একটি ভালবাসার গল্প পার্ট-১

Now Reading
একটি ভালবাসার গল্প পার্ট-১

ভালবাসা অনেক সুন্দর, মধুর এবং অনেক গভীর একটি সম্পর্ক। এই ভালবাসা কখন না কখন সবার জীবনেই আসে। তেমনই ভাবে এসেছিল যূথী ও শিশির এর জীবনে। দুই জনই দুই জায়গার বাসিন্দা। যূথীর বাসা ছিল পাবনা আর শিশির এর বাসা ছিল টাঙ্গাইলে। যদিও শিশিরের নানু বাসা ছিল পাবনাতে। সময়টা ছিল ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস। দুইজনই সদ্য এইচ এস সি পরিক্ষা শেষ করে ঢাকা তে কোচিং করতে এসেছে। যূথী ভর্তি হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কোচিং এ আর শিশির ভর্তি হয়েছিল মেডিকেল ভর্তি কোচিং এ। ভালই চলছিল দুইজনের পড়াশোনা। যূথী থাকতো ওর কাজিনদের সাথে মিরপুরে। আর শিশির থাকতো ওর বড় ভাইয়া আর বড় ভাইয়ার বন্ধু, বন্ধুর ওয়াইফ, বন্ধুর বোন এর সাথে থাকতো মুহাম্মাদপুরে।যূথীর প্রতিদিন  সকাল ৮.৩০ তা থেকে ১০.৩০ তা পর্যন্ত ক্লাস থাকতো আর শিশিরের সকাল ১০.৩০ তা থেকে ১২.৩০ তা পর্যন্ত ক্লাস থাকতো।

শিশির যে বাসায় থাকতো ঐ বাসায় ওর ভাইয়ার যে বন্ধুর বোন থাকতো সে ও কোচিং করতে ঢাকা এসেছিল।ওদের বাসা পাবনা তেই ছিল। ওর নাম ছিল আফসানা। আফসানা র শিশিরের মধ্যে ভাল বন্ধুত্ব হইয়ে গেছিল। দুইজন দুইজনের সাথে সবকিছু শেয়ার করতো। ঐ দিকে আবার আফসানা ছিল যূথীর বেস্ট ফ্রেন্ড। একদিন শিশির আর আফসানা বাসায় বসে আড্ডা দিচ্ছে এমন সময় আফনাসা শিশির কে বলল যে আমার স্কুল আর কলেজ ফ্রেন্ড দের ছবি দেখাই তোকে। শিশির বলল ঠিক আছে। আফসানা উঠে গিয়ে ছবির অ্যালবাম নিয়ে আসলো আর ছবি দেখাতে শুরু করল আর বলল কে কোনটা। ছবি দেখাতে শিশিরের খুব এক্তা মন ছিলনা তারপর ও দেখতে হচ্ছিলো। ছবি দেখতে দেখতে হঠাৎ ওর নজর পড়ে যূথীর ছবির উপর। শিশির নিজে থেকে আফাসানা কে জিজ্ঞেস করে এই মেয়েটা কেরে? আফসানা বলে ও যূথী আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। যূথীকে নিয়ে ওদের মধ্যে অনেক্ষন কথা চলে। এক সময় শিশির আফসানা কে বলে আই মেয়ে কে আমি ১৫ দিনের মধ্যে পটাইয়ে প্রেম করবো। আফসানা বলে কখনও পারবিনা।আই নিয়ে ওদের মধ্যে বাজি লাগে। তারপর শিশির আফসানার কাছে থেকে যূথীর ফোন নাম্বার নেয়। আর সাথে সাথে যূথীকে ফোন করে। যূথী আবার সেদিন বিকেলে ওর কাজিনের সাথে বাইরে গেছিল। সময় তখন বেলা ৩.৩০ টা। অপরিচিত নাম্বার দেখে প্রথমে যূথী ফোনটা ধরেনি। একটু পর আবার ফোন ঐ নাম্বার থেকে যূথী ভাবল হইত পরিচিত কেও হবে তাই ভেবে ফোনটা ধরল। যূথী ফোন ধরে হ্যালো বলল তখন অপর পাশ থেকে শিশির বলে চল্ল কেমন আছ? কি কর? যূথী বলল কে বলছেন? আমি তহ আপনাকে চিন্তে পারছিনা। শিশির বলল অহ সরি আমি পরিচয় দিতে ভুলে গেছি। আমি শিশির তোমার ফ্রেন্ড আফসানার ফ্রেন্ড আমি। আমি কি তোমার সাথে কথা বলতে পারি? যূথী বলল আমি তহ এখন একটু বাইরে আছি আমি আপনার সাথে পরে কথা বলব বলে বাই বলে ফোন টা রেখে দিল।ঐ দিন তারিখ ছিল ৫/৯/২০০৭।

যূথী ওর কাজিনদের সাথে থাকতো বিধাই ও সবসময় গল্প করা আর পড়াশোনা এই নিয়ে সময় পার হয়ে যেতো। তাই ও ভুলেই গেছিল শিশিরের কথা। ঐদিন আর শিশির ও ফোন করেনি। পরের দিন বেলা ৪.৩০ টার দিকে যূথীকে আবার ফোন দেয়। তখন আবার যূথী নাম্বার দেখে প্রথমে ফোনটা ধরেনা। পরে আবার ফোন দেয়াতে যূথী ফোন টা ধরে। শুরু হয় ফনালাপ।

যূথীর আবার সহজে কাউকে তুমি বলতে পারেনা। তাই ও আপনি আপনি করেই শিশিরের সাথে কথা চালিয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু শিশির তো নাছোড়বান্দা ও বলে আমাকে তুমি তুমি করে বল। খুব করে বলে দেখে যূথী অবশেষে শিশিরকে তুমি করে বলে। শিশিরতো মহা খুশি। প্রথম দিনে যূথী খুবই বিরক্ত হচ্ছিল শিশিরের সাথে কথা বলতে। কিছুক্ষন কথা বলে যূথী বলে পরে কথা বলব বলে ফোনটা রেখে দেয়। শিশির ও কিছু মনে করেনা। পরে ঐ দিনই সন্ধাই আবার ফোন করে শিশির যূথীকে। ফোন করে জিজ্ঞেস করে শিশির আমি কি তোমাকে রাতে ফোন করতে পারি? যূথী সরাসরি বলে দেই যে না সম্ভব না রাতে কথা বলা।পরেরদিন দুপুরে শিশির আবার ফোন করে। কথা চলে প্রায় ১ ঘণ্টার মতো। একে অপরের সম্পর্কে জানাজানি হয় দুইজনের মধ্যে। এভাবে চলতে থাকে কথার মেলা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে ফোনালাপ।একদিন শিশির বলে চলো আমরা দেখা করি। যূথীর কোন ইচ্ছা ছিলনা দেখা করার। তারপরও ও রাজি হল। ঠিক হল যূথী কোচিং থেকে বের হইয়ে শিশিরের জন্য অপেক্ষা করবে। শুধু দেখা হবে কোন কথা বলবেনা।যদিও যূথী শিশিরকে চিনেনা কিন্তু শিশির যূথীর ছবি দেখেছে ও চিন্তে পারবে। ঠিক হল পরের দিন তাহলে তাদের দেখা হচ্ছে।

পরের দিন যথা সময়ে ক্লাস শেষ করে যূথী ওর কাজিনের সাথে বাস এর জন্য অপেক্ষা করছে আর মনে মনে শিশিরকে খুজচ্ছে। বাস চলে আসাতে ও আর শিশিরের জন্য অপেক্ষা করতে পারেনা তাই ও ওর কাজিনের সাথে বাসে উঠে চলে আসে। ওইদিকে শিশির এসে আর যূথী কে খুজে পাইনা। অবশেষে ও ক্লাস এ চলে যাই। যূথী দেখা না করে চলে যাওয়াতে ও মনে মনে অনেক রাগ করেছিল। ক্লাস শেষ করে বাসায় ফিরে যূথীকে ফোন দেয়।…………

 

 

 

 

 

জীবনে সফল হওয়ার কিছু কথা

Now Reading
জীবনে সফল হওয়ার কিছু কথা

আমরা সবাই চাই জিবনে কোনো না কোনো ভাবে সফল হতে। যারা কখনো চেষ্টা করতে অক্ষম তারাও চেষ্টা করি জিবনে সফল হতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কি আমরা সবাই সফল হতে পারি? হয়ত পারি না। আমরা সবাই সচরাচর  একটা কথা বলে থাকি যে, আমরা যদি কিছু একটা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে  সেটা আমাদের কপালের দোষ দিয়ে থাকি এই যে আমার কপালে এটা ছিল না তাই কাজটা  হয়নি বা করতে  পারিনি। প্রথমত আমাদের এ ব্যবহারটা ত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কিছু না কিছু করার জন্য একটা প্রতিভা থাকে। প্রথমত আমাদের সেটা বেড় করতে হবে যে আপনার কাছে কোন প্রতিভাটা আছে যা আপনি ভাল জানেন। যা দিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন। ধরে নিন আপনি কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রাম জানেন,  আপনি মাইক্রসোফট অফিস এর সম্পর্কে সব জানেন। খুব ভাল জানেন আপনি এটা, আর আপনি তার সাথেও টাইপ ও জানেন ভাল। আসুন তাহলে দেখা যাক আপনি কিভাবে এর মাধ্যমে সফল হতে পারবেন সেটা আপনাকে জানিয়ে দেয়।  ১। আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে শুধু ডাটা এন্ট্রির কাজ করা হয় আবার অফিস প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্যও। আপনি সে সকল প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হয়ত আপনার জিবনে ঐ চেষ্টাটা আপনার সফলতার একটি কারন।

২। আপনি যদি অফিস প্রোগ্রামটা খুবভাল জানেন তাহলে আপনি একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করতে পারেন এতেও আপনি আপনার সফলতা খুঁজে পেতে পারেন। এতে আপনার সম্মানও বাড়বে।

৩। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ICT প্রশিক্ষণ অনেক স্থানে দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

৪। আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ, আপনি কাজ খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না সেই ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে আপনি চাইলে আপনি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর একটি কোচিং সেন্টার খুলতে পারেন। অথবা কিছু বিজ্ঞাপন দিতে পারেন এতে করে আপনি ভাল ছাত্র/ছাত্রি পাবেন। হয়ত এটা একটা মাধ্যম হতে পারে আপনার সফলের।

আমাদের দেশে এখনো অনেক মানুষ দেখা যায় যারা কাজ করবে করবে বলে কিন্তু করা আর হয় না। আমি এটা শিখব কিন্তু যদি সেটা না শিখার জন্য আমরা প্রস্তুত না হয়ে বলি আমি এটা শিখব তাহলে হতে দেখবেন আপনার আর এ কাজটা শিখা নাও হতে পারে। কারন আপনি যা শিখতে বা জানতে চান আপনাকে সে কাজে লেগে থাকতে হবে হয়ত আপনার সফলতার একটি মাধ্যম হতে পারে আপনার শিক্ষাটি। আপনি যাই করবেন আগে আপনাকে খুঁজে বেড় করতে হবে যে আপনি কি পারেন যা আপনার থেকে ভাল আর কেউ পারে না আর আপনাকে ঐটা নিয়ে নেমে পরতে হবে আপনার জীবনকে সফল করতে। আমাদের সব কিছুর মুলে রয়েছে সময় আর সময়টা যদি আপনি ঠিকমত মেনে না চলতে পারেন কোন কাজে আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন। আপনি যা করবেন যেন আপনার সময়টা হাতে থাকে।

আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ধরুন আপনার বয়স এখন ২৫ মানে জীবনের ২৫ টা বছর আপনি ফেলে আসেছেন হয়ত আগামি ২৫ বছর আপনি নাও থাকতে পারেন। অথবা আপনি সফল হয়েছেন তখন যখন আপনার বয়স ৫০ তখন কি আপনার জীবনটাকে অনুভব করতে পারবেন? হয়ত না। তাই আপনাকে আপনি দুর্বল হওয়ার আগে নিজিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চেষ্টা করুন। আপনি আজ থেকে ৭ দিন সময় নিন এই জন্য যে আপনি কি করলে আপনি সঠিক সময়ের মধ্যে নিজেকে সফল করতে পারবেন। এমন কিছু আছে যা আমি পারি না আপনি ভাল পারেন। তাই এ জন্য আমারা একটা বাড়ি বানানোর আগে ইঞ্জিনিয়ারের কাছে যাই কেন? কারন তারা আমার থেকে ঐ বিষয়টা ভাল বুঝবে তাই তাদের কাছ থেকে একটা পরিকল্পনা আনতে আমার যায়। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কিন্তু সবকিছুর অধিকারী বানাইনি তাই তো আমরা একে অপরের কাছে নির্ভরশীল। তাহলে আপনি আজকে  খুঁজে বেড় করুন আপনার মধ্য থেকে যে আপনি কোন বিষয়টা ভাল জানেন আর আজ থেকে লেগে জান সেই বিষয় সম্পর্কে। যদি আপনরা সংকুচ মনে হয় তাহলে ঐ সম্পর্কে যে ভাল জানে তার থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারেন। এতে আপনার জানা আরও বেড়ে যাবে এবং ঐ বিষয় সম্পর্কে আপনি অগ্রসর হতে পারবেন।

সবাই চাই জীবনে সফল হতে কিন্তু সবাই হয় কি? না। তারাই হতে পারে যারা জীবনের সাথে যুদ্ধ করে গেছে।

হয়ত আমর কথা সবার ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু একটু ভেবে দেখেন তো আপনি আপনার ভবিষ্যৎ জীবনটা কিভাবে কাটাতে চান, তাহলে বুঝতে পারবেন। আসুন তাহলে আজ থেকে চেষ্টা করি জীবনকে সফল করতে। ভাই জীবনে চেষ্টা করলে সব পারা যায়। আপনিও পারবেন আমিও পারব। আপনার যদি সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন তাহলে আমাকে জানান যে আপনি কি জানেন, আর আমি চেষ্টা করব আপনাকে ঐ বিষয় সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দিতে।

আশা করি সবার আমার লেখাটি ভাল লাগবে, প্রয়োজনের মূহুর্তে আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমর ফেসবুক এর লিংটি আমি দিয়েছি।

https://web.facebook.com/profile.php?id=100007853170577

ধন্যবাদ সবাইকেআমরা সবাই চাই জিবনে কোনো না কোনো ভাবে সফল হতে। যারা কখনো চেষ্টা করতে অক্ষম তারাও চেষ্টা করি জিবনে সফল হতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কি আমরা সবাই সফল হতে পারি? হয়ত পারি না। আমরা সবাই সচরাচর  একটা কথা বলে থাকি যে, আমরা যদি কিছু একটা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে  সেটা আমাদের কপালের দোষ দিয়ে থাকি এই যে আমার কপালে এটা ছিল না তাই কাজটা  হয়নি বা করতে  পারিনি। প্রথমত আমাদের এ ব্যবহারটা ত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কিছু না কিছু করার জন্য একটা প্রতিভা থাকে। প্রথমত আমাদের সেটা বেড় করতে হবে যে আপনার কাছে কোন প্রতিভাটা আছে যা আপনি ভাল জানেন। যা দিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন। ধরে নিন আপনি কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রাম জানেন,  আপনি মাইক্রসোফট অফিস এর সম্পর্কে সব জানেন। খুব ভাল জানেন আপনি এটা, আর আপনি তার সাথেও টাইপ ও জানেন ভাল। আসুন তাহলে দেখা যাক আপনি কিভাবে এর মাধ্যমে সফল হতে পারবেন সেটা আপনাকে জানিয়ে দেয়।

১। আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে শুধু ডাটা এন্ট্রির কাজ করা হয় আবার অফিস প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্যও। আপনি সে সকল প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হয়ত আপনার জিবনে ঐ চেষ্টাটা আপনার সফলতার একটি কারন।

২। আপনি যদি অফিস প্রোগ্রামটা খুবভাল জানেন তাহলে আপনি একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করতে পারেন এতেও আপনি আপনার সফলতা খুঁজে পেতে পারেন। এতে আপনার সম্মানও বাড়বে।

৩। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ICT প্রশিক্ষণ অনেক স্থানে দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

৪। আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ, আপনি কাজ খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না সেই ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে আপনি চাইলে আপনি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর একটি কোচিং সেন্টার খুলতে পারেন। অথবা কিছু বিজ্ঞাপন দিতে পারেন এতে করে আপনি ভাল ছাত্র/ছাত্রি পাবেন। হয়ত এটা একটা মাধ্যম হতে পারে আপনার সফলের।

আমাদের দেশে এখনো অনেক মানুষ দেখা যায় যারা কাজ করবে করবে বলে কিন্তু করা আর হয় না। আমি এটা শিখব কিন্তু যদি সেটা না শিখার জন্য আমরা প্রস্তুত না হয়ে বলি আমি এটা শিখব তাহলে হতে দেখবেন আপনার আর এ কাজটা শিখা নাও হতে পারে। কারন আপনি যা শিখতে বা জানতে চান আপনাকে সে কাজে লেগে থাকতে হবে হয়ত আপনার সফলতার একটি মাধ্যম হতে পারে আপনার শিক্ষাটি। আপনি যাই করবেন আগে আপনাকে খুঁজে বেড় করতে হবে যে আপনি কি পারেন যা আপনার থেকে ভাল আর কেউ পারে না আর আপনাকে ঐটা নিয়ে নেমে পরতে হবে আপনার জীবনকে সফল করতে। আমাদের সব কিছুর মুলে রয়েছে সময় আর সময়টা যদি আপনি ঠিকমত মেনে না চলতে পারেন কোন কাজে আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন। আপনি যা করবেন যেন আপনার সময়টা হাতে থাকে।

আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ধরুন আপনার বয়স এখন ২৫ মানে জীবনের ২৫ টা বছর আপনি ফেলে আসেছেন হয়ত আগামি ২৫ বছর আপনি নাও থাকতে পারেন। অথবা আপনি সফল হয়েছেন তখন যখন আপনার বয়স ৫০ তখন কি আপনার জীবনটাকে অনুভব করতে পারবেন? হয়ত না। তাই আপনাকে আপনি দুর্বল হওয়ার আগে নিজিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চেষ্টা করুন। আপনি আজ থেকে ৭ দিন সময় নিন এই জন্য যে আপনি কি করলে আপনি সঠিক সময়ের মধ্যে নিজেকে সফল করতে পারবেন। এমন কিছু আছে যা আমি পারি না আপনি ভাল পারেন। তাই এ জন্য আমারা একটা বাড়ি বানানোর আগে ইঞ্জেনিয়ারের কাছে যাই কেন? কারন তারা আমার থেকে ঐ বিষয়টা ভাল বুঝবে তাই তাদের কাছ থেকে একটা পরিকল্পনা আনতে আমার যায়। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কিন্তু সবকিছুর অধিকারী বানাইনি তাই তো আমরা একে অপরের কাছে নির্ভরশিল। তাহলে আপনি আজকে  খুঁজে বেড় করুন আপনার মধ্য থেকে যে আপনি কোন বিষয়টা ভাল জানেন আর আজ থেকে লেগে জান সেই বিষয় সম্পর্কে। যদি আপনরা সংকুচ মনে হয় তাহলে ঐ সম্পর্কে যে ভাল জানে তার থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারেন। এতে আপনার জানা আরও বেড়ে যাবে এবং ঐ বিষয় সম্পর্কে আপনি অগ্রসর হতে পারবেন।

সবাই চাই জীবনে সফল হতে কিন্তু সবাই হয় কি? না। তারাই হতে পারে যারা জীবনের সাথে যুদ্ধ করে গেছে।

হয়ত আমর কথা সবার ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু একটু ভেবে দেখেন তো আপনি আপনার ভবিষ্যৎ জীবনটা কিভাবে কাটাতে চান, তাহলে বুঝতে পারবেন। আসুন তাহলে আজ থেকে চেষ্টা করি জীবনকে সফল করতে। ভাই জীবনে চেষ্টা করলে সব পারা যায়। আপনিও পারবেন আমিও পারব। আপনার যদি সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন তাহলে আমাকে জানান যে আপনি কি জানেন, আর আমি চেষ্টা করব আপনাকে ঐ বিষয় সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দিতে।

আশা করি সবার আমার লেখাটি ভাল লাগবে, প্রয়োজনের মূহুর্তে আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমর ফেসবুক এর লিংটি আমি দিয়েছি।

https://web.facebook.com/profile.php?id=100007853170577

ধন্যবাদ সবাইকে

স্বপ্নের প্রহর।

Now Reading
স্বপ্নের প্রহর।

স্বপ্নের প্রহর।

আমাদের বড় স্বপ্ন গুলো ভেঙ্গে যায়,আর ছোট স্বপ্ন গুলো মনের অজান্তেই ভুলে যাই।
তাই স্বপ্ন না দেখাই ভালো,আমার তো মনে হয় স্বপ্ন ভাইরাস । যা কিছু ক্ষেত্রে হয়ত ভাল কিন্তু যখন বেড়ে যায় তা সারানো দূর্ভোগ হয়ে যায়।

মনে পড়ে যায়, সেই ছেলেটির কথা,ওর দেশ প্রেম নিজেকে ওর কাছে অনেক ছোট মনে হল,যদি ও ছেলেটি বয়সে আমার ছোট। দুষ্টামি করে আমায় মোটা ভাই ডাকত।তখন আমি সবে মাধ্যমিক পাশ করেছি,আর ও বোধয় ক্লাস সিক্সে।

লেখার সময় ওর স্বর গুলো কানে বেজে উঠল।

ভাই, জীবনে আর কিছু করি আর না করি, দেশের জন্য কিছু একটা করবই।
৭১ থাকলে যুদ্ধে নামতাম।কিন্তু তা পারি নাই। তাই যে ভাবেই হোক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে ঢুকে দেশের সেবা করবই।

শুনে আমি বললাম, বাংলা মায়ের দামাল ছেলে, করতে পারে চাপার বড়াই।

আমার কথার পেক্ষিতে বলল, ভাই মজা নিলেন আমি কিন্তু সিরিয়াস। আমার ইচ্ছা স্বপ্ন সব একটাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুনে তারপর বললাম বেশ তো,চেষ্টা কর ক্যাডেটে চান্স পাওয়ার।আর ও বললাম,
তোরাই তো দেশের অহংকার আমরা তো সব জংকার।

আমার কথা শুনে হেসে বলল, ভাই দোয়া করবেন। এই বছর ক্যাডেটে পরীক্ষা দিব।

তারপর কয়েক মাস পড়ে সেই ছোট ভাইয়ের ফোন কল,,,, ধরার পর

ভাই আমি লিখিত পরীক্ষায় পাশ করছি,
আলহামদুলিল্লাহ্‌।
এখন ভাই মেডিকেল বাকি।
ইনশাআল্লাহ ভালো হবে।
ভাই দোয়া করবেন বলে ফোনে কথা শেষ হল।

অনেকদিন পর উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র। ওর মত আমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হওয়ার স্বপ্ন দেখি আর মডেল টেষ্ট দেই। একদিন ক্লান্ত মনে ফোনের কন্ট্রাক্ট লিষ্টে কোন একজনে র নাম্বার খুজতে ওর নামটি চোখে পড়ল।
সব কিছু মনে পড়তে ই মনের অজান্তেই কল দিয়ে দিলাম, রিং বাজতেই অপর প্রান্ত থেকে একজন মহিলা কন্ঠ স্বর বুঝতে পেরে জিজ্ঞসা করলাম
মাসি কেমন আছেন?
জি ভালো বাবা। তুমি কে বাবা?
পরিচয় দিলাম তারপর জিজ্ঞসা করলাম, মাসি বিজয় আছে?
ও কী ক্যাডেটে চান্স পেয়েছে?
ফোনের অপর প্রান্তে এক নিস্তব্ধতা সৃষ্টি হয়।
আর তার ক্ষনিক পরে শুরু হয় ব্যাকুল কান্না। আর কান্না জড়িত কণ্ঠে শুনতে পেলাম, বাবা প্রার্থনা কর যেন ভগবান ও কে স্বর্গে ঠাই দেয়।
আর শুরু হয়ে ছেলে হারা মায়ের আর্তনাদ…….।

পরে জানতে শারীরিক কিছু দূর্বলতার কারণে ও মেডিকেল থেকে বাদ পরে।আর স্বপ্নের এই ভাঙ্গন ওকে ভেঙ্গে ফেলে আর বিজয় বেছে নেয় আত্মহত্যার আর এরই মাঝেই হয় বিজয়ের পরাজয়।

আমি এখন একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
স্বপ্ন!!!
এই সব কথা গুলো আজ স্বপ্নের মত লাগছে।
ঠিক যেন সেই কবিতার মত
“আমি জেগে রই আর স্বপ্ন দেখি,
আমি দিবা নিশি স্বপ্নের পথচারী।
আমার স্বপ্নে শত ব্যাক্ষা যুক্তি,
আমি সেই যে চির নিদ্রার স্বপ্ন দেখি।

_____________________ নিলয়।

 

ফুটপ্রিন্ট লেখক লগিন