অবিশ্বাস্য আকাশচুম্বী ইমারত

Now Reading
অবিশ্বাস্য আকাশচুম্বী ইমারত

আকাশকে ছোঁয়ার জন্য মানুষ কতো কি করেছে। আকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তা জানার অদম্য ইচ্ছা মানুষকে নিয়ে গেছে আজ বিশাল দূরে। এখন পৃথিবীর বুকেই তৈরি হচ্ছে আকাশ ছোঁয়া ইমারত। সেই ইমারতের উপর থেকেই মেঘের ভেতর দিয়ে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তা অনুভব করা যায়। বর্তমানে সর্বোচ্চ উচ্চতার দালান “বুর্জ খলিফা” যার উচ্চতা প্রায় ৮৮৪মিটার দাঁড়িয়ে আছে আরব আমিরাতের বুকে। কিন্তু তাকে পাল্লা দিয়ে আরো উঁচু দালান তৈরি করার জন্য মানুষ উঠে পড়ে লেগেছে। আজ তুলে ধরবো ভবিষতে গড়তে যাওয়া বিশাল ইমারতগুলোর কথা যেখান থেকে পৃথিবী পৃষ্টকে সহজে দেখা যাবে না।Iconic_tower.png

আইকনিক টাওয়ারঃ
আইকনিক টাওয়ারটি হয়ত উচ্চতার দিক দিয়ে “বুর্জ খলিফাকে” ছড়াবে না কিন্তু বাংলাদেশীদের কাছে অবশ্যই আকাশ থেকে মাটিকে দেখার স্বাদ দিতে সাহায্য করবে। হ্যাঁ, ঠিকই পরেছেন। বাংলাদেশ হতে চলছে পৃথিবীর সুউচ্চ ভবনের অধিকারী। ৭৩৪ মিটারের একটি সুবিশাল ভবন ঢাকার পূর্বাচলে গড়ে তোলা হবে। এই টাওয়ারটি নির্মাণ করা হলে এটি দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতার দালান হিসেবে প্রকাশ পাবে। উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কেপিসি গ্রুপ যার মালিক বাংলাদেশী নাগরিক কালি প্রদ্বীপ চৌধুরী এই টাওয়ারটি তৈরি করছেন। এই টাওয়ারটি তিনটি টাওয়ারের সমন্বয়ে তৈরি করা হবে যা প্রধান একটি টাওয়ারকে ঘিরে দুটি টাওয়ার পাশে থাকবে। প্রধান টাওয়ারটির উচ্চতা হবে ১৪২ তলা এবং পাশের দুটি টাওয়ারের উচ্চতা হবে ৭১ তলা করে। এই টাওয়ারটি নির্মাণে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। টাওয়ারটি নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই অনুমতি দিয়ে দিয়েছে এবং এই বছরেই এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলে কেপিসি গ্রুপ ঘোষণা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সালের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

স্কাই সিটিঃ
স্কাই সিটি নামে একটি সুবিশালভবন জাপানে খুব শীঘ্রই গড়ে তুলতে যাচ্ছে। ১০০০ মিটার বা ১ কিলোমিটার উচ্চতার দালানটি নির্মাণের জন্য নকশা করা হয় ১৯৮৯ সালে। ১৯৬ তলা উচ্চতার ভবনটি Takenaka Corporation নামে একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এর জন্য ঘোষণা দিয়েছে। ভবনটি নির্মাণ করতে গেলে এর যা খরচ হবে তার ৯০% খরচ হবে এর জন্য জায়গা কিনতে কারণ জাপানে জায়গার দাম অনেক বেশি।80264da5-36e8-4ce0-8766-2df735b77cbe_16x9_788x442.jpg

জেদ্দা টাওয়ারঃ
পৃথিবীর প্রথম ভবন হিসেবে ১ কিলোমিটার উচ্চতা হওয়ার মাইলস্টোন গড়তে যাচ্ছে সৌদি আরবের এই জেদ্দা টাওয়ার। সৌদি প্রিন্স আল ওয়ালিদ বিন জালালের ইচ্ছা অনুযায়ী ১ মাইল উচ্চতার ভবন নির্মাণের জন্য এই টাওয়ার নির্মাণ করার কথা ছিল কিন্তু ভৌগোলিক কারণে জেদ্দা টাওয়ার ১মাইল উচ্চতার মাইলস্টোন পার হতে পারবে না। ২০১৩ সালে টাওয়ারটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে ২০১৯ সালের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে। টাওয়ারটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যার সম্পূর্ণ অর্থই দিচ্ছেন প্রিন্স আল ওয়ালিদের কিংডম হোল্ডিং কোম্পানি।

দ্য ইলিয়নোসঃ
দ্য ইলিয়নোস ভবনটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমেরিকা স্থাপন করতে যাচ্ছে। ১৬০৯ মিটার ( ১মাইল) উচ্চতার ভবনটি নির্মাণের জন্যে ফ্রাঙ্ক ললয়েড রাইট ( Frank Lloyd Wright) এর নকশা করেন। ৫৩৮ তলা ভবনটিতে প্রায় ১৫০০টি গাড়ি এবং ১৫ টি হেলিকপ্টার পার্ক করা যাবে।1.jpg

বায়োনিক টাওয়ারঃ
বায়োনিক টাওয়ার আদতে ভবন রূপী একটি শহর। চীনের সাংহাইতে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ১ লাখ মানুষের বাসস্থান এর জন্যে এই টাওয়ারটি নির্মান করা হবে। ভবনটি প্রায় ১২২৮.২ মিটার উচ্চতার ৩০০ তলার একটি ভবন। এখানে চলাচলের জন্য ৩৬৮টি এলিভেটর থাকবে।large_thumbnail.jpg

দুবাই সিটি সেন্টারঃ
আরব আমিরাত “বুর্জ খলিফা” ভবন নির্মাণের পর আরেকটি সুবিশাল ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেয়। ২০০৮ সালে বলেন, তারা দুবাই সিটি সেন্টার নামে প্রায় ২৪০০ মিটার উচ্চতার (যা আমেরিকার আম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এর চেয়ে সাত গুন বেশি উচ্চতার ভবন) ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছে। এই ভবনের ভিতরে চলাচলের জন্যে ঘন্টায় ২০০ কিমি গতির ভার্টিক্যাল বুলেট ট্রেন ব্যবহার করা হবে। এই ভবনটির নির্মাণ কৌশল কিছুটা আইফেল টাওয়ার এর নির্মাণ কৌশল থেকে ধারণা নেয়া হয়েছে। দুবাই সিটি সেন্টার এমন ভাবে নির্মাণ করা হবে যেখান থেকে গড়ে ৩৭০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।ultima_1.jpg

আল্টিমা টাওয়ারঃ
আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোতে প্রায় ১ মিলিয়ন মানুষের বসবাসের জন্য ৬০০ তলা উচ্চতার ৩২১৮ মিটার ভবন নির্মাণের জন্য ১৯৯১ সালে আমেরিকান স্থাপত্য শিল্পী ইউজিন সুই (Eugene Tsui) একটি নকশা প্রদান করেন। এটি ১৮২৮.৮ মিটার বেসমেন্টের উপর গড়ে উঠবে। বর্তমান সময়ে এর নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই টাওয়ারটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই টাওয়ার এর ভেতরেই একটি ছোট ইকোসিস্টেম অরে তোলা হবে।XSeed4000BurjDubaiComparison.jpg

এক্স সিড টাওয়ারঃ
এক্স সিড টাওয়ার নকশা করা পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন। পৃথিবীর সবচেয়ে সুউচ্চ ভবনের উচ্চতা কতো হবে বলে আপনার ধারণা? এই টাওয়ার এর উচ্চতা প্রায় ৪০০০ মিটার বা ৪ কিলোমিটার যার চূড়ায় থেকে মাটিকে দেখতে চাইলে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হবে। ১৯৯৫ সালে জাপানের Taisei Corporation এই ভবনটির ডিজাইন করে। অনেক স্থপতিদের মতে এই টাওয়ারটি কোনদিনই তৈরি করা সম্ভব না। একে “is never meant to be built” এর তালিকায় তারা ফেলতে চান। এক্সসিড টাওয়ারটি প্রায় ৮০০ তলা সম্পন্ন যেখানে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বসবাস করতে পারবে। ২০১৭ সালে যদি এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় তা প্রায় ১.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিল গেটসের সম্পদের দ্বিগুন। এটি জাপানের ফুকুশিমা আগ্নেয়গিরির আকৃতির মতো করে ডিজাইন করা হয়েছে।

এখন হয়তো আমাদের অনেকের কাছেই এইসব ভবনগুলো নির্মান করা অসম্ভব মনে হচ্ছে কিন্তু হয়তো কোনদিন ঠিকই এইসব সুউচ্চ ভবন বাস্তবে রূপ নিবে। কেননা একদিন অনেকের কাছে আকাশ ছোঁয়া অসম্ভব মনে হয়েছিল কিন্তু আজ আমরা আমাদের আকাশকে ছুঁয়ে পৌঁছে গেছি অনেক দূরে।

Internet Of Things (IOT)

Now Reading
Internet Of Things (IOT)

ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) কী? 

ইন্টারনেট অফ থিংস বা IOT হলো এমন এক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের প্রত্যেকটি বস্তুকে ইন্টারনেট এর আওতায় নিয়ে আসতে পারবো। বস্তুটি যেমন হতে পারে কারো শারীরিক অর্গান যেমন লিভার বা কিডনী , তেমনি হতে পারে সাইকেলের চাকা যা বিল্ট ইন সেন্সর দিয়ে কোন আইপি এড্রেস এর সাথে সংযুক্ত যেখানে সে ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে কোন ম্যানুয়াল কন্ট্রোলিং ছাড়াই। এই এম্বেডেড প্রযুক্তি সেই বস্তুকে ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল পরিবেশ এর সাথে এক সম্পর্ক স্থাপন করবে যা বস্তুটিকে সময় উপযোগী যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

কেন IOT এর ব্যাবহার? 

১৯৯৯ সালে  RFID জার্নাল একটি আর্টিকেল প্রকাশ করে যেখানে বলা হয় – যদি আমাদের কম্পিউটার গুলো সব বস্তুর ব্যাপারে জানতো, তাহলে সেই ডাটা ব্যাবহার করে আমরা অনেক উপকৃত হতে পারতাম। আমাদের অনেক খরচ বেচে যেত এবং আমরা সবকিছুই ট্র্যাক করতে পারতাম, গননা করতে পারতাম। আমরা সহজেই বুঝতাম আমাদের কি পরিবর্তন – পরিশোধন – মেরামত করা লাগবে। আমাদের কম্পিউটারগুলোকে আরো ক্ষমতা দেয়া দরকার যাতে তারা মুহুর্তেই একসাথে জড়ো করতে পারে, যাতে তারা তাদের মতো করে দুনিয়া দেখতে পায়, শুনতে পায় এবং অনুভব করতে পারে।

IOT আমাদের জন্য এই কাজটি করবে। এই প্রযুক্তি কোন ডিভাইস/বস্তুর সামনে উন্মুক্ত করে দিবে এমন এক জগত যেখানে সেগুলো দেখতে পারবে, চিহ্নিত করতে পারবে এবং যে কোন অবস্থা বুঝে মানুষের সাহায্য ছাড়াই ব্যাবস্থা নিতে পারবে। উদাহারনস্বরুপ – এক ভদ্রমহিলা সেলাই মেশিনে কাজ করছেন। হটাত সমস্যা দেখা দিল, সেই সমস্যাটার উৎস খুজতে কিছু সময় ব্যয় হবার কথা। কিন্তু মেশিনের প্রতিটা গুরুত্বপুর্ন অংশে যদি সেন্সরচিপ লাগানো থাকে তাহলে যেই অংশে সমস্যা দেখা দিয়েছে সেই অংশ বীপ দেয়া শুরু করবে যাতে মালিক সহজেই বুঝতে পারে কোথায় সমস্যা। সেলাই মেশিন ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট থাকার কারনে মালিকের বাসার কাছাকাছি সার্ভিসিং সেন্টার এর নেভিগেশন ও জানিয়ে দেয়া হবে মালিককে। আচ্ছা মালিক সেই ওয়ার্কশপেই কেন যাবে? কারন সেই ওয়ার্কশপ সেলাই মেশিন  প্রস্তুতকারক কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ এমন ভাবে যে সেভাবে এই কোম্পানির এই এরিয়ার বিক্রি হয়া সব মেশিন সার্ভিসিং এর জন্য আসবে এতে তাদের লাভ হবে, আর গ্রাহকদের জন্য নরম্যাল সার্ভিসিং এর চেয়ে কিছু পরিমান মুল্যছাড় এর ব্যাবস্থা থাকবে। এরই সাথে কোম্পানি তে অটো সিগন্যাল পৌছে যাবে তারা পরবর্তিতে সেলাই মেশিনের নস্ট হবার সম্ভাবনা আছে এমন পার্টসগুলা আরো নিখুত ভাবে বানাবে। এতে করে “গ্রাহক রিভিউ” এর মত একটা ব্যাপার সৃষ্টি হবে যার ফলে নতুন কেউ সেই পন্য কেনার ব্যাপারে বাছ বিচার করতে পারবে।

IOT এর ফলপ্রসু হবার সম্ভাবনা কতটুকু? 

ইন্টারনেট অফ থিংস যে কোন ডিভাইসকে নানান ভাবে ইন্টারনেট এর সাথে সংযুক্ত করতে পারবে। ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্টেড হবার পর যখন তারা নিজেদের ডিজিটাল ভাবে উপস্থাপন করতে পারবে, তখন তারা বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে নিয়ন্ত্রিত হবার ক্ষমতা রাখে। এই সংযোগ ব্যাবস্থা আমাদের বিভিন্ন স্থান থেকে বেশি ডাটা সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। এরই সাথে IOT এর কর্মদক্ষতা বেড়ে যাবে এবং ডাটার নিরাপত্তা জোরদার হবে।

এটি একটি অসাধারন পরিবর্তনশীল শক্তির মত কোম্পানীগুলোকে “ইন্টারনেট অফ থিংস এন্যালিটিক্স”এর সাহায্য তাদের পার্ফরমেন্স কে উন্নত করার জন্য কাজ করবে এবং “ইন্টারনেট অফ থিংস সিকিউরিটি” এর মাধ্যমে একটি গুনগত মান সম্পন্ন ফলাফল দিবে। ইউটিলিটি, তেল ও গ্যাস, বীমা, উৎপাদিত পণ্য, পরিবহন, পরিকাঠামো এবং খুচরা সেক্টরের ব্যবসাগুলি আই ও টি এর সুবিধা ভোগ করতে পারবে সর্বাত্মক।

IOT কিভাবে সাহায্য করবে? 

“আই ও টি প্লাটফর্ম” ব্যাবহার করে অর্গানাইজেশন গুলো তাদের পণ্যের খরচ কমাতে পারবে , এবং একই সাথে তাদের কাজের প্রক্রিয়াকে করতে পারবে উন্নত। সম্পদের সুষ্ঠ ব্যাবহার করে বেশি পন্য উৎপাদন ও সম্ভব এর মাধ্যমে। ডিভাইস/বস্তু অনেক উন্নত  সেন্সর ব্যাবহার করবে যা তাদের মুহুর্তেই সমস্যার উৎস খুজে করতে সাহায্য করবে এবং রিয়েল-টাইম এন্যালিটিক্স এর মাধ্যমে তাৎক্ষনিক স্মার্ট সমাধান নিতে সাহায্য করবে। তথ্য, প্রক্রিয়াকরণ এবং IOT এর সাথে যুক্ত ডিভাইস এর ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি এবং সংহতির ফলে সৃষ্ট নেটওয়ার্ক এতটাই যুগোপযুগী ও গুরুত্বপুর্ন হবে যেগুলো মানুষ , ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের জন্য নতুন এক পথচলা হবে।  বর্তমানে আমাদের প্রতিদিনের জীবন অনেক যান্ত্রিক হয়েছে। যান্ত্রিকতার এই যুগে পণ্যের সহজ ব্যাবহার ও পুরো ইউটিলাইজেশনের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন টেকনোলজির উদ্ভব। এর ফলে আমরা আমাদের ব্যাবহার্য প্রত্যেকটি বস্তুর সাথে সবসময় সংযুক্ত থাকতে পারবো। বাসা থেকে বের হইছি, লাইট-ফ্যান-চুলা অফ করিনি। তো সমস্যা কি? ইন্টারনেট এর সাথে সংযুক্ত আছে বলে আমরা সহজেই বাইরে থেকেও এসব নিয়ন্ত্রন করতে পারবো। বাস এর জন্য অপেক্ষা করছি অনেক্ষন। বাস এর হদিস নাই? মোবাইলের মাধ্যমে আমরা বাসে বর্তমান অবস্থান এবং গতিবেগ পরিমাপ করে গন্তব্যে পৌছার আনুমানিক সময় জানতে পারবো যা করবে আমাদের মোবাইল। IOT এর মাধ্যমে আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত সব যদি প্রতি মুহুর্তে আমাদের হাতের মুঠোয় কন্ট্রোল প্যানলে নিয়ন্ত্রন ও এর ব্যাবহার এর পুর্ন ফল ভোগ করতে পারি যা আমাদের জীবন কে আরো সহজ ও সুন্দর করে তুলবে।

 

গুডবাই ! MP3 আমরা তোমাকে মনে রাখব

Now Reading
গুডবাই ! MP3 আমরা তোমাকে মনে রাখব

কোনো গান শুনেনি | এইটা এতটাই বেশি জনপ্রিয় যে এর জন্য রীতিমত MP3 প্লেয়ার নামে একটা ডিজিটাল অডিও ডিভাইস পর্যন্ত কিনতে পাওয়া যায় ! কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি সেই MP3 হয়ত আমাদের মাঝে আর থাকবেনা | এই বছরের এপ্রিল ২৩, ২০১৭ তারিখে Fraunhofer IIS এর ঘোষণামতে তারা অফিসিয়ালি MP3 কে পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে | অর্থাত, এখন থেকে MP3 সংক্রান্ত লাইসেন্স প্রোগ্রাম তারা পুরোপুরি স্থগিত ঘোষণা করলো |

 

MP3 এর ইতিহাস

MP3 প্রথম ডেভেলপ করা হয় ১৯৯৩ সালের দিকে যেইটা মূলত একটা জার্মান রিসার্চ ইনস্টিটিউট Fraunhofer IIS এর প্রজেক্ট এর অংশ হিসেবে ছিল | তাদের মূল উদ্দেশ্যই ছিল অডিও ফাইল গুলোকে যথেষ্ট পরিমান কম্প্রেস করা কারণ, তখনকার সময়ে বড় বড় ফাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে ট্রান্সফার করার কাজটা খুব সহজ ছিল না | আর MP3 ফরম্যাট তাদের ঠিক সেই কাজটাই করার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছিল | এর বিশাল পরিমান অডিও ফাইল কে খুব সহজেই কম্প্রেস করে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকে | এই যেমন- একটা আনকম্প্রেসড ২ চ্যানেল এর অডিও ফাইল যার ডিউরেশন ৩ মিনিট এবং ফ্রিকোয়েন্সি 44.1 KHz; এর জন্য জায়গা লাগবে মোট ৩১ মেগাবাইট | এইটা হয়ত এখনকার জন্য খুব বেশি কিছু না কিন্তু, তখনকার সময়ে এইটা অনেক বেশি কঠিন ছিল | আর এই কম্প্রেশন টা হলো একরকম lossy compression” অর্থাত, এর ফলে ইনফরমেশন এর অনেক কাট-ছাট হয় |

 

MP3 কিভাবে কাজ করে ?

এখন প্রশ্ন হলো, MP3 কিভাবে তার এই কম্প্রেশন এর কাজ করে থাকে ? যার ফলে মুহুর্তেই সাইজও অনেখানি কমে যায় ? একটু আগেই বলেছি এইটা হলো একধরনের “lossy Compression” এর ফলে অনেখানি ইনফরমেশন ফাইল থেকে হারিয়ে যেতে পারে | কিন্তু, ইনফরমেশন যদিও হারিয়েই যায় তাহলে, কোয়ালিটি তো কমে যাওয়ার কথা ,সেইটা কেন কমছেনা ? আসলে এইখানেই রয়েছে সেই MP3 ফরম্যাট এর মাহাত্য !

এই MP3 ফরম্যাট যখন কোনো অরিজিনাল ফাইল কে MP3 তে কনভার্ট করে তখন তা অনেক কিছু অংশ কাটছাট করে | আর এই কাটছাট করার জন্য মূলত অপ্রয়োজনীয় কিছু ফ্রিকোয়েন্সি বাদ দিয়ে থাকে | এই যেমন- প্রথমে সেই অডিও ফাইল কে এনালাইজ করে তারপর সেখান থেকে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এর মধ্যে যে অংশগুলো মানুষের শ্রাব্যতাসীমার বাইরে থাকে তা বাদ দিয়ে দেয় | (যারা জানেনা তাদের জন্য মানুষের শ্রাব্যতাসীমা হলো 20 Hz – 20000 Hz এর বাইরে যদি কোনো শব্দ হয় মানুষ তা শুনতে পারেনা !) এইটা করার পিছনে লজিকটা হলো মানুষ যদি সেইসকল ফ্রিকোয়েন্সি শুনতেই না পারে তাহলে শুধু শুধু রাখার কি দরকার ! আর, এই অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়েই বাকি যা থাকে তাহলো কম সাইজের সেই MP3 ফাইল !

আরেকটা পদ্ধতিতে MP3 তার এই কম্প্রেশন এর কাজ করে থাকে তাহলো- “frequency masking”  এই পদ্ধতিটি হলো, আমরা যখন একইধরনের ২টা ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ পাই যেইটা সিমিলার হলেও আইডেনটিক্যাল নয় এবং একটা শব্দ আরেকটার চেয়ে লাউডার তাহলে, আমরা কেবলমাত্র লাউডার শব্দটাই শুনতে পারব | কাজেই, MP3 কনভার্টার যা করে তাহলো এরকম সিমিলার ফ্রিকোয়েন্সির ক্ষেত্রে লোয়ার শব্দটা বাদ দিয়ে কম্প্রেশন করে থাকে | যেহেতু, আমরা শুনতেই পাইনা কাজেই, তা রাখার দরকার কি !

এছাড়াও, আরেকটা পদ্ধতি হলো –“temporal masking” এই পদ্ধতি কাজ করে এভাবে যে- একটা লাউডার এমন লোয়ার শব্দের ক্ষেত্রে আমরা লোয়ার শব্দটাকে লাউডার শব্দ থেকে আলাদা করতে পারিনা কাজেই, MP3 কনভার্টার যা করে তাহলো, এই লোয়ার শব্দগুলোকে কনভার্সন এর সময় বাদ দিয়ে দেয় |

অবস্য বর্তমানের যেই MP3 কনভার্টার যেই অবস্থানে রয়েছে তা আগে মোটেও এরকম কিছু ছিলনা | এর জন্য যেই এলগরিদম ব্যবহার করা হয় তা খুব ধিরে ধিরে একটা সময় পারফেক্ট হয়েছে | গবেষকেরা প্রথম দিকে Suzanne Vega’s song “Tom’s Diner” এই গানের ক্ষেত্রে কম্প্রেশন ফর্মুলাটা প্রয়োগ করেছিল | কিন্তু, সেইসময় সেই কনভার্সন টা মোটেও ভালো ছিলনা | অনেক প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে যাওয়ায় তা খুব বাজে আর কর্কশ ছিল | যদিও, এর ফলে গবেষকদের আরো নতুন এবং কার্যকরী একটা এলগরিদম তৈরী করতে উত্সাহ করে | আর একটা সময় তারা সফলতাও পায় |

 

তবে, আজকের দিনে MP3 অপেক্ষা অনেক কার্যকরী অডিও কম্প্রেশন করার এলগরিদম রয়েছে | যেইটা, সাইজ কমালেও মানের দিক থেকে অনেক ভালো থাকে | এরকম একটা হতে পারে AAC (Advance audio coding) যার এক্সটেনশন গুলো হলো- .m4a, .m4b, .m4p, .m4v, .m4r, .3gp, .mp4, .aac | বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে এই ফরম্যাট তার ডাটা সাইজও না কমিয়েও কোয়ালিটি MP3  এর চেয়ে বহুগুনে ভালো রাখতে পারে | যদিও, এইটা এখন সকল ডিভাইস এর জন্য এভেলেবল না |

তবে, MP3  ফরম্যাট বাদ হলেই যা আমরা আমাদের MP3 প্লেয়ার কিংবা কম্পিউটারে চালাতে পারবনা তা কিন্তু নয় | বরং অবস্থাটা অনেকটা আগের সেই ভিসি রেকর্ড কিংবা ক্যাসেট প্লেয়ার মত হয়ত হবে যেগুলো আমরা চাইলেই চালাতে পারি; কিন্তু, তার তো আর কোনো দরকার নেই তাইনা ?

কাজেই, সবশেষে গুডবাই MP3 আমরা তোমাকে নিশ্চয় মনে রাখব !

 

আজকে এই পর্যন্তই | আশা করি সবার ভালো লেগেছে | সবাইকে ধন্যবাদ |

 


 

References:

https://www.iis.fraunhofer.de/en/ff/amm/prod/audiocodec/audiocodecs/mp3.html

https://thenextweb.com/insider/2017/05/15/the-mp3-format-is-officially-dead/#.tnw_RNYAvIfG

http://gizmodo.com/developers-of-the-mp3-have-officially-killed-it-1795205540

 

Sources:

http://whatis.techtarget.com/fileformat/MP3-MPEG-Audio-Layer-3-AC3-file

http://electronics.howstuffworks.com/killing-mp3-thats-ok.htm

https://www.winxdvd.com/resource/aac-vs-mp3.htm

 

কেমন চলছে ‘ফেসবুক’ বাংলাদেশে? (and its no good!)

Now Reading
কেমন চলছে ‘ফেসবুক’ বাংলাদেশে? (and its no good!)

ফেসবুক,বিজ্ঞানের এগিয়ে যাওয়ার পথচলায় প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে ইন্টারনেট জগতে।বর্তমানে আমাদের দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই সাইটের সাথে জড়িত। যেখানে মাত্র কয়েক বছর আগেও এর সংখ্যা এক কোটিরও কম ছিল।আর এখন অনেক মোবাইল অপারেটর এ বিষয়কে মাথায় রেখে দিচ্ছে নানা অফার।হঠাৎ এই সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অনেকে যেমন বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তেমনি এর নেতিবাচক ফলাফলও অসংখ্য।

এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে আইসিটির উন্নয়ন এর ফলে আজ কোনো কিছুই আমাদের অগোচরে নেই।সবার কাছে ইন্টারনেট পৌছে যাওয়া শুরু হয়েছে।আর এখন মানুষ ফেসবুক ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার প্রায় করে না বললেই চলে।সকলেরই ফেসবুকে একটা আইডি চাই।ছোট ছেলে-মেয়েরাও আজ খুব একটিভ এই সাইটে।তবে আমাকে যদি কেউ বলে ফেসবুক কি আসলেই এতো জরুরি?এতটাই প্রয়োজনীয়?

বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় আজ এখানে জুড়ে বসেছে সস্তা নোংরামি,বেহায়াপনা,ডিজিটাল ডাকাতিসহ নানান ধরনের সাইবার অপরাধ।যা শুধু দেশ না পুরো জাতির ইমেজ খারাপ করছে কখনো কখনো।

ফেসবুকের নেতিবাচক দিকগুলোর অন্যতম একটি হলো পর্নোগ্রাফি।হয়তো ভাবতে পারেন ফেসবুকে আবার এইসব কিভাবে সম্ভব?ওই যে প্রযুক্তি,তার কারণ এ আজ এটা সম্ভব।ফেসবুক লাইভকে কাজে লাগিয়ে আজ কিছু বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ ছড়াচ্ছে এইসব।অনেক পেজেই আজ এইসব ছড়ানো হচ্ছে।তবে এগুলো কোনোটিই বাংলাদেশি পেজ নয়।এখন আপনার মনে আসতে পারে,তাহলে আমরা এইসব থেকে মুক্ত।না,কারণ কিছু বিকৃত মানসিকতার মানুষ রয়েছে আমাদেরই মাঝে।বাংলাদেশি কয়েকটি গ্রুপে লাইভ পর্ন জাতীয় পোষ্ট দেখা গিয়েছে।আর এগুলো সবই কোনো না কোনো মেম্বার দ্বারা ওই গ্রুপে শেয়ার করা হয়েছে।আমি নিজেই এমন এক বিষয় লক্ষ্য করেছি একটি ফেসবুক গ্রুপে।বিশাল সংখ্যক মেম্বার নিয়ে গঠিত এইসব গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন।আর এটিকে পুঁজি করে এইসব ছড়ায় গুটিকয়েক অমানুষ।তাহলে বুঝতেই পারছেন কতটা খারাপের দিকে যাচ্ছে এই ফিচারটি।

এটিই শেষ নয়।সম্প্রতি এক ফেসবুক গ্রুপের এডমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ‘ডিজিটাল চাঁদাবাজি’র।খাবারের রিভিউ বিষয়ক ওই গ্রুপটি ভোজন রসিকদের মাঝে বেশ পপুলার।সেই গ্রুপেরই এক এডমিনের উপর উঠেছে এমন অভিযোগ।তার বিরুদ্ধে কিছু ক্যাফে,রেস্তোরাঁ,হোটেলের ভালো রিভিউ পাইয়ে দেয়ার বদলে মাসে কয়েক হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠে।যদিও সে এইসব মিথ্যে দাবি করে থানায় জিডি করেছে।ধরুন ব্যাপারটি সত্যি হলে তা কতটা ভয়াবহ?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই সাইটে থাকে একে অপরের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ,থাকে অশ্লীলতাকে নিয়ে দিনরাত মজা-ঠাট্টা।চলে একে অপরের ক্ষতি করার লক্ষ্যে অপপ্রচার।চলে মানুষকে ধোকা দেয়ার মাধ্যমে কিছু নোংরা উদ্দেশ্য হাসিল করা(সচেতন অনেকেই দেখে থাকবেন নানান পেজের কমেন্ট বক্সে)।চলে লাইভে এসে নোংরামি করা,সস্তায় পাবলিসিটি পাবার আসায় নিম্নমানের কর্মকাণ্ড।চলে মাদকের দিকে ধাবিত করার নোংরা খেলা(কিছু ‘memes’ এর জন্য দায়ী)।চলে সেলেব্রিটিদের হেয় করার মতো বাজে খেলা,স্ক্যান্ডেল শব্দটিকে পুঁজি করে তাদের করা হয় হেনস্থা। এতেই শেষ করছি যদিও লিস্টটা এতো সহজে শেষ করার মতো না।

তবে একটা বিষয় না বললেই নয়।বেশি ফেসবুক নির্ভরতা ভালো নয় আমাদের জন্য।এর ইফেক্ট খুবই মারাত্মক হতে পারে ছোটদের জন্য।অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা একাকীত্বে ভোগে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।একইসাথে এটি অবসাদের কারণ হতে বলে তারা ধারনা করছেন।ফেসবুকের জন্মস্থান আমেরিকায় এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।তারা নিজেদের অঞ্চল ভিত্তিক নতুন সামাজিক মাধ্যমে যোগ দিতে বেশি পছন্দ করছেন নিজেদের সামাজিকতাকে বজায় রাখতে।

এতো খারাপের মাঝেও ফেসবুকের রয়েছে ইতিবাচক কিছু ব্যবহার।আর এই ব্যবহারগুলোই আমাদের করা উচিত নিজেদের এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য।

আজকাল প্রায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ফেসবুক লাইভের উৎকৃষ্ট ব্যবহার করছে। তারা ফেসবুক লাইভে এসে পড়ালেখার বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে।যার ফলে আজ অনেকের টিউশনের প্রয়োজন হচ্ছে না।এতে বেশ লাভবান হচ্ছে শহরের বাইরের ছাত্র-ছাত্রীরা।কিছু প্রতিষ্ঠান তৈরি করছে প্লাটফর্ম। যার সম্পর্কে অনেকেই ফেসবুকে সহজেই জানতে পারছে।’ফুটপ্রিন্ট’ ঠিক এমনই এক প্লাটফর্ম।

এছাড়াও আজ এই ইতিবাচক দিকে জায়গা করে নিয়েছে।যে কোনো দুর্যোগ এ এক হয়ে কাজ করছে অনেকে।শীতের সময় ফেসবুক ইভেন্ট এর মাধ্যমে চেষ্টা করা হয় অসহায়দের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া।চলে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে রক্তের সন্ধান।চলে এক হয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে নিজেদের অবস্থানের জানান দেয়া।চলে মানুষের মাঝে মানবতাবোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা।ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে করা হয় প্রোমোশনাল,সাইন্স ফেয়ারসহ নানান ইভেন্ট।যার মূল লক্ষ্য থাকে দেশের সেবা,দেশের মানুষের সেবা,বিজ্ঞানের উন্নয়নসহ আরো নানান ইতিবাচক বিষয়।

এতো নেতিবাচক আর ইতিবাচকের মাঝে খারাপ বিষয়গুলোই আমাদের সামনে অনেক বেশি আসে।যার কারণে আমরা খারাপের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পড়ি।ভুলে যাই নিজেদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য এর কথা।নেমে পড়ি ভার্চুয়াল লাইফে তথাকথিত ফেমাসের তকমা গায়ে লাগানোর প্রতিযোগিতায়।

সবখানে ভালো-মন্দ রয়েছে।আমরা সৃষ্টির সেরা।আর আমাদের কাজও তাই হওয়া প্রয়োজন অন্যদের থেকে আরো ভালো।আর তা না হলে কি পার্থক্য রয়ে যাবে আমাদের আর পশুদের মাঝে?মনুষ্যত্বকে হারিয়ে ফেলতে নয় বরং এর এটিকে আরো বেগবান করার জন্য ‘ফেসবুক’ নামক এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা উচিত বলে আমি মনে।ভুল মানুষই করে তাই আমাদের উচিত নিজেদেরকে শুধরে ফেসবুকের নেতিবাচক দিকগুলোকে এড়িয়ে চলে তার ইতিবাচক দিকগুলোর দিকে নজর দেয়া।