খেলাধূলা
Now Reading
সেইদিন আমাদের বিপক্ষে স্বয়ং ঈশ্বর খেলেছিলেন
235 47 0

সেইদিন আমাদের বিপক্ষে স্বয়ং ঈশ্বর খেলেছিলেন

by Maruf HossainOctober 29, 2017
What's your reaction?
লাইক ইট!
0%
FUNNY
0%
Sad
0%
Boring
0%

বিংশ শতাব্দী শুরুর দিকে দক্ষিণ আমেরিকা একটি দেশ যেখানে চাঁদাবাজি, খুন, সন্ত্রাস সেখানকার নিত্যনৈমিক ঘটনা সেখানকারই এক চরম মাত্রার নেশাগ্রস্ত লোক আমারো। দিন আনতে পান্তা ফুরোয় আমারোর। যাও আয় করেন তার থেকে বেশি ব্যয় করেন নেশার কাজে। সেই আমারোর ঘরে জন্ম নিলো এক ফুটফুটে ছেলে। নাম রাখা হলো ম্যানুয়েল ডস সান্তোস।
বাবার নেশার কু প্রভাব পড়ল ম্যানুয়েলের উপর। জন্মের পরই বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিল তাঁর। ম্যানুয়েলের মেরুদণ্ডের হাড় ছিলো বাঁকা, ডান পায়ের পাতা ছিলো বাইরের দিকে বাঁকানো, বাম পা ডান পায়ের চেয়ে ৬ সেন্টমিটার ছোট এবং ভিতরের দিকে বাঁকানো ছিলো। সাধারণভাবে চিন্তা করলে আমরা এ ধরণের কোনো মানুষকে প্রতিবন্ধী বলেই আখ্যা দেবো। ম্যানুয়েল ছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী। নিজের বয়সের ছেলেদের তুলনায় ছিলেন খুবই খর্বাকৃতির। তাঁর বোন রোসা এজন্য তাঁকে ডাকতেন ‘গারিঞ্চা’ নামে। গারিঞ্চা হলো এক ধরণের ছোট পাখি। তাঁর যখন ৪ বছর বয়স এই গারিঞ্চা নামটি তাঁর বন্ধু এবং পরিবারের কাছে পরিচিত হয়ে উঠলো। ফলে সবাই তাঁর আসল নাম ম্যানুয়েল ভুলে গিয়ে গারিঞ্চা ডাকা শুরু করল।

“দ্যা গ্রেটেস্ট থ্রি মিনিটস ইন ফুটবল হিস্ট্রি” একজন ফুটবল প্রিয় সমর্থক এর কাছে হয়তোবা এই বিষয়টা অজানা নয় আর এই বিস্ময়কর ঘটনার জন্মদাতা গারিঞ্চা এর কথাই বলতেছি যাকে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তাদের অফিসিয়াল ট্রিবিউটে তাকে বর্নণা করেছে একটি নামে; “দ্যা চ্যাপলিন অফ ফুটবল”ফুটবলের চ্যাপলিন । কখনও তাকে বলা হয়েছে “দ্যা ফরগটেন লিজেন্ড”আবার আবার কখনও তাকে প্রবল ভালোবাসায় ‘ও আঞ্জো ডি পারনাস টর্টাস’নামে অবিভূত করা হয়েছে।

শারীরিক গঠনের দিক থেকে দেখলে মনে হবে সে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধ কিন্তু মানসিক দিক দিয়ে অন্য যে কারো থেকে অনেক অনেক গুণ বেশী বুদ্ধিমান ।শারীরিক দূর্বলতা নিয়ে জন্মগ্রহনের কারনে বার বার তাকে নিজেকে প্রমাণ করতে দেওয়া হই নি ,সহ্য করেছেন অনেক অপমান , অনেক কষ্ট ।বাঁকা পা নিয়ে ফুটবল খেলবে ? যেই দেখতো-শুনতো সেই একটা উপহাস আর অবিশ্বাস মিশ্রিত চোখে ইগনোর করতো তাকে,তারপরেও দমে যান নি এই মহান প্লেয়ার ।
একে একে অনেক ব্যর্থতার পরে ,অনেক তিরস্কার ,উপহাসের পরে , অনেক কষ্ট অনেক অপমান এর পরে অবশেষে ফুটবল ঈশ্বর কৃপা করলেন গারিঞ্চার উপরে ।ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলো এই জাদুকরের ।ট্রায়েলের সুযোগ পেলেন তৎকালীন ব্রাজিলীয়ান বড় ক্লাব বোটাফগোতে ।কিন্তু এখানেও অনেক বাঁধা, নিজেকে প্রমাণ করতে হবে বেষ্টদের বিপক্ষে । তারপরেই তো শুরু করতে পারবেন নিজেকে অনন্য পর্যায় নিয়ে যাবার অভিযান ।
বাঁকা পায়ের ছেলেটে যখন বোটাফগো ট্রেনিং গ্রাউন্ডে পৌঁছায় তখন তার সামনে খাঁড়া করা হয় জাতীয়দলের সেরা লেফটব্যাক নিল্টোন সান্তোসকে ।ট্রায়েলের সময় সবাই গারিঞ্চার অদ্ভুত বাঁকা পা দেখতে পেলেন,নিল্টন সান্তোস তাকে এ নিয়ে স্লেজিংও করতে লাগলেন ।আর গারিঞ্চা কি করলেন? সিম্পল, তিনি ন্যাশনাল টিমের দেশ সেরা লেফট ব্যাককে ড্রিবল করে চলে গেলেন !!!
ট্রায়াল শেষে নিল্টন সান্তোস গারিঞ্চাকে নিয়ে ক্লাব প্রেসিডেন্টের কাছে গেলেন আর বললেন;এই প্লেয়ারটাকে তাড়াতাড়ি সাইন করো, যাতে আমাকে তার বিপক্ষে খেলতে না হয় !
১৯ জুলাই ১৯৫৩ তে বোটাফোগোর হয়ে অভিষেক হয় গারিঞ্চার। ম্যাচটি বনসাক্সেসোর বিপক্ষে। নিজের প্রথম ম্যাচেই তাঁর দল জেতে ৫-০ গোলে। আর গারিঞ্চা? তিনি করেছিলেন হ্যাট্ট্রিক! এরপর গারিঞ্চা নিয়মিত তাঁর প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে যেতে লাগলেন। তিনি এবং জুনিনিহো মিলে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে নতুন এক ধরণের আক্রমণাত্মক মেজাজ নিয়ে আসেন। গারিঞ্চা দুর্দান্ত খেললেও ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পান নি।এতে তাঁর জেদ আরো চড়ে যায়। ১৯৫৭ সালে বোটাফোগোকে ক্যাম্পেনাও কারিয়োকা জেতান। সেখানে ২৬ ম্যাচে ২০ গোল করেন গারিঞ্চা। যা ছিলো ওই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই পারফরম্যান্স তাঁকে ১৯৫৮ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাইয়ে দেয়।

১৯৬২ বিশ্বকাপের পর গারিঞ্চা রিও তে ফিরে আসেন। ১৯৬২ সালে ফ্লাম্যানঙ্গোকে হারিয়ে বোটাফোগোকে আবারও ক্যাম্পেনাও কারিয়োকা জেতান। গারিঞ্চা ১২ বছর খেলেছিলেন বোটাফোগোর হয়ে। তাঁর ক্যারিয়ারই ছিলো ১৯ বছরের। অর্থাৎ বোটাফোগোতে বেশিরভাগ কাটান গারিঞ্চা। বোটাফোগোর হয়ে ৩ বার ক্যাম্পেনাও কারিয়োকা জেতেন যা ছিলো ব্রাজিলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা। সব মিলিয়ে বোটাফোগোর হয়ে ৫৮১ ম্যাচে ২৩২ গোল করেন। এবং তিনি বোটাফোগোর সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় এবং ক্লাবের প্রতীকও বটে।

১৯৬৬ সালে গারিঞ্চাকে করিন্থিয়ান্সের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। তাঁদের হয়ে মাত্র ১৩ ম্যাচে খেলেন গারিঞ্চা। করেন ১০ গোল। এর দুই বছর পর নিজ দেশ ছেড়ে কলম্বিয়ার পর্তুগিজা কারিয়োকা তে যোগ দেন। সেখানে ৩৩ ম্যাচে করেন ৭ গোল। একই বছর আবারও নিজ দেশের টান অনুভব করেন গারিঞ্চা। ফিরে আসেন ব্রাজিলের ফ্লাম্যাঙ্গোতে। ফ্লাম্যাঙ্গোর হয়ে ২৪ ম্যাচে করেন ৪ গোল। এরপর চলে যান ওলারিয়াতে। সেখানে ৭ ম্যাচে করেন ৭ গোল।গারিঞ্চা ক্লাবে যেমন ছিলেন রাজা তেমনি জাতীয় দলে ছিলেন সম্রাট। ১৯৫৪ বিশ্বকাপের দলে জায়গা পান নি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে নিজের যোগ্যতা দেখিয়ে নির্বাচকদের বাধ্য করেন তাঁকে দলে নিতে। অবশ্য এর আগেই ১৯৫৫ সালে জাতীয় দলে তাঁর অভিষেক হয় চিলির বিপক্ষে। জাতীয় দলে খেলেছেন ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত। ঠিক সেই সময় উত্থিত হয়েছিলনের ফুটবল আকাশের আরেক নক্ষত্র, কালোমানিক পেলে। পেলে এবং গারিঞ্চা কে নিয়ে ব্রাজিলের আক্রমণ হয়ে গেলো ঠেকানোর অসাধ্য।

গারিঞ্চা এবং পেলে যে ম্যাচে একসঙ্গে খেলেছেন সে সব ম্যাচে কখনো হারে নি ব্রাজিল। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে অর্থাৎ গারিঞ্চার শেষ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরির কাছে একটি ম্যাচে হেরে যায় ব্রাজিল, কিন্তু সেই ম্যাচে গারিঞ্চা খেললেও পেলে খেলেন নি।১৯৫৮ বিশ্বকাপ শুরুর এক মাস আগের কথা। ইতালির ফিওরেন্তিনার বিপক্ষে বোটাফোগোর খেলা। গারিঞ্চার পায়ে বল এলো, একে একে গোলকিপারসহ ৪ জন কে কাটালেন, সামনে ফাঁকা গোলপোস্ট। টোকা দিলেই গোল। কিন্তু এ কি! গারিঞ্চা গোলপোস্টের সামনে গিয়ে থেমে গেলেন। কেবল থামলেনই না, পিছন ঘুরে দাঁড়ালেন। তিনি আসলে অপেক্ষা করছিলেন একজন ডিফেন্ডার ছুটে আসার জন্য, একজন এগিয়েও এলো তাঁকে থামাতে, কিন্তু কিসের কি! গারিঞ্চা তাকেও কাটালেন, এরপর গোল করলেন! তাঁর এই অবিশ্বাস্য কান্ডকারখানাতে তিনি ও তাঁর সতীর্থরা মজা পেলেও বোটাফোগোর কোচ খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন প্রতিপক্ষকে এভাবে অসম্মান করায়। তাতে গারিঞ্চার কি এসে যায়!

শুরু হলো ১৯৫৮ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলের প্রথম ২ ম্যাচে গারিঞ্চাকে মাঠে নামানো হলো না। যদিও ম্যাচ ২ টি ব্রাজিল জিতে। এরপর ৩য় ম্যাচে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে গারিঞ্চা নামলেন। একই ম্যাচে অভিষেক হলো পেলের! সোভিয়েতরা ছিলো ফুটবল পরাশক্তি। তাদেরকে সেই বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার মনে করা হয়েছিলো। ব্রাজিল কোচ ভিসেন্তে ফিওলা প্রতিপক্ষকে ভড়কে দিতে ফন্দি আঁটলেন। বুদ্ধিটি ছিলো কিক অফের সাথে সাথে সোভিয়েত কে আক্রমণ করা। কিক অফ করার সাথে সাথে বল পেলেন গারিঞ্চা। তিন জনকে কাটিয়ে শট নিলেন, তাঁর শট ফিরে এলো পোস্টে লেগে। এরপর ম্যাচের ১ মিনিটও যখন পার হয় নি, গারিঞ্চা বল সাজিয়ে দিলেন পেলেকে। পেলের শটও ফিরে এলো ক্রসবারে লেগে! সেই সময়টাকে বলা হয় ফুটবলের সেরা তিন মিনিট। ব্রাজিল ম্যাচটি জেতে ২-০ গোলে। কোয়ার্টারে সামনে পড়ে ওয়েলস।

ব্রাজিল ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় পায়।সেই ম্যাচের পরে ওয়েলস ডিফেন্ডার মেল হপকিন্স গারিঞ্চাকে নিয়ে বলেন-

‘গারিঞ্চা পেলের থেকেও ভয়ংকর। সে একজন ফেনোমেনন এবং তাঁর অদ্ভূত ক্ষমতা আছে, তাঁর পায়ের অসামঞ্জস্যের কারণে বুঝা যায় না সে কোনদিকে যাবে, সে ডান দিকেও যেতে পারে আবার বাম পাকে ডান পা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। আর তাঁর জোরালো শট তো আছেই’।

ফাইনালে মুখোমুখি ব্রাজিল-সুইডেন। ব্রাজিল ১-০ তে পিছিয়ে পড়ল। কিন্তু একটু পরেই গারিঞ্চার গতির তোড়ে তাঁর মার্কার ছিটকে গেল, গারিঞ্চা ভাভার উদ্দেশ্যে ক্রস বাড়ালেন, ভাভা সমতা ফেরালেন। প্রথমার্ধ শেষ হবার কিছুক্ষণ আগে ঠিক একইভাবে গারিঞ্চা ভাভাকে বল বাড়ালেন, ভাভাও ঠিক একইভাবে গোল করে ব্রাজিলকে ২-১ এ এগিয়ে দিলেন। ব্রাজিল প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতলো, দুঃখে প্রলেপ পড়ল মারাকানা ট্র্যাজেডির এবং গারিঞ্চা বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা পেলেন।গারিঞ্চার সতীর্থরা যখন বিশ্বকাপ জয় উদযাপন করছিলেন, গারিঞ্চা এক পাশে বিমর্ষ মনে বসে ছিলেন। আসলে গারিঞ্চা এমনকি ফুটবলের নিয়মগুলোই ভালো করে জানতেন না। তিনি ভেবেছিলেন বিশ্বকাপও লিগের মতো আর ব্রাজিল প্রত্যেক দলের সাথে দুবার করে খেলবে!

১৯৬৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল গেল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। গারিঞ্চা তখন হাঁটুর মারাত্মক ইঞ্জুরিতে ভুগছেন। তবুও প্রথম ম্যাচে তিনি খেললেন, ব্রাজিল বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতলো, গারিঞ্চা ফ্রি কিক থেকে একটি গোলও করলেন, যেটি আবার তিনি ডান পায়ের বাইরের দিক দিয়ে নিয়েছিলেন। পরের ম্যাচে গুডিসন পার্কে ব্রাজিল হাঙ্গেরির কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেল, ব্রাজিলের হয়ে এই একটি ম্যাচেই গারিঞ্চা হেরেছিলেন, কাকতালীয়ভাবে এটিই ছিলো ব্রাজিলের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ। কারণ হাঁটুর ইঞ্জুরি এতটাই প্রকট আকার ধারণ করেছিল যতে তাঁর ক্যারিয়ারই সংশয়ের মুখে পড়ে যায়।

পরের ম্যাচে ব্রাজিল পর্তুগালের কাছে হেরে যায় এবং প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয়। গারিঞ্চা ব্রাজিলের হয়ে ৫০ ম্যাচে ১২ গোল করেন।১৯৭৩ সালে গারিঞ্চা অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বয়স হয়ে গিয়েছিল ৪০। অবসরের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটি কারণ ছিলো, প্রথমবারের মতো নানা হয়েছিলেন গারিঞ্চা। তাঁর মেয়ে এডেনি আলেক্সান্দ্রা নামক এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।

১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৩ এ গারিঞ্চার শেষ ম্যাচ আয়োজন করা হয়, এতে মুখোমুখি হয়েছিল ফিফা বিশ্ব একাদশ এবং ব্রাজিল। ম্যাচটি হয়েছিল মারাকানা স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি দেখতে এসেছিল প্রায় ১ লক্ষ ৩১ হাজার দর্শক। ফিফা বিশ্ব একাদশে মূলত আর্জেন্টাইন এবং উরুগুইয়ান খেলোয়াড়েরাই ছিলেন। অপরদিকে ব্রাজিল দলে খেলেছিলেন পেলে, কার্লোস আলবার্তো সহ ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের কয়েকজন সদস্য। গারিঞ্চা প্রথমার্ধ খেলেছিলেন। ম্যাচের এক পর্যায়ে রেফফারি খেলা থামিয়ে দেন যাতে গারিঞ্চা উঠে যেতে পারেন। গারিঞ্চা উঠে যাওয়ার সময় সকল দর্শকসহ খেলোয়াড়েরা তাঁকে অভিবাদন জানায়। গারিঞ্চার মাঠ থেকে বেড়িয়ে যাবার মধ্যে দিয়ে শেষ হয় একটি যুগের।গারিঞ্চা যতটা না ভালো ফুটবলার ছিলেন তাঁর থেকে ভালো মদখোর ছিলেন।

About The Author
Maruf Hossain
Maruf Hossain

You must log in to post a comment