5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

বাংলাদেশকে নিয়ে অপমানজনক ভুল তথ্যে ভরা ভিডিও তৈরীর জন্য বাংলাদেশীজমের অভিনব প্রতিবাদ !!

Now Reading
বাংলাদেশকে নিয়ে অপমানজনক ভুল তথ্যে ভরা ভিডিও তৈরীর জন্য বাংলাদেশীজমের অভিনব প্রতিবাদ !!

আর কত? বাংলাদেশ নিয়ে আর কত অপমানজনক, মিথ্যা, ভুল, মনগড়া, আজগুবি ভিডিও বানালে ভারতের ইউটিউবাররা শান্তি পাবে? আমি জানি, কুত্তার লেজ যেমন সোজা হয়না, তেমনি এই ইউটিউবারগুলোও ঠিক হবেনা। আমাদের বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তথা অফিসিয়াল পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেয়া হলেও এরা বন্ধ যায়নি। এক একটা ভিডিওতে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ রয়েছে। এইজন্যই দেখি বাইরের মানুষ বাংলাদেশের ব্যাপারে এত ভুল তথ্য কিভাবে জানে। কেন বাংলাদেশ সম্বন্ধে তাদের এতো নেগেটিভ ধারণা। একটা দুইটা বা দশটা নাহ, সারা ইউটিউব ঘেঁটে এমন হাজার হাজার ভিডিও পাওয়া যাবে যা কিনা ভারত আর পাকিস্তানের গাঁজাখোর ইউটিউবাররা বানিয়ে রেখে দিয়েছে আর এদিকে আমাদের দেশের ভাবমুর্তি দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে। কয়জন এর সত্যতা যাচাই করতে যাবে বলেন? মানুষ তো ভিডিও দেখেই অন্য ভিডিওতে চলে যাচ্ছে। মাঝে থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট সুন্দর দেশটার প্রতি নেতিবাচক কিছু ধারণা। আর এই বাংলাদেশই আমাদের দেশ। আমরা কি করছি? আমরা সেইসব ভিডিওতে গিয়ে ইচ্ছামতো গালিগালাজ করে সেই ইউটিউবারের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করছি সাথে ভিউ বাড়িয়ে বাড়িয়ে সেই ভিডিও আরো ভাইরাল করে ফেলছি। কেউ নেই এইগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলার। আর কেউ এইগুলোকে প্রোটেষ্ট করতে গেলেই বলে আরে ভাই, কুত্তায় কামড়াইছে বলে কি আপনিও কুত্তারে কামড়াইতে যাবেন? হাউ ফানি? এই হলাম আমরা। আর ওদিকে প্রতিবাদ না করতে করতে অনলাইনে দেশটাকে যে আবর্জনার স্তুপ বানিয়ে ফেললো, সেদিকে নজর যায়না আপনাদের? তারা অমন করবে, আমার দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো? এই কি আমরা বাংলাদেশী? এই কি আমাদের পরিচয়? নাকি আমরা সংগ্রামী জাতি যারা বারবার লড়ে , যুদ্ধ করে আজ বাংলাদেশী হয়েছি? বিড়ালের মত মিউ মিউ করে বসে থাকলে চলবে না, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত গর্জন দিয়ে এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। তবে অবশ্যই সেটা ভদ্রতা বজায় রেখে, কারণ ওরা অভদ্রের মত আচরণ করে। আর আমাদের ভদ্র জবাবই তাদের থেকে আমাদের পার্থক্য প্রকাশ করবে যে আমরা আসলেই ভদ্র জাতি। একটা কথা বলি, আজ কেউ যদি আপনার মায়ের ছবিকে নগ্নতার সাথে আর দশজনের সামনে প্রকাশ করে, আপনি কি ঘরে বসে আঙ্গুল চুষবেন? বলেন? একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন? নাহ, আপনি কল্পনাতেও আনতে পারছেন না তাইতো? সেই ব্যক্তিকে পেলে নিশ্চিত মার্ডার জাতীয় কিছুও করে ফেলতে পারেন, আর এটাই বাস্তবতা। আচ্ছা, আপনাদের কাছে এই সোনার বাংলাদেশটাকে কি মায়ের মত মনে হয়না বলেন? এই বাংলাদেশ তো আমাদের মা-ই নাকি? কেন এই দেশের বিরুদ্ধে কথা বললে চুপ করে থাকবেন? কেন? রক্তে কি জ্বালা ধরেনা? অনলাইন হোক আর যেখানেই হোক, যেভাবেই হোক, এই দেশের ভাবমূর্তিই তো নষ্ট হচ্ছে নাকি?

তাই সবাইকে অনুরোধ করছি, যে যার স্থান থেকে প্রতিবাদ করুন, ভদ্র ভাবে, যেন অন্য দেশের মানুষও বুঝতে পারে যে ভারত বা পাকিস্তানের মত দেশের ইউটিউবাররা কতটা জঘন্য।

আমরা মুখে বললেই হবেনা যে আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। কাজে করে দেখাতে হবে। আমাদেরকে কেন ওয়ান ম্যান আর্মি হতে হবে? ষোল কোটি বাংলাদেশীই হবে দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ। তাই বলছি,

যত পারুন ভিডিওটি শেয়ার করুন, ভাইরাল করুন, আর নিজেরাও নিজেদের প্রতিবাদী কন্ঠের আওয়াজ তুলুন।

ইউটিউব এনালাইটিক্স এবং Audience Retention

Now Reading
ইউটিউব এনালাইটিক্স এবং Audience Retention

একটি অনবদ্য নাম ইউটিউব। যেখানে কোটি কোটি ভিডিওর সমাহার। এমন কিছু নেই যা ইউটিউব এ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার দৈনন্দিন জীবনের যে কোন প্রয়োজনে ইউটিউব থেকে ইনফরমেশন নিতে পারবেন এবং তা কাজে লাগাতে পারবেন। এ পর্যন্ত ইউটিউব এ যত ভিডিও আপলোড করা হয়েছে তা দেখতে মোটামুটি সতের বছর সময় কেটে যাবে। আর বর্তমানে ইউটিউব এ মানুষ টাকা উপার্যন করছে। ইউটিউব এ চ্যানেল খুলে এবং নিজের চ্যানেল এ ভিডিও আপলোড এর মাধ্যমে টাকা উপার্যন করা সম্ভব। তবে তা এক দিনে সম্ভব হয়ে ওঠে না। এর পেছনে অনেক পরিশ্রম ও ধ্যৈর্যতার পরিচয় দিতে হয়।

আমার এই আর্টিকেল এ আপনাদের বলব কিভাবে ইউটিউব এ দর্শক ধরে রাখা যায়। কারণ আপনার ভিডিও যদি অনেক বেশি দর্শক দেখে তবেই আপনি ইউটিউব এ ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে টাকা উপার্যন করতে সক্ষম হবেন।

ইউটিউব এ আপনার চ্যানেল এ দর্শক ধরে রাখার ক্ষমতা কে বলা হয়ে থাকে Audience Retention. এর পেছনে কিছু Hardwork ও Analytics কাজ করে। আপনি আপনার প্রতিটি আপলোড করা ভিডিও এনালাইসিস করার মাধ্যমে দর্শকের আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে অনেক গুলো জটিল ও কৌশলী পন্থা কাজে লাগাতে হবে। অনেক ধরণের উপায় অনুসরণ করতে হয়। তবে আপনার চ্যানেল যদি জনপ্রিয় হয় তাহলে কাজগুলো অনেক সহজ হয়ে যায়।

Audience Retention ব্যাপার টি খুবই এনালাইটিক্যাল। আর এর জন্য আপনাকে আপনার চ্যানেল এর প্রতি ডেডিকেটেড হতে হবে। আপনার আপলোড করা প্রতিটি ভিডিও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণ করতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক ঠিক কি ধরণের টুলস কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার চ্যানেল এর Audience Retention  বাড়াতে পারবেন।

প্রথমেই যে বিষয় টি আসে তা হচ্ছে আপনার দর্শকদের বুঝতে পারা। এর মানে হচ্ছে ঠিক কি ধরণের দর্শক আপনার চ্যানেল এর প্রতি  আকর্ষিত। আপনার দর্শক আপনার কাছ থেকে ঠিক কি চায়। কোন ধরণের ভিডিও তারা আশা করে। এছাড়াও আপনাকে বুঝতে হবে কেমন বয়সী মানুষ আপনার ইউটিউব চ্যানেল এর ভিডিও দেখছে। কারণ  বর্তমানে ছোট থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই ইউটিউব ব্রাউজ করে। তাই আপনাকে আপনার দর্শক বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী কন্টেন্টফুল ভিডিও আপনার চ্যানেল এ আপলোড করতে হবে যাতে  করে আরো বেশি সংখ্যক দর্শক আপনার ভিডিও দেখার জন্য আগ্রহী হয়।

Average View Duration: এটি দ্বারা বুঝায় ঠিক কত মানুষ আপনার ভিডিও দেখেছে। ইউটিউব অর্থ উপার্যনের একটি অংশ ভিডিও দেখার ওপর নির্ভর করে। আপনার ভিডিও দেখার জন্য যত বেশি মানুষ আপনার ভিডিওতে ক্লিক করবে আপনার অর্থের পরিমাণ তত বেরে যাবে। তবে ভিডিও ভাইরাল করতে হলে অবশ্যই রিসোর্সফুল কন্টেন্ট এর ভিডিও তৈরি করতে হবে। আর ভিডিও কভার যত আকর্ষণীয় করতে পারবেন আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ক্ষেত্রে তত এগিয়ে যাবে।

Average Percentage Viewed: এই টুলস টি দ্বারা বুঝায় যে আপনার ভিডিও ঠিক কত সময় ধরে আপনার দর্শক দেখছে। এটি মূলত নির্ভর করে ভিডিওর মাধ্যমে আপনার দর্শক ধরে রাখার ওপর। আপনার ভিডিওতে রিসোর্সফুল কন্টেন্ট থাকলে দর্শক আপনার পুরো ভিডিও দেখতে আগ্রহী হয়। এতে করে আপনার ভিডিও বেশি পরিমাণে দর্শক দেখে। যা Average Percentage View এর হার বাডিয়ে দেয়।

এছাড়াও Average audience retention and Relative audience retention নামের দুটি টুলস আছে। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বিশ্লেষণ করতে পারবেন আপনার ভিডিও ঠিক কত সময় ধরে দেখা হয় এবং আপনার ভিডিওর প্রতি দর্শকের প্রতিক্রিয়া কেমন। আপনার ভিডিও যদি শুধু ভিউ হয় কিন্তু ভিডিও দেখার সময়ের পরিমাণ কম হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনি দর্শকের আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারেন নি। আপনার ভিডিও দেখার গড় সময়ের ওপর আপনার উপার্যন নির্ভর করবে।

টিপস এবং স্ট্র্যাটেজী

আপনারপুরো ভিডিওর উপর দর্শকের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা নির্ভর করে ভিডিওর প্রথম ১০-১৫ সেকেন্ড কন্টেন্ট এর উপর। আপনি যদি দর্শক ধরে রাখতে চান তবে আপনাকে এমন ভিডিও তৈরি করতে হবে যা দেখে প্রথম ১০ সেকেন্ড বা প্রথম ১৫ সেকেন্ডেই দর্শক অভিভূত হয় এবং পরবর্তী পুরো ভিডিও দেখতে আগ্রহী হয়।

আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে আপনার দর্শক ঠিক কি দেখতে পছন্দ করে। তারা কি বিষয়ের উপর ভিডিও দেখতে বেশি আগ্রহী। সেগুলো যেকোন কন্টেন্ট এর হতে পারে। হতে পারে আপনার দর্শক শিক্ষামূলক ভিডিও বেশি পছন্দ করে কিংবা হেল্পফুল ভিডিও বা মজার ভিডিও। আপনাকে এই বিষয়টি বুঝে উঠতে হবে তবেই আপনি ইউটিউবিং এ উন্নতি করতে পারবেন।

আপনাকে ইউটিউব এর জিওগ্রাফী বুঝতে হবে। বুঝতে হবে ভৌগোলিক দিক থেকে ঠিক কোন জায়গার বা কোন এলাকার মানুষ আপনার ভিডিও বেশি দেখে বা বেশি পছন্দ করে। এছাড়াও আপনাকে এছাড়াও আপনাকে আপনার দর্শকের ব্যবহৃত ডিভাইস সম্পর্কে ভালো ধারণা লাভ করতে হবে। তারা ঠিক কোন ডিভাইস গুলো বেশি ব্যবহার করে থাকে।

Screenshot_2017-05-26-10-55-35.png

Screenshot_2017-05-26-10-56-45.png

উপরের বিষয়গুলো আপনাকে অনেক ভালোভাবে আয়ত্ব করতে হবে। ইউটিউবিং এ অর্থ উপার্যনের ক্ষেত্রে নানা ধরণের কলাকৌশল ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হয়। অনেক ধরণের টিপস কাজে লাগাতে হয়। সস্তায় শর্টকাটে অর্থ উপার্যনের কথা কখনোই চিন্তা করবেন না। আপনাকে পরিশ্রমী হতে হবে। এছাড়াও আপনাকে অনেক বেশি ধৈর্যশীল হতে হবে। কারণ ইউটিউবিং এ কেউ একদিনে অর্থ উপার্যন করতে পারে না। অবশ্যই ধৈর্য নিয়ে কাজ করতে হয়। আর তবেই আপনি টাকার মুখ দেখতে পারবেন। আশা করি আমার টিপস গুলো অল্প হলেও আপনাদের কাজে আসবে।

অশ্লীলতার শীর্ষে যে ইউটিউবার

Now Reading
অশ্লীলতার শীর্ষে যে ইউটিউবার

প্রথমে বমি করবেন, এরপর শরীর খারাপ হবে, এরপর চোখ আর কান দিয়ে রক্ত পড়বে, এরপর শ্বাস নিতে কষ্ট হবে, এরপর প্রচন্ড ঘৃনায় স্ট্রোক করে বসবেন। ঠিক এমনই ভিডিও তৈরী করছে বাংলাদেশের কজন তথাকথিত “ইউটিউবার”। নিজেদের এরা এভাবেই পরিচয় দেয়। এদের ভিডিও দেখলে আপনার যেকোন ধরনের রিঅ্যাকশন হতে পারে। মারাত্মক অশ্লীল কথা এবং ভিডিও দিয়ে এরা ইউটিউবের একটি নির্দিষ্ট শ্রেনীর জন্য ভিডিও তৈরী করে আর পাবলিকলি আপলোড করে সবার জন্যই। সেই নির্দিষ্ট শ্রেনীর দর্শকরাই হলো আবার গুগল সার্চে “বাংলা চটি” এই সার্চ শব্দটাকে বাংলাদেশ থেকে খোজা প্রথম ৫ টি সার্চ স্ট্রিং এর খেতাব দিয়ে রেখেছে বছরের পর বছর। এধরনের দুজন ইউটিউবারকে আমি খুজে পেয়েছি।  এ ব্যাপারে আমার নতুন তৈরী  নীচের ভিডিওটি দেখুন এরপর এই আর্টিকেলের পরের অংশটি পড়ুন।

বিটলা বয়েজ – নামের এই ইউটিউব চ্যানেলl বেশ কদিন ধরেই বাংলাদেশের অনলাইন তথা ইউটিউব হোম পেজকে দূষিত করে রেখেছে। মনে রাখবেন, কোমলমতির শিশুরাও কিন্তু ইউটিউব দেখে আর তার এসব নোংরা ভিডিও সে এতদিন সবাইকে দেখিয়ে বেড়িয়েছে। লিয়াকত হাসান জীবন নামের একটি ছেলে এই ভিডিওগুলো সব তৈরী করে আর চ্যানেলটি চালায়।

বাংলাদেশে বসে ইউটিউবের হোমপেজ বা ফিড দেখলে দুনিয়ার আজেবাজে সব ভিডিওতে সয়লাব থাকে। মনে হয় ইউটিউবে না, কোন পর্ন সাইটে আছি। আর ইউটিউবে বাংলাদেশ লিখে সার্চ দিলে এসব ভিডিও বেশি প্রাধান্য পায়। আর বাংলাদেশের মান সম্মান লাঠে উঠে।

এগুলো হলো অবক্ষয়ের লক্ষন। আমি চাইলে এসব অবক্ষয়ের সাথে বাংলাদেশের নানা ধরনের অপরাধের কানেকশন দেখাতে পারি। ধর্ষন হতে শুরু করে ইভ-টিজিং, পর্নগ্রাফি, হিডেন ভিডিও, চুরি করে কারো একান্ত ব্যাক্তিগত ভিডিও করা, অশালীন কথাবার্তা এবং আরো কত কি। এসব চ্যানেলে যারা সাবসক্রাইব করে এবং নিয়মিত দেখে এরাও কিন্তু সেই অবক্ষয়ের সাথেই আছে। হয়তো এদের কাছ থেকেই অনেক অপরাধের জন্ম দিচ্ছে। যারা দেখছে এসব ভিডিও এবং যারা বানাচ্ছে – তাদের সবাইকে একই কাতারেই ফেলতে হবে। কারন এরা কিন্তু সমমনা। পার্থক্য এখানে – একজন বানাচ্ছে, আরেকজন সেই জিনিষ দেখছে। অনেকটা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষন ঘটনাগুলোর মত। একজন ধর্ষন করছে তো আরেকজন দেখছে।

তাই আপনাদেরকে অনুরোধ করছি, এগুলো বন্ধ করার জন্য, এধরনের চ্যানেল দেখার সাথে সাথে এগুলো ইউটিউবে রিপোর্ট করবেন। এবং সেই সাথে এটাও মনে রাখবেন, হয়তো আপনার ঘরের কেউ, বা আপনার সন্তান, ছোট ভাই বা বোনও এসব ভিডিও দেখছে। এসব মানসিক বিকারগ্রস্তদের কাছ থেকে সাবধান।

Page Sidebar