সিগনাল কে প্রসেস করে নির্ণয় করে অবজেক্ট টি কত গভীরে থাকতে পারে | যত শক্তিশালী ম্যাগনেটিক ফিল্ড তত কাছে অবজেক্ট টি , আর যত দুর্বল তত গভীরে ! এছাড়াও এই Control Box আরো একটি কাজ করে থাকে তাহলো ,বিভিন্ন ধরনের মেটাল ডিটেক্ট করার ক্ষমতা | যার ফলে অবজেক্টটি কোন মেটাল দিয়ে তৈরী তাও নির্ণয় করা অনেকক্ষেত্রে সম্ভব হয় !

      যাইহোক, আজ এই পর্যন্তই থাকুক | এর পরের পর্বে হয়ত আমরা দেখব কিভাবে কি ধরনের মেটাল ডিটেক্ট করা সম্ভব কিংবা অন্য ডিটেক্টরগুলো কিভাবে কাজ করে তাও দেখব |

      এইটা আমার বাংলা ব্লগের প্রথম পোস্ট ! কেউ কোনো ভুল-ক্রুটি পেলে জানাবেন কিংবা প্রশ্ন থাকলেও জানাতে পারেন চেষ্টা করব উত্তর দেবার | সবাইকে ধন্যবাদ |

       

      Sources :

      http://electronics.howstuffworks.com/gadgets/other-gadgets/metal-detector2.htm

      http://www.explainthatstuff.com/metaldetectors.html

      http://www.school-for-champions.com/science/magnetic_field_moving_charges.htm#.WRqozdwlHDc

       

       

আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

Now Reading
আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

আমার এই আর্টিকেলটি কিভাবে সতর্কতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক মানুষ তার দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি দিনের প্রায় সিংহভাগ সময় এই ফেসবুকেই অতিবাহিত করে আর যার কারণে এটি সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে রূপ ধারণ করেছে মানুষ এখন কিবা না করে ফেসবুকে নিত্যনতুন সব আপডেট ফেসবুককে এখন আরো বেশি জনপ্রিয় করে তুলছে

ফেসবুকে মানুষ তার পোষ্ট আপলোডের মাধ্যমে নিজের মনের ভাব তার ফেসবুক বন্ধুদের সুন্দর করে জানিয়ে দিচ্ছে এছাড়াও বিভিন্ন ফেসবুক বন্ধুত্ব গড়ে উঠছে এই ফেসবুকে মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি যা করে তা হচ্ছে সেলফি আপলোড দেয়া আর এটি এখন ফেসবুকবাসীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়মানুষ যা কিছু করছে তার সেলফি তুলেই এখন ফেসবুকে পোষ্ট করছে এবং তার ফেসবুক বন্ধুদের জানাচ্ছে সারা বিশ্বে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০০ মিলিয়ন ছবি পোষ্ট করা হচ্ছে শুধুমাত্র ফেসবুকে ফেসবুক সংস্থার মতে প্রতিদিন গড়ে ১.১৫ বিলিয়ন মানুষ একসাথে ফেসবুকে একটিভ হিসেবে থাকে।প্রতিদিন ১.২৮ বিলিয়ন ইউজার ফেসবুকে লগ ইন করে।  এছাড়াও মানুষ তাদের ভাব বিনিময়ের জন্য ফেসবুকে চ্যাটিং করে যেটা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি পন্থা ভাব বিনিময়ের ফেসবুকের নিত্যনতুন সব ফিচার মানুষকে ফেসবুক নেশায় নেশাগ্রস্থ করে তুলছে ফেসবুকের সবচেয়ে আধুনিক আপডেট হচ্ছে ফেসবুকে লাইভ ভিডিও এছাড়াও মানুষ বিভিন্ন রকমের অ্যাক্টিভিটিও ফেসবুকে শেয়ার করতে পারছে মানুষ সময় কাটানোর সবচেয়ে সেরা পথ হিসেবে বেঁছে নিয়েছে এই ফেসবুককেই বিভিন্ন পেজ এর পোষ্ট পড়ে, দেখে এবং শেয়ার করার মাধ্যমে মানুষ তার অবসর সময় কাটচ্ছে

এবারে মূল কথায় আসি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা,  এটা আবার কি!  আপনি আশ্চর্য হতেই পারেন তবে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই আপনাকে অবশ্যই ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে আমাদের চারপাশে নিত্যনতুন খবর শুনতে পাওয়া যায়, যেগুলো ফেসবুককে ঘিরে ইদানিং ফেসবুকে আইডি হ্যাক এর অনেক কথা শুনতে পাওয়া যায় তাই আপনাকে  এক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে আপনার আইডির পাসওয়ার্ড অবশ্যই আপনার এমন ভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে করে তা অন্য মানুষের বোধগম্যের বাইরে থাকে

এতক্ষণ যে কথা গুলো বললাম তা ছিল প্রথম ধাপের কথা ফেসবুক ব্যবহারে আপনি মোটামোটি স্বাধীন আপনি পোষ্ট,  ছবি আপলোড করছেন যা পুরোপুরি স্বধীনতায় কিন্ত আপনি কি আপনার এই স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহার করছেন? প্রশ্ন থাকলো আপনার বিবেকের কাছে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে তারপর আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন আশা করি

যেহেতু ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাই ধরুণ এটি একটি চার রাস্তার মোড়ধরুণ আপনাকে বাক প্রদানের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবেন এখন যদি আপনাকে একটি চার রাস্তার মোরে মাইক দিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বলা হয় তখন আপনি কি বলবেন? এটাই আপনার ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতাকারণ একটি চার রাস্তার মোরে আপনি যখন মাইক ব্যবহার করে কিছু একটা বলবেন তখন মোরের আশেপাশের সব মানুষ তা শুনবে সে হোক পরিচিত অথবা অপরিচিত তাই আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে চাইবেন না বা বলতে পারবেন না ঠিক মুহূর্তে ফেসবুকে কোন কিছু পোষ্ট করাও ঠিক এমন এখানে আপনাকে সবাই দেখছে শুনছে তাই আপনার যা ইচ্ছা করছে তাই আপনি ফেসবুকে লিখতে পারেন না বা যেমন ছবি আপনার ইচ্ছা হচ্ছে তাই আপলোড করতে পারেন না  আপনি অবশ্যই পরবর্তীতে সতর্ক থাকবেন এইসব ক্ষেত্রে কারণ যদি আপনি অসাবধানতা বশত কোন রকমের অপ্রিতিকর কিছু ফেসবুকে পাবলিশ করেন তাহলে পরবর্তীতে সেটাই আপনার সম্মানহানিকর কিছু ঘটাতে পারে

এবার ধরুণ আপনি প্রায় সেলিব্রিটি রকমের একজন মানুষ এবং আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা সুযোগ পেলেই আপনার ক্ষতি করবে এমন অবস্থা গুলোয় আপনি কখনো আগে থেকে সতর্ক থাকতে পারবেন না তাই আপনাকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে এমন অবস্থায় আপনি ফেসবুক সেলিব্রিটি তাই আপনার যা ইচ্ছা তাই পোষ্ট ছবি শেয়ার করতে পারেন না মনে রাখবেন আপনাকে যেকোন সময় কেউ ক্ষতি করতে পারে তাই এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে যেসব এক্টিভিটি ফেসবুকে সাধারণত সবসময় দিয়ে থাকেন সেসব ক্ষেত্রে একটু সচেতনতা বাড়ান আপনি জার্নি করছেন তাই বলে আপনাকে ট্রাভেলিং টু অ্যক্টিভিটি দিতে হবে না

আপনি ফেসবুকে চেক ইন অক্টিভিটি সচরাচর ব্যবহার করে থাকেন এই চেক ইন এর অর্থ হচ্ছে আপনি মুহূর্তে ঠিক কোথায় আছেন তা নিশ্চিত করা আপনি অবশ্যই চেক ইন ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন আগেই বলেছি যে কোন সময় যে কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে তাই আপনি চেক ইন ব্যবহার করলে অবশ্যই সেটা ফেসবুকে সবাই জানবে এবং বুঝবে যে মুহূর্তে আপনি কোথায় আছেনতাই নিজেকে সবসময় নিরাপদ রাখতে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হোনহতেই পারে অনেক অজানা বিপদ থেকে আপনি বেঁচে গেলেন

বর্তমানে ফেসবুক একটি ভাইরাসে পরিণত হয়েছেযে ভাইরাসের নেশায় মানুষ তার অনেক মূল্যবান সময় অপচয় করে চলেছেমার্ক জুকারবার্গ নিজেও দৈনিক মাত্র ১৭  মিনিট ফেসবুক ব্যবহার করেনতিনি নিজেও বলেছেন ফেসবুক ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং বলেছেন সতর্ক থাকতেআশা করি আমার একটা প্রশ্নের উত্তর আপনার বিবেক খুঁজে পেয়েছেসবার সাবধানতার কামনা ভালো থাকার শুভেচ্ছা জানাই

ইন্টারনেটের ইতিহাস

Now Reading
ইন্টারনেটের ইতিহাস

১৯৫০-এর দশকে ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের গঠন শুরু হয়। প্রাথমিক ধারণা প্যাকেট নেটওয়ার্কিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ও ফ্রান্সে বিভিন্ন কম্পিউটার বিজ্ঞান ল্যাবরেটরিজ মধ্যে সম্ভূত। ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট প্যাকেট নেটওয়ার্কের সিস্টেমের জন্য চুক্তি যত দ্রুত হিসেবে উন্নয়নসহ ১৯৬০, ভূষিত যেটি ARPANET ।
কম্পিউটার এর মাধ্যমে প্রথম বার্তা বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড Kleinrock এর পরীক্ষাগার থেকে যেটি ARPANET উপর পাঠানো হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস এঞ্জেলেস স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ।

প্যাকেট সুইচিং

যেটি ARPANET নেটওয়ার্ক NPL নেটওয়ার্কের , CYCLADES , মেরিট নেটওয়ার্ক , টিমনেট এবং টেলিনেট , বিভিন্ন ব্যবহার ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে উন্নত ছিল যোগাযোগ প্রোটোকল হিসেবে । ডোনাল্ড ডেভিস প্রথমে প্যাকেট সুইচড নেটওয়ার্ক পরিকল্পিত করে ন্যাশনাল ফিজিক্স ল্যাবরেটরি ইউ কে, যা প্রায় দুই দশক ধরে যুক্তরাজ্য গবেষণার জন্য একটি টেস্টবেড হয়ে ওঠে। ARPANET প্রকল্পের জন্য প্রোটোকল উন্নয়ন নেতৃত্বে হিসাবে কাজ করে ইন্টারনেট ওয়ার্কিং , যা একাধিক পৃথক নেটওয়ার্ক কে যুক্ত করার কাজ করে।
ARPANET অ্যাক্সেস ১৯৮১ সালে সম্প্রসারিত হয় যখন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন (এনএসএফ) গড়ে তুলেছিল কম্পিউটার সায়েন্স নেটওয়ার্ক (CSNET) ।
১৯৮২ সালে, ইন্টারনেট প্রোটোকল স্যুট (টিসিপি / আইপি) ARPANET- এ প্রমিত নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল হিসাবে চালু করা হয়েছিল । গোড়ার দিকে ১৯৮০ সালে এনএসএফ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়,জাতীয় সুপারকম্পিউটিং কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা গড়ে তুলছে । বাণিজ্যিক ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীরা (আইএসপি) ১৯৮০ এর দশকের শেষভাগে উঠতে শুরু করেছিল । আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক সংস্থার মাধ্যমে ইন্টারনেটের অংশে লিমিটেড প্রাইভেট সংযোগগুলি ১৯৮৯ এবং ১৯৯০ সালের শেষের দিকে কয়েকটি আমেরিকান শহরগুলিতে আবিষ্ট হয়,এবং এনএসএফএনএইট ১৯৯৫ সালে নিষিদ্ধ ছিল, বাণিজ্যিক ট্র্যাফিক বহন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা অপসারণ করে।
১৯৮০ সালে ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি সুইজারল্যান্ডে CERN এ গবেষণা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফলে একটি তথ্য সিস্টেমের মধ্যে হাইপারটেক্সট নথি, নেটওয়ার্কে কোনো নোড থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য লিঙ্ক তৈরি করে।

1990-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বৈদ্যুতিন মেল, তাত্ক্ষণিক বার্তা প্রেরণ, ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) টেলিফোন কলগুলির মাধ্যমে ভয়েস, দ্বিপথ ইন্টারেক্টিভ, সহ সংস্কৃতি, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তির উপর বিপ্লবী প্রভাব রয়েছে। গবেষণা এবং শিক্ষা সম্প্রদায় বিকাশ এবং এই ধরনের এনএসএফ খুব উচ্চ গতিতে দাঁড়া নেটওয়ার্ক সার্ভিস (vBNS), Internet, এবং জাতীয় LambdaRail উন্নত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে চলেছেন।
ডেটার পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে উচ্চ এবং উচ্চতর গতিতে প্রেরিত হয় 1-Gbit / সেকেন্ড এ অপারেটিং 10 Gbit / সেকেন্ড, বা আরো বেশি ।

প্রিকার্সর (precursors)
তথ্য যোগাযোগের ধারণা – একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক মাধ্যম যেমন রেডিও বা বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে দুটি ভিন্ন স্থানগুলির মধ্যে ডাটা প্রেরণ – প্রথম কম্পিউটারের প্রবর্তনটি পূর্বাভাস দেয় । এই ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলি সাধারণত দুইটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের নির্দেশ দেয়। টেলিগ্রাফ সিস্টেম ও টেলেক্স মেশিন যোগাযোগ এই ধরনের প্রথম প্রিকার্সর বিবেচনা করা যেতে পারে। ১৯ শতাব্দীর মধ্যে টেলিগ্রাফ প্রথম পুরোপুরি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল।

ডেটা ট্রান্সমিশন এবং তথ্য তত্ত্বের মৌলিক তাত্ত্বিক কাজটি ক্লড শ্যানন, হ্যারি নুইউইচ, এবং র্যাল্ফ হার্টলি দ্বারা ২0 শতকের প্রথম দিকে তৈরি করা হয়েছিল ।

প্রাথমিক কম্পিউটারগুলির একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং দূরবর্তী টার্মিনাল ছিল। প্রযুক্তি উদ্ভাবন হিসাবে, নতুন সিস্টেমের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব (টার্মিনালগুলির জন্য) বা উচ্চ গতির (স্থানীয় ডিভাইসের ইন্টারকানেকশন জন্য) যোগাযোগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যা মেইনফ্রেম কম্পিউটার মডেলের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। এই প্রযুক্তিগুলি দূরবর্তী কম্পিউটারগুলির মধ্যে ডেটা (যেমন ফাইল) বিনিময় করা সম্ভব করেছে যাইহোক, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট কমিউনিকেশন মডেল সীমিত ছিল, যেহেতু এটি কোনও দুটি অবাধ সিস্টেমের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের অনুমতি দেয়নি; একটি শারীরিক লিঙ্ক প্রয়োজন ছিল। কৌশলগত এবং সামরিক ব্যবহারের জন্যও প্রযুক্তিটি অনিরাপদ বলে বিবেচিত ছিল কারণ শত্রুর আক্রমণের ক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য কোন বিকল্প পথ ছিল না।
ওয়াইড-এরিয়া নেটওয়ার্কিং এর উন্নয়ন

সীমিত ব্যতিক্রম ছাড়া, নিকটতম কম্পিউটারের স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত টার্মিনাল থেকে সরাসরি সংযুক্ত করা হয়, সাধারণত একই বিল্ডিং বা সাইটে। এই ধরনের নেটওয়ার্ক স্থানীয়-এলাকা নেটওয়ার্ক (LAN) হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। এই সুযোগ, ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WANs) নামে পরিচিত তার পরেও নেটওয়ার্কিং, ১৯৫০ সময় নির্গত এবং ১৯৬০ সময় প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে।
বোল্ট বেরানেক ও নিউম্যান, ইনকর্পোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে। সি। লিক্লাইডার, জানুয়ারী ১৯৬০ এর জানুয়ারি মাসে ম্যান-কম্পিউটার সিম্বিয়াসিসের একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক প্রস্তাব করেছিলেন:
যেমন [কম্পিউটারের] এর একটি নেটওয়ার্ক, ওয়াইড-ব্যান্ড যোগাযোগ লাইন তথ্য স্টোরেজ এবং আহরণ এবং [OTHER] মিথোজীবী ফাংশন অপেক্ষিত অগ্রগতি সঙ্গে একসঙ্গে অধুনাতন লাইব্রেরি ফাংশন [যা প্রদান করা] এর দ্বারা একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে ।

আগস্ট ১৯৬২ সালে লিক্লিদার এবং ওয়েলডেন ক্লার্ক পত্রিকা “অন-লাইন ম্যান-কম্পিউটার কমিউনিকেশন” প্রকাশ করেন যা একটি নেটওয়ার্ক ভবিষ্যতের প্রথম বিবরণ ছিল।অক্টোবর 1962 সালে লিকলিডার ম্যান্ডেট পরস্পর সম্পর্কিত বা সংযুক্ত শাইয়েন মাউন্টেন এ প্রতিরক্ষা প্রধান কম্পিউটারের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট পেন্টাগন এবং এসএসি এইচকিউ সঙ্গে নবপ্রতিষ্ঠিত ইনফরমেশন প্রসেসিং প্রযুক্তি অফিস (IPTO) DARPA সংক্রান্ত মধ্যে পরিচালক হিসেবে জ্যাক Ruina দ্বারা ভাড়া করা হয়েছে।সেখানে তিনি কম্পিউটার গবেষণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার DARPA সংক্রান্ত মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ গঠন করে।

নতুন প্রযুক্তি Augmented Reality (AR)

Now Reading
নতুন প্রযুক্তি Augmented Reality (AR)

Virtual Reality ( VR) এর পরের ধাপ হল Augmented Reality যাকে সংক্ষেপে AR বলা হয়। ১৯৯০ সালে শুরুর দিকে এর যাত্রা শুরু হয়। এটি VR এর থেকে বেশি উন্নত ও এর দামও বেশি এবং অনেক অনেক বেশি মজাদার। VR এ আমরা সম্পূর্ণ কাল্পনিক জগতে থাকি এবং AR এর মাধ্যমে আমরা

এই বাস্তব জগতে কাল্পনিক বস্তুকে আনতে পারি। আরো সহজে বলা যায়,বাস্তব জগতে থেকে নতুন কিছু তৈরি করার নাম AR অথবা কল্পনা এবং বাস্তবতা একত্রে মিলে যা সৃষ্টি হয় তাকেই Augmented Reality বলে। বর্তমানে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ‘নাসা’ তাদের বিভিন্ন কাজে এর ব্যাবহাব করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এডভান্স যুদ্ধ বিমানে এর ব্যাবহার রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি এই প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা করছে। এছাড়া আইফোন ৮ এ এই প্রযুক্তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।*এখন উদাহরণে আসি, ধরুন আমি একটা টেবিল কিনব। কিন্তু আমি জানিনা আমার রুমে কোন ডিজাইন  ভালো লাগবে।

AR এর সাহায্যে আমি আমার ফোনের ক্যামেরায় বা নির্দিষ্ট চশমায় ঠিক একই মাপের একটি টেবিল দেখাবে। এতে আমি আমার রুমে কাল্পনিক ভাবে টেবিল বসিয়ে দেখতে পারি কোন ডিজাইন ভালো লাগবে।আবার আমি যদি কোন গেমস খেলি Augmented Reality এর মাধ্যমে আমি আমার প্রতিপক্ষের ফাইট করতে পারব। কিন্তু এই ফাইট হবে এই বাস্তব জগতে। হতে পারে আমার সামনের দেওয়াল ভাঙে এক যোদ্ধা আসল এবং যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। VR এর মত চোখ আটকে না অর্থাৎ বাস্তবতা দেখার সাথে নতুন কিছু উপভোগ করা। এখানে আমরা সব দেখতে পাই এবং আমাদের দেখার মধ্যেই চারপাশ থেকে ভার্চুয়াল ভাবে সব তৈরি হবে।এছাড়া আমরা সবাই pokemon go গেমস খেলেছি। এখানেও AR এর  ব্যাবহার হয়েছে। আমরা যখন পোকিমন ধরার জন্য ক্যামেরা অন করি তখন আমরা যেখানেই থাকি সেখানে পিকাচু চলে আসে। তখন আমরা ক্যামেরার ডিসপ্লে থেকে পোকিবল নিক্ষেপ করে পিকাচু কে ধরতে পারি।AR technology এর সাহায্যে কিছু মজার কাজ করা যায়। গুগোল,  লেনেভো ফোনের camera তে কিছু মজার ফিচার আ্যাড করেছে। যেমন ক্যামেরা অন করলাম এবং একটা গাছের চারা লাগালাম। এরপর পানি দিলাম। সূর্যের আলোতে চারা বড় হয়ে গাছে পরিনিত হল। অথাবা ডায়নাসর আমার সামনে এসে হাটছে অথবা বসে আছে ইত্যাদি।>কোন ডিভাইসের মাধ্যমে আমরা AR ব্যাবহার করতে পারব?
→google glass:-  গুগল চশমা হল চশমার মত চোখে পরে থাকার উপযোগী খুব  হাল্কা কম্পিউটার যা গুগল কোম্পানির একটি নতুন গবেষণা উদ্ভাবন। এটাতে AR এর প্রাথমিক সব ফিচার দেওয়া হয়েছে।

Microsoft hololens:- ‘Project Baraboo’ এর আওতায় এই প্রযুক্তি গবেষণা করা হয়। এটি সব থেকে বেশি জনপ্রিয় হয় উইন্ডোজ মিক্সড রিয়েলিটির মাধ্যমে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যাবহারের ফলে। এর মধ্যে অনেক বেশি এবং উন্নত সব ফিচার দেওয়া আছে যা গুগল গ্লাস এ নাই। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয় অর্থাৎ শুধু মাত্র ডেভেলপার বা ইঞ্জিনিয়ার অথবা টেক রিভিউয়ার যারা আগে অর্ডার দিয়েছে তারাই পাবে। এর মুল্য প্রায় ৩০০০$ যা অনেক বেশি।

sony smart eye glass:-  AR technology তে সনির বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। মাইক্রোসফট হলোলেন্সের মত এটাও AR এর কিছু এডভান্স ফিচার রয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন প্রিমিয়াম স্মার্ট ফোনেও AR থাকে। যেমন সনির কিছু প্রিমিয়াম ফোনে ক্যামেরার সাথে AR অপশন থাকে যার মাধ্যমে ক্যামেরায় AR এর বিভিন্ন ইফেক্ট দেখতে পাওয়া যায়।*আমারা AR technology তে আর কী কী  যুক্ত করতে পারি? অর্থাৎ ভবিষ্যতে আর কি কি নতুন আসতে পারে বলে আমি মনে করি ?

→ AR technology এর অগ্রগতি দেখার মত। প্রথমে শুধুমাত্র গেমস থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে সকল স্তরে এর ভূমিকা দিন দিন বেড়েই চলছে। এখন আমরা একটু ভাবনার জগতে যাই।> কোনো জায়গা খুঁজতে এর ব্যাবহার হতে পারে। অর্থাৎ ক্যমোরা অন করার সাথে সাথে আমরা দেখতে পারব ভালো কাপড়ের দোকান কোথায় বা ভালো রেস্টুরেন্ট কোনটা।>বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন গবেষণাতে অনেক সাহায্য করতে পারে। অর্থাৎ কোন কিছু নিয়ে ভাবার সাথে সাথে  তা স্ক্রিনে দেখাতে পারবে। ফলে সেই গবেষণার ফল কেমন হবে তা সহজে জানা যাবে।>পুলিশ অন্যরুপধারি ক্রিমিনালকে AR এর মাধ্যমে আসল রুপে আনতে পারবে।> চশমাতে AR ব্যাবহার হলে আমরা আমাদের দৈনিক সকল কাজের কথা রিমাইন্ডারের মাধ্যমে মনে রাখতে পারব.

সব মানুষের নাম তাদের মাথার উপর লেখা দেখাবে ফলে নাম ভুললে খুব সহজে মনে।>দুরের জিনিস যতটুকু দেখতে ইচ্ছে করবে বড় করে দেখতে পারব। অর্থাৎ সংক্রিয় ভাবে বড় বা ছোট হবে।> একা একা থাকলে যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে পাশাপাশি কথা বলতে পারব। বলতে পারেন ভিডিও কলের মাধ্যমেই।>আমরা অবহাওয়ার অবস্থা জানতে পারি।>যেকোনো অজানা কিছুকে ক্যামেরা বা বিশেষ চশমার সাহায্যে জানতে পারি।>চিকিৎসা ক্ষেত্রে এটির ব্যাবহার হতে পারে।>এর সবথেকে বড় কাজ হতে পারে কাজ বিল্ডিং বানাতে। বিল্ডিং বানানোর সময় ওয়ার্কারদের মথায় AR ডিভাইস থাকে যার ফলে তারা সহজে বুঝতে পারে কোথায় কতটুকু রড বা সিমেন্ট লাগবে। ইত্যাদি।

২০২০ সালের মধ্য আসছে যাত্রীবাহী সুপারসনিক জেট প্লেন বুম!

Now Reading
২০২০ সালের মধ্য আসছে যাত্রীবাহী সুপারসনিক জেট প্লেন বুম!

সম্প্রতি ভার্জিন গ্যালাক্টিকের রিচার্ড ব্র্যান্সন বুম টেকনোলজিস এর সাথে অংশীদারিত্ব করেন একটি সুপারসনিক বিমান নির্মাণের জন্য। বুম টেকনোলজি তাদের এক বক্তব্যে জানান তাদের বিমান কনকর্ড বা যেকোন যাত্রীবাহী বিমান থেকে দ্রুত গতীতে চলবে।

শব্দের থেকে দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম বিমান প্রথম তৈরী হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু প্রবিধান ও প্রযুক্তিগত চ্যলেঞ্জ এর ধারনা ও বিস্তার কে স্থগিত করেছে। কোম্পানি টি জানায় যে তারা একটি অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী সুপারসনিক বিমান নির্মানের লক্ষ্যে কাজ করছে। তাদের মতে বিমানটি মাক ২.২ গতিতে চলতে সক্ষম হবে। যা শব্দের গতির দ্বিগুন অর্থাৎ বিমানটি ১৪৫১ মাইল প্রতি ঘন্টায় বা ২৩৩৫ কিলমিটার প্রতি ঘন্টায় উড়তে সক্ষম হবে। কনকর্ড যা এখন একটি অবসরপ্রাপ্ত সুপারসনিক যাত্রীবাহী জেট ঘন্টায়  ১৩৫০মাইল বা ২১৮০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম ছিল।

বুম এর প্রতিষ্ঠতা ও সি ই ও ব্লেক শল এর একটি ব্লগ পোস্ট থেকে জানা যায়, তারা বেসামরিক বিমান হিসেবে নতুন গতির রেকর্ড স্থাপন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

কোমপানি টি জানান মাক ২.২ গতিতে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন যেতে লাগবে মাত্র ৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট। সান ফ্রান্সিস্কো ও টোকিওতে যাতায়াত করতে সময় লাগবে  সাড়ে ৫ ঘন্টা এবং সিডনি ও লস এ্যঞ্জেলস এ যাতায়াত করতে সময় লাগবে ৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।

শল বলেন”সুপারসনিক জেট বানানো সহজ নয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।মানুষের উপকার এর চিন্তায় তাদের কাজটি করার অনুপ্রেরণা যোগায়।” তিনি আরও বলেন যে দ্রুত গতিতে চলাচলের ফলে সময় কে মানুষ জয় করতে পারবে।কেননা পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে মানুষ নিমিষেই পৌছাতে পারবে।

বুম তাদের প্রজেক্টের জন্য সম্প্রতি ৩৩ মিলিয়ন ডলার তুলতে সক্ষম হয়েছে। কোম্পানিটি প্রথমে “বেবি বুম” নামের একটি প্রোটোটাইপ উড়োজাহাজ তৈরী করবে যা বুম এর ই একটি ছোট মডেল।

বেবি বুমের প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট অনুষ্টিত হবে ২০১৮ সালে। এবং পরিপূর্ণ আকৃতির বুম যা ৫৫ টি যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম হবে,সেটির পরিক্ষামূলক ফ্লাইট শুরু হবে ২০২০ সাল থেকে।

বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন

Now Reading
বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন

সভ্যতার শুরু থেকেই জ্ঞান, প্রযুক্তি ও বানিজ্যের মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য সর্বদা সংগ্রাম করেছে। কিছু সভ্যতা, সমাজ বা জাতি প্রধানত নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ন বা বিদ্যমান ব্যক্তিদের উন্নতি, তাদের জ্ঞান ও বাণিজ্য প্রসারিত করে এবং অন্যদের তুলনায় দক্ষ। তারা তাদের লক্ষ্য এবং আকাঙ্খার পৌঁছানোর মধ্যে উদ্ভাবনী, কঠোর পরিশ্রমী এবং নিয়মানুবর্তিত হয়েছে।

নওলোলিথিক বিপ্লব, মেসোপটেমিয়া, মিশরীয়, সিন্ধু, প্রাচীন অতীত বা রোমীয় চীনা সংস্কৃতি, গ্রীক, ইসলামিক অগ্রগতি বা ইউরোপ / আমেরিকার শিল্প / বৈজ্ঞানিক বিপ্লব বা পূর্ব-পূর্বের সাম্প্রতিক শিল্পিক অলৌকিক ঘটনাগুলি জাপান, কোরিয়া, চীন ও ভারত – সব একটি সাধারণ থ্রেড আছে যেমন তারা সব নতুন প্রযুক্তি বিকশিত হয়েছে। তারা বিভিন্ন প্রযুক্তির নেতৃত্বে এবং আমাদের কল্পনা এক্সপ্লোর পরিচালনা প্রযুক্তির সীসা এবং বিকাশ অবিরত।

এই প্রবন্ধে আমি প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল উপাদানগুলির কিছু স্পর্শ করব এবং বাংলাদেশে তাদের বাস্তবায়নের কাঠামো, শর্তাবলী এবং সম্ভাবনার অনুসন্ধান করব।

প্রযুক্তি কি?

সাধারনভাবে বলতে গেলে প্রযুক্তিটি “জানেন কি” বা “সরঞ্জাম এবং কৌশল” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় প্রকৃতপক্ষে, প্রযুক্তিটি জুড়ে দেয়: “জানো কীভাবে”, “জানো কি”, “জানো-কোথায়” এবং “জানো-কখন”। প্রযুক্তির জটিলতার উপর বা প্রযুক্তি উন্নয়নের কোন পর্যায়ে কী শুরু হয়, যেমন: উপাদান, মানুষ এবং মেশিন। পণ্য জীবনচক্র, বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার, বাজারজাতকরণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা।

প্রযুক্তি উন্নয়ন একটি ‘ভিন্ন বা নতুন’ তৈরির কল্পনার সাথে একটি নিয়মানুগ এবং নিয়মানুবর্তিত পদ্ধতি যা একটি বিদ্যমান পদ্ধতি, পণ্য বা অ্যাপ্লিকেশানকে বিদ্যমান বা উন্নত করে, যা অবশেষে ব্যবহারকারীর জীবনকে আরও ভাল, সহজতর বা তার চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে ।

আমরা প্রায়ই মনে করি প্রযুক্তি উন্নয়ন কিছু মৌলিক বা সম্পূর্ণ নতুন কিছু হতে হবে। মৌলিক নতুন প্রযুক্তিগুলি কয়েকটি এবং দূরবর্তী-মধ্যবর্তী। বেশিরভাগ প্রযুক্তি উন্নয়ন মৌলিক বা ইতিমধ্যে বিদ্যমান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন এবং অ্যাপ্লিকেশন। একটি ভাল উদাহরণ লেজার হয়। লেজার প্রযুক্তি উন্নয়ন মৌলিক এবং সর্বপ্রথম ১৯০০  সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়, আইনস্টাইন দ্বারা অনুমিত, যিনি ১৯৭১ সালে একটি প্রক্রিয়া প্রস্তাব করেন। এর পরে অনেক কাজ সম্পন্ন হয় এবং অনেকগুলি লেজারের আবির্ভাব ঘটেছে, এর মধ্যে: শিল্প, চিকিৎসা, সামরিক, যোগাযোগ, মুদ্রণ, আইন প্রয়োগকারী, বিনোদন, প্রসাধনী ইত্যাদি এবং এখনও গণনা করা। প্রযুক্তি উন্নয়নের একটি সহজ উদাহরণ একটি আলু-পিলার (potato-peeler) বা ক্যান-ওপেনার বা সৌরশক্তিচালিত সেল-ফোন চার্জার হবে।

১৯৪৮ সালের আগে বাংলাদেশ মসলিন, সিল্ক, পাট এবং চা ইত্যাদির মতো কিছু টেকনোলজি / শিল্প ছিল। ১৯৪৮-২৭ সালে শিল্প-ভিত্তিক দেশটি শুরু করার জন্য কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় এটি কোনও মাপকাঠি প্রভাব সৃষ্টি করেনি। ১৯৭২ সাল থেকে বেসরকারি উদ্যোগগুলি আমাদের বর্তমান শিল্প-ভিত্তিক কিছু মূলধারার পথ তৈরি করেছে, যা মূলতঃ কৃষি, মৎস্য / হাঁস, বস্ত্র, ফার্মাসিউটিক্যালস, নির্মাণ ইত্যাদি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই শিল্প জ্ঞান অর্জন করেছে এবং অন্য কোথাও উপলব্ধ প্রযুক্তির প্রয়োগ করেছে। কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং রপ্তানি পূরণ করেছে।

সৃষ্টিশীলতা একটি সংস্কৃতি তৈরি করা হচ্ছে :

একটি সংস্কৃতি এবং পরিবেশ তৈরি হয় শুধুমাত্র একটি সমাজের জন্য উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন। এটি একটি অনন্য ধারণা এবং উদ্যোক্তা দক্ষতা যেমন অ্যাডিসন, সিমেন্স, মাইক্রোসফট, অ্যাপল ইত্যাদি । সাধারণত, এই ধরনের ধারণা এবং প্রাথমিক প্রযুক্তির একটি ‘বরফ-বল (snow-ball) ‘ প্রভাব রয়েছে এবং নতুন উদ্যোগের উদ্রেককারী শিল্প জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, সমাজের ধারণাগুলি বজায় রাখার এবং জনসংখ্যার ক্ষমতায়ন করার একটি অবস্থানে থাকতে হবে।

প্রাথমিকভাবে প্রথম ১০ বছরে, একটি শিশু তার উদ্বেগ, সাহস, শৃঙ্খলা এবং তার চিন্তাধারা বাস্তবায়নের জন্য সুসঙ্গত দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশ করে। এই সময় যখন শিশু শিখেছে: “হ্যাঁ, আমি এটা করতে পারি!” উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা বজায় রাখতে (প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু অনন্য এবং উদ্ভাবনী অবদান রয়েছে), পরিবার / সমাজ / শিক্ষা ব্যবস্থার এই দিকটি উন্নীত করা প্রয়োজন। তিনি বয়ঃসন্ধিকালে পরিণত হয়েছেন, ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সমাজকে সচেতন হতে হবে, প্রতিভা চিনতে হবে এবং তার স্বপ্ন, ধারণা বা অনন্য চিন্তা বজায় রাখতে সহায়তা করব। উদাহরণস্বরূপ এবং অনুশীলন দ্বারা এটি সবচেয়ে ভাল উপায়: ‘হ্যাঁ, আপনি এটা করতে পারেন! আসুন দেখি কিভাবে আমরা এগুলি প্রয়োগ করতে পারি। ‘ এবং কথোপকথন থেকে ‘নেতিবাচকতা’ গ্রহণ বা কিশোর দিকে ধাক্কা, খাবে এবং যেখানে সে আরামদায়ক বোধ করবে না।

উদ্ভাবনী চিন্তা কেবল অভিজ্ঞ / বয়স্ক ব্যক্তির নয়। না, এটি জনসংখ্যার কোন শ্রেণীভুক্ত। বিপরীতভাবে, বিশ্বের বেশিরভাগ উদ্ভাবনী চিন্তাশীল / উদ্যোক্তা দক্ষতা ৪০ বছর বয়সের কম বয়সী তরুণদের কাছ থেকে এসেছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত উত্স ও সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে জনসংখ্যার বিস্তৃতি থেকে এসেছে। উদ্ভাবন জীবনের কোন দিককে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে: বিজ্ঞান, প্রকৌশল, অর্থনীতি, রাজনীতি, সাহিত্য অথবা কেবলমাত্র দৈনন্দিন জীবনের কোনও দিক উন্নত করতে বা আমাদের যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে।

বাংলাদেশে প্রত্যেক পরিবারকে তাদের সন্তানদেরকে বিশ্বাসের সাথে ক্ষমতায়ন করার জন্য সরঞ্জাম ও শিক্ষা থাকতে হবে যাতে তারা যা স্বপ্ন দেখে তা বুঝতে পারে, যা তারা অর্জন করতে চায় এবং সমর্থন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের আদর্শ-শিক্ষণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসাবে সৃজনশীলতা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরঞ্জামগুলি থাকা দরকার, যাতে শিক্ষার্থীরা ‘সমাজের সৃজনশীল ভবিষ্যতের’ মধ্যে উন্নীত হতে পারে। সুবিধাবাদী হিসাবে থাকতে হবে এবং একটি সংগঠন গড়ে তোলার জন্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে যেখানে প্রতিটি সংগঠন, তাদের বয়স বা পটভূমির নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিক তাদের সৃজনশীলতা বাড়াতে পারে যা দৈনন্দিন জীবনের, কর্মক্ষেত্রে, ব্যবসায়ে বা সমাজে অগ্রসর হয়। সৃজনশীলতা এবং স্বপ্ন কখনোই সীমাবদ্ধ হবে না।

প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিবেশ তৈরি:

উদ্ভাবন একটি সংস্কৃতি তৈরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রকৃতির সৃজনশীল হতে ব্যক্তি সাহায্য করে এবং সমাজের অনন্য ধারনা জন্য একটি বৃহত্তর ভিত্তি প্রদান করে। কিন্তু প্রযুক্তির বিকাশের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, উপকরণ, মেশিন, প্রক্রিয়াকরণ পরামিতি, অপারেটরদের দক্ষতা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, বাজার ও পণ্য জীবনচক্র, আইন ও বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার, প্রতিযোগিতার আওতায় বিশেষ প্রযুক্তি সংক্রান্ত জ্ঞান এবং নির্দিষ্ট শেখার প্রয়োজন। একটি সাধারণ ‘প্রযুক্তিবিদ ‘উপরের বেশিরভাগের জ্ঞান অর্জন করে এবং প্রযুক্তির প্রভাব, কারণ ও প্রভাবকে বোঝায়।

সাধারণত একটি জটিল প্রযুক্তির বিকাশের জন্য, মৌলিক গবেষণা, শিল্প গবেষণা, উন্নয়ন এবং প্রকৌশল প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তারা বিভিন্ন এবং পৃথক সুবিধার মধ্যে রাখা হয়। এটি একটি একক ব্যক্তি বাড়িতে বা একটি গ্যারেজ মধ্যে সম্পন্ন করা যেতে পারে প্রথম যেমন অ্যাডিসন বা অ্যাপল এর স্টিভ জবস। প্রযুক্তির উন্নয়নে বিভিন্ন সুবিধার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয় কিনা বা প্রথমে বাড়িতে সম্পন্ন করা হয় কিনা তা মূলত ‘ধারণা’, ‘সংকল্প’ এবং ‘শৃঙ্খলা’ হয় যতক্ষণ না এটি সম্পন্ন, বাস্তবায়িত এবং গুণিত হয়।

বৃহত্তর প্রযুক্তি উন্নয়ন ‘শ্রেষ্ঠত্ব কেন্দ্র’ জন্য মৌলিক ও ফলিত গবেষণা জন্য উৎস। এই কেন্দ্রগুলি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বা বিষয়বস্তুর অনেক মৌলিক দিকগুলি আবিষ্কার করে, বিশেষ করে শিল্প ও বাস্তব অ্যাপ্লিকেশানে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই কেন্দ্রগুলো প্রায়ই বিশ্ববিদ্যালয় বা জাতীয় ল্যাবরেটরিগুলিতে থাকে, যেখানে ‘বিশেষজ্ঞদের’ মৌলিক দিকগুলির গবেষণা এবং সমাধান করার জন্য কাজ করে। প্রতিযোগিতার, পরিপূরক এবং ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য দুই বা ততোধিক ধরনের সুযোগসুবিধা লাভ করা উচিৎ।

শিল্পকৌশল গবেষণা অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের দ্বারা একটি শিল্প পরিবেশে সম্পন্ন করা হয় যারা প্রোটো-প্রকারগুলি (ডিজাইন, ফর্ম-ফিট-ফাংশন, সম্ভাব্যতার ইত্যাদি) এবং বৃহদাকার অপারেশন (উৎপাদন,প্রক্রিয়া, খরচ মানসম্পন্ন, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ইত্যাদি) আগে প্রমিত উৎপাদন এবং / এবং বিপণন।

বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণামূলক সুযোগসুবিধা, পাশাপাশি কিছু শিল্পের ভিত্তিও রয়েছে। ‘প্রযুক্তি উন্নয়নের’ উৎপাদনের জন্য, এটি সর্বোপরি যে ‘সুযোগের কেন্দ্র’ এই সুযোগসুবিধার মধ্যে তৈরি করা হয়, জ্ঞান ভিত্তিক ও দক্ষতার সাথে শুরু হয় যা বর্তমানে পাওয়া যায় এবং তারপর এইসব সুযোগসুবিধাগুলি যেহেতু তারা ‘বিশ্ব-শ্রেণি’ হয়ে ওঠে তা রূপান্তর করে। এই কেন্দ্রগুলিকে শিল্পের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে, যার ফলে শিল্পগুলির ‘বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার’, নির্দিষ্ট কারণ / কারণগুলি সমর্থন করার জন্য উৎপাদনের অধিকার /

প্রযুক্তি, বানিজ্যিক ও বানিজ্য :

সাধারণত প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নতুন পণ্য, প্রক্রিয়া, পণ্য ও পরিষেবা বাড়ে, যা পরিবর্তে উদ্যোক্তা ও বাণিজ্য উন্নীত কী হবে।সরকার এই অত্যাবশ্যক প্রয়োজনীয়তা প্রদানের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে: স্থিতিশীলতা, নিয়ম ও বিধিনিষেধ, অভ্যন্তর-গঠন (যোগাযোগ, ইউটিলিটি, ইন্টারনেট ইত্যাদি)। তাদের কাজটি সহজতর হিসাবে সম্পাদিত এবং উদ্ভাবন, প্রযুক্তির উন্নয়ন, উদ্যোক্তা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা। বৃহত্তর মাপের ‘শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র’ তৈরিতে সরকারের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে কিছু শিল্পের ব্যতিক্রম ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানত একটি ট্রেডিং সোসাইটি রয়েছে। উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং ‘বৃহত্তর মানুষ’ আধুনিক সরঞ্জাম বা নতুনত্ব এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন জন্য অত্যাবশ্যক প্রয়োজনীয়তা ও অ্যাক্সেস প্রয়োজন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপকে জোর দেওয়া ও উন্নীত করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি বাণিজ্য জাতির একটি প্রযুক্তিগত ভিত্তিক জাতির মধ্যে রূপান্তরিত করা ভাল ও দীর্ঘস্থায়ী প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

টেকনোলজিস বাংলাদেশ ;

কোন সন্দেহ নেই যে উদ্ভাবকেরা তাদের স্বপ্নগুলোকে অনুসরণ করছে। সমগ্র জাতিকে উদ্ভাবক ও নতুনত্বকে সমর্থন করার জন্য প্রয়োজন, যাতে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও পরিষেবাগুলি দ্রুত হারে বিকশিত হতে পারে।

– বর্তমান শিল্পগুলিকে নিজস্ব প্রোডাক্ট, প্রসেস এবং সেবাগুলির মধ্যে উদ্ভাবনের জন্য তাদের নিজস্ব প্রজেক্টে উচ্চ মানের ‘রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ সুবিধা স্থাপন করতে হবে। তারা তাদের ক্ষেত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট ‘এক্সেলেন্সেস সেন্টার’ গড়ে তোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এবং গবেষণার সুবিধার সাথে ক্রমাগতভাবে কাজ করার প্রয়োজনও নয় বরং এইসব সুযোগসুবিধাগুলিকে ‘বিশ্ব শ্রেণী’ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন। পরিবর্তে রিসার্চ সুবিধাগুলির দ্বারা প্রচুর পরিমাণে ফলন / কৃতিত্বের সাথে পাইপ লাইন পূরণ করতে হবে যা শিল্প দ্বারা ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সুস্থ ‘ধাক্কা এবং টান’ অনেক প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রদান করবে। তাদের মূল-দক্ষতা / প্রযুক্তি সনাক্ত এবং নতুন পণ্য প্রযোজ্য প্রয়োজন। একটি নির্দিষ্ট প্রযুক্তি এবং অঞ্চলের / বিশ্বের মধ্যে একটি নেতৃস্থানীয় স্বীকৃতি অর্জন করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী ভিউ প্রয়োজন

– প্রযুক্তি অভিবাসনের গবেষণাটি দেখিয়েছে যে পণ্য ও পরিষেবাটি প্রযুক্তি নেতা এবং সর্বোত্তম ‘ওভার-সব খরচ’ (দক্ষতা, শ্রম, গুণমান, স্থায়িত্ব ইত্যাদি) অনুসরণ করে। হিসাবে জাতি বা পণ্য ‘উন্নত অবস্থা’ ‘উন্নত অবস্থা’ অতিক্রম, তারা সাধারণত ব্যয়বহুল বা / এবং প্রযুক্তির অগ্রবর্তী মধ্যে থাকা ব্যর্থ। এই ঘটনাটি বাংলাদেশকে পণ্য ও সেবার সন্ধান করার সুযোগ প্রদান করে, যা অন্য দেশে প্রযুক্তিভিত্তিক আউট-ডেট এবং ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (পোশাক, জুতা, সাধারণভাবে উত্পাদন), জার্মানি (জাহাজ নির্মাণ, ক্যামেরা ইত্যাদি), জাপান (ইলেকট্রনিক্স, কার ইত্যাদি) এ দেখা গেছে। কোরিয়া, চীন, ভারত, মালয়েশিয়ার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং অন্য কোথাও প্রযুক্তিগতভাবে পুরানো এবং ব্যয়বহুল হবে পণ্য ও সেবার জন্য ‘শিল্পের শিল্প’ প্রযুক্তি প্রস্তুত, বাস্তবায়ন, বিকাশ বা অর্জন করা প্রয়োজন।

– ছাত্রছাত্রীদের একত্রিত করে ইনস্টিটিউটের পরিবর্তে দূরবর্তী স্থান থেকে শিক্ষার্থী / শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে দূরবর্তী শিক্ষা লাভ করতে পারে। লক্ষ্য হলো মানুষকে এমন স্থান যেখানে লোকেদের কাছে জ্ঞান পাওয়া যায় এমন জায়গায় লোকেদের কাছে দূর্লভ জায়গা থেকে জ্ঞান আনতে হয় যেমন ভাল সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলিতে। বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং তার গ্রাম / শহর অত্যন্ত যোগ্য শিক্ষকদের আকৃষ্ট করার অবস্থানে নেই, দূরবর্তী শিক্ষার জন্য আদর্শ। এটি কেবল জনসংখ্যার 95% নবায়ন করতে সক্ষম হবে না, বরং শিক্ষার অগ্রগতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিবে, যার ফলে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্যোক্তাগুলিতে লাফ দিবে।

– দৈনিক জীবন চ্যালেঞ্জ: রান্নাঘর, ক্ষেত্রের বা কর্মক্ষেত্রে, উদ্ভাবনের জন্য অনেকগুলি উৎসের উৎস প্রদান করতে পারে। এটা অত্যাবশ্যক যে ব্যবহারকারীদের সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য গৃহীত হয়, নতুন পণ্য এবং প্রযুক্তি উন্নয়নশীল করে জীবনকে সহজ এবং দক্ষ করে তুলতে বর্তমানে উর্বর দেশগুলিতে তৈরি করা বেশিরভাগ পণ্য, পাশাপাশি, অন্যান্য দেশে এবং সারা পৃথিবীতে বিক্রি করা হয় সস্তা কিন্তু ‘ফর্ম, মাপসই এবং ফাংশন’ বা গুণগতভাবে পর্যাপ্ত নয়। বাংলাদেশে এর উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ এর সমস্যা হতে পারে।

Page Sidebar