নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো

Now Reading
নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো

বিজ্ঞানের জগতে নিকোলা টেসলা এক অদ্ভুত ব্যক্তির নাম।কারণ তিনি যে সকল যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তা মানুষের জীবনকে একেবারে বদলে দিতে পারতো। আর বিপদে পড়তে হতো সমাজের এলিট শ্রেণীর লোকদের।তার এরকম কয়েকটি অদ্ভুত আবিষ্কারের কথা নিচে বর্ণনা করা হলো-

 

১। Death beam-

১৯৩০ সালে নিকোলা টেসলা দাবি করেন যে সে একটা ‘death beam’ আবিষ্কার করেছেন, যেটাকে তিনি ‘teleforce’ বলেন। ডিভাইসটি প্রচন্ড শক্তিশালী একটি আলোকরশ্মি তৈরি করতে পারত যার মাধ্যমে শত্রুর যুদ্ধ বিমান, আর্মি বা যে কোনো কিছু ধংস করে দিতে পারত।

কিন্তু এই তথাকথিত ‘death beam’ পরে আর আবিষ্কৃত হয়নি কারণ তিনি (নিকোলা টেসলা) জানতেন, এটা বিভিন্ন দেশ-প্রদেশে বা জাতীর জন্য একে অপরকে ধংস করা খুব সহজ হবে।টেসলা বলেছেন, এটার মাধ্যমে যে কোনো কেউ ২০০মাইলের ভিতরে যে কোনো কিছু খুব সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারবে। আর এটা যেকোনো দেশকে ছোট অথবা বড় রাখেতে শক্তিশালী দেয়াল হিসেবে কাজ করবে। আর এটা শত্রুদের সেনাবাহিনী, আকাশযান ইত্যাদি যেকোনো ধরনের আক্রমনর বিরুদ্ধে দুর্ভেদ্য দেয়ালের মত কাজ করবে। তিনি আরো বলেন- তার এই আবিষ্কার চুরি করে নেয়ার জন্য চোরেরা চেষ্টা চালিয়েছিল, তারা কক্ষে প্রবেশ করেছিল এবং কাগজ-পত্র খুটিয়ে খুটিয়ে দেখেছিল, কিন্তু চোরেরা বা গোয়েন্দারা শুন্য-হাতে ফিরে গিয়েছিল।

 

২।Free Electricity System-

১৯০১-১৯০২ সালে নিউ ইয়র্কে টেসলা বিশাল আকারের একটি ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন স্টেশন তৈরি করেন।যদিও কেউ মনে করেন, টেসলা এটার মাধ্যমে wireless communication এর কোনো ব্যবস্থা করবেন।

যাইহোক, তার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। টেসলা চেয়েছিলেন তার থিওরি ব্যবহার করে পৃথীবির মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে তথ্য, ফোনালাপ, অবিকল ছবি প্রেরণ করবেন। যদি প্রজেক্টটি কাজ করত, তাহলে যেকোনো কেউ খুব সহজেই কোনো রড মাটিতে পুতে এর থেকে free electricity নিতে পারত।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা লাভজনক হত না। আর এটি বিশ্বের এলিট শ্রেণীর লোকদের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে বিপদজনক হত। কারণ এটি energy industry তে অনেক পরিবর্তন আনত।

চিন্তা করুন, দুনিয়াটা কেমন হত যদি কোনো কিছু চালনা করার জন্য কোনো ফুয়েল বা তেল-কয়েলের কোনো দরকার না হত!!

অবশেষে ১৯০৬ সালে এটাকে প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং কখনও এর দিকে মন দেয়া হয় না।

 

৩।The Flying Saucer-

১৯১১ সালে টেসলা নিউ ইয়র্ককে বলেছিলেন তিনি একটি anti gravity “flying machine” নিয়ে কাজ করতেছেন।

তিনি বলেন, তার উড়ন্ত এই মেশিনের কোনো পাখা বা প্রপেলার থাকবে না। কেউ এটাকে মাটিতে দেখবে এবং কখনও ভাববে না যে এটা একটা flying machine (উড়ন্ত যন্ত্র / যানবাহন)। এটা এমনকি বাতাসের মধ্যে যেকোনো ডিরেকশনে ইচ্ছামত নিরাপদে নড়া-চড়া করতে পারবে। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যেতে পারবে। এটার উত্তরণে কোনো প্রকার সাধারণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে না যেভাবে পাখি ডানার মাধ্যমে করে থাকে। কিন্তু এটা মেকানিক্যাল এ্যাকশন এর উপরই নির্ভর করবে।

টেসলার এই flying machineও free energy পদ্ধতি ব্যবহার করবে। যেখানে অন্যান্য motor-car industry-গুলো জালানির উপর নির্ভর্শীল।

 

*এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করুন, তার এই আবিষ্কারগুলো যদি আজও সত্যিই থাকতো তাহলে আমাদের জীবনযাত্রারর মান কোথায় থাকত!?

-বিজ্ঞানীরা তো আজ পর্যন্ত গবেষণা করে যাচ্ছেন কিভাবে কোনো বস্তুকে শুন্যে ভাসিয়ে রাখা যায় ‘এলিয়েনের’ মত।কিন্তু তারা এখনও সম্পূর্ণরূপে সফল হতে পারেন নি, যা কিনা নিকোলা টেসলা প্রায় ১০০ বছর আগেই আবিষ্কার করেছিল।

 

আইটি ফেয়ার নাকি প্রহসন?

Now Reading
আইটি ফেয়ার নাকি প্রহসন?

তৃতীয় বিশ্বের দেশ হবার কারনে আমরা জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক শাখায় এখনো পিছিয়ে রয়েছি।  বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোর সাথে তালে তাল মিলিয়ে হাটার জন্য আমাদের দেশে সরকারী ভাবে বিশাল পরিসরে আইটি – সম্পর্কিত সেশন , মেলা  এর আয়োজন করা হয়।  এতে দেশের সকল সারির আইটি প্রতিষ্ঠান গুলো অংশগ্রহণ করে এবং নিজেদের পণ্য গুলো সকলের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করে। আবার এইসব অনুষ্ঠান গুলোতে দেশের নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত থাকেন।

একজন আইটি সেক্টরের ছাত্র এবং টেক-গীক হিসেবে আমি সর্বাত্মক চেস্টা করি এই সকল অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত থাকার।  নতুন নতুন টেকনোলজি এর ব্যাপারে জানার আগ্রহ থেকেই আমি প্রতিবার এ সমস্ত অনুষ্ঠানে যাই। তবে বরাবরই আমাকে হতাশ হতে হয়।  আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেস্টা থাকা সত্বেও কোন না কোন কারনে প্রতিবারই টেক লাভাররা মোটামুটি হতাশ বোধ করেন।  এর পিছনে নানাবিধ কারন কাজ করে।

আমি প্রতিবার এসব ফাংশনে যাই নতুন জিনিস দেখার আশা নিয়ে, ফিরে আসি এদের মুর্খতার কারনে দেশ কতটা পিছিয়ে যাচ্ছে সেটা দেখে দুঃখ মনে নিয়ে।  বিগত বছরগুলোর মত এই বছর ও ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ তে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে আর সেটা হলো আমাদের আইটি কোম্পানীগুলো।  এরাই মুলত আমাদের এই হতাশার কারন।  এরা প্রতিবার অনেক আন- ডেভেলপড বা ডেভেলপমেন্ট পর্যায় থাকা প্রজেক্ট নিয়ে আসেন যা মোটেই কাম্য নয়।  এদের মতে কোনমতে একটা প্রজেক্ট ধরে এনে জনতার সামনে ছেড়ে দিলেই হলো। বাঙ্গালী বোকা তো তাই বুঝবেনা যথাযথ যার ফলে রাম-সাম-যদু-মধু একটা বুঝ দিলেই হবে।  কিন্তু দেশ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের মানুষের মাঝে জানার আগ্রহ বাড়ছে সেটা তারা এড়িয়ে তো যেতে পারেনা।  আমি বুঝিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী – আইসিটি মন্ত্রী – আইসিটি এডভাইজর এর মত হেভিওয়েট মানুষগুলোর সামনে এসব প্রোজেক্ট নিয়ে বসার সাহস কিভাবে হয়?

আরো একটা ব্যাপার যেটা হয় সেটা হলো নিজের প্রোডাক্ট এবং কোম্পানী এর ব্যাপারে স্বল্প জ্ঞান।  এসব মেলা উপলক্ষ্যে এরা মেলার কিছুদিন আগে ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে কিছু সুন্দরী নির্বাচন করে এবং মেলার স্টলে তাদের এনে বসিয়ে রেখে পাবলিক এট্রাকশন এর চেষ্টা করে।  সব মানলাম, কিন্তু যাদের বসায় আর যা সামনে দিয়ে বসায়, এই দুটোর মাঝে কোন যোগসুত্র থাকেনা। মানে স্টলে যারা বসে থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে তাদের কোন আইডিয়া থাকেনা।  প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে জানার উদ্দেশ্যে কোন প্রশ্ন করলে বোকার মত তাকিয়ে থাকে।  এইটা কেন রে ভাই? আমরা টেক লাভাররা মেয়ে দেখতে নিশ্চয়ই যাইনা, যা দেখতে যাই সেটাই যদি ভালভাবে প্রদর্শন করতে না পারেন তাইলে আইটি বিষয়ক ফাংশন বাদ দিয়ে বিউটি কম্পিটিশন গুলোতে স্টল নিন, সেটাই কি ভাল না?

 

আমি কোন ডিসিশনে যাবো না।  শেষ করার আগে একটা সাম্প্রতিক ঘটনা দিয়ে শেষ করি।  সাম্প্রতিক চলাকালীন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ তে গিয়েছিলাম। সবাই যখন সোফিয়া নিয়ে ব্যাস্ত আমি তখন স্টল ঘুরে দেখছিলাম। হটাৎ “পাঠাও” এর স্টল নজরে এলো। আমি পাঠাও ব্যাবহারকারী হিসেবে তাদের স্টল এ গিয়ে হালকা কিছু জিজ্ঞাসা করলাম যে  তাদের এপস এর কিছু সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে তারা কি কি ব্যাবস্থা নিচ্ছে এবং তা কত দ্রুত? সন্তোষজনক উত্তর পেলাম না।  তারপর তাদের উচ্চপদস্থ এক কর্তাব্যাক্তি এর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম যে উনি কি এসেছেন বা আসার কোন সম্ভাবনা আছে? তারা বলল – ঐ নামে তারা কাউকে চিনেই না। আমি তো পুরা থ!!! কাদের এনে স্টলে বসাইছে যারা এত স্বল্প জ্ঞান রাখে?

ডাটা এনালিষ্ট বনাম পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং

Now Reading
ডাটা এনালিষ্ট বনাম পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং

ডাটা এনালিষ্ট হতে হলে আপনাকে প্রথমে স্টাটিস্টিক্স জানতে হবে। যদি আপনি স্টাটিস্টিক্স এ ভাল জ্ঞান অর্জন করতে data analyst.jpg

পারেন তাহলে আপনি অনেক বড় মাপের ডাটা এনালিষ্ট হতে পারবেন। এর পাশাপাশি আরো কিছু সফটওয়্যারে আপনাকে অভিজ্ঞ হতে হবে যেমনঃ এসপিএসএস, পোষ্ট জিআরই এসকিউ এল, মঙ্গোডিবি, নো এসকিউএল ইত্যাদী।

বর্তমানে ওরাকল  এবং এসকিউএল সার্ভার এ ডাটা সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু ডাটা এনালাইসিস করতে হলে উপরে উল্লেখিত কোর্সগুলো জানা আবশ্যক। বর্তমান যুগে কোম্পানীর প্রেজেন্টেশন এবং রিপোর্ট করতে হলে নতুন কিছু টেকনোলজীতে আপনাকে পারদর্শী হতে হবে। সেই জন্য আপনাকে কিছু এনালাইসেস বেজড সফটওয়্যারে অভিজ্ঞ হতে হবে।

আমরা প্রথম অবস্থায় যে ডাটা সংগ্রহ করি তাকে বলা হয় র-ডাটা (Raw Data) এবং সেই ডাটাকে যখন প্রসেস করা হয় তখন তাকে বলা হয় প্রোসেস্ড ডাটা। আর এই প্রোসেস্ড ডাটাকে নিয়ে কোম্পানীর বড় স্যারেরা চান যে বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরী করে একটি ইন্টারেক্টিভ রিপোর্ট তৈরী করা। সেই জন্য দরকার রিসার্স মেথডলজী এবং টুলস বা সফটওয়্যার যেমন এসপিএসএস, স্টাটা, পোষ্ট জিআরই এসকিউ এল, মঙ্গোডিবি, নো এসকিউএল ইত্যাদী।

তবে ক্রিষ্টাল রিপোর্ট একটি রিপোর্টিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনি যে কোন ধরনের রিপোর্ট তৈরী করা যায়। বর্তমানে ডাটাবেজের সাথে ক্রিষ্টাল রিপোর্ট ব্যাবহার করে অনেক জনপ্রিয় রিপোর্ট তৈরী করা যায়।

ডাটাবেজ জানতে হলে আপনাকে এসকিউএল (SQL) জানতে হবে। এসকিউএল জানলে আপনি বড় ডাটাবেজ সফটওয়্যার যেমনঃ ওরাকল (Oracle), এসকিউএল সার্ভার (SQL Server), পোষ্ট জিআরই এসকিউএল (Post greSQL), মাই এসকিউএল (My SQL), মঙ্গোডিবি (Mongo DB), নো এসকিউএল (no SQL) সহ অন্যান্ন যেকোন ডাটাবেজের সাথে কানেক্ট করে সবগুলোই যখন যেটা দরকার সেটা করতে পারবেন এবং সবগুলোই ব্যাকএন্ড এর কাজ। ব্যাকএন্ড হলো সফটওয়্যারের ভিতরের কাজ আর বাহিরের কাজ যেটা ইউজাররা দেখতে পায় সেটা হলো ফন্টএন্ড এর কাজ। চাকরীর মার্কেটে অনেকসময় দুই ধরনের প্রোগ্রামারই চায় যেমন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার এবং ব্যাকএন্ড ডেভেলপার, প্রোগ্রামার, সফটওয়্যার এনালিষ্ট, ডাটা এনালিষ্ট, এনালিষ্ট প্রোগ্রামার ইত্যাদী।

একজন সফল সফটওয়্যার ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে অনেক কিছুই জানতে হবে কারন কোম্পানীগুলো এখন একেকজন একেক ধরনের সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করে। যেমনঃ আপনি ওরাকলের উপর এক বছর কাজ করেছেন কিন্তু চাকুরীর ক্ষেত্রে গিয়ে দেখলেন এসকিউএল সার্ভার দরকার তখনতো আর এসকিউএল সার্ভারের এক বছরের কোর্স নতুন করে করা সম্ভবনা বা ইচ্ছা করলে আপনি সন্ধ্যার ব্যাচে কোন ভাল যায়গা থেকে কোর্সটি সম্পন্নও করতে পারবেন। অথবা আপনি ইন্টারনেটের (ইউটিউব, গুগল সার্চ) সাহায্য নিয়েই আপনি কোর্সগুলো সম্পন্ন করতে পারবেন। এর বাহিরেও আপনি অনেক রিসোর্স ডাউনলোড করতে পারবেন যেগুলো ইন্টারনেটে ফ্রি পাওয়া যায়।

পাইথন হচ্ছে একটি বহু-প্যারাডাইম প্রোগামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যাকে বলা যায় ফাংশন-ভিত্তিক বা বস্তু সংশ্লিষ্ট ও নির্দেশঅমূলক একটি উচ্চতর ল্যাঙ্গুয়েজ। এত স্বনিয়ন্ত্রিত মেমরী ব্যাবস্থাপনা রয়েছে। এটা আসেলে পার্ল বা রুরীর মত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের প্রোগ্রামিং এর মত। পাইথন আসলে একটি সাপ যা অনেক বড় আকৃতির ঠিক তেমনি প্রোগ্রামিং জগতের বড় এবং শক্তিশালী একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে পাইথন প্রোগ্রামিং। এটা অবজেক্ট অরিয়েন্টেড হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ। বর্তমানে পৃথিবীর নানা দেশে প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষাটি অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমনকি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং রচনা শুরু করেছে, ঠিক তেমনিভাবে এমআইটি (MIT) এর মতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও তাদের পড়াশুনার সিলেবাসে পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শিক্ষা শুরু করেছে যা সত্যিই প্রশংসনীয়। সহজ কিন্তু শক্তিশালী একটি প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে পাইথন। যারা কোন প্রোগ্রামিংই শুরু করেননি তাদের জন্য পাইথন হতে পারে সবচেয়ে সহজ একটি ল্যাঙ্গুয়েজ। আবার লার্জ স্কেল প্রোজেক্টে ব্যাবহারের জন্য পাইথনের জুরি নেই।পাইথন দিয়ে একই সাথে মোবাইল অ্যাপ, ডেস্কটপ অ্যাপ, অ্যাপ/ওয়েব সাইট এবং উন্নতমানের গেম ডেভেলপমেন্ট করা যায়। তাই ডাটা সাইন্টিষ্টদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাইথন প্রোগ্রামিং। এটা এমন একটি ল্যাঙ্গুয়েজ যা দিয়ে সব কিছুই করা যায়। প্রোগ্রামিং করার সময় প্রায় সময়ই আমাদের অনেক সময় টিম মেম্বারদের সাথে কাজ করতে হয়। যেখানে আপনাকে কোড পড়তে হয় এবং দেখতে হয়। পড়ার পর আবার বুঝতে হয় এবং সেগুলো শেয়ার করতে হয়। তাকে আমরা লাইব্রেরী বলে থাকি। এই কাজের জন্য আমরা লাইব্রেরীকে বারবার ব্যাবহার করতে পারি। পাইথনের সুবিধা হচ্ছে এই ল্যাঙ্গুয়েজটা অনেকটা অরগানাইজড যা সহজে পড়ে বুঝা যায়। এই সফটওয়্যার দিয়ে মোবাইল অ্যাপ, গেম এবং ইচ্ছা করলে অনেক বড় বড় সফটওয়্যার তৈরী করা যায়।

বিনোদনের অপর নাম প্রোগ্রামিং সেটা অনেকে বুঝে না। আমাদের দেশে প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ধারনা চিরতার মত তিক্ত। এই ভীতি দুর করার জন্য পাইথন প্রোগ্রামিং সবচেয়ে ভাল একটি সলুশন। পাইথন একটি বিগিনার ফ্রেন্ডলি ল্যাঙ্গুয়েজ যা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ। পাইথনে লিখা কোড সহজবোধ্য। পাইথনের নিজস্ব অনেক মডিউল ও লাইব্রেরী থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ পাওয়া যায়। যেমন বায়োপাইথন, পাইজিটিকে, ইমেজ প্রসেসিং এর জন্য অপেনসিভি ইত্যাদী উল্লেখযোগ্য।

ডাটা এনালিষ্ট প্রোগ্রামাররা বর্তমানে অনেকে বড় বড় কোম্পানীতে চাকুরী করছে এবং বর্তমানে তাদের আয় ও অনেক বেশী। অনেকে আবার বিদেশেও চাকুরী পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। বিগ ডাটাকে নিয়ে কাজ করার জন্য অনেকে পোষ্ট জিআরই এসকিউ এল নিয়ে কাজ করে।

অনেক অফিস আবার পেপারলেস অফিস তৈরী করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছ। তারা সকল হার্ডকপি অফিস ডকুমেন্টকে সফট কপিতে পরিবর্তন করছে এবং যখন যেটা দরকার তখন সেটা সার্ভার থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবে।

বাংলাদেশে খুব ভাল মানের ডাটা এনালিষ্টদের অভাব রয়েছে যা উত্তোলন করতে হলে বাংলাদেশে ভাল মানের কোর্স করা দরকার এবং সবার উদ্দোগ গ্রহন করা দরকার। তবে ভাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে কোর্স করলে ভাল কিছু শেখা যায়। বর্তমানে ডেফোডিল কম্পিউটার, ষ্টার কম্পিউটার, জেনুইটি, বেইস ট্রেনিং সিন্টারগুলো ভাল কিছু শেখানোর চেষ্টা করছে।

ডাটা এনালিষ্ট হতে হলে আপনাকে অফিস প্রোগ্রাম খুব ভাল মত জানতে হবে বিশেষ করে এমএস এক্সেল এবং মাইক্রোসফটএক্সেস এবং এর পরই শিখতে পারেন এসপিএসএস, পোষ্ট জিআরই এসকিউএল

বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানীতে প্রোগ্রামার বা ডাটা এনালিষ্ট এর পাশাপাশি টেষ্টার ও প্রয়োজন হয় কারন সফটওয়্যারটা বানানোর পরে অনেক বাগ বা ভুল থাকতে পারে সেগুলো ধরিয়ে দিয়ে সফটওয়্যারকে ভুল ফ্রি করাও টেষ্টারের কাজ। তাই বর্তমানে অনেক কোম্পানীতে টেষ্টার প্রয়োজন হয়। ডাটা এনালিষ্ট অনেক সময় টেষ্টারের কাজও করে থাকে। অনেক সময় বিভিন্ন ফরমেটে রিপোর্ট তৈরী করে থাকে। পাশাপাশি অনেক সফটওয়্যার কোম্পানীতে প্রোগ্রামারদের সাহায্যও ডাটা এনালিষ্টগন করে থাকে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে তারহীন প্রযুক্তি

Now Reading
স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে তারহীন প্রযুক্তি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অগ্রগতির এই জুগে ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প নেই। ইন্টারনেট ব্যবহারকে আরো সহজতর করেছে ওয়াইফাই। আধুনিক সময়ে তারবিহীন ডিভাইস এবং ওয়াইফাইকে পরিহারের কোনো সুযোগ নেই। ওয়াইফাই ছাড়াও আমরা প্রতিনিয়ত বিকিরণের একটি অদৃশ্য জালের সাথে জড়িয়ে পড়ছি। মস্তিষ্কে টিউমার হওয়া, বন্ধ্যত্ব, ইলেকট্রো-হাইপারসেনসিটিভিটিসহ অনেক রোগের ঘটনা আগের চেয়ে বর্তমানে বেশি দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিকিরণের কারণে মানুষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লিখেছেন সুমনা শারমিন
ইন্টারনেট আসক্তির এই আধুনিক সময়ে ওয়াইফাইয়ের তারহীন ইন্টারনেট সেবা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই ব্যবস্থায় রাউটারের সাথে তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায় মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের মতো ডিভাইস। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের আবির্ভাব ও এক লাখ কোটির বেশি স্মার্ট ডিভাইসে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) চালুর কারণে বিকিরণের এ সঙ্কট আরো প্রকট হচ্ছে। চণ্ডিগড়ের পোস্টগ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (পিজিআইএমইআর) সহযোগী অধ্যাপক ড. নেহরু বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে আমি অনেক রোগী, বিশেষ করে তরুণদের দেখেছি, যারা জটিল কিছু উপসর্গ নিয়ে আমার কাছে এসেছে। এসব উপসর্গ আগে কখনো দেখা যায়নি। ১৯৮৫ সাল থেকে আমি এ পেশায় নিয়োজিত। কিন্তু যে উপসর্গগুলোর কথা বলছি, সেগুলো গত ১০ বছরের মধ্যেই দেখা গেছে। এর আগের ২০ বছরে এমন কিছু দেখিনি আমি। ড. নেহরু সম্প্রতি ‘গ্লোবাল ওয়্যারলেস সুপারওয়েব’ নামের একটি বই প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে স্বাস্থ্যগত সমস্যার একটি প্রাসঙ্গিক সম্পর্ক উল্লেখ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন ডিভাইস থেকে নির্গত তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। নেহরু বলেন, এমন কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, যেগুলো আমরা আগে কখনো দেখিনি। এসব রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের কোনো পদ্ধতি আজ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। আমি এ খাতে বিস্তর গবেষণা করেছি। এসব রোগের সাথে এমন কিছুর সম্পর্ক রয়েছে, যার অস্তিত্ব নির্দিষ্টভাবে গত ১০ বছরে দেখা গেছে। যদিও এর শুরুটা গত শতকের শেষের দিকে। বিকিরণের এ জালের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে ইএনটি সার্জন ড. নেহরু বলেন, আমরা মস্তিষ্কে টিউমার হওয়া, বন্ধ্যত্ব, ইলেকট্রো-হাইপারসেনসিটিভিটিসহ অনেক রোগের ঘটনা আগের চেয়ে বেশি দেখছি। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিকিরণের কারণে মানুষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আমাদের চারপাশে বিকিরণের অদৃশ্য জাল দিন দিন আরো ঘন হচ্ছে। এটি ভালো কথা নয়; কিন্তু এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে কেউই কথা বলছেন না। সবাই বায়ুদূষণের কথা বলছেন। কেউই তড়িৎ-চুম্বকীয় দূষণের কথা উল্লেখ করছেন না। বড় করপোরেশনগুলোও জনগণকে ভুল ধারণা দিতে নিজেদের অর্থায়নে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের স্বার্থে তারা জনস্বার্থের বিষয়টিকে প্রচ্ছন্নে রাখতে লবিস্ট পর্যন্ত নিয়োগ করেছে। সরকারও স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা চিন্তা না করে তারহীন প্রযুক্তির ব্যবহারকে অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে।
ওয়াইফাইয়ের ক্ষতিকর প্রভাবের মধ্যে রয়েছে মনোযোগে সমস্যা, কানে ব্যথা, ঘন ঘন তীব্র মাথাব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, ঘুমে সমস্যা। যদিও এই প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে বিরত থাকা সম্ভব নয়, তাই তারবিহীন ডিভাইস ও ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহারে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। এতে ক্ষতিকর প্রভাব এবং সাইড ইফেক্ট অনেকটাই কমিয়ে আনা যাবে। ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ওয়াইফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। বেডরুমে রাউটার রাখা উচিত নয়। ব্যবহার না করলে ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন। এভাবে তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ বন্ধ না রাখলে শিশুদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে।

“বিগ ডাটা” (Big Data) একটি নতুন টেকনোলজী একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

Now Reading
“বিগ ডাটা” (Big Data) একটি নতুন টেকনোলজী একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

ডাটা এবং বিগ ডাটা কি?

বর্তমান যুগে আমরা প্রতিনিয়ত ডাটা নিয়ে কাজ করি। অনেকগুলো তথ্য বা ডাটাকে নিয়ে গঠিত হয় তথ্য ভান্ডার। বা তথ্যের ব্যাবহার করে থাকি। ডাটা ছাড়া দৈনন্দিন জীবনে চলা অসম্ভব । এই ডাটা কমে না বরং শুধু বাড়তেই থাকে । ডাটা বলতে শুধু যেকোন লিখাকে বুঝি না বরং ডাটা হতে পারে ছবি, ভিডিও, এনিমেশন ইত্যাদি। ডাটা বড় হতে হতে তৈরী হয় বিগ ডাটা।

ডাটা কিভাবে তৈরী হয়?

ডাটা নানা রকমভাবে তৈরী হয়ে থাকে যেমন আমরা কম্পিউটারে যত কাজ করি এবং জমা করি সবই ডাটার সমষ্টি বা অনেক সময় বলা হয় তথ্য ভান্ডার। আমরা যে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলি তা মোবাইলে স্টোর হয় এবং সেই ছবিও একটি ডাটা।

বিগ ডাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

যখন আমরা মোবাইল দিয়ে কোন ভিডিও করি তখন আমাদের মোবাইলের স্টোরেজে একটি ভিডিও ফাইল তৈরী হয়ে কিছু জায়গা দখল করে। সেই ভিডিওটিও এক ধরনের ডাটা বা ইনফরমেশন। এভাবে অসংখ্য ডাটা বা ইনফরমেশন মোবাইলে, কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে জায়গা দখল করতে করতে জায়গা শেষ হয়ে যায়। উধাহরন হিসাবে বলা যায়, আমরা যে কম্পিউটার কিনে থাকি সেই কম্পিউটারে প্রাথমিক অবস্থায় অনেক জায়গা থাকে কিন্তু সময়ের সাথে সাথে যখন আমরা প্রচুর ডাউনলোড করি গান, ভিডিও, সিনেbig-data-word-cloud.jpgমা, সফটওয়্যার ইত্যাদি তখন আমাদের কম্পিউটারের জায়গাও এক সময় শেষ হয়ে যায়। তখনই প্রয়োজন হয় আলাদা পেন ড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি কপি ইত্যাদি।  আর যখন এই ডাটা আরো বিপুল পরিমানে হয় তখন কি করা যায় ? এই রকম একটি চিন্তাভাবনা থেকেই তৈরী হয় একটি নতুন টেকনোলজী কনসেপ্ট আর তা হলো বিগ ডাটা কনসেপ্ট। বিগডাটা হচ্ছে একটি টেকনোলজী এটা বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে চালানো যায়। আশ্চর্যের ব্যাপার আপনি শুধু সাধারন একটি ল্যাপটপ দিয়ে বাসায় বসেই বিগ ডাটার কাজ করতে পারবেন।

ডাটা তৈরীর রেট নিম্নরুপঃ

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে টুইটারে ৯৮,০০০ জনের বেশী টুইট হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ফেসবুকে ৬৯৫,০০০ জনের বেশী স্টাটাস আপডেট হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১১ মিলিয়ন মেসেজ পাঠানো হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ৬৯৮,৪৪৫ এর বেশী মানুষ গুগলে সার্চ করে;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১৬৮ মিলিয়ন বা তার বেশী ইমেইল পাঠানো হয়;

প্রতি ৬০ সেকেন্ডে ১,৮২০ টেরাবাইটস এর বেশী ডাটা তৈরী হয়।

ওয়ার্ল মার্ট প্রতি ৬০ মিনিটে ১ লক্ষ এর বেশী ডাটা আদান প্রদান করে এবং এই তথ্য এক বিশাল তথ্য ভান্ডারে জমা হয়।

বিগ ডাটা টেকনোলজীতে কোন ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহৃত হয়?

বিগ ডাটাতে যে সকল টেকনোলজী ব্যাবহার হয় তা হলো  “হাডুপ (Hadoop)” নামের এক ধরনের ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং এটা একটা ডিসট্রিবিউটেড অ্যাপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক যার বিপুল তথ্য প্রসেস করার ক্ষমতা আছে। “হাডুপ” কোন রিলেশনাল ডাটাবেজ না বরং এটা অফ লাইন বা ব্যাচ প্রসেসিং সিস্টেম। হাডুপ এর ইকো-সিস্টেম হলো এইচডিএফএস অর্থ্যাৎ হাডুপ ডিসট্রিবিউটেড ফাইল সিস্টেম এবং এর সাথে ব্যাবহার হয় ম্যাপ রেডুস সিস্টেম যা একটি ডিসট্রিবিউটেড ফ্রেমওয়ার্ক সিস্টেম যা প্যারালালি কাজ কে এগিয়ে নিয়ে যায়। হাডুপ সিস্টেম এর ব্যাবহারগুলো হলোঃ মার্কেটিং তথ্য বিশ্লেষণ, মেশিন লার্নিং, ইমেজ প্রসেসিং, এক্সএমএল মেসেজ প্রসেসিং, টেক্সট প্রসেসিং ইত্যাদি।

বর্তমানে হাডুপ এবং ম্যাপরিডিউস ছাড়াও আরো দ্রুত গতির সলুশন চলে এসেছে। সেই রকম একটি টেকনোলজী হলো স্পার্ক (Spark) যা এপাচির (Apache) একটি প্রজেক্ট।

স্পার্ক ফ্রেমওয়ার্কে Python এবং R নামের দুটি সফটওয়্যার দিয়েই কাজ করা যায়। এবং বর্তমানে এই দুইটি বিশ্বে খুব জনপ্রিয় এক ধরনের সফটওয়্যার।

স্পার্ক এর আর এপিআই হলো স্পার্কআর (SparkR) এবং পাইথন এপিআই হলো PySpark যেকোন একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি কাজ করতে পারেন। আরা একটি পাওয়ারফুল প্রজেক্ট আছে আর তা হলো এইচ ২০ (H20) এবং তাদের ওয়েবসাইট হলো h20.ai, হাডুপ এর উপর তৈরী হয় এপাচির হাইভ (Hive) হল একধরনের ডাটা ওয়্যারহাউজ ইনফ্রান্ট্রাকচার যার কাজ হলেঅ তথ্যকে একত্রিত করা এবং ক্যুয়েরী (Query) করে ডাটা বিশ্লেষণ করা। এটা এসকিউএল (SQL) এর মত ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাবহার করে যার নাম হাইভক্যুল (HiveQL)।

আর এইচবেস (HBase) হল একটি ওপেন সোর্স যা নন-রিলেশনাল ডিসট্রিবিউটেড ডাটাবেস মডেল যা জাভা দিয়ে লেখা হয়েছে। এটা ডাটার ভুল ধরে অনাবশ্যক তথ্যকে সঞ্চয় করে। ডাটা এনালাইসিস এ এসকিউএল (SQL) এর চেয়ে বেশী প্রয়োজন হয় আরো গুরুত্বপূর্ন সফটওয়ার আর তার নাম হলো R, R  এক ধরনের স্ট্যাটিস্টিক্যাল প্রোগ্রামিং লেংগুয়েজ যা দিয়ে খুব সহজেই যে কোন ডাটা এনালাইসিস করা যায়। এখানে অনেক জিনিসই আপনি বিল্টইন পাবেন যার ফলে আপনাকে খুব বেশী কোড লিখতে হবে না।

বিগডাটার সুবিধা সমূহঃ

বিগডাটা দিয়ে সুধু ডাটা জমা রাখা যায় তা না বরং ডাটা এনালাইসিস করা যায়, বিভিন্ন ধরনের কাষ্টমাইজ রিপোর্ট জেনারেট করা যায়।  বিগ ডাটা শিখে একজন ছাত্র হতে পারে ডাটা এনালিষ্ট, প্রোগ্রামার, বিগ ডাটা ইঞ্জিনিয়ার, বিজনেস এনালিষ্ট, সোসাল মিডিয়া এনালিষ্ট, ডাটা ইঞ্জিনিয়ার, বিজনেস ডাটা ‍স্পেশালিষ্ট, ডাটা ভিজুয়ালাইজেশন ডেভেলপার, বিআই সোলুশন আর্কটেকচার ইত্যাদী হতে পারে।

বিগ ডাটার বিশেষ বৈশিষ্টঃ

আমরা আগে জানতান ওরাকল সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশী ডাটা নিতে পারে কিন্তু না এখন যেখানে ওরাকল এবং এসকিউএল সার্ভারের মত বড় বড় সার্ভার ডাটা নিতে নিতে জায়গা শেষ হয়ে যায় সেখানে বিগ ডাটা ব্যাবহৃত হয় এবং বিগ ডাটা অনায়াশে আনলিমিটেড ডাটা বহন করার ক্ষমতা রাখে।

মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

Now Reading
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভাল রাখার উপায়

মোবাইল, কম্পিউটার এবং ল্যাপটপকে ভাল রাখতে হলে যত্ন নিতে হবে। যেমন মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ইনষ্টল করা যাবে না, নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। মাঝেমাঝে অস্থায়ী (টেমপরারি) ফাইল মুছে ফেলতে হবে। মোবাইলে কোন এপ্লিকেশন চালু করলে অনেকে বন্ধ করেন না যার ফলে এপ্লিকেশনটি স্কিনে দেখা না গেলে ও ভিতরে ভিতরে চলতেই থাকে এবং চার্জ শেষ হয়ে যায়। অনেকটা একই রকম ঘটনা ঘটে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ক্ষেত্রে। তাই নিয়মিত চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ফাইল বা ফোল্ডার বা অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলতে হবে।

দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলা যাবে না তাতে করে ব্যাটারীর উপর একটু বেশীই চাপ পড়ে। তাই বলে আপনি গেম খেলতে পারবেন না তা না খেলতে পারবেন কিন্তু মোবাইল বেশী গরম হয়ে গেলে কিছুক্ষণ মোবাইলকে বিশ্রাম দিন।

ল্যাপটপ যেভাবে চার্জে চলে কম্পিউটার সেই রকম না। ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে কাজ করা উচিৎ না বরং ল্যাপটপটিকে সম্পূর্ণভাবে চার্জ দিয়ে নিন  এবং এরপর চার্জ দেওয়া ছাড়াই চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে থাকুন । অনেকে ল্যাপটপের জন্য কুলিং প্যাড ব্যাবহার করেন। ল্যাপটপ অবশ্যই সমান জায়গায়  রেখে কাজ করতে হবে। ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ না করাই ভাল কারন ল্যাপটপটি কাজ চলাকালীন সময়ে গরম হয়ে যায় এবং সেক্ষেত্রে আপনার পায়ের নীচের অংশ গরম হয়ে যেতে পারে বা পেটের সাথে লাগানো থাকলে পেটের নানা জায়গায় সমস্যা হতে পারে। সেই জন্য ল্যাপটপ রাখার জন্য শক্ত কিছু ব্যাবহার করুন।

কম্পিউটার সরাসরি চার্জে চলে না বরং কারেন্টে চলে এবং কারেন্ট চলে গেলে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় যদি আপনার কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ না থাকে। ইউপিএস থাকলে কম্পিউটারটি ল্যাপটপের মত কিছুক্ষণ ব্যাকআপ দেয়। তবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর উপর কিছুটা চাপ পড়ে তাই কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ থাকা ভাল। যেখানে ঘনঘন কারেন্ট যায় সেখানে অবশ্যই ইউপিএস থাকা দরকার এছাড়াও ইউপিএসকে ভালভাবে নিয়মিত চার্জ দিতে হবে। ইউপিএস কিনলে ভালমানের কেনাই শ্রেয়।

প্রায় সময়ই দেখা যায় কম্পিউটার স্লো এবং স্টার্ট নিতে অনেক সময় লাগে অনেক সময় কম্পিউটার ভাইরাসের কারনেও কম্পিউটার স্লো হয় এবং এর জন্য কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে ভালমানে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করা দরকার। অবশ্য উইন্ডোজ ১০ এর সাথে বিল্টইন উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দেওয়াই থাকে যার ফলে নতুন করে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

 

যারা ইন্টারনেট সংযোগ চান তাদের জন্য ব্রডবেন্ড সংযোগই ভাল কারন ব্রডবেন্ড ইন্টারনেট এ যে স্পিড পাবেন অন্য ক্ষেত্রে সেই স্পিড পাবেন না। আর আপনার বাসায় যদি ল্যাপটপ এবং একধিক মোবাইল থাকে আর আপনি যদি চান সবগুলোতেই সমান স্পিডে ইন্টারনেট পেতে হবে সেক্ষেত্রে আপনাকে একটি রাউটার কিনতে হবে। যার দাম পড়তে পারে ৩০০০ টাকার মত। যারা আপনাকে ব্রডবেন্ড সংযোগ দিবে তাদের বললে তারাই আপনার বাসায় এসে কনফিগার করে দিবে। সেক্ষেত্রে আপনি সবকিছুতে ইন্টারনেট ওয়াইফাই পাবেন। এমনকি আপনি যেই বিল্ডিং এ থাকেন সেই বিল্ডিংয়ের সবাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে যদি আপনি তাদেরকে পাসওয়ার্ড বলে দেন তাই সবাইকে আপনার পাসওয়ার্ড দিবেন না। যদি আপনার বাসায় এসে নিকট আত্বীয় আপনার ইন্টারনেট ওয়াইফাই ব্যাবহার করতে চায় তাহলে দিবেন তাতে কোন সমস্যা নাই। পাসওয়ার্ড সবার সাথে শেয়ার করা উচিৎ না।

 

আপনার  ল্যাপটপ বা কম্পিউটার গতিশীল রাখতে কিছু কমান্ড ব্যাবহার করা যায়। এর জন্য আপনাকে ষ্টার্ট মেনু থেকে রানে যেতে হবে (windows বাটন চেপে R অথবা ষ্টার্টমেনুতে রাইট ক্লিক করেও রান মেনু দেখা যায় )এবং টাইপ করুন tree তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন একই রকমভাবে টাইপ করুন prefetch তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন %temp%, তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট করে মুছে দিন। টাইপ করুন, temp/recent  তারপর কিবোর্ড থেকে ইন্টার দেন, এরপর যে ফাইলগুলো দেখাবে সব সিলেক্ট (ctrl+A)করে মুছে (delete) দিন।

 

হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি ড্রাইভ আলাদাভাবে সিলেক্ট করে প্রোপারটিজ এ জান এবং তার পর ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন এভাবে সি, ডি, ই যত ড্রাইভ আসে সবগুলোই আলাদা আলাদাভাবে ডিস্ক ক্লিনআপ করুন। মাঝে মাঝে ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন। সেই জন্য আপনি সার্চ দিয়ে ডিফ্রেগ লিখে ইন্টার দিলে ডিফ্রেগমেন্টেশন এন্ড অপটিমাইজেশন মেনু চলে আসবে তখন আপনি সহজেই ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারেন।

এছাড়া আপনি যদি কন্টোল প্যানেলে যান এবং অজানা বা অপ্রয়োজনীয় ফাইল আন ইনষ্টল করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার কিছুটা ফাষ্ট হতে পারে। একই রকমভাবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও আপনি কিছু অপ্রয়োজনীয় ফাইল কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আনইনষ্টল করতে পারেন।

আপনাকে আরো কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে যেমন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ইমেইল চেক করার সময় কোন সময়ই অজানা ইমেইলে ক্লিক করবেন না কারন সেটাও ইমেইল ভাইরাস হতে পারে। আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে কখনও ভিজা স্যাঁতস্যাতে জায়গায় রেখে কাজ করবেন না।

ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে আপনি একটি পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করতে পারেন। তাতে করে আপনার ল্যাপটপটি সুরক্ষিত থাকবে এবং অজানা কেউ আপনার কম্পিউটারে সহজে ঢুকতে পারবে না। এছাড়াও কম্পিউটারে যখন পেন ড্রাইভ ঢুকাবেন তখন সাবধান থাকবেন কারন আপনার পেন ড্রাইভে ভাইরাস থাকতে পারে এবং অবশ্যই ভাইরাস ক্লিন করে কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ ঢুকানো উচিৎ।mobilesecurity2.jpg

প্রিয় ল্যাপটপটি আজীবন ভালো রাখতে চান? মেনে চলুন এই সাধারন নিয়মগুলো।।

Now Reading
প্রিয় ল্যাপটপটি আজীবন ভালো রাখতে চান? মেনে চলুন এই সাধারন নিয়মগুলো।।

বর্তমানে বেশির ভাগ কাজ আমরা স্মার্ট ফোনে করে থাকলেও , অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো করতে কিন্তু ল্যাপটপ ব্যাবহার করতেই হয়। আর ভালো একটি ল্যাপটপ এর দাম অনেক বেশি। সুতরাং ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু সচেতনতা আপনাকে জানতেই হবে যদি আপনি চান আপনার কম্পিউটারটি ভালো থাকুক অনেকদিন পর্যন্ত। আর এই নিয়মগুলো কিন্তু খুবই সহজ-

১. পোষা প্রাণীকে আপনার ল্যাপটপ থেকে দূরে রাখুন
পোষা বিড়ালরা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের উষ্ণতার কারণে আকৃষ্ট হয়। আপনারও হয়তো বিষয়টা মজাই লাগে । কিন্তু এটা কিন্তু আপনার ল্যাপটপ এর জন্য খুবই ক্ষতিকর।কারণ বিড়ালের পশম ল্যাপটপের ফ্যান নষ্ট করে দিতে পারে। এছাড়া, কখনই ল্যাপটপ এর পাশে বসে খাবেন না। কারণ একফোঁটা খাবার ও যদি কি বোর্ড এ পরে তাহলেও আসতে পারে পিপড়া বা তেলাপোকা, যা ল্যাপটপ এর জন্য খুবই ক্ষতিকর!

cat-sleeps-on-laptop.jpg

২. চালু ল্যাপটপ নড়াচড়া করতে হবে খুব সাবধানে
কাজ করা অবস্থায় ল্যাপটপ খুব সাবধানে নড়াচড়া করাতে হবে। কারণ চলন্ত অবস্থায় ল্যাপটপ এ কিছু যন্ত্রপাতি চলতে থাকে। খুব বেশি নড়া চড়া করালে ওগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমন কি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হারিয়ে যেতে পারে।

move laptop.jpg

৩. সঠিক ভাবে কেবল বা তার  ভাজ করতে হবে
আমরা মনে করি কেবল যেহেতু শুধু মাত্র তার ও রাবার দিয়ে তৈরি, সেহেতু এর কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।এটা সত্য যে তার কে ভাজ করা যায়, গোল করে রাখা যায় অথবা যে কোন কিছুর সাথে পেঁচানো যায়।কিন্তু যেহেতু ল্যাপটপ এক জায়গা থেক আরেক জায়গায় সহজে বহন করার জন্য তাই এর তার গুলো হয় খুব সরু এবং চিকন।
এজন্য এই কেবল গুলোকে খুব শক্ত করে বাধবেন না বা পেঁচাবেন না।চার্জে দেয়া অবস্থায় জোরে টান দিবেন না। এতে প্লাগ দুর্বল হয়ে যায় এবং চার্জ হতে সমস্যা করে।

cables.jpg

 

৪.সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টাই ল্যাপটপ চার্জ দিয়ে রাখবেন না –
বর্তমানে ল্যাপটপ এ যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাতে ল্যাপটপ ওভার চার্জ হয় না। কিন্তু, আপনি যদি সবসময় চার্জর কানেক্ট করে রাখেন তাহলে যেই মাইক্রোকন্ট্রোলারটি ব্যাটারি কে ওভার চার্জ হওয়া থেকে রক্ষা করে তা ধীরে ধীরে ডেমেজ হয়ে যাবে। এর ফলে ব্যাটারি গরম হয়ে যাবে এবং ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।

full charge.jpg

৫.ধীরে ধীরে ল্যাপটপ খুলুন এবং বন্ধ করুন
ল্যাপটপ বেশিদিন ভালো রাখতে চাইলে সবসময় ল্যাপটপ টি ধীরে ধীরে খুলুন এবং বন্ধ করুন। কখনই ডিসপ্লে অংশটি ধরে ল্যাপটপ তোলার চেষ্টা করবেন না। কারণ এটা কম্পিউটার এর সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। সবসময় ল্যাপটপ তোলার সময় এর মাঝখানের অংশ ধরে তুলবেন।

৬. একটি ল্যাপটপ কুলিং প্যাড কিনে ফেলুন
ল্যাপটপ এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন আমরা যেকোনো জায়গায় তা ব্যাবহার করতে পারি। আমরা অধিকাংশ সময় আমাদের কোলে বা বিছানায় রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করি।
কিন্তু এটা উচিৎ না। কারণ এতে করে ল্যাপটপ এর ভেন্টিলেশন ব্লক হয়ে যেতে পারে। ফলে ল্যাপটপ এর ব্যাটারি গরম হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় একটা কুলিং প্যাড কিনে ফে্লুন।

৭. যেকোনো চুম্বকীয় পদার্থ থেকে ল্যাপটপ কে দূরে রাখুন-
যেকোনো ধরনের হার্ড ড্রাইভে চুম্বক ব্যাবহার করা হয় ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য। এজন্য ল্যাপটপ যদি কোন শক্তিশালী চুম্বকের কাছে রাখা হয় তবে হার্ড ড্রাইভের কর্ম ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে যেতে পারে। সুতরাং শক্তিশালী চুম্বক থেকে আপনার প্রিয় ল্যাপটপ টিকে দূরে রাখুন।

16289460-pexels-photo-251225-1505931887-650-302d5b4e95-1506938933.jpg

 

৮. চার্জার আন প্লাগ করুন করুন ধীরে ধীরে

অনেক সময় প্রচণ্ড ব্যস্ততার সময় আমরা তাড়াহুড়া করে চার্জর আন প্লাগ করি। এর ফলে কিন্তু প্লাগ এর ক্ষতি হতে পারে এবং ল্যাপটপ এর চার্জিং সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৯. ল্যাপটপ কভার ব্যাবহার করুন
আপনার ল্যাপটপ টি যদি ব্যাগের অন্যান্য জিনিসের সাথে রাখেন, তবে খুব সহজেই ল্যাপটপ এর ভিতরের ছোট ছোট মেশিন গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তাই সবসময় কভার ব্যাবহার করুন। কভার হিসেবে নরম ব্যাগ ব্যাবহার করুন।

১০. ল্যাপটপ এর স্ক্রিন পরিষ্কারে সাবধানী হন
আমরা জানি ল্যাপটপ পরিষ্কার করতে পানি বা কাপড় ব্যাবহার করা যায়  না। মাইক্রো-ফাইবার বা ল্যাপটপ ক্লিনর ব্যাবহার করুন।
স্ক্রিন পরিষ্কারের সময় বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না, কারণ ল্যাপটপ এর স্ক্রিন খুব নরম হয়।

১১. নিয়মিত ল্যাপটপ শাট ডাউন করুন
দিনের যে সময়টা কাজ করেন না সে সময় ল্যাপটপ টি বন্ধ করে রাখুন। সারাক্ষণ চালিয়ে রাখলে হার্ড ড্রাইভ এবং কুলিং ফ্যান ড্যামেজ হতে পারে। আর যদি কিছুক্ষণ পর পর চালানোর প্রয়োজন পরে তবে sleeping mood ব্যবহার করুন।

১২. ল্যাপটপ এর কাছে পানি বা পানিয় জিনিস রাখবেন না
আমরা জানি যে কোন ইলেকট্রনিকস জিনিসের জন্যই পানি ক্ষতিকর। কিন্তু আমরা অনেক সময় ল্যাপটপ এ কাজ করার সময় গরম চা বা কফি খাই। গরম পানিয় ল্যাপটপ এর সংস্পর্শে না এসেও ল্যাপটপ এর ক্ষতি করে। তাই গরম পানিয় ল্যাপটপ থেকে যতটা পারেন দূরে রাখুন।

water laptop.jpg

১৩. স্পেশালিষ্ট এর সাহায্য নিন
সফটওয়্যার কেন্দ্রিক জটিল সমস্যা হলে নিজে নিজে চেষ্টা না করে বরং স্পেশালিষ্ট দেখান। তা না হলে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হারিয়েও যেতে পারে।

১৪. ল্যাপটপ এর  কিছু বিষয়  কখনই হালকা ভাবে নিবেন না

– হার্ড ড্রাইভ যদি খুব ধীরে কাজ করে,

– খুব সাধারণ কাজ যেমন টাইপিং ইত্যাদি কাজ করতে গিয়েও যদি ল্যাপটপ ফ্রিজ হয়ে যায় বা খুব ধীরে কাজ করে।

– প্রায় ই আপনা আপনি রিস্টার্ট  হয়ে যায়।

এগুলো যদি নিয়মিত ঘটে তবে সাবধান হন। তা না হলে কিন্তু নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় ল্যাপটপটি ।

সুতরাং, মেনে  চলুন এই সাধারণ নিয়মগুলো।  আপনার প্রিয় ল্যাপটপ টির ব্যাপারে একটু সাবধান হলেই, তা ভালো থাকবে অনেকদিন পর্যন্ত।

 

কিভাবে জানবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে?

Now Reading
কিভাবে জানবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে?

তথ্য -প্রযুক্তির এ যুগে প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সাইবার আক্রমণের  শিকার হতে হয়। এর মাধ্যমে চুরি হয়ে যাচ্ছে কম্পিউটারে  থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক  এর তথ্য সমূহ ইত্যাদি। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয়  হ্যাকাররা এখন কম্পিউটারের তথ্য চুরি করে ব্ল্যাক মেইল ও করে থাকে। সুতরাং সময় এসেছে সাইবার হ্যাক সম্পর্কে সচেতন হাওয়ার।  নিজের কম্পিউটার কে হ্যাক থেকে বাঁচানর জন্য সচেতন থাকতে হবে এবং কম্পিউটারের প্রতিটা পরিবর্তন গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য করতে হবে।

সুতরাং আসুন দেখি কিভাবে পরীক্ষা করব আমার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে কিনা এবং সেক্ষেত্রে কি করতে হবে তাও জানব-

 

১. যদি আপনার কম্পিউটারের এন্টি -ভাইরাস সফটওয়্যারটি সুইচ অফ হয়ে যায়

আপনি যদি আপনার এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার টি সুইচ অফ দেখেন, কিন্তু আসলে আপনি নিজে সুইচ অফ করেন নি। সে ক্ষেত্রে খুব সম্ভবত আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক করা হয়েছে। কারণ হ্যাকার রা প্রথমেই যে কাজটা করে তা হচ্ছে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার অফ করে দেয়। এতে তারা সহজেই কম্পিউটারের ফাইল গুলোতে ঢুকতে পারে।

 

২.যদি আপনার পাসওয়ার্ড কাজ না করে-

আপনি পরিবর্তন না করা করা সত্ত্বেও যদি আপনার পাসওয়ার্ড কাজ না করে এবং আপনি যদি আপনার একাউন্টে ঢুকতে না পারেন, তাহলে এখনি সাবধান হয়ে যান। আপনার কম্পিউটারটি খুব সম্ভবত হ্যাক করা হয়েছে।

password change.jpg

 

৩. ফ্রেন্ড লিস্টে ফ্রেন্ড এর সংখ্যা বেড়ে গেলে-
যদি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে রহস্যজনক ভাবে এমন সব নতুন বন্ধু দেখেন, যাদেরকে আপনি এড করেন নি। সেই সাথে একাউন্টে ফ্রেন্ডের সংখ্যা বেড়ে গেলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক করা হয়েছে এবং আপনার একাউন্ট ব্যবহার করে স্প্যাম ছড়ান হচ্ছে।

৪.যদি দেখেন আপনার ডেশ-বোর্ডে নতুন নতুন আইকন দেখা যাচ্ছে
যদি আপনার ব্রাউজার ওপেন করলেই নতুন কিছু আইকন দেখা যায়, তবে বুঝবেন কিছু ক্ষতিকর কোড ঢুকেছে আপনার কম্পিউটার এ।

৫.যদি মাউস এর কার্সর নিজে নিজেই নড়া-চড়া করতে থাকে
যদি আপনার কম্পিউটারে মাউসের কার্সর নিজে নিজেই নড়া চড়া করতে থাকে, তবে নিশ্চিত হয়ে যান অবশ্যই আপনার কম্পিউটার টি হ্যাক হয়েছে।

৬.যদি প্রিন্টার ঠিক ভাবে কাজ না করে
সাইবার আক্রমণের প্রভাব শুধুমাত্র কম্পিউটারের উপর পরে তাই নয়, প্রিন্টার এর উপর ও প্রভাব পড়ে। যেমন, প্রিন্টারটি হয়ত ঠিক ভাবে প্রিন্ট করতে চাইবে না বা এমন কিছু প্রিন্ট করবে, যা আপনি ইন্সট্রাকশন দেন নি।

৭.যদি আপনার ব্রাউজার নিজে নিজেই নতুন নতুন ওয়েবসাইট ফরওয়ার্ড করতে থাকে
যদি আপনার ব্রাউজার নিজে থেকেই বিভিন্ন অপরিচিত ওয়েবসাইট ওপেন করতে থাকে, যেগুলো আপনি ওপেন করেন নি। অথবা আপনি সার্চ দিয়েছেন একটা ওয়েবসাইট ওপেন হয়েছে আরেকটা, অথবা আপনি যদি প্রায়ই বিভিন্ন পপ-আপ উইন্ড দেখেন, তাহলে বুঝবেন এখনি সময় সাবধান হবার।

৮. রহস্যজনক ভাবে আপনার কম্পিউটারের ফাইল ডিলিট হয়ে গেলে
যদি রহস্যজনক ভাবে আপনার ফাইল এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম গুলো ডিলিট হয়ে যায়, তবে বুঝবেন অবশ্যই আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে।

৯.যদি আপনার অনেক ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেট এ প্রকাশ পেয়ে যায়

যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার নাম দিয়ে সার্চ দিন, যেমন  kanij sharmin fb । যদি দেখেন ইন্টারনেট এ এমন সব তথ্য আছে যেগুলো আপনি দেন নি।  তাহলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়েছে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা হয়েছে।

১০.যদি সন্দেহজনক এন্টি-ভাইরাস মেসেজ পেয়ে থাকেন
যদি আপনার এন্টি- ভাইরাস এমন কোন মেসেজ দেয় যা স্বাভাবিকের চাইতে ভিন্ন অথবা আপনার কম্পিউটার এ এমন কোন এন্টি- ভাইরাস সফটওয়ার দেখতে পান যা আপনি ইন্সটল করেন নি। তাহলে বুঝবেন এটা হচ্ছে কম্পিউটার হ্যাক এর অন্যতম লক্ষণ।

১১.যদি আপনার ওয়েব ক্যামেরা টি অস্বাভাবিক আচরণ করে
আপনার ওয়েব ক্যামেরাটি পরীক্ষা করুন। যদি দেখুন এটি একা একা ব্লিনক করছে, তবে কম্পিউটার reboot করুন। যদি তারপরও ব্লিনক করতে থাকে তবে বুঝবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক করা হয়েছে।

১২. যদি কম্পিউটার খুব ধীরে কাজ করে
কম্পিউটার হ্যাকের অন্যতম একটি লক্ষণ হচ্ছে কম্পিউটার অনেক ধীরে কাজ করবে। যে কোন কাজ করতে স্বাভাবিক এর চাইতে বেশি সময় নিবে। সেই সাথে ইন্টারনেট এর স্পীড ও অনেক কমে যাবে। কারণ হ্যাকাররা আপনার নেটের লাইন ব্যবহার করেই কম্পিউটার হ্যাক করবে। এজন্য স্বাভাবিক ভাবেই নেটের উপর চাপ পরবে, ফলে নেটও স্লো কাজ করবে। যদিও কম্পিউটার স্লো হওয়ার অন্যান্য অনেক কারণ আছে। তবে কম্পিউটার হ্যাক হবার এটি অন্যতম একটি লক্ষণ।

১৩। যদি দেখেন আপনার ব্যাংক একাউন্ট থেকে রহস্যজনক ভাবে টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে
হ্যাকাররা কম্পিউটার হ্যাক করে ব্যাংকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে টাকা সরিয়ে ফেলতে পারে। সুতরাং এমন কোন লক্ষণ দেখলে এখনই সাবধান হওন।

 

কি করবেন যখন কম্পিউটার হ্যাক হবে?

  • সবার প্রথমে আপনার ইন্টারনেট সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দিন ।
  • আপনার বন্ধু এবং ক্লাইন্ট দের সাবধান করে দিন যাদেরকে আপনি নিয়মিত মেইল পাঠান। তাদেরকে জানান যে আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়ে গিয়েছে। সুতরাং তারা যেন আপনার কাছ থেকে পাঠানো কোন মেইল ওপেন না করে এবং কোন লিংক এ ক্লিক না করে।
  • আপনার ব্যাংক কে সমস্যার কথা জানান।  তাদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত ব্যাংক একাউন্ট নিরাপদ করুন।
  •    কম্পিউটারের সকল অপরিচিত এবং অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ডিলিট করে দিন।
  •  ভালো মানের এন্টি  ভাইরাস ইন্সটল করুন এবং পুরো কম্পিউটার স্ক্যান করুন
  • আপনার সকল অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন।
  • সবচেয়ে ভালো হয় একজন বিশেষজ্ঞের কাছে কম্পিউটার টি নিয়ে যান। কারণ হ্যাকার রা অনেক সময় আপনার বাসা বা কর্মস্থল এর সমগ্র নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পরে,ফলে মডেম বা রাউটার এর পরিবর্তন করতে হতে পারে। যা বিশেষজ্ঞ ছাড়া সমাধান করা কঠিন।

 

সুতরাং ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

 

 

আজও হলো না বাংলা টাইপের কোন ভালো সফটওয়্যার !!!

Now Reading
আজও হলো না বাংলা টাইপের কোন ভালো সফটওয়্যার !!!

আমাদের মাতৃভাষা বাংলাতাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে আমরা ইদানিং বাংলা ভাষাই বেশি ব্যবহার করে আসছিল্যপটপ বা পার্সোনাল কম্পিউটার কিংবা অ্যান্ড্রয়েড আমরা তাই অনেক রকমের বাংলা টাইপের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকিপ্রথমেই আপনাদের কিছু জনপ্রিয় বাংলা টাইপের সফটওয়্যার নিয়ে ধারণা দিতে চাই

প্রথমেই থাকছে কম্পিউটার লে আউট বাংলা টাইপিং সফটওয়্যারঃ

বাংলা জাতীয়

কম্পিউটার এর এই সফটওয়্যারটি বাজারে রিলিজ করে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলবাংলা টাইপিং এর জন্য এই সফটওয়্যারটি অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছেবিশেষ করে আমাদের দেশের সরকারি অফিস গুলোতে এটি অনেক বেশি ব্যবহার হয়ে আসছে

বেঙ্গলি ইন্সক্রিপ্ট

এটি বাংলা টাইপের উন্নত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে একটিমাইক্রোসফট কর্পোরেশন এটি বাজারে পাবলিশ করেমূলত এটি ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা টাইপের সফটওয়্যারএটি ভারতে বর্তমানে বেশি প্রচলিত হয়ে আসছে

প্রভাত

বাংলা টাইপের জন্য একটি অন্যতম জনপ্রিয় সফটওয়্যার এর একটি হচ্ছে প্রভাতএটিও ইউনিকোড ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার

বিজয়

আমাদের দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় যে বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার এখন বাজারে আছে সেটি হচ্ছে বিজয় বায়ান্নআনন্দ কম্পিউটারের  মালিক মোস্তফা জব্বার এই সফটওয়্যার প্রথম বাজারে পাবলিশ করে১৯৮৮ সালে এটি বাজারে ছাড়া হয়আমাদের দেশের ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ইউজাররা এটি সবচেশে বেশি ব্যবহার করেকম্পিউটার ব্যবহৃত বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে অনেক বেশি সহজলভ্য

ফোনেটিক কম্পিউটার লে আউটঃ

অক্ষর

এই সফটওয়্যারটি ডেভেলপড্ করেন খান মো. আনুয়ারুল সালামতিনি এটি বাজারে প্রকাশিত করেন পহেলা জানুয়ারি ২০০৩ সালে

অভ্র

জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে বাংলা টাইপিং সফটওয়্যারটি আছে সেটি হচ্ছে অভ্রমেহেদি হাসান খান এই সফটওয়্যারটির প্রতিষ্ঠাতা২৬শে মার্চ ২০০৩ সালে এটি বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেমাইক্রোসফট উইন্ডোজ,  ম্যাক ওএসএক্স, লিনাক্স সহ প্রায় সব কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম এটি কাজ করেইউনিকোড সহ বাংলিশ লিখার সহজলভ্যতার কারণে অভ্র এতটা জনপ্রিয়তা পেয়েছে

অঙ্কুর

এস. এম. রায়হান কবির এই সফটওয়্যার টির প্রতিষ্ঠা করেন। এটি বাজারে ছাড়া হয় ৩০ মার্চ ২০১১ সালে

মোবাইল ফোন লে আউটঃ

রিদ্মিক

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের জন্য অন্যতম সেরা যে সফটওয়্যার সেটি হচ্ছে রিদ্মিক কীবোর্ডবাংলাদেশে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী দের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়সম্প্রতি এই অ্যাপস টিতে অনেক ধরণের নতুন নতুন সব ফিচার যুক্ত করা হয়েছেযা এই অ্যাপসটিকে আরো অনেক সমৃদ্ধ করেছে

মায়াবী

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী দের জন্য অন্য একটি জনপ্রিয় বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার মায়াবী কীবোর্ডএটির অফিসিয়াল রিলিজ হয় ২০১১ সালের মার্চেবাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে এই অ্যাপসটির জনপ্রিয়তা নেহাত কম না

এছাড়াও আরো অনেক বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার আছেযেগুলো ব্যবহার করে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ভাব বিনিময় করে থাকিতবে এইসব বিভিন্ন বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার গুলোতে অনেক সমস্যাদি বিদ্যমানএসব সমস্যা কে বাগ (bug) বলা হয়

বাগ (bug) কি?

বাগ (bug) হচ্ছে কোন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামে অনিচ্ছাকৃত ভাবে সৃষ্ট ত্রুটিআমাদের দেশীয় সৃষ্ট যে বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার গুলো আছে সেগুলো ব্যবহার উপযোগী হওয়ার চেয়ে এর অভ্যন্তরীণ ত্রুটি পরিমাণ অনেক বেশিএইসব সফটওয়্যার ব্যবহার করতে গেলে এমন সব উদ্ভট সমস্যাদির সম্মুখীন হতে হয় যে যা খুবই অনিচ্ছাকৃতএমন সব সমস্যা যা কখনো কল্পনা করা হয় নাতবে এমন কোন প্রোগ্রাম কোম্পানি নেই যে যারা বলতে পারবে তাদের সফটওয়্যারে বাগ (bug) নেইপ্রোগ্রাম বলতে বাগ (bug) এর সম্মুখীন হতে হবে এটাই সত্যতবে প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীগণ যেন এইসব সমস্যা থেকে সমাধান পায় তার জন্যে প্রোগ্রাম ডেভেলপারদের আরো বেশি করে কাজ করে যাওয়া উচিতবিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফটঅথচ তাদের সৃষ্টযে বিভিন্ন উন্নতমানের সফটওয়্যার গুলো বাজারে আছে সেগুলো এই বাগ (bug) সমস্যার বাইরে নয়অসংখ্য অনাকাঙ্খিত নানা ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এই সব উন্নত সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে গেলেআর সেই তুলনায় আমাদের দেশীয় সফটওয়্যার গুলো খুব ভালো পারফর্মেন্স দেখিয়ে আসছেযা আমাদের জন্য অনেকটা গর্ব করার মতো ব্যাপার

বাগ (bug) সমস্যা থেকে সমাধান পেতে কি করা যেতে পারে?

অবশ্যই প্রথমে ব্যবহৃত ডিভাইস খুব ভালো এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করা উচিতএছাড়াও নানা ধরণের সমস্যা সৃষ্টির জন্যে সফটওয়্যার কোম্পানি গুলোতে গুরুতর রিপোর্ট করতে হবে যাতে করে তারা এইসব বাগ ( bug) দূরীকরণে সক্রিয় হয়তবে উন্নত কোম্পানি গুলো যা করে থাকে তা হল যখন তাদের সফটওয়্যার অনেক বেশি পরিমাণে বাগ (bug) দেখা দেয় তখন তারা তাদের ডেভেলপারদের মাধ্যমে সফটওয়্যার গুলো আরো ভালোভাবে ফিক্স করে এবং নানা ধরণের আপডেট করেএতে করে সমস্যাগুলো অনেকটাই কমে আসেআর আমাদের দেশীয় যে সফটওয়্যার বা বাংলা টাইপিং অ্যাপস বাজার ছাড়া হয় তা পরবর্তীতে কোন রকমের আপডেট বা বাগ (bug) ফিক্স করার জন্য কোন ডেভেলপমেন্ট করা হয় না বললেই চলেএতে করে সফটওয়্যার গুলোর বাজার মান অনেকটা কমে যায়অনেক সফটওয়্যার কোম্পানি তাদের সফটওয়্যার এর জনপ্রিয়তা হারায়আর তাই এদিক থেকে আমাদের দেশীয় সফটওয়্যার কোম্পানি বা সফটওয়্যার ডেভেলপারদের অনেক বেশি সচেতন হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি

আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে বলতে গেলে আমাদের দেশে এমন অনেক জিনিয়াস ইয়ং জেনারেশন আছে হয়ত তারা আরো অনেক ভালো বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার ক্রিয়েট করতে সক্ষম হবেআমরা সেই দিন টির আশায় অপেক্ষারতএমন সব ভালো বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার তারা সৃষ্টি করবে যা ব্যবহার করা অনেক সহজলভ্য হবেবাগ (bug) সমস্যাগুলো কখনো পুরোপুরিভাবে নির্মূল করা সম্ভব নয়তবে অবশ্যই তা খুব অল্প পরিমাণে সফটওয়্যার বা অ্যাপস গুলোতে থাকবে যাতে করে ব্যবহারকারী কোনরকম গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন না হয়অনেক ভালো ভালো প্রোগ্রামার রয়েছে আমাদের দেশেহয়ত তারা তাদের সৃজনশীলতা কে কাজে লাগিয়ে অদূর ভবিষ্যতে অনেক উন্নত মানের বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার ক্রিয়েট করবেবর্তমানে যে সব সফটওয়্যার বাজারে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে নতুন সৃষ্ট সফটওয়্যার গুলো জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগুলোকেও ছাড়িয়ে যাবেআর সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়

ভিডিও গেম খেলার কিছু স্বাস্থ্য-উপকারিতা!

Now Reading
ভিডিও গেম খেলার কিছু স্বাস্থ্য-উপকারিতা!


আমরা সব সময় শুনতে পাই কিভাবে ভিডিও গেম শিশুদের স্বাস্থ্যর উপর কিরূপ প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত ভিডিও গেম খেলার ফলে শিশুরা শারীরিক এবং মানুষিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের উচিত তাদের এ ভিডিও গেম খেলা থেকে নিরুৎসাহিত করা এবং তারা ভিডিও গেম খেললেও এটা খেলার নিদিষ্ট সময় সীমা বেধে দেওয়া।

ভিডিও গেমের অনেক নেগেটিভ ইফেক্ট থাকা স্বতেও আমরা এটা খেলা থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনা। ভিডিও গেম খেলার যতই নেগেটিভ ইফেক্টের কথা বলি না কেন এর অপকারীতার সাথে কিছু উপকারীতাও রয়েছে।  ভিডিও গেম খেলা আমাদের শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

বি দ্র : আমরা বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারীতা জানার আগে বলে  রাখা ভাল যে আমার এই পোষ্ট পরে ভিডিও গেমস খেলে সময় ব্যয় করার কোনো অজুহাত হিসেবে বেছে নিবেন না। আর যদি অজুহাত হিসেবে বেছে নেন তাহলে আমি পোষ্টদাতা কোনভাবেই দ্বায়ী নয়।

ডিসলেক্সিয়া (উচ্চারণগত সমস্যা) থেকে মুক্তি পেতে পারেন:

আপনি যদি ডিসলেক্সিয়া (উচ্চারণগত সমস্যা) ভোগেন তবে এটি আপনার জন্য কিছু চমৎকার খবর আছে, ভিডিও গেমিং এ আপনাকে মানসিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে সাহায্য করতে পারে। যদিও গবেষকরা ডিসলেক্সিয়া নিয়ে সম্পূর্ণরূপে বুঝতে পারেনি কেন এটি কেবল কিছু লোককেই প্রভাবিত করে, কিন্তু এ বিষয় নিয়ে কিছু বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব রয়েছে এবং এ গবেষণায় ফলাফলগুলি অস্বীকার করা যায় না।

এর গবেষণায় একটি তত্ত্ব এমন যে, কোন শব্দ পড়তে অমনোযোগীতার কারনে ডিসল্যক্সিয়া সমস্যা হতে পারে। কম্পিউটার গেমগুলির সুবিধা হল যে কম্পিউটার গেমিং আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মনোনিবেশ করতে বাধ্য করে। এর ফলে আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন না আপনি এই দীর্ঘ সময় আপনার কাছে কঠিন শব্দটি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন।

এখনকার গেমগুলো সিনারিওপূর্ণ। গেম খেলার সময় আপনার প্রতিটি নির্দেশগুলি পড়তে হয়, সে নির্দেশ গুলোর মাঝে প্রায়ই আপনার সে পাঠ্য শব্দটি দেখা যায় যা আপনার উচ্চারণে সমস্যা হয়, কিন্তু সে শব্দটি গেমসে আপনি একের অধিকবার পড়েন। প্রয়োজনীয় যে নির্দেশাবলী আছে তা আপনি অনুসরণ করে আপনাকে মিশন সম্পূর্ণ করতে হয়, এতে করে গেমের নির্দেশাবলীর শব্দ গুলী মনোযোগ সহকারে পড়েন।

আপনার চোখের দৃষ্টি শক্তির উন্নতি হতে পারে:

পুরানো বিশ্বাস মতে আপনি যদি কম্পিউটার বা টিভিতে খুব কাছাকাছি বসে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনার দৃষ্টি সমস্যার সৃষ্টি হবে।ওকে ঠিক আছে, আমরা আসলে বেশিরভাগ সময় টিভি দেখা বা কম্পিউটারে গেম খেলার সময় মনিটরের খুব একটা কাছেও বসি না। এখন গেম খেলার জন্য আর টিভির সাওমে বসে থাকতে হয় না।  গেমিং কন্ট্রোলারের ক্যাবল এতো বড় যে চাইলে আমরা এখন রুমের যেকোন প্রান্ত থেকে গেমস খেলতে পারি।

অন্যান্য গবেষণা দেখায় যে, কম্পিউটার গেমিং আপনার চোখের দৃষ্টিকে উন্নত করতে পারে। কারণ আপনি কম্পিউটার গেমিং এর সময় কম্পিউটার স্ক্রিনে গেমের মিশনের সব কিছু সন্ধান করতে হয় এবং একই রঙের বিভিন্ন ধাপ গুলির মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন। এই ক্ষমতাটি আপনার বাস্তব জীবনে কাজে লাগে। আপনি যখন হাঁটাচলার মধ্যে তখনো সহজে যেকোনো রঙের মধ্যে পার্থক্যটি খুঁজে পাবেন। এবং রংটির মাঝে কোন খুঁত আছে কিনা তাও আপনারা বের করতে পারবেন।

গেমিং আপনাকে দৈহিক ভাবে আরো বেশী একটিভ করতে পারে

প্রথম কম্পিউটার গেম আবিষ্কারের পর দীর্ঘদিন পার হয়ে গেছে। এক সময় ছিল, যখন শিশু এবং প্রাপ্ত বয়স্করা গেমের মিশন সম্পন্ন করার জন্য ঘন্টার পর ঘণ্টা গেম খেলে যেত। আমি এখনো মনে করতে পারি, যখন আমি ঘন্টার পর ঘণ্টা বসে গেমের লেভেল পার করার জন্য খেলে গেছি তার কারণ ছিল তখন কোন গেম সেভ করার ফাংশন ছিল না।

এখন গেমিং এর সাথে শারীরিক দিকও অন্তর্ভুক্ত। ”জাস্ট ডান্স”, ”উই ফিট”, ”গিটার হিরো” এবং আরও অনেক গেম আছে যেসব গেম আপনাকে রুমে দাঁড়িয়ে দাঁড়াতে ও ঘুরে এবং হেটে খেলতে হচ্ছে। এতে করে আপনি আপনাকে ফিজিক্যালি একটিভ রাখতে পারেন, আপনি আপনার ফোকাসে আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন এবং আপনি চাইলে ওজন কমাতে পারেন গেম খেলার মাধ্যমে।

আপনি এই ধরনের গেম না খেলেও আরও বেশি শারীরিকভাবে নিজেকে এবং আপনার বাচ্চাদের সক্রিয় রাখতে পারেন। বাচ্চারা যারা বেশি স্পোটসি গেম খেলতে পছন্দ করে তাদের বাড়ির বাইরে গিয়ে খেলাতে আপনি আগ্রহী করে তুলতে পারেন।

গেমিং আপনার সৃজনশীলতা বৃদ্বিতে সাহায্য করে

সৃজনশীলতা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীতা নিয়ে আসে, এবং ভিডিও গেমিং অবশ্যই সৃজনশীলতার বিকাশ করে। এটি সব ধরনের গেমিং এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

চলুন শুরু করা যাক যেকোনো ম্যালেটারী মিশন বা শুটিং গেম দিয়ে, গেমে প্রথমে আপনি আপনার মিশন সম্পর্কে বুঝতে হবে, এবং আপনাকে ম্যাপে কোথায় যেতে বলেছে, এবং বিভিন্ন অস্ত্র সম্পর্কে সবকিছু জানার প্রয়োজন পড়ে। এসব গেমে বিশেষ করে যখন কঠিন লেভেলে আছেন তখন আপনি কখনও কখনও শত্রুকে মেরে ফেলা বা হারানোর জন্য সৃজনশীল উপায়গুলি খুঁজে বের করেন।

আপনাকে সৃজনশীল করে তোলার জন্য আরও কিছু গেম রয়েছে যেমন Mine craft এবং Sims। এসব গেমে আপনাকে আপনার পরিবার, বাড়ি, এবং আপনার পৃথিবীকেনিজের মত তৈরি করে নিতে হয়। এবং আপনার তৈরি ক্যারেকটার গুলোকে আপনার ডেভেলপ করতে হয় যেসব জিনিস গুলোর আগে কখনও অস্তিত্ব ছিল না। এসব গেম খেলা শুরু করার আগে আপনাকে গেম থেকে অল্প কিছু ধরনা দেওয়া হয়, যা কিনা আপনার সৃজনশীলতা বিকাশে সহয়তা করে।

গেমিং আপনার স্মৃতিশক্তি এবং অন্যান্য প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে

আমরা সর্বদাই শুনতে পাই কিভাবে আমরা আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি। সেজন্য অনেকেই ক্রসওয়াডস এবং সুডকো পাজল দিকে মনোনিবেশ করে থাকেন,এটা এড়িয়ে যাওয়া যাবে না যে কম্পিউটার গেমসও সেই দিক থেকে কোন অংশে কম নয়। শুধু এটা চিন্তা করতে হবে যে যখন আমরা গেমস খেলছি তখন আমরা আমাদের ব্রেইনের কতটা ব্যবহার করছি।

গেমস খেলতে খেলতে আপনাকে গেমের প্যাটার্ন সম্পর্কে বুঝতে হবে,এবং আপনাকে মিশন, চরিত্র,এবং যা যা করতে হবে সব মনে রাখতে হয়। গেমের প্রতিটা ষ্টেজ যখন আপনার creative আইডিয়া দ্বারা অতিক্রম করতে চাইবেন তখন আপনার ব্রেইন কাজ করবে। এবং আপনার ব্রেইনে সে আইডিয়া গেঁথে থাকবে।

গেমিং আপনাকে মানসিক যন্ত্রনা থেকে দূরে রাখতে পারে

একাকীত্ব থেকে আপনার ভিতর অশান্তি তৈরি হতে পারে, আপনার এ একাকীত্ব এক নিমিষেই দূর করে দিতে গেমিং এর জুড়ি নেই। ভিডিও গেমিং আপনার মানসিক অশান্তির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আপনি যখন ভিডিও গেম খেলেন আপনার পুরো মনোযোগ তখন গেমের ভিতর থাকে, আর গেমের ভিতর তখন এমন কিছু ঘটছে যা আপনি উপভোগ করছেন, আর আপনার এ উপভোগের সময়ই আপনি আপনার দুঃখ ব্যথা ভুলে যান।

আমি ১০০% গেরান্টি দিয়ে বলতে পারি যে এটা কাজ করে। আমার এখনো মনে আছে যে, ছোট বেলায় একদিন আমার বন্ধু তার বাড়িতে গেম খেলতে নিয়ে যায় সেখানে যাওয়ার পথেই আমার পেট ব্যথা শুরু হয়। কিন্তু আমরা সেখানে পৌঁছে কেবল আমরা কিছুক্ষণ ভিডিও গেম খেলেছিলাম, কিন্তু ফিরে আসার পর বুঝতে পারছিলাম যে গেম খেলতে খেলতে আমি আমার পেট ব্যথার কথা সম্পূর্ণ ভুলে গিয়েছিলাম!!!

আপনার সামাজিক দক্ষতাকে উন্নত করে এবং নতুন সম্পর্ক গড়তে সাহায্য করে

আপনি এখনকার সময় গেম খেলতে খেলতে আপনার সামাজিক দক্ষতার উন্নতি করতে পারবেন। তার কারণ এখন বেশিরভাগ গেম এখন আপনার অনলাইনে খেলার সুযোগ রয়েছে, সেখানে আপনি অন্য প্লেয়ারদের সাথে চ্যাটের মাধ্যমে কথা বলতে পারবেন। কিছু গেমে এখন আপনি লাইভে চ্যাটের মাধ্যমে কথা  বলতে পারবেন।

আপনি গেমিং এর  মাধ্যমে অন্য মানুষের সম্পর্কে জানতে পারবেন, এবং তাদের সাথে রিলেশন ক্রিয়েট করতে পারবেন। এবং আপনার ফিলিংস তাদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। ও আপনারা আপনাদের আনন্দ,ভালোবাসা, সবকিছু একই সাথে সেলিব্রেট করতে পারবেন।

গেমিং আপনাকে মানসিক চাপে থেকে সামাজিক দক্ষতা উন্নত করতে শিখাবে। ধরুন আপনি টিম মেম্বারদের সাথে নিয়ে  কোন শুটিং গেম খেলছেন, যখন কিনা আপনার গেমে আপনার শত্রুরা আপনার টিমকে এটাক করছে তখন আপনার টিমকে সহায়তা করার জন্য আপনাকে কোন কিছু অর্ডার করতে হতে পারে আপনার টিম মেম্বারকে। গেম আপনাকে এ চাপে সময় আপনার টিমকে কি করতে হবে সে জন্য আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি ডিসিশন নিতে শিখায় এবং টিমের এ পরস্পর তড়িৎ যোগাযোগ আপনার সামাজিক দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে

গেমিং আপনাকে দ্রুত সিদ্বান্ত নিতে শিখায়

কিছু কিছু গেম খেলার সময় আপনাকে দ্রুত ভাবতে হয়। আপনি গেমে মিশন কমপ্লিট করার জন্য কি কি করবেন, কোন পথ বেছে নিবেন, শত্রুর বিপরীতে কি একশন নিবেন এগুলো আপনাকে খুব দ্রুত চিন্তা ভাবনা করতে হয়। এ সব গেম আপনাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে শিখায়।

গেমে আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরী নয়। গেমে আপনাকে শিখানো হয় আপনি কিভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন বিষয়ে। আপনার সিদ্ধান্তহীনতা আপনাকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তাই গেম আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নয় বরং আপনাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে শিক্ষা দিয়ে থাকে। আমাদের জীবনে মাঝে মাঝে সুযোগ গ্রহণে কিছু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আমরা গেম খেলার মাধ্যমে এ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে শিখতে পারি।

বেশি ভিডিও গেম খেলুন নিজেকে সুস্থ ও একটিভ রাখুন

এখন আপনার কাছে প্রতিদিন ভিডিও গেম খেলার সব কারণ আছে। কারণ গুলো আপনার জন্য আশ্চর্যজনক ভাল কিন্তু তা শুধুমাত্র লিমিটেশনের ভিতর থাকা পর্যন্ত। প্রতিদিন আপনি গেম খেলে ২০-৩০ মিনিট ব্যয় করছেন সব গেম গুলো নিয়ে চিন্তা করুন আপনি কি ধরনের গেমস খেলছেন এবং গেম থেকে আপনি কি কি শিখতে পেরেছেন।

শিশুরা সামাজিকভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখে, এবং তারা এখনও বাইরে গিয়ে খেলতে পছন্দ করে। মাতাপিতা হিসাবে, আপনি আপনার বাচ্চাদের বাইরে গিয়ে খেলতে উৎসাহিত করতে পারেন।একমাত্র আপনি আপনার শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারেন।

তো আর দেরি কিসের মেতে যান গেমসের দুনিয়ায় আর নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতি সাধিত করুন